১৫ নভেম্বর ২০২৪, ৬:২৩ পিএম

পেশাদার ফুটবলে পা রাখার পর থেকে নিজেকে কেবলই নিয়ে গেছেন নতুন নতুন উচ্চতায়। কিলিয়ান এমবাপের জন্য তাই ক্যারিয়ারের এই সময়টা ভীষণ কঠিন। কারণ, রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার পর থেকে সময়টা খুব ভালো কাটছে না। ফিট থেকেও টানা দুই দফায় আছেন জাতীয় দলের বাইরে। ফরাসি তারকার বিষয়টি কিছুটা হলেও ধরতে পারছেন দিদিয়ে দেশম। ফ্রান্স কোচের মতে, শারীরিক ও মানসিক দুই সমস্যাতেই ভুগছেন রিয়াল তারকা।
গত মাসে চোটে থাকা অবস্থায় ফ্রান্সের ম্যাচের দল থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন এমবাপে। এরপর সুস্থ হয়ে খেলেন রিয়ালের দুটি ম্যাচ। তাতে দেশের মাটিতে পড়েন তীব্র সমালোচনার মুখে। আর এবারের আন্তর্জাতিক বিরতিতে তিনি খেলতে চাইলেও দেশম রাখেননি স্কোয়াডে। এই ঘটনা এমন এক সময়ে, যেখানে এল ক্লাসিকোতে বাজে পারফরম্যান্স সহ গোলখরা নিয়ে ভীষণ চাপের মুখেই আছেন ফরাসি ফরোয়ার্ড।
আরও পড়ুন
| আরও একবার ফ্রান্স দলের বাইরে এমবাপে, কোচের সাথে দ্বন্দের আভাস? |
|
ইসরায়েলের সাথে ইউয়েফা নেশন্স লিগের গোলশূন্য ড্রয়ের পর এমবাপের থাকা প্রসঙ্গে দেশম বলেন, সময়টা মোটেও ভালো যাচ্ছে না বিশ্বকাপ জয়ী এই তারকার। “তিনি এখানে থাকতে চেয়েছিলেন। আমি মনে করি এই মুহুর্তে তার জন্য (ফ্রান্স দলে) না থাকাটাই শ্রেয়। সবাইকেই একটা কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। এখানে শারীরিক ও মানদিক দুটি দিকই আছে।”
চলতি মৌসুমে রিয়ালের হয়ে সেভাবে আলো ছড়াতে পারছেন না এমবাপে। স্প্যানিশ ক্লাবটির হয়ে নিজের সবশেষ সাত ম্যাচে মাত্র একটি গোল করেছেন সাবেক পিএসজি তারকা। আর জাতীয় দলের হয়ে গত জুন মাসের পর পাননি জালের দেখা।
আরও পড়ুন
| নৈশক্লাবে এমবাপে কী করছেন, তা নিয়ে চিন্তা নেই ফ্রান্স কোচের |
|
দেশম আশাবাদী, শীঘ্রই ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন এমবাপে।
“এটা সত্যি যে সে এখন একটা কঠিন পরিস্থিতিতে আছেন। বলার অপেক্ষা রাখে না, তিনি এমন একটি সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, যা তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে ভালো সময় নয়।”
No posts available.
৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৮:১৫ পিএম
৮ জানুয়ারি ২০২৬, ২:৫৮ পিএম
৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:০২ পিএম

শেষ হয়েছে নারী ফুটবল লিগের তৃতীয় রাউন্ডের খেলা। দুই ম্যাচ খেলে শতভাগ জয় ফরাশগঞ্জ স্পোর্টিং ক্লাবের। তবে দুশ্চিন্তাও আছে পুরান ঢাকার ক্লাবটির। ৪ জানুয়ারি কাচারিপাড়া একাদশের বিপক্ষে ২৩-০ গোলে জেতা ম্যাচে হাতাহাতিকান্ডে লাল কার্ড দেখে দুই ম্যাচের জন্য ছিটকে গেছেন দলটির তারকা দুই ফুটবলার তহুরা খাতুন ও মনিকা চাকমা। লিগে ক্লাবের হয়ে প্রত্যাশা, নতুন ক্লাবে অভিজ্ঞতা এবং সেই ম্যাচের কী হয়েছিল সেসব নিয়ে টি-স্পোর্টসের সঙ্গে কথা বলেছেন ফরাশগঞ্জের জাতীয় দলের অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার মনিকা।
টি-স্পোর্টস : এক সপ্তাহের বেশি হয়ে গেছে ফরাশগঞ্জে আছেন। এখন কি মনে হয় সিদ্ধান্তটা ঠিক ছিল নাকি...
