
মাঠের লড়াইয়ে জেতা শিরোপা টেবিলের সিদ্ধান্তে হাতছাড়া হওয়ায় উত্তাল আফ্রিকান ফুটবল অঙ্গন। আফ্রিকা কাপ অব নেশনসে (আফকন) ফলাফল পাল্টে মরক্কোকে বিজয়ী ঘোষণা করার প্রতিবাদে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আদালতে (সিএএস) আপিল করেছে সেনেগাল ফুটবল ফেডারেশন (এফএসএফ)।
গত ১৮ জানুয়ারি আফকন ফাইনালে মরক্কোকে ১-০ গোলে পরাজিত করে সেনেগাল। চরম নাটকীয়তায় ঠাসা সেই ফাইনালের যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে পেনাল্টি পায় মরক্কো। প্রতিবাদে মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যান সেনেগালের ফুটবলাররা।
প্রায় ১৭ মিনিট খেলা বন্ধ থাকার পর সাদিও মানের অনুরোধে তারা মাঠে ফেরেন। পুনরায় খেলা শুরু হলে অতিরিক্ত সময়ে পেপ গুইয়ের গোলে জয় নিশ্চিত করে শিরোপা উল্লাস করেছিল সেনেগাল।
আরও পড়ুন
| নেইমারকে ছাড়া বিশ্বকাপ কল্পনাও করতে পারেন না এমবাপে |
|
তবে দুই মাস পরে এসে আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশন (সিএএফ) সেই ফলাফল পাল্টে দিয়েছে। সিএএফ তাদের রায়ে জানিয়েছে, পেনাল্টির আগে সেনেগাল দলের আচরণ টুর্নামেন্টের ৮২ ও ৮৪ নম্বর ধারার লঙ্ঘন।
ফলে ম্যাচটি সেনেগালের জন্য পরিত্যক্ত করে মরক্কোকে ৩-০ ব্যবধানে বিজয়ী ও চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়। যার প্রতিবাদে আইনি লড়াইয়ে নেমেছে সেনেগাল।
সিএএসের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সেনেগাল ফেডারেশন তাদের আপিলে সিএএফের সিদ্ধান্ত বাতিল করে নিজেদের চ্যাম্পিয়ন ঘোষণার দাবি জানিয়েছে।
এছাড়া সিএএফের সিদ্ধান্তের পূর্ণাঙ্গ কারণ ব্যাখ্যা না করা পর্যন্ত আপিল কার্যক্রমের সময়সীমা স্থগিত রাখারও আবেদন করেছে তারা। সিএএস এই বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য একটি সালিশি প্যানেল নিয়োগ করবে এবং পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য একটি সময়সূচী নির্ধারণ করবে।
শিরোপা কেড়ে নেওয়ার এই নজিরবিহীন ঘটনায় ক্ষুব্ধ সেনেগাল সরকারও। এর আগে সরকারের পক্ষ থেকে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান জানানো হয়েছিল। নিজেদের অবস্থান আরও পরিষ্কার করতে প্যারিসে একটি সংবাদ সম্মেলনের ডাক দিয়েছেন সেনেগাল ফুটবল ফেডারেশনের আইনজীবীরা।
No posts available.
