২ জানুয়ারি ২০২৬, ৩:৪৬ পিএম

ছোটবোন সেরেনা উইলিয়ামস টেনিস থেকে অবসর নিয়েছেন ২০২২ সালেই। তাঁর চেয়ে এক বছরের বড় ভেনাস উইলিয়ামস এখনো পেশাদার টেনিস খেলা চালিয়ে যাচ্ছেন। পাঁচ বছর পর অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে আবারও ফিরছেন যুক্তরাষ্ট্রের এই টেনিস কিংবদন্তি।
৪৫ বছর বয়সী ভেনাস অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের মূল ড্রতে খেলা সবচেয়ে বয়সী নারী খেলোয়াড় হতে যাচ্ছেন। এর আগে এই রেকর্ড ছিল জাপানের কিমিকো দাতের, ২০১৫ সালে ৪৪ বছর বয়সে টুর্নামেন্ট খেলেছিলেন তিনি।
ভেনাসের বর্তমান র্যাঙ্কিং ৫৮১। ফলে সরাসরি অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে খেলার সুযোগ পাননি। আজ টুর্নামেন্ট কর্তৃপক্ষ ভেনাসকে ‘ওয়াইল্ডকার্ড’ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন না করা কোনো খেলোয়াড়কে বিশেষ বিবেচনায় টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হলে তাকে 'ওয়াইল্ডকার্ড' বলা হয়।
আরও পড়ুন
| ফরাশগঞ্জে ভালো আছেন তহুরা-শামসুন্নাহাররা |
|
সাতবারের গ্র্যান্ড স্ল্যামজয়ী ভেনাস সবশেষ অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে খেলেছিলেন ২০২১ সালে। সে বছর দ্বিতীয় রাউন্ডে ইতালির সারা এরানির কাছে হেরে বিদায় নেন তিনি।
২১ বার অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে অংশ নিলেও এখনো শিরোপা জেতা হয়নি ভেনাসের। ২০০৩ ও ২০১৭ সালে দুইবার ফাইনালে উঠলেও দুবারই বোন সেরেনা উইলিয়ামসের কাছে হারতে হয় তাকে।
অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে ফেরার অনুভূতি জানিয়ে ভেনাস বলেন, ‘আবার অস্ট্রেলিয়ায় ফিরতে পেরে আমি দারুণ রোমাঞ্চিত। সেখানে আমার ক্যারিয়ারের অনেক সুন্দর স্মৃতি আছে। এমন একটি জায়গায় ফেরার সুযোগ পেয়ে আমি কৃতজ্ঞ।’
১৮ জানুয়ারি শুরু হতে যাওয়া অস্ট্রেলিয়ান ওপেন দিয়েই দীর্ঘ বিরতির পর আবার গ্র্যান্ড স্ল্যাম মঞ্চে ফিরছেন টেনিসের এই কিংবদন্তি।
No posts available.

