ইউএস ওপেনের দ্বিতীয় রাউন্ডে প্রথম সেট হেরেও দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন নোভাক জোকোভিচ। আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে আমেরিকান জ্যাকারি সভাজদাকে ৬-৭ (৫-৭), ৬-৩, ৬-৩, ৬-১ গেমে হারিয়ে জয় তুলে নেন ২৪ বারের গ্র্যান্ড স্ল্যামজয়ী সার্বিয়ান তারকা।
এই জয়ে জোকোভিচ নতুন রেকর্ড গড়েছেন। রজার ফেদেরারকে ছাড়িয়ে গ্র্যান্ড স্ল্যামের ইতিহাসে ৭৫ বার তৃতীয় রাউন্ডে উঠেছেন তিনি। জোকোভিচের লক্ষ্য এবার এককভাবে ২৫তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম ট্রফি জিতে ইতিহাস গড়া।
জয় পেলেও জোকোভিচ এখনো নিজের সেরা ছন্দ ফিরে পাওয়ার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। ম্যাচ শেষে জোকোভিচের কন্ঠে ছিলো হতাশার ছাপ।
“এমন নয় যে, আমি কোর্টে খেলায় আনন্দ পাচ্ছি না। তবে আমি খারাপ খেলতে পছন্দ করি না। এই কারণেই আমি নিজেকে এবং আমার দলকে অতিরিক্ত চাপ দিই, যাতে পরের ম্যাচে আরও ভালো পারফর্ম করতে পারি।”
আরও পড়ুন
ডারউইনে ১১৪ রানে অলআউট বাংলাদেশ ‘এ’ |
![]() |
“আমার খেলার মানে আমি সন্তুষ্ট নই। তবে এমন দিন থাকে, যখন আপনি সেরা খেলতে পারেন না, তখনও জয়ের পথ খুঁজে নিতে হয়। আমি কোর্টে নামার পর সমাধান খোঁজার চেষ্টা করি।”
তৃতীয় রাউন্ডে জোকোভিচ মুখোমুখি হবেন ব্রিটেনের ক্যামেরন নরির।
২ দিন আগে
২ দিন আগে
২ দিন আগে
৩ দিন আগে
৩ দিন আগে
৩ দিন আগে
৩ দিন আগে
৩ দিন আগে
৫ দিন আগে
৫ দিন আগে
৭ দিন আগে
৭ দিন আগে
৭ দিন আগে
৯ দিন আগে
৯ দিন আগে
২৮ আগস্ট ২০২৫, ৬:৫৯ পিএম
দুঃসময়ের প্রহরে বড় অঙ্কের জরিমানার মুখে পড়লেন দানিল মেদভেদেভ। ইউএস ওপেনের প্রথম রাউন্ডে হারের ম্যাচে রেফারির সঙ্গে মেজাজ দেখিয়ে ও র্যাকেট ভাঙার ফলে ৫১ লাখ টাকার বেশি জরিমানা দিলেন রুশ তারকা।
বছরের শেষ গ্র্যান্ড স্লামের প্রথম রাউন্ডে ফ্রান্সের বেঞ্জেমা বঞ্জির কাছে ৩-৬, ৫-৭, ৭ (৭) - ৬ (৫), ৬-০ ও ৪-৬ সেটে হেরে যান মেদভেদেভ। প্রথম দুই সেটে হারের পর দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ালেও শেষ পর্যন্ত জিততে পারেননি।
আরও পড়ুন
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সূচিতে বড় পরিবর্তন |
![]() |
ওই ম্যাচ চলাকালে হঠাৎ এক ফটোগ্রাফার কোর্টের ওপর চলে আসেন। ফলে ছন্দপতন ঘটে খেলায়। সেটি নিয়েই রাগারাগি করেন মেদভেদেভ।। রেফারির সঙ্গে চিৎকার করেন। মেজাজ হারিয়ে নিজের র্যাকেটও ভেঙে ফেলেন।
