
৪৪ বলের সেঞ্চুরিতে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশিদের মধ্যে লিটন দাস হলেন দ্বিতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরির মালিক। দ্রুততম পারভেজ হোসেন ইমনের দখলেই, যা তিনি করেছিলেন ৪২ বলে। তবে যেকোনো স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে সিলেটে এটাই দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড, সঙ্গে বিপিএলে বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যেও।
টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে এ নিয়ে নয় বার এক ইনিংসে দুই সেঞ্চুরিয়ানের দেখা মিলল। তবে প্রথমবার কোনো দুই বাংলাদেশি তাই করে দেখালেন। নিজের আইডল তামিম ইকবালের মতো একাধিক টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি এখন তানজিদ হাসান তামিমের।
আরও পড়ুন
| লিটন-তানজিদের যত রেকর্ড... |
|
২০১৯ বিপিএলে সর্বোচ্চ ৬টা সেঞ্চুরি দেখা গিয়েছিল, এই আসরে এখনই হয়ে গেল ৫ সেঞ্চুরি।
২৪১ রানের জুটি গড়েছেন লিটন-তানজিদ, বিপিএল ইতিহাস তো বটেই, যেকোনো টি-টোয়েন্টিতেই এটা এখন দ্বিতীয় সেরা জুটি। সর্বোচ্চ জাপানের দুই ওপেনারের অপরাজিত ২৫৮।
আর বিপিএল ইতিহাস এই প্রথম দেখল ২৫০ রান পার করা স্কোর, ঢাকার ২৫৪ রান এখন বিপিএলের সেরা দলীয় সংগ্রহ। উল্লেখ্য, এর পরের সর্বোচ্চ ৯ স্কোরের সবকটাই হয়েছে চট্টগ্রামে।
No posts available.
৬ জানুয়ারি ২০২৬, ৪:০৯ পিএম
৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১:২৫ পিএম

মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার পর থেকে দুই দেশের ক্রিকেটাঙ্গনেই তোলপাড় এই ইস্যুতে। এবার পেস বোলিং অলরাউন্ডার তানজিম হাসান সাকিব বললেন, আগামী বছর আইপিএল খেলার জন্য নাম দেওয়ার জন্য চিন্তাভাবনা করে নেবেন তিনি।
অভিজ্ঞ বাঁহাতি পেসারকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনার পর চুপ থাকেনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে ভারত যেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে দেশের ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থা।
এখন আপাতত আইসিসির দুয়ারে আটকে আছে বিষয়টি। সবুজ সংকেত পেলেই বাংলাদেশের সব ম্যাচ হবে শ্রীলঙ্কার মাঠে। বিশ্বকাপ যেখানেই হোক, আগামী বছর আইপিএলে নাম দেওয়া নিয়েও এখন আর আগের মতো আগ্রহী নন সাকিব।
২০২৬ সালের আইপিএল নিলামে মোস্তাফিজের পাশাপাশি, সাকিবসহ নাম দিয়েছিলেন বাংলাদেশের ৬ ক্রিকেটার। তবে মোস্তাফিজ ও তাসকিন আহমেদ ছাড়া আর কারও নামই ওঠেনি নিলামে। এর মধ্যে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে মোস্তাফিজকে কিনে নিয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স।
আরও পড়ুন
| 'ভেন্যু যেখানেই হোক, বিশ্বকাপ খেলতে প্রস্তুত বাংলাদেশ' |
|
কিন্তু এখন পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আর আইপিএল খেলা হবে মোস্তাফিজের। আর এই ঘটনার জেরেই আইপিএল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে চান সাকিব।
সিলেটে মঙ্গলবার রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের অনুশীলন শেষে এই বিষয়ে কথা বলেন তরুণ পেস বোলিং অলরাউন্ডার।
