২৬ মে ২০২৫, ৩:২৫ পিএম
টানা চারবার প্রিমিয়ার লিগ জিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ একটি প্রতিযোগিতাকে ছেলেখেলাই বানিয়ে ফেলেছিল ম্যানচেস্টার সিটি। তবে এই মৌসুমে নিজেদের হারিয়ে খোঁজা দলটিকে শেষ দিন পর্যন্ত লড়ত হয়েছে সেরা চারে থাকতে। সেটা অর্জন নিশ্চিত করায় যোগ্যতা অর্জন করেছে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার। শিরোপাহীন মৌসুমে এটিকেই নিজেদের ট্রফি হিসেবে দেখছেন কোচ পেপ গার্দিওলা।
রোববার ফুলহামের বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে জয়ের মাধ্যমে লিগে তৃতীয় স্থান অর্জন করে সিটি। ফলে টানা ১৫তম মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলবে দলটি। তবে গার্দিওলার অধীনে ছয়বার লিগ জেতা সিটির জন্য পুরো মৌসুমে একটি শিরোপাও না জেতা বড় ব্যর্থতাও।
আরও পড়ুন
| আলোনসো অধ্যায় শেষে লেভারকুসেনের দায়িত্বে টেন হাগ |
|
ম্যাচের পর গার্দিওলা অবশ্য বিবিসিকে বলেছেন, চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলতে পারাটাও ছোট অর্জন নয় তাদের জন্য।
“আমাদের জন্য এটাই একটা ট্রফির সমান। কারণ আপনি যখন ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারবেন না, তখন আপনি ১০, ১১ বা ১২তম স্থানে থেকে শেষ করবেন। নভেম্বর, ডিসেম্বর বা জানুয়ারিতে যখন আপনার দলের অবস্থা ভালো থাকে না, এরপর আপনি আফ অতীতের মত শিরোপার জন্য লড়তে পারবেন না।”
লিগের শেষ রাউন্ডের আগেও নিশ্চিত ছিল না সিটির সরাসরি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার বিষয়টি। তিন থেকে সাত নম্বর পজিশন নিয়ে এবার শেষ দিন পর্যন্ত ছিল জমাট লড়াই। ফলে শিরোপা না জিতলেও তৃতীয় হওয়ার জন্যও গার্দিওলার দলকে মুখোমুখি হতে হয়েছে শক্ত লড়াইয়ের।
এই কারণেই সেরা চারে থাকা নিশ্চিত করাটাও দারুণ লাগছে স্প্যানিশ কোচের কাছে।
“লোকেরা বলতেই পারে যে কেবল চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার যোগ্যতা অর্জনের জন্য আমরা আবারও লড়াই করতে চাই না। তবে আমরা কখনই হাল ছেড়ে দেইনি। তৃতীয় স্থান অর্জন করাটা কিন্তু আসলেই দুর্দান্ত ব্যাপার। পথচলাটা নিখুঁত ছিল না, তবে আমরা পরের মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলব। আজ আমাদের সবার জন্য আনন্দের দিন।”
No posts available.
১৮ মার্চ ২০২৬, ১:৩৭ পিএম
১৮ মার্চ ২০২৬, ১০:৪০ এম

পুনঃনির্মিত ক্যাম্প ন্যু’র আলোয় ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে মুখোমুখি বার্সেলোনা ও নিউক্যাসল ইউনাইটেড। চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করতে মাঠে নামছে দুই দল। খেলাটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে।
শেষ ষোলোর প্রথম লেগে সেন্ট জেমস পার্কে দারুণ ছিল নিউক্যাসল। কিন্তু ম্যাচে আধিপত্য থাকা সত্ত্বেও তারা লিড নিতে পারেনি। শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি থেকে গোল করে বার্সেলোনাকে ১–১ ড্র এনে দেন লামিন ইয়ামাল।
