২৯ আগস্ট ২০২৫, ১১:৪৩ পিএম
ওভারপ্রতি ৬-এর ওপরে রান দিচ্ছিলেন। তবু শেষ ওভারে অধিনায়ক চরিত আসালাঙ্কা আস্থা রাখলেন তাঁর ওপরে। দিলশান মাদুশাঙ্কাও যেন নিজের সেরাটা জমিয়ে রেখেছিলেন রঙিন শেষের জন্য। শেষ ৬ বলে জিম্বাবুয়ে প্রয়োজন ১০ রান। মাদুশঙ্কা হ্যাটট্রিকের বিপরীতে দিলেন মাত্র ২ রান।
শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে তরী এসে তরি ডুবল জিম্বাবুয়ের। ৭ রানে হেরে দুই ম্যাচের ওয়ানডের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ল তারা
জিম্বাবুয়ের জয়ের আশা বাঁচিয়ে রাখা সিকান্দার রাজাকে প্রথম বলে বোল্ড করে সেঞ্চুরি বঞ্চিত করেন মাদুশঙ্কা। পরের দুই বলে ব্র্যাড ইভানস ও রিচার্ড এনগারাভাকে ফেরান গোল্ডেন ডাকে। ২৯৯ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ৮ উইকেটে ২৯১ রান করতে সক্ষম হয় জিম্বাবুয়ে।
লক্ষ্য তাড়ায় নেমে বেন কারান ৭০, শন উইলিয়ামস ৫৭, রাজা ৮৭ বলে ৯২ এবং টনি মুনিওঙ্গা ৪৩ রানে অপরাজিত থাকেন। ৬২ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়েছেন মাদুশঙ্কা।
আরও পড়ুন
| তামিম-জাওয়াদদের নিয়ে ইংল্যান্ড সফরে শক্তিশালী দল |
|
হারারে স্পোর্টস ক্লাবে টস জিতে লঙ্কানদের আগে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় স্বাগতিকেরা। পাতুম নিসাঙ্কা, জেনিত লিয়ানাগে ও কামিন্দু মেন্ডিসের ঝোড়ো ফিফটিতে ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ২৯৮ রান সংগ্রহ করে শ্রীলঙ্কা।
শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি লঙ্কানদের ৯ রানের হারায় ওপেনার নিশান মাদুশকার উইকেট। প্রথম ৫ ওভার পর্যন্ত এক অঙ্কের ঘরে ছিল তারা। ১৩ বলে ০ রানে ফেরেন মাদুশকা। দ্বিতীয় উইকটে কুশল মেন্ডিস ও নিসাঙ্কার ১০০ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় সফরকারীরা।
কুশল ৩৮ ও নিসাঙ্কা করেন ৯২ বলে ৭৬ রান। সাদিরা সামারবিক্রমাও (৩৫) থিতু হয়ে ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হন। ৬ রানে আউট হন চরিত আসালাঙ্কা। ষষ্ঠ উইকটে লিয়ানাগে ও কামিন্দু ৮৩ বলে গড়েন ১৮৭ রানের অসাধারণ এক জুটি। তাতে স্কোরটা প্রায় তিন শ ছুঁই ছুঁই হয়।
লিয়ানাগে ৩ ছক্কা ও ৬টি চারে ৪৭ বলে করেন ৭০ রান। ২ ছক্কা ও ৪টি চারে ৩৬ বলে ৫৭ রান করেছেন কামিন্দু। ৩৪ রান দিয়ে দুটি উইকেট নিয়েছেন এনগারাভা।
No posts available.
১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:১৯ পিএম

ক্রিজে গিয়ে প্রথম ৪ বল সময় নিলেন স্বর্ণা আক্তার। পঞ্চম বলে তিনি মেরে দিলেন ছক্কা। এরপর ৮ বলের মধ্যে মারলেন আরও ৩টি ছক্কা। সব মিলিয়ে ২৬৪.২৮ স্ট্রাইক রেটের ইনিংস খেলে নিজে গড়লেন ছক্কার রেকর্ড, দলকে এনে দিলেন বড় পুঁজি।
নেপালে মঙ্গলবার নারী বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচে পাপুয়া নিউ গিনির বিপক্ষে ৫ উইকেটে ১৬৮ রান করেছে বাংলাদেশ। স্বর্ণার পাশাপাশি বাংলাদেশ দলও গড়েছে ছক্কার রেকর্ড।
১৬তম ওভারে ক্রিজে গিয়ে শেষ ওভারে আউট হন স্বর্ণা। মাঝে ১৪ বল খেলে ১ চারের সঙ্গে ৪টি ছক্কা মেরে ২৬৪.২৮ স্ট্রাইক রেটে ৩৭ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন তরুণ অলরাউন্ডার।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে ইনিংসে এটিই সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড। এর আগে আয়েশা রহমান শুকতারা, সানজিদা ইসলাম ও নিগার সুলতানা জ্যোতির ছিল ইনিংসে ৩টি করে ছক্কার রেকর্ড।
এছাড়া বাংলাদেশের হয়ে অন্তত ২৫ রানের ইনিংসে স্বর্ণার এটি সর্বোচ্চ স্ট্রাইক রেটেরও রেকর্ড। ২০১৯ সালে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ২১৬.৬৬ স্ট্রাইক রেটে ১২ বলে ২৬ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন ফাহিমা খাতুন।
স্বর্ণার ৪টি ছক্কার পাশাপাশি সোবহানা মোস্তারি ২টি, দিলারা আক্তার ১টি ও জুয়াইরিয়া ফেরদৌস জয়িতা মারেন ১টি। সব মিলিয়ে ম্যাচে ৮টি ছক্কাও বাংলাদেশের রেকর্ড। এর আগে ইংল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ভিন্ন তিন ম্যাচে ৪টি করে ছক্কা মেরেছিল তারা।
দলকে দেড়শ ছাড়ানো পুঁজি এনে দিতে স্বর্ণাই করেন সর্বোচ্চ ৩৭ রান। এছাড়া সোবহানা ২৪ বলে ৩৪ ও দিলারা ২৯ বলে করেন ৩৫ রান।

অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে হার দিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল পাকিস্তানের। দ্বিতীয় ম্যাচে ঠিকই ঘুরে দাঁড়িয়েছে সাবেক চ্যাম্পিয়নরা। স্কটল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়ে টুর্নামেন্টের প্রথম জয় পেল পাকিস্তান।
সোমবার দিনের বাকি দুই ম্যাচের একটিতে তানজানিয়াকে ৩২৯ রানে হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং অপরটিতে আয়ারল্যান্ডকে ১০৬ রানে হারিয়েছে শ্রীলঙ্কা।
হারারেতে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথমে ব্যাট করে ৪৮.১ ওভারে ১৮৭ রানে অলআউট হয়ে যায় স্কটল্যান্ড। রান তাড়ায় নেমে ৪১ বল আর ৬ উইকেট হাতে রেখে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় পাকিস্তান।
স্কটল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন ওপেনার থমাস নাইট। ফিনলে জোনস ৩৩ ও অলি জোনসের ব্যাটে আসে ৩০ রান। পাকিস্তানের হয়ে আলি রাজা ৪ টি, মমিন কামার নেন ৩ উইকেট। জবাব দিতে নেমে উসমান খানের ৭৫ ও আহমেদ হুসাইনের ৪৭ রানে সহজ জয় পায় পাকিস্তান।
‘ডি’ গ্রুপের ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে অধিনায়ক মোহাম্মদ বুলবুলিয়া ১০৮ ও জেসন রয়েলসের অপরাজিত ১২৫ রানে ৩৯৭ রানের বিশাল সংগ্রহ পায় প্রোটিয়া যুবারা। জবাবে মাত্র ৬৮ রানেই গুটিয়ে যায় তানজানিয়া।