২৫ মার্চ ২০২৬, ১১:৫৩ পিএম

দিন যতই যাচ্ছে নেইমার জুনিয়রের ব্রাজিলের জার্সিতে প্রত্যাবর্তনের সুযোগ ততই যেন কমে আসছে। আর দেশটির জার্সিতে সর্বোচ্চ গোল করা এই তারকাকে ছাড়া ফুটবল বিশ্বকাপ কল্পনা করতে পারছেন ফ্রান্সের ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপে।
চোট আর ফর্ম নিয়ে আলোচনা থাকলেও এমবাপের বিশ্বাস, ২০২৬ বিশ্বকাপে নিজের ‘লাস্ট ডান্স’ দিতে প্রস্তুত হয়েই ফিরবেন নেইমার।
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের দল ঘোষণার আগে নিজেদের ঝালিয়ে নিতে প্রীতি ম্যাচে বৃহস্পতিবার রাতে মাঠে নামছে ব্রাজিল ও ফ্রান্স। হাই ভোল্টেজ ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে পিএসজির সাবেক সতীর্থ নেইমারকে নিয়ে নিজের মুগ্ধতা ঝরিয়েছেন ফরাসি অধিনায়ক।
ব্রাজিল দল এখন কার- ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের নাকি এখনও নেইমারকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হচ্ছে? এমন প্রশ্নের জবাবে রিয়াল মাদ্রিদ সতীর্থ ভিনিসিয়ুসের প্রশংসা করে নেইমারের গুরুত্বও মনে করিয়ে দেন এমবাপে।
“আমার মনে হয় দুজনেই সমান গুরুত্বপূর্ণ। ভিনিসিয়ুসকে জাতীয় দলের হয়ে এখন পরবর্তী ধাপে যেতে হবে, কিন্তু নেইমার তো নেইমারই। সে একজন দুর্দান্ত খেলোয়াড়। বিশ্বকাপ হলো তারকাদের আসর, আর নেইমার সেখানে অন্যতম সেরা। তাকে ছাড়া বিশ্বকাপ আমি ভাবতেই পারি না।”
আরও পড়ুন
| নেইমারের বিশ্বকাপ ইস্যুতে অবস্থান স্পষ্ট আনচেলত্তির |
|
সবশেষ ২০২৩ সালের অক্টোবরে ব্রাজিলের হয়ে খেলেছেন নেইমার। পিএসজিতে দীর্ঘদিন ড্রেসিংরুম ভাগ করা এমবাপে পূর্ণ আস্থা রাখছেন নেইমারের ফেরার ওপর।
“নেইমারের সঙ্গে খেলেছি, তার কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছি। সে এমন একজন খেলোয়াড় যে যেকোনো সময় ব্যবধান গড়ে দিতে পারে। আমি তাকে চিনি, সে ঠিকই (২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য) প্রস্তুত হয়ে ফিরবে এবং সেখানে তাকে দেখা যাবে।”
তবে জাতীয় দলে নেইমারকে রাখা-না রাখার বিষয়ে ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তির সিদ্ধান্তের প্রতিও সম্মান জানান এমবাপে।
পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে নিজেদের ফেবারিট মানতে নারাজ এমবাপে।
“যাদের জার্সিতে পাঁচটি তারকা আছে, তাদের বিপক্ষে আপনি কখনোই ফেবারিট হতে পারেন না। এটা অসম্ভব। ফুটবল বিশ্বে ব্রাজিলই সবথেকে বড় শক্তি। আমাদের জন্য এটি নিজেদের মান প্রমাণের এবং ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রস্তুতির একটি বড় সুযোগ।”
যুক্তরাষ্ট্রের জিলেট স্টেডিয়ামে ব্রাজিল ও ফ্রান্সের ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ২টায়। ২০১৫ সালের ২৬ মার্চ দুই দলের সবশেষ লড়াইয়ে ৩-১ গোলে জিতেছিল ব্রাজিল।

১৯৯৮ সালে ফ্রান্স বিশ্বকাপে মেক্সিকো জাতীয় দলের জার্সি ব্যাপক বিক্রি হয়। বিশ্বকাপের জার্সির সাফল্য থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ১৯৯৯ কনফেডারেশন্স কাপের জন্য নতুন কিট উৎপাদনের পরিকল্পনার করেন মেক্সিকান ব্যবসায়ী ও স্পোর্টস ব্র্যান্ড গার্সিস-এর সহ-মালিক হোসে অ্যান্তনিও গার্সিয়া। কিন্তু উৎপাদন শুরু হওয়ার পরই এক অপ্রত্যাশিত সিদ্ধান্ত পুরো পরিকল্পনাকে ভেস্তে দেয়। উৎপাদনের মাঝপথেই থেমে যায় স্বপ্ন।
