অন্যান্য

সাকিবের পর টাইলক্সের বিজ্ঞাপনে পাকিস্তানের কিংবদন্তি শোয়েব আখতার

 
অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
ঢাকা

৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৪:৩৯ পিএম

news-details

দেশের শীর্ষস্থানীয় কসমেটিকস, স্কিনকেয়ার ও হোমকেয়ার পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রিমার্ক-হারল্যান গ্রুপের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড টাইলক্সের বিজ্ঞাপনে যুক্ত হলেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি পেসার শোয়েব আখতার। এর আগে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান টাইলক্সের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিলেন।


ক্রিকেট বিশ্বে গতি, শক্তি ও আগ্রাসনের প্রতীক শোয়েব আখতার—যিনি রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস নামে পরিচিত, এবার তিনি সেই শক্তির প্রতিচ্ছবি তুলে ধরছেন ঘরের পরিচ্ছন্নতায়।  নতুন এই বিজ্ঞাপনে টাইলক্সের শক্তিশালী ক্লিনিং ফর্মুলা, জীবাণুনাশক ক্ষমতা ও কার্যকর পরিষ্কারের বার্তা তুলে ধরা হয়েছে। নতুন বিজ্ঞাপনে শোয়েব আখতার “ক্লিন মানেই টাইলক্স- টাইলক্স মানেই ক্লিন” শ্লোগানে সুভাশিত পরিচ্ছন্নতার বার্তা দিয়েছেন।


টাইলক্স মূলত ঘরবাড়ি ও কর্মপরিবেশকে পরিষ্কার, স্বাস্থ্যসম্মত ও জীবাণুমুক্ত রাখতে সহায়ক হিসেবে কাজ করছে। সাধারণত ক্লিনিং প্রোডাক্ট কেমিক্যালের কড়া গন্ধযুক্ত হয়ে থাকে। কিন্তু টাইলক্সের কোনও পণ্যে সেটা নেই এবং এটি বাংলাদেশের একমাত্র ক্ষতিকারক অ্যামোনিয়া-ফ্রি সারফেস ক্লিনিং রেঞ্জ। 


নতুন বিজ্ঞাপন প্রসঙ্গে শোয়েব আখতার বলেন, “আমি সবসময় শক্তি ও পারফরম্যান্সে বিশ্বাস করি। টাইলক্স ঠিক তেমনই—শক্তিশালী, নির্ভরযোগ্য এবং কার্যকর। তাই টাইলক্সের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি আনন্দিত।”


টাইলক্স-এর চীফ বিজনেস অফিসার মারুফুর রহমান জানান, সাকিব আল হাসানের পর শোয়েব আখতারকে যুক্ত করার মাধ্যমে ব্র্যান্ডটি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে চায়। ভোক্তাদের কাছে টাইলক্সকে শক্তিশালী, বিশ্বস্ত ও কর্মদক্ষতাসম্পন্ন হোম কেয়ার ব্র্যান্ড হিসেবে উপস্থাপন করাই এই ক্যাম্পেইনের মূল লক্ষ্য।


রিমার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল আলম বলেন, টাইলক্স হাউজহোল্ড সারফেস ক্লিনিংয়ের জন্য এমন এক সল্যুশন যা শুধু পরিষ্কার করে না, সাথে পরিবেশকেও রাখে সুরভিত। 


তিনি জানান, রিমার্কের প্রোডাক্ট প্রস্তুত হচ্ছে এশিয়ার এই অঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ এবং পরিবেশবান্ধব ইন্ডাস্ট্রিতে। নতুন এম্বাসেডর হিসেবে শোয়েব আখতার যুক্ত হওয়ায় আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ব্র্যান্ডে হিসেবে টাইলক্স নতুন মাত্রা পাবে বলে আশা করেন তিনি।


টাইলক্সের নতুন ব্র্যান্ড এম্বাসেডর হিসেবে শোয়েব আখতারকে নিয়ে করা নতুন বিজ্ঞাপন এরই মধ্যে টেলিভিশন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সম্প্রচার শুরু হয়েছে। এবং দর্শক মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলছে।