সাউথ এশিয়ান ইয়ুথ টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে স্বর্ণ পদক জিতেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ বালক দল। ফলে আগামী ২১-২৭ জুন ওমানের রাজধানী মাস্কাটে অনুষ্ঠিতব্য আইটিটিএফ-এটিটিইউ এশিয়ান ইয়ুথ চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করেছে লাল-সবুজ দল।
বাংলাদেশ ২০২২ সালে মালদ্বীপে অনুষ্ঠিত প্রথম সাউথ এশিয়ান জুনিয়রে স্বর্ণপদক জিতেছিল। ২০২৩ ভারতের অরুনাচল এবং ২০২৪ সালে শ্রীলঙ্কার ক্যান্ডিতে রৌপ্যপদক জিতেছিল লাল সবুজ দল। আর গতবছর নেপালের কাঠমান্ডুতে ব্রোঞ্চ পদক পেয়েছিল তারা।
ভারতের হিমাচল প্রদেশের শিমলায় ৮-১১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় দিনে শক্তিশালী শ্রীলঙ্কাকে ৩-১ সেটে পরাজিত করে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয় এবং নিশ্চিত করে স্বর্ণপদক। গ্রুপে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও নেপাল তিনটি দলই সমান ৫ পয়েন্ট অর্জন করলেও সেট ব্যবধানে এগিয়ে থেকে শীর্ষস্থান দখল করে বাংলাদেশ।
ম্যাচের শুরুতে শ্রীলঙ্কার ভিয়ানদুয়া আকাইনের কাছে ২-৩ গেমে হেরে যান বিকেএসপির আবুল হাসেম হাসিব। তবে পরবর্তীতে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। নাফিজ ইকবাল ৩-০ গেমে দানুক লামাসুরিয়াকে পরাজিত করেন। এরপর জয় ইসলাম ৩-০ ব্যবধানে মুনাসিংহা হারিনকে হারিয়ে দলকে এগিয়ে নেন। শেষ ম্যাচে দলের অধিনায়ক নাসিফ ইকবাল ৩-১ গেমে ভিয়ানদুয়া আকাইনকে হারিয়ে নিশ্চিত করেন স্বর্ণজয়।
আরও পড়ুন
| ক্যারিয়ার দীর্ঘ করতে নতুন সিদ্ধান্ত রশিদ খানের |
|
বাংলাদেশ টেবিল টেনিস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ক্যাপ্টেন এ এম মাকসুদ আহমেদ সনেট এই সাফল্যে উছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, এ অর্জনের কৃতিত্ব খেলোয়াড়, কোচ, কর্মকর্তা, স্পন্সর এবং ক্রীড়াবান্ধব সরকারের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। তিনি জানান, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার ফুট উচ্চতায় এবং প্রায় ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় খেলতে গিয়ে শুরুতে কিছুটা সমস্যায় পড়লেও খেলোয়াড়রা। তবুও তারা পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছে।
অনূর্ধ্ব-১৫ বালক দল নেপালকে ৩-১ এবং মালদ্বীপকে ৩-০ সেটে হারালেও শ্রীলঙ্কার কাছে ০-৩ সেটে পরাজিত হয়েছে। তাদের সামনে শক্তিশালী ভারতের বিপক্ষে শেষ ম্যাচ বাকি রয়েছে।
অনূর্ধ্ব-১৯ বালিকা দল মালদ্বীপ (১-৩), নেপাল (০-৩) ও শ্রীলঙ্কার (১-৩) বিপক্ষে তিনটি ম্যাচেই পরাজিত হয়েছে। তাদের শেষ ম্যাচ ভারতের বিপক্ষে।
