বুধবার (৩০ জুলাই) কুর্মিটোলা গলফ ক্লাব, ঢাকা সেনানিবাসে বিওএর ৫ম সাধারণ পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিওএ-এর সম্মানিত সভাপতি এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি। এই সভায় কার্যনির্বাহী কমিটি এবং সাধারণ পরিষদের মোট ৮৯ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্যে দিয়ে সভার কার্যক্রম আরম্ভ হয়।
সভাপতি সভায় উপস্থিত সাধারণ পরিষদের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ এবং কার্যনির্বাহী কমিটির কর্মকর্তাবৃন্দসহ সকলকে শুভেচ্ছা ও সালাম জানিয়ে তাঁর স্বাগত বক্তব্য শুরু করেন। সভায় সদস্যদের সর্বোচ্চ উপস্থিতিতে সভাপতি সম্মানিত বোধ করেন বলে জানান।
সভাপতি বলেন, আজকের এই সভাটি ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরের কার্যক্রমের উপর ভিত্তি করে আয়োজিত হচ্ছে। সভাটি আয়োজনে বিভিন্ন কারণে কিছুটা বিলম্বিত হয়েছে। তবে, এ বছরে আমরা ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের জন্য খুব শীঘ্রই আরেকটি সাধারণ সভা আয়োজন করবো। সভাপতি গত ২১ মার্চ মাইলস্টোন স্কুলে মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় নিহত স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং বিমানের পাইলট এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং সকলের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
সভাপতি বলেন, বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের প্রধান কাজ হচ্ছে অলিম্পিক আন্দোলন জোরদার করার মাধ্যমে দেশ ও দেশের বাইরে ভ্রাতৃত্ববোধ এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরিতে সহযোগিতা করা। তিনি বলেন আমি বিশ্বাস করি প্রকৃত ক্রীড়াবিদ সকল সময়ই সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠে। কখনো তারা বিপদগামী হন না। তাই যুব ও তরুণ সমাজকে খেলাধুলায় উৎসাহিত করা জরুরী। ব্যক্তিগতভাবে আমি নিজে এবং অলিম্পিক এসোসিয়েশন সাধ্যমতো সেই চেষ্টা করে যাচ্ছে।
বিওএ-এর বর্তমান গঠনতন্ত্রটি ২৫ বছর আগে আইওসি কর্তৃক অনুমোদনকৃত। যুগোপযোগী ও হালনাগাদ করার লক্ষ্যে আমরা গঠনতন্ত্রটি রিভিউ করার উদ্যোগ নিয়েছি। ইতিমধ্যে কার্যনির্বাহী কমিটির সকলের মতামতের ভিত্তিতে গঠনতন্ত্রের একটি খসড়া প্রস্তাব প্রণয়ন করা হয়েছে। আগামী সাধারণ পরিষদের সভায় সকলের মতামত নিয়ে গঠনতন্ত্রটি চূড়ান্ত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আগামীতে যে সকল আন্তর্জাতিক গেমসে বাংলাদেশ থেকে খেলোয়াড়রা অংশগ্রহণ করবে তাদের প্রতি তিনি শুভকামনা জানান এবং আশা করেন তারা প্রতিযোগিতায় ভালো ফলাফল অর্জনে সক্ষম হবেন।
সভাপতি আরও বলেন, বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন এবং সেনাবাহিনীর যৌথ উদ্যোগে ময়মনসিংহের ত্রিশালে বাংলাদেশ অলিম্পিক কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রনাধীন প্রায় ১৭৩ একর জায়গা এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। তিনি প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য স্পন্সরদের এগিয়ে আসার আহবান জানান এবং সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
সভাপতির বক্তব্য শেষে মাইলস্টোন স্কুলের মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় সকল নিহত ছাত্র-ছাত্রীসহ গত আগস্ট-২০২৩ হতে জুন-২০২৪ পর্যন্ত যে সকল ক্রীড়াব্যক্তিত্ব পরলোকগমণ করেছেন, তাঁদের স্মরণে ও সম্মানে দাঁড়িয়ে ০১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
সভার আলোচ্যসূচী অনুযায়ী বিশদ আলোচনান্তে নিম্নোক্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় :
১. ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরে বিওএ’র সম্পাদিত কার্যক্রমের উপর মহাসচিব কর্তৃক উপস্থাপিত প্রতিবেদন সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়।
২. বিওএ’র ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরের নিরীক্ষা প্রতিবেদনটি সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়।
৩. বিওএ’র ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের জন্য ১২.৪০ (বার কোটি চল্লিশ লক্ষ) কোটি টাকার বাজেট সর্বসম্মতিক্রমে ঘটনাত্তোর অনুমোদিত হয়।
৪. বিওএ’র ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের হিসাব নিরীক্ষার জন্য নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান অঈঘঅইওঘ কে নিরীক্ষক হিসেবে নিয়োগ প্রদানের বিষয়টি অনুমোদিত হয়।
৫. বিওএ-র কার্যনির্বাহী কমিটিতে ‘বিওএ এ্যাথলেট কমিশন’ এর ০১ (এক) জন সদস্য অন্তর্ভূক্তকরণের বিষয়টি অনুমোদিত হয়।
৬. বিওএ’র কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন আগামী নভেম্বর’২০২৫ মাসে অনুষ্ঠিত হবে।
পরিশেষে, বিওএ-এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনে সকলের সহযোগিতায় অলিম্পিক আন্দোলনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে দেশের খেলাধুলার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার পাশাপাশি বিওএ কার্যক্রমকে উত্তরোত্তর গতিশীল এবং বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশকে একটি মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করার প্রত্যয় নিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
No posts available.
