অন্যান্য

সাকিবের পর টাইলক্সের বিজ্ঞাপনে পাকিস্তানের কিংবদন্তি শোয়েব আখতার

 
অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
ঢাকা

৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৪:৩৯ পিএম

news-details

দেশের শীর্ষস্থানীয় কসমেটিকস, স্কিনকেয়ার ও হোমকেয়ার পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রিমার্ক-হারল্যান গ্রুপের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড টাইলক্সের বিজ্ঞাপনে যুক্ত হলেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি পেসার শোয়েব আখতার। এর আগে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান টাইলক্সের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিলেন।


ক্রিকেট বিশ্বে গতি, শক্তি ও আগ্রাসনের প্রতীক শোয়েব আখতার—যিনি রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস নামে পরিচিত, এবার তিনি সেই শক্তির প্রতিচ্ছবি তুলে ধরছেন ঘরের পরিচ্ছন্নতায়।  নতুন এই বিজ্ঞাপনে টাইলক্সের শক্তিশালী ক্লিনিং ফর্মুলা, জীবাণুনাশক ক্ষমতা ও কার্যকর পরিষ্কারের বার্তা তুলে ধরা হয়েছে। নতুন বিজ্ঞাপনে শোয়েব আখতার “ক্লিন মানেই টাইলক্স- টাইলক্স মানেই ক্লিন” শ্লোগানে সুভাশিত পরিচ্ছন্নতার বার্তা দিয়েছেন।


টাইলক্স মূলত ঘরবাড়ি ও কর্মপরিবেশকে পরিষ্কার, স্বাস্থ্যসম্মত ও জীবাণুমুক্ত রাখতে সহায়ক হিসেবে কাজ করছে। সাধারণত ক্লিনিং প্রোডাক্ট কেমিক্যালের কড়া গন্ধযুক্ত হয়ে থাকে। কিন্তু টাইলক্সের কোনও পণ্যে সেটা নেই এবং এটি বাংলাদেশের একমাত্র ক্ষতিকারক অ্যামোনিয়া-ফ্রি সারফেস ক্লিনিং রেঞ্জ। 


নতুন বিজ্ঞাপন প্রসঙ্গে শোয়েব আখতার বলেন, “আমি সবসময় শক্তি ও পারফরম্যান্সে বিশ্বাস করি। টাইলক্স ঠিক তেমনই—শক্তিশালী, নির্ভরযোগ্য এবং কার্যকর। তাই টাইলক্সের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি আনন্দিত।”


টাইলক্স-এর চীফ বিজনেস অফিসার মারুফুর রহমান জানান, সাকিব আল হাসানের পর শোয়েব আখতারকে যুক্ত করার মাধ্যমে ব্র্যান্ডটি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে চায়। ভোক্তাদের কাছে টাইলক্সকে শক্তিশালী, বিশ্বস্ত ও কর্মদক্ষতাসম্পন্ন হোম কেয়ার ব্র্যান্ড হিসেবে উপস্থাপন করাই এই ক্যাম্পেইনের মূল লক্ষ্য।


রিমার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল আলম বলেন, টাইলক্স হাউজহোল্ড সারফেস ক্লিনিংয়ের জন্য এমন এক সল্যুশন যা শুধু পরিষ্কার করে না, সাথে পরিবেশকেও রাখে সুরভিত। 


তিনি জানান, রিমার্কের প্রোডাক্ট প্রস্তুত হচ্ছে এশিয়ার এই অঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ এবং পরিবেশবান্ধব ইন্ডাস্ট্রিতে। নতুন এম্বাসেডর হিসেবে শোয়েব আখতার যুক্ত হওয়ায় আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ব্র্যান্ডে হিসেবে টাইলক্স নতুন মাত্রা পাবে বলে আশা করেন তিনি।


টাইলক্সের নতুন ব্র্যান্ড এম্বাসেডর হিসেবে শোয়েব আখতারকে নিয়ে করা নতুন বিজ্ঞাপন এরই মধ্যে টেলিভিশন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সম্প্রচার শুরু হয়েছে। এবং দর্শক মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলছে।

