
ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ওয়েন রুনি উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাপনের জন্য গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছেন অনেকবারই। কখনও জনসমক্ষে মদ্যপানের অভিযোগ, কখনও মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো। বেপরোয়া জীবনযাপনে নেতিবাচক অভিজ্ঞতা অনেক হয়েছে তার।
এই তারকা ফুটবলার এবার জানালেন, মদ্যপানের এই কঠিন সমস্যার সময় স্ত্রী কোলিন পাশে না থাকলে মারা যেতেন তিনি। সাবেক সতীর্থ রিও ফার্ডিন্যান্ডের পডকাস্টে খেলোয়াড়ি জীবনে মদ্যপানের সঙ্গে লড়াইয়ের দিনগুলোর কথা শেয়ার করেছেন রুনি।
আরও পড়ুন
| পাকিস্তানকে হারিয়ে সাফের ফাইনালে বাংলাদেশের যুবারা |
|
“আমি সত্যিই বিশ্বাস করি, যদি সে (কোলিন) পাশে না থাকত, তাহলে আমি মারা যেতাম। কোলিন আমাকে ব্যাপকভাবে নিয়ন্ত্রণে রেখেছিল। সে আমাকে সামলেছে, কারণ আমাকে সামলানোর মতো একজনের দরকার ছিল।”
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে রেকর্ড ২৫৩ গোল করা রুনি, ২০২১ সালে অবসর নেন। আর ২০০৮ সালে তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন কোলিনের সঙ্গে। এরপর থেকে জীবনে কোলিনের প্রভাব অনেক বেশি বলেন ইংলিশ কিংবদন্তি।
“আমি অতীতে অনেক ভুল করেছি, যেগুলো সবার জানা। তবে আমি মাঝে মাঝে একটু ভিন্ন রকম হয়ে যাই, আর সে আমাকে সঠিক পথে রাখে। প্রায় ২০ বছর ধরে সে এটা করে আসছে।”
আরও পড়ুন
| চীনে সেমিফাইনালে বাফুফে একাডেমি |
|
“আমি বন্ধুদের সঙ্গে বাইরে যেতে চাইতাম, রাতভর আনন্দ করতে চাইতাম। কিন্তু একসময় সেটা সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। সেই সময়ে আমি আমি মদ্যপানে ভীষণভাবে ভুগছিলাম।”
সে সময় কারও কাছে সাহায্য চাইতে চাননি তিনি।
“আমি ভাবতাম যে, কারও সঙ্গে বিষয়টা ভাগাভাগি করতে পারব না। আসলে চাইতামও না, কারণ কাউকে বোঝা দিতে চাইতাম না। আমি একটানা দুই দিন ধরে মদ খেতাম। ট্রেনিংয়ের সময় বা ম্যাচে গিয়ে দুই গোল দিতাম, তারপর আবার ফিরে এসে দুই দিন ধরে মদ খেতাম।”
আরও পড়ুন
| পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে বাংলাদেশ |
|
ইংল্যান্ডের হয়ে ১২০ ম্যাচে ৫৩ গোল করেছেন ওয়েন রুনি। এভারটন থেকে ২০০৪ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যান তিনি। রেড ডেভিলদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ২৫৩ গোল করার রেকর্ডটি এই ফরোয়ার্ডের।
ওল্ড ট্রাফোর্ডে ছিলেন ২০১৭ পর্যন্ত। পরে ফ্রি ট্রান্সফারে চলে যান এভারটনেই। ২০২১ সালে ডার্বি কাউন্টি থেকে বুটজোড়া তুলে রাখেন তিনি। এরপর এক বছরের জন্য ক্লাবটির দায়িত্বও সামলান রুনি। বর্তমানে অবসর সময় যাপন করছেন এক সময়ের অন্যতম সেরা ফুটবলার।
No posts available.