‘এ’ গ্রুপের ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ২৬৭ রান করে শ্রীলঙ্কা। রান তাড়ায় নেমে ১৬১ রানে গুটিয়ে যায় আয়ারল্যান্ড। দুই ম্যাচে দুই জয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে শ্রীলঙ্কা।

পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) বড় পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড। টুর্নামেন্টের ১১তম মৌসুম থেকে খেলোয়াড় বাছাই হবে নিলাম পদ্ধতিতে। ফলে ২০১৬ সাল থেকে চালু থাকা ড্রাফট পদ্ধতির অবসান ঘটছে।
১১তম নিলামে খেলোয়াড় কেনার জন্য প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজির বাজেট ১৩ লাখ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১৬ লাখ ডলার করা হয়েছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি দল সর্বোচ্চ চারজন খেলোয়াড় ধরে রাখতে পারবে এবং প্রতিটি ক্যাটাগরি থেকে একজন করে রাখা যাবে। আগে একটি দল তাদের গত বছরের স্কোয়াড থেকে সর্বোচ্চ ৮ জন খেলোয়াড়কে ধরে রাখতে পারতো।
আগে দলগুলো মেন্টর বা অ্যাম্বাসেডর নিয়োগের মাধ্যমে কৌশলে অতিরিক্ত তারকা খেলোয়াড় ধরে রাখত। এখন সেই সুযোগ থাকছে না। সব খেলোয়াড়কে মূল স্কোয়াডের অংশ হিসেবেই বিবেচনা করা হবে।
নতুন মৌসুমে রাইট টু ম্যাচ বা আরটিএম সুবিধা থাকছে না। এর মাধ্যমে নিলামে কোনো খেলোয়াড়কে অন্য দল কিনে নিলেও, পুরোনো দল সেই একই দামে তাকে ফিরিয়ে নিতে পারতো। ২০২৬ সাল থেকে এই আরটিএম সুবিধা আর থাকছে না।
নতুন যুক্ত হওয়া দুটি দল- হায়দরাবাদ ও শিয়ালকোট নিলামের আগে খেলোয়াড় তালিকা থেকে চারজন করে বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবে।
ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো একটি করে বিদেশি খেলোয়াড় সরাসরি দলে নেওয়ার সুযোগও পাবে, শর্ত হলো সেই খেলোয়াড় যেন পিএসএলের দশম আসরে না খেলেন।
পিএসএলের ১১তম মৌসুম শুরু হবে ২৬ মার্চ। নতুন মৌসুমে ভেন্যু হিসেবে যুক্ত হয়েছে ফয়সালাবাদ।

স্বীকৃত টি–টোয়েয়েন্টিতে পারফরম্যান্স বিচারে বর্ষসেরা একাদশ বেছে নিয়েছে ক্রিকেট–বিষয়ক ওয়েবসাইট উইজডেন। ওয়েবসাইটটির বর্ষসেরা এই একাদশে রয়েছেন বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমান।
২০২৫ সালে অন্তত ১৫০ ওভার বল করেছেন—এমন বোলারদের মধ্যে মোস্তাফিজের ধারেকাছেও কেউ নেই বোলিং গড়ে। তাঁর গড় ১৮.০৩, যা এই তালিকায় সবার সেরা। বছরজুড়ে স্বীকৃত টি–টোয়েন্টিতে ৪৩ ইনিংসে ৫৯ উইকেট নিয়েছেন তিনি। ওভারপ্রতি রান দিয়েছেন মাত্র ৬.৭৮, স্ট্রাইক রেট ১৫.৯। ১১ রানে ৩ উইকেট—যা মোস্তাফিজের সেরা বোলিং।
২০২৫ সালে টি-টোয়েন্টি সংস্করণে মোস্তাফিজ বল করেছেন ১৫৬.৫ ওভার। ক্যারিবিয়ান পেস অলরাউন্ডার জেসন হোল্ডার ২৫০.২ ওভার বোলিং করে সর্বোচ্চ ৯৭ উইকেট নিলেও তাঁর বোলিং গড় ছিল ২১.৪২—যা মোস্তাফিজের চেয়ে বেশি।
উইজডেনের বর্ষসেরা একাদশে পেস আক্রমণে মোস্তাফিজের সঙ্গে আছেন নিউজিল্যান্ডের জ্যাকব ডাফি। পেস বোলিং অলরাউন্ডার হিসেবে জায়গা পেয়েছেন স্যাম কারেন ও জেসন হোল্ডার। স্পিন বিভাগে ভারতের বরুণ চক্রবর্তী ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের সুনীল নারাইন।
ব্যাটিংয়ে ওপেনিং জুটি হিসেবে আছেন ভারতের অভিষেক শর্মা ও ইংল্যান্ডের ফিল সল্ট। মিডল অর্ডারে জায়গা পেয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার দেভাল্ড ব্রেভিস, ডনোভান ফেরেইরা এবং অস্ট্রেলিয়ার টিম ডেভিড।