“আইপিএল থেকে উনাকে (মোস্তাফিজ) কেন সরিয়ে দিল বা ইয়ে করল, এটা আসলে আমরা কেউ জানি না। হয়তো রাজনৈতিক ইস্যু হতে পারে। কিন্তু ক্রিকেটে রাজনীতি না আসাই ভালো। আমরা তো চাই... আমরা আসলে রাজনৈতিক দিক দিয়ে চিন্তা করি না।”
“একজন ক্রিকেটার হিসেবে আইপিএল খেলার ইচ্ছা থাকে। ঐ হিসাবে আমরা নাম দেই। তবে পরবর্তী বছর এজেন্টের সঙ্গে কথা বলে বা দেশের যারা আছে তাদের সঙ্গে কথা বলে তারপর আমরা নাম দেবো বা নাম দেবো না।”

অনলাইন ডেস্ক, ঢাকা
ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলবে না বলে আইসিসিকে জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এ ব্যাপারে বিসিবির সঙ্গে আলোচনার কথা রয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির। তারপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। যদি শেষ পর্যন্ত ভেন্যু পরিবর্তন হয়, শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তর হতে পারে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো।
তবে ভেন্যু পরিবর্তন হলেও দলের পারফরম্যান্সে কোনো প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দলে থাকা এ অলরাউন্ডার সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, 'জানি না আসলে কী হবে, যেহেতু আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। আমরা যেকোনো ভেন্যুতেই খেলতে সব সময় প্রস্তুত থাকি। বেশ কিছুদিন আগে শ্রীলঙ্কার কন্ডিশনে আমরা টি-টোয়েন্টি সিরিজ এবং পূর্ণাঙ্গ একটা সিরিজ খেলে এসেছি। আমাদের জন্য আরও অনেক বেশি খাপখাইয়ে নেওয়াটা সুবিধা হবে আশা করি।'
ভেন্যু যেখানেই হোক পারফরম্যান্স করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ দল। সাইফউদ্দিন বললেন, 'তারপরও দেখা যাক আমরা যেকোনো কন্ডিশনে- সেটা ইন্ডিয়াই হোক বা শ্রীলঙ্কাই হোক আমরা সব সময় প্রস্তুত। আর বিশ্বকাপের মতো একটা বড় ইভেন্ট আমরা সব প্লেয়ারই মুখিয়ে আছি খেলার জন্য। এটা যেখানে হোক।'
সবশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দলেও জায়গা হয়নি সাইফউদ্দিনের। দলে ফিরলেও থিতু পারেন না ২৯ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার। ফিটনেসও বিভিন্ন সময় বাধা হয়েছে। ক্যারিয়ারের এই চড়াই-উতরাই নিয়ে সাইফউদ্দিন বললেন, 'জীবন তো, আসলে অনেক লড়াই করতে হয়। সেটা খেলোয়াড় জীবন হোক কিংবা ব্যক্তিগত জীবন হোক। সবসময় চিন্তা করি, আগে হয়তো অনেক বেশি চিন্তা করতাম ক্রিকেট নিয়ে- আমার এই জায়গায় থাকতে হবে। আমার রোলটা ভালোভাবে প্লে করতে হবে। এখন আসলে সেই জায়গা থেকে কিছুটা সরে এসেছি।'
তারপর সাইফউদ্দিনের উপলব্ধি, 'সব সময় চেষ্টা করি নিজেকে ফিট রাখা। যা হওয়ার হবে। মন খুলে ক্রিকেটটা খেলি। তো ইনশাআল্লাহ গত চার-পাঁচ মাস চাচ্ছি যেরকম, সবকিছু হচ্ছে। চেষ্টা করবো এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখার, দলের নিয়মিত হওয়ার।'

ভারতের স্পিনার দিপ্তি শর্মাকে সরিয়ে নারীদের টি-টোয়েন্টি বোলিং র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠেছেন অস্ট্রেলিয়ার পেসার অ্যানাবেল সাদারল্যান্ড। আজ নারীদের সবশেষ হালনাগাদকৃত র্যাঙ্কিং প্রকাশ করেছে আইসিসি।
