
পেশাদার টেনিসে নতুন মাইলফলক স্পর্শ করলেন নোভাক জোকোভিচ। অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে আজ তৃতীয় রাউন্ডে জিতে কিংবদন্তি রজার ফেদেরারের একটি রেকর্ড স্পর্শ করেছেন। পাশপাশি বিশ্বের প্রথম টেনিস খেলোয়াড় হিসেবে গ্র্যান্ড স্ল্যামে ৪০০ ম্যাচ জয়ের কীর্তি গড়েছেন সার্বিয়ান কিংবদন্তি।
মেলবোর্ন পার্কে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে তৃতীয় রাউন্ডে নেদারল্যান্ডসের অবাছাই বোটিক ফন দা শনসকুপকে ৬-৩, ৬-৪, ৭-৬ (৭-৪) ব্যবধানে হারিয়ে চতুর্থ রাউন্ডে উঠলেন জোকোভিচ। প্রথম দুই সেট সহজে জয় পেলেও, তৃতীয় সেটে ঘাম ঝরিয়েই জিততে হয়েছে ২৪টি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালিককে।
মেলবোর্ন পার্কে এই জয়ে জোকোভিচ অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে ১০২টি ম্যাচ জিতে ফেদেরারের সর্বোচ্চ ম্যাচ জয়ের রেকর্ডে ভাগ বসালেন। ম্যাচের পর ১০বার অস্ট্রেলিয়ান ওপেন চ্যাম্পিয়ন জোকোভিচ বলেন,
‘পরিস্থিতি অনেক বদলে গেছে। আমি এখন এগিয়ে থাকতে পারছি না। গত এক বছরে বেশ কিছু জিনিস শিখেছি। কয়েকটা গ্র্যান্ড স্ল্যামে প্রথম দিকেই উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলাম। ভালো খেলে কোয়ার্টার ফাইনাল বা সেমিফাইনাল পর্যন্ত উঠছিলাম। তার পর এগোতে পারছিলাম না। এ বারও শুরুটা ভাল হয়েছে। যেমনটা চেয়েছিলাম। তরুণদের সঙ্গে লড়াই করার জন্য আমাকে সবটা উজাড় করে দিতে হয়। আমি এখনও লড়ে যাচ্ছি। চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তবে কার্লোস আলকারাজ, ইয়ানিক সিনাররা অন্য মাত্রার টেনিস খেলে এখন।’
অস্ট্রেলিয়া ওপেনের তৃতীয় রাউন্ডে অন্য ম্যাচে প্রথম সেটে হেরে দারুণভাবে ঘুরে দাড়িয়ে চতুর্থ রাউন্ডে চলে গেলেন ইয়ানিক সিনার। মেলবোর্ন পার্কের রড লেভার অ্যারেনায় শিরোপাধারীকে প্রথম সেটে চমকে দেন র্যাঙ্কিংয়ের ৮৫ নম্বর খেলোয়াড় এলিয়ট স্পিৎজিররি। ওই ধাক্কার সঙ্গে যোগ হয় প্রকৃতির বাধা; তাপমাত্রা ক্রমেই বাড়ছিল, শরীর বেঁকে বসছিল সিনারের। তবে শেষ পর্যন্ত ২৪ বছর বয়সী সিনার নিজের সেরাটা মেলে ধরেন। ৪-৬, ৬-৩, ৬-৪, ৬-৪ গেমে জিতে ওঠেন চতুর্থ রাউন্ডে।
অস্ট্রেলিয়ার ওপেনের পুরুষ এককে অন্য ম্যাচে অষ্টম বাছাই বেন শেলটন ৬-৪, ৬-৪, ৭-৬ (৭-৫) ব্যবধানে হারিয়েছেন ভ্যালেন্টিন ভাচেরটকে। নবম বাছাই টেলর ফ্রিৎজ় ৭-৬ (৭-৫), ২-৬, ৬-৪, ৬-৪ ব্যবধানে হারিয়েছেন স্ট্যানিসলাস ওয়াকিঙ্কাকে। পঞ্চম বাছাই লরেঞ্জো মুসেত্তি ৫-৭, ৬-৪, ৬-২, ৫-৭, ৬-২ ব্যবধানে হারিয়েছেন থমাস মাচাককে।
