১২ ডিসেম্বর ২০২৪, ৬:২১ পিএম

চোটের কারণে ক্যামেরুন গ্রিন না থাকায় ভারতের বিপক্ষে চলমান টেস্ট সিরিজে পঞ্চম বোলার নিয়ে কিছুটা সমস্যায় আছে অস্ট্রেলিয়া। আরেক অলরাউন্ডার মিচেল মার্শ একাদশে থাকলেও চোটের ইতিহাসের কারণে বল হাতে সেভাবে সার্ভিস দিতে পারছেন না তিনি। তবে সিরিজের বাকি তিন টেস্টে দলের চাহিদা মত বোলিং করতে পারবেন বলেই জানিয়েছেন অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার।
ভারতের বিপক্ষে চলমান সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে মার্শ মূলত খেলছেন স্পেশালিস্ট ব্যাটার হিসেবেই। প্রথম টেস্টের মোট ১৭ ওভার বল করে নেন দুই উইকেট নিয়েছিলেন। অ্যাডিলেড টেস্টের আগে ব্যথা অনুভব করায় দ্বিতীয় ম্যাচে বল করেন মাত্র চার ওভার। ফলে সিরিজের বাকি অংশে তার বোলিং করার সামর্থ্য নিয়ে জাগছে সংশয়।
আরও পড়ুন
| গুলবাদিনের ‘অভিনয়’ দেখে হাসতে হাসতে ‘কেঁদে ফেলেছিলেন’ মিচেল মার্শ |
|
তবে তৃতীয় টেস্টকে সামনে রেখে মার্শ জানিয়েছেন, পঞ্চম বোলার হিসেবে দলের প্রয়োজন মত বল করতে প্রস্তুত তিনি।
“আমি চেষ্টা করব এবং প্যাটির (প্যাট কামিন্স) যতটা প্রয়োজন, ঠিক ততটা বল করার জন্য প্রস্তুত থাকব। আমাদের দলের অলরাউন্ডাররা গত কয়েক বছরে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে খুব বেশি বোলিং করেনি, কিন্তু আমি সত্যিই আমাদের মেডিকেল স্টাফ এবং কোচ রনি (অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড) এবং প্যাটির প্রতি কৃতজ্ঞ, যারা আমাকে প্রথম এবং দ্বিতীয় টেস্টের খেলার সুযোগ দিয়েছে।”
সবশেষ আইপিএলে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট পাওয়ার পর গত সেপ্টেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার যুক্তরাজ্যে সাদা বলের সফরের প্রথমবারের মত বোলিং করেন মার্শ। তাও মাত্র এক ম্যাচে। এরপর থেকে পিঠের চিকিৎসা চলছে তার। এছাড়া মৌসুমের শুরুর দিকে শেফিল্ড শিল্ডে মার্শের বোলিং করার পরিকল্পনা ছিল। তবে পিঠের সমস্যার কারণে সেটাও বাতিল হয়।
আরও পড়ুন
| অ্যালেন বর্ডার পুরষ্কার পেলেন মিচেল মার্শ |
|
তবে বোলিং নিয়ে প্রস্তুতি একটা ঘাটতি থাকলেও নিজের সেরাটা দেওয়ারই আশা অজি অলরাউন্ডারের।
“আমি ঠিক বোলিং করিনি, যতটা আমি সিরিজের আগে বোলিং করতে পছন্দ করতাম। তবে আমাদের মেডিকেল স্টাফ, রনি ও প্যাটি তাদের পরিকল্পনায় স্পষ্ট ছিল। আমি তাদের ওপর বিশ্বাস রেখেছিলাম।”
পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজে সমতা এখন ১-১ স্কোরলাইনে।
No posts available.
