১২ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৫৩ এম

লা লিগায় টানা দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের সুবাস পেতে শুরু করেছে বার্সেলোনা। ঘরের মাঠে শনিবার রাতে এস্পানিওলকে ৪-১ ব্যবধানে হারিয়ে রিয়াল মাদ্রিদের চেয়ে ৯ পয়েন্ট এগিয়ে গেছে কাতালানরা। বড় ব্যবধানে এগিয়ে থাকলেও এখনই উদযাপনে মাততে নারাজ বার্সা কোচ হান্সি ফ্লিক।
প্রতিবেশী ক্লাবের বিপক্ষে জয়ের রাতে বার্সেলোনার হয়ে জোড়া গোল করেছেন ফেররান তোরেস। শেষ দিকে লামিন ইয়ামাল ও মার্কাস রাশফোর্ড একটি করে গোল করেন।
লিগে বাকি আছে আর ৭টি ম্যাচ। সবশেষ দুই ম্যাচে পয়েন্ট খুইয়ে শিরোপা দৌড়ে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। লস ব্ল্যাঙ্কোসরা যখন ধুঁকছে তখন অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেছে বার্সা। লা লিগায় সবশেষ ৭ ম্যাচের সবগুলো জিতেছে কাতালানরা।
৩১ ম্যাচে ৭৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা। সমান ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদের ঝুলিতে ৭০ পয়েন্ট। বাকি ৭ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট পেলেই লা লিগা চ্যাম্পিয়ন হয়ে যাবে কাতালানরা। শিরোপা প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেলেও এখনই নির্ভার হতে চান না ফ্লিক।
আরও পড়ুন
| পয়েন্ট খোয়াল আর্সেনাল, ‘নিজেদের কাজ জানে’ ম্যান সিটি |
|
এস্পানিওলের বিপক্ষে ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তাই বারবার সতর্কর্তার কথা বলেন বার্সা কোচ।
“৯ পয়েন্টের লিড অবশ্যই ভালো লাগার বিষয়। কিন্তু কাজ এখনও শেষ হয়ে যায়নি। নিজেদের দায়িত্ব ঠিকঠাক পালন করতে হবে। সব হয়ে গেছে- এমন মনোভাব রাখা ভুল এবং আমি এটা মেনে নেব না। যতক্ষণ গাণিতিকভাবে নিশ্চিত না হচ্ছে, আমাদের সেরা ফুটবলটাই খেলতে হবে।”
লিগে শীর্ষে অবস্থানের আনন্দ থাকলেও বার্সেলোনার সামনে এখন বড় পরীক্ষা ইউয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ।
কোয়ার্টার-ফাইনালের প্রথম লেগে আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ২-০ ব্যবধানে হেরেছিল বার্সা। সেমি-ফাইনালে যেতে হলে মঙ্গলবার ফিরতি লেগের ম্যাচে ৩ গোলের ব্যবধানে জিততে হবে তাদের।
চাপ থাকলেও মেট্রোপলিটানো স্টেডিয়ামে ঘুরে দাঁড়াতে আশাবাদী ফ্লিক।
“দলের পরিবেশ এখন দারুণ, খেলোয়াড়রাও দারুণ ফর্মে আছে। আমরা জানি আতলেতিকো শক্তিশালী দল, কিন্তু আমাদেরও সেই সামর্থ্য আছে। আমরা একটি নিখুঁত ম্যাচ খেলে ঘুরে দাঁড়াতে চাই।”
No posts available.