৯ মার্চ ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
৫ মার্চ ২০২৬, ৭:১২ পিএম

বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের নতুন সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোহাম্মদ আলী হোসেন ফকির। পদাধিকারবলে বাংলাদেশ পুলিশের প্রধান হওয়ায় তিনি এই দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
ফেডারেশনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, দেশের পুলিশের মহাপরিদর্শক পদাধিকারবলে বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। সেই ধারাবাহিকতায় সদ্য দায়িত্ব নেওয়া আইজিপি আলী হোসেন এখন থেকে ফেডারেশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
এর আগে দায়িত্বে থাকা বিদায়ী আইজিপির স্থলাভিষিক্ত হয়ে আলী এই দায়িত্বে এলেন। জাতীয় খেলা কাবাডির উন্নয়ন, খেলোয়াড় তৈরির সুযোগ বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সাফল্য ধরে রাখার লক্ষ্যে ফেডারেশনের কার্যক্রম পরিচালনা করতে চান তিনি।
জাতীয় খেলা কাবাডিকে আরও জনপ্রিয় করা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান শক্তিশালী করতে ফেডারেশনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। নতুন সভাপতির নেতৃত্বে কাবাডির অগ্রযাত্রা আরও এগিয়ে যাবে—এমনটাই আশা ক্রীড়াঙ্গনের।

মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তরের পর পরিচালনা পরিষদের ডাইরেক্টর ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন লোকমান হোসেন ভূঁইয়া। তবে সবশেষ পরিষদে তিনি ছিলেন না। এক মেয়াদ বিরতি দিয়ে আবার পরিচালনা পরিষদে এসেছেন তিনি এবং আবার হয়েছেন ডাইরেক্টার ইনচার্জ। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বরকত উল্লাহ বুলু (এমপি)।
ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটির চতুর্থ বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) এবং পরিচালনা পরিষেদের নির্বাচন আজ সোমবার ঢাকা ক্লাবের স্যামসন এইচ চৌধুরী সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। ক্লাবের বিদায়ী সভাপতি জেনারেল মোহাম্মদ আব্দুল মুবীন (অব.) অসুস্থ থাকায় বার্ষিক সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের অন্যতম পরিচালক মাহবুব উল আনাম।
বার্ষিক সাধারণ সভা শেষে পরিচালনা পরিষদের নির্বাচন হয়। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন খ্যাতিমান বরকত উল্লাহ বুলু (এমপি)। ১৬ টি পরিচালক পদেও সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন- মো. লোকমান হোসেন ভূইঁয়া, মাহবুব উল আনাম, মোস্তফা কামাল, মো. মোস্তাকুর রহমান, মাসুদুজ্জামান, মো. এনায়েত হোসন সিরাজ, খায়রুল কবির খোকন, মো. আবুল কালাম, মির্জা ইয়াসির আব্বাস, জহির আহমেদ, এম এ সালাম, নিলোফার চৌধুরী মনি, সাজেদ এ এ আদেল, সৈয়দ রুম্মান বিন ওয়ালী সাব্বির, মাহমুদ হাসান খান ও জাকির হোসেন চৌধুরী।
নির্বাচন পরিচালনা করেন ক্লাবের স্থায়ী সদস্য ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন ক্লাবের স্থায়ী সদস্য আনোয়ারুল হক হেলাল, ব্যারিস্টার মোহাম্মদ ইসমাইল ও সিনিয়র ক্রীড়া সাংবাদিক খন্দকার মঞ্জুরুল ইসলাম (দিলু)।
বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচনের পরপরই নতুন পরিচালনা পর্ষদের প্রথম সভা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন নব-নির্বাচিত সভাপতি বরকত উল্লাহ বুলু। সভায় সর্বস্মতিক্রমে পরিচালক লোকমান হোসেন ভূঁইয়াকে ডাইরেক্টর ইনচার্জ অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, পরিচালক মাহবুব উল আনামকে ডাইরেক্টর ফাইন্যান্স ও পরিচালক মো. মোস্তাকুর রহমানকে ডাইরেক্টর স্পোর্টস হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।