মনিকা : অবশ্যই ঠিক ছিল। এখানে আমরা আছি। ওনারা দল নিয়ে, খেলোয়াড় নিয়ে অনেক প্রফেশনাল। এখন পর্যন্ত আমাদের অভিজ্ঞতা বেশ ভালো। আমাদের যা যা দরকার বা যা চাই সেটা স্যারেরা (ক্লাব কর্মকর্তা) ফুলফিল করছেন। তো কোন কিছুতেই কমতি রাখছেন না।
টি-স্পোর্টস : ফরাশগঞ্জের হয়ে খেলার সিদ্ধান্তটা নিলেন কেন, অন্য কোন ক্লাবে না কেন?
মনিকা : অন্য কোন ক্লাবে বলতে... শুরু থেকে একটা ক্লাবের সঙ্গে আমাদের কথা হচ্ছিল। পরবর্তীতে তাদের সঙ্গে আমাদের আর কথাবার্তা এগোয়নি। পরবর্তীতে ফরাশগঞ্জ ক্লাবে থেকে আমাদেরকে বলছিল খেলার জন্য। আমরাও সিদ্ধান্ত নিলাম বসে থাকার চেয়ে খেলাটাই ভালো হবে। আর জানি যে ফরাশগঞ্জ হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী এবং অনেক পুরনো ক্লাব। ওরা আগে প্রিমিয়ার লিগে অনেক ভালো করছে। ফয়সাল স্যারও বলছিলেন যে উনি এক সময় ফরাশগঞ্জের হয়ে খেলছেন। তো এখান থেকেও আগ্রহ হলাম আর কি।
টি-স্পোর্টস : কাচারিপাড়ার বিপক্ষে ২৩-০ গোলে জয়টি বাংলাদেশ নারী ফুটবল লিগের ইতিহাসে রেকর্ড ব্যবধানের জয়। এর আগে নাসরিন স্পোর্টস একাডেমির হয়ে ১৯-০ গোলের জয়ের রেকর্ড গড়া ম্যাচেও ছিলেন আপনি। কেমন লাগছে?
মনিকা : যত গোল দিতে পারবো ততই ভালো লাগবে, এটা আমাদের এক সময় এগিয়ে দিতে পারে লিগে। অন্য দলগুলোও শক্তিশালী। তবে এটা (গোল) তো আসলে বলে হয় না। আমরা তো এটা নিয়ে কোন দিন চিন্তাও করি নাই সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড গড়ে জিতবো। এটা আমাদের মাথায় আছে যে গোল নিয়ে ভাবলেই হবে না। আসল লক্ষ্য ম্যাচ বাই ম্যাচ খেলা।
টি-স্পোর্টস : একটু ৪ জানুয়ারির ম্যাচে আসি। মাঠে আসলে সেদিন কী ঘটেছিল?
মনিকা : আমরা শুরু থেকে দেখছিলাম ওরা (কাচারিপাড়া একাদশ) উইদাউট বলে মারতেছে। ওদের কোচিং স্টাফরা বাইরে থেকে মারতে উৎসাহিত করছিল। তখন আমি সবাইকে বলি তোমরা একটু সাবধানে খেলো। একটা সময় ওরা আমাদের পূজা রানাকে (নেপালি ফুটবলার) মারল, ওকে ইনজুরড করল। আমাকে পেছন থেকে এসে মারা হলো। আমি তখন বসেছিলাম কিন্তু রেফারি বাঁশি বাজায়নি। আমি উঠে জাস্ট একটা একটা ধাক্কা দিয়েছি। এমন নয় যে আমি ওকে অ্যাটাক করেছি। কিন্তু ও (সাবিত্রী) এসে আমাকে মারল। ওখান থেকে মারামারি শুরু হয়ে গেল। এরপর আমাকে লাল কার্ড আর মারিয়াকে হলুদ কার্ড দেওয়া হয়। আমি ভেবেছিলাম অধিনায়ক হিসেবে মারিয়াকেও কার্ড দেওয়া হয়েছে। তখন রেফারিকে জিজ্ঞাসা করলাম ওকে কেন হলুদ কার্ড দেওয়া হয়েছে। রেফারি বললেন ভিডিও ফুটেজ দেখে ওকে কার্ড দেওয়া হয়েছে। কিন্তু মারিয়া তো ওখানে ছিলই না। তবুও বারবার রেফারি বলছিলেন ভিডিও ফুটেজ দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এরপর ম্যাচ শেষ হওয়ার পর আমাদের (তহুরা খাতুন ও মনিকা) দুই ম্যাচ ড্রপ করা হয়েছে। এটা যদি করারই হতো মাঠেই ভিডিও ফুটেজ দেখে রেফারি, ম্যাচ কমিশনার সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন। ওনারা তা না করে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নিলেন। আমরা তখনই বারবার বলছিলাম যে ভিডিও ফুটেজ দেখুন। তখন যদি তহুরাকে ড্রপ দেওয়া হতো তবে আমরা মেনে নিতাম। আর মারিয়াকে হলুদ কার্ড দেওয়ার কোনো কারণই সেখানে ছিল না। রেফারিরা ভিডিও ফুটেজ দেখে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা ওনারাই ভালো বলতে পারবেন।
টি-স্পোর্টস: মাঠে আবারও যদি এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হন, কী করবেন?