১২ এপ্রিল ২০২৬, ৮:৫৬ পিএম
১২ এপ্রিল ২০২৬, ৭:৩৫ পিএম

টটেনহ্যাম হটস্পারের আকাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা কালো মেঘ আরও ঘনীভূত হচ্ছে। ২০২৪-২৫ প্রিমিয়ার লিগে ১৭ নম্বর পজিশনে থেকে কোনো রকমে অবনমন এড়ানো স্পার্সরা চলতি মৌসুমে বড় বিপাকে। রবিবার সান্ডারল্যান্ডের বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে হারের পর ১৮ নম্বরে নেমে গেছে রবার্তো ডি জার্বির দল। অর্থাৎ শেষ ছয় ম্যাচে সাফল্য না পেলে আগামী মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে দেখা যাবে না টটেনহ্যামকে।
রবিবার সান্ডারল্যান্ডের ঘরের মাঠ স্টেডিয়াম অব লাইটে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাতটায় অবনমন এড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে খেলতে নামে টটেনহ্যাম। তবে স্বাগতিকদের মাঠে সুবিধা করতে পারেনি তারা। ১-০ ব্যবধানে হেরে মাঠ ছাড়তে হয় রিচার্লিসন ও ক্রিস্টিয়ান রোমেরোদের।
প্রিমিয়ার লিগে সর্বশেষ ১০ ম্যাচে জয়বঞ্চিত টটেনহ্যাম। টেবিলে ১৮ নম্বরে থাকা দলটি ৩২ ম্যাচে কেবল সাতটিতে জিতেছে, হেরেছে ১৬ ম্যাচে। বাকি ৯ ম্যাচে করেছে পয়েন্ট ভাগাভাগি। ১৯ নম্বরে থাকা বার্নলির ৩২ ম্যাচে জয় মাত্র ৪টি। টেবিলের তলানিতে আছে উলভস। অন্যদিকে শীর্ষে থাকা আর্সেনাল ৩২ ম্যাচে সংগ্রহ করেছে ৭০ পয়েন্ট।
রবার্তো ডি জার্বি আজই প্রথম টটেনহ্যামের ডাগআউটে দাঁড়িয়েছেন। তবে শুরুতেই দুঃস্মৃতির সাক্ষী হতে হয়েছে এই ইতালিয়ান কোচকে। ম্যাচ শেষে বিবিসি স্পোর্টসকে তিনি বলেন,
‘আমি দুঃখিত কারণ এই ম্যাচে হার আমাদের প্রাপ্য ছিল না। আমরা ভালো খেলেছি; হয়তো জেতার জন্য তা যথেষ্ট ছিল না, তবে প্রথমার্ধের বেশ কিছু পরিস্থিতিতে আমরা দুর্ভাগা ছিলাম।’
দলের ফল যাই হোক, খেলোয়াড়দের দোষ দিতে চান না ডি জার্বি। তিনি বলেন,
‘আমি খেলোয়াড়দের দোষ দিতে পারি না, কারণ তাদের মানসিকতা ও লড়াই করার মানসিকতা ছিল শতভাগ। নিশ্চিতভাবেই আমরা আরও ভালো খেলতে পারি। আমাদের সেই জায়গাগুলো নিয়েই কাজ করতে হবে।’

প্রতিদিনের মতো আজ বিকালেও দলকে অনুশীলন করিয়েছেন আলফাজ আহমেদ। মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব আঙ্গিনায় যখন মেহেদী মিঠু, মিনহাজ বাল্লু, মুজাফফরভদের অনুশীলন করাচ্ছেন, হয়ত ভাবছিলেন লিগের পরের ম্যাচে রণকৌশল নিয়ে। কিন্তু অনুশীলন শেষে বাসায় গিয়ে জানতে পারলেন তিনি আর নেই কোচের ভূমিকায়। হঠাৎ সরিয়ে দিলেও ক্লাবের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন মোহামেডানকে ২৩ বছর পর লিগ শিরোপা জেতানো এই কোচ।
বাংলাদেশ ফুটবল লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন মোহামেডান। তবে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে দল গোছাতে পারেনি তারা। ক্লাব ছেড়ে একে একে চলে গেছেন সুলেমান দিয়াবাতে, ইমানুয়েল সানডে, ইমানুয়েল টনিরা। বিপরীতে সুমন রেজা, রহমত মিয়া, এলি কেকে, বার্নার্ড মরিসন, স্যামুয়েল বোয়াটেংদের দলে নিয়েছে মোহামেডান। যদিও তারা প্রত্যাশা পুরণ করতে পারেননি।
আরও পড়ুন
| রিয়ালের অনুশীলনে অনুপস্থিত এমবাপেসহ তিনজন |
|
