
গুঞ্জনটা শুরু হয়েছিল এই মৌসুম থেকেই। লিভারপুল তারকা মোহাম্মদ সালাহ নাকি ছাড়তে পারেন ক্লাব, গন্তব্য হিসেবে বলা হচ্ছিল সৌদি আরব। তবে গত গ্রীষ্মে তা আলোর মুখ দেখেনি। এই মৌসুমেও সেই গুঞ্জন ভেসে বেড়াচ্ছে। তবে তা উড়িয়েই দিলেন মিশরীয় তারকা। ইঙ্গিত দিয়েছেন বরং লিভারপুলের হয়ে খেলা চালিয়ে যাওয়ার।
মূলত ইয়ুর্গেন ক্লপ চলে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই সালাহর ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন ওঠার শুরু। অভিজ্ঞ এই ফরোয়ার্ডকে লিভারপুলের আনার কারিগর তো ক্লপই। জার্মান কোচের বিদায়ে আর সালাহর বয়স ও পারফরম্যান্স বিবেচনায় চারদিকে গুঞ্জন উঠে সালাহ ছাড়বেন লিভারপুল। সেই সাথে সৌদির বড় অর্থের অফার তো আছেই।
আরও পড়ুন: বিদায় বেলায় ক্লপকে নিয়ে যা বললেন সালাহ
তবে সব গুঞ্জন উড়ে গেছে ‘এক্স’ প্ল্যাটফর্মে সালাহর করা এক পোস্টে। “আমরা জানি দিন শেষে শিরোপাটাই গুরুত্বপূর্ণ, পরবর্তী মৌসুমে শিরোপার জন্য আমরা নিজেদের সেরাটা দিয়ে লড়াই করবো। আমাদের সমর্থকরা এটার প্রাপ্য, নিজেদের সেরাটা দিয়ে আমরা লড়াই চালিয়ে যাবো।”
লিভারপুলের সাথে ৩১ বছর বয়সী সালাহর চুক্তির মেয়াদ আছে ২০২৫ পর্যন্ত। পোস্ট দিয়ে সালাহ ইঙ্গিত দিয়েছেন চুক্তি শেষ না করে যাচ্ছেন না কোথাও।

সালাহ লিভারপুলে যোগ দেন ২০১৬-১৭ মৌসুমে। রোমা থেকে প্রায় ৩৭ মিলিয়ন পাউন্ডে লিভারপুলে যোগ দেন সালাহ। এরপর থেকে অল-রেডদের হয়ে খেলেছেন ৩৪৯ ম্যাচ, করেছেন ২১১ গোল, নামের পাশে আছে ৮৯ অ্যাসিস্ট। জিতেছেন প্রিমিয়ার লিগ, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সহ আরও শিরোপা।
চলতি মৌসুমেও ছিলেন লিভারপুলের অন্যতম সেরা ফুটবলার তিনি। চোটে পড়ে বেশ কিছু দিন মাঠের বাইরে থাকলেও অল রেডদের সর্বোচ্চ গোলদাতা সালাহই। সব মিলিয়ে ৪৪ ম্যাচে ২৫ গোলের পাশাপাশি করেছেন ১০টি গোলে সহায়তাও।
No posts available.
২০ মার্চ ২০২৬, ১২:০৯ পিএম

বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ সামনে রেখে এসব সিদ্ধান্তে ইসরায়েল, ফিলিস্তিন ও ইরান—তিন পক্ষই সরাসরি প্রভাবিত হয়েছে।
ফিফা শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে ইসরায়েল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে ১ লাখ ৫০ হাজার সুইস ফ্রাঁ জরিমানা করেছে। একই সঙ্গে ফিলিস্তিন ফুটবল সংস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি নাকচ করে দিয়েছে সংস্থাটি। ইরানের ম্যাচসূচি পরিবর্তনের অনুরোধও প্রত্যাখ্যান করে বিশ্বকাপ নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আয়োজনের ব্যাপারে নিজেদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে ফিফা।
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে শাস্তি
ফিফার তদন্তে ইসরায়েল ফুটবলের বিরুদ্ধে বৈষম্য ও বর্ণবাদী আচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, ‘বৈষম্য, বর্ণবাদী আচরণ, আপত্তিকর ব্যবহার এবং ফেয়ার প্লে নীতিমালা লঙ্ঘনের' দায়ে এই জরিমানা করা হয়েছে।
বিশেষ করে ইসরায়েলের ক্লাব বেইতার জেরুজালেমের সমর্থকদের আচরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ফিফা। অভিযোগে বলা হয়েছে, এই ক্লাবের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বর্ণবাদী আচরণের প্রবণতা রয়েছে এবং এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে ইসরায়েল ফুটবল কর্তৃপক্ষ।