অনূর্ধ্ব-১৫ বালিকা দল শ্রীলঙ্কার কাছে ০-৩ এবং নেপালের কাছে ২-৩ সেটে হেরে গেছে। তাদের সামনে মালদ্বীপ ও ভারতের বিপক্ষে দুটি ম্যাচ বাকি।
উল্লেখ্য, গত বছর এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ৭টি ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করেছিল। আগামী শুক্র ও শনিবার প্রতিযোগিতার একক, দ্বৈত ও মিশ্র দ্বৈত ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে।

প্রথম সেটে পারফরম্যান্স ছিল যাচ্ছেতাই। দ্বিতীয় সেটেও জাত চেনাতে পারলেন না দানিল মেদভেদেভ। তাতেই মেজাজ হারানোর উপক্রম। টেনিসের ৯০ নম্বর বাছাই মাত্তেও বেরেত্তিনির কাছে হারের পর রাগ উগড়ে দিলেন দানিল মেদভেদেভ। ম্যাচের মাঝপথেই ভাঙলেন নিজের র্যাকেট।
বুধবার মন্টে কার্লোতে রাশিয়ান ১০ নম্বর বাছাই মেদভেদেভের হার ৬-০ ও ৬-০ ব্যবধানে। আর ক্যারিয়ারে প্রথমবার বেরেত্তিনির কাছে ডাবল ব্যাগেলে হারলেন তিনি।
ম্যাচে বেরেত্তিনির বিপক্ষে দ্বিতীয় রাউন্ডে মাত্র ৪৯ মিনিটের ম্যাচে পুরোপুরি নিষ্প্রভ ছিলেন মেদভেদেভ। প্রথম সেট হারার পর দ্বিতীয় সেটের শুরুতেই ক্ষোভে র্যাকেট ছুড়ে মারেন কোর্টের পেছনের বোর্ডে। এরপর দর্শকদের হাসির মাঝেই সেটি তুলে নিয়ে মাটিতে ছয়বার আঘাত করেন। শেষ পর্যন্ত র্যাকেটটি ভেঙে যায়।
জযের পর ২৯ বছর বয়সী বেরেত্তিনি বলেন, ‘ম্যাচে হয়তো আমি মাত্র তিনটি শট মিস করেছি। আমার পরিকল্পনা ছিল একেবারে নিখুঁত, আর আমার শক্তিগুলো ঠিকভাবে কাজ করেছে।’

বয়স যে শুধু একটি সংখ্যা মাত্র- তা আরও একবার প্রমাণ করলেন ৩৬ বছর বয়সী আর্জেন্টাইন তারকা মার্কো ট্রুনগেলিটি। মারাকেশ ওপেনের সেমি-ফাইনালে শীর্ষ বাছাই ইতালির লুসিয়ানো দারদোরিকে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছেন তিনি।
মরক্কোতে শনিবারের ম্যাচে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দারদোরিকে ৬-৪, ৭-৬ (৭-২) সেটে হারান টুর্নামেন্টের বাছাইপর্ব পেরিয়ে আসা ট্রুনগেলিটি। এই জয়ে টেনিসের উন্মুক্ত যুগের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে এটিপি ট্যুর ফাইনালিস্ট হওয়ার রেকর্ড এখন এই আর্জেন্টাইনের দখলে।
এর আগে এই রেকর্ডটি ছিল ডোমিনিকান রিপাবলিকের ভিক্টর এস্ট্রেলা বার্গোসের। ২০১৫ সালে ৩৪ বছর বয়সে ফাইনালে উঠেছিলেন তিনি।
আরও পড়ুন
| ৯ ফাইনালের একটি হেরে শিরোপা দৌড়ে হোঁচট রিয়ালের |
|
এই সাফল্যে র্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ দিয়েছেন ট্রুনগেলিটি। টুর্নামেন্ট শুরু করার সময় তার বিশ্ব র্যাঙ্কিং ছিল ১১৭। টানা জয়ে লাইভ র্যাঙ্কিংয়ে তিনি এখন ৭৫ নম্বরে উঠে এসেছেন। সেই সাথে প্রথমবারের মতো শীর্ষ ১০০তে জায়গা নিশ্চিত করেছেন ট্রুনগেলিটি।