No posts available.

bottom-logo

অন্যান্য

স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন টেবিল টেনিসের কিংবদন্তী জোবেরা রহমান লিনু

 
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ঢাকা

৫ মার্চ ২০২৬, ৭:১২ পিএম

news-details

২০২৬ সালের স্বাধীনতা পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন কিংবদন্তী টেবিল টেনিস খেলোয়াড় জোবেরা রহমান লিনু। বৃহস্পতিবার মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ এ বছরের স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করে। 


এ বছর সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, লিনুসহ মোট ২০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পদকের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।


১৯৬৫ সালে রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে জন্ম নেওয়া লিনু অল্প বয়সেই টেবিল টেনিসে নিজের প্রতিভার পরিচয় দেন। বাবার অনুপ্রেরণায় সিলেটের শাহাজীবাজার অফিসার্স ক্লাবে মাত্র ৮ বছর বয়সে টেবিল টেনিস খেলা শুরু করেন তিনি। ১৯৭৭ সালে ১২ বছর বয়সে প্রথমবার জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হন। এরপর ১৯৭৯ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত মোট ১৬ বার জাতীয় মহিলা সিঙ্গেলস চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশের টেবিল টেনিসে অনন্য এক রেকর্ড গড়েন লিনু।


এই অসাধারণ কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০২ সালে তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত হয় গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে। দীর্ঘ ১৮ বছর তিনি বিমান বাংরাদেশ এয়ারলায়েন্স স্পোর্টস ক্লাবের হয়ে খেলেছেন। টেবিল টেনিসে অবদানের জন্য ১৯৯৯ সালে তিনি জাতীয় ক্রীড়া পুরষ্কার লাভ করেন।


আন্তর্জাতিক পর্যায়েও তিনি সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ১৯৮০ সালে এশিয়ান টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপে পঞ্চম স্থান অর্জন করেন এবং ১৯৮২ সালে ভারতের হায়দরাবাদে হওয়া পেন্টাঙ্গুলার চ্যাম্পিয়নশিপে মিক্সড ডাবলসে রানার্স-আপ হন। এছাড়া ১৯৭৭ ও ২০০০ সালে ইন্টারন্যাশনাল টেবিল টেনিস ফেডারেশন আয়োজিত বিশ্ব টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন।


খেলোয়াড়ি জীবন শেষে বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠনের দায়িত্বও পালন করেছেন লিনু। তিনি বাংলাদেশ সাইক্লিং ফেডারেশনের সহ-সভাপতি এবং বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের অ্যাথলেট কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন।


সম্মানজনক পুরস্কারের জন্য বাংলাদেশ টেবিল টেনিস ফেডারেশন শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে জোবেরা রহমান লিনুকে। 

bottom-logo

অন্যান্য

রেড বুল ছাড়ার গুঞ্জন ক্লপের

 
অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
ঢাকা

৩ মার্চ ২০২৬, ৯:৪৩ পিএম

news-details

২০২৪ সালে লিভারপুলের দায়িত্ব ছাড়ার পর কোমল পানীয় প্রতিষ্ঠান রেড বুলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন ইয়ুর্গেন ক্লপ। জার্মান ফুটবল এবং প্রতিষ্ঠানটির ক্লাবগুলোর উন্নয়নে কাজ করার জন্য ‘হেড অব গ্লোবাল সকার’ পদে নিয়োগ দেওয়া হয় তাঁকে। তবে গুঞ্জন উঠেছে, সাবেক অল রেডস কোচের দায়িত্ব কিছুটা খর্ব হয়ে পড়েছে। দায়িত্ব ছাড়ার গুঞ্জন উঠেছে তাঁর।