১৮ মে ২০২৬, ১২:০৪ পিএম

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গত জুনে সেঞ্চুরি করলেও অল্পের জন্য রেকর্ডটি গড়তে পারেননি মুশফিকুর রহিম। তবে বছর না ঘুরতেই আবার তিন অঙ্ক ছুঁয়ে এবার উসমান খাজাকে টপকে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে সবচেয়ে বেশি বয়সে সেঞ্চুরির মালিক হয়ে গেলেন বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ব্যাটার।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ক্যারিয়ারের ১৪তম সেঞ্চুরি করেছেন মুশফিক। টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে তিনিই এখন সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক। এই শতকের সৌজন্যে মুমিনুল হককে (১৩) টপকে গেছেন ৩৯ বছর বয়সী ব্যাটার।
একইসঙ্গে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে সবচেয়ে বয়স্ক ক্রিকেটার হিসেবে সেঞ্চুরির রেকর্ডটিও নিজের করে নিয়েছেন মুশফিক। চলতি ম্যাচটি শুরুর দিন মুশফিকের বয়স ছিল ৩৯ বছর ৭ দিন। তার চেয়ে বেশি বয়সে চ্যাম্পিয়নশিপে সেঞ্চুরি নেই আর কারও।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ৩৮ বছর ৪২ দিন বয়সে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২৩২ রানের ইনিংস খেলেছিলেন খাজা। এরপর জুনে তার খুব কাছে গিয়েছিলেন মুশফিক। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৬৩ রানের ইনিংস খেলার দিন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়কের বয়স ছিল ৩৮ বছর ৩৯ দিন।
তবে গত জুনে না পারলেও, ২০২৬ সালের মে মাসে ঠিক রেকর্ডটি নিজের করে নিয়েছেন মুশফিক। এর বাইরে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে সবচেয়ে বেশি বয়সে সেঞ্চুরির তালিকায় পাঁচ নম্বরেও আছেন তিনি। ২০২৪ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৯১ রান করার ম্যাচে তার বয়স ছিল ৩৭ বছর ১০৪ দিন।

টেস্ট উপভোগ করেন বলেই ওডিআই, টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছেড়ে দিয়ে থেকে গেছেন মুশফিকুর রহিম লাল বলের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে খেলেছেন শততম টেস্ট। সেঞ্চুরি টেস্টে বিশ্বের ১১তম ব্যাটার হিসেবে উদযাপন করেছেন সেঞ্চুরি। ৬ মাস আগে শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে সেই কৃতি গড়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে টেস্টে সর্বাধিক সেঞ্চুরিয়ান মুমিনুলের সেঞ্চুরির সংখ্যাকে (১৩) ছুঁয়েছেন। সোমবার সিলেটে টি ব্রেকের পর মুহাম্মদ আব্বাসকে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে বাউন্ডারি মেরে মুমিনুলকে টপকে বাংলাদেশের সর্বাধিক টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান (১৪টি) এখন তিনি।
পার্টনারের অভাবে পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে মিস করেছেন সেঞ্চুরি (৭১)। সে কারণেই সিলেটে তিন অঙ্কে পৌছে যাওয়ার সংকল্প ছিল মুশফিকুর রহিমের। প্রথম ইনিংসে আম্পায়ার্স কলে ২৩ রানে এলবিডাব্লু হয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। তৃতীয় দিনে একবারও ভুল করেননি। ১০৩ বলে ৩ চার, ১ ছক্কায় ৩০তম টেস্ট ফিফটির পর সেঞ্চুরির লক্ষ্যে ব্যাট করেছেন। পরবর্তী ফিফটির জন্য খেলেছেন তিনি ৭৫টি বল। মেরেছেন এই সময়ে ৬টি বাউন্ডারি। খুররম শেহজাদকে এক ওভারে ২টি বাউন্ডারি মেরে ইতিবাচক ব্যাটিংয়ে মনযোগী মুশফিক ৯০-এর ঘরে বেশিক্ষণ আটকে থাকেননি। শেষ ১০ রানে খেলেছেন তিনি ২৩টি বল। ৯০-এর ফরে অফ স্পিনার সাজিদ খানকে ডাউন দ্য উইকেটে মেরেছেন বাউন্ডারি। ৯৯ থেকে সেঞ্চুরিতে পৌছুঁতে বেছে নিয়েছেন বাউন্ডারি শট।
