৯ জানুয়ারি ২০২৫, ৪:৩১ পিএম

ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে সরাসরি লাল কের্ড দেখে শেষ পর্যন্ত দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। যা নিয়ে চলছে পক্ষে-বিপক্ষে নানা মত। রিয়াল মাদ্রিদ কোচ কার্লো আনচেলত্তির চোখে ভিনিসিয়ুসের শাস্তি সঠিক হয়নি। তবে বিপরীত মত বার্সেলোনা ডিফেন্ডার ইনিগো মার্তিনেজের। তার মতে, শাস্তির পরিমাণটা কমই হয়ে গেছে রিয়াল তারকার।
লা লিগার ম্যাচে ভ্যালেন্সিয়া গোলকিপার স্তোল দিমিত্রিয়েভস্কিকে ধাক্কা দিয়ে লাল কার্ড দেখেছিলেন ভিনিসিয়ুস। একই ধরনের কাণ্ডে কয়েক বছর আগে লাল কার্ড দেখতে হয়েছিল বার্সেলোনা ডিফেন্ডার ইনিগো মার্তিনেজকে। তবে সেবার তিনি নিষেধাজ্ঞা পেয়েছিলেন ৪ ম্যাচের। তাই বার্সা ডিফেন্ডারের কাছে ভিনিসিয়ুসের শাস্তিটা অন্যায্য মনে হচ্ছে।
আরও পড়ুন
| স্টেডিয়াম সংস্কার করতে মেসির ‘লকার’ নিলামে তুলল বার্সা |
|
স্প্যানিশ সুপার কাপের সেমিফাইনালে অ্যাথলেটিক বলবাওকে হারানোর পর সাংবাদিকদের সাথে আলাপচারিতায় তাই হতাশাই প্রকাশ করেছেন তিনি।
“আমার কাছে এটা ঠিকঠাক মনে হয়নি। কয়েক বছর আগে এর থেকেও ছোটো ঘটনায় আমাকে চার ম্যাচের জন্য নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল। কি আর করার। কিছু জিনিস আমাদের হাতে থাকে না।”
বিতর্ক ছড়ানো এই লাল কার্ড নিয়ে ভ্যালেন্সিয়া ম্যাচ শেষে আপত্তি করেছিলেন আনচেলত্তি। বলেছিলেন, নিষেধাজ্ঞা আসলে সেটা বাড়াবাড়িই হবে। তবে রিয়াল কোচের কথা খুব একটা কানে নেয়নি রয়্যাল স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন (আরএফইএফ)। দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি জরিমানাও করা হয়েছে ব্রাজিলিয়ান এই ফরোয়ার্ডকে।
আরও পড়ুন
| এক রাতে দুই সুখবর বার্সেলোনার |
|
যা সঠিক সিদ্ধান্ত হয়নি বলেই মনে করছেন আনচেলত্তি। সেই সাথে ভিনিসিয়ুসের সমালোচনার আগে তার দিক বিবেচনার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি।
“ভিনিসিয়ুস হওয়াটা মোটেও সহজ কাজ না। আমি এখনো মনে করি তার দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা সঠিক হয়নি। তাকে আমাদের সাথে পাওয়া খুবই দারুণ। মানুষ যা ইচ্ছে বলতে পারে। আমরা শুধু উস্কানির অংশটুকুই দেখি কিন্তু তাকে যে পরিমাণ অপমান সহ্য করতে তা খুব একটা কেউই দেখে না।”
রিয়াল সমর্থকরা অবশ্য স্বস্তি পাওয়ার কথা। কারণ, ভিনিসিয়ুসের নিষেধাজ্ঞাটা কেবল লিগ ম্যাচের ক্ষেত্রেই রেখেছে আরএফইএফ। তাতে বৃহস্পতিবার রাতে স্প্যানিশ সুপার কাপের সেমিফাইনালে মায়ার্কোর সাথে খেলতে বাধা নেই ব্রাজিলিয়ান তারকার। তবে লা লিগায় লাস পালমাস ও রিয়াল ভায়োদোলিদের বিপক্ষে ম্যাচে পাওয়া যাবে না ফিফার বর্ষসেরা খেলোয়াড় ভিনিকে।
No posts available.