মনিকা : দেখুন আমরা যখন জাতীয় দলে খেলি তখন আমাদের সব সময় বলা হয় তোমরা মারামারিতে জড়াবে না। আমাদের কোচেরা নির্দেশ দেন রেফারির সঙ্গে কোনো কথা বলা যাবে না এবং ওনার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। আমরা এখনো রেফারিদের সম্মান করি। তবে আমাদের সঙ্গে যা হলো তা… আসলে হয়ে গেছে। সামনে আমাদের জাতীয় দলের খেলা আছে। অনেকে বলছে যে জাতীয় দলের খেলোয়াড়েরা এমন মারামারি করেছে, এমন অনেক কিছু… এটা আমরা মানি, মারামারিতে জড়ানো ঠিক হয়নি। আমাদেরও একটা দায়িত্ববোধের জায়গা আছে।
টি-স্পোর্টস: নিজেদের সঙ্গে অন্যায় হলেও আপনারা ধৈর্য ধরবেন,কিংবা আপনাদের কাছ থেকে আরও নমনীয়তা আশা করে সবাই।
মনিকা : অবশ্যই। আমরা যেহেতু জাতীয় দলে খেলি তাই তরুণদের শেখানো আমাদের দায়িত্ব। কিন্তু বাইরে থেকে যখন কাউকে উৎসাহ দেওয়া হয় মারার জন্য তখন জুনিয়র খেলোয়াড়েরাও সিনিয়রদের মারতে দ্বিধাবোধ করে না। বাইরে থেকে যদি শেখানো হতো যে ওরা সিনিয়র ওদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করবে, তবে হয়ত এমনটা হতো না।
টি-স্পোর্টস: আপনি এখন দুই ম্যাচ খেলতে পারবেন না, নিশ্চয়ই এ নিয়ে মন খারাপ…
মনিকা : হ্যাঁ, দুই ম্যাচ ড্রপ যাওয়ার কারণে একটু তো মন খারাপই। তবে মাঠে যখন ফিরব তখন আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরব ইনশাআল্লাহ।
টি-স্পোর্টস: আপনাদের দলের মধ্যে বোঝাপড়া কেমন?
মনিকা : আমাদের প্লেয়াররা যারা আছে বেশিরভাগেই জুনিয়র। তবে ওদের সঙ্গে কমিউনিকেশন খুব ভালো। নতুন হিসেবে ওরা খুব ভালো খেলছে। আমরা যা বলছি ওরা তা শুনছে এবং মাঠে সেই অনুযায়ী খেলছে।
টি-স্পোর্টস: কি মনে হয় এশিয়ান কাপের প্রস্তুতির জন্য আপনারা যে লিগটা খেলছেন এটা কি ঠিক আছে বা প্রস্তুতির জন্য আদর্শ হচ্ছে?
মনিকা : এইটা নিয়ে আসলে কিছু বলতে চাই না।
টি-স্পোর্টস : সব মিলিয়ে ব্যক্তিগতভাবে লিগটা আপনার কেমন লাগছে?
মনিকা: অনেক দিন পর লিগ হচ্ছে, তো এই দিক থেকে আমাদের সবারই ভালো লাগছে। অনেক মাস পরে আমরা আবার মাঠে ফিরছি লিগ দিয়ে, তো ভালোই।
টি-স্পোর্টস : মাঠে আলো স্বল্পতা আছে, ম্যাচ ঘড়ি নেই। এটা খেলায় কোনো প্রভাব ফেলে কিনা?
