
মাঠে নামার আগেই খবরটা পেয়ে গিয়েছিলেন লিওনেল মেসি ও লুইস সুয়ারেজ। এমএলএসের প্রথম ম্যাচে নিউইয়র্ক সিটির বিপক্ষে ম্যাচ শেষে অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির ঘাড়ে হাত দেওয়ার দায়ে জরিমানা করা হয়েছে মেসিকে। একই ম্যাচে একই ধরনের কাণ্ডে জরিমানা গুনতে হচ্ছে উরুগুয়ে তারকাকেও। তবে এগুলো খুব একটা প্রভাব ফেলতে পারেনি আর্জেন্টিনা অধিনায়কের খেলায়। বরং কানসাস সিটির বিপক্ষে আরও একবার দেখিয়েছেন নিজের ঝলক।
গত মঙ্গলবার রাতে এমএলএসের ডিসিপ্লিনারি কমিটি মেসিদের আর্থিক জরিমানা করে। তবে আর্থিক পরিমাণে কত সেটা এখনো নিশ্চিত নয়। তার মাঝেই বুধবার ভোরে মাঠে নামেন মেসি ও সুয়ারেজ। কনকাকাপে সাবেক দুই বার্সা সতীর্থই দেখা পান গোলের। সেই সাথে ৩-১ গোলের জয়ে কনক্যাকাপে নিশ্চিত হয় ইন্টার মায়মির শেষ ষোলো।
আরও পড়ুন
| এবার মেসির কাছে রেফারির জার্সির আবদার |
|
এদিন ১৯ মিনিটে দারুণ এক গোল করেন মেসি। সুয়ারেজের ক্রস ডিবক্সের ভেতর বুক দিয়ে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে সেটা ভলিতে রূপান্তরিত করেন। এরপরের দৃশ্য তো সবার খুব চেনা। বাঁ পায়ের জোরালো শটে বল জড়ান জালে। প্রথমার্ধে অতিরিক্ত সময়ে আবারও গোলের দেখা পায় মায়ামি। তাদেও আলেন্দে নাম লেখান স্কোর শিটে, এর এক মিনিট মাদে গোলে দেখা পান সুয়ারেজও।
তাতে প্রথমার্ধেই জয় অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যায় মায়ামির। অবস্থা বুঝে মেসি, সুয়রাজেদের দ্বিতীয়ার্ধে তুলে কোচ নেন হাভিয়ের মাসচেরানো। একটা গোল কানসাস সিটি ফেরত দিলেও বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে মায়ামি।
ম্যাচ শেষে মাসচেরানো, তরুণদের বাড়তি প্রশংসা করেছেন।
“অবশ্য আমি অভিজ্ঞদের সাথে কাজ করতে বেশি পছন্দ করি, তবে আমি এটা জানি যে তরুণরাই আমাদের অনেক কিছু দিতে পারে। আমরা চেষ্টা করবো আবার তাদের যথেষ্ট সময় দিতে, তাদের উপর বিশ্বাস রাখতে।”
No posts available.
১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ৯:২১ পিএম
১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ৯:০৫ পিএম
১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ৮:১৭ পিএম
১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ৬:২৯ পিএম
১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ৬:১৫ পিএম

হামজা চৌধুরীর আগমন ঘিরে বাংলাদেশের ফুটবলে নতুন করে জোয়ার উঠেছে। যদিও জাতীয় দলকে নিয়ে সমর্থকদের এই উন্মাদনা কেবল পল্টনের জাতীয় স্টেডিয়ামেই দেখা গেছে। তার কারণ ইংল্যান্ডের লেস্টার সিটি তারকা আসার পর যতগুলো হোম ম্যাচ বাংলাদেশ খেলেছে সবগুলোই হয়েছে ঢাকায়। এবার হামজা-জামালদের খেলা সিলেটবাসী দেখতে পাবেন নিজ জেলার স্টেডিয়ামে বসে।
আগামী ৩১ মার্চ এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে শেষ ম্যাচটি খেলবে বাংলাদেশ। সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে খেলাটি হবে প্রতিপক্ষের মাঠে। তার আগে ২০ মার্চ শুরু হবে জাতীয় দলের ক্যাম্প। ২৮ মার্চ দেশ ছাড়বে বাংলাদেশ। এর মাঝে ১০ দিনের মধ্যে একটি ফিফা প্রীতি ম্যাচ খেলতে চায় বাংলাদেশ। ওই ম্যাচের জন্য এখন পর্যন্ত দুটি দেশের- পূর্ব তিমুর ও কম্বোডিয়ার সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। এই দুই দলের মধ্যে যে কোনো এক দলের সঙ্গে ম্যাচ খেলার বিষয়টি চূড়ান্ত হবে বলে জানানো হয়।