মেয়েদের এককে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের তৃতীয় রাউন্ডে ম্যাচ ছেড়ে দিলেন নওমি ওসাকা। অসুস্থকার জন্য ম্যাচ শুরুর ঘণ্টাখানেক আগে নাম প্রত্যাহার করে নেন তিনি। ম্যাডিসন ইংলিস বিনা লড়াইয়ে চতুর্থ রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন। প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়ানো নিয়ে চার বারের গ্র্যান্ড স্ল্যাম চ্যাম্পিয়ন ওসাকা বলেছেন,
‘আগের ম্যাচের পর মনে হয়েছে, আমার শরীরের যত্ন প্রয়োজন। সে কারণেই আমাকে সরে দাঁড়ানোর মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হল।’
তৃতীয় রাউন্ডে জয় পেয়েছেন দ্বিতীয় বাছাই ইগা শিয়নটেকও। তিনি ৬-১, ১-৬, ৬-১ ব্যবধানে হারিয়েছেন আনা কালিনস্কায়াকে। পঞ্চম বাছাই এলিনা রাইবাকিনা ৬-২, ৬-৩ ব্যবধানে টেরেজ়া ভ্যালেনতোভাকে হারিয়ে চতুর্থ রাউন্ডে পৌঁছেছেন।
No posts available.

প্রথম সেটে পারফরম্যান্স ছিল যাচ্ছেতাই। দ্বিতীয় সেটেও জাত চেনাতে পারলেন না দানিল মেদভেদেভ। তাতেই মেজাজ হারানোর উপক্রম। টেনিসের ৯০ নম্বর বাছাই মাত্তেও বেরেত্তিনির কাছে হারের পর রাগ উগড়ে দিলেন দানিল মেদভেদেভ। ম্যাচের মাঝপথেই ভাঙলেন নিজের র্যাকেট।
বুধবার মন্টে কার্লোতে রাশিয়ান ১০ নম্বর বাছাই মেদভেদেভের হার ৬-০ ও ৬-০ ব্যবধানে। আর ক্যারিয়ারে প্রথমবার বেরেত্তিনির কাছে ডাবল ব্যাগেলে হারলেন তিনি।
ম্যাচে বেরেত্তিনির বিপক্ষে দ্বিতীয় রাউন্ডে মাত্র ৪৯ মিনিটের ম্যাচে পুরোপুরি নিষ্প্রভ ছিলেন মেদভেদেভ। প্রথম সেট হারার পর দ্বিতীয় সেটের শুরুতেই ক্ষোভে র্যাকেট ছুড়ে মারেন কোর্টের পেছনের বোর্ডে। এরপর দর্শকদের হাসির মাঝেই সেটি তুলে নিয়ে মাটিতে ছয়বার আঘাত করেন। শেষ পর্যন্ত র্যাকেটটি ভেঙে যায়।
জযের পর ২৯ বছর বয়সী বেরেত্তিনি বলেন, ‘ম্যাচে হয়তো আমি মাত্র তিনটি শট মিস করেছি। আমার পরিকল্পনা ছিল একেবারে নিখুঁত, আর আমার শক্তিগুলো ঠিকভাবে কাজ করেছে।’

বয়স যে শুধু একটি সংখ্যা মাত্র- তা আরও একবার প্রমাণ করলেন ৩৬ বছর বয়সী আর্জেন্টাইন তারকা মার্কো ট্রুনগেলিটি। মারাকেশ ওপেনের সেমি-ফাইনালে শীর্ষ বাছাই ইতালির লুসিয়ানো দারদোরিকে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছেন তিনি।
মরক্কোতে শনিবারের ম্যাচে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দারদোরিকে ৬-৪, ৭-৬ (৭-২) সেটে হারান টুর্নামেন্টের বাছাইপর্ব পেরিয়ে আসা ট্রুনগেলিটি। এই জয়ে টেনিসের উন্মুক্ত যুগের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে এটিপি ট্যুর ফাইনালিস্ট হওয়ার রেকর্ড এখন এই আর্জেন্টাইনের দখলে।