এ ছাড়া ক্লাবের পরিচালক মোস্তফা কামালকে ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যান, মো. আবুল কালাম এমপি, এম এ সালাম ও মির্জা ইয়াসির আব্বাসকে ভাইস চেয়ারম্যান মনোনীত করা হয়েছে। ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান মনোনীত করা হয়েছে পরিচালক মাসুদুজ্জামানকে, হকি কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে সাজেদ এএ

২০২৬ সালের স্বাধীনতা পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন কিংবদন্তী টেবিল টেনিস খেলোয়াড় জোবেরা রহমান লিনু। বৃহস্পতিবার মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ এ বছরের স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করে।
এ বছর সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, লিনুসহ মোট ২০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পদকের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
১৯৬৫ সালে রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে জন্ম নেওয়া লিনু অল্প বয়সেই টেবিল টেনিসে নিজের প্রতিভার পরিচয় দেন। বাবার অনুপ্রেরণায় সিলেটের শাহাজীবাজার অফিসার্স ক্লাবে মাত্র ৮ বছর বয়সে টেবিল টেনিস খেলা শুরু করেন তিনি। ১৯৭৭ সালে ১২ বছর বয়সে প্রথমবার জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হন। এরপর ১৯৭৯ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত মোট ১৬ বার জাতীয় মহিলা সিঙ্গেলস চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশের টেবিল টেনিসে অনন্য এক রেকর্ড গড়েন লিনু।
এই অসাধারণ কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০২ সালে তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত হয় গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে। দীর্ঘ ১৮ বছর তিনি বিমান বাংরাদেশ এয়ারলায়েন্স স্পোর্টস ক্লাবের হয়ে খেলেছেন। টেবিল টেনিসে অবদানের জন্য ১৯৯৯ সালে তিনি জাতীয় ক্রীড়া পুরষ্কার লাভ করেন।
আন্তর্জাতিক পর্যায়েও তিনি সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ১৯৮০ সালে এশিয়ান টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপে পঞ্চম স্থান অর্জন করেন এবং ১৯৮২ সালে ভারতের হায়দরাবাদে হওয়া পেন্টাঙ্গুলার চ্যাম্পিয়নশিপে মিক্সড ডাবলসে রানার্স-আপ হন। এছাড়া ১৯৭৭ ও ২০০০ সালে ইন্টারন্যাশনাল টেবিল টেনিস ফেডারেশন আয়োজিত বিশ্ব টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন।
খেলোয়াড়ি জীবন শেষে বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠনের দায়িত্বও পালন করেছেন লিনু। তিনি বাংলাদেশ সাইক্লিং ফেডারেশনের সহ-সভাপতি এবং বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের অ্যাথলেট কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন।
সম্মানজনক পুরস্কারের জন্য বাংলাদেশ টেবিল টেনিস ফেডারেশন শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে জোবেরা রহমান লিনুকে।

২০২৪ সালে লিভারপুলের দায়িত্ব ছাড়ার পর কোমল পানীয় প্রতিষ্ঠান রেড বুলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন ইয়ুর্গেন ক্লপ। জার্মান ফুটবল এবং প্রতিষ্ঠানটির ক্লাবগুলোর উন্নয়নে কাজ করার জন্য ‘হেড অব গ্লোবাল সকার’ পদে নিয়োগ দেওয়া হয় তাঁকে। তবে গুঞ্জন উঠেছে, সাবেক অল রেডস কোচের দায়িত্ব কিছুটা খর্ব হয়ে পড়েছে। দায়িত্ব ছাড়ার গুঞ্জন উঠেছে তাঁর।
