
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪ হাজার ১৫০ মিটার উঁচুতে ম্যাচ। একটু ভয়, একটু শঙ্কা থাকবেই; উঁচুস্থানে খেলতে গেলে একটু আধটু সব দলেরই মনে সংকোচ কাজ করে। তাই বলে বলিভিয়ার বিপক্ষে এতটাই খেই হারা হয়ে পড়বে ব্রাজিল, প্রশ্ন কিন্তু রয়েই যায়। আজ (বুধবার) বাংলাদেশ সময় ভোর সাড়ে পাঁচটায় ঘরের মাঠ এল আলতো স্টেডিয়ামে ব্রাজিলের বিপক্ষে বলিভিয়ার জয় তুলেছে ১-০ গোলে। এই জয়ে নিজেদের বিশ্বকাপ খেলার আশাও বাঁচিয়ে রাখল লস ভার্দেসরা। সে সঙ্গে ইন্টার-কনফেডারেশন প্লে-অফে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে দলটি।
কনমেবল বাছাইয়ে নিজেদের শেষ ম্যাচে ব্রাজিলের খেলায় না ছিল চেনা ধার, গতি কিংবা ছন্দ। এল আলতোর উচ্চতার জন্য নিজেদের স্বাভাবিক ফুটবল খেলতে পারেনি কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যরা। ৫৮ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রাখলেও গোলের জন্য শট নিতে পেরেছে ৩টি। যেখানে বলিভিয়ার টার্গেট শট ছিল ১০টি। তারপরও ব্রাজিল কোচ জানিয়েছেন, তাদের দল সঠিক পথেই রয়েছে। ম্যাচ শেষে সম্প্রচার চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই দাবি তার।
রিয়াল মাদ্রিদ ছেড়ে পাঁচবারের বিশ্বকাপজয়ী দলে যোগ দেওয়া ইতালির এই কোচ জানালেন, ‘ব্রাজিল বিশ্বকাপে ভালো পারফর্ম করার সঠিক পথেই আছে। দল ও খেলোয়াড়দের প্রতি তার পূর্ণ আস্থা রয়েছে।
আরও পড়ুন
| বলিভিয়ার কাছে হারল ব্রাজিল |
|
বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে রেস শেষ করেছে ব্রাজিল। পয়েন্ট টেবিলে তাদের অবস্থান পঞ্চমে। নম্বর ওয়ানে তাদেরই প্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা। এছাড়া উরুগুয়ে ও কলম্বিয়াও তাদের উপরে। এ নিয়ে মোটেও ভীত নন আনচেলত্তি। বরং বিশ্বকাপ নিয়ে পূর্বাভাস দিয়ে রাখলেন, ‘আমরা বিশ্বকাপে সফল হবো, তার জন্য লড়াই করবো।’
এদিন প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে বলিভিয়াকে পেনাল্টি উপহার দিয়ে পিছিয়ে পড়ে হলুদ জার্সিধারীরা। বল দখলের লড়াইয়ে বক্সের ভেতর বলিভিয়ার ফার্নান্দেজকে ব্রুনো গিমারেস ফাউল করলে পেনাল্টি পায় স্বাগতিকেরা। শুরুতে অবশ্য রেফারি পেনাল্টি দেননি, কিন্তু ভিএআর যাচাইয়ের পর সিদ্ধান্ত বদলান। পেনাল্টিতে গোল করেন মিডফিল্ডার মিগুয়েল তেরকোরেস।
রেফারি ক্রিস্টিয়ান গারাইয়ের এমন সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেন আনচেলত্তি। বলেছেন, ‘এসব বিষয় স্পষ্টতই উন্নত করা যায়।’
No posts available.
৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪:০৮ পিএম
৭ এপ্রিল ২০২৬, ২:৫৫ পিএম
৭ এপ্রিল ২০২৬, ১:১০ পিএম
৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২১ পিএম
৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১৮ পিএম

প্রথমবারের মতো ইউরোপে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ দল। ৫ জুন সান মারিনোর বিপক্ষে ফিফা প্রীতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। তবে ইউরোপের কোনো দলের বিপক্ষে এটিই বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ নয়। এর আগে ইউরোপের দুটি দলের বিপক্ষে ম্যাচ খেলেছে।
২০০১ সালে তিন মহাদেশের ১৩ দল নিয়ে সাহারা কাপ আয়োজন করে ভারত। সেই টুর্নামেন্টে গ্রুপ ‘এ’-তে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল বসনিয়া এন্ড হার্জেগোভিনা ও এফআর যুগোস্লাভিয়। দুটো দলই ইউরোপের। বসনিয়া তো এবার ইতালিকে বিদায় করে বিশ্বকাপেই জায়গা করে নেয়। ওই টুর্নামেন্টেই কোচির জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে প্রথম ম্যাচে বসনিয়ার কাছে ২-০ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচে জোড়া গোল করেন আলমেদিন হোতা। বসনিয়ার হয়ে ২২ ম্যাচ খেলা এই মিডফিল্ডার এখনো অপেশাদার ফুটবল ও ফুটসাল খেলে যাচ্ছেন।
দ্বিতীয় ম্যাচে যুগোস্লাভিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ হারে ৪-১ গোলে। সেই ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন ফিরোজ মাহমুদ। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় তাঁর গোলে। যদিও পরে তা ধরে রাখতে পারেনি। যুগোস্লাভিয়া ২০০৩ সালে সার্বিয়া ও মন্টেনেগ্রো হিসেবে আবির্ভুত হয়। ২০০৬ সালে অবশ্য সার্বিয়া আর মন্টেনেগ্রো আলাদা দলে পরিণত হয়।
২৫ বছর পর বাংলাদেশ আবারও পেতে যাচ্ছে ইউরোপীয় দলের বিপক্ষে খেলার স্বাদ। তবে এবার ইউরোপের দলের বিপক্ষে ইউরোপের মাটিতেই খেলবেন হামজা-জামালরা। ১৯৮৭ সালে প্রথম ম্যাচ খেলা সান মারিনো এখন পর্যন্ত জয় পেয়েছে মাত্র ৩ ম্যাচে। তিনটিই লিখটেনস্টেইনের বিপক্ষে। যার দুটি ২০২৪ সালে। নেশনস লিগে প্রমোশন পেয়ে আগামী মৌসুমে তৃতীয় স্তরে খেলবে তারা। সম্প্রতি বিশ্বকাপে খেলা বসনিয়ার সঙ্গে কেবল ১-০ গোলে হেরেছে সান মারিনো। নিয়মিতই তারা খেলে ইউরোপের পরাশক্তি দলগুলোর বিপক্ষে।

দেশের ফুটবল ইতিহাসে নতুন এক অধ্যায় যোগ হতে যাচ্ছে। প্রথমবারের মতো ইউরোপের কোনো দেশের বিপক্ষে মাঠে নামতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। আগামী ৫ জুন ইতালির পার্শবর্তী দেশ সান মারিনোর বিপক্ষে একটি আন্তর্জাতিক ফিফা টায়ার-১ প্রীতি ম্যাচ খেলবেন হামজা-জামালরা।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে সান মারিনোর মাটিতেই। এর মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো ইউরোপের মাটিতে খেলার অভিজ্ঞতা অর্জন করবে বাংলাদেশ।
ম্যাচটি দুই দলের জন্যই ঐতিহাসিক এক মাইলফলক হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশ যেমন প্রথম কোনো ইউরোপীয় প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হবে, তেমনি সান মারিনোও তাদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো খেলবে কোনো এশিয়ান দলের বিপক্ষে।
তবে ইউরোপের মাটিতে খেলার জন্য বাংলাদেশ বেছে নিয়েছে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের সবচেয়ে তলানির দলটিকে (২১১)। বর্তমানে বাংলাদেশ এই তালিকার ১৮১তম স্থানে।

