
ইতিবাচক ফুটবলের বার্তা ছিল মিকেল আর্তেতার। তার দল শুরুটা করল ঠিক সেভাবেই। ভাগ্য সহায় হলে প্রথম দশ মিনিটেই মিলতে পারত গোল। তবে সেটা আর হয়নি। বরং সময় গরানোর সাথে সাথে ছন্দ ফিরে পাওয়া পিএসজি দেখাল প্রাধান্য। গোলের দেখাও মিলল অনায়াসেই। কোনঠাসা আর্সেনাল একটা গোল করল বটে, তবে তাদের ম্যাচের দ্বিতীয় সেরা দল বানিয়ে পাঁচ বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে পা রাখল লুইস এনরিকের পিএসজিই।
এমিরেটস স্টেডিয়ামে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের দ্বিতীয় সেমিফাইনালের ফিরতি লেগে ২-১ গোলে জিতেছে পিএসজি। ফলে দুই লেগ মিলিয়ে ৩-১ স্কোরলাইনে জিতে দলটি পা রেখেছে এই প্রতিযোগিতায় নিজেদের ইতিহাসে দ্বিতীয় ফাইনালে।
শিরোপার লড়াইয়ে পিএসজির প্রতিপক্ষ ইন্তার মিলান, যারা বার্সেলোনাকে ৭-৬ গোলে হারিয়ে জায়গা করে নিয়েছে তিন বছরের মধ্যে নিজেদের দ্বিতীয় ফাইনালে।
প্রথম লেগে ঘরের মাঠে পিএসজিকে দেখা যায়নি সেরা ছন্দে। তাতেও ধরা দিয়েছিল জয়। প্রতিপক্ষের মাঠে তৃতীয় মিনিটেই বিপদে পড়ে যাচ্ছিল দলটি। খিভিচা কোয়ারাতসখেলিয়া পিএসজির বক্সের কাছে জুরিয়েন টিম্বারের কাছে নবল হারান, যেখান থেকে বক্সের ভেতর করা তার ক্রসে হেড নেন ডেকলান রাইস, যা থাকেনি লক্ষ্যে।
প্রথম লেগে পিএসজির জয়ে বড় অবদান ছিল দুর্দান্ত কিছু সেভ করা গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোনারুম্মার। এই ম্যাচেও হয়নি তার ব্যতিক্রম। থমাস পার্টির বক্সে ভেতর বাড়ানো লম্বা থ্রো থেকে বল পেয়ে লক্ষ্যে জোরাল শট নেন গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলি। তবে দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে যান পিএসজি গোলরক্ষক, উপহার দেন পয়েন্ট-ব্ল্যাঙ্ক সেভ।
প্রথম দশ মিনিটে পিএসজিকে ব্যস্ত থাকতে হয় রক্ষণ সামলাতেই বেশি। অষ্টম মিনিটে ফের ত্রাতার ভূমিকায় হাজির হন দোনারুম্মা। আরও একবার থ্রো-ইন থেকে বক্সের ভেতর বল পায় আর্সেনাল। এবার নিখুঁত শট নেন অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড। তবে ঝাঁপিয়ে এক হাতে সেটা আটকে দেন ইতালিয়ান এই গোলকিপার।
১৬তম মিনিটে গোল প্রায় পেয়েই যাচ্ছিল পিএসজি। পাল্টা আক্রমণ থেকে বল পেয়ে বাঁদিক থেকে কাট করে বক্সে প্রবেশ করে শট নেন জর্জিয়ান। ডেভিড রায়াকে পরাস্ত করতে পারলেও বল ফিরে আসে পোস্টে লেগে।
ছয় মিনিট বাদে আরেকটি ভালো সুযোগ নষ্ট হয় পিএসজির। বক্সের ভেতর ভালো পজিশনে থাকলেও দুর্বল শট নিতে পারেন ডিসাইর দৌরে। ২৭তম মিনিটে লিড নেয় পিএসজি, আর সেটা ছিল দেখার মত এক গোলই।
আর্সেনাল ফ্রি-কিক ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হলে বল পেয়ে যান ফাবিয়ান রুইজ। প্রথমে বলের নিয়ন্ত্রণ নেন, জায়গা তৈরি করেন আর এরপর বাঁ পায়ের বুলেট শটে খুঁজে নেন ঠিকানা। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ৪৬তম ম্যাচে এটি তার প্রথম গোল।