তাই যুক্তরাষ্ট্রের টেনিস অ্যাসোসিয়েশন তাকে অখেলোয়াড়সুলভ আচরণে ৩০ হাজার ডলার ও র্যাকেট ভাঙায় আরও সাড়ে ১২ হাজার ডলার জরিমানার শাস্তি দিয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৫১ লাখ টাকার বেশি।
অর্থাৎ প্রথম রাউন্ড খেলে পাওয়া অর্থ-পুরস্কারের ৪০ শতাংশ জরিমানাই দিতে হচ্ছে তাকে।
টেনিসে ‘বিগ থ্রি’র অধ্যায় প্রায় শেষ। রজার ফেদেরার ও রাফায়েল নাদাল বিদায় নিয়েছেন আগেই। আরেক প্রতিনিধি নোভাক জোকোভিচ শুধু গ্র্যান্ড স্ল্যামে খেলছেন। স্পষ্টই, সার্বিয়ান তারকাও ক্যারিয়ারের সেরা সময় পেছনে ফেলে এসেছেন। গগনে নতুন তারা ইয়ানিক সিনার-কার্লোস আলকারাজ। দুজনই র্যাঙ্কিংয়ে ১-২ নম্বরে আছেন।
শীর্ষ বাছাই সিনারের কাছে নিজের এই উত্থান যেন স্বপ্নের মতো। আর্থিক টানাপোড়েনে ক্যারিয়ার থিতু হওয়ার আগেই যিনি শেষের কথা ভেবেছিলেন, তাঁর কাছে এমন মনে হওয়াটা স্বভাবিক ব্যাপারই। একদিন মা-বাবাকে কথা দিয়েছিলেন, নিজের ২৩-২৪ বয়সে যদি ২০০ র্যাঙ্কিং বাছাইয়ের বাইরে থাকেন, তবে খেলা ছেড়ে দেবেন।
আজ ইউএস ওপেনের প্রথম রাউন্ডে দাপুটে জয় পেয়েছেন সিনার। হার্ড কোর্ট মাত্র এক ঘণ্টা ৩৮ মিনিটে উড়িয়ে দিয়েছেন চেক প্রতিদ্বন্দ্বী ভিত কপ্রিভাকে।
আরও পড়ুন
আমরা ইউরোপের জন্য প্রস্তুত নই: ইউনাইটেড কোচ |
![]() |
এই টুর্নামেন্টের আগে আলকারাজকে হারিয়ে উইম্বলডনের ট্রফি ক্যাবিনেটে তোলেন সিনার। খেলা ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করা, ইতালিয়ান টেনিস তারকার নামের পাশে এখন চারটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম শিরোপা।
কিন্তু ক্যারিয়ারের শুরুর দিকটা এত মসৃণ ছিল না সিনারের। সেই বাস্তবতা তুলে ধরে বলেন,
'আমি যখন বাড়ি ছেড়ে বের হয়েছিলাম, তখন বাবা মাকে বলেছিলাম, যদি ২৩ বা ২৪ বছর বয়সে শীর্ষ ২০০ বাছাইয়ের বাইরে থাকি, তবে খেলা ছেড়ে দেব। কারণ আমাদের তখন টাকার অভাব ছিল। টুর্নামেন্টে ভ্রমণ করা, কোচ রাখা, এসব অনেক ব্যয়সাপেক্ষ।’
নিজের বর্তমান অবস্থাকে অবিশ্বাস্য মনে হয় সিনারের,
‘আমি ভাগ্যবান, ১৮ বছর বয়সেই উপার্জন শুরু করি। তখন থেকেই কিছুটা নিরাপদ বোধ করি। ছোট বেলায় অনেক স্বপ্ন দেখতাম। আমি বলতাম হয়তো একদিন নাম্বার ওয়ান হব বা গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতব। কিন্তু সেটা কেবল স্বপ্নই ছিল। আজ আমি যে অবস্থানে আছি, তা আমার কল্পনারও বাইরে।'