অস্ট্রিয়ান সংবাদমাধ্যম সালজবুর্গার নাচরিচটেন জানিয়েছে, ক্লপ এবং রেড বুল ম্যানেজমেন্টের মধ্যে কিছুটা দূরত্ব বেড়েছে। কারণ রেড বুলের প্রধান ক্লাবগুলোর অগ্রগতি তেমন সন্তোষজনক নয়। লিপজিগ চ্যাম্পিয়নস লিগে সরাসরি অংশগ্রহণে ক্ষেত্রে বিপত্তির মুখে। বুন্দেসলিগায় তাদের অবস্থান পাঁচে। রেড বুলের অর্থায়নের আরেকটি ক্লাব সালজবুর্গেরও উন্নতি তেমন একটা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।


ওলে ওয়ার্নারকে লিপজিগের ম্যানেজার হিসেবে নিযুক্ত করার ক্ষেত্রে ক্লপের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। বুন্দেসলিগার ক্লাবটির সবকিছু পরিকল্পনা মাফিক না হওয়াতে ক্লপের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।


নাচরিচটেনের সংবাদে বলা হয়েছে, ফরাসি দল প্যারিস এফসির ম্যানেজার নিয়োগের ক্ষেত্রে ক্লপের সাহায্য নেওয়া হয়নি। এ কারণেই ক্লপ কিছুটা হতাশ এবং ক্ষুব্ধ।

 

রেড বুলের সিইও ওলিভার মিনৎসলাফ যদিও ট্রান্সফারমার্কেটকে বলেছেন, 

“এসব সম্পূর্ণ গুজব এবং কোনো ভিত্তি নেই। বরং, আমরা ক্লপের কাজ নিয়ে খুবই সন্তুষ্ট।”
bottom-logo

অন্যান্য

মিসাইল হামলায় ২০ খেলোয়াড় ও কোচের মৃত্যু

 
অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
ঢাকা

২ মার্চ ২০২৬, ১১:০৬ এম

news-details

দক্ষিণ ইরানের ফার্স প্রদেশের লামার্দ শহরে একটি জিমনেশিয়ামে ইসরায়েলের মিসাইল হামলায় অন্তত ২০ জন নারী ভলিবল খেলোয়াড় ও একজন কোচ নিহত হয়েছেন। ইরানের টেলিভিশন চ্যানেল আল মায়েদান ও এসএনএন নিউজ জানিয়েছে এই খবর। 


স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাতে তারা জানায়, জিমে ক্লোজ ডোর অনুশীলনের সময়ই হামলাটি চালানো হয়। এসএননের প্রতিবেদনে বলা হয়, ৪টি ক্ষেপণাস্ত্র ওই এলাকায় আঘাত করেছে। হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করা হয়েছে।


এর আগে শনিবার সকালে লামার্দ শহরের একটি জিমে হামলা চালায় ইসরায়েল। যেখানে প্রাথমিকভাবে ১৫ জনের বেশি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা আইআরআইবি জানায়, হামলার সময় ভবনের ভেতরে শিশুদের উপস্থিতিও ছিল। 


তাশিম সংবাদ সংস্থা দাবি করেছে, শহরের আরও চারটি স্থাপনায় আঘাত হানা হয়েছে। ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় দেশজুড়ে মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়েছে এবং আহত হয়েছেন অন্তত ৭৪৭ জন।


আরও পড়ুন

মেসি ম্যাজিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে মায়ামির জয় মেসি ম্যাজিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে মায়ামির জয়


ভলিবল খেলোয়াড়দের মৃত্যুতে গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক ভলিবল ফেডারেশন (এফআইভিবি)। তাদের আশঙ্কা, এই ঘটনার ফলে ভলিবল সংশ্লিষ্ট হাজারও মানুষ ‘চরম অনিশ্চিত ভবিষ্যতের’ সামনে পড়ে গেছে।


আনুষ্ঠানিক এক বিবৃতিতে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে তাৎক্ষণিক মানবিক সহায়তা দেওয়ার জন্য একটি বিশেষ দল গঠনের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে এফআইভিবি।


বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এফআইভিবি সহযোগিতা, সংলাপ, শান্তি ও সংহতিতে বিশ্বাস করে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি উত্তেজনা প্রশমিত করে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ খুঁজে বের করার আহ্বান জানাই আমরা।’