বিরতির পর গোছানো ফুটবল উপহার দেয় আর্সেনাল। ৬৩তম মিনিটে দারুণ এক সুযোগও তারই ফলশ্রুতিতে পেয়ে যান বুকায়ো সাকা। বাঁদিক থেকে কাট করে নেন কার্লিং শট, যা ছিল লক্ষ্যেই। তবে পিএসজির যে একজন দোনারুম্মা আছেন! আলতো করে বলটি ক্লিয়ার করেন কর্নারের বিনিময়ে।
এর মিনিট দুয়েক বাদে আশরাফ হাকিমির শট আর্সেনালের বক্সে একজনের হাতে লাগলেও শুরুতে তা পেনাল্টি মনে হচ্ছিল না। তবে ভিএআর দেখে রেফারি পেনাল্টি দেন পিএসজিকে।
তবে দলকে হতাশ করেন ভিতিনিয়া। ধীরে ধীরে এগিয়ে যান তিনি, যা দেখে রায়াও মুভ করেন সেভাবেই। ডান দিকে নেওয়া ভিতিনিয়ার নেওয়া শট শেষ পর্যন্ত রুখে দেন রায়া।
৭২তম মিনিটে ম্যাচ থেকে আর্সেনালকে প্রায় ছিটকেই দেন হাকিমি। বদলি নামা উসমান দেম্বেলে পাস থেকে বক্সের ভেতর বল পেয়েই জাল খুঁজে নেন মরক্কোর এই ডিফেন্ডার।
দুই লেগ মিলিয়ে ৩-০ গোলে পিছিয়ে যাওয়ার আর্সেনাল ৭৫তম মিনিটে পায় একটা লাইফলাইন। একটু আগেই বদলি নামা লিয়ানড্রো ট্রোসার্ড মারকুইনহোসের কাছ থেকে বলের দখল নিয়ে বক্সের ভেতর পাস দেন সাকাকে। ইংলিশ উইঙ্গারের প্রথম শট গোলকিপার আটকে দিলেও ফিরতি শটে গোলের দেখা পান সাকা।
তবে পরের মিনিটে ম্যাচের সবচেয়ে সহজ ও সেরা সুযোগটাও নষ্ট করেন তিনি। ছয় গজের ভেতর পরাস্ত হয়ে গিয়েছিলেন দোনারুম্মাও। ফাঁকায় থাকা সাকার কাজ ছিল কেবল বল লক্ষ্যে রাখা, তবে তিনি সেটা উড়িয়ে মারেন পোষ্টের অনেক ওপর দিয়ে।
ওই মিসের পর আর্সেনালের মনোবলও যেন হারিয়ে যায় দ্রুত। বাকি সময়ে পিএসজি রক্ষণ সামাল দেয় দক্ষতার সাথেই। আর সেটাই তাদের ২০১৯-২০ মৌসুমের পর আবার নিয়ে যায় ফাইনালে।
No posts available.
৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:২৬ পিএম
৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:৪৮ পিএম

আনপ্রিডেক্টবল হয়ে পড়েছে প্রিমিয়ার লিগ। বড়-ছোট কিংবা তারকা ঠাসা দল নিয়েও স্বস্তিতে থাকার জো নেই ক্লাবগুলোর। অন্তত রবিবার রাতের বেশ কয়েকটি ম্যাচ পর্যালোচনায় তা আর স্পষ্ট হয়ে ওঠেছে।
পয়েন্ট টেবিলে তলানিতে থাকা লিডস ইউনাইটেডের বিপক্ষে পেরে ওঠেনি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ১-১ ব্যবধানে শেষ হওয়া ম্যাচে পয়েন্ট ভাগাভাগিতে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে রুবেন আমোরিমের দলের। ফুলহামের মাঠে গিয়ে সুবিধা করতে পারেনি ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন লিভারপুল। ২-২ ব্যবধানে মিমাংসা হয়েছে নাটকীয় এই ম্যাচ। টটেনহ্যাম-সান্ডারল্যান্ড মধ্যকার ম্যাচটিও নিষ্পত্তি হয়েছে ১-১ সমতায়।
নিউক্যাসেলের ঘরের মাঠে গিয়ে পয়েন্ট খুইয়ে এসেছে ক্রাস্টেল প্যালেসের কাছে। অলিভার গ্লাসনারের দল ২-০ গোলে হেরেছে এডি হাউয়ের শিষ্যদের কাছে। ব্রেন্টফোর্ড-এভারটন ম্যাচ হয়েছে হাইস্কোরিং। ৬ গোলের ম্যাচের ৪টিই ছিল স্বাগতিক এভারটনের বিপক্ষে।