No posts available.

bottom-logo

অন্যান্য

গোলবন্যা ও বিধ্বংসী বোলিংয়ে নতুন কুঁড়িতে চমক আনিতা-নোবেল

 
অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
ঢাকা

৯ মে ২০২৬, ৯:৪২ পিএম

news-details

দেশব্যাপী চলমান প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬’-এ ফুটবল ও ক্রিকেটে অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্স দেখিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছেন দুই খুদে ক্রীড়াবিদ। নওগাঁর আনিতা বাসকের গোলের বন্যা আর বাগেরহাটের আলী মাহমুদ নোবেল বিধ্বংসী বোলিংয়ে চমক দেখিয়েছেন। নিজ নিজ জেলাকে সাফল্যের চূড়ায় নিয়ে গেছেন এই দুই উদীয়মান তারকা।


নওগাঁর পোরশা উপজেলাকে ৭-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়ে বালিকাদের ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ধামইরহাট উপজেলা। ফাইনালের এই দাপুটে জয়ের নায়ক  ধামইরহাট সুফিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী আনিতা বাসকে। ফাইনালে একাই চার গোল করার পাশাপাশি টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কারও জিতেছেন তিনি। পুরো টুর্নামেন্টে দারুণ পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে চার ম্যাচে মোট ১২টি গোল করে নিজের জাত চিনিয়েছেন এই স্ট্রাইকার। কৃষক বাবা অনিল বাসকে এবং মা লক্ষ্মী মুরুমুর কন্যা আনিতার নৈপুণ্যে ধামইরহাট উপজেলা এখন জেলা পর্যায়ে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে।


ক্রিকেটের মাঠে বল হাতে ঝড় তুলেছেন বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার আলী মাহমুদ নোবেল। নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের কোয়ার্টার ফাইনালে মোংলা উপজেলার বিপক্ষে মাত্র ২ ওভার বল করে ৬টি উইকেট শিকার করে হইচই ফেলে দিয়েছেন এই খুদে পেসার। 


এর আগে চিতলমারীর পক্ষে সৌমিক সমাদ্দারের ২৭ বলে ৬৪ রানের ঝড়ো ইনিংসে ১৩৩ রানের বড় লক্ষ্য পায় মোংলা। এরপর নোবেলের বিধ্বংসী বোলিংয়ের মুখে ১০ ওভারে মাত্র ৫৪ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় তারা। চিতলমারী সরকারি এস এম মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র নোবেলের এমন বোলিং নৈপুণ্যেই সহজ জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে চিতলমারী উপজেলা।


তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই দুই প্রতিভা ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচির লক্ষ্যকে আরও সার্থক করে তুলেছে। আনিতা ও নোবেলের মতো ক্ষুদে খেলোয়াড়রাই আগামী দিনে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের বড় সম্পদ হয়ে উঠবে বলে আশা আয়োজকদের।

অন্যান্য থেকে আরও পড়ুন

bottom-logo

অন্যান্য

বিএসপিএ’র সভাপতি রেজওয়ান, সাধারণ সম্পাদক সুদীপ্ত আনন্দ

 
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ঢাকা

৯ মে ২০২৬, ৫:৪৭ পিএম

news-details

বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসপিএ) দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা ২০২৫ ও নির্বাচন ২০২৬-২৭ আজ শনিবার বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) ডাচ বাংলা ব্যাংক মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভাপতি পদে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন চ্যানেল ২৪-এর ডেপুটি স্পোর্টস এডিটর রেজওয়ান উজ জামান রাজিব। সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক আগামীর সময়ের সিনিয়র স্পোর্টস রিপোর্টার সুদীপ্ত আহমদ আনন্দ। 


কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি রেজওয়ানের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের ১৪৪ জন সদস্য। দ্বিতীয় অধিবেশনে বিএসপিএ’র নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোফাখখারুল ইসলাম দিলখোশ। এবারের নির্বাচনে ১৯টি পদের বিপরীতে ১৯টি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। ফলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন সবাই।