এরপর দুই দলই এ সপ্তাহের শুরুর দিকে আত্মবিশ্বাসী জয় পেয়েছে। নিউক্যাসল অ্যাওয়ে ম্যাচে ১–০ গোলে হারিয়েছে চেলসিকে। আর বার্সেলোনা ৫–২ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে সেভিয়াকে। লা লিগার শীর্ষে নিজেদের দাপট বজায় রেখেছে কাতালুনিয়ারা।
আরও পড়ুন
| বোদো/গ্লিমটের রূপকথা থামিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে স্পোর্টিং লিসবন |
|
বুধবার রাতের দ্বিতীয় লেগটি হবে এই মৌসুমে বার্সেলোনা-নিউক্যাসলের তৃতীয় মুখোমুখি। ইংলিশ ক্লাবটির আত্মবিশ্বাস আর ক্যাম্প ন্যুতে বার্সেলোনা একেবারেই ভিন্ন এক দল; শেষ পর্যন্ত কে জিতবে সেটিই দেখার অপেক্ষা। স্টেডিয়াম পুনরায় খোলার পর এটিই এখানে হতে চলা এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ম্যাচ।
বার্সার ঘরের মাঠের প্রতিকূল পরিবেশে জিততে হলে নিউক্যাসলকে নিখুঁত পারফরম্যান্স করতে হবে। কিছু ইনজুরি সমস্যা থাকলেও নিজেদের মাঠে বার্সেলোনা সব সময় ভয়ঙ্কর। যে কোনো দলকে মুহূর্তে উড়িয়ে দিতে পারে তারা। সম্প্রতি আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে সেটিই দেখা গেছে। এখানে টানা ১২টি ম্যাচ জিতেছে হান্সি ফ্লিকের দল। ২০২৬ সালের শুরু থেকে ঘরের মাঠে তাদের শেষ ৭টি জয়ের প্রতিটিতেই করেছে অন্তত ৩টি করে গোল।
নিউক্যাসল সুযোগ পাবে ঠিকই; তবে ম্যাচের চিত্র প্রথম লেগের সম্পূর্ণ উল্টোও হতে পারে। ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী আক্রমণের সামনে তাদের রক্ষণভাগকে বড় পরীক্ষায় পড়তে হবে। যা সামাল দেওয়া এডি হাওয়ের দলের জন্য কঠিন হবে। সম্প্রতি চেলসির বিপক্ষে নিউক্যাসল ক্লিনশিট পেলেও, সেটি ছিল গত জানুয়ারির পর প্রথম। তার আগে ১২ ম্যাচে তারা হজম করেছে ২৫ গোল। যা বার্সার আক্রমণের সামনে বড় দুশ্চিন্তার কারণ।
এছাড়া প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলোর বিপক্ষে ৩৭ ম্যাচের মধ্যে স্রেফ দুটিতে হেরেছে বার্সেলোনা। সবশেষ পরাজয় ছিল ২০০৬-০৭ মৌসুমে, লিভারপুলের বিপক্ষে। সেদিক থেকেও এগিয়ে স্প্যানিশ জায়ান্টরা।

ডেকলান রাইসকে তাঁর আর্সেনাল সতীর্থরা ডাকেন ‘দ্য হর্স’ নামে। বায়ার লেভারকুসেনের বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচেও তিনি আবার প্রমাণ করেছেন, কেন এই ডাকনাম তাঁর প্রাপ্য।
মঙ্গলবার রাতে চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর ফাইনাল লেগের জয়ে জার্মান জায়ান্টদের মোট এগ্রিগেটে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়েছে আর্সেনাল। দুই গোলের একটি করেন এবেরেচি এজে, অন্যটি রাইস।
পুরো মৌসুমজুড়েই আর্সেনালের হয়ে ডেকলান রাইস খেলছেন অবিশ্বাস্য ধারাবাহিকতায়। ৯০ মিনিটজুড়ে নিরলস পরিশ্রেই যার পারফরম্যান্সের মূল বৈশিষ্ট্য। চারটি ভিন্ন প্রতিযোগিতায় শিরোপার লড়াইয়ে দারুণভাবে টিকে আছে আর্সেনাল। প্রায় প্রতি ৩ দিন পর পরই এমন পারফরম্যান্স দিয়ে যাচ্ছেন ২৭ বছর বয়সি মিডফিল্ডার।
আরও পড়ুন
| ফুটবল লিগ খেলতে নেপাল গেলেন সানজিদা |
|
