
বাংলাদেশ ফুটবল লিগে (বিএফএল) প্রত্যাশানুযায়ী পারফরম্যান্স না হওয়ায় কোচ আলফাজ আহমেদকে বরখাস্ত করেছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে তারা। মৌসুমের বাকি ম্যাচগুলোতে আলফাজের পরিবর্তে ডাগআউট সামলাবেন সহকারী কোচ আব্দুল কায়ুম সেন্টু। টিম লিডারের দায়িত্বে থাকবেন আমিরুল ইসলাম বাবু।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মোহামেডান জানায়,
‘ফুটবল দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের ধারাবাহিক সাফল্য ও উন্নয়নের দিকে ধাবিত হওয়ার বিষয়টি পরিচালনা পর্ষদ গভীরভাবে বিবেচনা করে জনাব আলফাজ আহমেদকে প্রধান কোচের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। মৌসুমের বাকি খেলাগুলো সুষ্ঠ ও সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য সহকারী কোচ জনাব আব্দুল কায়ুম সেন্টুকে ফুটবল দলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান কোচের দায়িত্ব এবং ক্লাবের স্থায়ী সদস্য জনাব মো. আমিরুল ইসলাম বাবুকে ফুটবল দলের সার্বিক দায়িত্ব পালনের জন্য টিম লিডার হিসাবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।’
আরও পড়ুন
| ফিটনেস ‘ট্যাঙ্ক ভরেছেন’ নেইমার , টানা ম্যাচ খেলাতে চান কুকা |
|
লিগে ১০ দলের মধ্যে ১২ ম্যাচে ১১ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের সাতে আছে মোহামেডান। রেলিগেশন পর্যায় থেকে থেকে মাত্র দুই পয়েন্ট দূরে। সর্বশেষ ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আবাহনীর বিপক্ষে কুমিল্লায় এগিয়ে গিয়ে হেরেছে ১-২ ব্যবধানে। ফেডারেশন কাপ ও লিগ মিলিয়ে টানা ৮ ম্যাচ জয়হীন মতিঝিল পাড়ার ক্লাবটি। অথচ গত মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা। ফেডারেশন কাপেও খুব একটা সুবিধাজনক অবস্থায় নেই। ৩ ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে আছে ‘বি’ গ্রুপের চারে। প্লে অফে যেতে হলে শেষ ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই তাদের।
২০২৩ সালে মোহামেডানের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পান আলফাজ। তাঁর অধীনে ২৩ বছরের খরা কাটিয়ে গত মৌসুমে লিগ শিরোপা জেতে সাদা–কালোরা। ২০২৩ সালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আবাহনীকে হারিয়ে জেতে ফেডারেশন কাপের শিরোপাও।
No posts available.
১২ এপ্রিল ২০২৬, ৮:৫৬ পিএম
১২ এপ্রিল ২০২৬, ৭:৩৫ পিএম
১২ এপ্রিল ২০২৬, ৭:১১ পিএম

প্রতিদিনের মতো আজ বিকালেও দলকে অনুশীলন করিয়েছেন আলফাজ আহমেদ। মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব আঙ্গিনায় যখন মেহেদী মিঠু, মিনহাজ বাল্লু, মুজাফফরভদের অনুশীলন করাচ্ছেন, হয়ত ভাবছিলেন লিগের পরের ম্যাচে রণকৌশল নিয়ে। কিন্তু অনুশীলন শেষে বাসায় গিয়ে জানতে পারলেন তিনি আর নেই কোচের ভূমিকায়। হঠাৎ সরিয়ে দিলেও ক্লাবের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন মোহামেডানকে ২৩ বছর পর লিগ শিরোপা জেতানো এই কোচ।