আজ শনিবার বাফুফে ভবনে বসে ন্যাশনাল টিমস কমিটির মিটিং। সেখানে আলোচনার অন্যতম বিষয় ছিল সিঙ্গাপুর ম্যাচ। মিটিং শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন বাফুফের মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম বাবু। তিনি বলেন,
‘মার্চে ফিফা উইন্ডোতে আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচ হবে এবং আজকে সর্বসম্মতিক্রমে আমরা একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দুইটা দেশের সঙ্গে আমাদের আলাপ-আলোচনা চলতেছে। দুই দেশের মধ্যে একটি হচ্ছে কম্বোডিয়া, অন্যটি তিমুর লেসতে। এই দুই দলের মধ্যে আমরা যে কোনো একটা দলকে নিব।’
সবকিছু ঠিক থাকলে প্রায় তিন বছর পর সিলেটে জেলা স্টেডিয়ামে ফিরবে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের খেলা। এর আগে ২০২৩ সালের মার্চে সিশেলসের বিপক্ষে এই মাঠে খেলেছিল লাল সবুজের প্রতিনিধিরা। এরপর আর সিলেটে হয়নি কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ।
ফুটবলকে ঢাকার বাইরে ছড়িয়ে দিতে এবং সমর্থকদের জাতীয় দলের খেলা দেখার সুযোগ করে দিতেই বাফুফে এখন ঢাকার বাইরে খেলা আয়োজনের পক্ষে। এছাড়া এই ম্যাচ দিয়ে সিলেটে খেলা ফেরাতে চায় বাফুফে। সিলেটে ম্যাচ আয়োজন নিয়ে আমিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন,
‘আমাদের ইচ্ছা আছে খেলাটা হোমে রাখার। দেশের মাটিতে এই খেলাটার জন্য সকলেই একমত এবং সেই সঙ্গে এই খেলাটা দিয়ে সিলেট স্টেডিয়ামের ওপেনিংটা আমরা করবো। এভাবে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।’
এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশ পাঁচ ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপে তৃতীয় স্থানে আছে। সিঙ্গাপুর ১১ পয়েন্ট নিয়ে আছে শীর্ষে। ৮ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয়তে হংকং। ২ পয়েন্ট নিয়ে সবার নিচে ভারত।

বহু জল্পনা-কল্পনার পর সাবেক ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড অধিনায়ক মাইকেল ক্যারিকে ক্লাবের অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ দেয় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। প্রথম ম্যাচেই ম্যানচেস্টার ডার্বির কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েন। তবে ঘরের মাঠে সব চাপ একপাশে রেখে রেড ডেভিলদের ডাগআউটে প্রথম ম্যাচেই দূর্দান্ত এক জয়ের স্বাক্ষী হলেন ক্যারি।
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে আজ ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে ২-০ গোলে জিতেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। দুটি গোলই আসে দ্বিতীয়ার্ধে। প্রথমে ব্রায়ান এমবাউমোর গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর প্যাট্রিক ডর্গুর গোলে ব্যাবধান দ্বিগুণ করে স্বাগতিকরা।