ক্যারিয়ারে এ পর্যন্ত ২০টি শিরোপা জিতেছেনে সিনার। পুরস্কারের অর্থ ৪ কোটি ৬২ লাখ ৭৯ হাজার ৯৮৭ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪০০ কোটিরও বেশি।
আরও পড়ুন
ক্যারিয়ার সেরা র্যাঙ্কিংয়ে গ্রিন, হেড-মার্শের লাফ |
![]() |
এক সময় সিনার মনে করতেন, শীর্ষ ১০০ বাছাইয়ের মধ্যে ঢুকতে পারলে এটাই তাঁর সেরা অর্জন হবে। কিন্তু এখন তাঁর লক্ষ্য বড় বড় টুর্নামেন্টে জেতা,
'এখন আমি বুঝি, যদি ভালো খেলি তবে টুর্নামেন্ট জিততে পারি। দৃষ্টিভঙ্গি বদলে গেছে। তবে ছোটবেলায় আমার স্বপ্ন ছিল একদিন যদি শীর্ষ ১০০ বাছাইয়ের মধ্যে ঢুকতে পারি, সেটাই হবে সবচেয়ে বড় সাফল্য। এখন যা পেয়েছি, সবই আমার কাছে বাড়তি প্রাপ্তি।'
সিনারের চারটি গ্র্যান্ড স্লাম শিরোপার দুটি এসেছে এই বছর— অস্ট্রেলিয়ান ওপেন আর উইম্বলডনে। এর মাঝেই দুর্ঘটনাক্রমে নিষিদ্ধ পদার্থ গ্রহণের কারণে তিন মাসের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছিলেন তিনি। কাল ইউএস ওপেনে দ্বিতীয় রাউন্ডে অস্ট্রেলিয়ার অ্যালেক্সেই পপিরিনের বিপক্ষে কোর্টে নামবেন সিনার।
ইউএস ওপেনের প্রথম রাউন্ডে দাপুটে জয়ে যাত্রা শুরু করেছেন বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকা ইয়ানিক সিনার। নিউইয়র্কের আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে চেক প্রতিদ্বন্দ্বী ভিত কপ্রিভাকে সরাসরি সেটে ৬-১, ৬-১, ৬-২ গেমে হারান এই ইতালীয় তারকা।
ম্যাচটি শেষ হয় মাত্র এক ঘণ্টা ৩৮ মিনিটে। এ জয়ে হার্ড কোর্ট গ্র্যান্ড স্ল্যামে টানা ২২তম জয় পেলেন সিনার।
সাম্প্রতিক অসুস্থতা কাটিয়ে কোর্টে ফিরেছেন সিনার। সিনসিনাটি ওপেনের ফাইনালে অসুস্থতার কারণে আলকারাজের বিপক্ষে ম্যাচ ছেড়ে দিতে হয়েছিল। তবে ইউএস ওপেনে তার খেলায় কোনো দুর্বলতা দেখা যায়নি।
আরও পড়ুন
নতুন লুকে দাপুটে জয়ে আলকারাজের শুরু |
![]() |
ম্যাচ শেষে সিনার বলেন,
“আমি খুব খুশি যে আবার সুস্থ হয়েছি এবং সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি সেরা অবস্থায় খেলতে।”
ফ্লাশিং মিডোতে ফিরে নিজের অনুভূতির কথা জানিয়ে সিনার বলেন,
“এখানে আসা সব সময়ই বিশেষ লাগে। প্রতি বছর পরিস্থিতি ভিন্ন হলেও লক্ষ্য থাকে একই, ভালোভাবে শুরু করা। আবার ফিরে এসে সেরাদের সঙ্গে খেলতে পারা সত্যিই দারুণ অভিজ্ঞতা।”