মনিকা: আমরা পেশাদার খেলোয়াড়। যখন যে পরিস্থিতি আসে সেখানেই মানিয়ে নিতে হয়। এসব ভাবলে খেলায় ফোকাস থাকে না। যে কোনো পরিস্থিতিতে সামনে তাকাতে চাই। যখন যে দায়িত্ব থাকে সেটা পালন করার ব্যাপারে মনোযোগী থাকি।
টি-স্পোর্টস : প্রথমবার এমন একটা ক্লাবে আছেন যার সামনে ঐতিহ্যবাহী লালকুঠি দালান, সামনে বুড়িগঙ্গা, লঞ্চ, সবকিছু মিলে অন্যরকম পরিবেশ। কেমন উপভোগ করছেন?
মনিকা : যেদিন প্রথম গাড়িতে আসছিলাম তখনই বলছিলাম- স্যার এটা কি? পরে স্যার বলছিলেন এটা লালকুঠি। এখানের পরিবেশ অনেক ভালো। সন্ধ্যার সময় একটু রুমে যদি বোরিং হই বা শুয়ে থাকতে ভালো লাগে না, তখন নিচে গিয়ে হাঁটাহাঁটি করি। এমন পরিবেশ আসলেই অন্য জায়গায় নেই। সকালে আমরা ঘুম থেকে উঠে লালকুঠি দেখি, হাঁটাহাঁটি করি। ভালো লাগে, লঞ্চ দেখতে পাই।
টি-স্পোর্টস : লঞ্চে ঘুরা হয়েছে এখন পর্যন্ত?
মনিকা: না আসলে ঘুরা হয়নি। তবে ইচ্ছে আছে।
টি-স্পোর্টস : চ্যাম্পিয়ন হয়েই কি তবে লঞ্চ ট্যুরটা দেওয়া জমিয়ে রেখেছেন?
মনিকা : আসলে এখনই এটা বলবো না যে আমরাই চ্যাম্পিয়ন হবো বা অন্য কিছু। যদি হই তাহলে পরে দেখা যাবে।
টি-স্পোর্টস : আপনার একটি গোল ছিল মঙ্গোলিয়ার বিপক্ষে। যে গোলটা পরে জায়গা করে নেয় ফিফার ‘ফ্যানস ফেভারিট’ তালিকার সেরা পাঁচে। এরপর আপনার উপাধি হয়ে যায় ‘ম্যাজিক্যাল চাকমা’ নামে। সেটা কি এখনো শোনেন বা উপভোগ করেন?
মনিকা : হ্যাঁ, উপভোগ করি, মানুষ যখন বলে বা লেখে। যেখানেই যাই, বিশেষ করে আমার খাগড়াছড়িতে বেশিরভাগই বলে ‘ম্যাজিকাল মনিকা’। তো এগুলো শুনতে আসলে ভালো লাগে। অবশ্যই এগুলো ভালো খেলতে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে।
টি-স্পোর্টস : কিভাবে ফুটবলার হলেন বা এই পথটা কেমন ছিল?
মনিকা: আসলে বলতে গেলে অনেক লম্বা স্টোরি, আমি একটু ছোট করে বলি। ২০১১-১২ সালে বঙ্গমাতা (প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ড কাপ) খেলা হয়েছিল। সেবার উপজেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে আমরা জেলা পর্যায়ে যাই। ওখানে আবার হেরে আসছিলাম। পরের বছর উপজেলা, জেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিভাগীয় পর্যায়ে আসি। এবং সেখানে ভালো খেলি। ওখানেই রাঙামাটির বীরসেন স্যার ছিলেন। উনি আমার খেলা পছন্দ করেন। খেলা শেষে আমাকে ডেকে নাম জিজ্ঞেস করলেন, আমি বললাম মনিকা চাকমা। পরে বাবাকে উনি বলেন যে সব জায়গা থেকে ভালো ভালো খেলোয়াড়দের নিয়ে এক জায়গায় প্র্যাকটিস করান। আমাকে একাডেমিতে দেওয়ার জন্য বাবাকে উনি অনুরোধ করেন। তখন প্রথমে আমি না করছিলাম। তখন অনেক ছোট ছিলাম তো। আমি মা’কে ছেড়ে যেতে চাইছিলাম না। বাবা আমাকে বলে যে তোমাকে এখনই ভর্তি হতে হবে না, ওই জায়গাটা দেখে আসো। ভালো লাগলে ভর্তি হবা, না লাগলে নাই। এরপর একদিন ঘুরতে যাই, স্যার ঘুরিয়ে দেখান, আমারও ভালো লেগে যায়। পরবর্তীতে ২০১৩ সাল থেকে বীরসেন স্যারের অধীনে থেকে উঠে আসা।
সংক্ষেপে প্রশ্নোত্তর:
টি-স্পোর্টস : আপনার পছন্দের ফুটবলার কে?
