২৪ জুলাই ২০২৫, ৬:৪৫ পিএম
বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হ'ল আরএফএল ও এসিআই পৃষ্ঠপোষকতায় এবং বাংলাদেশ স্কোয়াশ ফেডারেশন আয়োজিত জোড়া আন্তর্জাতিক স্কোয়াশ প্রতিযোগীতার "ট্রফি উন্মোচন ও মিট দা প্রেস"। "৬স্ট বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্কোয়াশ ওপেন ২০২৫" নামের এ আসরে গত পাঁচ বারের মতই এবারও থাকছে এক সাথে দুটি আকর্ষনীয় আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার যথা ছেলেদের "পি এস এ চ্যালেঞ্জ ট্যুর ২০২৫" এবং মেয়েদের "ডব্লিউ এস এফ এবং পি এস এ স্যাটালাইট টুনামেন্ট ২০২৫" সাহসী আয়োজন।
বাংলাদেশ সরকারের পাশাপাশি বিশ্ব স্কোয়াশ ফেডারেশন (ডব্লিউ এস এফ) এবং পেশাদার স্কোয়াশ এসোসিয়েশনের (পি এস এ) অনুমোদিত ০৪ দিন ব্যাপি এই প্রতিযোগীতাদ্বয় ঢাকা সেনানিবাসের আর্মি স্কোয়াশ কমপ্লেক্স, আর্মি অফিসাস্ মেস ও ইনডিপেনডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কোয়াশ কোর্টে ২৬ থেকে ২৯ জুলাই তারিখে অনুষ্ঠিত হবে। এ বছর বাংলাদেশের জাতীয় দলের শাহাদাৎ, রনি ও সুমন এবং বয়স ভিত্তিক দলের উদীয়মান স্কোয়াশ খেলোয়াড় বিকেএসপির সাইমুন, আমিনুল, পারভেজ ও সেনাবাহিনীর আপন ও আজিজের সাথে খেলবে ইরান, ভারত, শ্রীলংকা, কুয়েত ও মালয়েশিয়ার আটজন পেশাদার স্কোয়াশ খেলোয়াড়। পাশাপাশি মেয়েদের স্যাটেলাইট ট্যুরে বাংলাদেশের মারজান, চাঁদনী, নাবিলা, উর্দূ, মেঘনা, জুই, মানিকা ও পূজা রানীসহ প্রথম সারির ১৩ জন নারী খেলোয়াড় খেলবে মালয়েশিয়ার জমজ বোন পেশাদার নারী স্কোয়াশ খেলোয়াড় ভিনিকা ও ভার্টিকা এবং ইরানের রামজানজাদে নামিনি নারগোলের সাথে। উল্লেখ্য যে বাংলাদেশ স্কোয়াশ ফেডারেশন স্বাধীনতার পর প্রথমবারের মত নারী স্কোয়াশ দল তৈরি করছে। সম্প্রতি তারা নেপালে একটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগীতা থেকে রৌপ্য পদক লাভ করেছে।
ঢাকা সেনানিবাসের স্কোয়াশ কমপ্লেক্স ও অফিসাস্ মেস স্কোয়াশ কোর্ট এবং বসুন্ধরায় ইনডিপেনডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ স্কোয়াশ কোর্ট- এই তিন ভ্যানুতে খেলাগুলো অনুষ্ঠিত হবে। তবে ঢাকা সেনানিবাসের স্কোয়াশ কমপ্লেক্সে ২৬ জুলাই দুপুর একটায় প্রতিযোগীতা দ্বয়ের উদ্বোধন এবং ২৯ জুলাই বিকেল চারটার সময় সমাপনী ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশ স্কোয়াশ র্যাকেটস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ব্রীগ্রেডিয়ার জেনারেল জি এম কামরুল ইসলাম, এসপিসি (অবঃ) সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত "মিট দ্যা প্রেস ও ট্রফি উন্মোচন" অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন জনাব মোঃ মাহবুব-উল-আলম, সচিব, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয় এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন আর এফ এল-এর মার্কেটিং হেড শাহীন শফিকসহ উভয় গ্রুপের অন্যান্য কর্মকর্তা, স্কোয়াশ খেলোয়াড় ও সাংবাদিকবৃন্দ।
নিজস্ব খেলার মাঠ ও সম্পদের সীমাবদ্ধতাসহ পাহাড়সম চ্যালেঞ্জ থাকার পরেও একই সাথে দু'টো আন্তর্জাতিক স্কোয়াশ প্রতিযোগীতার আয়োজন করার জন্যে বাংলাদেশ স্কোয়াশ ফেডারেশনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধান অতিথি বলেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে আগামীতে বাংলাদেশের স্কোয়াশ আরো এগিয়ে যাবে এবং দেশের জন্যে সম্মান নিয়ে আসবে। স্কোয়াশ ফেডারেশনের জন্যে বনানীতে নির্ধারিত স্থান উদ্ধারসহ অন্যান্য বিষয়ে মন্ত্রনালয় সব সময় বাংলাদেশ স্কোয়াশ ফেডারেশনের সাথে থাকবে।
আর এফ এল-এর প্রতিনিধী তাঁর শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশে আয়োজিত দু'টি আন্তর্জাতিক স্কোয়াশ টুর্নামেন্টের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত হতে পেরে কোম্পানির পক্ষ থেকে স্কোয়াশ ফেডারেশনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে ভবিষ্যতে এ ধরনের আয়োজনের সাথে থাকার অভিপ্রায় ব্যাক্ত করেন।
ব্রিগ্রেডিয়ার (অবঃ) জেনারেল কামরুল ইসলাম বাংলাদেশে মৃত্যপ্রায় স্কোয়াশ খেলার দুটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া যঙ্গ স্পন্সর করার জন্যে এফ এল এবং এ এস আই গ্রুপকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, নিজস্ব কোর্টবিহীন হাজার সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জের মধ্যে খুবই সীমিত সম্পদ দ্বারা গত প্রায় পাঁচ বছর নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে অক্লান্ত পরিশ্রম করে আমরা তিল তিল করে বিলুপ্ত প্রায় খেলাটির পূন:জন্ম ঘটিয়ে সামনের দিকে গৌরব আর সন্মানের যাত্রা শুরু করেছি। সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগীতা এবং বনানীর প্রস্তাবিত কমপ্লেক্সটি পেলে স্কোয়াশ খেলোয়াড়রা আন্তর্জাতিক মেডেল অর্জনসহ দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল ও গৌরব অর্জন করবে ইন-শা-আল্লাহ।
এই প্রতিযোগীতার মাধ্যমে আগামী বছর জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশিয়ার অলিম্পিক খ্যাত এস এ গেইমসে অংশগ্রহণকারী দলের প্রস্তুতি সম্পর্কে একটা ধারণা পাওয়া যাবে। উল্লেখ্য যে বাংলাদেশ স্কোয়াশ ফেডারেশন এস এ গেইমসে মেডেল পুনরুদ্ধার করতে বদ্ধ পরিকর।
দেশে স্কোয়াশ খেলাকে পূর্নজন্ম দিয়ে প্রচার, প্রসার ও জনপ্রিয়তা বাড়ানোর জন্য ফেডারেশন সব সময়ই সচেষ্ট। তারা "ক্লাসরুম স্কোয়াশ" নামে অভিনব ধরণা নিযে বিভিন্ন স্কুল কলেজে স্কোয়াশ খেলা ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে। মিত্যু ও বিলুপ্ত প্রায় স্কোয়াশ খেলার পাশে দাঁড়ানোর জন্যে আর এফ এল এবং এ এস আই গ্রুপ আন্তরিক ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য।
উল্লেখ্য যে, সম্প্রতি মাইলস্টোন স্কুল ও কলেজের মর্মান্তিক দূর্ঘটনায় আহত-নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন ও দোয়ায় অংশ নেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই।
No posts available.
১২ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৩ পিএম
৯ মার্চ ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
৫ মার্চ ২০২৬, ৭:১২ পিএম

জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের আবেদন করতে হয়। দেশের ক্রীড়াঙ্গনে সর্বোচ্চ পুরস্কার প্রবর্তনের শুরু থেকেই এই নিয়ম বহাল আছে। অনেক খ্যাতিমান ক্রীড়াবিদ এবং ক্রীড়া সংগঠক এই নিয়মের বিরোধীতা করে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও ক্রীড়াঙ্গনে সেরাদের অনেকে আবেদন করেননি। সাফ জয়ী ফুটবল দলের অধিনায়ক এবং বাংলাদেশের সর্বকালের অন্যতম সেরা গোলরক্ষক আমিনুল হক নিজেও জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারের জন্য আবেদন করেননি। যুবও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে আমিনুল হক এই নিয়মের পরিবর্তন আনার ঘোষণা দিয়েছেন। এখন থেকে আর এই পুরস্কারের জন্য আবেদন করতে হবে না ক্রীড়াবিদ কিংবা ক্রীড়া সংগঠকদের। একটি কমিটির মাধ্যমে সেরাদের মনোনীতদের করে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারে তাঁদেরকে ভূষিত করা হবে। ২০১৬ সালে থেকে এই নিয়মে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার দেয়া হবে। বৃহস্পতিবার ক্রীড়া সাংবাদিকদের সম্মানে রাজধানীর পল্লবীতে নিজ রাজনৈতিক কার্যালয়ে দেয়া ইফতার মাহফিলে এই ঘোষণা দিয়েছেন যুবও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
এদিকে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জমে থাকা ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার এবং অন্তবর্তীকালীন সরকারের আমলে ২০২৪ ও ২০২৫ সালের জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার আগামী জুন মাসে একসঙ্গে দেয়ার পরিকল্পনার কথা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যুবও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
‘খেলা হবে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ এই শ্লোগানে ৫০০ ক্রীড়াবিদকে বেতনের আওতায় আনার ঘোষণা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের প্রথম ধাপের দিনক্ষণ ঠিক করেছেন যুবও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ক্রীড়ায় সফল ১৬৪ ক্রীড়াবিদকে পুরস্কার এবং বেতনের আওতায় আনার মধ্য দিয়ে ক্রীড়াবিদদের বেতনের আওতায় আনতে চান তিনি। আগামী ২৯ মার্চ একটি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সময়ের সেরা ক্রীড়াবিদদের বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি।
মেধাবী ক্রীড়াবিদ খুঁজে বের করতে অনূর্ধ্ব-১২ থেকে অনূর্ধ্ব-১৪ নুতন কুঁড়ি প্রতিযোগিতার জন্য ৭টি ডিসিপ্লিন চূড়ান্ত করেছে যুবও ক্রীড়া মন্ত্রানালয়। আগামী ৩০ এপ্রিল রাজধানীর বাইরে এই প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়া, গণমাধ্যমকে এমনটাই জানিয়েছেন যুবও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের নতুন সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোহাম্মদ আলী হোসেন ফকির। পদাধিকারবলে বাংলাদেশ পুলিশের প্রধান হওয়ায় তিনি এই দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
ফেডারেশনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, দেশের পুলিশের মহাপরিদর্শক পদাধিকারবলে বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। সেই ধারাবাহিকতায় সদ্য দায়িত্ব নেওয়া আইজিপি আলী হোসেন এখন থেকে ফেডারেশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
এর আগে দায়িত্বে থাকা বিদায়ী আইজিপির স্থলাভিষিক্ত হয়ে আলী এই দায়িত্বে এলেন। জাতীয় খেলা কাবাডির উন্নয়ন, খেলোয়াড় তৈরির সুযোগ বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সাফল্য ধরে রাখার লক্ষ্যে ফেডারেশনের কার্যক্রম পরিচালনা করতে চান তিনি।