বাংলাদেশ ফুটবল লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন মোহামেডান। তবে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে দল গোছাতে পারেনি তারা। ক্লাব ছেড়ে একে একে চলে গেছেন সুলেমান দিয়াবাতে, ইমানুয়েল সানডে, ইমানুয়েল টনিরা। বিপরীতে সুমন রেজা, রহমত মিয়া, এলি কেকে, বার্নার্ড মরিসন, স্যামুয়েল বোয়াটেংদের দলে নিয়েছে মোহামেডান। যদিও তারা প্রত্যাশা পুরণ করতে পারেননি।
আরও পড়ুন
| রিয়ালের অনুশীলনে অনুপস্থিত এমবাপেসহ তিনজন |
|
তারকা ফুটবলারদের হারানোর প্রভাব পড়েছে মোহামেডানের মাঠের খেলায়। চলতি মৌসুমে ফেডারেশন কাপে টিকে থাকলেও লিগ শিরোপা রেসে দলটি বাদ পড়েছে আরও আগেই। ১২ ম্যাচ শেষে অবনমনের শঙ্কায় মতিঝিল পাড়ার ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি। ১০ দলের লিগে ১১ পয়েন্ট নিয়ে আছে টেবিলের সাতে।
লিগের নিদারুণ পারফরম্যান্সের দ্বায়ে চাকরি থেকে ক্লাব ম্যানেজমেন্ট অব্যহতি দেয় আলফাজকে। তবে চাকরি হারালেও ক্লাবের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন মোহামেডান ও জাতীয় দলের সাবেক এই ফুটবলার,
'দল আশানুরূপ ফল দিতে পারছে না, তাই আমাকে সরিয়ে দিয়েছে। মোহামেডান বলে নয়, যে কোনো ক্লাব হলেও তাই করতো। ক্লাব তো ভালো ফল চাইবেই। ফলে তাদের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছি।’
আরও পড়ুন
| রিয়ালে ফিরছেন টনি ক্রুস! |
|
২০২৩ সালে মোহামেডানের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পান আলফাজ। তাঁর অধীনে ২৩ বছরের খরা কাটিয়ে গত মৌসুমে লিগ শিরোপা জেতে সাদা–কালোরা। ২০২৩ সালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আবাহনীকে হারিয়ে জেতে ফেডারেশন কাপের শিরোপাও। এই মৌসুমে মাত্র দুটি লিগ ম্যাচ জিতেছে তারা। যার মধ্যে একটি আবাহনীর বিপক্ষে। তবে সর্বশেষ ম্যাচে কুমিল্লায় সেই আবাহনীর বিপক্ষে এগিয়ে গিয়েও ১-২ ব্যবধানে হারতে হয়েছে মোহামেডানকে। ওই হারের পরই হয়ত দলের বাজে পারফরম্যান্স নতুন করে আসলো সামনে, আর চাকরি হারালেন সাফজয়ী আলফাজ।

এমনিতে মরা, তার ওপর খাড়ার ঘা হয়ে এলো কিলিয়ান এমবাপের চোট। লা লিগায় শিরোপা রেসে পিছিয়ে থাকা রিয়াল মাদ্রিদ চ্যাম্পিয়নস লিগেও বড্ড অসহায়। কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে ঘরের মাঠে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে ২-১ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে ফিরতি লেগ খেলতে আলিয়াঞ্জ অ্যারেনাতে নামবে আলভারো আরবেলোয়ার দল।
চ্যাম্পিয়নস লিগের সর্বোচ্চ শিরোপাধারী রিয়াল যখন ফেরার লড়াইয়ে, সেখানে নতুন বিপদ দলের প্রাণভোমরা কিলিয়ান এমবাপের চোট। লা লিগায় জিরোনার বিপক্ষে চোটে পড়েন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড। ফলে রবিবার দলের অনুশীলনে মাঠে নামেননি তিনি।
মার্কার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার বায়ার্ন ম্যাচের আগে আজ অনুশীলন করেছে রিয়াল। সেখানে দেখা যায়নি এমবাপেকে। তবে তিনি মাঠে নামবেন বলে আশা করা হচ্ছে। মূলত সতর্কতা হিসেবেই ফরাসি ফরোয়ার্ড অনুশীলনে অনুপস্থিত ছিলেন। চোখের ভ্রুতে সেলাই থাকার কারণে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যে অনুশীলন করতে পারছিলেন না।