গার্সিয়া জানান, ১৯৯৯ সালেই তিনি প্রায় ৬০ হাজার জার্সি তৈরি করেছিলেন, যেখানে মেক্সিকোর জাতীয় প্রতীকটি সামনে বড় করে বসানো ছিল। তবে কংগ্রেসের এক সিদ্ধান্তের কারণে শেষ পর্যন্ত পুরো প্রকল্প বাতিল হয়ে যায়।
ইএসপিএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গার্সিয়া বলেন,
‘আমি ইংল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রে দেখতাম, তাদের পতাকা দিয়ে মগ, টি-শার্ট, এমনকি অন্তর্বাসও বানানো হয়। তখন ভাবলাম, এমন কিছু করা উচিত যা আমাদের পরিচয় তুলে ধরবে এবং গর্ব নিয়ে পরা যাবে। তখনই মাথায় আসে, জাতীয় প্রতীকটি জার্সিতে বসানো যায়। আমি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যাই—তখন সচিব ছিলেন লাবাস্তিদা ওচোয়া—এবং অনুমতিও পাই। এরপর উৎপাদন শুরু করি।’
গার্সিয়া আরও বলেন,
‘৬০ হাজারের বেশি জার্সি তৈরি হয়ে যায়, এমনকি নতুন জাতীয় দলের জার্সিটি পত্রিকাতেও প্রকাশিত হয়। কিন্তু পরে কংগ্রেস—ডেপুটি ও সিনেটররা—জানায়, সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় প্রতীক বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। ফলে পুরো জার্সি প্রকল্প বাতিল হয়ে যায়।’
মূল ডিজাইনটি বাতিল করা হয়েছিল ‘ন্যাশনাল শিল্ড, ফ্ল্যাগ অ্যান্ড অ্যান্থেম’ সংক্রান্ত আইনের অধীনে।
কংগ্রেস ডিজাইনটি বাতিল করার পর পুরো উৎপাদিত জার্সিগুলো যুক্তরাষ্ট্রে পাঠাতে বাধ্য হন বলে জানান গার্সিয়া, যেখানে এ ধরনের কোনো নিষেধাজ্ঞা ছিল না। যে জার্সিটি মেক্সিকোর পরবর্তী আইকনিক কিট হওয়ার কথা ছিল, সেটিই শেষ পর্যন্ত শুধু রপ্তানিনির্ভর এক কৌতূহলের বস্তু হয়ে যায়।
অবশ্য এই নিষেধাজ্ঞাই একটা সময় শাপে-বর হয়ে যায়। নিষেধাজ্ঞাই সময়ের সঙ্গে জার্সিটির মর্যাদা বাড়িয়ে দেয়। বেশিরভাগ জার্সি যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি ও ছড়িয়ে পড়ায়, এটি এখন সংগ্রাহকদের কাছে অত্যন্ত চাহিদাসম্পন্ন একটি আইটেমে পরিণত হয়েছে।
পরবর্তীতে যে ডিজাইনটি ব্যবহার করা হয়, সেখানে মেক্সিকান ফুটবল ফেডারেশনের ক্রেস্ট রাখা হয়েছিল। আর সেই জার্সি পরেই মেক্সিকো ১৯৯৯ কনফেডারেশন্স কাপের ফাইনালে ব্রাজিলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়।

২০২৬ বিশ্বকাপের আগে ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে নেইমার জুনিয়রকে ছাড়াই দল ঘোষণা করেছেন ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি। সেলেসাওদের সর্বোচ্চ স্কোরারের উপেক্ষিত হওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।
বস্টনে ফ্রান্স ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে নেইমারকে বাদ দেওয়ার বিষয়ে একের পর এক প্রশ্নের মুখে পড়েন আনচেলত্তি। জাতীয় দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর এখনও সান্তোস ফরোয়ার্ডকে দলে ডাকেননি এই ইতালিয়ান কোচ। তবে আনচেলত্তি পরিষ্কার করে দিয়েছেন, তার মূল লক্ষ্য দলগত পারফরম্যান্স।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত দুইটার হাইভোল্টেজ ম্যাচের আগে আনচেলত্তি বলেন,