১৪ এপ্রিল ২০২৬, ২:১৪ পিএম

মাঠের লড়াইয়ের আগে শুরু হলো ‘মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ’। আতলেতিকো মাদ্রিদের মাঠ মেট্রোপলিটানোতে হবে কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগের মহারণ। চ্যাম্পিয়নস লিগের মহাগুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচের আগে বার্সেলোনার অনুশীলন সেশনে এক কৌতূহল উদ্দীপক দৃশ্য দেখা গেছে।
মেট্রোপলিটানো স্টেডিয়ামের ঘাসের উচ্চতা নিয়ে ইউয়েফার ম্যাচ ডেলিগেটের কাছে অভিযোগ করেছেন বার্সা কোচ হান্সি ফ্লিক। বার্সেলোনা কর্তৃপক্ষ স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘এএস’-কে নিশ্চিত করেছে , তারা আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ দায়ের করেনি। তবে কোচ তাঁর পর্যবেক্ষণ জানিয়েছেন এবং উয়েফা তাদের নির্ধারিত প্রটোকল অনুযায়ী সেটা শুনেছে। যদিও আতলেতিকো মাদ্রিদ মাঠের খারাপ অবস্থার কথা জোরালোভাবে অস্বীকার করেছে।
আরও পড়ুন
| অ্যানফিল্ডে প্যারিস-বিপ্লব নাকি প্রতিশোধ অলরেডদের |
|
আতলেতিকোর দাবি, মেট্রোপলিটানোর পিচ এখন আগের চেয়েও ভালো অবস্থায় আছে। এমনকি এক মাস আগে যখন কোপা দেল রে সেমিফাইনালের প্রথম লেগে বার্সা এখানে এসেছিল, তার চেয়েও এখন ঘাস অনেক উন্নত বলছে ক্লাবটির কর্তৃপক্ষ। সেই ম্যাচে প্রথম গোলের সময় বার্সা গোলকিপার জোয়ান গার্সিয়ার সামনে অদ্ভুতভাবে বল লাফিয়ে উঠেছিল। শেষ পর্যন্ত ওই ম্যাচে বার্সাকে বিধ্বস্ত করে ৪-০ গোলের বড় জয় পায় দিয়েগো সিমিওনের ক্লাব।
একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, মেট্রোপলিটানোতে স্টেডিয়ামের ঘাস কতটা লম্বা তা আঙুল দিয়ে নির্দেশ করে উয়েফা কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলছেন ফ্লিক। এই দৃশ্যটি দ্রুতই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং জল্পনা শুরু হয় যে, ইউরোপীয় শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ের আগে মাঠের অবস্থা নিয়ে বার্সেলোনা মোটেও সন্তুষ্ট নয়।
চলতি মৌসুমে এ নিয়ে মেট্রোপলিটানোতে তৃতীয়বারের মতো সফরে বার্সা। প্রথমবার তারা কোপা ডেল রে-তে ৪-০ গোলে হেরেছিল, আর দ্বিতীয়বার লেভানডফস্কির শেষ মুহূর্তের গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় পায়। গত মৌসুমেও কাতালান এখানে দুটি ম্যাচই জিতেছিল (লা লিগায় ৪-২ এবং কাপে ১-০)। কোচ ফ্লিক ভালো করেই জানেন, প্রথম লেগের মতো এই ফিরতি লেগের ভাগ্যও নির্ধারিত হবে সূক্ষ্ম সব খুঁটিনাটি বিষয়ের ওপর। প্রথম লেগে পাউ কুবার্সির লাল কার্ড এবং পুবিলের সম্ভাব্য হ্যান্ডবলের পেনাল্টি না পাওয়া—সবই আতলেতিকোর পক্ষে গিয়েছিল।
সব মিলিয়ে এবার আতলেতিকো সবকিছু নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে চায় এবং সাফল্যের জন্য সবরকম কৌশল কাজে লাগাতে মরিয়া। আর এই ‘পিচ বিতর্ক’ নিশ্চিতভাবেই সেই মনস্তাত্ত্বিক লড়াইয়েরই অংশ।

চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের ফার্স্ট লেগে ২-০ ব্যবধানে জিতে সুবিধাজনক অবস্থানে পিএসজি। স্কোরলাইন যতটা দেখাচ্ছে, লিভারপুলের অবস্থা তার চেয়েও শোচনীয় ছিল। পার্ক দেস প্রিন্সেসে পিএসজির দখলে বল ছিল ৭০ শতাংশের বেশি। রেডদের তুলনায় তিনগুণেরও বেশি শট নিয়েছিলেন উসমান দেম্বেলেরা।
সুবিধাজন অবস্থানে থাকলেও প্যারিস সেন্ট জার্মেইন কোচ লুইস এনরিকে মঙ্গলবার অ্যানফিল্ডে ফিরতি লেগের আগে বেশ সতর্ক। এই ম্যাচটিকে একটি ‘ফাঁদ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি। গত বছরও চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোতে এই দুই দলের লড়াই অতিরিক্ত সময়ে গড়িয়েছিল এবং শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে জিতে পরের রাউন্ডে পৌঁছে পিএসজি।
সোমবারের সংবাদ সম্মেলনে বর্তমান চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ী এই কোচ বলেন, ‘এটি ছিল মাত্র প্রথম ম্যাচ। আমাদের দ্বিতীয় ম্যাচটি এখনও খেলতে হবে।
এনরিকে বলেন, ‘এই প্রতিযোগিতায় প্রতিপক্ষের মাঠে খেলা সব সময়ই কঠিন। লিভারপুলের মতো দলের বিপক্ষে খেলাটা সহজ নয়। ঠিক আছে তারা পিছিয়ে, কিন্তু ম্যাচটি আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হতে যাচ্ছে। আমরা জানি লিভারপুলের বিপক্ষে এমন কিছু মুহূর্ত আসবে যখন আমরা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হব।’
দুই লেগের মাঝখানের সময়ে প্রিমিয়ার লিগে ফুলহামের বিপক্ষে ২-০ গোলের একটি স্বস্তির জয় পেয়েছে অলরেডরা। ম্যাচে রিও এনগুমোহা এবং মোহাম্মদ সালাহ দুজনেই দুর্দান্ত দুটি গোল করেন। তবে এই ম্যাচেও খুব একটা আধিপত্য বিস্তার করতে পারেনি। নিজেদের মাঠে খেলেও তাদের বল দখল ছিল মাত্র ৫৩ শতাংশ। এমনকি রক্ষণভাগে রবার্টসন, ফন ডাইক, কোনাতে এবং ফ্রিম্পংদের মতো তারকা থাকা সত্ত্বেও তারা শট নেওয়ার দিক থেকে ১৮-১৯ ব্যবধানে পিছিয়ে ছিল।
দ্বিতীয় লেগ নিয়ে এনরিকে বলেন, ‘ম্যাচটি কঠিন হতে যাচ্ছে। আপনি যদি গত বছরের ম্যাচগুলো বিশ্লেষণ করেন, তবে দেখবেন ফলাফল এক না হলেও প্রেক্ষাপট ও পরিস্থিতির বিচারে প্রথম ম্যাচটি ছিল অনেকটা একই রকম।’
গত বছর অ্যানফিল্ডে হওয়া সেই রুদ্ধশ্বাস দ্বিতীয় লেগের স্মৃতিচারণ করেন। উসমানে দেম্বেলের শুরুর দিকের গোলে দুই লেগ মিলিয়ে সমতা ফিরেছিল এবং এরপর ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ের দিকে গড়ালে দুই দলই রক্ষণাত্মক হয়ে পড়েছিল।
এনরিকে আরও বলেন, ‘দ্বিতীয় লেগটা একদম আলাদা ছিল। যখন তারা সারাক্ষণ চাপের (প্রেসিং) মধ্যে রাখে, তখন ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাদের গোল করা প্রয়োজন, যার মানে তাদের ঝুঁকি নিতে হবে। এর ফলে মাঠে অনেক ফাঁকা জায়গা তৈরি হবে। আমরা বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পছন্দ করি ঠিকই, তবে আমরা ফাঁকা জায়গা ব্যবহার করে আক্রমণ এবং পাল্টা আক্রমণেও (কাউন্টার-অ্যাটাক) বেশ দক্ষ। এটি আমাদের অন্যতম সেরা শক্তি।’

চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের হাইভোল্টেজ ফিরতি লেগে মঙ্গলবার মুখোমুখি হচ্ছে লিভারপুল ও পিএসজি। অ্যানফিল্ডে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত একটায়। সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে হলে ঘরের মাঠে লিভারপুলকে পাড়ি দিতে হবে এক বিশাল পর্বত, জিততে হবে অন্তত ৩ গোলের ব্যবধানে।
অন্যদিকে, প্রথম লেগের ২-০ ব্যবধানের জয় পিএসজিকে সুবিধাজনক অবস্থানে রেখেছে। আজ তারা জিতলে বা ড্র করলে তো বটেই, এমনকি ১ গোলের ব্যবধানে হারলেও শেষ চারে জায়গা করে নেবে। গত মৌসুমেও শেষ ষোলোর লড়াইয়ে এই দুই দলের দেখা হয়েছিল, যেখানে স্নায়ুক্ষয়ী টাইব্রেকারে জিতে লিভারপুলকে বিদায় করে পরের রাউন্ডে উঠেছিল ফরাসি জায়ান্টরা।
মহারণের ম্যাচে লিভারপুল শিবিরে বড় দুশ্চিন্তা ইনজুরি। নিয়মিত গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকার, এন্দো ও ব্র্যাডলির সাথে নতুন করে যোগ দিয়েছেন কার্টিস জোনস। তবে কোচ স্লট আজ তার প্রিয় ৪-২-৩-১ ফরমেশনে ফিরে যেতে পারেন। সালাহ ও এনগুমোহাকে দুই উইংয়ে খেলিয়ে পিএসজির শক্তিশালী ফুল-ব্যাক হাকিমি ও নুনো মেন্ডেসকে চাপে রাখাই হবে তার মূল লক্ষ্য।
আরও পড়ুন
| অ্যানফিল্ডে প্যারিস-বিপ্লব নাকি প্রতিশোধ অলরেডদের |
|
লুইস এনরিকে তার চিরাচরিত ৪-৩-৩ ফরমেশনেই খেলাবেন দলকে। পিএসজি শিবিরে স্বস্তির খবর ব্র্যাডলি বারকোলার প্রত্যাবর্তন। লুইস এনরিকের দল গত সপ্তাহে লঁসের বিপক্ষে ম্যাচ স্থগিত হওয়ায় বাড়তি বিশ্রাম পেয়েছে। দেম্বেলে, কাভারাস্কেইয়া ও দুয়েদের গতিশীল আক্রমণভাগ আজ লিভারপুলের রক্ষণে ফাটল ধরাতে প্রস্তুত।
ইতিহাস বলছে পিএসজি সুবিধাজনক অবস্থানে, কিন্তু ফুটবল বিশ্ব জানে অ্যানফিল্ডে কোনো কিছুই নিশ্চিত নয়। আজ কি সালাহ-উইর্টজরা নতুন কোনো রূপকথা লিখবেন, নাকি লুইস এনরিকের দলই শেষ হাসি হাসবে? উত্তর মিলবে আজ রাতেই।
লিভারপুলের সম্ভাব্য শুরুর একাদশ (৪-২-৩-১): গিওর্গি মামারদাশভিলি, জেরেমি ফ্রিম্পং, ইব্রাহিমা কোনাতে, ভার্জিল ফন ডাইক, মিলোস কেরকেজ, রায়ান গ্রাভেনবার্চ, ডোমিনিক সোবোসলাই, ফ্লোরিয়ান ভির্টজ, রিও এনগুমোহা, মোহাম্মদ সালাহ, হুগো একিটিকে।
পিএসজির সম্ভাব্য শুরুর একাদশ (৪-৩-৩): মাতভেই সাফোনভ, নুনো মেন্ডেস, উইলিয়ান পাচো, মার্কিনহোস, আশরাফ হাকিমি, জোয়াও নেভেস, ভিতিনিয়া, ওয়ারেন জাইরে-এমেরি, দেজিয়ের দুয়ে, উসমানে দেম্বেলে, খিচা কাভারাস্কেইয়া।

ক্লাবটির ইতিহাসের সেরা সময়ই এসেছে এক আর্জেন্টাইনের হাত ধরে। চিরচেনা আঙিনায় আরও এক ঝাঁক স্বদেশীদের নিয়ে বেশ সাফল্য কুড়িয়েছেন। আর্জেন্টাইন তারকাদের নিয়ে বসিয়েছেন তারার হাট। চলতি মৌসুমে সিমিওনের প্রধান অস্ত্রও তারাই।