২৪ বছর বয়সী এই ইতালীয় তারকা বর্তমানে ইউএস ওপেনে শিরোপা রক্ষার লড়াইয়ে আছেন। গত এক বছরে সিনার তিনটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতেছেন। ২০২৪ সালের ইউএস ওপেন, এ বছরের অস্ট্রেলিয়ান ওপেন এবং গত মাসের উইম্বলডন। একমাত্র হারের স্বাদ পেয়েছেন ফ্রেঞ্চ ওপেন ফাইনালে কার্লোস আলকারাজের বিপক্ষে।
দ্বিতীয় রাউন্ডে অস্ট্রেলিয়ার অ্যালেক্সেই পপিরিনের বিপক্ষে কোর্টে নামবেন সিনার।
ইউএস ওপেনের নতুন আসরে দারুণ সূচনা করলেন স্প্যানিশ স্পেনের তারকা কার্লোস আলকারাজ। নিউইয়র্কের ফ্লাশিং মিডোতে সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের রেইলি ওপেলকাকে সরাসরি সেটে ৬-৪, ৭-৫ ও ৬-৪ গেমে হারিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠেছেন বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ের ২ নম্বর খেলোয়াড় আরকারাজ।
২০২২ সালের ইউএস ওপেন চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন আরকারাজ। তিন বছর আগে জেতা সেই শিরোপা পুনরুদ্ধারের মিশনে এগোচ্ছেন তিনি।
শক্তিশালী সার্ভিসের জন্য খ্যাত ওপেলকার বিপক্ষে এদিন আলকারাজ ছিলেন নিখুঁত। আনফোর্সড এরর ছিল মাত্র ১৭টি। প্রথম সার্ভে ৫৮টির মধ্যে ৫০টিতে পয়েন্ট জিতেছেন। তিনটি ব্রেক পয়েন্ট বাঁচানোর পাশাপাশি তিনি ওপেলকার সার্ভ ভেঙেছেন তিনবার। গ্র্যান্ড স্ল্যামের প্রথম রাউন্ডে তার রেকর্ড এখন ১৯-০।
আরও পড়ুন
বিতর্ক-খেলা বন্ধ, প্রথম রাউন্ডে বিদায় সাবেক চ্যাম্পিয়নের |
![]() |
তবে শুধু কোর্টের পারফরম্যান্স নয়, ফ্লাশিং মিডোতে আলোচনার কেন্দ্রে ছিল আলকারাজের নতুন বাজ কাট হেয়ারস্টাইল। ২২ বছর বয়সী এই স্প্যানিশ তারকা এবার হাজির হয়েছেন একেবারে নতুন লুকে, মাথা শেভ করা অবস্থায়।
গত সপ্তাহে ইউএস ওপেনের মিক্সড ডাবলসে মাথাভর্তি চুলে দেখা গিয়েছিল আলকারাজকে। সিঙ্গেলসে কোর্টে নামার আগে তার নতুন চেহারা নিয়ে তাই বেশ কৌতূহল তৈরি হয় দর্শকদের মধ্যে। এমনকি গলফ তারকা ররি ম্যাকইলরয়ও মজা করে তার মাথা ছুঁয়ে দেখেন।
টেনিস কিংবদন্তি জন ম্যাকেনরো ধারাভাষ্য দিতে গিয়ে আলকারাজের নতুন লুক নিয়ে রসিকতা করেন।
“প্রথমেই বলি, তার হেয়ারকাটটা। এটা কি স্পেনে তার হেয়ার স্টাইলিস্ট দিয়েছেন? যাকে উইম্বলডনেও এনেছিলেন। নাকি নিউইয়র্কেই করিয়েছেন? কারণ শহরে তো এই বাজ কাট মাত্র ২০ ডলারে করানো যায়।”
ম্যাচ শেষে আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে দর্শকদের উদ্দেশ্যে হেয়ারকাট নিয়ে রসিকতা করেন আলকারাজ নিজেও।
“আমাকে দর্শকদের জিজ্ঞাসা করতে হবে, নতুন হেয়ারকাটটা ভালো লেগেছে কি না। ভালো লেগেছে, তাই তো?”
