
ক্লে কোর্টে চলতি মৌসুমের নিজের প্রথম জয়ের লক্ষ্যে জেনেভা ওপেনে টানা দ্বিতীয় বছরের মতো অংশ নিতে যাচ্ছেন টেনিস গ্রেট নোভাক জোকোভিচ। এটি মূলর রোলাঁ গ্যারোর (ফ্রেঞ্চ ওপেন) আগে একটি প্রস্তুতিমূলক টুর্নামেন্ট।
জেনেভা ওপেনের আয়োজকরা শুক্রবার জানিয়েছেন, আগামী ১৭ থেকে ২৪ মে পর্যন্ত চলবে টুর্নামেন্ট। এটি ফ্রেঞ্চ ওপেনের আগে খেলোয়াড়দের জন্য নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার শেষ প্রস্তুতির মঞ্চ হিসেবেই দেখা হয়।
বর্তমানে টেনিসে বিশ্বের ছয় নম্বর খেলোয়াড় জোকোভিচ তার ক্যারিয়ারের ১০০তম একক শিরোপা জয়ের খোঁজে আছেন। তবে কাজটা সহজ হতে যাচ্ছে না তার জন্য। সার্বিয়ান তারকা এবারের ইউরোপিয়ান ক্লে কোর্ট মৌসুমে এখনো কোনো ম্যাচ জিততে পারেননি। মন্টে কার্লো এবং মাদ্রিদ ওপেন থেকে বিদায় নেন জয় ছাড়াই।
আরও পড়ুন
| শুরু হল জাতীয় টেনিস প্রতিযোগিতা ২০২৫ |
|
জোকোভিচ ছাড়াও জেনেভা ওপেনের অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে আছেন র্যাংকিংয়ে চতুর্থ স্থানে থাকা টেলর ফ্রিটজ ও ক্যাসপার রুড, যিনি টুর্নামেন্টের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন এবং গত চার আসরের মধ্যে তিনবারই এই শিরোপা জিতেছেন।
গত বছর জোকোভিচ জেনেভা ওপেনের সেমিফাইনালে টমাস মাচাচের কাছে হেরে বিদায় নেন। এরপর প্যারিসে চলে গিয়েছিলেন চার রাউন্ড পর্যন্ত। তবে কোয়ার্টার ফাইনালে রুডের বিপক্ষে ম্যাচের আগে হাঁটুর চোটের কারণে তিনি সরে দাঁড়ান। ফলে তিনি তার র্যাংকিংয়ে শীর্ষ অবস্থানও হারান।
No posts available.
১০ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:২৩ এম
৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৩:৪৫ পিএম

অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের আগে যেন প্রতিশোধ নিতে কোর্টে নেমেছেন আরিনা সাবালেঙ্কা। গতকাল ম্যাডিসন কিজকে হারানোর পর আজ সেমিফাইনালে কারোলিনা মুখোভার বিপক্ষে জয় তুলেন নিলেন বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর তারকা।
ব্রিসবেন ইন্টারন্যাশনালে মুখোভাকে সরাসরি ৬-৩, ৬-৪ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছেন সাবালেঙ্কা। এই নিয়ে টানা তিনবার ব্রিসবেন ইন্টারন্যাশনালের ফাইনালে উঠলেন বেলরুশ তারকা।
সেমিফাইনালে নামার আগে হেড-টু-হেড রেকর্ডে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন মুখোভা। সাবালেঙ্কার বিপক্ষে সবশেষ ৩ ম্যাচেই জয় পেয়েছিলেন। তবে আজ তিনি পাত্তাই পাননি।
পুরো ম্যাচে আধিপত্য ধরে খেলেন সাবালেঙ্কা। প্রথম সেটের দ্বিতীয় গেমেই ব্রেক পয়েন্ট নিয়ে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যান। শক্তিশালী ব্যাকহ্যান্ড উইনারে প্রথম সেট নিজের করে নেন।
দ্বিতীয় সেটে মুখোভা কিছুটা লড়াই করার চেষ্টা করলেও সাবালেঙ্কার সঙ্গে পেরে ওঠেননি। নবম গেমে আবারও একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্রেক পয়েন্ট জিতে ৫-৪ ব্যবধানে এগিয়ে যান সাবালেঙ্কা। শেষ পর্যন্ত নিজের সার্ভিস ধরে রেখে জয় নিশ্চিত করেন এই বেলরুশ তারকা।
ম্যাচ শেষে সাবালেঙ্কা বলেন, ‘দ্বিতীয় সেটের শেষের দিকে অনেক কাছাকাছি পয়েন্ট ছিল, তবে সরাসরি সেটে ম্যাচ শেষ করতে পেরে আমি খুব খুশি। প্রতিপক্ষ খুবই শক্তিশালী, তাই শেষ মুহূর্তে সুযোগ দিলে কাজে লাগাতেন। জয় নিশ্চিত করতে পেরে আনন্দিত।‘
দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আমেরিকার জেসিকা পেগুলাকে সরাসরি ৬-০, ৬-৩ সেটে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছেন ইউক্রেনের মার্তা কস্টিউক। আগামীকাল ফাইনালে কস্টিউকের বিপক্ষে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ব্রিসবেন ইন্টারন্যাশনালের ট্রফি জয়ের জন্য কোর্টে নামবেন সাবালেঙ্কা।

প্রায় দুই বছর পর আবারও টেবিল টেনিসের বলের ঠুকঠাক শব্দ ও দর্শকদের উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে উঠেছে পল্টনের শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ ইনডোর স্টেডিয়াম। গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে ৪০তম জাতীয় টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ।
প্রায় ৫০০ খেলোয়াড় অংশ নিয়েছেন এবারের প্রতিযোগিতায়। মোট দল ৪৯টি। এর মধ্যে ৪১টি জেলা দল এবং আটটি সার্ভিস ও প্রাতিষ্ঠানিক দল। সকাল থেকেই বিভিন্ন বয়সের খেলোয়াড়দের উপস্থিতিতে কোর্টগুলো ছিল ব্যস্ত।
উদ্বোধনী দিনে আলাদা করে নজর কেড়েছে একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা। সাবেক জাতীয় টেবিল টেনিস খেলোয়াড় ফাতেমা তুজ জোহরা আঁখি এবারের চ্যাম্পিয়নশিপে দায়িত্ব পালন করছেন রেফারি হিসেবে, আর একই টুর্নামেন্টে খেলোয়াড় হিসেবে অংশ নিয়েছে তারই ১০ বছর বয়সী ছেলে ইজাজ হোসেন আয়াত।
পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আয়াত শুক্রবার নিজের প্রথম ম্যাচ খেলেছে, যা তাঁর জাতীয় টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপে অভিষেক। পাঁচ বছর বয়সে টেবিল টেনিসে হাতেখড়ি আয়াতের। বর্তমানে সে প্রতিদিন নিয়মিত দুই থেকে তিন ঘণ্টা অনুশীলন করে। এর আগে ২০২৩ ও ২০২৪ সালে দুটি টুর্নামেন্টে খেলেছে আয়াত।
২০১৫ সালে লেভেল-ওয়ান এবং ২০২৫ সালে লেভেল-টু কোচিং কোর্স সম্পন্ন করা আঁখির বিশ্বাস, ক্রিকেট ও ফুটবলের বাইরেও শিশুদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করা জরুরি। তিনি বলেন, ‘প্রতিটি শিশুরই কোনো না কোনো খেলায় যুক্ত থাকা উচিত। টেবিল টেনিস স্মৃতিশক্তি, দৃষ্টিশক্তি ও সামগ্রিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভালো পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে এই খেলাটি শিশুদের জন্য অত্যন্ত উপকারী হতে পারে।’
দিনভর ও সন্ধ্যা পর্যন্ত চলতে থাকা ম্যাচগুলো নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বাংলাদেশ টেবিল টেনিস ফেডারেশনের (টিটি) সাধারণ সম্পাদক ক্যাপ্টেন এম. এ. মাকসুদ আহমেদ বলেন, দর্শকে ভরা স্টেডিয়াম ও প্রতিযোগিতামূলক খেলাগুলো আশাব্যঞ্জক। তিনি আরও জানান, জেলা ও বিভাগ পর্যায়ে টেবিল টেনিসের প্রসার ঘটানোই ফেডারেশনের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য।

অস্ট্রেলিয়ান ওপেন শুরু ১৮ জানুয়ারি। এর আগে গ্রান্ডস্ল্যামের প্রস্তুতি ভালোভাবেই সেরে নিচ্ছেন আরিনা সাবালেঙ্কা। অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ম্যাডিসন কিজকে হারিয়ে ব্রিসবেন ইন্টারন্যাশনালের সেমি-ফাইনালে উঠেছেন বেলরুশ তারকা।
গত বছর অস্ট্রেলিয়ান ওপেন ফাইনালে কিজের কাছে হেরে বসেন সাবালেঙ্কা। ব্রিসবেনের প্যাট রাফটার এরিনাতে কোয়ার্টার ফাইনালে কিজকে সরাসরি ৬-৩, ৬-৩ গেমে হারান বিশ্বের নম্বর ওয়ান এই টেনিস তারকা। চলতি মৌসুমে সরাসরি সেটে সাবালেঙ্কার এটি টানা তৃতীয় জয়।