এএফসি উইমেন'স অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপে দারুণ কিছু অর্জনের হাতছানি বাংলাদেশের সামনে। গ্রুপ পর্বের শেষ খেলায় আজ আফঈদা-সাগরিকারা মুখোমুখি হবেন ভিয়েতনামের। যাদেরকে হারানো গেলে মিলবে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট! ড্র করেও এমন কিছু অর্জন করতে পারে বাংলাদেশের মেয়েরা। তখন অবশ্য তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য দলের খেলার দিকে।
থাইল্যান্ডের ননথাবুড়ি স্টেডিয়ামে ভিয়েতনামের বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায়। সরাসরি দেখাবে চ্যানেল টি-স্পোর্টস।
গ্রুপ পর্বে খেলা আগের দুই ম্যাচেই হেরেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক থাইল্যান্ডের বিপক্ষে ২-০ গোলে এগিয়ে থাকার পরও হারতে হয়েছিল ২-৩ ব্যবধানে। পরের ম্যাচে চীনের সঙ্গে হার ২-০ গোলে। প্রতিযোগিতায়র তিন গ্রুপ থেকে শেষ আট নিশ্চিত করেছে ৬টি দল। এবার বাকি দুটি স্থানের জন্য লড়াই ৬ দলের। কেননা তিন গ্রুপের তৃতীয় দল হওয়া শীর্ষ দুই দল জায়গা পাবে কোয়ার্টার ফাইনালে।
আজকের ম্যাচে বাংলাদেশ জিতলে কোয়ার্টার ফাইনাল অনেকটাই নিশ্চিত হবে। সেক্ষেত্রে ভারত-চাইনিজ তাইপে কিংবা উজবেকিস্তান-জর্ডানের মধ্যকার যে কোনো একটি ম্যাচ ড্র কিংবা দুটি ম্যাচের ফলাফল বড় ব্যবধানে না হলেও হবে।
আর ড্র করেও বাংলাদেশের সুযোগ থাকবে পরের রাউন্ডে যাওয়ার। কারণ গোলগড়ে তৃতীয় সেরার রেসে থাকা সবার চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ। আসরে ৫ গোল হজম করার বিপরীতে দুই গোল দিয়েছেন সাগরিকারা। যে কারণে বাংলাদেশের গোলগড় (-৩)। দুই ও তিনে থাকা তাইপে (-৭) এবং উজবেকিস্তান (-৮) বেশ পিছিয়ে।
বাংলাদেশের জন্য ম্যাচটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেটি ম্যাচের আগেরদিন জানান দলের ফরোয়ার্ড সৌরভী আকন্দ প্রীতিও। আজকের ম্যাচে জিততে সর্বোচ্চটা দিয়ে লড়াই করবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচের চাপ সামলে অর্পিতা বিশ্বাসরা মাঠ থেকে জয় নিয়ে ফিরবেন সেই প্রত্যাশা লাল সবুজ সমর্থকদের।

সমীকরণ সহজ—একদল বাদ পড়বে, অন্য দল টিকে থাকবে শিরোপার রেসে। সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাত ১ টায় চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের ফার্স্ট লেগে মুখোমুখি হচ্ছে ফুটবল বিশ্বের দুই জায়ান্ট ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ ও বায়ার্ন মিউনিখ। এই ম্যাচ একদলের দুঃখ মোচনের উপলক্ষ্য, অন্য দলের ঘুরে দাঁড়ানোর প্রেরণা।
বাঁচা-মরা লড়াইয়ে রিয়াল মাদ্রিদ এই ম্যাচ খেলতে যাচ্ছে লা লিগা শিরোপা প্রায় হাতছাড়া করে। লিগে নিজেদের সবশেষ ম্যাচে মায়ার্কোর কাছে ২-১ গোলে হেরেছে আলভারো আরবেলোয়ার দল। বুন্দেসলিগা জায়ান্ট বায়ার্নও তাদের শেষ ম্যাচ নাটক জমিয়ে জিতেছে। ফ্রেইবুর্গের কাছে অন্তিম লড়াইয়ের ড্রামায় ম্যাচটা ৩-২ ব্যবধানে বাগিয়েছে ভিনসেন্ট কোম্পানির দল।
মায়ার্কোর বিপক্ষে হারলেও অবশ্য দমে যেতে চান না রিয়াল কোচ। বরং হারের দিনই তিনি জানিয়ে দেন, দুঃসময় ভুলে ঘুরে দাঁড়াতে চায় তার দল। ইন্টারন্যাশনাল ব্রেকের আগে ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে জয়ে শক্তি খোঁজার চেষ্টা করছেন তিনি। তার মধ্যে ইতিহাস বলে, চ্যাম্পিয়নস লিগে রিয়াল মাদ্রিদ কোনো যুক্তি মানে না। সবাই যখন ধরে নেয় তারা শেষ, তখনই ঘুরে দাঁড়িয়ে অসম্ভবকে সম্ভব করে তোলে বার্নাব্যুর যোদ্ধারা। বিষয়টি বায়ার্নের চেয়ে কার বেশি মনে রাখার কথা?