২৮ এপ্রিল ২০২৬, ৯:৫২ এম
২৭ এপ্রিল ২০২৬, ৮:২৪ পিএম

মৌসুম শেষে আলভারো আরবেলোয়ার বিদায় অনেকটাই নিশ্চিত। এরপর রিয়াল মাদ্রিদের ডাগআউটের গুরুদায়িত্বের ভার কে নিতে পারেন সেটা নিয়েই এখন যত জল্পনা-কল্পনা। কখনও সাবেক কোচ হোসে মরিনিয়ো কখনও আবার ইয়র্গেন ক্লপের মতো অভিজ্ঞ কোচের নাম শোনা যাচ্ছে। এবার এ তালিকায় নতুন চমক লিওনেল স্কালোনি। আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী এই কোচের সঙ্গে নাকি এরমধ্যে যোগাযোগও করেছে রিয়াল, এমনটাই জানিয়েছে একাধিক স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম।
স্পেনের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, রিয়াল মাদ্রিদের পরবর্তী কোচ হওয়ার দৌড়ে লিওনেল স্কালোনিকে অন্যতম শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। স্প্যানিশ সাংবাদিক মানোলো লামা 'কাদেনা কোপ' কে জানিয়েছেন, সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর ক্লাবটি ইতিমধ্যেই আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের এই কোচের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। 'এল টারটুলিয়ন' প্রোগ্রামে লামা বলেন, ‘আমি আপনাদের নিশ্চিত করে বলতে পারি যে, রিয়াল মাদ্রিদ স্কালোনির সাথে যোগাযোগ করেছে।’
৪৭ বছর বয়সী লিওনেল স্কালোনি আর্জেন্টিনাকে কোপা আমেরিকা এবং বিশ্বকাপ জেতানোর পর থেকে বিশ্ব ফুটবলে নিজের অবস্থানকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। আন্তর্জাতিক ফুটবলে অন্যতম সেরা কৌশলী হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন তিনি। বিশেষ করে লিওনেল মেসির মতো বড় মাপের তারকাদের সামলানোর যে দক্ষতা তিনি দেখিয়েছেন, আর সেটাই রিয়াল মাদ্রিদ বোর্ডকে বিশেষভাবে আকৃষ্ট করেছে।
গত কয়েক বছরে আর্জেন্টিনাকে অভাবনীয় সাফল্য এনে দিয়েছেন স্কালোনি। ২০২৬ বিশ্বকাপ পর্যন্ত আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ রয়েছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্লাবটির পরিকল্পনা হলো বিশ্বকাপের পরেই তাকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া।
রিয়াল মাদ্রিদের সম্ভাব্য কোচের তালিকায় স্কালোনি ছাড়াও আরও বেশ কয়েকজনের নাম শোনা গেলেও, তবে আর্জেন্টাইন কোচের প্রোফাইল রিয়াল মাদ্রিদ কর্তৃপক্ষের বিশেষ নজর কেড়েছে। তবে এই গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লেও আর্জেন্টিনা কোচ সম্প্রতি জানিয়েছেন, তাঁর পুরো মনোযোগ এখন আসন্ন বিশ্বকাপকে ঘিরে এবং টুর্নামেন্টের পরের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি এখনই কিছু ভাবছেন না।
আরও পড়ুন
| পিএসজির চেয়ে সেরা কোনো ক্লাব নেই: বায়ার্ন ম্যাচের আগে এনরিকে |
|
গত মার্চে এক সংবাদ সম্মেলনে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে স্কালোনি বেশ কৌশলী ভূমিকা পালন করেন। এখনই কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি এখন সামনে কী আসছে তা নিয়ে ভাবছি; খুব বেশি দূরের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবা আমার অভ্যাস নয়। আমার মনে হয় এখনই এটা নিয়ে চিন্তা করা ঠিক হবে না, কারণ এটি বর্তমান কাজ থেকে মনোযোগ সরিয়ে দেয়।’