মনিকা : লিওনেল মেসি। মেসি ভক্ত আমি।
টি-স্পোর্টস: বাংলাদেশে কোন নারী ফুটবলার আপনার পছন্দের?
মনিকা : সাবিনা খাতুন। বাংলাদেশে সাবিনা আপু আমার প্রিয় ফুটবলার।
টি-স্পোর্টস : ফুটবলের বাইরে আর কোন খেলা দেখেন?
মনিকা : খুব একটা দেখা হয় না। তবে ফুটবলের পাশাপাশি এক সময় আমি ভলিবল খেলতাম। তাই ভলিবলটা একটু ভালো লাগে।
টি-স্পোর্টস : ফুটবলার না হলে কি হতেন?
মনিকা : ওটা তো বলতে পারি না (হাসি)।
টি-স্পোর্টস : মনিকা কি টিকটকে নিয়মিত?
মনিকা : একচুয়ালি আমি তো টিকটকই করি না।
টি-স্পোর্টস : মোবাইল ছাড়া থাকতে পারবেন একদিন?
মনিকা : মনে হয় না।
টি-স্পোর্টস : সকালে উঠে কাকে প্রথম কল দেন বা কার ফোন প্রথমে আসে?
মনিকা: কাউকে না। বাসা থেকে আমাকে ফোন দেয়। সারা দিনের মধ্যে যে কোনো একটা সময়ে বাবা ফোন দেয় আমাকে।
টি-স্পোর্টস : মনিকা বাবার প্রিয় না মায়ের প্রিয়?
মনিকা: দুজনেরই প্রিয়।

নগরপ্রতিদ্বন্দ্বিদের বিপক্ষে সেই হার নিশ্চয়ই এখনও তাড়িয়ে বেড়ায় রিয়াল মাদ্রিদকে। ‘মাদ্রিদ ডার্বির’ ইতিহাসে অন্যতম লজ্জার ৫-২ গোলের ওই হারের ক্ষতে আজ খানিকটা প্রলেপ দেওয়ার সুযোগ এসেছে রিয়ালের। তবে স্প্যানিশ সুপার কাপের সেমি ফাইনালে আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে শোধ তোলার ম্যাচে লস ব্লাঙ্কোসরা পাচ্ছে না তাদের সবচেয়ে বড় তারকাকে। হাঁটুর চোটে মাঠের বাইরে আছেন কিলিয়ান এমবাপে।
সৌদি আরবের জেদ্দায় কিং আব্দুল্লাহ স্পোর্টস সিটিতে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় মুখোমুখি হচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ-আতলেতিকো মাদ্রিদ। এই ম্যাচের জয়ী দল ফাইনালে শিরোপার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে অ্যাথলেটিক বিলবাওকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দেওয়া বার্সেলোনার বিপক্ষে।
ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে স্বাভাবকিভাবেই সবশেষ রিয়ালের বিপক্ষে বড় জয়ের সুখস্মৃতি নিয়েই প্রশ্নের মুখোমুখি হলেন আতলেতিকোর কোচ দিয়েগো সিমিওনে। গত বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর লা লিগার ওই ম্যাচে ঘরের মাঠে ক্লাবটির জয়ের নায়ক ছিলেন হুলিয়ান আলভারেজ। ওই ম্যাচে পেনাল্টি থেকে একটি গোলের পর ফ্রি-কিক থেকে চোখধাঁধানো আরেকটি গোল করেন আর্জেন্টাইন তারকা ফরোয়ার্ড। অবশ্য শুধু ৫-২ গোলের ওই ম্যাচে জোড়া গোলই নয়। রিয়ালের বিপক্ষে আগের তিনটি ম্যাচের দু’টিতেও লক্ষ্যভেদ করেন ২৫ বছর বয়সী আলভারেজ।
আবারও কী রিয়ালের বিপক্ষে আলভারেজ জাদু দেখা যাবে? অবশ্য আতলেতিকোর কোচ অতীত টেনে আনতে নারাজ। সিমিওনে বলেন,
‘অতীতের কথা বারবার বলার কোনো প্রয়োজন নেই। হুলিয়ান ইতিমধ্যেই প্রমাণ করেছে সে কেমন ফুটবলার। অনেক সময় কথার চেয়ে কাজই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি, ওর একটা দারুণ ম্যাচ হবে।’