রাত সাড়ে এগারটায় শুরু হয়েছে ম্যানসিটি-চেলসি ম্যাচ। এই ম্যাচের ফলের পর পয়েন্ট টেবিলে আলোকপাত করা সহজ হবে। তবে সিটি যদি চেলসির বিপক্ষে জিতে, তারপরও আর্সেনাল থেকে তিন পয়েন্ট পিছিয়ে থাকবে পেপ গার্দিওলার দল। হারলে আখের লাভ অ্যাস্টল ভিলার।
উনাই এমেরির দল দ্বিতীয়তে উঠার বড় সুযোগ পাবে। ফুলহামের সঙ্গে ড্র করাতে আর্নে স্লটের দলের বর্তমান পয়েন্ট ৩৪। সমান ২০ ম্যাচে ভিলা পার্কের দলের অর্জন ৪২। শীর্ষে থাকা আর্সেনালের পয়েন্ট ৪৮।
এই মুর্হূতে তালিকায় ব্রেন্টফোর্ড সপ্তমে।অষ্টমে সান্ডারল্যান্ড এবং নিউক্যাসেল নবম স্থানে। সমান ২০ ম্যাচ করে খেলা ব্রেন্টফোর্ড ও সান্ডারল্যান্ডের পয়েন্ট ৩০। নিউ ক্যাসেলের ২৯।
আবারও ‘ড্র’ লিভারপুলের: গত ম্যাচে লিডস ইউনাইটেডের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছিল অল রেডসরা। রেসে টিকে থাকার ম্যাচে আজ ক্যারাভেন কটেজে নাটকীয় ম্যাচে পয়েন্ট ভাগাভাগিতে সন্তুষ্ট থাকতে হয় লিভারপুলকে।
১৭ মিনিটে উইলসনের গোলে এগিয়ে যায় ফুলহাম। দ্বিতীয়ার্ধে (৫৭ মিনিট) ফ্লোরিয়ান ভির্টজ দলকে সমতায় ফেরান। বাকি গোল দুটো হয়েছে ৯০ মিনিট শেষে, যোগ করা সময়ে। যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে কোডি গোকপোর গোলে লিড নেয় সফরকারিরা। সপ্তম মিনিটে রেডের গোলে নিশ্চিত হার এড়ায় ফুলহাম।
ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের দলেরও ‘ড্র’ ভাগ্য: অ্যালান্ড রোডে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয়েছে তিন মিনিটে। ৬২ থেকে ৬৫ মিনেট— এসময় গোল হয়েছে দুটি। লিডসের হয়ে গোলটি করেন ব্রেন্ডন অ্যান্ডারসন এবং ইউনাইটেডের হয়ে কুনহা।
ম্যাচ ঘড়ির ৬২ মিনিটে লিড নেয় লিডস। বাঁ পায়ের জাদুতে ম্যান ইউনাইটেডের জালে লক্ষ্যবেদ করেন ব্রেন্ডন অ্যান্ডারসন। প্রিমিয়ার লিগে এটি তৃতীয় গোল যুক্তরাষ্ট্র ফরোয়ার্ডের।
এগিয়ে থেকে স্বস্তিতে থাকতে পারেনি ম্যান ইউনাইটেড। তবে মিনিট তিনেকের মাথায় ম্যান ইউনাইটেডকে সমতায় ফেরান কুনহা। মিডফিল্ড থেকে বল রিসিভ করে সোজা ডি বক্সে ঢুকে পড়েন ব্রাজিল লেফট উইঙ্গার। লিডসের দুই ডিফেন্ডারকে পেছনে ফেলে জালে জড়ান বল।
জেমস পার্ক ছিল নিউ ক্যাসেলের দখলে: ঘরের মাঠ। হাতের তালুর মতো চিরচেনা। এই সুযোগটাই কাজে লাগিয়েছে এডি হাউয়ের শিষ্যরা। সুযোগ বুঝে লিগে পূর্ণ তিন পয়েন্ট আদায় করে নেন স্বাগতিকরা।
নিউ ক্যাসেলের হয়ে গোল দুটি করেন গুইমারেস ও মালিক থিয়াও।

লা লিগায় আগের রাতে এস্পানিওলকে হারিয়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ থেকে নিজেদের সাত পয়েন্ট উচ্চতায় নিয়ে যায় বার্সেলোনা। তারপরও ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের স্বস্তিতে থাকতে দেয়নি রিয়াল। আজ রিয়াল বেতিসকে ৫-১ গোলে হারিয়ে বার্সা থেকে দুরুত্ব কমালো লস ব্লাঙ্কোসরা।