ম্যাচ পরবর্তী সাক্ষাৎকারে আবেগাপ্লুত ট্রুনগেলিটি বলেন, 'আমি সবসময় বিশ্বাস করতাম এটা সম্ভব, আর সেই বিশ্বাসের কারণেই আজ আমি এখানে। আমি, আমার দল, আমার স্ত্রী ও সন্তান- সবাই এই রেকর্ড ভাঙার স্বপ্ন দেখেছিলাম এবং আজ আমরা তা সত্যি করতে পেরেছি।'
শিরোপার লড়াইয়ে রোববার বাংলাদেশ সময় রাত আটটায় স্পেনের রাফায়েল জোদার মুখোমুখি হবেন ট্রুনগেলিটি। অন্য সেমি-ফাইনালে আর্জেন্টিনার কামিলো উগো কারাবেলিকে ৬-২, ৬-১ সেটে হারিয়ে ফাইনালে ওঠেন জোদা।

মিয়ামি ওপেনের ফাইনালে জিরি লেহেচকাকে ৬-৪, ৬-৪ সরাসরি সেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন ইয়ানিক সিনার। এর আগে ইন্ডিয়ান ওয়েলসে সরাসরি সেটে শিরোপা জিতেছিলেন তিনি। ফলে প্রথম পুরুষ খেলোয়াড় হিসেবে ‘সানশাইন ডাবল’ সম্পূর্ণ করার কৃতিত্ব গড়লেন শীর্ষ বাছাইয়ের দুই নম্বর র্যাঙ্কধারী এই ইতালিয়ান টেনিস তারকা।
২০১৭ সালে রজার ফেদেরারের পর প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে এই কীর্তি গড়লেন সিনার। এর মাধ্যমে ফেদেরার, জোকোভিচ, আগাসি ও সাম্প্রাসদের মতো কিংবদন্তিদের এলিট ক্লাবে নাম লিখিয়েছেন সিনার।
ম্যাচের পর সিনার বলেছেন, “এই অবস্থানে পৌঁছানোর জন্য অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। এ জয়ে সত্যিই আমি খুশি। টুর্নামেন্ট শেষে বাড়ি ফিরে যাচ্ছি বলেও খুশি।
সরাসরি দুই টুর্নামেন্টে সরাসরি সেটে জেতা অবিশ্বাস্য বটে। সিনার নিজেও মনে করেন অসাধ্য সাধন করেছেন তিনি, ‘‘সানশাইন ডাবল’ অর্জন অবিশ্বাস্য। আমি কখনও কল্পনা করিনি এটা জিতব। কারণ এটি খুব কঠিন, তবে করতে পেরেছি। তাই আমি খুবই খুশি।”
ফ্লোরিডায় রবিবার রাতে বৃষ্টির বাগড়ায় খেলা শুরু হয় ৯০ মিনিট দেরিতে। প্রথম সেটে শুরুতেই ব্রেক করে ৩-১ এগিয়ে যান সিনার এবং শেষ পর্যন্ত সেট নিজের করে নেন।
দ্বিতীয় সেটের শুরুতেই আবারও বৃষ্টি হানা দেয়। যা সিনারদের প্রায় ৯০ মিনিটের জন্য কোর্ট থেকে সরিয়ে দেয়। দ্বিতীয় সেটে শীর্ষ ২২ নম্বর বাছাই লেহেকা প্রতিরোধের চেষ্টা চালান। তবে সিনার ষষ্ঠ ব্রেক পয়েন্টে এগিয়ে যান এবং ম্যাচ নিজের করে নেন।

ফাইনালে কোকো গফকে ৬-২, ৪-৬, ৬-৩ সেটে হারিয়ে মিয়ামি ওপেনের শিরোপা ধরে রেখেছেন আরিনা সাবালেঙ্কা। সেই সঙ্গে ২০২৬ সালে নিজের অসাধারণ জয়যাত্রা অব্যাহত রাখলেন বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকা।