উত্তরে উল্লাস ভেসে ওঠে গ্যালারিতে। তাই তো আলকারাজ বলেন, 'আমার মনে হচ্ছে, ওরা পছন্দ করেছে।'
২৫ আগস্ট ২০২৫, ৭:১৬ পিএম
ইউএস ওপেনে প্রথম রাউন্ডেই থেমে গেল দানিয়েল মেদভেদেভের যাত্রা। ফরাসি বেঞ্জামিন বনজির কাছে ৬-৩, ৭-৫, ৬-৭ (৫-৭), ০-৬, ৬-৪ গেমে হেরে গেছেন টুর্নামেন্টের ২০২১ সালের চ্যাম্পিয়ন। হারের হতাশায় মেজাজ হারিয়ে নিজের র্যাকেট ভেঙে ফেলেন ১৩ নম্বর বাছাই মেদভেদেভ।
এই ম্যাচে ঘটে যায় এক নাটকীয় ঘটনা। ম্যাচ চলাকালীন কোর্টে ঢুকে পড়েন এক ফটোগ্রাফার। এ ঘটনায় প্রায় সাত মিনিট বন্ধ থাকে খেলা। ফরাসি খেলোয়াড় বনজি তখন ম্যাচ জয়ের জন্য সার্ভ করছিলেন (৬-৩, ৭-৫, ৫-৪)।
চেয়ার আম্পায়ার গ্রেগ অ্যালেনসওর্থ ঘোষণা দেন, বিলম্বের কারণে বনজি আবার প্রথম সার্ভ পাবেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে চেয়ার আম্পায়ারের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান মেদভেদেভ। এরপর দর্শকদের উসকে দেন তিনি, এতে উত্তেজনা আরো বেড়ে যায়। পরে বনজি ডাবল ফল্ট করলে মেদভেদেভ সেই সেট উদ্ধার করেন। তবে শেষ পর্যন্ত ম্যাচ নিজের করে নেন ফরাসি তারকাই।
এই হারে দুর্ভাগ্যজনকভাবে শেষ হলো মেদভেদেভের ২০২৫ সালের গ্র্যান্ড স্লাম মৌসুম। টানা তৃতীয়বার প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নিলেন তিনি। এ বছর কেবল অস্ট্রেলিয়ান ওপেনেই প্রথম রাউন্ড জিতেছিলেন রাশিয়ান তারকা, তবে দ্বিতীয় রাউন্ডে হেরে যান লার্নার টিয়েনের কাছে।
ম্যাচ শেষে বনজি বলেন, 'এমন অভিজ্ঞতা আগে কখনও হয়নি। পরিবেশ ছিল ভীষণ উত্তপ্ত, কিন্তু মনোযোগ ধরে রেখে শেষ পর্যন্ত জিততে পেরেছি।'
মেদভেদেভ বললেন, 'আমি ফটোগ্রাফারের ওপর রাগ করিনি, আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের ওপর বিরক্ত হয়েছিলাম। দর্শকসারিতে শব্দ হলে কখনও দ্বিতীয় সার্ভ দেওয়া হয় না। কিন্তু এবার আম্পায়ার আবার প্রথম সার্ভ দিলেন। এ কারণেই আমি ক্ষুব্ধ হয়েছিলাম।'
এদিকে মাঠে ঢুকে পড়ায় কপাল পুড়েছে সেই ফটোগ্রাফারের। কোর্ট থেকে তাঁকে বের করে দেওয়া হয় এবং তার অনুমতিপত্র বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউনাইটেড স্টেটস টেনিস অ্যাসোসিয়েশন (ইইউএসটিএ)।