মঙ্গলবার রাতে দারুণ এক কার্লিং শটে বল জালে জড়ান রাইস। এটি ছিল আর্সেনালের দ্বিতীয় গোল। এতে করে দুই লেগ মিলিয়ে দলটি দুই গোলের লিড পায়। ম্যাচ শেষ হতে তখনও বাকি প্রায় ৩০ মিনিট। এই লিডের কারণে একাধিক খেলোয়াড় তুলে নেন কোচ মিকেল আর্তেতা। সামনে ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে কারাবাও কাপের ফাইনাল রয়েছে গানারদের। কিন্তু ইংলিশ তারকা রাইস খেলেছে ঠিকই পুরো ৯০ মিনিট।
এই মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে আর্সেনালের আউটফিল্ড খেলোয়াড়দের মধ্যে তৃতীয় সর্বোচ্চ মিনিট খেলেছেন রাইস। তাঁর চেয়ে বেশি খেলেছেন মিডফিল্ড সঙ্গী মার্টিন জুবিমেন্ডি এবং বর্তমানে ইনজুরিতে থাকা জুরিয়েন টিম্বার। এখন পর্যন্ত মৌসুমে আর্সেনালের খেলা ৪৩ ম্যাচের মধ্যে ৩৭টিতেই একাদশে ছিলেন ২০১৬ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ওয়েস্টহ্যামে খেলা রাইস।
লেভারকুসেনের বিপক্ষে রাইসের গোলটি ছিল এই মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে পঞ্চম। পাশাপাশি তাঁর অ্যাসিস্ট সংখ্যা ১১। বিশেষ করে কর্নার থেকে তাঁর নিখুঁত ডেলিভারি আর্সেনালের বড় অস্ত্র হয়ে উঠেছে। এই মৌসুমে সেট পিস থেকে যে কারণে বেশ কিছু গোল পেয়েছে লন্ডনের ক্লাবটি।
ম্যাচ শেষে টিএনটি স্পোর্টসকে রাইস বলেন, ‘আমি একেবারে ক্লান্ত। এটা যেন থামছেই না। অক্টোবর থেকে আমরা প্রতি ৩ দিন পরপর ম্যাচ খেলছি। কারণ এখনো সব প্রতিযোগিতাতেই আছি। আমরা যতটা পারি মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করি, কিন্তু এটা কঠিন। তবুও জয়ের পথ খুঁজে নিই। সবাই জানতে চায়, আমি এতো শক্তি কোথা থেকে পাই। কিন্তু আমি যেন হঠাৎ করেই আরেকটা এনার্জি পেয়ে যাই।’
আরও পড়ুন
| চেলসিকে হারিয়ে শেষ আটে পিএসজি |
|
গত মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে দুটি অসাধারণ ফ্রি-কিক গোল করেছিলেন রাইস। লেভারকুসেনের বিপক্ষে তাঁর মঙ্গলবার রাতের গোলটিও এসেছে বক্সের বাইরে থেকে। গানারদের জার্সিতে তাঁর ২১ গোলের মধ্যে ৮টিই এসেছে বক্সের বাইরে থেকে। যার মধ্যে চ্যাম্পিয়নস লিগে করা শেষ তিনটি গোলও রয়েছে।
নিজের সবশেষ গোল নিয়ে রাইস বলেন, ‘আমি তার (ডিফেন্ডারের) সামনে ঢুকে পড়েছিলাম। প্রথম টাচটাই আমাকে সেটআপ করে দেয়। অন্য কোনো অপশন ছিল না, তাই শট নিয়েছি। শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে, ট্যাকল করতে, বল জিততে— এই শক্তিটা ভেতর থেকেই খুঁজে নিতে হয়।’

নেপালের নারী ফুটবল লিগ খেলতে গেছেন বাংলাদেশের সানজিদা আক্তার। সেখানে ললিতপুরের ক্লাব জাপা এফসির হয়ে মাঠ মাতাবেন বাংলাদেশের এই উইঙ্গার। মঙ্গলবার নেপালে পৌঁছেছেন দুটি সাফজয়ী এই ফুটবলার।
এর আগে ভারত ও ভুটানের নারী ফুটবল লিগে খেলেছেন সানজিদা। ভারতের ইস্টবেঙ্গলের প্রথম বিদেশি নারী ফুটবলার হিসেবে খেলে ইতিহাস গড়েছিলেন তিনি। এবার বাংলাদেশের প্রথম নারী ফুটবলার হিসেবে সানজিদা সুযোগ পেলেন নেপাল লিগে।
নেপালের লিগে সাফল্য পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী সানজিদা বলেন, ‘আশা করি ভালো পারফরম্যান্স করে দলকে সাফল্য এনে দিতে পারব। ভুটান ও ভারতের লিগে খেলেছি। নেপালের লিগে খেলার এই প্রথম অভিজ্ঞতা হবে।'