অস্ট্রিয়ান সংবাদমাধ্যম সালজবুর্গার নাচরিচটেন জানিয়েছে, ক্লপ এবং রেড বুল ম্যানেজমেন্টের মধ্যে কিছুটা দূরত্ব বেড়েছে। কারণ রেড বুলের প্রধান ক্লাবগুলোর অগ্রগতি তেমন সন্তোষজনক নয়। লিপজিগ চ্যাম্পিয়নস লিগে সরাসরি অংশগ্রহণে ক্ষেত্রে বিপত্তির মুখে। বুন্দেসলিগায় তাদের অবস্থান পাঁচে। রেড বুলের অর্থায়নের আরেকটি ক্লাব সালজবুর্গেরও উন্নতি তেমন একটা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।
ওলে ওয়ার্নারকে লিপজিগের ম্যানেজার হিসেবে নিযুক্ত করার ক্ষেত্রে ক্লপের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। বুন্দেসলিগার ক্লাবটির সবকিছু পরিকল্পনা মাফিক না হওয়াতে ক্লপের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
নাচরিচটেনের সংবাদে বলা হয়েছে, ফরাসি দল প্যারিস এফসির ম্যানেজার নিয়োগের ক্ষেত্রে ক্লপের সাহায্য নেওয়া হয়নি। এ কারণেই ক্লপ কিছুটা হতাশ এবং ক্ষুব্ধ।
রেড বুলের সিইও ওলিভার মিনৎসলাফ যদিও ট্রান্সফারমার্কেটকে বলেছেন,
“এসব সম্পূর্ণ গুজব এবং কোনো ভিত্তি নেই। বরং, আমরা ক্লপের কাজ নিয়ে খুবই সন্তুষ্ট।”

দক্ষিণ ইরানের ফার্স প্রদেশের লামার্দ শহরে একটি জিমনেশিয়ামে ইসরায়েলের মিসাইল হামলায় অন্তত ২০ জন নারী ভলিবল খেলোয়াড় ও একজন কোচ নিহত হয়েছেন। ইরানের টেলিভিশন চ্যানেল আল মায়েদান ও এসএনএন নিউজ জানিয়েছে এই খবর।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাতে তারা জানায়, জিমে ক্লোজ ডোর অনুশীলনের সময়ই হামলাটি চালানো হয়। এসএননের প্রতিবেদনে বলা হয়, ৪টি ক্ষেপণাস্ত্র ওই এলাকায় আঘাত করেছে। হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করা হয়েছে।
এর আগে শনিবার সকালে লামার্দ শহরের একটি জিমে হামলা চালায় ইসরায়েল। যেখানে প্রাথমিকভাবে ১৫ জনের বেশি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা আইআরআইবি জানায়, হামলার সময় ভবনের ভেতরে শিশুদের উপস্থিতিও ছিল।
তাশিম সংবাদ সংস্থা দাবি করেছে, শহরের আরও চারটি স্থাপনায় আঘাত হানা হয়েছে। ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় দেশজুড়ে মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়েছে এবং আহত হয়েছেন অন্তত ৭৪৭ জন।
আরও পড়ুন
| মেসি ম্যাজিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে মায়ামির জয় |
|
ভলিবল খেলোয়াড়দের মৃত্যুতে গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক ভলিবল ফেডারেশন (এফআইভিবি)। তাদের আশঙ্কা, এই ঘটনার ফলে ভলিবল সংশ্লিষ্ট হাজারও মানুষ ‘চরম অনিশ্চিত ভবিষ্যতের’ সামনে পড়ে গেছে।
আনুষ্ঠানিক এক বিবৃতিতে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে তাৎক্ষণিক মানবিক সহায়তা দেওয়ার জন্য একটি বিশেষ দল গঠনের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে এফআইভিবি।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এফআইভিবি সহযোগিতা, সংলাপ, শান্তি ও সংহতিতে বিশ্বাস করে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি উত্তেজনা প্রশমিত করে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ খুঁজে বের করার আহ্বান জানাই আমরা।’
কর্মকর্তারা জানান, এ হামলার পর অঞ্চলটিতে ক্রীড়াবিদদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। সংঘাতপূর্ণ এলাকায় কাজ করা বা ভ্রমণকারী ক্রীড়াবিদ ও স্বেচ্ছাসেবকদের ঝুঁকির বিষয়টিও নতুন করে সামনে এসেছে।