৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:০৭ এম

ইংলিশ লিগ কাপের (কারাবাও কাপ) সেমিফাইনালে প্রথম লেগে জয়ের পর দ্বিতীয় লেগেও সহজ জয় পেয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। নিউক্যাসল ইউনাইটেডকে হারিয়ে প্রতিযোগিতায় ১০ বারের মতো ফাইনালে উঠল সিটিজেনরা।
বুধবার রাতে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে ম্যানচেস্টার সিটির জয় ৩-১ ব্যবধানে। দুই লেগ মিলিয়ে নিউক্যাসল ইউনাইটেডের বিপক্ষে ৫-১ গোলের জয় পেপ গার্দিওলার দলের।
এ নিয়ে ২০২১ সালের পর আবারো এই প্রতিযোগিতার ফাইনালে উঠলো ম্যান সিটি। আরেক সেমিফাইনালে চেলসিকে হারিয়ে আগেই ফাইনালে উঠেছে আর্সেনাল।
বুধবার রাতে ঘরের মাঠ ইতিহাদ স্টেডিয়ামে শুরুতেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় ম্যান সিটি। সপ্তম মিনিটে ওমর মারমুশের গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। এই ম্যাচে যে কি না খেলেছেন আর্লিং হলান্ডের জায়গায়।
এরপর একের পর এক আক্রমণ শানায় ম্যান সিটি। তবে নিউক্যাসলও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করেছিল। জো উইলক ও অ্যান্থনি গর্ডনের শট দারুণভাবে ঠেকান সিটি গোলকিপার জেমস ট্র্যাফোর্ড।
২৯ মিনিটে হেড থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন মারমুশ। তিনি মিনিট পর তিজানি রেইনডার্স গোল করলে বিরতির আগেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আকাশি-নীলরা।
দ্বিতীয়ার্ধে নিউক্যাসল কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। ৬২ মিনিটে অ্যান্থনি এলাঙ্গা দৃষ্টিনন্দন শটে একটি গোল শোধ দেন।
তবে শেষ পর্যন্ত আর কোনো বড় পরিবর্তন হয়নি। দুই লেগ মিলিয়ে ৫-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে কারাবাও কাপের ফাইনালে ওঠে ম্যানচেস্টার সিটি।
আগামী ২২ মার্চ লন্ডনের ঐতিহাসিক ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে ফাইনালে আর্সেনালের মুখোমুখি হবে ম্যানচেস্টার সিটি।
ট্যাগঃ ফুটবল, ম্যানচেস্টার সিটি, কারাবাও কাপ, নিউক্যাসল ইউনাইটেড।
No posts available.
৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৭:৪৭ পিএম
৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৪:২৯ পিএম
৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১:৪৭ পিএম

চেলসি ম্যানেজার লিয়াম রসেনিয়র নিজের সাফল্যের পথ ধরে যাচ্ছিলেন, কিন্তু আর্সেনালের কাছে দুইবারের পরাজয় তাকে কঠিন পরীক্ষায় ফেলেছে। সাবেক স্ট্রাসবুর্গ ম্যানেজারের অধীনে চেলসির ৮টি ম্যাচের মধ্যে দুইটি ছিল কারাবাও কাপ সেমিফাইনালের লেগ। উভয় লেগে হেরেছে দ্য ব্লুজরা। মঙ্গলবার রাতে এমিরেটস স্টেডিয়ামে কাই হাভার্টজের ৯৭ মিনিটের গোল স্বপ্নভঙ্গ করেছে চেলসির।
ম্যাচের পর রসেনিয়র বলেন, “আমি দেখতে পাচ্ছি আমাদের প্রথম লেগ থেকে দ্বিতীয় লেগে পরিষ্কার উন্নতি হয়েছে। হ্যাঁ, হারতে কষ্ট হয়—আপনি চাইতেন আমরা পরবর্তী ধাপ পার হই। আমাদের শুধু আরও উন্নতি করতে হবে—যা আমি স্পষ্টভাবে দেখছি।”