সবশেষ বাংলাদেশ নারী ফুটবল লিগে পুলিশ এফসির হেয়ে খেলেন সানজিদা। তার ভুটানের লিগ খেলে আসেন এই উইঙ্গার। এবার নেপালে পারিশ্রমিক ভুটান লিগ থেকে বেশি বলে জানান তিনি।

ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প লেখা তো হলোই না, উল্টো আরেকবার লজ্জার পরাজয় মেনে নিতে হলো চেলসিকে। চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর দুই লেগে পিএসজির (প্যারিস সেন্ট জার্মেই) কাছে হেরে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নিল ব্লুজরা।
স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে মঙ্গলবার রাতে চেলসিকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে পিএসজি। প্রথম লেগে চেলসির পরাজয় ছিল ৫-২ গোলের। দুই লেগ মিলিয়ে ৮-২ ব্যবধানে ফরাসি ক্লাবটির কাছে হেরেছে লিয়াম রোসেনিয়রের দল।
আরও পড়ুন
| নেইমারকে দলে নিতেই হবে, কোনো বিতর্ক নেই, বলছেন সিলভা |
|
এদিন ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে খিচিভা কাভারেৎস্খেলিয়ার গোলে লিড নেয় পিএসজি। ৯ মিনিট পর ব্রাডলি বারকোলার গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে অতিথিরা। আর ৬২ মিনিটে চেলসির কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেন সেনি মায়ুলু।
ঘুরে দাঁড়াতে ইতিবাচক মনোভাব নিয়েই মাঠে নামে চেলসি। প্রতিপক্ষের জাল কাঁপাতে শুরু থেকে মরিয়া হয়ে ওঠে দলটি। তবে বল পজেশন ধরে রেখে খেলার শুরুর খানিক পরই চেলসি শিবিরে বড় আঘাত হানে পিএসজি। ব্যবধান আরও বাড়লেও দমে যায়নি ব্লুজরা। ম্যাচে মোট ১৮টি শট নেয় তারা। যার মধ্যে ৯টি ছিল অন টার্গেটে। কিন্তু মোট ৮ শটের ৫টি লক্ষ্যে রেখে তিন গোল আদায় করে নেয় অতিথিরা। আর বিফলে যায় চেলসির মোট ১৮ শট।
শেষ আটে শিরোপাধারী পিএসজি খেলবে তুরস্কের ক্লাব গালাতাসারাই কিংবা লিভারপুলের বিপক্ষে। আজ রাতে দ্বিতীয় লেগে অ্যানফিল্ডে মুখোমুখি হবে দুই দল। শেষ ষোলোর প্রথম লেগে তুরস্ক থেকে ১-০ গোলে হেরে আসে অল রেডরা।

চ্যাম্পিয়নস লিগে ঐতিহাসিক যাত্রা থামলো বোদো/গ্লিমটের। নরওয়ের ক্লাবটির রূপকথা থামিয়ে প্রতিযোগিতার শেষ আটে উঠেছে পর্তুগিজ ক্লাব স্পোর্টিং লিসবন।
শেষ ষোলোর ম্যাচে মঙ্গলবার রাতে বোদো/গ্লিমটকে দ্বিতীয় লেগে ৫-০ গোলের বড় ব্যবধানে হরিয়েছে স্পোর্টিং লিসবন। কেউ-ই একের অধিক গোল পাননি, দলীয় প্রচেষ্টাতেই নরওয়ের ক্লাবটিকে বিধ্বস্ত করেছে তারা। প্রথমার্ধে এক গোলের পর দ্বিতীয়ার্ধে হয়েছে আরও ২ গোল। দুই লেগ মিলে ম্যাচ যখন ৩-৩ সমতায়, খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানে আরও দুই গোল হজম করে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নেয় বোদো/গ্লিমট।
বোদো/গ্লিমট এই মৌসুমে তাদের দেশ থেকে অভিষেকে নকআউট পর্যায়ে ওঠা প্রথম দল। প্লে‑অফে গতবারের ফাইনালিস্ট ইন্টার মিলানকে হারায় তারা। পরের রাউন্ডে যাওয়ার আশা জেগেছিল যখন ঘরের মাঠে ক্লাবটি স্পোর্টিং লিসবনকে উড়িয়ে দেয় ৩-০ গোলে। কিন্তু বড় ব্যবধানে হেরে আসা সেই দলটিই এদিন নিজেদের ঘরের মাঠে নাস্তানাবুদ করে ছাড়ে নরওয়েজিয়ানদের।