এই জয়ে লিগে তিন ম্যাচ আর সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে চার ম্যাচ পর জয়ে ফিরল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ২২ ম্যাচে ৩৫ পয়েন্ট নিয়ে চারে উঠে এসেছে তারা। এরমধ্যে ইউনাইটেডের জয় ৯ ম্যাচ, ড্র ৮ এবং ৫টিতে হেরেছে তারা।
এদিকে লিগ জয়ের দৌড়ে আরও পিছিয়ে পড়ল ম্যানচেস্টার সিটি। এক ম্যাচ বেশি খেলেই শীর্ষে থাকা আর্সেনাল থেকে সাত পয়েন্ট পিছিয়ে সিটিজেনরা। ২২ ম্যাচে ৪৩ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে তারা। অবশ্য ২১ খেলে সমান পয়েন্ট নিয়ে তিনে থাকা অ্যাস্টন ভিলা নিজেদের অন্তত পয়েন্ট আদায় করলেই দ্বিতীয় স্থানও হারাবে আর্লিং হলান্ডরা।
নতুন কোচের অধীনে খেলা ম্যান ইউনাইটেড প্রথমার্ধে গোলের সুযোগ তৈরিতে ম্যান সিটি থেকে ঢের এগিয়ে ছিল। শুরুতেই হ্যারি ম্যাগুয়েরের হেড পোস্টে লেগে ফিরে আসে। এরপর আমাদ দিয়ালো ও ব্রুনো ফার্নান্দেজ—দুজনেরই গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়।
১৯৮তম ম্যানচেস্টার ডার্বির আগে প্রিমিয়ার লিগের পয়েন্ট টেবিলে ইউনাইটেড আছে সপ্তম স্থানে। শেষ ছয় ম্যাচে মাত্র একটি জয় পেলেও শীর্ষ চারের থেকে তারা এখনো মাত্র তিন পয়েন্ট পিছিয়ে।
পুরো ম্যাচে ৬৮ শতাংশ বল দখলে রেখেও আসল কাজই করতে পারেনি ম্যান সিটি। যেখানে ১১ শট নিয়ে ৭টি লক্ষ্যে রাখে ম্যান ইউনাইটেড, আর সাতটি শট নিয়ে মাত্র একটি গোলমুখে রাখতে পেরেছে গার্দিওলার শিষ্যরা।
বিপরীতে, ৭২ শতাংশ বলের দখল থাকলেও সেটার খুব একটা সদ্ব্যবহার করতে পারেনি ম্যানচেস্টার সিটি। শুরুর অর্ধে মাত্র একটি শট টার্গেটে রাখতে পেরেছে পেপ গার্দিওলার দল।
অফসাইডের ফাঁদ এড়িয়ে দ্বিতীয়ার্ধেই সিটিকে কাবু করে ইউনাইটেড। ৬৫ মিনিটে ডেড লল ভাঙেন এমবাউমো। আফ্রিকা কাপ অফ নেশন্স থেকে ফিরেই লিড এনে দেন ম্যান ইউনাইটেডের শীর্ষ গোলদাতা ক্যামেরুনের ফরোয়ার্ড। দারুণ একটি প্রতি আক্রমণ ব্রুনো ফার্নান্ডেস ক্যামেরুন অধিনায়ককে বল বাড়ান এরপর এমবাউমো শান্তভাবে বলটি ডানদিকের নিচের কোণে জালে পাঠিয়ে দেন। সিটির গোলকিপার জিয়ালুইজি ডোনারুম্মা করার ছিল না কিছুই।
এরপর ১০ মিনিট যেতে না যেতেই ম্যাথুউস কুনহার অ্যাসিস্টে ব্যবধান ২-০ করেন ডর্গু। শেষদিকে আরেকটি গোল পেতে পারত ইউনাইটেড। তবে আরেকটি অফসাইডে কাটা পড়ে সেই গোলও।

এবারের নারী লিগে গোলবন্যা চলছেই; হচ্ছে রেকর্ডের পর রেকর্ড। গত ৪ জানুয়ারি রাতে রাউন্ড-টু এর ম্যাচে কাচারিপাড়া একাদশ উন্নয়ন সংস্থাকে ২৩-০ গোলে বিধ্বস্ত করে ফরাশগঞ্জ স্পোর্টিং ক্লাব। আজকের আগে সেটিই ছিল এবারের নারী লিগে রেকর্ড ব্যবধানে জয়। কিন্তু সেই রেকর্ড টিকলো মাত্র দুই সপ্তাহ। আজ সেই একই দলের বিপক্ষে ২৪-০ গোলের জয় তুলে নিয়েছে লিগে নবাগত রাজশাহী স্টার্স।
বাংলাদেশের নারী ফুটবল লিগের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোল ব্যবধানের জয়টি অবশ্য ২০১১ সালের। সেবার শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব ২৬-০ গোলে হারায় আরামাবাগ ক্রীড়া সংঘকে।
কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে শনিবার হয় লিগের আজ ষষ্ঠ রাউন্ডের খেলা। দিনের চতুর্থ ম্যাচে রাজশাহীকে মোকাবিলা করে কাচারিপাড়া একাদশ। এই ম্যাচেই রাজশাহী তুলে নেয় বিশাল ব্যবধানের জয়।
