১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১:০৩ পিএম

কমনওয়েলথ বিচ হ্যান্ডবল চ্যাম্পিয়নশিপ চলছে মালদ্বীপের কুলহুদহুফফুসি শহরে। আজ শক্তিশালী ভারতকে ২-১ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ।
খেলায় বেশ কিছুক্ষণ বাংলাদেশ ০-১ গোলে পিছিয়ে ছিল। পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় তুলে নেয় তারা।
এর আগে গত রাতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২-০ গোলে হারায় বাংলাদেশ। এই ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন খোকন মোল্লা। ভারতের ম্যাচেও খোকন মোল্লার পারফরম্যান্স ছিল অসাধারণ। বাংলাদেশের জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন তিনি।
লিগ পদ্ধতির এই কমনওয়েলথ চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিয়েছে শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও স্বাগতিক মালদ্বীপ।
দারুণ আত্মবিশ্বাস নিয়েই মালদ্বীপে বাংলাদেশ বিচ হ্যান্ডবল দল গিয়েছিল। সেখানে যাওয়ার আগে অনুশীলনও করে কিছু দিন। প্রতিযোগিতায় সেই প্রস্তুতির সুফল পাচ্ছে বাংলাদেশ।
No posts available.
১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:২৬ পিএম
১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:১৩ পিএম
১২ জানুয়ারি ২০২৬, ২:০৬ পিএম

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড, বিভাগীয় কার্যালয় ময়মনসিংহের আয়োজনে এবং বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় হয়ে গেল ‘৯ম বিভাগীয় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী ২০২৬’।
আজ (১৭ জানুয়ারি) ময়মনসিংহ জেলা স্টেডিয়ামে দিনব্যাপী এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. এহছানুল হক। এ সময় তিনি বলেন, কর্মব্যস্ততার মাঝে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে কাজের স্পৃহা বাড়ায় এবং শরীর ও মনকে সতেজ রাখে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার মিজ ফারাহ শাম্মী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ আতাউল কিবরিয়া।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড ময়মনসিংহের পরিচালক ড. মুহাম্মদ মফিজুল ইসলাম, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) কাজী জিয়াউল বাসেত এবং ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান। এ ছাড়া জামালপুর, শেরপুর ও নেত্রকোণা জেলার জেলা প্রশাসকসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দিনব্যাপী প্রতিযোগিতায় ময়মনসিংহ বিভাগের চার জেলার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাঁদের সন্তানরা বিভিন্ন ইভেন্টে অংশ নেন। খেলা শেষে বিজয়ীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।

হ্যান্ডবল অঙ্গনে পঞ্চগড়ের মেয়েদের সুনামের জুড়ি নেই। সিনিয়র-জুনিয়র মিলিয়ে প্রায় সব দলেই দেশের সর্বোত্তরের উপজেলা তেতুলিয়ার মেয়েদের আধিক্য। মেয়েদের মতো সেই তেঁতুলিয়ার যুবারাও এবার সেরা হয়েছেন। বৃহস্পতিবার জাতীয় যুব পুরুষ হ্যান্ডবল চ্যাম্পিয়নশিপে সেরা হয়েছে পঞ্চগড় জেলা দল। যে দলটির সব খেলোয়াড়ই এসেছেন তেঁতুলিয়া থেকে।
এদিন একপেশে ফাইনালে পঞ্চগড় ঢাকা জেলাকে হারিয়েছে ৩৬-২৩ ব্যবধানে। প্রথমার্ধে পঞ্চগড় এগিয়ে ছিল ১৮-৯ গোলে। এর আগে স্থান নির্ধারণী ম্যাচে যশোরকে ২৭-২৩ গোলে হারিয়ে তৃতীয় হয়েছে কুষ্টিয়া।
পুরো প্রতিযোগিতায় দুর্দান্ত খেলা উপহার দেওয়া ঢাকা ফাইনালে এসে খেই হারিয়ে ফেলে মূলত পঞ্চগড়ের তরুণদের গতি, ফিটনেস ও কৌশলের কাছে। জেলার খেলোয়াড়দের উচ্চতার কাছেও হার মানতে হয়েছে অন্য জেলার খেলোয়াড়দের। এছাড়া বিশেষভাবে তাদের স্কিল নজর কাড়ে।