এর আগে এই রেকর্ডটি ছিল ডোমিনিকান রিপাবলিকের ভিক্টর এস্ট্রেলা বার্গোসের। ২০১৫ সালে ৩৪ বছর বয়সে ফাইনালে উঠেছিলেন তিনি।
আরও পড়ুন
| ৯ ফাইনালের একটি হেরে শিরোপা দৌড়ে হোঁচট রিয়ালের |
|
এই সাফল্যে র্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ দিয়েছেন ট্রুনগেলিটি। টুর্নামেন্ট শুরু করার সময় তার বিশ্ব র্যাঙ্কিং ছিল ১১৭। টানা জয়ে লাইভ র্যাঙ্কিংয়ে তিনি এখন ৭৫ নম্বরে উঠে এসেছেন। সেই সাথে প্রথমবারের মতো শীর্ষ ১০০তে জায়গা নিশ্চিত করেছেন ট্রুনগেলিটি।
ম্যাচ পরবর্তী সাক্ষাৎকারে আবেগাপ্লুত ট্রুনগেলিটি বলেন, 'আমি সবসময় বিশ্বাস করতাম এটা সম্ভব, আর সেই বিশ্বাসের কারণেই আজ আমি এখানে। আমি, আমার দল, আমার স্ত্রী ও সন্তান- সবাই এই রেকর্ড ভাঙার স্বপ্ন দেখেছিলাম এবং আজ আমরা তা সত্যি করতে পেরেছি।'
শিরোপার লড়াইয়ে রোববার বাংলাদেশ সময় রাত আটটায় স্পেনের রাফায়েল জোদার মুখোমুখি হবেন ট্রুনগেলিটি। অন্য সেমি-ফাইনালে আর্জেন্টিনার কামিলো উগো কারাবেলিকে ৬-২, ৬-১ সেটে হারিয়ে ফাইনালে ওঠেন জোদা।

মিয়ামি ওপেনের ফাইনালে জিরি লেহেচকাকে ৬-৪, ৬-৪ সরাসরি সেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন ইয়ানিক সিনার। এর আগে ইন্ডিয়ান ওয়েলসে সরাসরি সেটে শিরোপা জিতেছিলেন তিনি। ফলে প্রথম পুরুষ খেলোয়াড় হিসেবে ‘সানশাইন ডাবল’ সম্পূর্ণ করার কৃতিত্ব গড়লেন শীর্ষ বাছাইয়ের দুই নম্বর র্যাঙ্কধারী এই ইতালিয়ান টেনিস তারকা।
২০১৭ সালে রজার ফেদেরারের পর প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে এই কীর্তি গড়লেন সিনার। এর মাধ্যমে ফেদেরার, জোকোভিচ, আগাসি ও সাম্প্রাসদের মতো কিংবদন্তিদের এলিট ক্লাবে নাম লিখিয়েছেন সিনার।
ম্যাচের পর সিনার বলেছেন, “এই অবস্থানে পৌঁছানোর জন্য অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। এ জয়ে সত্যিই আমি খুশি। টুর্নামেন্ট শেষে বাড়ি ফিরে যাচ্ছি বলেও খুশি।
সরাসরি দুই টুর্নামেন্টে সরাসরি সেটে জেতা অবিশ্বাস্য বটে। সিনার নিজেও মনে করেন অসাধ্য সাধন করেছেন তিনি, ‘‘সানশাইন ডাবল’ অর্জন অবিশ্বাস্য। আমি কখনও কল্পনা করিনি এটা জিতব। কারণ এটি খুব কঠিন, তবে করতে পেরেছি। তাই আমি খুবই খুশি।”
ফ্লোরিডায় রবিবার রাতে বৃষ্টির বাগড়ায় খেলা শুরু হয় ৯০ মিনিট দেরিতে। প্রথম সেটে শুরুতেই ব্রেক করে ৩-১ এগিয়ে যান সিনার এবং শেষ পর্যন্ত সেট নিজের করে নেন।