আরও পড়ুন
| এসি মিলানকে হারাল নাপোলি, চ্যাম্পিয়নস লিগ দৌড়ে জুভেন্তাস |
|
চ্যাম্পিয়নস লিগে বায়ার্নের বিপক্ষে সবশেষ মুখোমুখিতে হোসেলুর গোলে জিতেছিল রিয়াল। পারস্পরিক মুখোমুখিতেও খানিক এগিয়ে লস ব্লাঙ্কোসরা। ১৩ জয়ের বিপরীতে বাভারিয়ানদের জয় ১১টি। ৪টি ম্যাচ হয়েছে ড্র। নক আউট ম্যাচে শেষ ৫ দেখায় বেশির ভাগ জয়ই রিয়ালের দিকে।
সংখ্যা কিংবা ইতিহাস রিয়ালের পক্ষে হলেও রিয়ালের বর্তমান অবস্থা কিছুটা নাজুক। লা লিগা হেলায় হারানো কিংবা তারকা খেলোয়াড়দের জ্বলে উঠতে না পারা। একই সঙ্গে কোচ পরিবর্তনের বিষয়টি বেশ ভাবাচ্ছে রিয়ালকে। যে জাবি আলোনসোর কাছে বছর দুয়েক আগে বুন্দেসলিগায় টাইটেল হারিয়েছিল বায়ার্ন মিউনিখ। সেই জাবি এখন আর সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর ডাগ আউটে নেই। সব মিলিয়ে চিন্তায় থাকতে হচ্ছে সর্বোচ্চ ১৫ বার চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ী রিয়ালকে। বার্নাব্যু থেকে জয় নিজেদের পক্ষে না রাখতে পারলে সেকেন্ড লেগে আলিয়াঞ্জ অ্যারেনাতে বিপদে পড়তে হতেও পারে তাদের।
এই ম্যাচে রিয়ালের গোলপোস্টের নিচে দেখা যাবে আন্দ্রে লুনিনকে। থিবো কোর্তোয়ার ইনজুরির কারণে লুনিন যে থাকবেন, সেটা অনেকটা পরিষ্কার। চ্যাম্পিয়নস লিগে সবশেষ যখন বায়ার্নের মুখোমুখি হয়েছিল রিয়াল, তখন গোলপোস্টের নিচে ছিলেন লুনিন।
চোট কাটিতে দলে ফিরেছেন রাইটব্যাক এদের মিলিতাও। দীর্ঘ সময় দলের বাইরে ছিলেন ব্রাজিল ডিফেন্ডার। এই পজিশনে আরও দেখা যেতে পারে ডিন হুইসেন, গার্সিয়া ও অ্যান্টোনি রুডিগারকে।
মিডফিল্ডে আবারও ফিরছেন সবশেষ লা লিগায় মায়ার্কো ম্যাচে না থাকা ভালভার্দে। এই পজিশনে তার সাথে দেখা যেতে পারে চুয়ামেনি ও আর্দা গুলেরকে। অ্যাটাকিং পজিশনে কিলিয়ান এমবাপে ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।
রিয়ালের বিপক্ষে বায়ার্নের শুরুর একাদশে থাকবেন হ্যারি কেইন। বুন্দেসলিগায় ৩১ গোল করা ইংলিশ ফরোয়ার্ড সবশেষ ম্যাচে ছিলেন না। আর ফরোয়ার্ড লাইনে থাকবেন লুইস দিয়াস, গ্যানাব্রি ও মাইকেল ওলিসে। বর্তমানে দুর্দান্ত ফর্মে আছেন গ্যানাব্রি। লিভারপুলের নামের সুবিচার করা দিয়াসও যেন মুখিয়ে থাকেন গোল নেশায়। আর ওলিসের কথা না বললেই নয়। বুন্দেসলিগায় ২৭ ম্যাচে ১৯ অ্যাসিস্ট এবং ১১ গোল ফরাসি ফরোয়ার্ডের।
মিডফিল্ডে বরাবরের মতোই থাকছেন জশুয়া কিমিখ ও লিওন গোরেৎজকা। আর রাইটব্যাক পজিশনে থাকছেন জোসিপ স্ট্যানিসিচ, সেন্টারব্যাকে দায়োত উপামেকানো ও জোনাথন তাহ। লেফটব্যাক পজিশনে অস্ট্রিয়ার কনরাড লাইমার। গোল পোস্টের নিচে থাকবেন ম্যানুয়েল নয়্যার। তাকে সামলাতে হবে এমবাপে ও ভিনির মতো বিশ্বসেরা দুই অ্যাটাকারকে।
আরও পড়ুন
| কক্সবাজারে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণে তোড়জোড় |
|
ব্যর্থতা আর গ্লানি মুখে নিজেকে প্রমাণ করতে চান আরবেলোয়া। লা লিগা কষ্ট ভুলে যেতে না তিনি। ম্যাচের আগে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। আরবেলোয়া বলেন, ‘‘এমন দিনে রিয়াল সবসময় সেরাটা দেবে। আমরা জানি বায়ার্ন মাঠে আমাদের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেবে। বার্নাব্যুর ম্যানসিটির মতো আরেকটা অভিজ্ঞতা হবে। সে ব্যাপারে আমি নিশ্চিত।’’