দ্বিতীয় মিনিটে ঋতুপর্ণার গোলে শুরু; যোগ করা সময়ের শেষ মিনিটে যার শেষটা টানেন রেশমি আক্তার। তাতে হ্যাটট্রিক পূর্ণ হয় রেশমির। এক গোল করেই সন্তুষ্ট থাকতে হয় ঋতুপর্ণাকে।
এই ম্যাচে সর্বোচ্চ ৭টি করে গোল করেন সৌরভী আকন্দ প্রীতি এবং আলপি আক্তার। হ্যাটট্রিক পেয়েছেন শাহেদ আক্তার রিপা; করেছেন মোট ৪ গোল। এছাড়া একবার করে জালের দেখা পেয়েছেন মুনকি আক্তার ও স্বপ্না রানী।
টানা ৫ ম্যাচে জয়ের সুবাদে ফরাশগঞ্জ এবং বাংলাদেশ আর্মি স্পোর্টস ক্লাব লিমিটেড এর সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষস্থান ভাগাভাগি করছে রাজশাহী। তবে ৫ ম্যাচে মোট ৫৫ গোল করে এক নম্বরে মাহমুদা শরীফা অদিতির দল। সমান ম্যাচে মোট ৫০ গোল করেছে পুরাণ ঢাকার ক্লাব ফরাশগঞ্জ। এই দুই দল বিপরীতে কোনো ম্যাচে গোল হজম করেনি। ৬ ম্যাচ খেলা আর্মি প্রতিপক্ষের জাল কাঁপিয়েছে ৩৭ বার। বিপরীতে দুই গোল হজম করেছে তারা।
গোল হজমের দিক থেকে সেঞ্চুরির কাছাকাছি কাচারিপাড়া। জামালপুরের ক্লাবটি মোট গোল হজম করেছে ৮৮টি। ৬ ম্যাচ খেলে বিপরীতে তারা দুইবার প্রতিপক্ষের জালে বল ঠেলেছে।

দুর্বিষহ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ। ইউরোপের সবচেয়ে সফল ক্লাবটি কালেভদ্রেই এমন কঠিন সময় দেখেছে। প্রিয় ক্লাবের এমন দুর্দশা দেখে ভালো নেই ক্লাবটির সমর্থকরাও। অনেকে মনমরা, অনেকে আবার বেজায় চটে আছেন। সব রাগ-ক্ষোভ উগরে দিতে মাঠে নিজেদের ফুটবলারদেরই দুয়োধ্বনি দিতে কোনো কাপর্ণ্য করছে না তারা।
তবে এবার নিজেদের ক্লাবের সমর্থকদের লাগাম টেনে ধরার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। দর্শকদের রোষানল থেকে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র-কিলিয়ান এমবাপেদের বাঁচাতে অন্যরকম এক ঘোষণা দিল স্প্যানিশ জায়ান্টরা।
আজ বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাতটায় লেভান্তের মুখোমুখি হবে রিয়াল। জাবি আলোনসোকে বরখাস্ত করার পর আজ প্রথমবারের মতো সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ফিরছে রিয়াল মাদ্রিদ। নিজেদের এই ম্যাচের আগে বেশ দুশ্চিন্তায় স্বাগতিকরা। ক্লাবটি আশঙ্কা করছে বার্নাব্যুর গ্যালারিতে আবারও জোরালো দুয়োধ্বনি শোনা যেতে পারে। এর আগে শুধু ভিনি কিংবা এমবাপেকে উদ্দেশ্য করে শিশ আর দুয়োধ্বনি দিলেও এবার সেটা ক্লাবের বিরুদ্ধেও হতে পারে। বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই লেভান্তের বিপক্ষে ম্যাচের আগে সমর্থকদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ কর্তৃপক্ষ।
স্প্যানিশ রেডিও কাদেনা সের–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সমর্থকদের আচরণ নিয়ে কড়া অবস্থান নিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ কর্তৃপক্ষ—বিশেষ করে ‘গ্রাদা দে আনিমাসিওন’ স্ট্যান্ডকে লক্ষ্য করে।
জানা গেছে, ম্যাচ চলাকালে এই অংশের সমর্থকদের ওপর কঠোর নজরদারি চালানো হবে বলে ক্লাবের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনাটি একেবারেই স্পষ্ট ও আপসহীন। ম্যাচ শেষে স্ট্যান্ডটির নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করবে ক্লাব।
