
বিশ্বকাপ যখন দরজায় কড়া নাড়ছে, তখন বড় এক ধাক্কা খেল ব্রাজিল। সেলেসাওদের তারকা ফুটবলার রদ্রিগো গোস চোটে পড়েছেন। ক্যারিয়ার হুমকি এসিএল (অ্যান্টেরিয়র ক্রুসিয়েট লিগামেন্ট) ইনজুরিতে পড়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের এই উইঙ্গার।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কা জানিয়েছে, এসিএলের চোটে পুরো মৌসুম থেকেই ছিটকে গেছেন রদ্রিগো। তাতে তিন মাস পর শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপও খেলা হচ্ছে না তাঁর। মেডিক্যাল পরীক্ষার পর নিশ্চিত হয়েছে, রদ্রিগো-এর ডান হাঁটুর সামনের ক্রুসিয়েট লিগামেন্টে (এসিএল) চোট ধরা পড়েছে।
গতকাল লা লিগায় হেতাফের বিপক্ষে ১-০ গোলে হেরে যাওয়া ম্যাচে ৫৫ মিনিটে বদলি হয়ে মাঠে নামেন রদ্রিগো। প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল এটি কেবল একটি গুরুতর পা মচকানোর কোনো চোট হতে পারে, তবে আনুষ্ঠানিকভাবে মেডিকেল রিপোর্টে ভয়াবহ চোটের বিষয়টি নিশ্চিত হয়।
এসিএলের মতো গুরুতর চোট থেকে সেরে উঠতে দীর্ঘ সময় লাগে। রদ্রিগোর ক্ষেত্রে আনুমানিক সেরে ওঠার সময় সাত থেকে নয় মাস। যদিও কিছু ক্রুসিয়েট লিগামেন্ট চোট সেরে ওঠাতে এক বছর পর্যন্ত সময় নিতে পারে। সাধারণত এই ধরনের চোট থেকে পুনরুদ্ধারে সাত থেকে নয় মাস লাগে। তাতে রিয়ালে মৌসুম শেষ হওয়ার সঙ্গে ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বসেরা মঞ্চেও দেখা যাবে না তাকে।
ব্রাজিলের সঙ্গে রিয়াল মাদ্রিদের কোচ আলভারো আরবেলোয়ার কপালেও দুশ্চিন্তার ভাঁজ বড় বাড়ল। এরমধ্যে স্প্যানিশ জায়ান্ট ক্লাবটির ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপেও আছেন চোটে।
এই মৌসুমে খুব একটা মাঠে নামার সুযোগ না পেলেও, ব্রাজিলের বিশ্বকাপ স্কোয়াডে ডাক পাওয়ার সম্ভাবনা ছিল রদ্রিগোর। এটি তাঁর টুর্নামেন্টে দ্বিতীয় অংশগ্রহণ হতে যেত। ২০২২ বিশ্বকাপে ২৫ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড পাঁচটি ম্যাচে ১৮০ মিনিট খেলেছিলেন। সম্ভাবনা আছে, তিনি আগামী সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর মাসে পরবর্তী মৌসুম শুরুর সময় মাঠে ফিরতে পারবেন।
No posts available.