তারকা ফুটবলারদের হারানোর প্রভাব পড়েছে মোহামেডানের মাঠের খেলায়। চলতি মৌসুমে ফেডারেশন কাপে টিকে থাকলেও লিগ শিরোপা রেসে দলটি বাদ পড়েছে আরও আগেই। ১২ ম্যাচ শেষে অবনমনের শঙ্কায় মতিঝিল পাড়ার ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি। ১০ দলের লিগে ১১ পয়েন্ট নিয়ে আছে টেবিলের সাতে।
লিগের নিদারুণ পারফরম্যান্সের দ্বায়ে চাকরি থেকে ক্লাব ম্যানেজমেন্ট অব্যহতি দেয় আলফাজকে। তবে চাকরি হারালেও ক্লাবের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন মোহামেডান ও জাতীয় দলের সাবেক এই ফুটবলার,
'দল আশানুরূপ ফল দিতে পারছে না, তাই আমাকে সরিয়ে দিয়েছে। মোহামেডান বলে নয়, যে কোনো ক্লাব হলেও তাই করতো। ক্লাব তো ভালো ফল চাইবেই। ফলে তাদের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছি।’
আরও পড়ুন
| রিয়ালে ফিরছেন টনি ক্রুস! |
|
২০২৩ সালে মোহামেডানের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পান আলফাজ। তাঁর অধীনে ২৩ বছরের খরা কাটিয়ে গত মৌসুমে লিগ শিরোপা জেতে সাদা–কালোরা। ২০২৩ সালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আবাহনীকে হারিয়ে জেতে ফেডারেশন কাপের শিরোপাও। এই মৌসুমে মাত্র দুটি লিগ ম্যাচ জিতেছে তারা। যার মধ্যে একটি আবাহনীর বিপক্ষে। তবে সর্বশেষ ম্যাচে কুমিল্লায় সেই আবাহনীর বিপক্ষে এগিয়ে গিয়েও ১-২ ব্যবধানে হারতে হয়েছে মোহামেডানকে। ওই হারের পরই হয়ত দলের বাজে পারফরম্যান্স নতুন করে আসলো সামনে, আর চাকরি হারালেন সাফজয়ী আলফাজ।

এমনিতে মরা, তার ওপর খাড়ার ঘা হয়ে এলো কিলিয়ান এমবাপের চোট। লা লিগায় শিরোপা রেসে পিছিয়ে থাকা রিয়াল মাদ্রিদ চ্যাম্পিয়নস লিগেও বড্ড অসহায়। কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে ঘরের মাঠে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে ২-১ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে ফিরতি লেগ খেলতে আলিয়াঞ্জ অ্যারেনাতে নামবে আলভারো আরবেলোয়ার দল।
চ্যাম্পিয়নস লিগের সর্বোচ্চ শিরোপাধারী রিয়াল যখন ফেরার লড়াইয়ে, সেখানে নতুন বিপদ দলের প্রাণভোমরা কিলিয়ান এমবাপের চোট। লা লিগায় জিরোনার বিপক্ষে চোটে পড়েন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড। ফলে রবিবার দলের অনুশীলনে মাঠে নামেননি তিনি।
মার্কার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার বায়ার্ন ম্যাচের আগে আজ অনুশীলন করেছে রিয়াল। সেখানে দেখা যায়নি এমবাপেকে। তবে তিনি মাঠে নামবেন বলে আশা করা হচ্ছে। মূলত সতর্কতা হিসেবেই ফরাসি ফরোয়ার্ড অনুশীলনে অনুপস্থিত ছিলেন। চোখের ভ্রুতে সেলাই থাকার কারণে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যে অনুশীলন করতে পারছিলেন না।
স্পেনের সংবাদপত্র এএস জানিয়েছে, জিরোনার বিপক্ষে ডান ভ্রুতে লাগা চোটের কারণে তিনটি সেলাই দিতে হয়েছে এমবাপেকে। পত্রিকাটি আশ্বস্ত করেছে, চোট নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। এমবাপের অনুশীলনে না থাকাটা ছিল মূলত একটি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা যাতে নতুন করে কোনো আঘাত না লাগে। বুধবার বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে ম্যাচে তাঁর অংশগ্রহণের বিষয়টি ‘নিশ্চিত’ বলেও তারা যোগ করেছে।