এছাড়া দু’জন সহ-সভাপতি পদে দৈনিক নয়াদিগন্তের তালহা বিন নজরুল ও অলআউট স্পোর্টসের আবু নোমান মো. উল্লাহ নির্বাচিত হয়েছেন। দু’জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন যমুনা টিভির নিউজ প্রেজেন্টার ফয়সাল মুহাম্মদ তিতুমীর ও সময় টিভির ক্রীড়া সাংবাদিক সাজিদ মুস্তাহিদ। 


অর্থ সম্পাদক পদে কালের কণ্ঠের স্পোর্টস রিপোর্টার শাহজাহান কবির নির্বাচিত হয়েছেন। সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন চ্যানেল ২৪ এর সিনিয়র স্পোর্টস রিপোর্টার এ কে এম ফয়জুল ইসলাম। পুনরায় দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ মাসুক মিয়া এবং ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন রায়হান উদ্দিন রাসেল। 


এছাড়া নির্বাচিত ৯জন কার্যনির্বাহী সদস্য হলেন- খায়রুল ইসলাম শাহীন, এটিএন বাংলার পরাগ আরমান, ক্রীড়া সাংবাদিক কাজী শহীদুল আলম, মিঞা রফিকুল ইসলাম, বাংলা ট্রিবিউনের সিনিয়র ক্রীড়া সাংবাদিক তানজীম আহমেদ, রাশিদা আফজালুন নেসা, মাহফুজুল ইসলাম, টি-স্পোর্টসের সিনিয়র স্পোর্টস রিপোর্টার নাভিল এলাহী খান, সামসুল আরেফীন খান। 


ফলাফল ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনের অপর দুই সদস্য ইয়াহিয়া মুন্না ও রাহেনুর ইসলাম।


সর্বশেষ মেয়াদেও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন রেজওয়ান উজ জামান। নতুন করে তাঁর ওপরই আস্থা রেখেছেন সমিতির সাধারণ সদস্যরা। এই মেয়াদে নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রত্যয় চ্যানেল ২৪ এর এই সাংবাদিকের, 

‘গত দুই বছর চ্যালেঞ্জিং ছিল। সাফল্য আছে, আক্ষেপও আছে, সীমাবদ্ধতাও আছে আমাদের। এটি দেশের সবচেয়ে প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী সাংবাদিকদের সংগঠন। আমাদের মূল লক্ষ্য ক্রীড়া সাংবাদিকদের মান উন্নয়ন এবং সদস্য যারা আছে তাদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো। সেটা আমরা চেষ্টা করেছি গত দুই বছর। কিছু পেরেছি, কিছু পারিনি। আগামী দুই বছরও আমরা ধারাবাহিকতা রাখতে চাই।’

এছাড়া তিনি জানান নিয়মিত কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা থাকবে এবং সামনে তাঁর একটি বড় ইচ্ছার কথাও জানান। বলেন যে স্পোর্টস জার্নালিস্ট ইনস্টিটিউট করতে চান তিনি। 


আগেও দুই মেয়াদে বিএসপিএ’র সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন নতুন নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক সুদীপ্ত আনন্দ। আরও একবার তাঁর ওপর আস্থা রাখায় সংগঠনটির সাধারণ সদস্যদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি। বলেছেন, 

‘আজ আমাদের প্রাণের সংগঠন বিএসপিএ’র দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভা এবং নির্বাচন ছিল। পুনরায় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব আমার কাঁধে অর্পণ করেছেন সাধারণ সদস্যরা, তাদের প্রতি অনেক কৃতজ্ঞতা।’


তবে দায়িত্ব পেয়েই বসে থাকতে চান না বিএসপি‘র অভিজ্ঞ এই সাংগঠনিক। প্রতিষ্ঠানটির উন্নতি সাধনে আশা জাগানিয়া কিছু পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন তিনি। বলেছেন, 