এদিকে আক্রমণভাগের প্রাণভোমরা এমবাপেকে না পেলেও সবশেষ ম্যাচের পারফরম্যান্সের পুনরাবৃত্তি করতে চাইবে রিয়াল মাদ্রিদ। নিজেদের সবশেষ ম্যাচে জাবি আলোনসোর দল রিয়াল বেতিসের বিপক্ষে ৫-১ গোলের বড় জয় পেয়েছে। ফরাসি তারকা ফরোয়ার্ডের জায়াগায় খেলে হ্যাটট্রিক করেন গঞ্জালো গার্সিয়া।
এমবাপে ছাড়াও মাদ্রিদ ডার্বিতে রিয়াল পাচ্ছে না দুই ডিফেন্ডার এদের মিলিতাও ও আন্তনিও রুদিগারকে। মরক্কোর হয়ে আফ্রিকান কাপ অব নেশনসে খেলছেন ব্রাহিম দিয়াজ, গোল্ডেন বুটের দৌড়েও এগিয়ে আছেন তিনি। তবে চোট কাটিয়ে দলে ফিরতে পারেন ট্রেন্ট আলেক্সান্ডার-আর্নল্ড।
রিয়ালে দায়িত্ব পাওয়ার পর অন্যতম বাজে হার থেকে শিক্ষা নিয়েছেন বলে জানান জাবি আলোনসো। ম্যাচের আগে স্প্যানিশ এই কোচ বলেন,
‘আমার মনে হয়, প্রতিটি ম্যাচই বিশ্লেষণ করা দরকার। তবে হারগুলো অনেক সময় আমাদের আরও ইতিবাচক শিক্ষা দেয়। আগেই আপনার সহকর্মীকে বলেছি—সেই ম্যাচে এমন কিছু বিষয় ছিল, যেগুলোর পুনরাবৃত্তি আমরা চাই না। সেখান থেকে আমরা অনেক কিছু শিখেছি। আমি খুবই আশাবাদী যে এবার পরিস্থিতি ভিন্ন হবে। যেগুলো ভালো কাজ করেনি, সেগুলো ভুলে গেলে চলবে না।’
এই ম্যাচের গুরুত্ব নিয়ে রিয়াল কোচ বলেন,
‘এটা একটি সেমিফাইনাল। মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে, লড়াই করতে হবে এবং ছোট ছোট বিষয়ের দিকে নজর দিতে হবে। আতলেতিকো মাদ্রিদ সব সময়ই কঠিন প্রতিপক্ষ। তবুও এই ম্যাচটা আমরা অনেক উদ্যম ও উচ্ছ্বাস নিয়ে খেলতে চাই। এই মৌসুমে এটিই প্রথম শিরোপার জন্য লড়াই, আর সে কারণেই এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’

শুধু ফুটবল কিংবা ক্রীড়াঙ্গনেই নয়, লিওনেল মেসির জনপ্রিয়তা আছে এসবের বাইরেও। আর্জেন্টাইন কিংবদন্তির নাম-ডাক নিয়ে নতুন করে কিছু বলারও নেই। ফুটবলে নতুন মাত্রা যোগ করা আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী ইউরোপ জয় করে এখন মার্কিন মুল্লুকে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন।
দীর্ঘ বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে কত ফুটবলার কত লোকের সঙ্গেই তো মিশতে হয়েছে মনের ভাব প্রকাশ করতে হয়েছে মেসিকে। আর এই ভাব প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে ইন্টার মায়ামির মহাতারকা বেছে নিয়েছেন শুধু স্প্যানিশ ভাষাকেই। আন্তর্জাতিক ভাষা হিসেবে স্বীকৃত ইংরেজি ব্যবহার করেন না বললেই চলে ৩৮ বছর বয়সী ফুটবলার। মেসির ক্যারিয়ারে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বি হিসেবে মনে করা হয় যাকে, সেই ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো এই ভাষায় বেশ পটু হলেও ভাষার এই মাধ্যম ব্যবহারে অনীহা আছে বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কের।
অনেকের কাছে মনে হতেই পারে, স্পেনের বার্সেলোনায় বড় হওয়া মেসি কী চাইলেই ইংরেজিটা শেখে নিতে পারতেন না? কেন বৈশ্বিক এই ভাষা আয়ত্ত করাকে জরুরি মনে হয়নি ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরার?