চ্যাম্পিয়নস লিগে কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে বার্সেলোনাকে আজ আতিথ্য দেবে আতলেতিকো মাদ্রিদ। ইউরোপ সেরা প্রতিযোগিতায় সেমিফাইনালে যাওয়ার মহারণে দুই দল মাঠে নামবে বাংলাদেশ সময় রাত একটায়। কাতালান ক্লাবটি নিজেদের মাঠ ক্যাম্প ন্যূতে দিয়েগো সিমিওনের দলের কাছে হেরেছে ২-০ গোলে। এবার মেট্রোপলিটানোতে প্রত্যাবর্তনের স্বপ্ন দেখা বার্সার কাজটা কঠিন থেকে কঠিনতর করতে সব রকমের প্রস্তুতি সেরে রেখেছে আতলেতিকো। যে প্রস্তুতির অনেকটা অংশ জুড়েই আছে একদল আর্জেন্টাইন।
ক্যাম্প ন্যূতে প্রথম লেগে আতলেতিকোর সেরা খেলোয়াড় ছিলেন হুয়ান মুসো। জন ওবলাকের চোটে মাদ্রিদের ক্লাবটির গোলপোস্ট সামলানোর দায়িত্ব পাওয়া আর্জেন্টাইন এই গোলকিপার দূর্ভেদ্য দেয়াল হয়ে ছিলেন। লামিনে ইয়ামাল-মার্কাস রাশফোর্ডদের একের পর এক আক্রমণ ব্যর্থ করে দেওয়া ৩১ বছর বয়সী গোলকিপার মোট সাতটি সেভ করেছেন।
গোল ঠেকানোয় যেমন আর্জেন্টাইন, তেমন গোল করাতেও আছে আরেক আলবিসেলেস্তা তারকা। বার্সেলোনাকে প্রথম আঘাত করা জুলিয়ান আলভারেজ—চোখধাঁধানো এক ফ্রি কিকে দলকে লিড এনে দিয়েছেন। এমনকি আতলেতিকো ফ্রি-কিকও পেয়েছে আরেক আর্জেন্টাইনের নৈপুণ্যে। ডি বক্সের ঠিক বাইরে জুলিয়ানো সিমিওনেকে ফাউল করে লাল কার্ড দেখেন বার্সা ডিফেন্ডার পাউ কুবার্সি। তারপর তো ম্যাচ থেকেই ছিটকে যায় সফরকারীরা।
কোচসহ আতলেতিকো মাদ্রিদে আর্জেন্টাইনদের মোট সংখ্যা সাত। আক্রমণভাগে আলভারেজ ছাড়াও আছেন থিয়াগো আলমাদা। রাইট ব্যাক কিংবা উইং ব্যাক হিসেবে পুরো মাঠজুড়ে দাপিয়ে বেড়ানোর জন্য তো জুলিয়ানো সিমিওনে আছেনই। লেফট ব্যাকে নিকোলাস গঞ্জলেজ। আর রাইট ব্যাকে নাহুয়েল মলিনা। গোলপোস্টের নিচে মুসো, ডাগআউটে সিমিওনে।
‘আর্জেন্টাইন’ প্রতিরোধ সামলে ঘুরে দাড়ানোর সামর্থ্য বার্সেলোনার নেই বললে ভুল হবে। ইউরোপীয় ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা প্রত্যাবর্তনের একটি তো তাদের দ্বারাই রচিত হয়েছে। ২০১৬-১৭ মৌসুমের পিএসজির বিপক্ষে ৬-১ গোলের ঐতিহাসিক ‘রেমন্টাদা’ এখনও অনেকের অনুপ্রেরণা।
আতলেতিকোর বিপক্ষে ইতিহাস অবশ্য বার্সার হয়ে কথা বলছেন না। পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ী ক্লাবটি এর আগে এই প্রতিযোগিতায় নকআউট পর্বে যখনই আতলেতিকো মাদ্রিদের মুখোমুখি হয়েছে (২০১৩-১৪ এবং ২০১৫-১৬ মৌসুম), প্রতিবারই গল্পের শেষটা ছিল একই। লিওনেল মেসি, নেইমার জুনিয়র এবং আন্দ্রেস ইনিয়েস্তাদের মতো তারকারাও চ্যাম্পিয়নস লিগে সিমিওনের আতলেতিকোর কাছে হার মেনেছে।
মেট্রোপলিটানোতে আজ ম্যাচের শুরু থেকেই আতলেতিকোর রক্ষণভাগকে কঠিন চ্যালেঞ্জ জানাবে বার্সা। বিপরীতে নিজের চিরচিত রক্ষণাত্মক কৌশলেই ভরসা রাখার কথা সিমিওনের। বার্সার সমস্যার জায়গা অবশ্য আক্রমণভাগে নয় রক্ষণেই। গত মৌসুমের শুরু থেকে চ্যাম্পিয়নস লিগে বার্সেলোনার চেয়ে বেশি গোল (৪৩টি) আর কোনো দল হজম করেনি। তার ওপর, এই প্রতিযোগিতায় টানা ১৪ ম্যাচে ক্লিন শিট রাখতে ব্যর্থ হয়েছে ফ্লিকের দল, যা টুর্নামেন্টের ইতিহাসে যেকোনো স্প্যানিশ দলের জন্য যৌথভাবে টানা গোল খাওয়ার লজ্জাজনক রেকর্ড। তার ওপর কার্ড নিষেধাজ্ঞায় নিজেদের নিয়মিত ডিফেন্ডার কুবার্সিতে এই ম্যাচে পাচ্ছে না বার্সা।