কর্মকর্তারা জানান, এ হামলার পর অঞ্চলটিতে ক্রীড়াবিদদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। সংঘাতপূর্ণ এলাকায় কাজ করা বা ভ্রমণকারী ক্রীড়াবিদ ও স্বেচ্ছাসেবকদের ঝুঁকির বিষয়টিও নতুন করে সামনে এসেছে।

bottom-logo

অন্যান্য

২ কোটি ২২ লাখে বিক্রি প্রথম অলিম্পিকের মেডেল

 
অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
ঢাকা

২ মার্চ ২০২৬, ১০:৩১ এম

news-details

আধুনিক অলিম্পিকের প্রথম আসরের একটি রৌপ্য পদক ডেনমার্কের এক নিলামে প্রত্যাশার চেয়ে বহু গুণ বেশি দামে বিক্রি হয়েছে। ক্রীড়া ইতিহাসের এই দুর্লভ স্মারকটি রোববার ব্রান রাসমুসেন আর্টস অকশনারের অনলাইন নিলামে হাতবদল হয়।


নিলামে কাড়াকাড়ির পর পদকটি বিক্রি হয় ৯ লাখ ড্যানিশ ক্রোনারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ১ কোটি ৭৩ লাখ টাকার বেশি। আর ক্রেতার প্রিমিয়ামসহ ১৮৯৬ সালের এই পদকটি মোট মূল্য দাঁড়ায় ১১ লাখ ৫২ হাজার ক্রোনার বা ২ কোটি ২২ লাখ টাকার বেশি।  


অথচ অকশনারদের পূর্বাভাস ছিল ২ থেকে ৩ লাখ ক্রোনারের মধ্যে। অর্থাৎ সম্ভাব্য সর্বোচ্চ দামের তুলনায় প্রায় চার গুণ বেশি দামে বিক্রি হয়েছে ঐতিহাসিক এই পদক।


আরও পড়ুন

টিটির অনূর্ধ্ব-১৯-এ সেরা নাফিজ-খই খই, অনূর্ধ্ব-১৫-তে মৃদুল-রোজা টিটির অনূর্ধ্ব-১৯-এ সেরা নাফিজ-খই খই, অনূর্ধ্ব-১৫-তে মৃদুল-রোজা


এই রৌপ্য পদকটি ১৮৯৬ সালের সামার অলিম্পিকসে প্রদান করা হয়েছিল। আধুনিক অলিম্পিকের প্রথম আয়োজন বসেছিল গ্রিসের রাজধানী এথেন্সে, যেখানে ১৪টি দেশের ২৪১ জন ক্রীড়াবিদ অংশ নেন। অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর একটি ছিল ডেনমার্কও।


পদকটির নকশা করেছিলেন ফরাসি শিল্পী জুলস-ক্লেমেন্ত চ্যাপলেইন। পদকের এক পাশে দেখা যায় জিউস একটি গোলক ধরে আছেন, যার ওপর দাঁড়িয়ে আছেন বিজয়ের দেবী নাইকি। তার হাতে অলিভ শাখা। অন্য পাশে খোদাই করা আছে এথেন্সের অ্যাক্রোপলিস ও পার্থেননের চিত্র, সঙ্গে গ্রিক ভাষায় লেখা- “আন্তর্জাতিক অলিম্পিক গেমস, এথেন্স ১৮৯৬।”


নিলাম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পদকটি ডেনমার্কের ক্রীড়াবিদ ভিগো জেনসেনের হতে পারে। তিনি ১৮৯৬ আসরে ভারোত্তোলনে ডেনমার্কের প্রথম অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন। তবে বিক্রি হওয়া পদকটি নির্দিষ্টভাবে তার সেই সাফল্যের স্মারক কি না, তা নিশ্চিত করা যায়নি।

bottom-logo

অন্যান্য

কোকো মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড পেলেন টিটির রানী খই খই