ম্যাচ শেষে সাবালেঙ্কা বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ায় কিজের বিপক্ষে হেরেছিলাম। সেটাই আমার বড় প্রেরণা। তবে আমি অতীত নিয়ে পড়ে থাকি না। প্রতিটি ম্যাচকেই নতুন ম্যাচ হিসেবে দেখি।’
সেমিফাইনালে সাবালেঙ্কার প্রতিপক্ষ চেক প্রজাতন্ত্রের কারোলিনা মুখোভা। কোয়ার্টার ফাইনালে র্যাঙ্কিংয়ের পাঁচ নম্বর তারকা এলেনা রাইবাকিনাকে ৬-২, ২-৬, ৬-৪ ব্যবধানে হারান তিনি। এই জয়ে রাইবাকিনার টানা ১৩ ম্যাচের জয়ের ধারা থামিয়ে দেন মুখোভা।
সেমিফাইনালে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হতে পারে সাবালেঙ্কাকে। মুখোভা সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কঠিন প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছেন। ২০২৩ সালের ফ্রেঞ্চ ওপেন এবং সিনসিনাটি ওপেনসহ সাবালেঙ্কার বিপক্ষে শেষ তিনটি ম্যাচেই জয় পেয়েছেন মুখোভা।
আগামীকাল সেমিফাইনাল কোর্টে নামবেন সাবালেঙ্কা-মুখোভা। হেড-টু-হেড রেকর্ডে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে আছেন মুখোভা।

বাংলাদেশ টেবিল টেনিস ফেডারেশনের উদ্যোগে আগামীকাল শুক্রবার থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ৪০তম জাতীয় টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতা। সকাল ৯টায় প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করবেন ফেডারেশনের সভাপতি মাইক্রো ফাইবার গ্রুপের কর্ণধার ইঞ্জিনিয়ার শামসুজ্জামান নাসিম। এবার এই টুর্নামেন্ট হবে ৮ দিন ধরে। এর আগে কখনও জাতীয় টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতা এত বেশি দিন ধরে হয়নি।
এবারের প্রতিযোগিতায় ৪১টি জেলা এবং বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থাসহ সর্বমোট ৪৯টি দল অংশগ্রহণ করছে। সর্বোচ্চসংখ্যক ৪৭৬ জন খেলোয়াড় এই প্রতিযোগিতায় খেলবে। দেশের টেবিল টেনিশের ইতিহাসে এর আগে এত প্রতিযোগী অংশ নেয়নি। সংস্থাগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ সেনা, আনসার, জেল পুলিশ, বিমান, শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ, রুয়েট, জগন্নাথ বিশ^বিদ্যালয় এবং বিকেএসপি।
অংশগ্রহণকারী জেলা ও বিভাগীগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ, মৌলভীবাজার, গোপালগঞ্জ, নরসিংদী, নড়াইল, নীলফামারী, পটুয়াখালী, বগুড়া, বরিশাল জেলা এবং বিভাগ, ভোলা, মাদারীপুর, মাগুরা, মানিকগঞ্জ, যশোর, রংপুর জেলা এবং বিভাগ, রাজশাহী জেলা এবং বিভাগ, শরিয়তপুর, কুমিল্লা, খুলনা, গাইবান্ধা, সাতক্ষীরা, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, চট্টগ্রাম, বান্দরবান, কক্সবাজার, চাপাই নবাবগঞ্জ, চাঁদপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝালকাঠি, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নওগাঁ ইত্যাদি।
এবার সর্বোচ্চ ১৪টি ইভেন্টে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যেখানে সিনিয়র ক্যাটাগরির পাশাপাশি অনূর্ধ্ব-১৯ বছরের বালক-বালিকারাও অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে।
আরও পড়ুন
| অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে রেকর্ড প্রাইজমানি ঘোষণা |
|