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউট পর্বে ঘরের মাঠে প্রথম লেগে ২ বা তার বেশি গোলে হেরে যাওয়ার পর ঘুরে দাঁড়িয়ে পরের রাউন্ডে যেতে পেরেছে ১৯৪টি দলের মধ্যে মাত্র ২টি। এছাড়া, ঘরের মাঠে প্রথম লেগে হারার পর বার্সেলোনা আজ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউট পর্বে কখনোই জিততে পারেনি। সব ইতিহাস পরিসংখ্যানকে পাল্টে দিয়ে কতটা লড়াই করতে পারে লামিনে ইয়ামাল-পেদ্রিরা সেটাই এখন দেখার।
গত ১১ বছরের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপার খরা কাটানোর আশা বাঁচিয়ে রাখতে হলে বার্সেলোনাকে এখন এই মৌসুমের সেরা খেলাটা খেলতে হবে। বড় এই লড়াইয়ের আগে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী এস্পানিওলকে হারিয়ে নিজেদের মনোবল কিছুটা চাঙ্গা করে নিয়েছে ফ্লিকের শিষ্যরা।
দিয়েগো সিমেওনে সেভিয়ার বিপক্ষে ২-১ গোলে হারের ম্যাচে তার দলের প্রায় সব মূল খেলোয়াড়কেই বিশ্রাম দিয়েছিলেন। লা লিগার শিরোপা দৌড় থেকে ছিটকে যাওয়ায় এই আর্জেন্টাইন কোচ এখন দুই গোলের লিড ধরে রাখতেই বেশি মনোযোগী। তার প্রধান লক্ষ্য হলো একটি ফিট ও সতেজ দল নিয়ে মঙ্গলবার বার্সাকে বিদায় করে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করা।
আতলেতিকোর জন্য বড় সুখবর হলো, গোলকিপার ওবলাক এবং জনি কার্ডোসো পূর্ণ অনুশীলনে ফিরেছেন এবং তাদের শুরুর একাদশে থাকার সম্ভাবনাও প্রবল। তবে রক্ষণভাগ নিয়ে দুশ্চিন্তা কাটছে না সিমেওনের; ডেভিড হাঙ্কো, হোসে হিমেনেজ এবং পাবলো বারিওস—এই তিনজনই চোটের শঙ্কায় আছেন এবং ম্যাচের আগমুহূর্তে তাদের ফিটনেস টেস্ট করা হতে পারে। এছাড়া নিষেধাজ্ঞার কারণে মার্ক পুবিলকে পাচ্ছে না দল। ৪-৪-২ ফরমেশনে দল সাজাতে পারেন সিমিওনে, যেখানে আক্রমণে আতোঁয়ান গ্রিজম্যানের সঙ্গী হবেন হুলিয়ান আলভারেজ। আর মাঝমাঠে কোকের নেতৃত্ব এবং কার্ডোসো বা মার্কোস ইয়োরেন্তের ওপর দায়িত্ব থাকবে বার্সার আক্রমণ দানা বাঁধার আগেই তা নসাৎ করে দেওয়া।
অন্যদিকে জীবন-মরণ এই ম্যাচে বেশ কিছু তারকাকে ছাড়াই রণকৌশল সাজাতে হচ্ছে হান্সি ফ্লিককে। রাফিনিয়া এবং আন্দ্রেয়াস ক্রিস্টেনসেন চোটের কারণে এখনো মাঠের বাইরে। রক্ষণভাগ আরও জটিল হয়ে পড়েছে প্রথম লেগের লাল কার্ডের কারণে পাউ কুবার্সির নিষেধাজ্ঞায়। ফলে এরিক গার্সিয়াকে সম্ভবত রোনাল্ড আরাউহোর সঙ্গে সেন্ট্রাল ডিফেন্সে দেখা যাবে।
দুই গোলের ব্যবধান ঘুচিয়ে জয় ছিনিয়ে নিতে ফ্লিক অল-আউট অ্যাটাকিং ৪-৩-৩ ফরমেশনে দল নামাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই কৌশলের পুরো ভরসা থাকবে লামিন ইয়ামালের সৃজনশীলতার ওপর, আর সুযোগের সদ্বব্যবহারের অপেক্ষায় থাকবেন রবার্ট লেভানডফস্কি ও মার্কাস রাশফোর্ড। ‘কামব্যাকের’ আগুন জ্বালাতে শুরুতেই একটি গোলের খোঁজে থাকবে ‘ব্লাউগ্রানারা’।