“আমি সব দেখি, সবকিছু শুনি। কিন্তু সিদ্ধান্ত নেওয়াই আমার কাজ। সবাই মতামত দিতে পারে—এটাই স্বাভাবিক। ফুটবল কোনো বিশ্ববিদ্যালয় নয়, ফুটবল কোনো নির্ভুল বিজ্ঞানও নয়। সবার মতামতকে সম্মান করতে হবে।”
নেইমারকে দলে না নেওয়ার বিষয়ে চাপ আরও বেড়েছে ব্রাজিলের কোচের মন্তব্যে। ১৯৯৪ বিশ্বকাপজয়ী রোমারিও স্পষ্ট ভাষায় বলেন,
“তারকা খেলোয়াড়দের খেলতেই হবে। জাতীয় দলে সেরা ও সবচেয়ে প্রতিভাবানদের জায়গা হওয়া উচিত। বিশ্বকাপের আগে এক মাস প্রস্তুতির সময়ই যথেষ্ট—এই সময়ে একজন খেলোয়াড় ফিটনেস ও ছন্দ ফিরে পেতে পারে। ১০০ শতাংশ ফিট না থাকলেও নেইমারের মতো তারকা থাকা অন্য কারও চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।”
আরেক ব্রাজিল কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিও বলেন,
“নেইমার যদি শারীরিকভাবে ফিট থাকে, আমি অবশ্যই তাকে বিশ্বকাপে নিতাম। আশা করি সে ফিট থাকবে। যদি থাকে, আমি নিশ্চিত আনচেলত্তিও তাকে নেবেন। সে দলের জন্য বড় সহায়তা হতে পারে।”
ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচগু দিয়েই বিশ্বকাপের দল গঠনের প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছেন আনচেলত্তি। নেইমার যেহেতু এই দুই ম্যাচে নেই, সেহেতু বিশ্বকাপে তার সুযোগ নেই বললেই চলে। বিশ্বকাপের আগে সান্তোসের হয়ে তার হাতে আছে আর মাত্র ৮টি ম্যাচ, যার প্রথমটি ২ এপ্রিল রেমো-পিএর বিপক্ষে। এই সময়ের পারফরম্যান্সই অনেকটাই নির্ধারণ করবে তার বিশ্বকাপ ভাগ্য।

বিশ্বকাপে সবচেয়ে সফল দলটি বিশ্বমঞ্চে দীর্ঘ সময় নিজেদের ছায়া হয়ে আছে। প্রায় দুই যুগ অধরা ‘হেক্সার’ খোঁজে আছে ব্রাজিল। এরমধ্যে কত রথী-মহারথীরা হলদে জার্সি গায়ে চড়ালেন, তবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা ষষ্ঠবারের মতো সোনালী এই ট্রফি ছুঁয়ে দেখা হলো না।
খরা ঘোচাতে সেলেসাওরা এবার নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবাররের মতো ডাগ-আউটে এনেছেন বিদেশী কোচও। দলটির একঝাঁক তরুণ ফুটবলার দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন বিশ্বসেরা সব লিগে। এরপরও বিশ্বকাপের ২৩তম আসরে ব্রাজিলকে গোনায় ধরছেন না দলটিরই অন্যতম বড় তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।
যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপের পর্দা উঠতে বাকি নেই আর তিন মাসও। এরমধ্যে দলগুলো শেষ সময়ের প্রস্তুতি সেরে নিতে দৌড়ঝাপ শুরু করেছে। নিজেদের ঝালিয়ে নিতে ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলবে ব্রাজিল। কার্লো আনচেলোত্তির দল আগামীকাল দিদিয়ের দেশমের ফ্রান্সের মুখোমুখি হবে। সাম্বাদের পরের ম্যাচ ১ এপ্রিল ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে।
আরও পড়ুন
| রিয়ালের হয়ে মাঠে নামার অপেক্ষায় রোনালদো জুনিয়র |
|
গুরুত্বপূর্ণ দুই প্রীতি ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে ভিনিসিয়ুস সাম্প্রতিক সময়ের পারফরম্যান্সে বিবেচনায় ব্রাজিলকে বিশ্বকাপ জয়ের দৌড়ে দেখছেন না। রিয়াল মাদ্রিদের তারকা উইঙ্গার বলেন,