সাদারল্যান্ডের রেটিং পয়েন্ট ৭৩৬, একধাপ নেমে যাওয়া দিপ্তির রেটিং পয়েন্ট ৭৩৫। গত আগস্টে ৭৩৬ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে প্রথমবার শীর্ষে উঠেছিলেন দিপ্তি।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম টি-টোয়েন্টিতে ৪৩ বলে ৬৮ রানের ইনিংসে ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ে দুই ধাপ এগিয়ে ১৩ নম্বরে উঠে এসেছেন হারমনপ্রিত কৌর (রেটিং ৬৩৪)।
ভারতের বিপক্ষে পঞ্চম টি-টোয়েন্টিতে ৬৫ রানের ইনিংস খেলা শ্রীলঙ্কান ওপেনার হাসিনি পেরেরা ৩১ ধাপ এগিয়ে র্যাঙ্কিংয়ের ৪০তম স্থানে উঠে এসেছেন (রেটিং ৪৯০)।
ওই ম্যাচে ফিফটি করা ইমেশা দুলানি মাত্র ৬ ম্যাচ খেলেই ৭৭ ধাপ এগিয়ে প্রথমবারের মতো সেরা ১০০ তে জায়গা করে নিয়েছেন।
এদিকে অলরাউন্ডার র্যাঙ্কিংয়ে তৃতীয় স্থান ধরে রেখেছেন দিপ্তি শর্মা (রেটিং ৩৮২)। অরুন্ধুতি রেড্ডি ২১ ধাপ এগিয়ে ৪৪তম স্থানে উঠে এসেছেন।

ভারতীয় ক্রিকেটে হানা দিলো ডোপিংয়ের কালো থাবা। ডোপিং টেস্টে ধরা পড়ে গেছেন উত্তরাখণ্ডের বাঁহাতি পেসার রাজন কুমার। তার ডোপ পরীক্ষায় তিনটি নিষিদ্ধ উপাদান শনাক্ত হয়েছে।
ভারতের জাতীয় অ্যান্টি-ডোপিং সংস্থা (নাডা) তাকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে। দেশটির বার্তা সংস্থা পিটিআই এই খবর জানিয়েছে।
২৯ বছর বয়সী রাজন কুমারের ডোপ নমুনায় অ্যানাবলিক স্টেরয়েড ড্রোস্টানোলোন ও মেটেনোলোনের পাশাপাশি ক্লোমিফিন পাওয়া গেছে। সাধারণত নারীদের বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয় ক্লোমিফিন। পুরুষদের ক্ষেত্রে টেস্টোস্টেরন পুনরুদ্ধারে সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে এটি।
রাজন সর্বশেষ খেলেছেন গত বছরের সৈয়দ মুস্তাক আলী ট্রফিতে। গত ৮ ডিসেম্বর আহমেদাবাদে গ্রুপ ‘ডি’-র ম্যাচে দিল্লির বিপক্ষে উত্তরাখণ্ডের হয়ে মাঠে নেমেছিলেন তিনি। এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কোনও বক্তব্য দেননি রাজন কুমার।
আরও পড়ুন
| ‘তিন-চার বছরের মধ্যে সেরা ছন্দে মাহমুদউল্লাহ’ |
|
অন্যান্য খেলার তুলনায় ক্রিকেটে ডোপিংয়ের ঘটনা তুলনামূলকভাবে বিরল। ভারতে সর্বশেষ আলোচিত ডোপিং কাণ্ড ঘটেছিল ২০১৯ সালে, যখন ব্যাটসম্যান পৃথ্বী শ ডোপ পরীক্ষায় পজিটিভ হন। নিষিদ্ধ উপাদান টারবিউটালিন গ্রহণের দায় স্বীকার করে তিনি দাবি করেছিলেন, এটি অনিচ্ছাকৃত।
সে সময় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড তাকে আট মাসের জন্য নিষিদ্ধ করেছিল। এছাড়া ২০২০ সালে মধ্য প্রদেশের অলরাউন্ডার অংশুলা রাও ডোপিং কাণ্ডে জড়ান।
সামগ্রিকভাবে ক্রীড়াঙ্গনে ভারতের ডোপিং রেকর্ড উদ্বেগজনক। বিশ্ব অ্যান্টি-ডোপিং সংস্থা (ওয়াডা) প্রকাশিত বার্ষিক পরীক্ষার পরিসংখ্যানে টানা তিন বছর ধরে সবচেয়ে বেশি ডোপিং অপরাধীর তালিকার শীর্ষে রয়েছে ভারত।
ভারত ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমস আয়োজন করতে যাচ্ছে আহমেদাবাদে এবং একই শহরে ২০৩৬ অলিম্পিক আয়োজনের জন্যও বিড করছে। এই প্রেক্ষাপটে ডোপিংয়ের মতো বিষয় ক্রীড়াক্ষেত্রে দেশের ভাবমূর্তির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