‘আমরা বিএসপিএ-তে সবসময়ই ক্রীড়া সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নতি সাধনে কাজ করি। অতীতে যারা ছিলেন, তারা ভালো কাজ করেছেন; সেই ভালোর ধারাটা অব্যাহত রাখাটাই বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা একটা স্পোর্টস জার্নালিস্ট ইনস্টিটিউট করতে চাই বিএসপিএ-র নামে, আশা করি সেই লক্ষ্য আমরা পূরণ করতে পারব। পাশাপাশি ক্রীড়া সাংবাদিক ও সদস্যদের ওয়েলফেয়ারে কিছু অবদান রাখতে পারব বলে বিশ্বাস করি।’


Uploaded Image


১৪ বছর বিএসপিএ’র কমিটিতে ছিলেন সামন হোসেন। পরপর দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদকের। এর আগেও ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক পদে। তবে এবার তিনি আর কমিটিতে থাকছেন না। নির্বাচন থেকে আগেই সরে দাঁড়ান। যাওয়ার আগে দারুণ কিছু কাজ তাঁর সময়ে হয়েছে। সর্বশেষ চার বছরে তথা দুই মেয়াদে নিজের কাজ নিয়ে মূল্যায়নের দায়ভার তিনি ছেড়েছেন সদস্যদের ওপর। যদিও তার আগেই সাধারণ সভায় সাবেক সাধারণ সম্পাদকের কাজে মুগ্ধতার কথা জানান উপস্থিত সব সাধারণ সদস্যরা। 


বিদায়ের কিছু দিন আগেও সমিতির উন্নতির লক্ষ্যে বেশ কিছু কাজ এগিয়ে দিয়েছেন সামন হোসেন। যার ফলাফল আগামীতে পাওয়া যাবে। বিশেষকরে সমিতির মান উন্নয়নে বারডেম হাসপাতাল এবং বাংলাদেশ ডায়েবেটিক সমিতির সভাপতি এবং জাতীয় অধ্যাপক ড. একে আজাদ খানের সঙ্গে চুক্তির কাজ এগিয়ে রেখেছেন তিনি। সম্প্রতি আজাদ খান তাঁর আমন্ত্রণে সমিতি ঘুরে গিয়েছেন এবং আশ্বাস দিয়েছেন বিএসপিএ’র পাশে থাকার।


বিদায়ের আগে সাবেক সাধারণ সম্পাদক বলেন, 

‘বিএসপিএ ক্রীড়া সাংবাদিকদের সংগঠন। দায়িত্ব নেওয়ার পরে আমাদের চেষ্টা ছিল ক্রীড়া সাংবাদিকদের মানোন্নয়নে কাজ করা। গত দুই বছর বেশ কিছু কাজ করেছি। আমরা তিনটা কর্মশালা করেছি— একটা হচ্ছে ক্রিকেট বোর্ডের সাথে ‘পিস টু প্রেস’। আমরা এমআরডিআই-এর সঙ্গে একটা কর্মশালা করেছি। ভবিষ্যতে আমাদের যে নতুন কমিটি আসবে, তাদের কাছে অনুরোধ থাকবে যে এই যে সাংবাদিকদের মানোন্নয়নে বিএসপিএ যে কর্মসূচি বিগত বছরগুলোতে করেছে, এটার ধারাবাহিকতা সামনে বজায় রাখবে।’


ডায়েবেটিক সমিতির সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরে বিএসপিএ কি সুবিধা পেতে পারে জানতে চাইলে সামন হোসেন বলেন, 

‘বারডেমের এবং বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির কাছ থেকে যাতে বিএসপিএ-র সদস্যরা একটা বড় ডিসকাউন্ট পেতে পারে তার জন্য আমরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছিলাম। বারডেমের ডায়াবেটিক সমিতির যে চেয়ারম্যান, ন্যাশনাল প্রফেসর এ কে আজাদ খান, উনার সঙ্গে আমাদের কয়েক দফায় এ বিষয়ে সভা হয়েছে। শুক্রবার বারডেমের এজিএম অনুষ্ঠিত হয়েছে, সেখানেও আমাদের এ বিষয়টা নিয়ে তারা আলোচনা করেছে। অতি শীঘ্রই বিএসপিএ বারডেমের সঙ্গে একটা চুক্তি করবে। এই চুক্তির আওতায় আমাদের বিএসপিএ-র সকল সদস্যরা বিভিন্ন ধরনের সুবিধা পাবে।’


এবারেই প্রথমবারের মতো বিএসপিএ’র কার্যনির্বাহী কমিটির একজন হয়েছেন টি-স্পোর্টসের সিনিয়র ক্রীড়া সাংবাদিক নাভিল এলাহী খান। সামনের দিনগুলোতে প্রাণের এই সংগঠনকে আরও সামনে এগিয়ে নিতে চান তিনি, 

‘বিএসপিএ বাংলাদেশের একটি প্রাতিষ্ঠানিক ও অত্যন্ত সম্মানজনক ক্রীড়া সাংবাদিকদের সংগঠন। এই সংগঠনের এক্সিকিউটিভ কমিটিতে সুযোগ পাওয়া আমার জন্য অবশ্যই অনেক বড় সম্মানের। একই সঙ্গে এটাকে আমি একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবেও দেখছি। কারণ আগের কমিটিগুলো বিএসপিএকে যে অবস্থানে নিয়ে গেছে, সেটাকে ধরে রাখা এবং আরও সামনে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব এখন আমাদের ওপর। ভাগ্য ভালো, আমাদের সঙ্গে একটি দারুণ কমিটি আছে। দেশের অনেক স্বনামধন্য ক্রীড়া সাংবাদিক একসঙ্গে কাজ করছেন। আমি বিশ্বাস করি, সবাই মিলে কাজ করলে ইনশা আল্লাহ আমরা বিএসপিএকে দিন দিন আরও নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারবো। সেটাই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য এবং চ্যালেঞ্জ।’
bottom-logo

অন্যান্য

টেকসই ও সামাজিক ক্লাব হিসেবে ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাবের নতুন পথচলা

 
অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
ঢাকা

৮ মে ২০২৬, ১০:৫৮ পিএম

news-details

ব্যস্ত নগরের যান্ত্রিকতার মাঝে এক চিলতে স্বস্তি আর প্রাণের স্পন্দন। ছুটির দিনে ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাবের মাঠে শিশু-কিশোরদের হইচই, বল নিয়ে দৌড়াদৌড়ি আর ব্যাটে-বলের লড়াই যেন সেই প্রাণেরই জানান দিচ্ছে। তবে এই চেনা ছবি এখন আরও বড় স্বপ্নের পথে। দেশের প্রথম ‘সাসটেইনেবল সোশ্যাল স্পোর্টস ক্লাব’ বা টেকসই সামাজিক ক্রীড়া ক্লাব হিসেবে নতুনভাবে পথচলা শুরু করেছে ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব।


ছুটির দিনে ক্লাব পরিদর্শনে এসে এই নতুন যাত্রার শুভসূচনা করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। এই ক্লাবের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক এই অধিনায়ক মাঠের কোণে কোণে ঘুরে দেখেন ক্লাবের বর্তমান অবস্থা ও উন্নয়ন কাজ। ফুটবল ও ক্রিকেটের প্রশস্ত মাঠ ঘুরে দেখার পাশাপাশি তিনি কথা বলেন ক্লাবের ক্ষুদে খেলোয়াড়দের সঙ্গে, দেন অনুপ্রেরণা।


অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সবসময় খেলাধুলা ও সামাজিক উন্নয়নের এমন সৃজনশীল উদ্যোগকে স্বাগত জানান। স্থানীয়দের সহযোগিতা নিয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এই ক্লাবকে এমনভাবে সাজাতে চায়, যাতে এটি একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং সুস্থ সমাজ গঠনের রোল মডেল হয়ে ওঠে।


Uploaded Image


ফুটবল ও ক্রিকেটে ক্লাবটির ঐতিহ্য দীর্ঘদিনের। তবে এখন শুধু খেলাধুলাই নয়, একে একটি পূর্ণাঙ্গ সামাজিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ক্লাবের স্থায়ী সদস্য ও তাদের পরিবারের জন্য থাকছে ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ও বাস্কেটবলসহ বিভিন্ন ইনডোর গেমসের আন্তর্জাতিক মানের সুবিধা। ভবিষ্যতে এখানে একটি প্রশস্ত সুইমিং পুল, বিশ্বমানের হেয়ার স্যালুন ও স্পা তৈরির পরিকল্পনাও হাতে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।


ক্লাবটির আধুনিকায়ন ও মাঠের পরিবেশ রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে ধানমন্ডি সোসাইটি। দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্ব বা সাসটেইনেবিলিটির বিষয়টি মাথায় রেখেই প্রতিটি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পরিবেশবান্ধব ও সামাজিক এই মডেল ঢাকার অন্যান্য ক্লাবের জন্যও উদাহরণ হয়ে থাকবে।


সুস্থ দেহ আর সুস্থ মনের মেলবন্ধনে ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব এখন কেবল একটি খেলার মাঠ নয়, বরং একটি আদর্শ সামাজিক মিলনমেলায় পরিণত হওয়ার পথে।

bottom-logo

অন্যান্য

আর্চারি ওয়ার্ল্ড কাপে চীনাদের হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশ

 
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ঢাকা

৬ মে ২০২৬, ৮:১৯ পিএম

news-details

চীনের সাংহাইয়ে চলমান ‘আর্চারি ওয়ার্ল্ড কাপ, স্টেজ-২’-এর দ্বিতীয় দিনে দুর্দান্ত সাফল্য দেখিয়েছেন বাংলাদেশের আর্চাররা। কম্পাউন্ড মহিলা দলগত ইভেন্টে স্বাগতিক চীনকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার পাশাপাশি রিকার্ভ পুরুষ এককে ভারতের শক্তিশালী প্রতিযোগী অতনু দাসকে পরাজিত করেছেন বাংলাদেশের মিশাদ প্রধান।


বুধবার কম্পাউন্ড মহিলা দলগত ইভেন্টের ১/৮ খেলায় বাংলাদেশ ২৩০-২২৯ স্কোরে শক্তিশালী পিপলস রিপাবলিক অব চায়নাকে পরাজিত করে কোয়ার্টার ফাইনালে উন্নীত হয়। তবে কোয়ার্টার ফাইনালে আমেরিকার কাছে ২২৪-২৩৪ স্কোরে হেরে বিদায় নিতে হয় লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের।

অন্যদিকে, কম্পাউন্ড পুরুষ দলগত ইভেন্টে ১/১২ খেলায় বাংলাদেশ ২৩১-২২৭ স্কোরে সিঙ্গাপুরকে হারিয়ে ১/৮ খেলায় উন্নীত হলেও ফ্রান্সের কাছে ২২৯-২৩৪ স্কোরে পরাজিত হয়।


ব্যক্তিগত ইভেন্টে বাংলাদেশের ঐশ্বর্য্য রহমান কম্পাউন্ড পুরুষ এককের ১/২৪ খেলায় ১৪৫-১৪৪ স্কোরে কাজাখস্তানের দিলমুখমেত মুসাকে পরাজিত করে ১/১৬ খেলায় জায়গা করে নিয়েছেন। তবে মহিলা এককে বন্যা আক্তার ও তানিয়া রীমা নিজেদের ম্যাচে পরাজিত হয়ে বিদায় নিয়েছেন।


রিকার্ভ পুরুষ একক ইভেন্টে বাংলাদেশের আর্চাররা দারুণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন। ১/৪৮ খেলায় মো. মিশাদ প্রধান ৭-৩ সেটে ভারতের অভিজ্ঞ আর্চার অতনু দাসকে পরাজিত করে বড় চমক দেখান। এছাড়া রামকৃষ্ণ সাহা ৬-২ সেটে কিরগিজস্তানের উলুকবেককে পরাজিত করে ১/২৪ খেলায় উন্নীত হয়েছেন। আব্দুর রহমান আলিফ র‍্যাংকিংয়ের কল্যাণে ‘বাই’ পেয়ে সরাসরি পরবর্তী রাউন্ডে উন্নীত হন। তবে রাকিব মিয়া চীনের ইউক্সুয়ান লি-এর কাছে পরাজিত হন।


রিকার্ভ মহিলা এককে নাসরিন আক্তার ৬-৪ সেটে কাজাখস্তানের দিয়ানা তুরসুনবেককে হারিয়ে ১/২৪ খেলায় উন্নীত হয়েছেন। তবে সায়মা সালাহ উদ্দিন ও সীমা আক্তার শিমু নিজ নিজ ম্যাচে হেরে আসর থেকে বিদায় নিয়েছেন।


কোয়ালিফিকেশন রাউন্ড শেষে রিকার্ভ পুরুষ দলগত ইভেন্টে ২০টি দেশের মধ্যে নবম স্থান অর্জন করেছে বাংলাদেশ। রিকার্ভ মহিলা দলগত ইভেন্টে ১৫তম এবং মিশ্র দলগত ইভেন্টে (আলিফ ও নাসরিন) ১৩তম স্থান অর্জন করেছে লাল-সবুজ দল।

bottom-logo

অন্যান্য

ই-স্পোর্টস নেশনস কাপে খেলবে বাংলাদেশ

 
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক
ঢাকা

৬ মে ২০২৬, ৬:১১ পিএম

news-details

চলতি বছর নভেম্বরে সৌদি আরবে বসবে ই-স্পোর্টসের বিশ্বকাপখ্যাত ই-স্পোর্টস নেশনস কাপ। প্রথমবারের মতো এই আসরে অংশ নেবে বাংলাদেশ দল। বুধবার রাজধানীর হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান বাংলাদেশ ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ইলেকট্রনিক স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ড. ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. মুনিরুল ইসলাম। 


মুনিরুল ইসলাম বলেন, ‘ই-স্পোর্টস নেশনস কাপে বাংলাদেশ ১৫টি ভিন্ন ভিন্ন ই-স্পোর্টস শিরোনামে অংশগ্রহণ করবে। যেখানে মোট প্রাইজপুল ২২০ কোটি টাকারও বেশি। এটি দেশভিত্তিক ই-স্পোর্টস টুর্নামেন্টগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে বড় আয়োজন। এই ঐতিহাসিক আসরের অংশ হতে পেরে আমরা গর্বিত।’


বাংলাদেশ-সহ ১৫০টি দেশ অংশ নেবে এবারের আসরে। ১৫ ইভেন্টে বাংলাদেশ থেকে অংশ নেবে ৫০ জন গেমার। টিম বাংলাদেশের প্রস্তুতি সম্পর্কে দলের ম্যানেজার আগা রাফসান জানান, বাছাইপর্বে বাংলাদেশকে প্রথম এশিয়ার দেশ গুলোর বিপক্ষে লড়তে হবে। লিডার বোর্ডের ২-৩-এ থাকলেই মূল পর্বে খেলতে পারবে বাংলাদেশ। মূলত সেই লক্ষ্য নিয়েই প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশের গেমাররা। 

 

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয় এই টুর্নামেন্টের জন্য সারা দেশ থেকে প্রায় ১৫০০ গেমার রেজিস্ট্রেশন করে। সেখান থেকে ট্রায়াল এবং একাধিক ধাপের বাছাই প্রক্রিয়া শেষে চূড়ান্ত দলটি গঠিত হয়েছে। 


ইভেন্টের তিন কোচ ফারহান ইসলাম, মো. আবিদ হোসেন এবং নাজমুস সাকিব, গণমাধ্যমকে বাংলাদেশ দলের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানান। তারা বলেন, সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে গেমার বাছাই করা হয়েছে। বেশ জোরেশোরে চলছে দলের প্রস্তুতি। যেহেতু মূল আসর শুরু হতে এখনো দুই মাস বাকি, তাই প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি থাকবে না বলে বিশ্বাস তাদের। 


অন্যান্য থেকে আরও পড়ুন

bottom-logo