
দ্বিতীয়বারের মতো গ্র্যান্ড মাস্টারের নর্ম পেলেন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক মাস্টার মোহাম্মদ ফাহাদ রহমান। তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে অনুষ্ঠিত ফুবি একাডেমি নর্ম দাবা প্রতিযোগিতা-সিরিজ ৩ এর গ্র্যান্ড মাস্টার ইভেন্ট হতে ৯ খেলার একটি গ্র্যান্ড মাস্টারের নর্ম অর্জন করেছেন তিনি। এর আগে ২০২৪ সনের মার্চে ভিয়েতনামে অনুষ্ঠিত হ্যানয় গ্র্র্যান্ড মাস্টারস দাবায় প্রথম গ্র্যান্ড মাস্টারের নর্ম করেন এই দাবাড়ু। এবারের নর্ম অর্জন করায় তার ১৮ খেলার দু’টি নর্ম হয়েছে। গ্র্যান্ড মাস্টার হবার জন্য তাঁর আরও একটি ৯ খেলায় নর্ম এবং রেটিং ২৫০০ করা প্রয়োজন হবে।
আজ (বুধবার) অষ্ঠম ও নবম রাউন্ডের খেলা অনুষ্ঠিত হয়। অষ্টম রাউন্ডের খেলায় আন্তর্জাতিক মাস্টার মোহাম্মদ ফাহাদ রহমান (রেটিং-২৪২৪) ইরানের ২৪৫৩ রেটিং প্রাপ্ত আন্তর্জাতিক মাস্টার পোউর আগা বালা আমিররেজাকে হারান। অষ্টম রাউন্ডের খেলায় আন্তর্জাতিক মাস্টার মোহাম্মদ ফাহাদ রহমান কালো ঘুঁটি নিয়ে সিসিলিয়ান ডিফেন্স অবলম্বন করে ৫৯ চালে আন্তর্জাতিক মাস্টার পোউর আগা বালা আমিররেজার বিরুদ্ধে জয়ী হন।
গ্র্যান্ড মাস্টার নর্ম অর্জনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মাস্টার মোহাম্মদ ফাহাদ রহমান এ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হবার গৌরব অর্জন করেছেন। তিনি ৯ খেলায় ৭ পয়েন্ট পেয়ে শিরোপা জয় করেন।
স্থানীয় সময় বিকালে অনুষ্ঠিত শেষ রাউন্ডের খেলায় আন্তর্জাতিক মাস্টার মোহাম্মদ ফাহাদ রহমান জর্জিয়ার আন্তর্জাতিক মাস্টার নিগালিদজে গাইওজের সঙ্গে ড্র করেন। শেষ খেলায় আন্তর্জাতিক মাস্টার ফাহাদ সাদা ঘুঁটি নিয়ে আন্তর্জাতিক মাস্টার গাইওজের সিসিলিয়ান ডিফেন্স পদ্ধতির বিরুদ্ধে খেলে ১০ চালের মাথায় ড্র করেন।
তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত তিনটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য পাকিজা গ্রুপ আন্তর্জাতিক মাস্টার ফাহাদ রহমানকে আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করে। পাকিজা গ্রুপ তিনটি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সম্পূর্ণ ব্যয় বহন করেছে।
রাউন্ড রবিন লিগ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত এ ইভেন্টে বাংলাদেশ, জর্জিয়া, হাঙ্গেরি, ইরান, পোল্যান্ড ও তুরস্কের ৩ জন গ্র্যান্ড মাস্টার, ৪ জন আন্তর্জাতিক মাস্টার, ২ জন ফিদে মাস্টার ও ১ জন ক্যান্ডিডেট মাস্টারসহ মোট ১০ জন খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করেন।
No posts available.