প্রতিবেদনে জোর দিয়ে বলা হয়েছে যে, বায়ার্নের বিপক্ষে এমবাপ্পেকে কোনো সুরক্ষামূলক মাস্ক পরতে হবে না। তবে তাঁকে কিছুটা ব্যথা নিয়েই খেলতে হতে পারে। রিয়াল মাদ্রিদের জন্য এছাড়া ‘অন্য কোনো বিকল্প নেই’, কারণ প্রথম লেগের ২-১ ব্যবধানের হার কাটিয়ে তাদের ঘুরে দাঁড়াতে হবে।
ইনজুরির কারণে অনুশীলনে অনুপস্থিত থাকা খেলোয়াড়দের তালিকায় এমবাপের সাথে আরও আছেন থিবো কোর্তোয়া এবং রদ্রিগো। মিউনিখ সফরে কেবল এই দুজনেই মাঠের বাইরে থাকবেন। এছাড়া ওরেলিয়েঁ চুয়ামেনি নিষেধাজ্ঞার কারণে খেলতে পারবেন না।
রিয়াল মাদ্রিদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট অনুশীলনের বিস্তারিত জানিয়ে বলেছে,
"অনুশীলনটি জিম সেশনের মাধ্যমে শুরু হয়। এরপর রিয়াল মাদ্রিদ সিটির মাঠে খেলোয়াড়রা 'রন্ডো' ড্রিল এবং বল পজিশন ও প্রেসিং নিয়ে নিবিড় চর্চা করেন। সবশেষে বল নিয়ে হাই-ইনটেনসিটি ড্রিল এবং গোলপোস্টে আক্রমণের মহড়ার পর অর্ধেক মাঠে একটি প্রীতি ম্যাচের মাধ্যমে সেশনটি শেষ হয়।"

সম্প্রতি আইরিশ কোচ মার্ক কক্সের অধীনে মালদ্বীপে হওয়া সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ খেলে বাংলাদেশ। সেখানে ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা। কক্সের সঙ্গে এই টুর্নামেন্টের জন্যই এক মাসের চুক্তি করেছিল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। নতুন করে কোচ চেয়ে এরই মধ্যে নিয়োগ দিয়েছে ফেডারেশন।
আজ ডেভেলপমেন্ট কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন সহসভাপতি ও কমিটির চেয়ারম্যান নাসের শাহরিয়ার জাহেদি। সেখানে শুরুতেই তিনি সাফ চ্যাম্পিয়ন দল এবং দলের সঙ্গে থাকা কন্টিনজেন্টকে ধন্যবাদ জানান। সেই সঙ্গে নতুন কোচ নিয়োগের ব্যাপারেও কথা বলেন,
‘আমরা এবার বয়সভিত্তিক দলগুলোর জন্য অর্থাৎ ইয়ুথ এবং গ্রাসরুট ফুটবলের জন্য কোচ নিয়োগ করতে যাচ্ছি। এটা নিয়ে সার্কুলার দেওয়া হয়েছে। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায় থেকে আবেদন আহ্বান করছি এবং চেষ্টা করব এপ্রিলের ভেতরেই কোচ নির্বাচন করে ফেলতে, যাতে মে মাসের মাঝামাঝি থেকেই তিনি দায়িত্ব নিতে পারেন। সেইসঙ্গে আমাদের যারা ফেডারেশনের কোচ আছেন তাদেরকে দিয়ে আমরা অনূর্ধ্ব-১৭ এবং অনূর্ধ্ব-২০ এর জন্য একটা শক্তিশালী কোচিং স্কোয়াড তৈরি করতে চাচ্ছি।’
মার্ক কক্সের অধীনেই বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরও তাঁকে কেন বিবেচনা করা হচ্ছে না। এমন প্রশ্ন ওঠে প্রেস ব্রিফিংয়ে। সেখানে অবশ্য কক্সের আসার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি বাফুফে সহসভাপতি। এ বিষয়ে নাসের শাহরিয়ার জাহেদি বলেন,
‘মার্ক কক্সের সঙ্গে এক মাসের চুক্তি ছিল। এই সময়টা তিনি খুব সফলতার সঙ্গে সম্পন্ন করেছেন। আমরা তাঁকে মূল্যায়ন করেছি। যাওয়ার সময় তাঁকে আরও অনুপ্রেরণামূলক ইনসেন্টিভ দিয়েছি। তো এক মাস পরে আমাদের কোচ নিতে হতো। যদি মার্ক কক্সকেও নিতে হয় ওটা একটা প্রক্রিয়াতে যেতে হবে।’
মার্ক কক্সকে নিয়ে সার্টিফিকেট জালিয়াতির মতো কিছু নেতিবাচক সংবাদ আসে এই সময়ে। কোচের বিষয়টি নিয়ে নাসের শাহরিয়ার জাহেদি বলেন,
‘কক্সের বায়োডাটাতে কখনোই বলে নাই সে প্রো লাইসেন্স হোল্ডার। সে বলেছে সে ‘এ’ গ্রেড লাইসেন্স হোল্ডার। এটা আসলে একটু ভুল বোঝাবুঝি ছিল।’