পশ্চিম তীরের বসতি এলাকায় ফুটবল অবকাঠামো থেকে ফিলিস্তিনিদের পদ্ধতিগতভাবে বাদ দেওয়া সম্পর্কেও সমালোচনা করা হয়েছে। জরিমানার এক-তৃতীয়াংশ অর্থ বৈষম্য প্রতিরোধে সংস্কার, নজরদারি ও শিক্ষামূলক কার্যক্রমে ব্যয় করতে নির্দেশ দিয়েছে ফিফা।
ফিলিস্তিনের দাবি খারিজ
দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিন ফুটবল সংস্থা অভিযোগ করে আসছে, পশ্চিম তীরের বসতিতে থাকা ক্লাবগুলোকে ইসরায়েলি লিগে খেলতে দিয়ে ফিফার নীতিমালা লঙ্ঘন করা হচ্ছে। এ প্রেক্ষিতে ইসরায়েলকে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানানো হয়েছিল।
তবে ফিফা জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে পশ্চিম তীরের চূড়ান্ত অবস্থান এখনো ‘জটিল ও অমীমাংসিত’ বিষয়। তাই এই মুহূর্তে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কোনো সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।
ইরানের অনুরোধে ‘না’
মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক উত্তেজনার কারণে ইরান তাদের বিশ্বকাপের ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরিয়ে মেক্সিকোতে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিল। তবে সেই অনুরোধও নাকচ করেছে ফিফা। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেছেন, 'আমাদের একটি নির্ধারিত সূচি রয়েছে এবং আমরা চাই বিশ্বকাপ সেই সূচি অনুযায়ীই অনুষ্ঠিত হোক।'
সূচি অনুযায়ী ইরানের তিনটি গ্রুপ ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্রেই হওয়ার কথা—এর মধ্যে দুটি ম্যাচ লস অ্যাঞ্জেলেসে এবং একটি সিয়াটলে।
ইরান সরকার ও ফুটবল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা বিশ্বকাপ বয়কট করতে চান না, তবে চলমান সামরিক হামলার কারণে দলকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো কঠিন হয়ে পড়ছে।
রাজনৈতিক বাস্তবতায় ফিফার অবস্থান
ফিফা স্বীকার করেছে, বৈশ্বিক রাজনৈতিক সংকট সমাধান করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তবে ফুটবলের মাধ্যমে শান্তি ও সংযোগ গড়ে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যাবে সংস্থাটি।
ইনফান্তিনো বলেছেন, :ফিফা ভূরাজনৈতিক সংকট সমাধান করতে পারে না। তবে ফুটবলের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে আমরা সেতুবন্ধন গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।'
বিশ্বকাপের মতো বড় আসরকে সামনে রেখে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা ফুটবলকেও প্রভাবিত করছে। তবু সবকিছু স্বাভাবিক রেখে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী টুর্নামেন্ট আয়োজনের দিকেই জোর দিচ্ছে ফিফা।

আজ রাতে ভিয়েতনামের উদ্দেশে দেশ ছাড়বে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। ১৬ মার্চ ২৮ সদস্যের প্রাথমিক স্কোয়াড নিয়ে ঢাকায় ক্যাম্প শুরু করেন কোচ হাভিয়ের কাবরেরা। ভিয়েতনাম যাওয়ার আগে ২২ সদস্যের দল নির্বাচন করেছেন তিনি। বাদ পড়েছেন ৬জন।
ইশাক আকন্দ প্রথমবারের মতো জাতীয় দলের স্কোয়াডে ঢুকেছিলেন। কিন্তু বাদ পড়েছেন ব্রাদার্স ইউনিয়নের গোলকিপার। নিয়মিত খেলা সোহেল রানা জুনিয়রের বাদ পড়াটা আকস্মিক। তিনি কোচের ম্যাচ পরিকল্পনায় ছিলেন। গতকাল অনুশীলনে ব্যথা পাওয়ায় বসুন্ধরা কিংসের মিডফিল্ডার দলের সঙ্গে যেতে পারছেন না।