রবিবার সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ১৫ মিনিটে শুরু হওয়া ম্যাচে প্রথমার্ধে একটি গোল এবং দ্বিতীয়ার্ধে বাকি পাঁচটি গোল হয়েছে। আসরে প্রথম হ্যাটট্রিকের দেখা পেয়েছেন বার্সেলোনার তরুণ ফরোয়ার্ড গঞ্জালো গার্সিয়া।
ম্যাচের ডেডলক ভাঙে ২০ মিনিটে। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর মাদ্রিদকে এগিয়ে নেন গার্সিয়া। ফ্রি-কিকে বলটি ব্যাক পোস্টের দিকে পাঠান রদ্রিগো। আগেই অবস্থান নেওয়া গার্সিয়া দারুণ হেডারে জালে পাঠান বল। প্রথমার্ধে একাধিক চেষ্টা চালালেও ১-০ গোলে সন্তুষ্টি নিয়ে বিরতিতে যায় রিয়াল।
দ্বিতীয়ার্ধের মাত্র ৫ মিনিটের মাথায় লিড দ্বিগুণ করেন গঞ্জালো। ফেদেরিকো ভালভার্দের পাস প্রথমে বুক দিয়ে নিয়ন্ত্রণে নেন স্পেন ফরোয়ার্ড। তারপর ঘুরে দাঁড়িয়ে নিচের কর্ণারে জালে বল পাঠান। তাতেই স্বস্তি বিরাজ করে গ্যালারিজুড়ে। খেলা দেখতে মাঠে আসা কিলিয়ান এমবাপে এক্রোবেটিক শট দেখে রীতিমতো বিস্ময় প্রকাশ করেন। চোটের কারণে দলের বাইরে থাকা ফরাসি ফরোয়ার্ড ছাড়াও মাঠে উপস্থিত ছিলেন ট্রেন্ট আলেক্সান্ডার আর্নল্ড ও এদার মিলিতাও।
৫৬ মিনিটে লিড তিনগুণ করে রিয়াল। এই গোলটিও আসে রদ্রিগোর সহায়তায়। দূরের কর্নার থেকে আউটসুইং স্টাইলে বল ক্রস করেন রদ্রিগো। তা রাউল আসেনসিও দারুণ হেডারে জালে লক্ষ্যবেদ করেন। তাতেই ৩-০ লিড আদায় করে স্বাগতিক দল।
রিয়ালের তৃতীয় গোলের পর একটি শোধ করে অতিথি দল। ভ্যালেসের লং পাস নিয়ন্ত্রণে নেন রুইবাল। এরপর হার্নান্দেসসে পাস দেন। রাউল আসেনসিওর পরিস্থিতি সামলাতে পারতেন, কিন্তু বল গড়িয়ে কলম্বিয়ান ফরোয়ার্ডের দিকে চলে যায়। সুযোগ কাজে লাগান হার্নান্দেস। থিবো কোর্তোয়াকে কাটিয়ে জোরালো শটে জাল কাঁপান। একই সঙ্গে বেটিসকে ম্যাচে ফেরার আশা দেখান।
৭৮ মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে উঠিয়ে ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়ানোকে নামানো হয়। একই সময় উঠিয়ে নেওয়া হয় ম্যাচের অন্যতম নায়ক রদ্রিগোকেও। আরদা গুলের নামেন তার পরিবর্তে। এরপরই আসল ম্যাজিক দেখান তুর্কী মিডফিল্ডার।
৮২ মিনিটে গঞ্জালোকে দারুণ এক পাস দেন দেন। বক্সের কয়েকগজ দূরে থাকা সে পাস ব্যাকহিলে শট নিয়ে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তিনি। লা লিগায় ২১ বর্ষী স্পেন তরুণের এটি পঞ্চম গোল। আর মৌসুমে প্রথম হ্যাটট্রিক।
আদতে এখানে ম্যাচ হয়ে গেছে ভাবলে ভুল হবে। যোগ করা সময়েও অতিথিদের জালে আরও একবার বল জালে জড়ায় রিয়াল। গঞ্জালোর বদলি হিসেবে নেমে ফ্রান্সিসকো গার্সিয়া দলের হয়ে শেষ গোলটি করেন।
৫-১ ফলের মতোই ম্যাচে একচেটিয়া আধিপত্য ছিল রিয়ালের। ৬১ শতাংশ বল তাদের দখলে ছিল। ১৯টি শট নিয়ে ৯টি লক্ষ্যে রাখে জাবি আলোনসোর শিষ্যরা। বিপরীতে ১৩টি শট নিয়ে ৫টি লক্ষ্যে রাখে বেতিস। অতিথিরা বড় সুযোগ তৈরি করতে পেরেছে মাত্র ১টি। বিপরীতে পাঁচটি সুযোগ তৈরি করে রিয়াল।