‘সাম্প্রতিক ফলাফলগুলো দেখলে আমি মনে করি আমরা ফেভারিট নই।’
বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হতে হলে যে ঐক্যবদ্ধ দলের কোনো বিকল্প নেই সেটা ভালো করেই জানা আছে ভিনির। কিংবদন্তি কোচ আনচেলোত্তি দায়িত্ব নেওয়ার পর ব্রাজিল এখন অনেকটাই নির্ভার হয়ে খেলছে বলে মনে করেন তিনি,
‘জাতীয় দলের জার্সির ভার এবং আমাদের এখানে থাকা খেলোয়াড়রা—আমাদের শুধু একতা দরকার। আনচেলোত্তির আগমনের পর আমরা খেলার ধরন আরও ভালোভাবে বুঝতে পেরেছি। এটি আমাদের উপর অনেক চাপ কমিয়েছে।’
আরও পড়ুন
| কোচিং জগতে প্রবেশের দ্বার খুলল ডি মারিয়ার |
|
ভিনিসিয়ুস আরও যোগ করেন,
‘ব্রাজিলকে শীর্ষে ফেরাতে আমরা যা কিছু পারি সব করব। ফেভারিট হওয়া নয়, বরং ব্রাজিলকে শীর্ষ অবস্থানে ফেরানোই আমাদের লক্ষ্য ‘
১১ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া ৪৮ দলের বিশ্বকাপে ‘সি’ গ্রুপে আছে ব্রাজিল। এই গ্রুপে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ হাইতি, মরক্কো ও স্কটল্যান্ড।

২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে খেলেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। এ সময় ক্লাবটির একাডেমিতে (লা ফাব্রিকা) ছিলেন তাঁর বড় ছেলে রোনালদো জুনিয়র। রোনালদো জুনিয়রের ভবিষ্যৎ আবারও রিয়ালের সঙ্গে জড়িয়ে যেতে পারে। মঙ্গলবার তিনি রিয়ালের যুব একাডেমিতে অনুশীলন করেছেন।
রোনালদো জুনিয়রের অনুশীলনের খবর প্রথমে প্রকাশ করে দ্য আথলেটিক। পরে মার্কার নিশ্চিত করা তথ্য অনুযায়ী, শিগগিরই রিয়ালে যোগ দিতে পারেন তিনি।
১৫ বছর বয়সী রোনালদো রিয়ালের ক্যাডেটে ‘এ’ দলের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন। জানা গেছে, তাকে উইঙ্গার পজিশনে খেলিয়ে দেখা হয়েছে এবং আরও কয়েকদিন সেখানে তিনি অনুশীলন করবেন।
আরও পড়ুন
| কোচিং জগতে প্রবেশের দ্বার খুলল ডি মারিয়ার |
|
বর্তমানে সৌদি প্রো লিগের ক্লাব আল নাসরের একাডেমিতে রয়েছেন রোনালদো জুনিয়র। যেখানে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো যোগ দেওয়ার পর থেকেই রয়েছেন। এই ট্রান্সফার হলে, বাবার পথই অনুসরণ করবে ছেলে। এর আগে তিনি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও জুভেন্টাসের যুব দলে খেলেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম হলেও রোনালদো জুনিয়র পর্তুগালের হয়ে খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গত বছরের মে মাসে প্রথম ডাক পান এবং অনূর্ধ্ব-১৫ দলের হয়ে জাপানের বিপক্ষে অভিষেক হয় তার। এরপর ধীরে ধীরে পর্তুগালের বয়সভিত্তিক দলের হয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন তিনি। আগামী জুনে তার বয়স হবে ১৬, এরপর থেকে তিনি পুরোপুরি যুব পর্যায়ে খেলার যোগ্য হয়ে উঠবেন।
ছেলের সম্ভাব্য রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার প্রসঙ্গ নতুন করে আলোচনায় এনেছে বাবা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকেও। বর্তমানে আল নাসরের সঙ্গে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত চুক্তি তার। ৪১ বছর বয়সেও তিনি এক হাজার পেশাদার গোলের লক্ষ্য নিয়ে খেলছেন (এখন পর্যন্ত তার গোল ৯৬৪টি)।