‘পিএসজির বিপক্ষে ছয় গোলও খেতে পারত লিভারপুল।’ চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের ফার্স্ট লেগের পর ফুটবল বিশ্লেষক স্টিভ নিকোলার মন্তব্য ছিল ঠিক এমনই। অ্যানফিল্ডে ফিরতি লেগের আগে অবশ্য স্কটিশ ফুটবলার সাবেক ক্লাব নিয়ে কোনো রকম বিরূপ মন্তব্য করেননি। তবে ২-০ গোলে পিছিয়ে থাকা আর্নে স্লটের দলের রিদমে ফেরাটা যে মোটেও সহজ হবে না, তা সহজ অনুমেয়।
পার্ক দেস প্রিন্সেসে অনুষ্ঠিত প্রথম লেগের ম্যাচে পজিশন, অন টার্গেট শট কিংবা গোল ব্যবধান—কিছুই নিজেদের পক্ষে নিতে পারেনি লিভারপুল। পিএসজির মাঠে অনেকটাই নস্যিই মনে হয়েছে ছয় বারের চ্যাম্পিয়নস লিগ চ্যাম্পিয়নদের। যদিও রেডসদের পিছিয়ে পড়া বা থমকে যাওয়ার ব্যাপারটা মোটেও হতবাক করেনি সমর্থকদের। মৌসুমজুড়ে হাপিত্যেশের মধ্য দিয়েই গেছে লিভারপুল।
মঙ্গলবার অ্যানফিল্ডে বাংলাদেশ সময় রাত একটায় ফিরতি লেগে গা ঝাড়া দেওয়ার পালা লিভারপুলের। নিজেদের মাঠে আরও একবার প্রমাণ করার পালা আর্নে স্লটের দলের। সেমিফাইনালে উঠতে লিভারপুলকে আজ ঘরের মাঠে ৩ গোলের ব্যবধানে জিততে হবে। আর পিএসজি জিতলে বা ড্র করলে তো বটেই, ১ গোলের ব্যবধানে হারলেও শেষ চারে উঠে যাবে। সর্বশেষ মৌসুমে শেষ ষোলোতে দুই দলের দেখায় শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে জিতে পরের রাউন্ডে ওঠে পিএসজি।
আরও পড়ুন
| অ্যানফিল্ডে আরেকটি রূপকথার আশায় লিভারপুল কোচ |
|
শনিবার প্রিমিয়ার লিগে ফুলহামের বিপক্ষে ২-০ গোলে জয় তুলে নিয়ে কিছুটা শক্তি সঞ্চার করেছে লিভারপুল। এই জয় তাদের টানা তিন ম্যাচের হারের বৃত্ত ভেঙেছে। তবে মঙ্গলবার (পিএসজির বিপক্ষে) পরবর্তী পর্বে যাওয়ার আশা টিকিয়ে রাখতে হলে তাদের আরও অনেক উন্নত পারফরম্যান্স উপহার দিতে হবে।
ফ্রান্সের মাটিতে প্রথম লেগের ম্যাচে লিভারপুল মূলত ভাগ্যের জোরে বেঁচে গিয়েছিল। বড় ব্যবধানের হার এড়াতে তাদের পুরোপুরি নির্ভর করতে হয়েছিল গোলরক্ষক গিওর্গি মামারদাশভিলির অসাধারণ নৈপুণ্যের ওপর।
ম্যানেজার আর্নে স্লটকে এখন এমন এক কৌশল বের করতে হবে যা রেডসদের আক্রমণভাগকে শক্তিশালী করবে এবং রক্ষণভাগকেও অরক্ষিত রাখবে না। এক্ষেত্রে তার পছন্দের ৪-২-৩-১ ফরমেশনে ফিরে যাওয়া কার্যকর হতে পারে। যা তাকে মোহাম্মদ সালাহ এবং রিও এনগুমোহাকে উইঙ্গার হিসেবে খেলানোর সুযোগ করে দেবে। সালাহ এবং এনগুমোহা দুই প্রান্ত দিয়ে আক্রমণ শানালে তা পিএসজির দুই ফুল-ব্যাক আশরাফ হাকিমি এবং নুনো মেন্ডেসের আক্রমণাত্মক দৌড় কিছুটা কমিয়ে দিতে পারে।
অন্যদিকে লঁসের বিপক্ষে লিগ ওয়ানের ম্যাচটি স্থগিত হওয়ায় পিএসজি বেশ ফুরফুরে মেজাজে মাঠে নামবে। লিভারপুলে তাদের গত সফরের জয়ের স্মৃতি রয়েছে এবং তারা লিভারপুলের অতি-আক্রমণাত্মক মানসিকতার সুযোগ নিতে পারে। উসমানে দেম্বেলে, দুয়ে এবং খিচা কাভারাস্কেইয়া পাল্টা আক্রমণে (ট্রানজিশন) লিভারপুলের জন্য বড় বিপদ তৈরি করতে পারেন।
পিএসজি কোনোভাবেই চাইবে না লিভারপুল বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আধিপত্য বিস্তার করুক। কারণ, স্বাগতিকদের পক্ষে একটি দ্রুত গোল এই লড়াইয়ের পুরো মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।