১৯ মে ২০২৬, ৯:০০ পিএম
১৮ মে ২০২৬, ১০:২১ পিএম
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬ ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতায় বালিকা এককে সিলেট বিভাগীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে সুনামগঞ্জ জেলা দল। ফাইনালে মৌলভীবাজার জেলা দলকে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করেন সুনামগঞ্জের উদীয়মান শাটলার স্পর্শিতা তালুকদার।
চার জেলার অংশগ্রহণে এই বিভাগীয় প্রতিযোগিতায় শুরু থেকেই দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখান স্পর্শিতা। হবিগঞ্জ, সিলেট এবং সবশেষ ফাইনালে মৌলভীবাজারকে পরাজিত করে বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেন তিনি।
ফাইনাল ম্যাচে মৌলভীবাজার জেলা দলের শাটলার সর্মিষ্টার বিপক্ষে দারুণ আত্মবিশ্বাসী খেলায় ২-০ সেটের ব্যবধানে জয় তুলে নেন স্পর্শিতা তালুকদার। তাঁর অসাধারণ পারফরম্যান্সে আনন্দে ভাসছে সুনামগঞ্জ জেলা দলসহ ক্রীড়ামোদীরা।
সুনামগঞ্জ জেলা দলের কোচ মোঃ আম্মার বলেন,
‘সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার মেয়ে স্পর্শিতা তালুকদার ব্যাডমিন্টনে অনিয়মিত ও কোন ধরণের অনুশীলন ছাড়াই সে এতে অসাধারণ নৈপুণ্য দেখিয়ে বিভাগীয় পর্যায়ে এই সাফল্যের মাধ্যমে জেলার জন্য নতুন গৌরব বয়ে আনলেন।‘
ক্রীড়াঙ্গনের সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সঠিক পরিচর্যা ও সুযোগ পেলে ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়েও সুনামগঞ্জের হয়ে বড় সাফল্য অর্জন করতে পারবেন এই প্রতিভাবান শাটলার।

ঢাকা অঞ্চলের আটটি জেলার প্রতিযোগীরা মিলেছিল এক ছাতার নিচে। মোহাম্মদপুর শারীরিক শিক্ষা কলেজ মাঠে রূপ নেয় যেন এক রঙিন ক্রীড়া উৎসবে। আজ ছিল ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর ঢাকা অঞ্চল পর্যায়ের সমাপনী দিন।
ক্রিকেট, ফুটবল, সাঁতার, অ্যাথলেটিকসসহ ৮ ডিসিপ্লেনে ঢাকা অঞ্চল পর্যায়ে অংশ নেয় খেলোয়াড় কর্মকর্তাসহ ১ হাজার ৩৬০ জন। শেষ দিনে জমে ওঠে ফুটব ও কাবাডি খেলা। ফুটবল বালক প্রতিযোগিতায় টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে নরসিংদীকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ঢাকা জেলা।
ক্রিকেটে ঢাকা জেলার বালিকা দল ০৯ উইকেটে মানিকগঞ্জ জেলার বালিকা দলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এছাড়া বালকদের টি- ১০ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় নরসিংদী জেলাকে ৭ উইকেটে পারজিত করে ঢাকা জেলা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
তায়কোয়াদো, জুডো, উশু, কারাতে ইভেন্টে ১০ টি গোল্ডসহ সিলভার, ব্রোঞ্জ পদক লাভ করেছে ঢাকার জেলার প্রতিযোগিরা।
প্রতিযোগিতা শেষে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে খেলোয়াড়দের হাতে পুরস্কার তুলে দেন সালমা খাতুন, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন ও এপিএমবি), ঢাকা ও ঢাকা বিভাগের স্থানীয় সরকার পরিচালক মো: আবাদুর রহিম। সার্বিক সহযোগিতা করেন ঢাকা জেলার ক্রীড়া অফিসার ও টুর্নামেন্ট কমিটির সদস্য সচিব সুমন কুমার মিত্র।

‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’—এই প্রতিপাদ্যে ময়মনসিংহে সম্পন্ন হয়েছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’। মঙ্গলবার বিকেলে ময়মনসিংহের ঐতিহাসিক সার্কিট হাউস মাঠে আঞ্চলিক পর্যায়ের প্রতিযোগিতার সমাপনী এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ক্রীড়া পরিদপ্তরের আয়োজনে এবং ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া অফিসের সহযোগিতায় এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার ফারাহ শাম্মী।
ময়মনসিংহের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আজাদ জাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) লুৎফুন নাহার, ময়মনসিংহ জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব এ.কে.এম মাহবুবুল আলম এবং জেলা ক্রীড়া অফিসার আল-আমিন।
প্রতিযোগিতার ক্রিকেট ইভেন্টে বালক বিভাগে ময়মনসিংহ জেলাকে মাত্র ৬ রানে হারিয়ে নেত্রকোনা জেলা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। তবে বালিকা বিভাগে নেত্রকোনা জেলাকে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে স্বাগতিক ময়মনসিংহ জেলা।
কাবাডি প্রতিযোগিতায় বালিকা বিভাগে ময়মনসিংহ জেলাকে ৪৫-২১ পয়েন্টের বড় ব্যবধানে হারিয়ে জামালপুর জেলা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। আর বালক বিভাগে জামালপুর জেলাকে হারিয়ে শিরোপা নিজেদের করে নেয় ময়মনসিংহ জেলা।
দাবা প্রতিযোগিতায় বালক বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন জামালপুরের জিহাদ হাসান। এই ইভেন্টে রানার-আপ হয়েছেন নেত্রকোনার প্রিয়ন্ত দেবনাথ এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন ময়মনসিংহের তামিম হোসেন।
দাবা বালিকা বিভাগ থেকে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন ময়মনসিংহের মারুফা ফেরদৌসী, রানার-আপ শেরপুরের আতিফা রাশান এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন ময়মনসিংহের আফিয়া নাওয়ার জেনি। এছাড়াও মার্শাল আর্ট প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ী ও চ্যাম্পিয়ন দলগুলোর মাঝেও জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে পুরস্কার বিতরণ করেন আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।

জাতীয় অ্যাথলেটিক্সে বরাবরের মতো সোমবারও ছিল উৎসবমুখর। পল্টনের জাতীয় স্টেডিয়ামের গ্যালারি করতালিতে মুখর; চারদিকে অদ্ভুত রোমাঞ্চ। এরই মধ্যে লং জাম্পের ট্র্যাকে নিজের দৌড় শুরু করলেন ২২ বছর বয়সী এক তরুণী। অদম্য গতিতে বাতাসে ভেসে গিয়ে যখন বালুর ওপর পড়লেন, ততক্ষণে দেশের অ্যাথলেটিকসের ২২ বছরের পুরোনো ইতিহাস স্রেফ অতীত হয়ে গেছে। ৬.২৫ মিটার দূরত্ব পেরিয়ে লং জাম্পে নতুন জাতীয় রেকর্ড গড়েছেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর স্বপ্না খাতুন।
২০০৪ সালে ইসলামাবাদের এসএ গেমসে ৬.০৭ মিটার লাফিয়ে আগের রেকর্ডটি গড়েছিলেন ফৌজিয়া হুদা জুঁই। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের কোনো নারী অ্যাথলেট যে দূরত্বের ধারেকাছেও যেতে পারেননি, তা অনায়াসে আহ পেরিয়ে গেলেন স্বপ্না ৬.১০ মিটার লাফিয়ে।
তবে এই রেকর্ডের মাহাত্ম্য কেবল সংখ্যার হিসেবে নয়, এর পেছনে লুকিয়ে আছে এক অনন্য আবেগঘন গল্প। স্বপ্না যাঁর রেকর্ডটি ভাঙলেন, সেই জুঁই ছিলেন বিকেএসপিতে স্বপ্নার প্রথম কোচ।কোচের রেকর্ড ভেঙে নতুন রানি হওয়ার পর উচ্ছ্বসিত স্বপ্না বলেন, ‘ম্যাডামের (ফৌজিয়া হুদা জুঁই) হাত ধরেই বিকেএসপিতে আমার গড়ে ওঠা। ওনার নিজেরও ইচ্ছা ছিল যেন আমি ওনার এই রেকর্ডটি ভেঙে দিই। আজ ওনার রেকর্ড ভাঙতে পেরে আমার স্বপ্ন সত্যি হলো।’