নারী ফুটবল লিগে আরও একটি একপেশে ম্যাচ হলো আজ। ফরাশগঞ্জ স্পোর্টিং ক্লাব রীতিমত ছেলে-খেলা করল জামালপুর কাচারিপাড়া একাদশকে নিয়ে। তবে ম্যাচে উত্তেজনা ছড়ালো প্রথমার্ধে দুই দলের হাতাহাতি এবং জোড়া লাল কার্ডে। এরপর খেলা শুরু হলে আরও বিধ্বংসী হয়ে উঠলেন শামসুন্নাহার, মারিয়া মান্দারা। রেকর্ড জয় উদযাপন করলেন তাঁরা। ঘটনাবহুল ম্যাচে তহুরা খাতুনের কাছ থেকে দেখা গেল ওভার হেড কিক গোল।
রোববার এবারের নারী ফুটবল লিগের দশম ম্যাচে ২৩-০ গোলের রেকর্ড জয় পেয়েছে ফরাশগঞ্জ। কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে হওয়া ম্যাচে শামসুন্নাহার জুনিয়র এবং অধিনায়ক মারিয়া মান্দা করেন জোড়া হ্যাটট্রিক। দুজনের নামের পাশেই যোগ হয়েছে ৬টি করে গোল। ঢাকা রেঞ্জার্সের বিপক্ষে ৪ গোল করেছিলেন শামসুন্নাহার জুনিয়র। সেদিন এক গোল পেয়েছিলেন মারিয়া।
এদিন হ্যাটট্রিক পেয়েছেন তহুরা খাতুনও। আগের ম্যাচে চার গোল করা জাতীয় দলের এই ফরোয়ার্ড আজ করেছেন আরও তিন গোল। জোড়া গোল করেন শামসুন্নাহার সিনিয়র। একবার করে জালের দেখা পেয়েছেন মনিকা চাকমা, সামিক্ষা ঘিমিরে, অনামিকা ত্রিপুরা, মানুচিং মারমা, প্রীতি ও তৃষা।
২০২১ সালে বাংলাদেশ নারী ফুটবল লিগে ২১-০ গোলে জয়ের রেকর্ড ছিল চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংসের। সেবার তারা হারিয়েছিল নাসরিন স্পোর্টস একাডেমিকে। এরপর ২০২৪ সালে এই কাচারিপাড়া একাদশকেই ১৯-০ গোলে হারায় নাসরিন। এবার আরও বড় লজ্জার মুখে পড়ল জামালপুরের ক্লাব কাচারিপাড়া একাদশ।
এদিন কিক অফের পর ৩৮ সেকেন্ডে প্রথম গোলের দেখা পায় ফরাশগঞ্জ। ম্যাচ শুরুর পর তহুরা খাতুনের প্রথম অ্যাটাকেই কর্নার তুলে নেয় দলটি। সেখান থেকে গোল করেন মনিকা।
ষষ্ঠ মিনিটে শামসুন্নাহার সিনিয়রের ক্রস থেকে বক্সে বল রিসিভ করে বা পায়ের জোরালো শটে মারিয়া ব্যবধান দ্বিগুণ করেন।
১৩ মিনিটে বক্সের সামনে থেকে শামসুন্নাহার জুনিয়রের গতিময় শট যায় পোস্টের উপর দিয়ে। পরের মিনিটে ভুল করেননি তহুরা। বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের মাপা শটে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি। চার মিনিট পর প্রায় ৩৫ গজ দূর থেকে মারিয়ার ডান পায়ের শট ক্রসবারে লেগে গোললাইন অতিক্রম করে।
এ সময় মুহুর্মুহু আক্রমণে দিশাহারা যেন কাচারিপাড়া একাদশের মেয়েরা। ১৮ মিনিটে ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন সাফা মারওয়া।
২১ মিনিটে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করে মাঠে। হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন দুই দলের একাধিক খেলোয়াড়। আহত হয়ে মাঠে শুশ্রুষা নেন ফরাশগঞ্জের নেপালি ডিফেন্ডার পূজা রানা।
ঘটনার পর রেফারিদের সিদ্ধান্ত নিতে সময় লাগে বেশ। কয়েক দফায় ম্যাচ কমিশনারের সঙ্গে আলোচনা করেন মাঠের রেফারিরা। এরপর ফরাশগঞ্জের মনিকা এবং কাচারিপাড়ার চাবেত্রী ত্রিপুরাকে দেখানো হয় লাল কার্ড। ফরাশগঞ্জ অধিনায়ক মারিয়া দেখেনে হলুদ কার্ড।