অ্যাশেজ সিরিজের শেষ ম্যাচেও দাপট অব্যাহত অস্ট্রেলিয়ার। ট্রাভিস হেড ও স্টিভেন স্মিথের সেঞ্চুরিতে সিডনি টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে রান পাহাড়ে চড়েছে স্বাগতিকরা। প্রথম তিন ম্যাচের পর শেষটিতেও কোণঠাসা অবস্থায় ইংল্যান্ড।
তিন দিন শেষে প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৭ উইকেটে ৫১৮ রান। ইংল্যান্ডের করা ৩৮৪ রান টপকে এরই মধ্যে ১৩৪ রানে এগিয়ে গেছে তারা। চতুর্থ দিনে লিড আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে খেলতে নামবে এরই মধ্যে সিরিজ জিতে যাওয়া দলটি।
অস্ট্রেলিয়ার বড় পুঁজির কারিগর হেড ও স্মিথ। ক্যারিয়ারের ১২তম সেঞ্চুরি করে ১৬৩ রান করে আউট হয়েছেন হেড। তবে দিন শেষে ১২৯ রানে অপরাজিত রয়েছেন ৩৭তম সেঞ্চুরি করা স্মিথ। তার সঙ্গে ৪২ রানে নতুন দিন শুরু করবেন বাউ ওয়েবস্টার।
২ উইকেটে ১৬৬ রান নিয়ে মঙ্গলবারের খেলা শুরু করে অস্ট্রেলিয়া। দাপুটে ব্যাটিংয়ে এদিন ৯০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ৩৫২ রান করে তারা।
এরই মধ্যে ইনিংসে ৭টি পঞ্চাশছোঁয়া জুটি গড়েছে অস্ট্রেলিয়া। অ্যাশেজ ইতিহাসে এক ইনিংসে এর চেয়ে বেশি পঞ্চাশ রানেই জুটির নজির নেই। এর আগে ভিন্ন ৬টি ইনিংসে ৬টি করে পঞ্চাশছোঁয়া জুটি দেখা গেছে অ্যাশেজে।
তবে বিশ্বরেকর্ড এখনও গড়তে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। ২০০৭ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই ৮টি পঞ্চাশছোঁয়া জুটি গড়েছিল ভারত। সেটি ছুঁতে পরের দুই উইকেটের মধ্যে অন্তত একটি পঞ্চাশ রানের জুটি লাগবে অস্ট্রেলিয়ার।
দিনের প্রথম সেশনে শুধু নাইটওয়াচম্যান হিসেবে খেলতে নামা মাইকেল নেসারের উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। ৭২ রানের জুটি গড়ে ৭২ বলে ২৪ রান করেন নেসার। এরপর দলকে এগিয়ে নেন স্মিথ ও হেড। মাত্র ১০৫ বলে সেঞ্চুরি করেন হেড।
একই ছন্দে ১৫২ বলে দেড়শ রান পূর্ণ করে ফেলেন বাঁহাতি ওপেনার। অ্যাশেজ ইতিহাসে চতুর্থ দ্রুততম দেড়শ রানের রেকর্ড এটি। তবে লাঞ্চের পর আর টিকতে পারেননি তিনি। ২৪ চার ও ১ ছক্কায় ১৬৬ বলে ১৬৩ রান করে ফেরেন হেড।
এরপর ব্যাটিংয়ে নামেন বিদায়ী টেস্ট খেলতে নামা উসমান খাজা। তবে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি তিনি। ব্রাইডন কারসের লো ফুল টস ব্যাটে খেলতে না পেরে এলবিডব্লিউ হন অভিজ্ঞ ব্যাটার। রিভিউ নিয়েও লাভ হয়নি ১৭ রান করা খাজার।
পরে অ্যালেক্স কেয়ারিও ফেরেন দ্রুত। সিরিজে তৃতীয়বারের মতো লেগ স্লিপে ক্যাচ দেন উইকেটরক্ষক-ব্যাটার।
দলের ওপর বেশি চাপ আসতে দেননি স্মিথ। ক্যামেরন গ্রিনের সঙ্গে সপ্তম উইকেটে তিনি গড়েন আরও ৭১ রানের জুটি। আলগা শটে ক্যাচ আউট হয়ে ফেরেন ৩৭ রান করা গ্রিন। দিনের বাকি অংশে আর বিপদ ঘটতে দেননি স্মিথ ও ওয়েবস্টার।
দারুণ ব্যাটিংয়ে সিডনির মাঠে পঞ্চম, অ্যাশেজে ১৩তম ও সব মিলিয়ে ৩৭তম সেঞ্চুরি করেন স্মিথ। এই সেঞ্চুরির সৌজন্যে অ্যাশেজ ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান ও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক হয়ে গেছেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক।