৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১১:৪১ পিএম

স্বাভাবিক নিলাম প্রক্রিয়া ততক্ষণে শেষ। ফ্র্যাঞ্চাইজিদের আগ্রহের ভিত্তিতে শুরু হলো 'এক্সপ্রেস' নিলাম। এতে প্রথমে উঠল তাইজুল ইসলামের নাম। আর প্রথম ডাকেই বাংলাদেশের অভিজ্ঞ বাঁহাতি স্পিনারকে নিয়ে নিলো ডারবান সুপার জায়ান্টস।
প্রথমবারের মতো দেশের বাইরের কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি লিগে খেলার সামনে এখন তাইজুল। দক্ষিণ আফ্রিকার ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট এসএটোয়েন্টিতে দল পেলেন ৩৩ বছর বয়সী এই স্পিনার।
আরও পড়ুন
| কাকা-রোনালদিনিয়োদের সাথে খেলবেন বেল |
|
নিলামের চূড়ান্ত তালিকায় ছিল বাংলাদেশের ১৪ জন ক্রিকেটারের নাম। কিন্তু মুস্তাফিজুর রহমান ছাড়া আর কারও নামই তোলা হয়নি নিলামে। তবে মার্কি ক্যাটাগরির তিন নম্বর সেটে মুস্তাফিজের নাম উঠলেও তাকে নেয়নি কোনো দল।
পরে নিলামের একদম শেষ দিকে গিয়ে 'এক্সপ্রেস' রাউন্ড শুরু হলে ভিত্তিমূল্য ৫ লাখ দক্ষিণ আফ্রিকান র্যান্ডের বিনিময়ে তাইজুলকে দলে নেয় ডারবান। বাংলাদেশি মুদ্রায় তাইজুলকে পেতে ডারবানের খরচ ৩৪ লাখ ৭২ হাজার টাকার বেশি।
ডারবানের হয়ে খেলতে গেলে সতীর্থ হিসেবে নুর আহমাদ, হেনরিখ ক্লাসেন, সুনিল নারিন, জস বাটলার, এইডেন মার্করামের মতো বিশ্ব তারকাদের পাবেন তাইজুল। আর ওই টুর্নামেন্টে কোনো ম্যাচ খেললে সেটিই হবে তাইজুলের ক্যারিয়ারে বিদেশি লিগে অভিষেক।
আরও পড়ুন
| এয়ারপোর্ট বন্ধ, তারপরও ফেরার বিমান খুঁজছেন বাংলাদেশ দলের ফুটবলাররা |
|
অবশ্য দল পেলেও, তাইজুল আদৌ খেলতে যেতে পারবেন কিনা তা নিয়ে সংশয় থাকছেই। কারণ এই টুর্নামেন্টের সূচি সরাসরি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ক্রিকেটের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাই নিজ দেশের লিগ বাদ দিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় হয়তো নাও দেখা যেতে পারে অভিজ্ঞ স্পিনারকে।
আগামী ২৬ ডিসেম্বর শুরু হবে এসএটোয়েন্টির নতুন আসর। প্রায় এক মাসের টুর্নামেন্টের পর্দা নামবে আগামী বছরের ২৫ জানুয়ারি। একই সময়ে বিপিএলও আয়োজন করতে চায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তাই সময়ের হাতেই থাকছে তাইজুলের এসএটোয়েন্টি খেলার ভবিষ্যত।
No posts available.
৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪:৫৪ পিএম
৬ এপ্রিল ২০২৬, ৪:০৩ পিএম
৬ এপ্রিল ২০২৬, ২:৪৭ পিএম

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ এনএসসি। ১১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করে আপাতত চলবে বোর্ডের কার্যক্রম। এই কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তামিম ইকবাল।
বিসিসির বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ থেকে এর মধ্যেই ২৫ পরিচালকের সাতজনই পদত্যাগ করেছেন। এরমধ্যে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই ভেঙে দেওয়া হয়েছে বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ।
আরও পড়ুন
| নির্বাচনে অনেক অনিয়ম, ভেঙে দেওয়া হলো বিসিবির কমিটি |
|
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের অনুমোদনে গত মাসে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। বিসিবির গত নির্বাচনে অনিয়ম ও কারসাজির অভিযোগ খতিয়ে দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয় এই কমিটিকে। সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে সেই কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দেন গত রোববার। এর দুই দিন পর ব্যবস্থা নিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ।
এনএসসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিসিবির বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার বিষয়টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)-কে ইতোমধ্যে ইমেইলের মাধ্যমে অবহিত করা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন এডহক কমিটির তালিকাও অনুমোদনের জন্য আইসিসির কাছে পাঠানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার অনুমোদন পাওয়া সাপেক্ষে কমিটির কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে।
আইসিসির কাছে পাঠানো প্রস্তাবিত এডহক কমিটি
তামিম ইকবাল, ফাহিম সিনহা, রফিকুল ইসলাম বাবু, সালমান ইস্পাহানি, তানজিল চৌধুরী, আতহার আলি খান, মিনহাজুল আবেদিন নান্নু, ইসরাফিল খসরু, সৈয়দ ইব্রাহিম আহমেদ, মির্জা ইয়াসির আব্বাস, রাসনা ইমাম।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান পরিচালন পর্ষদ ভেঙে দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। আজ বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছেন এনএসসির ক্রীড়া পরিচালক আমিনুল এহসান।
এরই মধ্যে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে হবে নির্বাচন।
দুই দিন আগে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে গিয়ে তদন্ত রিপোর্ট জমা দিয়েছিল কমিটি। তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদনে প্রমাণ পেয়েছে যে, বিসিবির নির্বাচন পুরোপুরি স্বচ্ছ ছিল না। এমনকি বর্তমান পরিচালকদের মধ্যেও একাধিকজন তদন্ত কমিটির কাছে এই অনিয়মের কথা স্বীকার করেছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে আমিনুল এহসান গত নির্বাচন নিয়ে গঠিত এনএসসির তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনটি তুলে ধরেন। তিনি জানান, বিসিবির বর্তমান পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার বিষয়টি ইতোমধ্যে ইমেইলের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে আইসিসির কাছে সদ্য গঠিত অ্যাডহক কমিটির নাম এবং অনিয়ম তদন্তের বিস্তারিত প্রতিবেদনও পাঠানো হয়েছে।

বর্তমান বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ। ব্র্যান্ড ভেল্যু, তারকা ক্রিকেটারদের উপস্থিতি এবং সম্প্রচারের দিক থেকে ভারতের ঘরোয়া এই লিগের ধারে কাছে নেই পিএসএল, এসএ টি-টোয়েন্টি ও লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ। তবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নকভির বিশ্বাস, শিগগিরই আইপিএলকে ছাড়িয়ে যাবে পিএসএল।
সোমবার লাহোরে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড অব গভর্নরসের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে নকভি বলেন, বিনিয়োগকারীদের বাড়তি আগ্রহই পিএসএলের দ্রুত অগ্রগতির প্রমাণ। তার মতে, এই লিগ এখন বিনিয়োগের জন্য আকর্ষণীয় প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে এবং খুব শিগগিরই বিশ্বসেরার কাতারে উঠে আসবে।
তিনি বলেন, “পিএসএল এখন বিনিয়োগের জন্য সেরা বাজার। খুব বেশি দেরি নেই, যখন এটি বিশ্বের এক নম্বর লিগ হবে।”
আরও পড়ুন
| বিশ্বকাপ জিতিয়ে মার্চের সেরার লড়াইয়ে ভারতের দুই তারকা |
|
লিগের সম্প্রসারণের পাশাপাশি বোর্ড ২০২৪-২৫ অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনও অনুমোদন দিয়েছে, যা মাঠের বাইরেও স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দেয়। ফ্র্যাঞ্চাইজি নিলামেও ছিল ব্যাপক সাড়া। ৬ দল থেকে বেড়ে ৮ দলে উন্নীত হয়েছে পিএসএল, নতুন করে যুক্ত হয়েছে সিয়ালকোট ও হায়দরাবাদ।
১.৮৫ বিলিয়ন রুপিতে সিয়ালকোট ফ্র্যাঞ্চাইজি কিনেছে ওজেড ডেভেলপারস দলটির নাম দিয়েছে সিয়ালকোট স্ট্যালিয়নজ। এফকেএস গ্রুপ ১.৭৫ বিলিয়ন রুপিতে হায়দরাবাদ দল কিনে নাম রেখেছে হায়দরাবাদ কিংসমেন।
এত কিছুর পরও কিছু চ্যালেঞ্জ কিন্তু রয়ে গেছে। মাত্র দুই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে পিএসএল। জ্বালানি সংকটের কারণে ম্যাচগুলো দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে হচ্ছে। অন্যদিকে আইপিএল একাধিক শহরে পূর্ণ গ্যালারিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং বিশ্বজুড়ে এর বিশাল দর্শক রয়েছে। ২০০৮ সালে শুরু হয় আইপিএল। আর ২০১৬ সালে শুরু হয় পিএসএল।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের টানতেও কিছুটা সমস্যায় পড়ে পিএসএল। অনেক সময় আইপিএলে সুযোগ না পাওয়া ক্রিকেটাররা পিএসএলে খেলেন। পরে আইপিএল দলগুলো তাদের বদলি হিসেবে দলে ভেড়ায়—মাঝ মৌসুমেই তাদের ছাড়তে হয় পিএসএল। আর্থিক দিক থেকেও আইপিএল অনেক এগিয়ে; অনেক ক্ষেত্রে আইপিএলের একজন ক্রিকেটারের চুক্তির খরচ পিএসএলে একটি দলের বাজেটের সমান।

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের চাকরি ছেড়ে যাওয়ার আগে 'স্পিন বোলিং মেশিনের' গুরুত্ব সম্পর্কে বলেছিলেন নিক পোথাস। তার বিদায়ের পর তাৎক্ষণিকভাবে না হলেও, অবশেষে সেই স্পিন বোলিং মেশিন এনেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। যার নাম মার্লিন বাই বোলা।
নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে সাদা বলের দুই সিরিজ শুরুর আগে চলমান অনুশীলন ক্যাম্পে সোমবার প্রথম এই স্পিন বোলিং মেশিন ব্যবহার করা হয়। যা দিয়ে নিজেদের পছন্দমতো অফ স্পিন, লেগ স্পিন বা স্ট্রেইট ডেলিভারির অনুশীলন করতে পেরেছেন ব্যাটাররা।
এর আগে শুধু এনালগ বোলিং মেশিনের ব্যবহার ছিল বাংলাদেশের ক্রিকেটে। যা দিয়ে গতি বাড়ানো বা কমানো ও বাউন্সের তারতম্যের অনুশীলন করা যেত। এখন নতুন করে মার্লিন বাই বোলা নিয়ে আসায় স্পিনের বিপক্ষেও নিজেদের ঝালাই করতে পারবেন ব্যাটাররা।
মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের জাতীয় একাডেমি মাঠে সোমবার সকালেই যেমন সাইফ হাসান, জাকের আলি অনিকরা ব্যাটিং করেছেন এই মেশিনের সামনে। এটি দিয়ে চাইলে সময় ঠিক করে দিয়ে একসঙ্গে ৩০টি বলও খেলা যাবে।