স্পেনের সংবাদপত্র এএস জানিয়েছে, জিরোনার বিপক্ষে ডান ভ্রুতে লাগা চোটের কারণে তিনটি সেলাই দিতে হয়েছে এমবাপেকে। পত্রিকাটি আশ্বস্ত করেছে, চোট নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। এমবাপের অনুশীলনে না থাকাটা ছিল মূলত একটি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা যাতে নতুন করে কোনো আঘাত না লাগে। বুধবার বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে ম্যাচে তাঁর অংশগ্রহণের বিষয়টি ‘নিশ্চিত’ বলেও তারা যোগ করেছে।
প্রতিবেদনে জোর দিয়ে বলা হয়েছে যে, বায়ার্নের বিপক্ষে এমবাপ্পেকে কোনো সুরক্ষামূলক মাস্ক পরতে হবে না। তবে তাঁকে কিছুটা ব্যথা নিয়েই খেলতে হতে পারে। রিয়াল মাদ্রিদের জন্য এছাড়া ‘অন্য কোনো বিকল্প নেই’, কারণ প্রথম লেগের ২-১ ব্যবধানের হার কাটিয়ে তাদের ঘুরে দাঁড়াতে হবে।
ইনজুরির কারণে অনুশীলনে অনুপস্থিত থাকা খেলোয়াড়দের তালিকায় এমবাপের সাথে আরও আছেন থিবো কোর্তোয়া এবং রদ্রিগো। মিউনিখ সফরে কেবল এই দুজনেই মাঠের বাইরে থাকবেন। এছাড়া ওরেলিয়েঁ চুয়ামেনি নিষেধাজ্ঞার কারণে খেলতে পারবেন না।
রিয়াল মাদ্রিদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট অনুশীলনের বিস্তারিত জানিয়ে বলেছে,
"অনুশীলনটি জিম সেশনের মাধ্যমে শুরু হয়। এরপর রিয়াল মাদ্রিদ সিটির মাঠে খেলোয়াড়রা 'রন্ডো' ড্রিল এবং বল পজিশন ও প্রেসিং নিয়ে নিবিড় চর্চা করেন। সবশেষে বল নিয়ে হাই-ইনটেনসিটি ড্রিল এবং গোলপোস্টে আক্রমণের মহড়ার পর অর্ধেক মাঠে একটি প্রীতি ম্যাচের মাধ্যমে সেশনটি শেষ হয়।"

সম্প্রতি আইরিশ কোচ মার্ক কক্সের অধীনে মালদ্বীপে হওয়া সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ খেলে বাংলাদেশ। সেখানে ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা। কক্সের সঙ্গে এই টুর্নামেন্টের জন্যই এক মাসের চুক্তি করেছিল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। নতুন করে কোচ চেয়ে এরই মধ্যে নিয়োগ দিয়েছে ফেডারেশন।
আজ ডেভেলপমেন্ট কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন সহসভাপতি ও কমিটির চেয়ারম্যান নাসের শাহরিয়ার জাহেদি। সেখানে শুরুতেই তিনি সাফ চ্যাম্পিয়ন দল এবং দলের সঙ্গে থাকা কন্টিনজেন্টকে ধন্যবাদ জানান। সেই সঙ্গে নতুন কোচ নিয়োগের ব্যাপারেও কথা বলেন,
‘আমরা এবার বয়সভিত্তিক দলগুলোর জন্য অর্থাৎ ইয়ুথ এবং গ্রাসরুট ফুটবলের জন্য কোচ নিয়োগ করতে যাচ্ছি। এটা নিয়ে সার্কুলার দেওয়া হয়েছে। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায় থেকে আবেদন আহ্বান করছি এবং চেষ্টা করব এপ্রিলের ভেতরেই কোচ নির্বাচন করে ফেলতে, যাতে মে মাসের মাঝামাঝি থেকেই তিনি দায়িত্ব নিতে পারেন। সেইসঙ্গে আমাদের যারা ফেডারেশনের কোচ আছেন তাদেরকে দিয়ে আমরা অনূর্ধ্ব-১৭ এবং অনূর্ধ্ব-২০ এর জন্য একটা শক্তিশালী কোচিং স্কোয়াড তৈরি করতে চাচ্ছি।’
মার্ক কক্সের অধীনেই বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরও তাঁকে কেন বিবেচনা করা হচ্ছে না। এমন প্রশ্ন ওঠে প্রেস ব্রিফিংয়ে। সেখানে অবশ্য কক্সের আসার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি বাফুফে সহসভাপতি। এ বিষয়ে নাসের শাহরিয়ার জাহেদি বলেন,