সম্প্রতি আর্জেন্টিনার স্ট্রিমিং চ্যালেন ‘লুজু টিভ’কে দেওয়া দীর্ঘ এক সাক্ষাৎকারে ফুটবল ক্যারিয়ার সহ ব্যাক্তিগত জীবনের অনেক খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে কথার ঝাঁপি খুলে বসেন মেসি। সেখানেই তিনি জানান, কেন স্প্যানিশ ছাড়া অন্য কোনো ভাষায় কথা বলা এড়িয়ে চলেন।
আলোচনার শুরু হয় একটি প্রমোশনাল ভিডিও নিয়ে। বার্সেলোনায় খেলার সময় নেইমার ও লুইস সুয়ারেজের সঙ্গে চাইনিজ নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে ওই ভিডিওটি করেছিলেন মেসি। ওই ভিডিওতে দেখা যায়—নেইমার ও সুয়ারেজ চীনা ভাষায় কথা বললেও মেসি কথা বলেন স্প্যানিশে।
এই প্রসঙ্গে মেসি জানান, ক্লাবের সঙ্গে আগেই তার সমঝোতা ছিল—বিনয়ের কারণে তিনি ভাষা বদলাবেন না। পরে তিনি আরও বলেন, ইংরেজিতে কথা বলতেও তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। মেসির ভাষায়, ‘কথা বলার সময় আমার অস্বস্তি লাগে। আমি এটা পছন্দ করি না। তাই সবকিছু স্প্যানিশেই করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। তবে ইংরেজির ক্ষেত্রে, আমি মনে করি আমি বলতে পারি এবং অন্যরা তা বুঝতেও পারে।’
অবশ্য এটি আগ্রহের অভাব নয়—মেসি নিজেই জানিয়েছেন, ব্যক্তিগত পরিসরে তিনি ইংরেজিতে কথা বলেন। আসলে এই সিদ্ধান্ত ফুটবল মহাতারকার সরল ও বিচক্ষণ ব্যক্তিত্বেরই প্রতিফলন, যা ইউরোপ অধ্যায়ের পর বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের মতো ইংরেজি ভাষার ওপর নির্ভরশীল দেশে খেললেও বদলায়নি।

ছন্দে নেই দল। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের চলতি মৌসুমের মাঝমাঝি সময়ে এসে জয় থেকে হারই বেশি টটেনহ্যামের। ধারাবাকিহ ব্যর্থতায় হতাশ ক্লাবটির ফুটবলাররাও। সবশেষ গতকাল বোর্নমাউথের বিপক্ষের যোগ করা সময়ে গোল খেয়ে হারের পর আর চুপ করে বসে থাকেনি ক্লাবটির অধিনায়ক ক্রিস্তিয়ান রোমেরো। ৩-২ গোলে হারের পর সামাজিক মাধ্যমে টটেনহ্যামের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ধুয়ে দেন আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার।
গতকাল রাতে প্রিমিয়ার লিগের প্রতিপক্ষের মাঠে যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে গোল খেয়ে শূন্য হাতে মাঠ ছাড়ে টটেনহ্যাম। লিগে ২০২৫-২৬ মৌসুমে ৭ জয়ের বিপরীতে ৮ হারে পয়েন্ট টেবিলের ১৪ নম্বরে নেমে গেছে ক্লাবটি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুদ্ধ টটেনহ্যামের ডিফেন্ডার রোমেরো।
ম্যাচের পর ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার রোমেরো প্রথমে সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চান। তবে একই সঙ্গে ক্লাবের উচ্চপর্যায়ের কিছু ব্যক্তির দিকে সূক্ষ্ম খোঁচাও দেন। ২৭ বছর বয়সী ফুটবলার লিখেন, ‘সব ঠিকঠাক চললে তখনই তারা হাজির হয়, কিছু মিথ্যা কথা বলার জন্য।’ পরে অবশ্য নিজের সেই পোস্টে থাকা ‘মিথ্যা’ শব্দটি মুছে ফেলেন রোমেরো।
আরও পড়ুন
| রেকর্ড গড়ে সুপার কাপ ফাইনালে বার্সেলোনা |
|