১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩:২২ এম

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে ধোঁয়াশা আছে এখনও। তবে এরমধ্যে আরও একবার ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো আশ্বস্ত করলেন, বিশ্বকাপ খেলবে ইরান। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপে ‘নিশ্চিতভাবেই’ অংশ নিচ্ছে ইরান, এমনটাই বললেন ফিফা সভাপতি।
বুধবার সম্প্রচারক সংস্থা সিএনবিসি আয়োজিত অর্থনৈতিক সম্মেলনে ইরানের বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে কথা বলেন ইনফান্তিনো। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো জোর দিয়ে বলেন, ‘ইরান দল নিশ্চিতভাবেই আসছে। আমরা অবশ্যই আশা করি যে বিশ্বকাপের সময় পরিস্থিতি শান্ত থাকবে, যা সবাইকে সাহায্য করবে। তবে ইরানকে আসতেই হবে। তারা তাদের দেশের মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে, তারা যোগ্যতা অর্জন করে এখানে এসেছে এবং ফুটবলাররা খেলতে চায়।’
তুরস্কের আনতালিয়ায় ইরানের অনুশীলন ক্যাম্প পরিদর্শনের পর ইনফান্তিনো আরও ইতিবাচক হয়ে উঠেন, ‘দুই সপ্তাহ আগে আমি ওদের অনুশীলনে গিয়েছিলাম। ওরা খেলার জন্য মুখিয়ে আছে। খেলাধুলাকে রাজনীতির বাইরে রাখা উচিত। আমরা তো আর চাঁদে বাস করি না, এই পৃথিবীতেই থাকি। সম্পর্কের এই সেতুগুলো তৈরি রাখা এবং মানুষকে ঐক্যবদ্ধ রাখাই আমাদের কাজ।’
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর থেকেই ইরানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। ২০২৫ সালের মার্চে এশিয়ার অন্যতম সেরা দল হিসেবে তারা বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছিল। তবে যুদ্ধের দামামা সেই আনন্দ ম্লান করে দেয়।
আরও পড়ুন
| মিউনিখ ট্র্যাজেডিতে ট্রফিশূন্য মৌসুমের মুখে রিয়াল |
|
সূচি অনুযায়ী, ইরানের গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচই যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। মার্চের শুরুর দিকে ইরান সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় জানানো হয়েছিল যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের পক্ষে বিশ্বকাপে খেলা সম্ভব নয়। এমনকি তারা যুক্তরাষ্ট্রে না গিয়ে ইরানের ম্যাচগুলো মেক্সিকোতে সরিয়ে নেওয়ার জন্য ফিফার কাছে অনুরোধও জানিয়েছিল।
তবে গত সপ্তাহে মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শিনবাম নিশ্চিত করেন, ফিফা ইরানের সেই আবেদন নাকচ করে দিয়েছে। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, বিশ্বকাপ তার নির্ধারিত সূচি অনুযায়ীই চলবে।
সূচি অনুযায়ী, আগামী ১০ জুনের মধ্যে ইরান দলকে অ্যারিজোনার টাসনে তাদের ক্যাম্পে পৌঁছাতে হবে। ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে এই ফুটবল মহাযজ্ঞ। ইরানের প্রথম ম্যাচ ১৫ জুন, ক্যালিফোর্নিয়ার সোফাই স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। এরপর তারা বেলজিয়াম ও মিশরের মুখোমুখি হবে। এমনকি ইরান যদি নকআউট পর্বে ওঠে, তবে সেই ম্যাচগুলোও যুক্তরাষ্ট্রেই হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
ফিফা আশাবাদী হলেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্য ছিল কিছুটা রহস্যময়। তিনি বিভিন্ন সময়ে বলেছেন, ইরান দল আসুক বা না আসুক তাতে তাঁর কিছু যায় আসে না। আবার কখনও বলেছেন, তারা এলে তাদের 'স্টার' হিসেবেই আপ্যায়ন করা হবে। তবে সেই সঙ্গে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিয়ে এক ধরনের ঝুঁকির আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন তিনি।