১৫ মিনিটেরেও বেশি সময় পর শুরু হয় খেলা। আর দ্বিতীয় শুরুর পর গোল পেতে ফরাশগঞ্জের লাগে মাত্র এক মিনিট। ৩৭ মিনিটে নেপালের আরেক ডিফেন্ডার সামিক্ষার গোলে লিড ৫-০ করে পুরাণ ঢাকার ক্লাবটি।
৪২ মিনিটে শামসুন্নাহার জুনিয়রের চমৎকার গোলে আরও এগিয়ে যায় ফরাশগঞ্জ। যদিও এই গোলে বেশি অবদান ছিল তহুরার। বাঁ প্রান্ত দিয়ে আক্রমণে উঠে বক্সে ক্রস দেন এই ফরোয়ার্ড। গোলকিপার পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে এল কয়েকজন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে গোল করেন শামসুন্নাহার জুনিয়র।
যোগ করা সময়ে শামসুন্নাহারের ব্যাক পাস থেকে দূরের কোনা দিয়ে মাটি কামরানো শটে গোল করেন মারিয়া। সেই সঙ্গে নিজের হ্যাটট্রিকও পুরোন করেন তিনি।
খানিক পর শামসুন্নাহার সিনিয়রের গতিময় শট ফিরিয়ে দিলে গোলমুখের সামনে আলতো টোকায় জালে বল জড়ান অনামিকা ত্রিপুরা। ৮-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ফরাশগঞ্জ।
বিরতির পর এবার আরও দ্রুত সময়ে গোল করে ফরাশগঞ্জ। গোলের খাতায় নাম লেখান বদলি খেলোয়াড় মানুচিং মারমা।
৪৭ মনিট তহুরা থ্রু বলে বলে বক্সে ঢুকে পড়েন ছোট শামসুন্নাহার। তাঁকে অবশ্য পেছন থেকে ফেলে দেওয়া হয়, পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। সফল স্পট কিক নেন শামসুন্নাহার সিয়ির।
৫৪ মিনিটে রক্ষণচেড়া পাস ধরে প্রতিপক্ষের গোলকিপারের সঙ্গে ওয়ান ওয়ান সিচুয়েশনে কোনো ভুল করেননি তহুরা। ১১-০ গোলে এগিয়ে যায় ফরাশগঞ্জ। চার মিনিট পর বক্সের একটু সামনে থেকে ডান পায়ের সোজা শটে লক্ষ্যভেদে করেন মারিয়া। পরের মিনিটে সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেন ছোট শামসুন্নাহার। তবে ৬০ মিনিটে আর ভুল করেননি এই ফরোয়ার্ড। অনামিকর দারুণ একটা ক্রসে হেডে লক্ষ্যভেদ করেন শামসুন্নাহার জুনিয়র।
৬১ মিনিটে প্রতিপক্ষের কয়েকজনকে কাটিয়ে বক্সে ঢুকে বাঁ পায়ের নিচু শটে জাল কাাঁপান মারিয়া। ৭০ মিনিটে মারিয়ার সঙ্গে বল দেওয়া নেওয়া করে বক্সে ঢুকে ঠান্ডা মাথায় গোলকিপারকে পরাস্ত করেন শামসুন্নাহার জুনিয়র। সেই সঙ্গে পর পর দুই ম্যাচে হ্যাটট্রিকও পূর্ণ হলো তাঁর। হ্যাটট্রিকে উদযাপন সারতে না সারতে আবারও তিনি। এবার হেড থেকে জাল কাঁপান ২১ বছর বয়সি ফরোয়ার্ড।
খানিক পর বক্সে ঢুকে ব্যাক পাস দেন মারিয়া। অনেকটা বাইরে থেকে প্রীতির জোরালো শটে আরও এগিয়ে যায় ফরাশগঞ্জ। ৭৪ মিনিটে আবারও গোল করেন শামসুন্নাহার জুনিয়র। পরের মিনিটে ওভারহেড কিক থেকে গোল করেন তহুরা। সেই সঙ্গে জাতীয় দলের এই ফরোয়ার্ডও করেন হ্যাটট্রিক।
বল নিয়ে যখন কাচারিপাড়ার বক্সের সামনেই ঘুরপাক করছিলেন ফরাশগঞ্জের ফুটবলাররা তখনই আরেকটি গোলে হতাশায় ডোবান কাচারিপাড়াকে।
৭৯ মিনিটে ফাঁকা জালে অনায়েস গোল করেন শামসুন্নাহার জুনিয়র। ইনজুরি সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে ব্যবধান ২২-০ করেন বিপাশা আক্তার তৃষা। চার মিনিট পর নিজের দ্বিতীয় গোলের দেখা পান শামসুন্নাহার সিনিয়র। শেষ পর্যন্ত ২৩-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ফরাশগঞ্জ।