জাতীয় দলে অনেকদিন পর ফিরেছিলেন মিডফিল্ডার মানিক। কিন্তু তার এই ফেরা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। মাত্র চারদিন পরই আবার বাসায় ফিরতে হচ্ছে। কোচ হাভিয়ের কাবরেরা তাঁকে চূড়ান্ত দলে ঠাঁই দেননি।
এক সময় কাবরেরার অন্যতম ভরসার জায়গায় ছিলেন ডিফেন্ডার ইসা ফয়সাল। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি দলে ডাক পান না। আবার ডাক পেলেও চূড়ান্ত দলে জায়গা করে নিতে পারেন না ইসা। এবার ভিয়েতনাম ও সিঙ্গাপুর সফরের দলেও জায়গা চূড়ান্ত করতে ব্যর্থ হয়েছেন। ইসার পাশাপাশি শাকিল হোসেন ও রফিকও বাদ পড়েছেন স্কোয়াড থেকে।
ফুটবলে চূড়ান্ত স্কোয়াড ২৩ জনের। বিগত অনেক সময় কাবরেরা ২৩ জনের বেশি ফুটবলার নিয়ে বিদেশ সফর করেছেন। এবার তিনি ঢাকা থেকে ২২ জন নিয়ে যাচ্ছেন। হামজা চৌধুরী আগামী রোববার ভিয়েতনামে যোগ দেবেন।

বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের জন্য ১৬ মার্চ দল ঘোষণা করেছেন ব্রাজিলের প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তি। ২৬ সদস্যের এই দলে জায়গা হয়নি তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার জুনিয়রের। ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর থেকে জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নামা হয়নি নেইমারের। ব্রাজিলের হয়ে সর্বোচ্চ গোল করা এই তারকা খেলার জন্য শতভাগ ফিট নন বলে জানিয়েছেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি।
দল থেকে বাদ পড়া নিয়ে তখন আক্ষেপ করেছিলেন নেইমার। বিশ্বকাপ খেলতে দীর্ঘদিন ধরেই পরিশ্রম করে যাচ্ছেন সাবেক বার্সেলোনা তারকা। স্বদেশি ক্লাব সান্তোসের হয়ে ফর্মটাও পক্ষে কথা বলবে তাঁর। তবুও জায়গা হয়নি স্কোয়াডে। কিন্তু নেইমার মনে করেন তিনি বিশ্বকাপে থাকলে সেটি দলের জন্য ভালো হতো। তিনি দলকে সেরাটা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। বলেন,
‘আমি বিশ্বকাপে যেতে চাই। এটা আমাকে উজ্জীবিত করে। আমার মনে হয় আমি ব্রাজিল জাতীয় দলকে সাহায্য করতে পারি। আমি যে কোনোভাবে সাহায্য করতে পারি। আমি আমার কোয়ালিটি জানি এবং জানি যে মাঠে আমার কতটুকু দেওয়ার আছে।’
দলে রাখা না হলেও ৩৪ বছর বয়সী নেইমারের বিশ্বকাপ দলে ফেরার দরজা এখনো বন্ধ হয়নি বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন ব্রাজিল কোচ,
‘নেইমার পুরোপুরি ফিট নয় বলেই তাঁকে ডাকা হয়নি। তবে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত স্কোয়াডের গল্পটা অন্যরকম হতে পারে।’
২০২৬ বিশ্বকাপের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণার আগে নেইমারের হাতে সময় আছে দুই মাস। ১৯ মে বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করবেন আনচেলত্তি। এই সময়ে সান্তোসের হয়ে অন্তত ১৫-১৬টি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবেন সাবেক পিএসজি তারকা। তাঁর জন্য প্রতিটি ম্যাচই হবে জাতীয় দলে ফেরার একেকটি ‘অডিশন’।

এই মৌসুমে ভক্তদের উদযাপনের উপলক্ষ খুব কমই এনে দিতে পেরেছে নটিংহাম ফরেস্ট। প্রিমিয়ার লিগের রেলিগেশন জোন থেকে কেবল গোল ডিফারেন্সে একধাপ উপরে আছে ক্লাবটি। মৌসুমে চারজন কোচের অধীনে খেলেছে ফরেস্ট। সিটি গ্রাউন্ডে অবস্থার চিত্র মোটেও ভালো নয়। কিন্তু ডেনমার্কের ছোট শহর হার্নিংয়ের এমসিএইচ অ্যারেনার ভিড় করা বিদেশি সমর্থকদের সামনে অতিথি ফরেস্টরা গতরাতে দারুণ কিছু উপহার দিল তাদের সমর্থকদের।