উইজডেনের বর্ষসেরা (২০২৫) টি–টোয়েন্টি একাদশ: অভিষেক শর্মা, ফিল সল্ট, দেভাল্ড ব্রেভিস, স্যাম কারেন, ডনোভান ফেরেইরা, টিম ডেভিড, সুনীল নারাইন, জেসন হোল্ডার, জ্যাকব ডাফি, মোস্তাফিজুর রহমান ও বরুণ চক্রবর্তী।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের একটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে অস্ট্রেলিয়া। পাকিস্তানের মাটিতে আগামী ২৯ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া কুড়ি ওভারের সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করেছে অস্ট্রেলিয়া। অজি দলে প্রথমবারের মতো ডাক পেয়েছেন দুই ক্রিকেটার।
মিচেল মার্শের নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়ার ১৭ সদস্যের স্কোয়াড নতুন দুই মুখ মাহলি বিয়ার্ডম্যান এবং জ্যাক এডওয়ার্ডস। এই সিরিজে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলের মাত্র ১০ জন সদস্য খেলবেন। নাথান এলিস, টিম ডেভিড, জশ হ্যাজলউড, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল এবং প্যাট কামিন্স পাকিস্তানের বিপক্ষে এই সিরিজের পরিবর্তে শ্রীলঙ্কায় বিশ্বকাপে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন।
অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচক জর্জ বেইলি স্কোয়াড নিয়ে বলেন, ‘এই সিরিজ হলো তাদের জন্য সুযোগ যারা একাদশে জায়গা পাওয়ার দ্বারপ্রান্তে আছেন আছেন, আর আমাদের কিছু তরুণ খেলোয়াড়ের জন্য যাদের আমরা বিশ্বকাপ দলের সঙ্গে খেলার জন্য পাকিস্তানে গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা অর্জনের আশা করি। মাহলি বিয়ার্ডম্যান বহুবার দলের সঙ্গে ছিলেন, আর জ্যাক এডওয়ার্ডস গত বছর ভারতের বিপক্ষে শেষ ওয়ানডেতে ছিলেন।’
২০ বছর বয়সী পেসার মাহলি বিয়ার্ডম্যান এবং অলরাউন্ডার জ্যাক এডওয়ার্ডস বিগ ব্যাশ লিগে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের নৈপুণ্যে পাকিস্তান সফরের ১৭ সদস্যের স্কোয়াডে সুযোগ পেয়েছেন। এডওয়ার্ডস চলতি বিগ ব্যাশে সিডনি সিক্সার্সের হয়ে ১৮.৩৩ গড়ে ১৫ উইকেট নিয়েছেন। আর বিয়ার্ডম্যান পার্থ স্করচার্সের হয়ে শিকার করেছেন ৮ উইকেট। বিয়ার্ডম্যান সবশেষ ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডের অংশ ছিলেন।
স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন শোন অ্যাবট, বেন দোয়ারশুইস, মিচ ওয়েন, জশ ফিলিপ ও ম্যাট রেনশো। এদের মধ্যে অনেকেই বিগ ব্যাশে ফাইনালের জন্য পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচটি মিস করতে পারেন।
২৯ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া সিরিজের সব’কটি ম্যাচটি হবে লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে। পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের পর ১১ ফেব্রুয়ারি আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হবে অস্ট্রেলিয়ার।
পাকিস্তান সফরে অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড :
মিচেল মার্শ (অধিনায়ক), শন অ্যাবট, জেভিয়ার বার্টলেট, মাহলি বিয়ার্ডম্যান, কুপার কনোলি, বেন দোয়ারশুইস, জ্যাক এডওয়ার্ডস, ক্যামেরন গ্রিন, ট্রাভিস হেড, জশ ইংলিশ, ম্যাথু কুনেমন, মিচ ওয়েন, জশ ফিলিপ, ম্যাট রেনশো, ম্যাথু শর্ট, মার্কাস স্টয়নিস, অ্যাডাম জাম্পা।