‘মার্ক কক্সের সঙ্গে এক মাসের চুক্তি ছিল। এই সময়টা তিনি খুব সফলতার সঙ্গে সম্পন্ন করেছেন। আমরা তাঁকে মূল্যায়ন করেছি। যাওয়ার সময় তাঁকে আরও অনুপ্রেরণামূলক ইনসেন্টিভ দিয়েছি। তো এক মাস পরে আমাদের কোচ নিতে হতো। যদি মার্ক কক্সকেও নিতে হয় ওটা একটা প্রক্রিয়াতে যেতে হবে।’
মার্ক কক্সকে নিয়ে সার্টিফিকেট জালিয়াতির মতো কিছু নেতিবাচক সংবাদ আসে এই সময়ে। কোচের বিষয়টি নিয়ে নাসের শাহরিয়ার জাহেদি বলেন,
‘কক্সের বায়োডাটাতে কখনোই বলে নাই সে প্রো লাইসেন্স হোল্ডার। সে বলেছে সে ‘এ’ গ্রেড লাইসেন্স হোল্ডার। এটা আসলে একটু ভুল বোঝাবুঝি ছিল।’
বাফুফের এই সহ-সভাপতিকে এদিন কথা বলতে হয় মালদ্বীপ সফরে দলের ম্যানেজার সামিদ কাশেমকে নিয়েও। প্রতিযোগিতায় গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে মেজাজ হারিয়ে হলুদ কার্ড দেখেন দলের ম্যানেজার। বয়সভিত্তিক দলের খেলোয়াড়েরা আবেগী হয়ে পড়বেন এটা স্বাভাবিক। কিন্তু ওই সময়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব থাকে কোচ-ম্যানেজারের কাঁধে। উল্টো ম্যানেজারই মাঠের মধ্যে প্রবেশ করে হলুদ কার্ড দেখেন। সেই সময়ে এটাকে অনেকেই অপেশাদার আচরণ বলে আখ্যায়িত করেছেন। এ নিয়ে আজ জানতে চাইলে ডেভেলপমেন্ট কমিটির ওই সদস্যের পাশেই দাঁড়ালেন নাসের শাহরিয়ার জাহেদি। তিনি ম্যানেজারের ভুল দেখেননি সেখানে; বরং সাফের রেফারিংকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন। যদিও ডেভলপমেন্ট কমিটিতে সাইদ হাসান কানন এবং শফিকুল ইসলাম মানিকের মতো সাবেক তারকা ফুটবলাররা আছেন। তাঁরা থাকতেও সাইদ কাশেমকে কেন মালদ্বীপ পাঠানো হলো সেই প্রশ্নই উঠছে বারবার।

রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে তাঁর খেলোয়াড়ি সম্পর্ক শেষ হয়েছে বছর দুয়েক হলো। এখনও সাবেক মিডফিল্ডার টনি ক্রুসকে মনে-প্রাণে ধারণ করে সান্তিয়াগো বার্নাব্যু। মাদ্রিদের ক্লাবের জার্সিতে ৪৬৫ ম্যাচ এবং ২০টিরও অধিক শিরোপা জেতা এই ফুটবলারের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে মুখিয়ে ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ প্রশাসন।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম দিয়ারিও এএস জার্মানির বিশ্বকাপজয়ী খেলোয়াড়কে নিয়ে রবিবার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। যেখানে বলা হয়েছে, রিয়াল মাদ্রিদ তাদের সাবেক তারকা টনি ক্রুসকে ক্লাবের ম্যানেজমেন্ট বা প্রশাসনিক কোনো দায়িত্বে ফিরিয়ে আনতে চায়।
দিয়ারিও জানায়, রিয়ালের হয়ে ১০ বছরের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার শেষ করা ‘স্নাইপার’ খ্যাত টনি ক্রুসকে ক্লাবের উচ্চপদস্থ কোনো ভূমিকায় যুক্ত করার জন্য রিয়ালের অভ্যন্তরে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও ক্রুসের কাছে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রস্তাব পাঠানো হয়নি। তবে তাকে কোন পদে বসানো সবচেয়ে ভালো হবে, তা নিয়ে পরিকল্পনা শুরু করেছে মাদ্রিদ।
আরও পড়ুন
| আলফাজকে সরিয়ে দিল মোহামেডান |
|