জাতীয় খেলা কাবাডিকে আরও জনপ্রিয় করা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান শক্তিশালী করতে ফেডারেশনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। নতুন সভাপতির নেতৃত্বে কাবাডির অগ্রযাত্রা আরও এগিয়ে যাবে—এমনটাই আশা ক্রীড়াঙ্গনের।

মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তরের পর পরিচালনা পরিষদের ডাইরেক্টর ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন লোকমান হোসেন ভূঁইয়া। তবে সবশেষ পরিষদে তিনি ছিলেন না। এক মেয়াদ বিরতি দিয়ে আবার পরিচালনা পরিষদে এসেছেন তিনি এবং আবার হয়েছেন ডাইরেক্টার ইনচার্জ। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বরকত উল্লাহ বুলু (এমপি)।
ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটির চতুর্থ বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) এবং পরিচালনা পরিষেদের নির্বাচন আজ সোমবার ঢাকা ক্লাবের স্যামসন এইচ চৌধুরী সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। ক্লাবের বিদায়ী সভাপতি জেনারেল মোহাম্মদ আব্দুল মুবীন (অব.) অসুস্থ থাকায় বার্ষিক সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের অন্যতম পরিচালক মাহবুব উল আনাম।
বার্ষিক সাধারণ সভা শেষে পরিচালনা পরিষদের নির্বাচন হয়। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন খ্যাতিমান বরকত উল্লাহ বুলু (এমপি)। ১৬ টি পরিচালক পদেও সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন- মো. লোকমান হোসেন ভূইঁয়া, মাহবুব উল আনাম, মোস্তফা কামাল, মো. মোস্তাকুর রহমান, মাসুদুজ্জামান, মো. এনায়েত হোসন সিরাজ, খায়রুল কবির খোকন, মো. আবুল কালাম, মির্জা ইয়াসির আব্বাস, জহির আহমেদ, এম এ সালাম, নিলোফার চৌধুরী মনি, সাজেদ এ এ আদেল, সৈয়দ রুম্মান বিন ওয়ালী সাব্বির, মাহমুদ হাসান খান ও জাকির হোসেন চৌধুরী।
নির্বাচন পরিচালনা করেন ক্লাবের স্থায়ী সদস্য ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন ক্লাবের স্থায়ী সদস্য আনোয়ারুল হক হেলাল, ব্যারিস্টার মোহাম্মদ ইসমাইল ও সিনিয়র ক্রীড়া সাংবাদিক খন্দকার মঞ্জুরুল ইসলাম (দিলু)।
বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচনের পরপরই নতুন পরিচালনা পর্ষদের প্রথম সভা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন নব-নির্বাচিত সভাপতি বরকত উল্লাহ বুলু। সভায় সর্বস্মতিক্রমে পরিচালক লোকমান হোসেন ভূঁইয়াকে ডাইরেক্টর ইনচার্জ অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, পরিচালক মাহবুব উল আনামকে ডাইরেক্টর ফাইন্যান্স ও পরিচালক মো. মোস্তাকুর রহমানকে ডাইরেক্টর স্পোর্টস হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।
এ ছাড়া ক্লাবের পরিচালক মোস্তফা কামালকে ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যান, মো. আবুল কালাম এমপি, এম এ সালাম ও মির্জা ইয়াসির আব্বাসকে ভাইস চেয়ারম্যান মনোনীত করা হয়েছে। ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান মনোনীত করা হয়েছে পরিচালক মাসুদুজ্জামানকে, হকি কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে সাজেদ এএ

২০২৬ সালের স্বাধীনতা পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন কিংবদন্তী টেবিল টেনিস খেলোয়াড় জোবেরা রহমান লিনু। বৃহস্পতিবার মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ এ বছরের স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করে।