রিয়াল মাদ্রিদ বর্তমানে এক চরম অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। লা লিগায় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনার চেয়ে ১১ পয়েন্টে পিছিয়ে থাকায় এবং এই মৌসুমে জেতার মতো আর কিছু অবশিষ্ট না থাকায়, কোচ আরবেলোয়ার ওপর চাপ এখন তুঙ্গে। শুরু থেকেই আরবেলোয়ার নিয়োগকে একটি 'অস্থায়ী ব্যবস্থা' হিসেবে দেখা হচ্ছিল। তাই মাদ্রিদের নীতিনির্ধারকরা এখন সক্রিয়ভাবে একজন হাই-প্রোফাইল কোচের সন্ধানে নেমেছেন।
সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর এই শূন্য পদের জন্য ইতিমধ্যেই বেশ কিছু বড় নাম শোনা যাচ্ছে। ক্লাব প্রেসিডেন্ট ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের সংক্ষিপ্ত তালিকায় সেস্ক ফ্যাব্রেগাস, ইয়ুর্গেন ক্লপ এবং এমনকি ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশমও রয়েছেন বলে গুঞ্জন রয়েছে। তবে সবশেষ যে নামটি সামনে এসেছে, তা ফুটবল বিশ্বকে সবচেয়ে বেশি চমকে দিয়েছে।

জুভেন্টাস ম্যাচে মুখে মারাত্মক আঘাতের ফলে সিরি’আ লিগে মৌসুমের বাকি ম্যাচগুলোতে খেলা হবে না ক্রোয়েট মিডফিল্ডার লুকা মদরিচের।
সোমবার ক্রোয়েশিয়ান গণমাধ্যম ‘স্পোর্টসকে নভোস্তি’ জানিয়েছে, লুকা মদরিচের গালের হাড়ে জোড়া ফাটল ধরা পড়েছে। এসি মিলানের হয়ে তার এই মৌসুম শেষ হয়ে গেছে।
বিশ্বকাপের আগে এই চোটের খবর বেশ উদ্বেগজনক হলেও ধারণা করা হচ্ছে, সুরক্ষামূলক মাস্ক পরেই মাঠে নামবেন মদরিচ। তবে তার সুস্থ হতে কেমন সময় লাগবে বা অস্ত্রোপচার প্রয়োজন কি না, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
জুভেন্টাসের বিপক্ষে ম্যাচে লোকাত্যাল্লির সঙ্গে সংঘর্ষে মুখে প্রচণ্ড আঘাত পান মদরিচ। সঙ্গে সঙ্গে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। মাঠ ছাড়ার সময় মচরিচের মুখে বরফ দেওয়া ছিল।

আরও একটি মাহেন্দ্রক্ষণের সামনে দাঁড়িয়ে প্যারিস সেন্ট জার্মেইন (পিএসজি) তথা লুইস এনরিকে। ফরাসি জায়ান্টদের মতো স্প্যানিশ মাস্টারমাইন্ডের সামনেও অপেক্ষমান ইউরোপসেরা টুর্নামেন্ট ইউয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল। শিরোপার মঞ্চের বড় প্রতিবন্ধক—সেমিফাইনালে (ফাস্ট লেগ) আগামীকাল বায়ার্ন মিউনিখের মুখোমুখি হবে পিএসজি।
পিএসজির ঘরের মাঠ পার্ক দে প্রাঁসে বাংলাদেশ সময় রাত একটার ম্যাচ পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেছেন পিএসজি বস এনরিকে। তার মতে, ইউরোপের সেরা দুইটি দল—পিএসজি ও বায়ার্ন। তবে পিএসজির চেয়ে কোনো দলই সেরা এবং ধারাবাহিক নয়।
এনরিকে বলেন,
‘আর্সেনাল দুর্দান্ত একটি মৌসুম কাটালেও বর্তমানে ইউরোপের সেরা দুটি দল হলো এই বায়ার্ন ও পিএসজি। আর ধারাবাহিকতার দিক থেকে বায়ার্ন হয়তো আমাদের চেয়ে সামান্য এগিয়ে থাকতে পারে। কিন্তু আমরাও প্রমাণ করেছি যে, কোনো দলই আমাদের চেয়ে সেরা নয়।’