জারি করা চূড়ান্ত সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, গ্রাদা দে আনিমাসিওনের যেকোনো সদস্য যদি ক্যামেরায় দলকে উদ্দেশ করে দুয়োধ্বনি দিতে ধরা পড়েন, তাহলে তাকে ওই সেকশন থেকে নিষিদ্ধ করা হবে।
স্টেডিয়ামের প্রধান সমর্থক গ্যালারিতে কোনো ধরনের নেতিবাচকতা সহ্য না করার নীতিই নিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। নির্দিষ্ট এই সমর্থকদের উদ্দেশে ক্লাবের বার্তাটি ছিল একেবারেই সরাসরি—
'যাদের দুয়োধ্বনি দেওয়ার ইচ্ছা আছে, তারা স্টেডিয়ামের বাইরে গিয়ে তা করুক।'
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ভিনিসিউস জুনিয়রের বিরুদ্ধে শিসের শব্দ এবং জাবি আলোনসোর বরখাস্তকে কেন্দ্র করে সমর্থকদের অস্থিরতা আরও বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রশাসন মরিয়া হয়ে চাইছে, ‘গ্রাদা’ যেন প্রতিবাদের মঞ্চ নয়, বরং জোরালো সমর্থনের উৎস হিসেবেই থাকে।
পুরো স্টেডিয়াম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না হলেও, সবচেয়ে সংগঠিত সমর্থক গোষ্ঠীতে ভিন্নমত দমনে আক্রমণাত্মক অবস্থান নিয়েছে ক্লাব।
২০২৫-২৬ মৌসুমে এরমধ্যেই দুটি শিরোপার লড়াই থেকে ছিটকে যাওয়া রিয়াল লিগে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনা থেকে পিছিয়ে। ১৯ ম্যাচে ৪৫ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে আছে লস ব্লাঙ্কোসরা। শীর্ষে থাকা বার্সা থেকে ৪ পয়েন্ট পিছিয়ে তারা। গত কদিন দিনে তৈরি হওয়া তীব্র চাপ থেকে খানিকটা রেহাই পেতে জয়ের কোনো বিকল্প নেই আলভেরো আরবেলোয়ার দলের।

সাফ নারী ফুটসালে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। সাবিনা খাতুনরা ওই ম্যাচে পাওয়া আত্মবিশ্বাস নিয়ে আজ ভুটানকে মোকাবিলায় মাঠে নামেন। তবে নাটকীয়তায় ঠাসা ম্যাচে হার এড়িয়ে ড্রয়ের স্বস্তি নিয়ে মাঠ ছাড়ে সাইদ খোদারাহমির শিষ্যরা।
ব্যাংককের ননথাবুরি হলে ভুটানের বিপক্ষে আজ এক পর্যায়ে হারের শঙ্কায় থাকলেও ঘুরে দাঁড়িয়ে ৩-৩ গোলের ড্র করেছেন বাংলাদেশ। বাংলাদেশের হয়ে গোল করেন সুমাইয়া মাতসুশিমা, মাসুরা পারভীন ও সাবিনা। আগের ম্যাচেও জোড়া গোল করেছিলেন সাবিনা।
এদিন পঞ্চম মিনিটেই গোল হজম করে বসে বাংলাদেশ। জামিয়াং চোডেনের গোলে এগিয়ে যায় ভুটান। দুই মিনিট পরই দূরপাল্লার শটে বাংলাদেশকে সমতায় ফেরান সুমাইয়া।
দ্বিতীয়ার্ধের ষষ্ঠ মিনিটে সোনম লাহমের গোলে আবারও পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। এর কিছুক্ষণ পর গোলকিপারের ভুল পজিশনের সুযোগ নিয়ে সোনম নিজের দ্বিতীয় গোলটি করলে ১-৩ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে খোদারাহমির দল।
ম্যাচ যখন হাতছাড়া হওয়ার উপক্রম, তখন ত্রাতা হয়ে আসেন অধিনায়ক সাবিনা। নির্ধারিত সময়ের ৫ মিনিট আগে ড্রিবলিংয়ে প্রতিপক্ষকে পরাস্ত করে ব্যবধান কমান তিনি। এর কিছুক্ষণ পরই মাঝমাঠ থেকে বল কেড়ে নিয়ে একক প্রচেষ্টায় সমতাসূচক গোলটি করেন ডিফেন্ডার মাসুরা।
দুই ম্যাচ শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ পয়েন্ট। রাউন্ড রবিন লিগের তৃতীয় ম্যাচে আগামী সোমবার নেপালের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।