ইউরোপা লিগে বৃহস্পতিবার রাতে ডেনমার্কের ক্লাব মিডজিল্যান্ডের মুখোমুখি হয় নটিংহাম ফরেস্ট। শেষ ষোলোর প্রথম লেগে ঘরের মাঠে ১-০ গোলে হেরেছে ভিতর পেরেইরার দল। পরের মাঠে তাই প্রথম লেগের ফল টপকে জিততে হতো ইংলিশ ক্লাবটিকে। ঘুরে দাঁড়ানোর ম্যাচে দারুণ খেলেছে ফরেস্ট। নির্ধারিত সময়ে ২-১ গোলে জিতে ম্যাচ নিয়েছে পেনাল্টি শ্যুটআউটে। এরপর সেখানে ৩-০ ব্যবধানে মিডজিল্যান্ডকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে ফরেস্ট। ১৯৯৬ সালের পর এই প্রথম আবার প্রতিযোগিতার শেষ আটে উঠল প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবটি।
এই্ মৌসুমে এমন ঘটনা বিরল ছিল নটিংহামের পক্ষ থেকে। সাবেক ফরেস্ট ডিফেন্ডার লুক চামবার্স বিবিসি রেডিও ৫ লাইভে বলেন,
‘এই মৌসুমে যা যা ভুল হতে পারে, সবই হয়েছে। তবে ভুলে যাওয়ার মতো মৌসুমে এমন রাত স্মরণীয়।’
মিডজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ মাস আগেও প্রতিযোগিতার লিগ পর্বে ঘরের মাঠে হেরেছি ৩-২ ব্যবধানে। ভক্তদের কাছ থেকে তখন দুয়ো শুনতে হয়েছে ফরেস্টদের। কিন্তু বৃহস্পতিবার রাতের এই জয় ফরেস্টের ফর্ম ও ভাগ্য ফেরার সূচনা হতে পারে মনে করেন অনেকে। ভুলে যাওয়ার মৌসুমে এখন ফরেস্টদের আশা দেখাচ্ছে ইউরোপা লিগ।
ইউরোপা লিগের শেষ আটে কে কার মুখোমুখি:

এএফসি এশিয়ান কাপে বাংলাদেশ ঘরের মাঠে ভারতকে হারিয়েছে। একটিমাত্র জয় বাদে বাকি দুই পয়েন্ট এসেছে দুটি অ্যাওয়ে ম্যাচ থেকে। ভারতের বিপক্ষেই তাদের মাটিতে ড্র এবং হংকংয়ের বিপক্ষে আরেকটি অ্যাওয়ে ম্যাচে এক পয়েন্ট। বাছাইয়ে বাংলাদেশের আর সম্ভাবনা নেই। ‘সি’ গ্রুপ থেকে তাই ৩১ মার্চ সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর ম্যাচটি শুধুই নিয়মরক্ষার। তবুও শেষটি জয় দিয়ে রাঙাতে চায় বাংলাদেশ। আর অ্যাওয়ে ম্যাচ বলে আগের দুই ম্যাচ থেকে অনুপ্রেরণা খুঁজে নিচ্ছেন জামাল ভূঁইয়া।
সিঙ্গাপুর ম্যাচের আগে ২৬ মার্চ বাংলাদেশ একটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে ভিয়েতনামের বিপক্ষে। বাংলাদেশ দল আজ রাতে ভিয়েতনামের উদ্দেশ্যে রওনা হবে। এর আগে গতকাল সন্ধ্যায় কিংস অ্যারেনায় বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া ও কোচ হাভিয়ের কাবরেরা আসন্ন দুই ম্যাচ নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন। অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া বলেন,
‘আমরা হংকংয়ের বিপক্ষে অ্যাওয়ে ম্যাচের প্রথমার্ধে যেমন খেলেছিলাম, তেমনই খেলব। ফর্মেশন কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে। আমরা আজ (গতকাল) সেই অনুশীলনই করব।’
ভিয়েতনাম ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে সিঙ্গাপুরের চেয়ে এগিয়ে। শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেলা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত সহায়ক বলে মনে করেন কোচ কাবরেরা,
‘সিঙ্গাপুরের আগে ভিয়েতনাম ম্যাচ আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আমরা ২ ম্যাচই ৩ পয়েন্টের জন্য খেলব। যা আমরা সচরাচর করি।’
জাতীয় দলের ফরোয়ার্ড শেখ মোরসালিন খানিকটা ইনজুরিতে ছিলেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার অবস্থা ভালোই মনে করছেন কোচ,
‘সে আমাদের সঙ্গে যাচ্ছে। টেস্টের পজিটিভ ফলাফল এসেছে। তিন-চার দিনের মধ্যে অনুশীলন করবে এবং দেখা যাক ভিয়েতনাম ম্যাচে কতক্ষণ খেলতে পারবে।’