শনিবার প্রিমিয়ার লিগে ওলভসের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে চেলসি। রসেনিয়র কারাবাও কাপ ও আর্সেনালের ম্যাচের একটি ঘটনা নিয়েও কথা বলেন।
আরও পড়ুন
| ফাইনালে ভারত বলেই বেশি আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ অধিনায়ক |
|
তিনি জানান, ওয়ার্ম-আপ চলাকালীন আর্সেনালের কিছু খেলোয়াড় চেলসির সাইডে ঢুকেছিল, যা তিনি অনুচিত মনে করেছিলেন। ঘটনার সময় রসেনিয়র তার কোচিং স্টাফের দিকে ইঙ্গিত করে প্রতিক্রিয়া দেখান। প্রথমে মনে করা হয়েছিল তিনি খেলোয়াড়দের জন্য রেগে ছিলেন, তবে পরে রসেনিয়র নিশ্চিত করেন, খেলোয়াড়দের নয়, তার কোচিং স্টাফের ওপরই হতাশা প্রকাশ করেছিলেন।
রসেনিয়র বলেন, “আমি সবসময় শ্রদ্ধাশীল। ওয়ার্ম-আপ চলাকালীন আপনারা আপনার সাইডে থাকবেন, অন্য দল তাদের সাইডে। আমি কখনও আমার দল বা কোচদের বলিনি বিপক্ষের সাইডে ঢুকতে। সেই মুহূর্তে মনে করিনি তারা যেখানে ছিল, তা ঠিক।”
তিনি আরও যোগ করেন, “তারা আমাদের খেলোয়াড় ও স্টাফের ওয়ার্ম-আপে বাধা দিচ্ছিল। তাই আমি (হয়তো ভদ্রভাবে নয়) বলেছিলাম যেন তারা নিজেদের সাইডেই থাকে। আমি মনের খেলা খেলতে আসিনি। এটা শুধু আমার মনে যা ঠিক এবং শ্রদ্ধাশীল। আশা করি তারা তা মেনে চলবে, এবং অন্য দলগুলোরও একইভাবে চলা উচিত।”

লিগ পর্বের তিন ম্যাচে শতভাগ জয়। ৯ পয়েন্ট পেয়ে অপরাজিত হয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠে বাংলাদেশ। ভুটান ও নেপালকে হারানোর আগে বাংলাদেশের কাছে ২-০ গোলে পরাজিত হয় ভারত। ৬ পয়েন্ট নিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ প্রতিবেশী দেশটি।
নেপালে আগামী শনিবার সাফের ফাইনালে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও ভারত। এই প্রতিযোগিতার সর্বশেষ ফাইনালেও খেলেছিল দুই দল। ২০২৪ সালে কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে রুদ্ধশ্বাস সেই ফাইনাল গড়ায় টাইব্রেকারে। যেখানে যুগ্মভাবে চ্যাম্পিয়ন হয় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দেশ।
আরেকটি ফাইনালে মাঠে নামার আগে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ চায় শিরোপাটা নিজেদের করে নিতে। আজ বাফুফের (বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন) পাঠানো ভিডিও বার্তায় সেই কথাই জানিয়েছেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক অর্পিতা বিশ্বাস। বলেছেন, 'আমরা মানসিকভাবে প্রস্তুত আছি; তাদেরকে (ভারত) হারাতে পারবো এবং চ্যাম্পিয়ন ট্রফি বাংলাদেশে নিয়ে ফিরবো ইনশা আল্লাহ। আমরা মরণপণ চেষ্টা করবো যেন ট্রফিটা বাংলাদেশে নিয়ে যেতে পারি।'