পাকিস্তানের বিপক্ষে মুশফিকুর রহিমের এটি ১০ম টেস্টে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। ২০২৪ সালের আগস্টে রাওয়ালপিণ্ডি টেস্টে ম্যাচ উইনিং ১৯১ রানের ইনিংসের পর এই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ২ টেস্ট বিরতি দিয়ে করেছেন দ্বিতীয় সেঞ্চুরি উদযাপন। উদযাপনের অভিব্যক্তি সেই নিজস্ব স্টাইল। হেলমেট খুলে পিচের উপর সেজদা দিয়ে মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে সন্তুষ্টি প্রকাশের মাধ্যমে করেছেন ১৪তম টেস্ট সেঞ্চুরি উদযাপন।

২০২৪ সালের আগস্ট-সেপ্টেম্বরে পাকিস্তান সফরে স্বাগতিকদের টেস্ট সিরিজে হোয়াইট ওয়াশের অতীত সুখস্মৃতিই ফিরতি টেস্ট সিরিজে বুক চিতিয়ে বাংলাদেশকে খেলতে অনুপ্রাণিত করছে। মিরপুর টেস্টে জয়ের রেশটাই সিলেটে স্মরনীয় প্রাপ্তির জন্য উদ্বুদ্ধ করছে শান্ত'র দলকে। এই প্রথম হোমে পাকিস্তানকে হোয়াইট ওয়াশের সুবাস পাচ্ছে বাংলাদেশ দল। দ্বিতীয় দিন শেষে ১৫৬ রানের লিড নিয়ে ড্রাইভিং সিটে উঠে আসা বাংলাদেশ দল তৃতীয় দিনের প্রথম সেশন শেষে ২৪৯ রানের লিড পেয়েছে। তৃতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের স্কোর তৃতীয় দিনের লাঞ্চ ব্রেক পর্যন্ত ২০৩/৪। লিটন ৪৮ এবং মুশফিক ৩৯ রানে ব্যাটিংয়ে আছেন। দিনের প্রথম সেশনে ১ উইকেট হারিয়ে যোগ করেছে বাংলাদেশ ৯৩ রান।
সিলেটে চতুর্থ ইনিংসে ১৭৪-এর বেশি রান তাড়া করে জয়ের অতীত নেই কারো। গত বছরের এপ্রিলে এই রান তাড়া করে ৩ উইকেটে জয়ের রেকর্ডটা জিম্বাবুয়ের। আড়াই বছর আগে সিলেটে ৪র্থ ইনিংসে ৩৩২ রান তাড়া করে বাংলাদেশের কাছে ১৫০ রানে নিউ জিল্যান্ডের হারের সেই অতীত থেকে টনিক নিতে পারে শান্ত এন্ড কোং।
তৃতীয় দিনের প্রথম ঘন্টা নির্বিঘ্নে পার করতে পারেনি বাংলাদেশ। পাকিস্তানের দুই মিডিয়াম পেসার খুররম শেহজাদ এবং মুহাম্মদ আব্বাসের ছোট-ছোট সুইং ডেলিভারি খেলতে সতর্ক থাকতে হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাটারদের। এই ঘন্টায় অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে হারিয়ে বাংলাদেশ যোগ করেছে ৪০ রান।
দিনের দশম ওভারে খুররম শেহজাদকে ক্রস খেলতে যেয়ে এলবিডাব্লুউতে কাটা পড়েছেন শান্ত (৪৬ বলে ১ বাউন্ডারিতে ১৫)। রিভিউ আপীলে লাভ হয়নি। বল ট্র্যাকিংয়ে লেগ স্ট্যাম্পে হিটের ধরা পড়েছে।
১ বল পর লিটন বড় বিপদ থেকে বেঁচে গেছেন। খুররম শেহজাদের বলে স্লিপে ক্যাচ থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন লিটন। ০ রানের মাথায় বেঁচে যাওয়া লিটন খেলছেন লিটনের মতো।
তৃতীয় দিনের দ্বিতীয় ঘন্টাটা অবশ্য ভালই কাটিয়েছে বাংলাদেশ। এই ঘন্টায় উইকেটহীন ৫৩ রান যোগ করেছে শান্ত'র দল। ৫ম উইকেট জুটিতে লিটন-মুশফিক লাঞ্চ ব্রেক পর্যন্ত যোগ করেছে ৮৮ রান।

বিশ্ব ক্রিকেটে বাবর আজম অন্যতম সেরা ব্যাটার হলেও নাহিদ রানা যেন তার সামনে এক গোলকধাঁধার নাম। যার গতি আর বাউন্সের সামনে বারবারই খেই হারিয়ে ফেলছেন তিনি।