কৃষক পরিবার থেকে উঠে আসা স্বপ্না ২০১৯ সালে বিকেএসপিতে ভর্তি হওয়ার পর শুরু হয় আসল লড়াই। ২০২৪ সালের শেষের দিকে যোগ দেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে। প্র্যাকটিসে সর্বোচ্চ ৫.৯৯ মিটার পর্যন্ত লাফানো স্বপ্না মূল মঞ্চে এসে নিজেকে ছাড়িয়ে গেছেন।
জাতীয় পর্যায়ে অভাবনীয় কীর্তির পর স্বপ্নার চোখ এখন আন্তর্জাতিক মঞ্চে। সামনে পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এসএ গেমসে দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে চান তিনি। সুযোগ-সুবিধা পেলে আন্তর্জাতিক ট্র্যাকেও ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন দেখছেন এই তরুণী। নিজের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য জানিয়ে স্বপ্না আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে বলেন, ‘পাকিস্তানে এসএ গেমসে আমার লক্ষ্য ৬.৬০ মিটার লাফানো। কর্তৃপক্ষ যদি আমাকে সুযোগ দেয় এবং প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা ও উন্নত প্রশিক্ষণ পাই, তবে ইনশাল্লাহ সামনে আরও ভালো করব এবং দেশের জন্য পদক আনব।’ অ্যাথলেটিকসে যেখানে এখনো অনেক সীমাবদ্ধতা, সেখানে ভালো লাগা আর একাগ্রতা দিয়েই বাজিমাত করলেন স্বপ্না।
জাতীয় অ্যাথলেটিকসের দ্বিতীয় দিনে সোমবার স্বপ্না ছাড়াও আরও তিন অ্যাথলেট গড়েছেন নতুন রেকর্ড। ছেলেদের ডিসকাস থ্রোয়ে নৌবাহিনীর ফারুক আহমেদ ৪৭.৫৯ মিটার ছুঁড়ে ২০২৫ সালে সেনাবাহিনীর আব্দুল আলিমের ৪৬.৯৪ মিটারের রেকর্ড ভেঙেছেন।
মেয়েদের ডিসকাস থ্রোতে নৌবাহিনীর জাফরিন আক্তার ৪৬.০৬ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করে নিজেরই গড়া তিন বছর পুরোনো ৪৩.৪৯ মিটারের রেকর্ডটি ভাঙেন। মেয়েদের ৪০০ মিটার হার্ডলসে সেনাবাহিনীর বর্ষা খাতুন ১ মিনিট ০৩.১৭ সেকেন্ড সময় নিয়ে ভেঙেছেন গত বছর নিজেরই গড়া রেকর্ড।

জাতীয় সংসদ ভবন সংলগ্ন শহিদ ফারহান ফাইয়াজ খেলার মাঠে দিনব্যাপী হয়ে গেলো বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। অংশ নিয়েছে দেশের ৮টি বিভাগের প্রতিযোগিরা। সকাল থেকেই দৌড়, সফটবল, ফুটবলসহ নানা ডিসিপ্লিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মাতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীরা।
জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় পাড়ি দিয়ে আসা প্রতিভাবানদের নিয়ে সোমবার ঢাকায় হয় জাতীয় পর্যায়ের এই প্রতিযোগিতা। এই একটা দিনের জন্য অপেক্ষায় থাকেন শিশুরা। এখানে এসে নতুন নতুন বন্ধুদের সঙ্গে পরিচিত হয় তারা। পুরোটা দিন উদযাপন করেন নিজেদের মতো করে।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং ক্রীড়া পরিদপ্তরের আয়োজনে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয় এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। কমলমতি এই শিশুদের উৎসাহ প্রদান, সমাজের আর আট দশটা স্বাভাবিক শিশুদের মতো প্রতিদ্বন্দিতার করার ক্ষমতা তৈরি করা, প্রতিভার বিকাশ ঘটানোই এই আয়োজনের লক্ষ্য।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়া পরিদপ্তরের পরিচালক মাহবুবুর রহমান। এ সময় আগামি বছর থেকে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের নিয়ে আলাদা পরিকল্পনার কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।