প্রতিযোগিতার ইভেন্টগুলোর মধ্যে রয়েছে পুরুষ একক, পুরুষ দ্বৈত, পুরুষ দলগত, মহিলা একক, মহিলা দ্বৈত, মহিলা দলগত এবং পুরুষ ও মহিলাদের মিশ্র দ্বৈত। জুনিয়রদের জন্য রয়েছে অনূর্ধ্ব-১৯ বালক একক, বালক দ্বৈত, বালক দলগত, বালিকা একক, বালিকা দ্বৈত, বালিকা দলগত, অনূর্ধ্ব-১৯ মিশ্র দ্বৈত।
অনূর্ধ্ব-১৯ এর শীর্ষ ১৬ বালকদের সিনিয়রদের সব ক্যাটাগরিতে খেলার সুযোগ দেয়া হয়েছে। আর বালিকাদের ক্ষেত্রে সিনিয়র নারীদের সঙ্গে খেলার সুযোগ দেয়া হয়েছে।
এবারের প্রতিযোগিতায় রেটিং পয়েন্ট দেয়া হবে। ২৩৭ জন পুরুষ, ৭২ জন মহিলা, ১০৯ জন জন বালক এবং ৫৮ জন বালিকা একক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করছে। দ্বৈত ম্যাচ খেলছে ১৮৫ জন এর মধ্যে পুরুষ ৯০ জুটি, বালক ৪৪ জুটি, মহিলা ২৮ জুটি এবং বালিকা ২৩ জুটি।
দলগত ম্যাচ হচ্ছে ৯৭টি। এর মধ্যে পুরুষ ৪১টি, বালক ২৬টি, মহিলা ১৮টি এবং বালক ১২টি দলগত খেলা খেলবে। সর্বশেষ ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে রৌপ্যজয়ী ইভেন্টে মিশ্র দ্বৈত জুনিয়র ক্যাটাগরিতে খেলছে ২২টি জুটি এবং সিনিয়র ক্যাটাগরিতে হচ্ছে ৫০টি জুটি। কিন্তু জাভেদ আনসার দলে এবং খই খই মারমা বিকেএসপিতে খেলার কারণে বাংলাদেশ তার জুটিবদ্ধ নৈপুণ্য অন্তত এই টুর্নামেন্টে দর্শকরা দেখতে পারছে না।
বর্তমানে ফেডারেশনে পুরুষ ক্যাটাগরিতে শীর্ষে রয়েছে মুহতাসিন আহমেদ হৃদয়। মহিলা ক্যাটাগরিতে শীর্ষে রয়েছে সাদিয়া রহমান মৌ। বালক ক্যাটাগরিতে শীর্ষে রয়েছে নাফিজ ইকবাল এবং বালিকা ক্যাটাগরিতে শীর্ষে রয়েছে খই খই সাই মারমা।
আজকের সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ক্যাপ্টেন এম এ মাকসুদ আহমেদ সনেট। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট তাহমিনা তারমিন বিনু, সদস্য সুজন মাহমুদসহ ফেডারেশনের অন্যান্য কর্মকর্তা এবং খেলোয়াড়বৃন্দ।

১৮ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে মৌসুমের প্রথম গ্রান্ড স্ল্যাম অস্ট্রেলিয়ান ওপেন। টুর্নামেন্টের জন্য আজ রেকর্ড পরিমাণ অর্থ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে আয়োজকরা। এবার প্রাইজমানি বেড়েছে ১৬ শতাংশ।
অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে মোট প্রাইজমানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ কোটি ৫০ লাখ অস্ট্রেলিয়ান ডলার, যা টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
টেনিসের একক বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হওয়া নারী ও পুরুষ খেলোয়াড়েরা পাবেন ৪১ লাখ ৫০ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার। গত বছর যা ছিল ৩৫ লাখ ডলার।
এবার প্রথম রাউন্ডে হেরে যাওয়া খেলোয়াড়েরা পাবেন ১ লাখ ৫০ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার। গত বছরের তুলনায় ১৪ শতাংশ বেশি।
সবচেয়ে বেশি বাড়ানো হয়েছে প্রাইজমানি বাছাইপর্বে, ১৬ শতাংশ। বাছাইপর্বের তৃতীয় রাউন্ডে বিদায় নেওয়া খেলোয়াড়রা পাবেন ৮৩ হাজার ৫০০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার।
১৮ জানুয়ারি থেকে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মেলবোর্ন পার্কে হবে বছরের প্রথম টেনিস গ্র্যান্ড স্ল্যাম- অস্ট্রেলিয়ান ওপেন।
শিরোপা ধরে রাখার মিশনে কোর্টে নামবেন ২০২৫ সালে পুরুষ ও নারী এককে মুকুট জেতা- ইয়ানিক সিনার ও ম্যাডিসন কিজ।