রুবেন আমোরিমের একার দোষ দেওয়ারও উপায় ছিল না। কারণ, ইতহাস ও ভাগ্য—দুই-ই ছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে। লিডসের বিপক্ষে ১৯৩১ সালের পর নতুন বছরের কোনো ম্যাচে জেতেনি ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের দল। এবারও হল তাই।
ম্যাচে সবদিক দিয়েই আধিপত্য ছিল ম্যান ইউনাইটেডের। বল দখল কিংবা অনটার্গেট শট—দুই ক্ষেত্রেই এগিয়ে ছিল আমোরিমের দল। অথচ শেষ পর্যন্ত পয়েন্ট ভাগাভাগিতে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তাঁদের। প্রাপ্ত ফল মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে পর্তুগিজ কোচের । ম্যাচ শেষে সম্প্রচার চ্যানেলকে তিনি জানিয়েছেন, তাঁর দল আরেকটু ভালো কিছু ডিজার্ভ করে।
রুবেন আমোরিম বলেন,
‘প্রিমিয়ার লিগে ড্র হলেও মানুষ খুশি থাকে—এটাই এই লিগকে অসাধারণ করে তুলেছে।’
বল দখলের লড়াই ৫৫ শতাংশ ছিল ম্যান ইউনাইটেডের দখলে। ১৫টি শট নিয়ে দুইটি লক্ষ্যে রাখতে পারে তারা। বড় সুযোগ পায় তিনটি। মিস করে তিনটি। ১০টি শট নিয়ে তিনটি লক্ষ্যে রাখে স্বাগতিকরা।
আমোরিম বলেন,
‘যদি আপনি ম্যাচটি দেখে থাকেন, বেশিরভাগই আমাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। আমরা অনেক সুযোগ তৈরি করেছি, ভালোভাবে খেলে নিয়ন্ত্রণে রেখেছি। আমাদের জয়ের সুযোগ ছিল, কিন্তু সেটা কাজে লাগাতে পারিনি। কঠিন পরিস্থিতিতে এটা সত্যিই কঠিন ম্যাচ ছিল।’
আমোরিম যোগ করেন,
‘ম্যাচ প্ল্যান ছিল আগের ম্যাচে (ওলভসের বিপক্ষে) আমরা কোথায় ভুল করেছি তা বোঝা। আমরা অনেক উন্নতি করেছি কারণ এবার আমরা সঠিক অবস্থানে ছিলাম। আগের ম্যাচের তুলনায় আমরা উন্নতি করেছি।’
সর্বোপরি আমোরিম বলেন,
‘আমরা আমাদের আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছি এবং পরবর্তী গোলের সুযোগও তৈরি করেছি। আমি মনে করি, আমরা আরও ভালো ফলের যোগ্য ছিলাম।’

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে তাড়া করে বেড়াচ্ছিল দুঃস্মৃতি। একটি রূঢ় সত্য দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছিল ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের ক্লাবের সামনে। বছরের প্রথম লিগ ম্যাচে লিডসের মুখোমুখি হয়ে কখনোই জিততে পারেনি ইউনাইটেড। আজও পুনরাবৃত্তি ঘটল সে ঘটনার।
সেই ১৯৩১ সাল থেকে ২০২৬—১৯৩১ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটে ও লিডস ইউনাইটেড ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হয়। এরপর পর্যাক্রমে ১৯৫৮ সালে ১–১ গোলে ড্র, ১৯৯৪ সালে ০–০ ড্র। আর ১৯৬৯ সালে ২–১ গোলে হারে ম্যান ইউনাইটেড—যে বছর লিডস তাদের দ্বিতীয় ফার্স্ট ডিভিশন শিরোপা জেতে। আর আজকের ম্যাচটি ১-১ ব্যবধারে শেষ হয়।