২০২৩ সালে এনরিকে কোচ হওয়ার পর এ নিয়ে টানা তিনবার সেমিফাইনালে উঠেছে পিএসজি। গত মৌসুমে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতার পর এবার তারা টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখছে। নকআউট পর্বের আগের দুই রাউন্ডে চেলসি ও লিভারপুলকে হারিয়ে এই পর্যায়ে পৌঁছেছে তারা।
এনরিকে বলেন,
‘সেমিফাইনালে ওঠাটা আনন্দের এবং আমরা এর যোগ্য। এই পর্যায়ে আসতে হলে উচ্চাকাঙ্ক্ষী হতে হয় এবং আমার মনে হয় আমাদের তা আছে। আমরা আরও সামনে এগিয়ে যেতে চাই।’
গত মৌসুমের শুরু থেকে এ পর্যন্ত পিএসজি ও বায়ার্ন তিনবার মুখোমুখি হয়েছে। ২০২৪ সালের নভেম্বরে লিগ পর্বে বায়ার্ন ১-০ গোলে জিতেছিল। এরপর গত জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পিএসজি ২-০ গোলে জয় পায়। তবে সর্বশেষ নভেম্বরে প্যারিসের মাটিতে বায়ার্ন ২-১ গোলে জয়ী হয়েছিল। সর্বোপরি এনরিকে জানান, সবাই এখন প্রস্তুত।

বাংলাদেশ ফেডারেশন কাপের ‘এ’ গ্রুপে ভিন্ন দুই ম্যাচে আগামীকাল রেকর্ড শিরোপাধারী ঢাকা আবাহনীর মুখোমুখি হবে পিডব্লিউডি স্পোর্টিং ক্লাব এবং রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস সোসাইটির প্রতিপক্ষ ফকিরেরপুল ইয়ংমেন্স ক্লাব। মঙ্গলবার দুপুর পৌনে তিনটায় শুরু হবে ম্যাচ দুটি। সরাসরি সম্প্রচার করবে দেশের একমাত্র স্পোর্টস চ্যানেল টি-স্পোর্টস।
বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনাতে আকাশী-হলুদদের প্রতিপক্ষ পিডব্লিউডি। কুমিল্লার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে শুরু হওয়া ম্যাচে টেবিলের দুইয়ে থাকা রহমতগঞ্জের মুখোমুখি হবে গ্রুপের তলানিতে থাকা ফকিরেরপুল ইয়ংমেন্স।
বাংলাদেশ ফুটবল লিগে (বিএফএল) টানা পাঁচ জয়ে দ্বিতীয়স্থান অর্জন করা সাবেক চ্যাম্পিয়ন আবাহনী ফেড কাপে বেশ বেকাদায়। এখন পর্যন্ত একটি করে জয়, পরাজয় এবং হার তাদের। গত ২৫ ডিসেম্বর নিজেদের প্রথম ম্যাচে ফকিরেরপুল ইয়ংমেন্সের বিপক্ষে ৪-২ ব্যবধানে জয়ের পর ‘এ’ গ্রুপের শীর্ষ দল ব্রাদার্সের কাছে ১-০ ব্যবধানে হেরে বসে তারা। আশার দিক হচ্ছে, গত ১০ মার্চ অর্থাৎ নিজেদের সবশেষ ম্যাচে রহমতগঞ্জের বিপক্ষে পয়েন্ট ভাগাভাগিতে এখনও আশা টিকে আছে মারুফুল হকের দলের।
পিডব্লিউডি কেবল খাতা কলমে টিকে আছে। কারণ, এক গ্রুপ থেকে কেবল দুটি দলের প্লে-অফে ওঠার সুযোগ রয়েছে। সে হিসেবে অবস্থান পোক্ত ব্রাদার্স ইউনিয়নের। এক ড্রয়ের বিপরীতে তিন জয়ে তাদের পয়েন্ট ১০। দ্বিতীয় স্থানে থাকা রহমতগঞ্জ থেকে তারা পাঁচ পয়েন্ট এগিয়ে।
রহমতগঞ্জের ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছে আবাহনী। রহমতগঞ্জের পয়েন্ট ৫। ২ ড্র এবং ১ জয় তাদের। তবে আগামীকাল সহজ প্রতিপক্ষ ফকিরেরপুলের বিপক্ষে পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করতে পারলে যদি-কিন্তু ছাড়াই দ্বিতীয় দল হিসেবে প্লে-অফের টিকিট কাটবে রহমতগঞ্জ।