ফিরতি লেগের আগে অবশ্য পিএসজির শক্তি বাড়ল। চোট কাটিয়ে লিভারপুল ম্যাচের দলে ফিরেছেন ফরোয়ার্ড ব্র্যাডলি বারকোলা। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে চেলসির বিপক্ষে শেষ ষোলোর ফিরতি লেগে অ্যাঙ্কেলের লিগামেন্টে গুরুতর চোট পান বারকোলা এবং এজন্য এক মাসের মতো বাইরে ছিলেন তিনি। এই সময়ে পিএসজির তিনটি ম্যাচ মিস করেন ফরাসি উইঙ্গার। মাঝে জাতীয় দলের দলের হয়ে ব্রাজিল ও কলম্বিয়ার বিপক্ষেও খেলতে পারেননি বারকোলা। তবে বর্তমানে কেবল ফ্যাবিয়ান রুইজ এবং কোয়েন্টিন এনজান্টৌ ইনজুরির সমস্যায় ভুগছেন।
আরও পড়ুন
| ফেরার ম্যাচে প্রতিপক্ষের চুল টেনে নিষিদ্ধ আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার |
|
লিভারপুলের জন্য দুশ্চিন্তার বড় কারণ ইনজুরি। ফুলহামের বিপক্ষে ম্যাচে চোট পেয়ে মাঠের বাইরে ছিটকে গেছেন কার্টিস জোনস। আগে থেকেই দলের মূল গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকার, ওয়াতারু এন্দো, কনর ব্র্যাডলি এবং জিওভানি লিওনি চোটের কারণে দলের বাইরে আছেন। ফলে আর্নে স্লটকে কিছুটা সীমাবদ্ধ শক্তির দল নিয়েই মাঠে নামতে হচ্ছে।
মঙ্গলবারের ম্যাচের আগে আর্নে স্লট বলেছেন, ‘আমাদের বিশ্বাস আছে আগামীকাল (মঙ্গলবার) আমরা বিশেষ কিছু করতে পারব, তবে সেটা অর্জনের জন্য আমাদের অনেক অনেক বেশি বিশেষ (পারফরম্যান্স) হতে হবে। কারণ আমরা ইউরোপ সেরাদের বিপক্ষে খেলতে যাচ্ছি। এটি কাজটিকে আরও জটিল করে তুলেছে, তবে অসম্ভব নয়।’
তিনি যোগ করেন, ‘মঙ্গলবার আমাদের প্রথম যে পরিবর্তনটি আনতে হবে তা হলো বল বেশি সময় নিজেদের দখলে রাখা। আর যদি আমরা সেটি করতে পারি, তবে মাঠে আক্রমণাত্মক ভীতি ছড়ানোর মতো খেলোয়াড় থাকাটা হবে চমৎকার ব্যাপার—যা আগামীকাল আমাদের থাকবে।’
প্রথম লেগ জিতলেও লুইস এনরিকে জানিয়েছেন, এখনও পথ বাকি পিএসজির। ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘এটি ছিল মাত্র প্রথম ম্যাচ। দ্বিতীয় ম্যাচটি (এখনও) খেলতে হবে।’
সাবেক ৬ বারের চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে তাদের ঘরের মাঠে একটু বেশিই লড়াই হবে, আগেই ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন এনরিকে, ‘যখন আপনি এই প্রতিযোগিতায় খেলেন এবং প্রতিপক্ষের মাঠে খেলতে যান, তখন সেটি সব সময়ই কঠিন হয়। আর আপনি লিভারপুলের মতো স্তরের একটি দলের বিপক্ষে খেলছেন। ঠিক আছে, তারা পিছিয়ে আছে, কিন্তু আমাদের জন্য ম্যাচটি তবুও কঠিন হতে যাচ্ছে। আমরা জানি লিভারপুলের বিপক্ষে খেলার সময় এমন কিছু মুহূর্ত আসবে যখন আমাদের প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হবে।’
ইতিহাস পিএসজির পক্ষে। দুই পক্ষের লড়াইয়েও তা। তবে অ্যানফিল্ড বলে, এই লড়াই কঠিনই হবে। একে তো ম্যাচটি সালাহদের প্রতিশোধের মঞ্চ, অন্যদিকে ইতিহাস সত্য করার মিশন পিএসজির। দেখা যাক এই লড়াইয়ে জিতবে কারা।