প্রতিযোগিতায় নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আলপি আক্তার ও অর্পিতার গোলে ভারতকে হারায় পিটার বাটলারের দল। ওই ম্যাচে হারানোর পর একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ফাইনাল বলে বেশি জোর দিয়ে বলতে পারছেন বলে জানান অর্পিতা, 'আমরা ফাইনালে ভালো কিছু করবো। যেহেতু ভারতকে আমরা একবার হারিয়েছি, আবার তাদের সঙ্গে আমাদের ফাইনাল খেলা। তো আমাদের মধ্যে আলাদা একটা এনার্জি কাজ করছে।'
বাংলাদেশ দলের পরিস্থিতি এবং দলের মনোভাব ইতিবাচক। দলে কোনো ইনজুরি প্রভাব নেই বলেও জানা গেছে। আগামী পরশু তাই পূর্ণ শক্তির দল নিয়েই মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

আসন্ন বিশ্বকাপে কী নেইমার খেলবেন? অমীমাংসিত এই প্রশ্ন বেশ পীড়া দিচ্ছে ব্রাজিল সমর্থকদের। সান্তোসের এই তারকা নিজেও জানিয়েছেন, সম্ভবত শেষবারের মতো তিনি বিশ্বকাপে খেলতে চান। তবে সেলেসাওদের হয়ে তাঁর প্রত্যাবর্তন এখনো অনিশ্চিত, আর এই পরিস্থিতিতে ব্রাজিলের এক কিংবদন্তি সোজাসাপ্টা মন্তব্য করে বলেছেন—নেইমার না থাকলে ব্রাজিল হয়ে যাবে ‘আর দশটা দলের মতোই সাধারণ একটি দল।’
১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে শিরোপা জেতানো রোমারিও দেশটির ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আইকনিক ব্যক্তিত্ব। দুইবার কোপা আমেরিকা ও একবার কনফেডারেশনস কাপজয়ী সাবেক বার্সেলোনা ও ভ্যালেন্সিয়া ফরোয়ার্ডের বিশ্বাস, বর্তমান ব্রাজিল দলের কেন্দ্রবিন্দু এখনও নেইমারই। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রাফিনিয়ার মতো উঠতি তারকা নয় বরং ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার সামর্থ্য রাখেন নেইমার, এমনটাই মনে করছেন রোমারিও।
ব্রাজিলের ম্যাগাজিন ‘ভেজা’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেইমার বিশ্বকাপ মিস করলে তার প্রভাব কেমন পড়বে এ নিয়ে রোমারিও বলেন, ‘নেইমারের অনুপস্থিতি ব্রাজিলের জন্য অবশ্যই বড় ধাক্কা হবে। ষষ্ঠ শিরোপা তখন আরও দূরে সরে যাবে। আমরা শুধু আশা করতে পারি সে শারীরিকভাবে সুস্থ থাকবে এবং নিজের সবটুকু দিতে পারবে।’
আরও পড়ুন
| বয়কটের সিদ্ধান্তে অনড় রোনালদো, আল নাসর ছাড়ার ইঙ্গিত |
|
নেইমারের ফিটনেস নিয়ে অনিশ্চয়তা মেনে নিলেও রোমারিও জোর দিয়ে বললেন, শতভাগ ফিট না থাকলেও সাবেক বার্সেলোনা-পিএসজি তারকা ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিতে সক্ষম, ‘সে পুরোপুরি ফিট থাকবে কি না জানি না, কিন্তু নেইমার যদি ৭০ শতাংশ ফিটও থাকে, তাতেই যথেষ্ট—সে তখনও দলকে সাহায্য করতে পারে, পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।’
রোমারিও আরও যোগ করেন, ‘আর নেইমার ছাড়া জাতীয় দল দুর্ভাগ্যজনকভাবে আর দশটা দলের মতোই হয়ে যায়।’
এদিকে ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি ইতোমধ্যে জানিয়েছেন, নেইমার বিশ্বকাপের জন্য বিবেচনায় থাকবেন কেবল তখনই, যখন তিনি পুরোপুরি ফিট থাকবেন। অবশ্য ব্রাজিলের কোচের সঙ্গে এ জায়গায় একতম নন রোমারিও, কিংবদন্তি এই ফুটবলার মনে করেন শতভাগ ফিট না থাকলেও নেইমার ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারেন।
২০২৩ সালের ১৭ অক্টোবর। উরুগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচে হাঁটুর লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়ার পর থেকে প্রায় আড়াই বছর কেটে গেছে, নেইমারকে ব্রাজিলের জার্সিতে দেখার অপেক্ষা কেবলই বেড়েছে সমর্থকদের। এই সময়ে মাঠের ভেতরে-বাইরে সেলেসাও দলে এসেছে বড় ধরনের পরিবর্তন—নেতৃত্বে বদল হয়েছে, আর আগের মতো আধিপত্যও অনেকটাই কমে গেছে।
নেইমারবিহীন সময়ে ব্রাজিল মোট ২৬টি ম্যাচ খেলেছে—প্রীতি ম্যাচ, ২০২৪ কোপা আমেরিকা এবং কনমেবল বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব মিলিয়ে। এই সময়ের ফলাফল ছিল ১১টি জয়, ৮টি ড্র এবং ৭টি হার। পাশাপাশি কোপা আমেরিকায় উরুগুয়ের কাছে কোয়ার্টার ফাইনালেই বিদায় নিতে হয়েছে। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের পয়েন্ট টেবিলে ব্রাজিল শেষ করেছে পঞ্চম স্থানে; আগের ফরম্যাট হলে বিশ্বকাপের সবচেয়ে সফল দলটির প্লে-অফ খেলতে হতো।

ক্রীড়াজগতের চিরাচরিত নিয়ম—বয়স বাড়লেই প্রয়োজন ফুরিয়ে আসে। নামী তারকাদের খুব কমজনই ক্যারিয়ারের শেষটা রাঙাতে পারেন সাফল্যে। যত দিন দাপট আর জৌলুস, তত দিনই কদর। ভার্জিল ভ্যান ডাইকের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম হবে—এমন নিশ্চয়তা দিয়ে বলা কঠিন।
৩৪ বছর বয়সী নেদারল্যান্ডস সেন্টারব্যাক আট বছর ধরে লিভারপুলের রক্ষণভাগের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ২০১৮ সালে সাউথাম্পটন ছেড়ে স্বপ্নের ক্লাব অ্যানফিল্ডে পা রেখেছিলেন তিনি। এরপর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হয়ে ওঠেন দলের আস্থার প্রতীক। কোচ বদলেছে, সতীর্থ বদলেছে—কিন্তু লিভারপুলের লাল জার্সিতে জয়ের ক্ষুধা নিয়ে ছুটে চলেছেন ভ্যান ডাইক।
অল রেডসের হয়ে এখন পর্যন্ত ৩৫৩ ম্যাচ খেলেছেন ভ্যান ডাইক। রক্ষণভাগের নেতা হলেও নামের পাশে রয়েছে ৩১টি গোল। লিভারপুলের জার্সিতে জিতেছেন সম্ভাব্য সব বড় শিরোপা—চ্যাম্পিয়নস লিগ, প্রিমিয়ার লিগ, এফএ কাপ, ক্লাব বিশ্বকাপ ও ইএফএল কাপ।
আরও পড়ুন
| ফাইনালে নতুন তারকার জন্য নিয়ম পাল্টানোর দাবি গার্দিওলার |
|
তবুও বাস্তবতা এড়ানো যায় না। সময়ের সঙ্গে একদিন হয়তো ছাড়তে হবে নিজের স্বাচ্ছন্দ্যের জায়গা। কারণ, ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে রক্ষণভাগে নতুন মুখ যোগ করছে লিভারপুল। ২০২৫–২৬ মৌসুমের শীতকালীন দলবদলে রেঁনের ফরাসি সেন্টার ব্যাক জেরেমি জাকেতকে প্রায় ৬০ মিলিয়ন পাউন্ডে দলে ভেড়ায় ক্লাবটি।
মাত্র ২০ বছর বয়সী এই ডিফেন্ডারকে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে নেওয়ার পেছনে রয়েছে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা। সে কারণেই ভ্যান ডাইকের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। তবে লিভারপুল কোচ আর্নে স্লট স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন—এটি কোনো তাড়াহুড়োর সিদ্ধান্ত নয়।