এখন পর্যন্ত লাল বলের ক্রিকেটে নাহিদের ৩৯টি বল খেলে বাবর রান করতে পেরেছেন মাত্র ২২। তিন-তিনবার আউট হওয়ায় বাংলাদেশের এই তরুণের সামনে পাকিস্তানি ব্যাটারের ব্যাটিং গড় এখন অবিশ্বাস্যভাবে মাত্র ৭.৩৩! রাওয়ালপিন্ডি থেকে সিলেট—সব মাঠেই বাবরের সামনে যেন এক চেনা ধাঁধার নাম নাহিদ।
নাহিদের সামনে বারবার পরাস্ত হওয়ার পর বাবর আজম নিজেই জানিয়েছেন, বাংলাদেশি এই তরুণের শক্তির জায়গা ঠিক কোথায়। একই সাথে এই ডানহাতি ফাস্ট বোলারের ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনাও জানিয়েছেন তিনি। প্রশংসাও করেছেন মন খুলে। পাকিস্তানি এই ব্যাটারের মতে, টেস্ট ক্রিকেটে এই মুহূর্তে অন্যতম সেরা পেসারদের একজন নাহিদ।
নাহিদের ভূয়সী প্রশংসা করে বাবর বলেন,
‘বর্তমানে লাল বলের ক্রিকেটে দ্রুততম বোলারদের মধ্যে একজন নাহিদ রানা। সে খুব ভালো করছে। আমার মনে হয় সে খুবই প্রতিভাবান এবং গতিই তার প্রধান শক্তির জায়গা। সে দুর্দান্ত এবং বোলিংয়ের ওপর নিয়ন্ত্রণও বেশ ভালো। দিন দিন সে নিজের বোলিংয়ে উন্নতি করছে। ওর ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা রইল।’
বাবর আরও যোগ করেন, ‘নাহিদ খুব মেধাবী ক্রিকেটার। তার দারুণ গতি আছে। সে নিয়মিত উন্নতি করছে, সামনে আরও ভালো করবে। সত্যি বলতে (সিলেটের) পিচ ভালো ছিল, আমাদের বোলাররাও ভালো করেছে। তবে ব্যাটার হিসেবে আমরা আরও দায়িত্ব নিতে পারতাম।’
এখন পর্যন্ত টেস্ট ক্রিকেটে মাত্র তিন ম্যাচে নাহিদ রানার মুখোমুখি হয়ে তিনবারই আউট হয়েছেন বাবর। তবে নিজের কোনো দুর্বলতা মানতে নারাজ সাবেক এই পাকিস্তানি অধিনায়ক।
নাহিদের বিপক্ষে আলাদা কোনো অস্বস্তি আছে কি না—এমন প্রশ্নে বাবর আজম বলেন,
‘আমি তেমনটা মনে করি না। তবে লাল বলের ক্রিকেটে সে (নাহিদ) বর্তমানে অন্যতম সেরা একজন পেস বোলার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যেকোনো দলের বিপক্ষে খেললেই ১৪০ থেকে ১৫০ কিলোমিটার গতিতে বোলিং করা বোলারদের মুখোমুখি হতে হয়। আপনাকে সেই পরিস্থিতি সামলানো জানতে হবে। আমি সবসময়ই আমার স্বাভাবিক খেলাটা খেলার চেষ্টা করি।’

আইপিএলের উদ্বোধনী আসরে ১৪ ইনিংসে ৩১ ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন শ্রীলঙ্কার সাবেক অধিনায়ক সনাৎ জয়াসুরিয়া। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে তাঁর সেই রেকর্ড ১৮ বছর পর ভেঙে দিলেন অস্ট্রেলিয়ার কুপার কোনালি।
ক্যারিয়ারে প্রথম আইপিএলে নাম লিখিয়ে একের পর এক ছক্কা হাঁকিয়ে যাচ্ছেন ২২ বছর বয়সী ব্যাটিং অলরাউন্ডার কোনালি। পাঞ্জাব কিংসের জার্সিতে এখন পর্যন্ত ১২টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। তাতে তাঁর ছক্কার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩২।
রবিবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে ২২ বলে ৩৭ রানের ইনিংস খেলেন কোনালি। যাতে ছিল তিনটি করে ছক্কা ও চার। ঝোড়ো এই ইনিংসের সুবাদে জয়াসুরিয়ার রেকর্ড ভেঙে দেন তিনি।
আসরে ১৬২.৫৪ স্ট্রাইক রেটে এখন পর্যন্ত কনোলির ব্যাট থেকে এসেছে ৪৭৩ রান। দুটি ফিফটির পাশে সেঞ্চুরি একটি। এই মাসের শুরুতে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে ৫৯ বলে ১০৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে আইপিএলের ইতিহাসে বিদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ সেঞ্চুরিয়ান হওয়ার কীর্তি গড়েন তিনি।