আটালান্টার সাবেক ডিফেন্ডার রোমেরো ব্যর্থতার দায় নিজেদের কাঁধে নিয়ে লিখেন, ‘আপনাদের সবার কাছে ক্ষমা চাই—যারা সব জায়গায় আমাদের অনুসরণ করেন, সব সময় পাশে থাকেন এবং থাকবেন। এই পরিস্থিতির দায় আমাদেরই, এতে কোনো সন্দেহ নেই। প্রথম দায়টা আমার। তবে আমরা লড়াই চালিয়ে যাব এবং নিজেদের জন্য, ক্লাবের জন্য পরিস্থিতি ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করব।’
এরপরই ক্লাবের কর্মকর্তাদের দিকে আঙুল তুলে রোমেরো বলেন, ‘এমন সময়ে আসলে অন্যদের সামনে এসে কথা বলা উচিত, কিন্তু তারা তা করেন না—এটা বহু বছর ধরেই হয়ে আসছে। ভালো সময় এলেই শুধু তাদের দেখা যায়।’
কঠিন সময় কাটিয়ে ঘুরে দাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন রোমেরো, ‘আমরা এখানেই থাকব, কাজ করে যাব, একসঙ্গে থাকব এবং সবকিছু উজাড় করে দেব পরিস্থিতি বদলাতে। বিশেষ করে এমন সময়ে চুপ থেকে, আরও কঠোর পরিশ্রম করে এবং সবাই মিলে এগিয়ে যাওয়াটাই ফুটবলের অংশ। সবাই একসঙ্গে থাকলে কাজটা সহজ হবে।’
রোমেরোর এই পোস্টে তাঁর ব্রাজিলিয়ান সতীর্থ রিচার্লিসন হাততালি ইমোজি দিয়ে সমর্থন জানান। আরেক সতীর্থ লিখেন, ‘আমেন। এগিয়ে চলো ভাই। সামনে আমাদের অনেক লড়াই বাকি।’
এদিকে বোর্নমাউথের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সমর্থকদের সঙ্গে বিতণ্ডতায় জড়িয়ে পড়েন রোমেরোর সতীর্থ মিকি ভান ডে ভেন। পরে টটেনহ্যামের স্টাফরা তাকে সামলে নেন।

রুবেন আমোরিমকে বরখাস্ত করার পর বুধবার রাতে প্রথমবার মাঠে নামে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। অবনমন শঙ্কায় থাকা বার্নলির সঙ্গেও জিততে পারেনি রেড ডেভিলরা।
বার্নলির ঘরের মাঠ টার্ফ মুরে ২-২ গোলে ড্র করেছে ম্যান ইউনাইটেড। এই ড্রয়ে ২১ ম্যাচে ৩২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের সাত নম্বর তাঁরা, সমান ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট পেয়ে ১৯ নম্বরে বার্নলি।
অন্তর্বর্তীকালীন কোচ ড্যারেন ফ্লেচারের অধীনে এটি ছিল ইউনাইটেডের প্রথম ম্যাচ। আমোরিমের তিন ডিফেন্ডারের ফর্মেশন বাদ দিয়ে খেলায় নামেন ফ্লেচার। বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও কাজে লাগাতে পারেনি ওল্ড ট্রাফোর্ডের ক্লাবটি।
ম্যাচের ১৩ মিনিটে এগিয়ে যায় বার্নলি। ইউনাইটেড ডিফেন্ডার আয়ডেন হেভেনের আত্মঘাতী গোলে প্রথমার্ধে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল ঘরের মাঠের দলটি।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ঘুরে দাঁড়ায় ম্যান ইউনাইটেড। ১০ মিনিটের মধ্যে দুটি গোল করেন বেনিয়ামিন সেস্কো।
৫০ মিনিটে চোট থেকে ফেরা ব্রুনো ফের্নান্দেসের বাড়ানো বলে জোরালো শটে দলকে সমতায় ফেরান সেস্কো। ৬০ মিনিটে প্যাট্রিক ডরগুর ক্রস থেকে দুর্দান্ত এক ভলিতে দ্বিতীয়বারের মতো বল জালে জড়ান সেস্কো।
৬৬ মিনিটে জেইডন অ্যান্থনি গোল করে বার্নলিকে সমতায় ফেরান। শেষ পর্যন্ত ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইউনাইটেড।
এই ড্রয়ে হতাশাই বাড়ল ম্যান ইউনাইটেড সমর্থকদের মধ্যে। ম্যাচের আগে ক্লাবের মালিকানার বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ জানাতে দেখা যায় সফরকারী সমর্থকদের। সব মিলিয়ে অবনমন অঞ্চলের দলগুলোর বিপক্ষে টানা দুই ম্যাচে জয়হীন থাকল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।