দ্বিতীয় সেটের শুরুতেই আবারও বৃষ্টি হানা দেয়। যা সিনারদের প্রায় ৯০ মিনিটের জন্য কোর্ট থেকে সরিয়ে দেয়। দ্বিতীয় সেটে শীর্ষ ২২ নম্বর বাছাই লেহেকা প্রতিরোধের চেষ্টা চালান। তবে সিনার ষষ্ঠ ব্রেক পয়েন্টে এগিয়ে যান এবং ম্যাচ নিজের করে নেন।

ফাইনালে কোকো গফকে ৬-২, ৪-৬, ৬-৩ সেটে হারিয়ে মিয়ামি ওপেনের শিরোপা ধরে রেখেছেন আরিনা সাবালেঙ্কা। সেই সঙ্গে ২০২৬ সালে নিজের অসাধারণ জয়যাত্রা অব্যাহত রাখলেন বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকা।
২৭ বছর বয়সী সাবালেঙ্কা পঞ্চম নারী খেলোয়াড় হিসেবে একই মৌসুমে ইন্ডিয়ান ওয়েলস এবং মিয়ামি; উভয় শিরোপা জিতে ‘সানশাইন ডাবল’ সম্পন্ন করার কৃতিত্ব দেখালেন। ২০২২ সালে ইগা সোয়াটেকের পর তিনিই প্রথম এই মাইলফলক স্পর্শ করলেন। এর আগে ভিক্টোরিয়া আজারেঙ্কা, কিম ক্লাইস্টার্স এবং স্টেফি গ্রাফ এই গৌরব অর্জন করেছিলেন।
২০২৬ সালে সাবালেঙ্কা মোট তিনটি শিরোপা জিতেছেন। ২৪ ম্যাচের মধ্যে ২৩টিতে জিতে রেকর্ড গড়েছেন। জানুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ফাইনালে বিশ্বের দুই নম্বর তারকা এলিনা রিবাকিনার কাছে একমাত্র পরাজয় ছিল বেলারুশ কন্যার। মিয়ামি ফাইনালের আগে এই বছরে রিবাকিনাই ছিলেন একমাত্র খেলোয়াড় যিনি সাবালেঙ্কার বিপক্ষে সেট জিততে পেরেছিলেন। এরপর আমেরিকান তারকা কোকো গফ শনিবার ফাইনালে দ্বিতীয় সেট জেতেন।
জয়ের পর স্কাই স্পোর্টসকে সাবালঙ্কা বলেন,
‘পেছনের মাসগুলোতে যা যা ঘটেছে, সেগুলো ফিরে দেখার বা উপলব্ধি করার মতো সময় আমি পাইনি। যে পরিশ্রম করেছি এবং কোর্টে আমি যে লড়াকু মানসিকতা দেখাতে পেরেছি, তাতে আমি গর্বিত। কোকো (গফ) প্রতিটি সুযোগের জন্য লড়াই করে এবং সে দুর্দান্ত খেলেছে। তবে মানসিকভাবে আমি শক্ত ছিলাম। জানতাম আমি সব ঠিকঠাক করছি, জয়টা ছিল মাত্র কয়েক পয়েন্টের ব্যবধান।’
হারলেও র্যাঙ্কিংয়ের পরবর্তী হালনাগাদে পোল্যান্ডের সোয়াটেককে টপকে বিশ্ব টেনিস র্যাঙ্কিংয়ের (নারী) তিনে উঠে আসবেন ২২ বছর বয়সী গফ। উল্লেখ্য, গফের ক্যারিয়ারের দুটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ই এসেছিল ফাইনালে সাবালেঙ্কাকে হারিয়ে। শনিবারের এই ম্যাচের আগে দুজনের মুখোমুখি লড়াইয়ের রেকর্ড ছিল ৬-৬ সমতায়।

ম্যাচের শুরুটা অত্যন্ত দাপুটে ছিল সাবালেঙ্কার। প্রথম গেমেই ব্রেক করে সহজেই প্রথম সেট নিজের করে নেন। তবে গফ দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান। দ্বিতীয় সেটে ২-২ এবং ৩-৩ স্কোরে ব্রেক পয়েন্ট বাঁচিয়ে শেষ পর্যন্ত সেটটি জিতে লড়াইয়ে সমতা ফেরান। কিন্তু চারবারের মেজর চ্যাম্পিয়ন সাবালেঙ্কা নির্ণায়ক সেটের শুরুতেই গুরুত্বপূর্ণ ব্রেক পান এবং গফের একটি ব্যাকহ্যান্ড শট কোর্টের বাইরে চলে গেলে প্রথম ম্যাচ পয়েন্টেই জয় নিশ্চিত করেন।