এ জয়ে প্রিমিয়ার লিগে রুবেন আমোরিমের দলের অবস্থান পঞ্চমে। ২০ ম্যাচের রেড ডেভিলদের পয়েন্ট ৩১। লিডসের অবস্থান ষোড়শ। ২০ ম্যাচে পাঁচটি জয় এবং সাতটি ড্র করেছে তারা। শীর্ষে আর্সেনাল। গার্নারদের পয়েন্ট ৪৮। দ্বিতীয়তে থাকা অ্যাস্টন ভিলা থেকে ৬ পয়েন্ট এগিয়ে তারা।
অ্যালান্ড রোডে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয়েছে তিন মিনিটে। ৬২ থেকে ৬৫ মিনেট— এসময় গোল হয়েছে দুটি। লিডসের হয়ে গোলটি করেন ব্রেন্ডন অ্যান্ডারসন এবং ইউনাইটেডের হয়ে কুনহা।
রবিবার ম্যাচ ঘড়ির ৬২ মিনিটে লিড নেয় লিডস। বাঁ পায়ের জাদুতে ম্যান ইউনাইটেডের জালে লক্ষ্যবেদ করেন ব্রেন্ডন অ্যান্ডারসন। প্রিমিয়ার লিগে এটি তৃতীয় গোল যুক্তরাষ্ট্র ফরোয়ার্ডের।
এগিয়ে থেকে অবশ্য স্বস্তিতে থাকতে পারেনি লিডস। তবে মিনিট তিনেকের মাথায় ম্যান ইউনাইটেডকে সমতায় ফেরান কুনহা। মিডফিল্ড থেকে বল রিসিভ করে সোজা ডি বক্সে ঢুকে পড়েন ব্রাজিল লেফট উইঙ্গার। লিডসের দুই ডিফেন্ডারকে পেছনে ফেলে জালে জড়ান বল।
শেষ দিকটায় আক্রমণ-প্রতিআক্রমণ জমে ওঠে ম্যাচ। ৮১ মিনিটে কুনহার বল বারে লেগে বাইরে চলে না গেলে বিপদ আর বাড়েনি। শেষ পর্যন্ত ১-১ সমতায় শেষ হয় ম্যাচ।
এদিন বাধ্য হয়েই পছন্দের ৩-৪-৩ ফরমেশন থেকে সরে এসে ৩-৪-২-১ ফরমেশনে ঝুঁকেন আমোরিম। তাতে সপ্তম মিনিটেই এগিয়ে যাওয়ার দারুণ সুযোগ তৈরি করে ম্যান ইউনাইটেডের। তবে দুর্ভাগ্য কুনহার। ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া তাঁর শট অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। সতীর্থের পাস দেওয়ার মুহূর্তে অফসাইড অবস্থানে ছিলেন তিনি।
২২ মিনিটে আরও একটি সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করে অতিথিরা। কাসেমিরোর পাস থেকে বল পেয়ে ফাইনাল থার্ডে ঢুকে পড়েন লিসান্দ্রো মার্তিনেস। বুলেট গতির শট নিলেও আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডারের বাঁ পায়ের শটটি দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন স্তাখ। বল ডিফ্লেক্ট হয়ে কর্নারের জন্য বাইরে চলে যায়।
৩৩ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখেন ডর্গু। ক্যালভার্টকে অপ্রয়োজনীয় চ্যালেঞ্জ জানাতে গিয়ে হলুক কার্ড দেখেন ডেনমার্কের এই উইঙ্গার। পরের মিনিটেই সেটপিস থেকে বিপদের মুখে পড়ে ইউনাইটেড। স্তাখের নেওয়া ফ্রি-কিক বক্সে স্ট্রুইকের মাথায় লেগে দিক বদলায়—অল্পের জন্য বিপদ এড়ায় আমোরিমের দল।
৪০ মিনিটে আরও একটি বড় সুযোগ পায় ম্যান ইউনাইটেড। কর্নার থেকে কুনহার শটে প্রথমে হেড নেন কাসেমিরো, সেটিকে আরও কার্যকর করে তোলেন লেনি ইয়োরো। তবে লিডস গোলকিপার পেরিরার দুর্দান্ত সেভে ফের হতাশ হতে হয় রেড ডেভিলদের। গোলশূন্য শেষ হয় প্রথমার্ধ।
বল দখলের লড়াই ৫৫ শতাংশ ছিল ম্যান ইউনাইটেডের দখলে। ১৫টি শট নিয়ে দুইটি লক্ষ্যে রাখতে পারে তারা। বড় সুযোগ পায় তিনটি। মিস করে তিনটি। ১০টি শট নিয়ে তিনটি লক্ষ্যে রাখে স্বাগতিকরা।