 
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ঢাকা

১ মার্চ ২০২৬, ৭:৪৩ পিএম

news-details

বাংলাদেশ টেবিল টেনিসের অনূর্ধ্ব-১৯ বালিকা ও মহিলা বিভাগে ডবল ক্রাউনধারী ১ নম্বর খেলোয়াড় খই খই সাই মারমা। আজ তাঁকে সম্মাননা প্রদান করেছে লন্ডনভিত্তিক সংস্থা আরাফাত রহমান কোকো মেমোরিয়াল ট্রাস্ট।


দেশের একটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধি হয়েও বালিকা বয়সে সিনিয়র বিভাগে অংশ নিয়ে গতবছর ইসলামিক সলেডারেটি গেমসে মিশ্র দ্বৈতে রৌপ্যপদক জয় করায় টেবিল টেনিস ডিসিপ্লিনে তাঁকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।


রোববার বিকেলে রাজধানীর লা মেরিডিয়ান ঢাকা হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে আয়োজিত জমকালো অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক খই খই সাই মারমার হাতে “আরাফাত রহমান কোকো মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড ২০২৬”-এর সম্মাননা স্মারক ও এক লাখ টাকা আর্থিক অনুদানের চেক তুলে দেন। অনুষ্ঠানে ট্রাস্টের সভাপতি আবু নাসের শেখ ও সাধারণ সম্পাদক সারফরাজ শাপু উপস্থিত ছিলেন।


দেশের ক্রীড়াঙ্গনে সাবেক ও বর্তমান সফল তারকাদের অসামান্য অবদানকে স্বীকৃতি জানাতে ৭টি ডিসিপ্লিনে মোট নয়জন কৃতী ক্রীড়াবিদকে এ বছর এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। 


অন্যান্য পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন আফজাল আহমেদ (ফুটবল), হাবিবুল বাশার সুমন ও মারুফা আক্তার (ক্রিকেট), আমিরুল ইসলাম (হকি), আল আমিন জুমার (ব্যাডমিন্টন) ও সাগর ইসলাম (আর্চারি)। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।


রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার চুশাকপাড়া গ্রাামের প্রত্যন্ত পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উঠে আসা খই খইয়ের টেবিল টেনিসে হাতেখড়ি বান্দরবনের লামায় অবস্থিত কোয়ান্টাম স্কুলে। সেখানকার পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে বাংলাদেশ টেবিল টেনিস ফেডারেশন তাঁকে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে অন্তর্ভুক্ত করে। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চুক্তিভিত্তিক খেলোয়াড় এবং এই বছর বিকেএসপি থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি পরীক্ষার্থী। 


খই খই গত জানুয়ারিতে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে ৮টি ডিসিপ্লিনে অংশ নিয়ে তিনি ৬টি স্বর্ণ, একটি রৌপ্য ও একটি ব্রোঞ্জপদক জিতে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যান। 


আগামী ৮-১১ এপ্রিল ২০২৬ ভারতে অনুষ্ঠিতব্য সাউথ এশিয়ান জুনিয়র টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়ানশিপ-২০২৬ এর প্রাথমিক বাছাইয়ে দুটি সিলেকশনে মোট ১২টি ম্যাচে অপরাজিত থেকে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন।


পুরস্কার গ্রহণের পর খই খই সাই মারমা বর্তমান সরকার ও আয়োজকদেও প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে পদক জয়ের পর তারাই প্রথম তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি বলেন, 

'যেকোনো সম্মাননা কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের স্বীকৃতি। এটি যেমন আনন্দের, তেমনি দেশের প্রতি দায়িত্ববোধও বাড়িয়ে দেয়। ২০২৩-২৫ সালে সাউথ এশিয়ান জুনিয়রে আমি প্রতিবার ব্রোঞ্জপদক জিতেছি। ২০২৬ আমার শেষ সাউথ এশিয়ান জুনিয়র। সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে দেশ ও ফেডারেশনের সুনাম বাড়াতে চাই।'

অন্যান্য থেকে আরও পড়ুন

bottom-logo