আরও পড়ুন
| প্রধানমন্ত্রীর হাতে ট্রফি তুলে দিতে চান সাফজয়ী অধিনায়ক |
|
সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এই মেশিনের ব্যাপারে ধারণা দেন বোর্ডের ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগের ইনচার্জ শাহরিয়ার নাফীস।
“এই বোলিং মেশিনের নাম মার্লিন বাই বোলা। এটা নিয়ে অনেকদিন ধরেই কথা হচ্ছিল। কিছুদিন আগেই অর্ডার করা হয়। মেশিনটা অনেক ভারী হওয়ায় ফ্লাইটের মাধ্যমে না এনে জাহাজের মাধ্যমে আনা হয়েছে।”
“এটা দিয়ে অফ স্পিন, লেগ স্পিন এবং আর্মার- তিন ধরনের বল খেলা যায়। বলের লেন্থ পরিবর্তন করা যায়, পেস বাড়ানো-কমানো যায়। ম্যানুয়ালি বা অটোমেটিক, দুই মোডেই চালানো যায়। অটোমেটিক মোডে একসঙ্গে ২৫-৩০টা বল খেলা যায়।”
জানা গেছে, মেশিনটি কিনতে বিসিবির খরচ হয়েছে প্রায় ১০ হাজার পাউন্ড বা ১৬ লাখ টাকা।

ভারতকে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জেতানোর পথে বড় অবদান রেখে এবার আরেকটি স্বীকৃতির সম্ভাবনা জাগিয়েছেন সাঞ্জু স্যামসন ও জাসপ্রিত বুমরাহ। মার্চ মাসের আইসিসি প্লেয়ার অব দা মান্থ পুরস্কারে মনোনীত হয়েছেন ভারতের এই দুই তারকা।
স্যামসন ও বুমরাহ ছাড়াও পুরুষ ক্যাটাগরিতে মাসসেরার পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার উদীয়মান তারকা কনর এস্থেইজেন। আর নারী ক্রিকেটে মনোনয়ন পেয়েছেন নিউ জিল্যান্ডের অ্যামিলিয়া কার, অস্ট্রেলিয়ার বেথ মুনি ও দক্ষিণ আফ্রিকা আয়াবোঙ্গা খাকা।
আরও পড়ুন
| বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে স্টেডিয়ামের বাইরে পাঠিয়ে মজা পেয়েছেন ডেভিড |
|
ঘরের মাঠে হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শুরুর দিকে তেমন সুযোগ পাননি স্যামসন। তবে টুর্নামেন্টের শেষ দিকে তিনিই হয়ে ওঠেন দলের বড় ভরসা। সব মিলিয়ে মার্চ মাসে খেলা তিন ম্যাচে ২৭৫ রান করেন স্যামসন। সেমি-ফাইনাল ও ফাইনাল ম্যাচে তার ব্যাট থেকে আসে ৮৯ রানের ইনিংস।
ওই তিন ম্যাচে বল হাতে আলো ছড়ান বুমরাহ। ওভারপ্রতি মাত্র ৭ রান খরচ করে ১২ গড়ে ৭টি উইকেট নিয়েছিলেন ভারতের এই তারকা পেসার। শিরোপা নির্ধারণী ফাইনালে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে মাত্র ১৫ রানে নেন ৪ উইকেট।
বিশ্বকাপের পরপর নিউ জিল্যান্ড সফরের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ব্যাট হাতে দারুণ ছন্দে ছিলেন এস্থেইজেন। পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ৫০ গড় ও ১৪৫.৯৮ স্ট্রাইক রেটে ২০০ রান করেছিলেন ২৪ বছর বয়সী ব্যাটার।
মার্চ মাসে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি' দুই সংস্করণেই দারুণ ছন্দে ছিলেন অ্যামিলিয়া কার। গত মাসে খেলা ৪ ওয়ানডে ১৭৬ রানের পাশাপাশি বল হাতে ১৮ উইকেট নেন হোয়াইট ফার্ন অধিনায়ক। এছাড়া ৬ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ২৭৬ রানের সঙ্গে ৬ উইকেট নেন তিনি।
আরও পড়ুন
| কাঁথা-বালিশ নিয়ে ‘মাঠেই ঘুমাতে চান’ মুলতান অধিনায়ক |
|
মার্চে খেলা দুই ওয়ানডেতে ১৭১ রান করেন বেথ মুনি। এর মধ্যে ভারতের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে ১০৬ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে করেন ৬৫ রান। এছাড়া ৩ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ১২৮.৯১ স্ট্রাইক রেটে তিনি করেন ১০৭ রান।
নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের ৪ ম্যাচে ৮ উইকেট নিয়ে সেরা বোলার ছিলেন আয়াবোঙ্গা খাকা। পরে প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে ৫৬ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন অভিজ্ঞ পেসার।