চ্যাম্পিয়নস লিগ ১৫ বার এবং লা লিগা ৩৬ বার জয়ের রেকর্ড রিয়াল মাদ্রিদের। এই শতাব্দীতে মাত্র চারটি মৌসুমে (২০০৪-০৫, ২০০৫-০৬, ২০০৯-১০ এবং ২০২০-২১) তারা কোনো বড় ট্রফি জিততে পারেনি। এমনকি ২০২৪-২৫ মৌসুমে ক্লাবটি যখন লিগ বা চ্যাম্পিয়নস লিগ জিততে পারেনি, তখনও অন্তত উয়েফা সুপার কাপ বা ফিফা ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপের মতো ট্রফিগুলো তাদের ঘরে উঠেছে।
তবে এই মৌসুম ছিল রিয়াল মাদ্রিদের জন্য চরম ধারাবাহিকতাহীন। ক্লাবটি মৌসুম শুরু করেছিল কোচ জাবি আলোনসোর হাত ধরে। প্রথম ১০ ম্যাচের পর বার্সেলোনাকে হারিয়ে ৫ পয়েন্টের ব্যবধানে লিগ টেবিলের শীর্ষে ছিল তারা। কিন্তু এরপরই টানা চার ম্যাচে জয়হীন থাকতে হয় তাদের। জানুয়ারিতে স্প্যানিশ সুপার কাপে বার্সার কাছে হারলে আলোনসো পদত্যাগ করেন। এরপর দায়িত্ব নেন তারই সাবেক সতীর্থ আরবেলোয়া। তাঁর রিয়ালে কোচিং ক্যারিয়ার শুরু হয় দ্বিতীয় বিভাগের দল আলবাসেতের কাছে কোপা দেল রে-তে হেরে।
সবকিছু মিলিয়ে জুড বেলিংহাম ভালো করেই জানতেন মিউনিখে কী ঘটতে যাচ্ছে। ম্যাচের আগে বেলিংহাম বলেছিলেন, ‘চ্যাম্পিয়নস লিগে যে কোনো হারই বিপর্যয়ের মতো। লিগের যে অবস্থা, তাতে আমাদের জন্য প্রতিটি ম্যাচই ফাইনাল। আমরা স্রেফ ম্যাচ খেলে যেতে চাই না, বরং শিরোপার লড়াইয়ে টিকে থাকতে চাই। মনে হচ্ছে যেন এই খেলার ওপরই সবকিছু নির্ভর করছে। আমাদের বিষয়টাকে সেভাবেই দেখতে হবে। এটা হয় সব পাবে, নয়তো কিছুই পাবে না— এমন একটা খেলা।’
বুধবার রাতে আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় এগিয়ে গিয়েও ৪-৩ ব্যবধানে ম্যাচ হেরেছে রিয়াল মাদ্রিদ। ৮৬ মিনিটে এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। তখনও ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল রিয়াল। দুই লেগ মিলিয়ে ম্যাচ তখন সমতায়। খেলা গড়াবে অতিরিক্ত সময়ে, এমনই আভাস ছিল। কিন্তু ১০ জনের রিয়ালকে কোনঠাসা করে ফেলে বায়ার্ন। শেষ মুহূর্তে দুই গোল দিয়ে ম্যাচও জিতে নেয় তারা। দুই লেগে মিলিয়ে ৬-৪ ব্যবধানে জেতে বাভারিয়ানরা।

বুধবার রাতে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে বিদায় নিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। দুই লেগ মিলিয়ে ৬-২ ব্যবধানে হেরেছে স্প্যানিশ জায়ান্টরা। এই পরাজয় তাদের রূঢ় বাস্তবতার মুখোমুখি দ্বার করাচ্ছে। মৌসুমে কোনো ট্রফি জেতা এখন দূরের স্বপ্ন রিয়াল মাদ্রিদের জন্য।
আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গার অসংযমী আচরণের পর রিয়াল মাদ্রিদকে দুঃস্বপ্নে ঠেলে দেয়। এগিয়ে থাকার পরও ফ্রান্স মিডফিল্ডারের রেড কার্ডের মাশুল দিতে হয় রিয়ালকে। ৮৬ মিনিটে ১০ জনের দলে পরিণত হওয়ার দুই মিনিটের মাথায় বায়ার্নকে সমতায় ফেরান লুইস দিয়াস। যোগ করা সময়ে অতিথিদের আরও এক গোল দেয় তারা। দ্বিতীয় লেগ শেষ পর্যন্ত ৪-৩ ব্যবধানে হারে আলভারো আরবেলোয়ার দল।
ইউরোপে ট্রফি জেতার স্বপ্ন যখন শেষ রিয়ালের; লা লিগায় সেই ট্রফি জিততে আরও কঠিন এবং অবিশ্বাস্য কিছু ঘটতে হবে। লা লিগায় বার্সেলোনার চেয়ে ৯ পয়েন্ট পিছিয়ে থাকা রিয়াল যদি বাকি ৭ ম্যাচে অবিশ্বাস্য কিছু করতে না পারে, তবে এই শতাব্দীতে পঞ্চমবারের মতো ট্রফিশূন্য মৌসুম পার করতে হবে তাদের।