বাফুফের এই সহ-সভাপতিকে এদিন কথা বলতে হয় মালদ্বীপ সফরে দলের ম্যানেজার সামিদ কাশেমকে নিয়েও। প্রতিযোগিতায় গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে মেজাজ হারিয়ে হলুদ কার্ড দেখেন দলের ম্যানেজার। বয়সভিত্তিক দলের খেলোয়াড়েরা আবেগী হয়ে পড়বেন এটা স্বাভাবিক। কিন্তু ওই সময়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব থাকে কোচ-ম্যানেজারের কাঁধে। উল্টো ম্যানেজারই মাঠের মধ্যে প্রবেশ করে হলুদ কার্ড দেখেন। সেই সময়ে এটাকে অনেকেই অপেশাদার আচরণ বলে আখ্যায়িত করেছেন। এ নিয়ে আজ জানতে চাইলে ডেভেলপমেন্ট কমিটির ওই সদস্যের পাশেই দাঁড়ালেন নাসের শাহরিয়ার জাহেদি। তিনি ম্যানেজারের ভুল দেখেননি সেখানে; বরং সাফের রেফারিংকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন। যদিও ডেভলপমেন্ট কমিটিতে সাইদ হাসান কানন এবং শফিকুল ইসলাম মানিকের মতো সাবেক তারকা ফুটবলাররা আছেন। তাঁরা থাকতেও সাইদ কাশেমকে কেন মালদ্বীপ পাঠানো হলো সেই প্রশ্নই উঠছে বারবার।

রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে তাঁর খেলোয়াড়ি সম্পর্ক শেষ হয়েছে বছর দুয়েক হলো। এখনও সাবেক মিডফিল্ডার টনি ক্রুসকে মনে-প্রাণে ধারণ করে সান্তিয়াগো বার্নাব্যু। মাদ্রিদের ক্লাবের জার্সিতে ৪৬৫ ম্যাচ এবং ২০টিরও অধিক শিরোপা জেতা এই ফুটবলারের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে মুখিয়ে ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ প্রশাসন।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম দিয়ারিও এএস জার্মানির বিশ্বকাপজয়ী খেলোয়াড়কে নিয়ে রবিবার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। যেখানে বলা হয়েছে, রিয়াল মাদ্রিদ তাদের সাবেক তারকা টনি ক্রুসকে ক্লাবের ম্যানেজমেন্ট বা প্রশাসনিক কোনো দায়িত্বে ফিরিয়ে আনতে চায়।
দিয়ারিও জানায়, রিয়ালের হয়ে ১০ বছরের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার শেষ করা ‘স্নাইপার’ খ্যাত টনি ক্রুসকে ক্লাবের উচ্চপদস্থ কোনো ভূমিকায় যুক্ত করার জন্য রিয়ালের অভ্যন্তরে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও ক্রুসের কাছে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রস্তাব পাঠানো হয়নি। তবে তাকে কোন পদে বসানো সবচেয়ে ভালো হবে, তা নিয়ে পরিকল্পনা শুরু করেছে মাদ্রিদ।
আরও পড়ুন
| আলফাজকে সরিয়ে দিল মোহামেডান |
|
খেলুড়ে জীবনে ক্লাব এবং ক্লাব প্রেসিডেন্ট পেরেজের সাথে দারুণ সম্পর্ক ছিল ক্রুসের। কোনো সমস্যার কথা কখনোই প্রকাশ্যে আসেনি—না তাঁর খেলোয়াড়ি জীবনে, না বিদায়ের বেলায়। ফলে প্রেসিডেন্ট নিজেই চান, জার্মান তারকা যেন তাঁর ক্লাবের অংশ হয়ে থাকেন।
ক্রুস অবসরের পর মাদ্রিদের বোয়াদিয়া দেল মন্তে এলাকায় নিজের একটি ফুটবল একাডেমি চালু করেছেন। সেখানে তিনি শিশুদের কোচিং করান এবং সময় কাটান। সম্প্রতি ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ক্রুসকে তাঁর একাডেমির দল নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদের যুব দলের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচে ডাগআউটে কোচ হিসেবে দেখা গেছে। এবার হয়তো তাঁকে দেখা যাবে রিয়ালে, নতুন কোনো ভূমিকায়।