২৭ বছর বয়সী সাবালেঙ্কা পঞ্চম নারী খেলোয়াড় হিসেবে একই মৌসুমে ইন্ডিয়ান ওয়েলস এবং মিয়ামি; উভয় শিরোপা জিতে ‘সানশাইন ডাবল’ সম্পন্ন করার কৃতিত্ব দেখালেন। ২০২২ সালে ইগা সোয়াটেকের পর তিনিই প্রথম এই মাইলফলক স্পর্শ করলেন। এর আগে ভিক্টোরিয়া আজারেঙ্কা, কিম ক্লাইস্টার্স এবং স্টেফি গ্রাফ এই গৌরব অর্জন করেছিলেন।
২০২৬ সালে সাবালেঙ্কা মোট তিনটি শিরোপা জিতেছেন। ২৪ ম্যাচের মধ্যে ২৩টিতে জিতে রেকর্ড গড়েছেন। জানুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ফাইনালে বিশ্বের দুই নম্বর তারকা এলিনা রিবাকিনার কাছে একমাত্র পরাজয় ছিল বেলারুশ কন্যার। মিয়ামি ফাইনালের আগে এই বছরে রিবাকিনাই ছিলেন একমাত্র খেলোয়াড় যিনি সাবালেঙ্কার বিপক্ষে সেট জিততে পেরেছিলেন। এরপর আমেরিকান তারকা কোকো গফ শনিবার ফাইনালে দ্বিতীয় সেট জেতেন।
জয়ের পর স্কাই স্পোর্টসকে সাবালঙ্কা বলেন,
‘পেছনের মাসগুলোতে যা যা ঘটেছে, সেগুলো ফিরে দেখার বা উপলব্ধি করার মতো সময় আমি পাইনি। যে পরিশ্রম করেছি এবং কোর্টে আমি যে লড়াকু মানসিকতা দেখাতে পেরেছি, তাতে আমি গর্বিত। কোকো (গফ) প্রতিটি সুযোগের জন্য লড়াই করে এবং সে দুর্দান্ত খেলেছে। তবে মানসিকভাবে আমি শক্ত ছিলাম। জানতাম আমি সব ঠিকঠাক করছি, জয়টা ছিল মাত্র কয়েক পয়েন্টের ব্যবধান।’
হারলেও র্যাঙ্কিংয়ের পরবর্তী হালনাগাদে পোল্যান্ডের সোয়াটেককে টপকে বিশ্ব টেনিস র্যাঙ্কিংয়ের (নারী) তিনে উঠে আসবেন ২২ বছর বয়সী গফ। উল্লেখ্য, গফের ক্যারিয়ারের দুটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ই এসেছিল ফাইনালে সাবালেঙ্কাকে হারিয়ে। শনিবারের এই ম্যাচের আগে দুজনের মুখোমুখি লড়াইয়ের রেকর্ড ছিল ৬-৬ সমতায়।

ম্যাচের শুরুটা অত্যন্ত দাপুটে ছিল সাবালেঙ্কার। প্রথম গেমেই ব্রেক করে সহজেই প্রথম সেট নিজের করে নেন। তবে গফ দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান। দ্বিতীয় সেটে ২-২ এবং ৩-৩ স্কোরে ব্রেক পয়েন্ট বাঁচিয়ে শেষ পর্যন্ত সেটটি জিতে লড়াইয়ে সমতা ফেরান। কিন্তু চারবারের মেজর চ্যাম্পিয়ন সাবালেঙ্কা নির্ণায়ক সেটের শুরুতেই গুরুত্বপূর্ণ ব্রেক পান এবং গফের একটি ব্যাকহ্যান্ড শট কোর্টের বাইরে চলে গেলে প্রথম ম্যাচ পয়েন্টেই জয় নিশ্চিত করেন।
মিয়ামি ওপেনে পুরুষ দ্বৈতে ব্রিটেনের হেনরি প্যাটেন এবং ফিনল্যান্ডের হারি হেলিওভারা জুটি ফাইনালে ইতালীয় জুটি সিমোন বোলেলি এবং আন্দ্রেয়া ভাভাসোরির কাছে ৬-৪, ৬-২ ব্যবধানে হেরেছেন। আর পুরুষ এককের ফাইনালে আজ বিশ্বের দুই নম্বর তারকা ইয়ানিক সিনার মুখোমুখি হবেন চেক প্রজাতন্ত্রের ২১তম বাছাই জিরি লেহেচকার। সাবালেঙ্কার মতো ইতালীয় তারকা সিনারেরও লক্ষ্য ইন্ডিয়ান ওয়েলসের পর মিয়ামি জিতে শিরোপার ডাবল পূর্ণ করা।