আবাহনীর জন্য আগামীকালকের ম্যাচটি অনেকটা ডু অর ডাই। শুধু জিতলেই আশা বেঁচে থাকবে না। তাকিয়ে থাকতে হবে রহমতগঞ্জ ও ফকিরেরপুলের ম্যাচের দিকেও। টেবিলে মাত্র এক জয় এক ড্রয়ে ৫ পয়েন্ট আদায় করা আবাহনী কাল পূর্ণ তিন পয়েন্ট অর্জন করলে তাদের পয়েন্ট গিয়ে দাঁড়াবে ৭। আর যদি রহমতগঞ্জও একই সময়ে অনুষ্ঠিত হওয়া ম্যাচে পূর্ণ তিন পয়েন্ট অর্জন করে, তাদের পয়েন্ট গিয়ে দাঁড়াবে ৯। সেক্ষেত্রে জিতেও আখের লাভ কিছুই হবে না। বরং নিজেদের জয়ের পাশাপাশি রহমতগঞ্জের হার অথবা ড্র কামনা করতে হবে মারুফুল হকের দলের।

লিডস ইউনাইটেডের বিপক্ষে এফএ কাপের সেমিফাইনালে চেলসিকে জেতানোর মূল কারিগর ছিলেন এনজো ফার্নান্দেজ। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে গোল করে দলকে জেতানো এই আর্জেন্টাইন তারকার এখন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। গতকাল ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে এবং জয়সূচক গোলটি করেন এনজো।
কয়েকদিন আগেই রিয়াল মাদ্রিদের প্রশংসা করায় এনজোকে দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ করেছিল চেলসি ক্লাব কর্তৃপক্ষ। মাঠে ফিরেই অসাধারণ গোলে কড়া জবাব দিয়েছেন আর্জেন্টাইন তারকা।
আরও পড়ুন
| অনুশীলনে নেই নেইমার, সান্তোসে চাপা আতঙ্ক |
|
দলের নিয়মিত অধিনায়ক রিস জেমসের অনুপস্থিতিতে আর্মব্যান্ড ছিল এনজোর হাতে। চেলসির মাঝমাঠে ময়েসেস কাইসেদো ও রোমিও লাভিয়ার কিছুটা ওপরে আক্রমণাত্মক ভূমিকায় খেলছিলেন তিনি। নিজের নতুন এই পজিশনে কতটা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারেন, তা ম্যাচের একমাত্র গোলটি করার মাধ্যমেই স্পষ্ট হয়েছে। এ মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এটি তাঁর ১৩তম গোল।
ম্যাচ শেষে চেলসির অন্তর্বর্তীকালীন কোচ ক্যালাম ম্যাকফারলেন প্রশংসায় ভাসালেন শিষ্য এনজোকে, ‘এনজো একজন জাত বিজয়ী। তার মধ্যে ফুটবলের দারুণ প্রতিভা ও লড়াকু মানসিকতা রয়েছে। সে দলের জন্য বিশাল এক শক্তি। তার সবচেয়ে বড় গুণ হলো, সে সব ধরনের কাজ করতে পারে। যখন খেলা কঠিন হয়ে পড়ে, তখন তার ভেতরের লড়াইটা দেখা যায়।’
মাঠের কৌশল নিয়ে ম্যাকফারলেন বলেন, ‘আমরা এনজোর গোল করার সক্ষমতার ওপর অনেক ভরসা করি। গত কয়েক বছরে সে বিভিন্ন পজিশনে খেলেছে। কখনও নিচে নেমে খেলা নিয়ন্ত্রণ করেছে, আবার কখনও আক্রমণভাগে। সে বক্সের ভেতর প্রতিপক্ষের জন্য সবসময়ই ত্রাস। বিশেষ করে ডান দিক থেকে আক্রমণ এলে তার সঠিক সময়ে বক্সে ঢুকে পড়া এবং নিখুঁত হেডিং কৌশল সত্যিই অসাধারণ।’
ম্যাচ সেরা হওয়া এনজোর প্রশংসা করার পাশাপাশি কোচ রক্ষণভাগ নিয়ে নিজের কঠিন সিদ্ধান্তের কথাও জানান। জোরেল হাটো ফর্মে থাকা সত্ত্বেও অভিজ্ঞ তোসিন আদাবায়োকে কেন খেলানো হলো—এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘এটি আমার জন্য অন্যতম কঠিন সিদ্ধান্ত ছিল। হাটো গত কয়েকটি ম্যাচে সেরা খেলেছে, কিন্তু প্রতিপক্ষের আকাশপথের আক্রমণ ও সেট পিস সামলানোর জন্য তোসিনই ছিল সেরা পছন্দ। সে একজন দারুণ নেতা।’
লিডস ইউনাইটেডকে হারিয়ে চেলসি এখন এফএ কাপের শিরোপার খুব কাছে। আগামী ১৬ মে ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে শিরোপা লাড়াইয়ে মাঠে নামবে ব্লুজরা।