বর্তমানে সিনিয়র নারী জাতীয় দলে দশের অধিক খেলোয়াড় তেঁতুলিয়া উপজেলার। তাঁদের মধ্যে অন্যতম সাকিবা জান্নাত শাম্মি, রুবিনা ইসলাম, জান্নাতুল শিল্পি, রুপা হাবিবা, শাহিদা, শিরিনা আক্তারা। এছাড়া পুরুষ দলেও ৭-৮ জন আছেন যারা উঠে আসেন তেঁতুলিয়া উপজেলা থেকে। ডে তালিকায় আছে রবিউল আওয়াল, ইমন, তাজু হাসান, জেনিমদের মতো বড় নাম।
তেঁতুলিয়া কি তবে ‘নারী ফুটবলের কলসিন্দুর’। মজা করে এটা অনেকেই এখন বলে থাকেন। এই উপজেলা থেকে এত সংখ্যক হ্যান্ডবল খেলোয়াড় উঠে আসাকে গর্ব মনে করেন জাতীয় নারী হ্যান্ডবল দলের সাকিবা জান্নাত শাম্মি। তিনি বলেন, ‘আমাদের কাজী শাহাব উদ্দিন গার্লস স্কুলে একটা খেলোয়াড় কোটা আছে। এখানে স্কুল পর্যায়ে আমাদের হ্যান্ডবলটা শেখানো হয়। অনেকের মধ্যে হ্যান্ডবল খেলোয়াড় হওয়ার স্বপ্নটা ওখান থেকেই তৈরি হয়। খেলাটা আমাদের ভালোবাসা, এবং এটার প্রতি আমাদের একটা মায়া তৈরি হয়। হ্যান্ডবল ছাড়া এখন আর থাকতে পারি না।’
সাকিবার মতো এমন মায়া কিংবা আবেগের কথা বলেছেন বৃহস্পতিবার জাতীয় যুব চ্যাম্পিয়নশিপে শিরোপা জেতা দলের সেরা খেলোয়াড় রাতুল। তিনি বলেন, ‘এখানে আমরা জানি খুব একটা টাকা নেই। নিজেদের খরচে খেলাটা চালিয়ে নিতে হয়। তারপরও আমরা হ্যান্ডবল ভালোবাসি, কারণ এটা আমাদের একটা আবেগের জায়গা হয়ে গেছে।’
পঞ্চগড় জেলার সাফল্যের পেছনে অনেক বড় অবদান আতিক হাসান আকাশের। ফাইনালে দুর্দান্ত খেলেছেন তিনি। দলকে জিতিয়ে তিনি বেশ খুশি। একদিন জাতীয় দলে খেলবেন সেই স্বপ্নটা এখন থেকেই দেখেন। কিন্তু এই খেলায় সেভাবে জনপ্রিয়তা নেই, নেই কোনো আর্থিক প্রতিশ্রুতি। তারপও আকাশের মুখে আনন্দের রেখা ছিল স্পষ্ট। ইন্টারমিডিয়েটের ছাত্র আকাশ বলেন, ‘সিনিয়র দলের বড় ভাইদের দেখে অনুপ্রাণিত হই। এছাড়া কোচ (রুবেল) আমাদের জন্য অনেক পরিশ্রম করেন, তিনি আমাদের আগ্রহ বাড়াতে সাহায্য করেন, যে কোনো প্রয়োজনে তিনি আমাদের পাশে থাকেন। এই খেলাটা শেখার পর থেকে এখন রক্তে মিশে গেছে যেন।’
তেঁতুলিয়ায় হ্যান্ডবলের বিপ্লব ঘটানোর অন্যতম কারিগর নাইমুল ইসলাম রুবেল। এক সময় জাতীয় দলে খেলা এই কোচের চেষ্টা ও তেঁতুলিয়ার তরুণদের অদম্য ইচ্ছেশক্তির কারণেই মিলেছে সেরার স্বীকৃতি।
কোচ হিসেবে বেতন দূরে থাক, উল্টো পকেটের টাকা খরচ করতে হয় রুবেলকে। খেলোয়াড়রাও নিজেদের পকেটের টাকা খরচ করে বছরব্যাপী অনুশীলন করেন শুধু মাত্র বছরে একবার জাতীয় পর্যায়ে খেলার সুযোগ পেতে।
২০২৩ সালে যুব হ্যান্ডবলে খেলতে এসে দ্বিতীয় রাউন্ডে বাদ পড়ে পঞ্চগড়। এরপর থেকেই তরুণদের মধ্যে জেদ; নিজেদের উদ্যোগে গড়ে তোলেন তেঁতুলিয়া হ্যান্ডবল একাডেমি। কোচ রুবেলের তত্ত্বাবধানে সপ্তাহে অন্তত দু'দিন অনুশীলন চলে একঝাক তরুণের।
এছাড়া কোন জাতীয় আসর সামনে এলে নিজ খরচায় তারা নিজেদের তৈরি করেন। বেশিরভাগ সময়ই ঢাকায় তাদের আসতে হয় নিজের পয়সায়; অথবা এর-ওর কাছ থেকে সহায়তা করে। এবারও পঞ্চগড় এসেছে নিজ খরচায়। তবে আসার আগে জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকে একটা প্রতিশ্রুতি অবশ্য পেয়েছেন কোচ রুবেল। এখন শিরোপা জয়ের পর নিশ্চয় জেলা ক্রীড়া সংস্থা এগিয়ে আসবেন এই তরুণদের এগিয়ে নিতে।
কোচ কোচ বলেন, ‘প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হতে পেরে খুব ভালো লাগছে। গত তিনবার খুব কাছে গিয়েও পারিনি। ছেলেরা কঠোর পরিশ্রম করেছে। প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে অনুশীলন করতে হয়েছে। আমাদের অনুশীলন সামগ্রী ও প্রয়োজনীয় সময়ের অভাব। ফেডারেশন থেকে যা একটু সহযোগিতা নিয়ে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করি। ভবিষ্যতে আরও সহযোগিতা পেলে আরও ভালো ভালো করব।’
আসরের সেরা হয়েছে পঞ্চগড়ের রাতুল উদ্দিন। বয়সভিত্তিক জাতীয় দলে নিয়মিত খেলা রাতুল ডাক পেয়েছেন সিনিয়র দলের ক্যাম্পে। তবে এখনও শীর্ষ পর্যায়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা হয়নি তাঁর। সমাজের সকলের কাছে রাতুলের চাওয়া একটাই, ‘সবাই যদি আমাদের সহায়তায় এগিয়ে আসে, দেখবেন একদিন তেঁতুলিয়া হবে দেশের হ্যান্ডবলের বড় পাইপলাইন। এই শিরোপা আমাদের আরও অনুপ্রাণিত করবে।’
ফাইনাল শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে চ্যাম্পিয়ন দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেন পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান তানভীর কনস্ট্রাকশনস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর আহমেদ। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন আহম্মেদ।

স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে চলছে ‘অ্যাডমিশন ফেয়ার স্প্রিং ২০২৬’। গত ৩ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এই ভর্তি মেলার উদ্বোধন করা হয়।
ভর্তি মেলার উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইউনুছ মিয়া। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক অ্যাডভাইজার অধ্যাপক ড. আকা ফিরোজ আহমেদ, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউল হাসান, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার, প্রক্টর ও অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. মৃত্যুঞ্জয় আচার্য্য, রেজিস্ট্রার মুহাম্মাদ আবদুল মতিন, অ্যাডমিশন ফেয়ারের কনভেনর ও অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আবদুস সাত্তার, জনসংযোগ বিভাগের প্রধান প্রদীপ্ত মোবারক এবং অ্যাডমিশন বিভাগের প্রধান আশিক মাহমুদ। এ ছাড়া বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও উপস্থিত ছিলেন।
স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের পাঁচটি অনুষদের অধীনে ১৪টি বিভাগে মোট ২৯টি স্নাতক ও স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে ভর্তি কার্যক্রম চলছে। ভর্তি মেলা চলাকালে শিক্ষার্থীরা ভর্তি ফিতে ৫০ শতাংশ ছাড় এবং প্রথম সেমিস্টারের টিউশন ফিতে ১০ শতাংশ ওয়েভার সুবিধা পাবেন।
ভর্তির জন্য আগ্রহীরা সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের অ্যাডমিশন অফিসে (৫১ সিদ্ধেশ্বরী রোড, রমনা, ঢাকা)। এ ছাড়া ভর্তি সংক্রান্ত তথ্য জানার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.stamforduniversity.edu.bd ভিজিট করা যাবে এবং ০৯৬১৩-৬২২৬২২ নম্বরে অ্যাডমিশন অফিসে যোগাযোগ করা যাবে।
গবেষণা ও কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব, আধুনিক ও ডিজিটালাইজড ক্লাসরুম, উন্নতমানের ল্যাব, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি, স্টুডেন্ট জোন, খেলাধুলার সুবিধা এবং নির্মাণাধীন স্থায়ী ক্যাম্পাসের মাধ্যমে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ দেশি-বিদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, শিক্ষার্থীরা আর্কিটেকচার, সিভিল, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, পরিবেশ বিজ্ঞান, মাইক্রোবায়োলজি, ফার্মেসি, আইন, ব্যবসায় প্রশাসন, ইংরেজি, অর্থনীতি, সাংবাদিকতা ও মিডিয়া স্টাডিজ, ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া, পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনসহ বিভিন্ন স্নাতক ও স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে ভর্তি হতে পারবেন।
এ ছাড়া ইউজিসি অনুমোদিত থিয়েটার স্টাডিজ, অ্যাপ্লাইড নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড টেকনোলজি, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি এবং মাস্টার অব অ্যাডিকশন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন স্টাডিজ প্রোগ্রাম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জাপানি ভাষা, স্পোকেন ইংলিশ, বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ইংলিশ ও বাংলা কোর্স এবং আইইএলটিএস কোর্সেও ভর্তি চলছে।
এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের জন্য শতভাগ পর্যন্ত স্কলারশিপ সুবিধাও দিচ্ছে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ।

পল্টনের শহীদ (ক্যাপ্টেন) এম. মনসুর আলী জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়াম আজ থেকে শুরু হয়েছে জাতীয় যুব পুরুষ হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতা। প্রথম দিনেই জয় পেয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ঢাকা, যশোর, কুষ্টিয়া, পঞ্চগড় ও ফরিদপুর।
দিনের প্রথম ম্যাচে মাদারীপুর জেলাকে ৪০-১১ গোলে হারিয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ। প্রথমার্ধে জয়ী দল ২৩-০৪ গোলে এগিয়ে ছিল। নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচেও হেরেছে মাদারীপুর। একপেশে লড়াইয়ে মাদারীপুরকে ৩৫-০৬ গোলে হারায় পঞ্চগড় জেলা।
দিনের অন্য ম্যাচে ঢাকা ৪৩-১২ গোলে নড়াইলকে হারিয়েছে। প্রথমার্ধে ২২-০৫ গোলে এগিয়ে ছিল ঢাকা। পরের ম্যাচে যশোর ৩৭-২৮ গোলে হারিয়েছে জামালপুরকে। প্রথমার্ধে দুই দলই ১৩-১৩ গোলে সমতায় ছিল।
কুষ্টিয়া ৩৩-২৩ গোলে হারিয়েছে ময়মনসিংহকে। প্রথমার্ধে জয়ী দল ১৫-০৮ গোলে এগিয়ে ছিল। প্রথমার্ধে ১৯-০৫ গোলে এগিয়ে ছিল পঞ্চগড়। দিনের শেষ ম্যাচে ফরিদপুর ৩৫-২৭ গোলে হারিয়েছে নড়াইলকে। প্রথমার্ধে ১৫-১০ গোলে এগিয়ে ছিল ফরিদপুর।
এবারের প্রতিযোগিতায় দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলছে ১০টি জেলা। ‘ক’ গ্রুপে রয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ময়মনসিংহ, পঞ্চগড়, কুষ্টিয়া ও মাদারীপুর জেলা। ‘খ’ গ্রুপে ঢাকা, যশোর, ফরিদপুর, জামালপুর ও নড়াইল জেলা।
দুই গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ দল নিয়ে হবে সেমিফাইনাল। ফাইনাল ১৫ জানুয়ারি।
আজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সেলিম ফকির। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন আহম্মেদ। বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এস এম নেওয়াজ সোহাগ, জিমন্যাস্টিকস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান জামিল, বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের যুগ্ন সম্পাদক ও আয়োজন কমিটির সদস্য সচিব রাশিদা আফজালুন নেসা, কার্যনির্বাহী সদস্য ও আয়োজন কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব মো. মকবুল হোসেনসহ আরও অনেকেই।

আগামীকাল রোববার থেকে শুরু হচ্ছে জাতীয় যুব (বালক) হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতা। সবগুলো ম্যাচ হবে পল্টনের শহীদ (ক্যাপ্টেন) এম. মনসুর আলী জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে। এবারের আসরে দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে ১০টি জেলা।
‘ক’ গ্রুপে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ময়মনসিংহ, পঞ্চগড়, কুষ্টিয়ার সঙ্গে আছে মাদারীপুর জেলা। ‘খ’ গ্রুপে খেলবে ঢাকা, যশোর, ফরিদপুর, জামালপুর ও নড়াইল জেলা।
দুই গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দল নিয়ে হবে সেমিফাইনাল। ফাইনাল ১৫ জানুয়ারি।
এবারের যুব হ্যান্ডবলের পৃষ্ঠপোষকতা করছে তানভির কনস্ট্রাকশন লিমিটেড (টিএসএল)। প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করবেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সেলিম ফকির।
বিশেষ অতিথি থাকবেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক (যুগ্নসচিব) মো. দৌলতুজ্জামান খাঁন।
শনিবার ফেডারেশনের সম্মেলন কক্ষে হয়েছে সংবাদ সম্মেলন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন আহম্মেদ, যুগ্ন সম্পাদক ও আয়োজন কমিটির সদস্য সচিব রাশিদা আফজালুন নেসা, কার্যনির্বাহী সদস্য ও আয়োজন কমিটির যুগ্ন সদস্য সচিব মো. মকবুল হোসেন।