খেলুড়ে জীবনে ক্লাব এবং ক্লাব প্রেসিডেন্ট পেরেজের সাথে দারুণ সম্পর্ক ছিল ক্রুসের। কোনো সমস্যার কথা কখনোই প্রকাশ্যে আসেনি—না তাঁর খেলোয়াড়ি জীবনে, না বিদায়ের বেলায়। ফলে প্রেসিডেন্ট নিজেই চান, জার্মান তারকা যেন তাঁর ক্লাবের অংশ হয়ে থাকেন।
ক্রুস অবসরের পর মাদ্রিদের বোয়াদিয়া দেল মন্তে এলাকায় নিজের একটি ফুটবল একাডেমি চালু করেছেন। সেখানে তিনি শিশুদের কোচিং করান এবং সময় কাটান। সম্প্রতি ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ক্রুসকে তাঁর একাডেমির দল নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদের যুব দলের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচে ডাগআউটে কোচ হিসেবে দেখা গেছে। এবার হয়তো তাঁকে দেখা যাবে রিয়ালে, নতুন কোনো ভূমিকায়।

দীর্ঘদিন পর পূর্ণ সময় খেলেছেন নেইমার। আর তাতেই সন্তুষ্ট সান্তোসের কোচ কুকা। তাঁর মতে, শারীরিকভাবে নিজেকে নতুন করে প্রস্তুত করেছেন দলের দশ নম্বর জার্সিধারী তারকা। কুকুর ভাষায়,‘ট্যাঙ্ক ভরেছেন’ নেইমার। সামনে টানা কয়েকটি ম্যাচে তাঁকে খেলানোর পরিকল্পনাও করছেন কোচ।
ব্রাজিলিয়ান লিগে আতলেতিকো মিনেইরোর বিপক্ষে ১-০ গোলের জয়ে পুরো ৯০ মিনিট মাঠে ছিলেন নেইমার। ম্যাচে খুব বেশি চোখে না পড়লেও কুকার মতে, আগের তুলনায় অনেক বেশি ফিট ও সক্রিয় দেখিয়েছে তাঁকে।
দলের সঙ্গে ইকুয়েডরে না গিয়ে ব্রাজিলেই থেকে অনুশীলন করেছিলেন নেইমার। শারীরিক ও কারিগরি প্রস্তুতিতেই জোর দিয়েছিলেন তিনি। সেই পরিকল্পনা সফল হয়েছে বলেই মনে করছেন কোচ।
আরও পড়ুন
| নেইমারের নতুন গন্তব্য নিয়ে বড় চমকের অপেক্ষা |
|
ম্যাচ শেষে কুকা বলেন,
‘নেইমার নিজের শক্তি ফিরে পেয়েছে। এই ম্যাচে তার পারফরম্যান্স ছিল শারীরিক ও প্রতিযোগিতামূলক দিক থেকে সেরা। এখন ধারাবাহিকভাবে খেলাই লক্ষ্য। যদিও প্রতি ম্যাচে নব্বই মিনিট খেলানোর প্রয়োজন নেই, বরং তিন দিন পরপর ম্যাচে তাকে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে।’
আগামী ১০ দিনে নিজেদের মাঠে আরও তিনটি ম্যাচ খেলবে সান্তোস। কোপা সুদামেরিকানায় রেকোলেতা, এরপর লিগে ফ্লুমিনেন্সে এবং কোপা দো ব্রাজিলে কোরিতিবার বিপক্ষে খেলবে তারা। প্রায় এক বছর পর টানা চার ম্যাচ খেলার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে নেইমারের সামনে।
আরও পড়ুন
| বার্সায় যাওয়ার পথ রুদ্ধ, সাবেক খেলোয়াড়কে আটকাল রিয়াল |
|
কুকা বলেন,
‘ম্যাচে ম্যাচে নেইমার উন্নতি করছে। সে থেকে গিয়ে কাজ করেছে, যার ফল এখন দেখা যাচ্ছে। ৯০ মিনিট খেলানো ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে, তবে আমরা পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেব। সে খেলাটা উপভোগ করছে—এটাই সবচেয়ে বড় বিষয়।’
আতলেতিকো মিনেইরোর বিপক্ষে গোল বা অ্যাসিস্ট না পেলেও আক্রমণে উজ্জ্বল ছিলেন নেইমার। ৫টি শট নিয়েছেন, প্রতিপক্ষের কাছ থেকে আদায় করেছেন সর্বোচ্চ ৫টি ফাউল। পরিসংখ্যানেও ছিলেন দলের অন্যতম সেরা।
নেইমারের এই ফর্ম শুধু সান্তোসের জন্যই নয়, গুরুত্বপূর্ণ ব্রাজিল জাতীয় দলের জন্যও। ২০২৬ বিশ্বকাপের দলে জায়গা পেতে হলে নিজেকে প্রমাণের সুযোগ এখনই। স্কোয়াড ঘোষণার আগে হাতে আছে আর মাত্র কয়েকটি ম্যাচ।