প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে স্লট বলেন, ক্লাব কখনোই কেবল স্বল্পমেয়াদি ভাবনায় সিদ্ধান্ত নেয় না; বরং মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাই এখানে অগ্রাধিকার পায়। তিনি স্বীকার করেন, ভ্যান ডাইক আর ১০ বছর লিভারপুলে খেলবেন না। তবে তার চুক্তির এখনও দেড় বছর বাকি আছে এবং ফিট থাকলে সময়টা আরও বাড়তে পারে।
স্লট আরও বলেন, এই বয়সেও প্রতি তিন দিনে একবার করে খেলা—ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে—ভ্যান ডাইকের পেশাদারিত্বের বড় প্রমাণ। একই সঙ্গে তিনি জানান, ভবিষ্যতে ভ্যান ডাইক ছাড়া সময় আসবে—এই বাস্তবতা মাথায় রেখেই লিভারপুল সব পজিশনে আগেভাগে প্রস্তুতি নিচ্ছে।

নিউক্যাসল ইউনাইটেডকে হারিয়ে গতকাল রাতে ইংলিশ লিগ কাপের ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ম্যানচেস্টার সিটি। শিরোপা নির্ধারণী মঞ্চে প্রতিযোগিতার একটি নিয়ম নিয়ে প্রকাশ্যে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন] সিটি কোচ পেপ গার্দিওলা। এই নিয়মের পরিবর্তনও চেয়েছেন তিনি।
আর্সেনালের বিপক্ষে আগামী ২২ মার্চ ওয়েম্বলিতে লিগ কাপের ফাইনালে মুখোমুখি হবে ম্যান সিটি। এই ম্যাচে নতুন ডিফেন্ডার মার্ক গেইহিকে খেলাতে নিয়ম পরিবর্তনের দাবি তুলেছেন গার্দিওলা।
লিগ কাপের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো খেলোয়াড়কে যদি সেমিফাইনালের প্রথম লেগ শুরু হওয়ার পর দলে নেওয়া হয়, তাহলে প্রতিযোগিতার বাকি ম্যাচে তাকে আর খেলানোর সুযোগ নেই।
নিউক্যাসলের বিপক্ষে সেমিফাইনালের প্রথম লেগ জয়ের পর জানুয়ারিতে ক্রিস্টাল প্যালেস থেকে গেইহিকে দলে ভেড়ায় সিটি। ফলে এই ইংলিশ ডিফেন্ডার টুর্নামেন্টের বাকি অংশে খেলতে পারছেন না।
এই নিয়মকে ‘অযৌক্তিক’ বলছেন গার্দিওলা। সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগ শেষে ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমরা অনেক টাকা দিয়ে একজন খেলোয়াড় কিনেছি, কিন্তু সে কেন (গেইহি) ফাইনালে খেলতে পারবে না-এটা আমি বুঝতে পারছি না। আশা করি লিগ কাপ কর্তৃপক্ষ বিষয়টা বিবেচনা করবে।’
গার্দিওলা আরও বলেন, ‘আমরা তাঁর বেতন দিচ্ছি, সে আমাদের খেলোয়াড়। তাহলে সে কেন ফাইনাল খেলতে পারবে না? এটা তো যৌক্তিক না।’
জানুয়ারিতে সিটির আরেক সাইনিং অঁতোয়ান সেমেনিও সেমিফাইনালে খেলেছেন। মূলত প্রথম লেগের আগেই দলে যোগ দেওয়ায় সুযোগ পান তিনি। এই বৈষম্য নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন গার্দিওলা।
ম্যানচেস্টার সিটির পক্ষ থেকে লিগ কাপ কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছেন গার্দিওলা। তবে একই সাথে স্বীকার করেছেন টুর্নামেন্টের মাঝপথে নিয়ম পরিবর্তন করা প্রায় অসম্ভবও।