রিয়ালকে গুড়িয়ে দেওয়ার মতো কোনো পরিকল্পনা নেই বায়ার্ন কোচের। তবে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ভিনসেন্ট, “এই স্তরে প্রতিটি দলই বিপজ্জনক। হ্যাঁ, আমরা গোল হজম করতে পারি, তবে আমরাও গোল করতে পারি। রিয়ালের মতো দলের বিপক্ষে এমন কোনো গেম প্ল্যান করা যায় না, যা সব ধরনের বিপদ পুরোপুরি দূর করে দিতে পারে। আর এই কারণেই মানুষ এমন ম্যাচ দেখতে আসে।”
রিয়ালের শুরুর সম্ভাব্য একাদশ: আন্দ্রে লুনিন (গোলকিপার), এদার মিলিতাও, ডিন হুইসেন, গার্সিয়া, রুডিগার, ভালভার্দে, চুয়ামেনি, আর্দা গুলের, কিলিয়ান এমবাপে ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।
বায়ার্নের শুরুর সম্ভাব্য একাদশ: ম্যানুয়েল নয়্যার (গোলকিপার), জোসিপ স্ট্যানিসিচ, দায়োত উপামেকানো, জোনাথন তাহ, জশুয়া কিমিখ, লিওন গোরেৎজকা, লুইস দিয়াস, গ্যানাবেরি ও মাইকেল ওলিসে ও হ্যারি কেইন।

ইতালিয়ান সিরি আ’তে সোমবার রাতে এসি মিলানকে হারিয়ে শিরোপা রেসে টিকে থাকল বর্তমান চ্যাম্পিয়ন নাপোলি। রাতের অপর ম্যাচে ঘরের মাঠে জেনোয়াকে হারিয়ে শীর্ষ চারের লড়াই জমিয়ে তুলেছে জুভেন্তাস।
স্তাদিও দিয়েগো আরমান্দো ম্যারাডোনায় এসি মিলানের বিপক্ষে নাপোলির জয় ১-০ গোলে। এই জয়ের ফলে টেবিলের শীর্ষে থাকা ইন্তার মিলানের সঙ্গে নাপোলির ব্যবধান এখন ৭ পয়েন্ট।
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে খেললেও প্রথমার্ধে গোল করতে পারেনি কেউই। বিরতির পর মাত্তেও পলিতানো ও অ্যালিসন সান্তোসকে মাঠে নামান কোচ অ্যান্তোনিও কন্তে।
৭৯ মিনিটে সান্তোসের পাস থেকে ম্যাথিয়াস অলিভেরা ক্রস করলে লক্ষ্যভেদ করেন পলিতানো। বাকি সময় এক গোলের লিড ধরে রাখে নাপোলি। কন্তের অধীনে চলতি মৌসুমে প্রথমবারের মতো টানা পাঁচ ম্যাচ জিতলো নাপোলি।
আরও পড়ুন
| বায়ার্নকে হারানোর কৌশল জানালেন আরবেলোয়া |
|
৩১ ম্যাচ শেষে ৬৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুইয়ে নাপোলি। সমান ম্যাচে ৭২ পয়েন্ট নিয়ে লিগ শীর্ষে ইন্তার মিলান। ৩১ ম্যাচে ৬৩ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে এসি মিলান।
জেনোয়াকে হারিয়ে চারের দৌড়ে জুভেন্তাস
রাতের অপর ম্যাচে তুরিনের আলিয়াঞ্জ স্টেডিয়ামে জেনোয়াকে ২-০ গোলে হারিয়েছে জুভেন্তাস। এই জয়ের ফলে ৪ নম্বরে থাকা কোমোর চেয়ে মাত্র ১ পয়েন্ট পিছিয়ে থেকে চ্যাম্পিয়নস লিগ পজিশনের আরও কাছাকাছি পৌঁছে গেছে লুসিয়ানো স্পালেত্তির শিষ্যরা।
ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে লয়েড কেলির অ্যাসিস্ট জুভেন্তাসকে এগিয়ে দেন ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার গ্লেইসন ব্রেমার। ১৭ মিনিটে প্রতি আক্রমণে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ওয়েস্টন ম্যাককেনি।
বিরতির পর জেনোয়া পেনাল্টি পেলেও জুভেন্তাসের বদলি গোলকিপার মিশেল ডি গ্রেগোরিও সেটি রুখে দিয়ে ক্লিন শিট বজায় রাখেন।
৩১ ম্যাচ শেষে পাঁচ নম্বরে থাকা জুভেন্তাসের সংগ্রহ ৫৭ পয়েন্ট। সমান ম্যাচে ৫৮ পয়েন্ট নিয়ে চার নম্বরে কোমো।