এ বছর সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, লিনুসহ মোট ২০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পদকের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
১৯৬৫ সালে রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে জন্ম নেওয়া লিনু অল্প বয়সেই টেবিল টেনিসে নিজের প্রতিভার পরিচয় দেন। বাবার অনুপ্রেরণায় সিলেটের শাহাজীবাজার অফিসার্স ক্লাবে মাত্র ৮ বছর বয়সে টেবিল টেনিস খেলা শুরু করেন তিনি। ১৯৭৭ সালে ১২ বছর বয়সে প্রথমবার জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হন। এরপর ১৯৭৯ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত মোট ১৬ বার জাতীয় মহিলা সিঙ্গেলস চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশের টেবিল টেনিসে অনন্য এক রেকর্ড গড়েন লিনু।
এই অসাধারণ কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০২ সালে তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত হয় গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে। দীর্ঘ ১৮ বছর তিনি বিমান বাংরাদেশ এয়ারলায়েন্স স্পোর্টস ক্লাবের হয়ে খেলেছেন। টেবিল টেনিসে অবদানের জন্য ১৯৯৯ সালে তিনি জাতীয় ক্রীড়া পুরষ্কার লাভ করেন।
আন্তর্জাতিক পর্যায়েও তিনি সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ১৯৮০ সালে এশিয়ান টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপে পঞ্চম স্থান অর্জন করেন এবং ১৯৮২ সালে ভারতের হায়দরাবাদে হওয়া পেন্টাঙ্গুলার চ্যাম্পিয়নশিপে মিক্সড ডাবলসে রানার্স-আপ হন। এছাড়া ১৯৭৭ ও ২০০০ সালে ইন্টারন্যাশনাল টেবিল টেনিস ফেডারেশন আয়োজিত বিশ্ব টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন।
খেলোয়াড়ি জীবন শেষে বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠনের দায়িত্বও পালন করেছেন লিনু। তিনি বাংলাদেশ সাইক্লিং ফেডারেশনের সহ-সভাপতি এবং বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের অ্যাথলেট কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন।
সম্মানজনক পুরস্কারের জন্য বাংলাদেশ টেবিল টেনিস ফেডারেশন শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে জোবেরা রহমান লিনুকে।

২০২৪ সালে লিভারপুলের দায়িত্ব ছাড়ার পর কোমল পানীয় প্রতিষ্ঠান রেড বুলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন ইয়ুর্গেন ক্লপ। জার্মান ফুটবল এবং প্রতিষ্ঠানটির ক্লাবগুলোর উন্নয়নে কাজ করার জন্য ‘হেড অব গ্লোবাল সকার’ পদে নিয়োগ দেওয়া হয় তাঁকে। তবে গুঞ্জন উঠেছে, সাবেক অল রেডস কোচের দায়িত্ব কিছুটা খর্ব হয়ে পড়েছে। দায়িত্ব ছাড়ার গুঞ্জন উঠেছে তাঁর।
অস্ট্রিয়ান সংবাদমাধ্যম সালজবুর্গার নাচরিচটেন জানিয়েছে, ক্লপ এবং রেড বুল ম্যানেজমেন্টের মধ্যে কিছুটা দূরত্ব বেড়েছে। কারণ রেড বুলের প্রধান ক্লাবগুলোর অগ্রগতি তেমন সন্তোষজনক নয়। লিপজিগ চ্যাম্পিয়নস লিগে সরাসরি অংশগ্রহণে ক্ষেত্রে বিপত্তির মুখে। বুন্দেসলিগায় তাদের অবস্থান পাঁচে। রেড বুলের অর্থায়নের আরেকটি ক্লাব সালজবুর্গেরও উন্নতি তেমন একটা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।
ওলে ওয়ার্নারকে লিপজিগের ম্যানেজার হিসেবে নিযুক্ত করার ক্ষেত্রে ক্লপের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। বুন্দেসলিগার ক্লাবটির সবকিছু পরিকল্পনা মাফিক না হওয়াতে ক্লপের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
নাচরিচটেনের সংবাদে বলা হয়েছে, ফরাসি দল প্যারিস এফসির ম্যানেজার নিয়োগের ক্ষেত্রে ক্লপের সাহায্য নেওয়া হয়নি। এ কারণেই ক্লপ কিছুটা হতাশ এবং ক্ষুব্ধ।
রেড বুলের সিইও ওলিভার মিনৎসলাফ যদিও ট্রান্সফারমার্কেটকে বলেছেন,
“এসব সম্পূর্ণ গুজব এবং কোনো ভিত্তি নেই। বরং, আমরা ক্লপের কাজ নিয়ে খুবই সন্তুষ্ট।”