একটা সময় চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রিয়াল মাদ্রিদ মানেই ছিল অপ্রতিরোধ্য কিছু। জিনেদিন জিদান বা কার্লো আনচেলত্তির অধীনে দলটির খেলোয়াড়রা অনেক কঠিন পরিস্থিতি জয় করেছে। জাবি আলোনসোকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল রিয়ালকে একটি নির্দিষ্ট কৌশলী ফুটবল উপহার দেওয়ার জন্য। কিন্তু তাঁর সেই অধ্যায় টিকে ছিল মাত্র ৭ মাস।
আলভারো আরবেলোয়া প্রথমে অন্তর্বর্তীকালীন এবং পরে স্থায়ী কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেন। কিন্তু বায়ার্ন মিউনিখের কাছে হেরে দল বিদায় নেওয়ায় এখন তাঁর ভবিষ্যৎ সুতোয় ঝুলছে। টিএনটি স্পোর্টসে সাবেক রিয়াল উইঙ্গার স্টিভ ম্যাকম্যানামান বলেন, ‘রিয়াল মাদ্রিদ আবারও শিরোপাহীন থাকতে যাচ্ছে। আরবেলোয়ার জন্য খারাপ লাগছে, তাঁর পরিকল্পনা দারুণ ছিল কিন্তু দু-একটি ভুল সব শেষ করে দিল।’
বুধবার রাতে ম্যাচ শেষে আরবেলোয়া কামাভিঙ্গার লাল কার্ডকে অন্যায্য দাবি করলেও হারের দায় নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘হারের জন্য আমিই দায়ী এবং এর পরিণামও আমি ভোগ করব। আমি আমার খেলোয়াড়দের নিয়ে গর্বিত। লিগে লড়াই এখনো কঠিন, আমাদের শেষ দিন পর্যন্ত লড়ে যেতে হবে। আমরা খুবই হতাশ ও ক্ষুব্ধ।’
আরবেলোয়া নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্পষ্ট করেই বলেন যে, ট্রফিশূন্য মৌসুমের কারণে এর আগে মানুয়েল পেলেগ্রিনি বা জিদানের মতো কোচদের বিদায় নিতে হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘ক্লাব যে সিদ্ধান্তই নিক না কেন, আমি তা মেনে নেব। আমি মনে-প্রাণে রিয়ালের মানুষ। নিজের চেয়ে এই ক্লাব আর সমর্থকদের আমি বেশি ভালোবাসি। কোচ হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করা আমার লক্ষ্য ছিল না, আমার লক্ষ্য ছিল ক্লাবকে সাহায্য করা। ক্লাব যা সিদ্ধান্ত নেবে আমি তাকে সম্মান জানাই।’
.jpeg)
চ্যাম্পিয়নস লিগে এক রোমাঞ্চকর রাত শেষ হলো। যেখানে কোয়ার্টার ফাইনালের ফিরতি লেগের লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ-বায়ার্ন মিউনিখ এবং আর্সেনাল-স্পোর্টিং। আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় প্রথম লেগের মতো ফিরতি লেগেও বাভারিয়ানদের কাছে পাত্তাই পায়নি ইউরোপের সফলতম দল রিয়াল। দুই লেগ মিলিয়ে ৬-৪ ব্যবধানে হেরে বিদায় নিতে হয়েছে আলভারো আরবেলোয়ার শিষ্যদের। অন্যদিকে, ভিন্ন মাঠে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিতের লড়াইয়ে নেমেছিল আর্সেনাল ও স্পোর্টিং।
এমিরেটস স্টেডিয়ামে ফিরতি লেগে সুবিধা করতে পারেনি আর্সেনাল। প্রথম লেগে ১-০ গোলে জেতায় পরের ধাপে পৌঁছে গেছে মিকেল আরতেতার দল। তাতেই ইউয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালের চূড়ান্ত সূচি জানা গেছে।
প্রথম সেমিফাইনালে দিয়েগো সিমিওনের রক্ষণাত্মক কৌশলের আতলেতিকো মাদ্রিদের মুখোমুখি হবে দারুণ ছন্দে থাকা আর্সেনাল। অন্যদিকে, দ্বিতীয় সেমিফাইনালে দেখা যাবে এক ব্লকবাস্টার লড়াই; যেখানে ফরাসি চ্যাম্পিয়ন পিএসজি লড়বে জার্মান জায়ান্ট বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে।
সূচি অনুযায়ী, আগামী ২৮ ও ২৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে সেমিফাইনালের প্রথম লেগ। এরপর ৫ ও ৬ মে ফিরতি লেগের লড়াই শেষে নির্ধারণ হবে কারা খেলবে এবারের স্বপ্নের ফাইনালে।