মিয়ামি ওপেনে পুরুষ দ্বৈতে ব্রিটেনের হেনরি প্যাটেন এবং ফিনল্যান্ডের হারি হেলিওভারা জুটি ফাইনালে ইতালীয় জুটি সিমোন বোলেলি এবং আন্দ্রেয়া ভাভাসোরির কাছে ৬-৪, ৬-২ ব্যবধানে হেরেছেন। আর পুরুষ এককের ফাইনালে আজ বিশ্বের দুই নম্বর তারকা ইয়ানিক সিনার মুখোমুখি হবেন চেক প্রজাতন্ত্রের ২১তম বাছাই জিরি লেহেচকার। সাবালেঙ্কার মতো ইতালীয় তারকা সিনারেরও লক্ষ্য ইন্ডিয়ান ওয়েলসের পর মিয়ামি জিতে শিরোপার ডাবল পূর্ণ করা।

ক্যালিফোর্নিয়ার ইন্ডিয়ান ওয়েলসে বড় অঘটন ঘটিয়েছেন দানিল মেদভেদেভ। কার্লোস আলকারাজের ২০২৬ সালের অপ্রতিরোধ্য পথচলা থামিয়ে দিয়ে ফাইনালে উঠেছেন এই রুশ তারকা।
সেমিফাইনালে বিশ্ব টেনিসের এক নম্বর তারকা আলকারাজকে ৬-৩, ৭-৬ (৭-৩) গেমে হারান মেদভেদেভ। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে তাঁর প্রতিপক্ষ ইতালির ইয়ানিক সিনার।
দিনের অন্য সেমিফাইনালে আলেকজান্ডার জেভেরেভকে ৬-২, ৬-৪ গেমে উড়িয়ে দিয়েছেন বিশ্ব টেনিসের দুই নম্বর তারকা সিনার।
বছরের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জয়ী আলকারাজ টানা ১৬ ম্যাচ জিতে উড়ছিলেন। কিন্তু মেদভেদেভের ক্ষিপ্রতার সামনে এদিন খেই হারিয়ে ফেলেন। মাত্র ৩৫ মিনিটেই প্রথম সেট পকেটে পুরেন ১১ নম্বর বাছাই মেদভেদেভ।
আরও পড়ুন
| জুনিয়র সাউথ এশিয়ান গেমসে টিটির বড় প্রত্যাশা |
|
দ্বিতীয় সেটে লড়াই হলেও টাইব্রেকারে জয় নিশ্চিত করেন ২০২১ ইউএস ওপেন জয়ী মেদভেদেভ। এই জয়ের মাধ্যমে ২০২৩ ও ২০২৪ সালের ইন্ডিয়ান ওয়েলস ফাইনালের হারের প্রতিশোধ নিলেন তিনি। ২০২৩ সালের ইউএস ওপেন সেমিফাইনালের পর আলকারাজের বিপক্ষে এটি মেদভেদেভের প্রথম জয়।
অন্য ম্যাচে সিনার মাত্র ১ ঘণ্টা ২৩ মিনিটে জেভেরেভকে হারিয়ে নিজের শক্তিমত্তার জানান দিয়েছেন। ২৪ বছর বয়সী এই ইতালিয়ান এখন রজার ফেদেরার ও নোভাক জোকোভিচের পর তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে হার্ড কোর্টের সবকটি (ছয়টি) 'এটিপি মাস্টার্স ১০০০' শিরোপা জয়ের রেকর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে।
টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত মেদভেদেভ বা সিনার— কেউই কোনো সেট হারেননি। দুই তারকার মুখোমুখি লড়াইয়ে গত তিন ম্যাচে টানা জিতেছেন সিনার। ক্যালিফোর্নিয়ার হার্ড কোর্টে আজ রাতের ফাইনালে কে শেষ হাসি হাসেন, এখন সেটিই দেখার বিষয়। ম্যাচটি হবে আজ বাংলাদেশ সময় রাত তিনটায়।