২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ৫:৩১ পিএম

এশিয়া কাপে এরই মধ্যে দুবার দেখা হয়েছে ভারত-পাকিস্তানের। সম্ভাবনা রয়েছে তৃতীয়বার দেখা হওয়ারও। সেটি হতে পারে ফাইনালেই! তবে এর আগে ফাইনালে যাওয়ার সমীকরণ মেলাতে হবে সূর্যকুমার যাদব ও সালমান আলি আগার দলকে।
আজ গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে মাঠে নামবে ভারত। কাল পাকিস্তানও মাঠে নামবে লিটনদের বিপক্ষে। সালমান-ফখরদের বিপক্ষে আগের দুই ম্যাচে একপেশে জয় পেয়েছে ভারত। সুপার ফোরে জেতার পর ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার বলেছিলেন, দ্বৈরথ বলা হলেও পাকিস্তানের সঙ্গে এখন আর কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা নেই।
বাংলাদেশ ম্যাচের আগে আজ সংবাদ সম্মেলনে সূর্যকুমারের সেই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিলেন
শাহিন শাহ আফ্রিদি। জানিয়েছেন, তাঁর দলের একমাত্র লক্ষ্য এশিয়া কাপ জেতা। কাল বাংলাদেশের বিপক্ষে বাঁচা-মরার লাড়াইয়ের আগে পাকিস্তানি পেসার বলেন, ‘তার মতামত তার। সে বলুক। যদি ফাইনালে মুখোমুখি হই, তখন দেখা যাবে কি হয়। আমাদের কাজ এশিয়া কাপ জেতা, সেটির জন্যই সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’
সূর্যকুমার বলেছিলেন, প্রকৃত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ার জন্য দুই দলের ফলাফলের ব্যবধান এত বড় হতে পারে না। বর্তমানে টি-টোয়েন্টিতে ভারত-পাকিস্তানের লড়াইয়ে ব্যবধান ১২-৩।
সম্ভাব্য ভারত-পাকিস্তান ফাইনাল নিয়ে দলের ভেতরে আলোচনা চলছে কি না—এমন প্রশ্নে আফ্রিদির জবাব, ‘আমরা এখনো ফাইনালে উঠিনি। ফাইনালে উঠলে তখন ভাবব।’ আর দুই দলের মধ্যে কী চলছে? রসিকতা করে বলেন, ‘কী-ই বা চলছে! আমাদের কাজ ক্রিকেট খেলা। মানুষ যেটা খুশি ভাবুক। আমরা এখানে এসেছি এশিয়া কাপ জিততে। পাকিস্তানের আশাকে পূরণ করতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।’
বাংলাদেশের বিপক্ষেও কি আগ্রাসী পাকিস্তানকে দেখা যাবে? আফ্রিদি বললেন, ‘আগ্রাসী হওয়ার কোনো আলাদা পরিকল্পনা নেই। আমরা সব সময়ই আক্রমণাত্মক খেলি, এভাবেই ক্রিকেট খেলা হয়, দলীয় মনোবলও বাড়ে।’
বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ পরিকল্পনা জানাতে গিয়ে বলেন, ‘বাংলাদেশ ভালো ক্রিকেট খেলছে, দলটা শক্তিশালী। আমাদের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক হতে হবে। ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে।’
No posts available.
২৯ মার্চ ২০২৬, ৭:৩৬ পিএম
২৯ মার্চ ২০২৬, ৭:০৫ পিএম

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ক্রিকেটের নতুন সংস্করণে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেই দারুণ কীর্তি গড়ল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। তাদের প্রতিপক্ষ দলের স্পিনিং অলরাউন্ডার সুনিল নারিনও নাম লেখালেন রেকর্ডের খাতায়।
ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে রোববার রাতের ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মুম্বাই। টস হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বের প্রথম ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক দল হিসেবে ৩০০ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার কৃতিত্ব অর্জন করেছে পাঁচবারের আইপিএল চ্যাম্পিয়নরা।
সব মিলিয়ে ৩০০ ম্যাচ খেলা তৃতীয় দল মুম্বাই। তাদের আগে পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল ও ইংল্যান্ড কাউন্টির দল সমারসেট স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে ৩০০ ম্যাচের মাইলফলক স্পর্শ করেছে। দুই দলেরই ম্যাচের সংখ্যা ৩০৩টি।
চলতি আইপিএলেই পাকিস্তান ও সমারসেটকে টপকে সবচেয়ে বেশি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলা দল হয়ে যাবে মুম্বাই।
এছাড়া মুম্বাইয়ের পাশাপাশি এবারের আইপিএলেই ৩০০ টি-টোয়েন্টি খেলা চতুর্থ দল হয়ে যাবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। এখন পর্যন্ত তারা খেলেছে ২৮৭ ম্যাচ। সব ঠিক থাকলে আইপিএলের প্রথম পর্বেই আরও ১৩ ম্যাচ খেলবে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
মুম্বাইয়ের দারুণ কীর্তির দিনে আইপিএলে বিদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার রেকর্ড গড়ে ফেলেছেন নারিন। এখন পর্যন্ত এই টুর্নামেন্টে ১৯০ ম্যাচ খেলেছেন ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার। এত দিন রেকর্ডটি ছিল কাইরন পোলার্ডের, ১৮৯ ম্যাচ।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আর্থিক দুর্নীতি এবং নানা অনিয়ম নিয়ে অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত বছর দুর্নীতি দমন কমিশন তদন্ত করেছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) থেকে প্রেরিত এনফোর্সমেন্ট টিম যেসব খাতে দুর্নীতি এবং অনিয়মের প্রমান পেয়েছে, তা বিসিবিকে অবহিত করেছে। বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে নিউজও হয়েছে।
তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে এই বিষয়টি নিয়ে আইনি কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তবে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ গঠিত হওয়ায় ২০০৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ আমলে বিসিবির সকল দুর্নীতি এবং অনিয়ম প্রকাশ্যে আনার দাবি জোরালো হয়েছে।
রোববার জাতীয় সংসদে বগুড়া-৪ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মোশাররফ হোসেন এক সম্পূরক প্রশ্নে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিসিবির অনিয়ম দুর্ণীতি, নিয়োগ এবং ২০১৮ও ২০২৪ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিসিবির সম্মতি এবং স্থাপনা অবৈধভাবে ব্যবহারের প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন।
তিনি জানতে চান-‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ২০০৮ সাল থেকে অদ্যাবধি পর্যন্ত মেধাহীন হিসেবে চিহ্নিত ক্যাডারদের দিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করা হয়েছিল। ২০১৮ ও ২০২৪ সালের তথাকথিত ভোট ডাকাতির নির্বাচনে ক্রিকেট বোর্ডের কতিপয় কর্মকর্তা ও কর্মচারীর একটা অংশ ক্রিকেট বোর্ডের সম্পত্তি এবং স্থাপনা ব্যবহার করে যে অনৈতিক কর্মকাণ্ড করেছে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে কিনা?’
এ প্রশ্নের জবাবে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক সংসদকে জানিয়েছেন-‘আপনারা সকলে জানেন যে, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় থেকে ২০০৮ সাল থেকে ক্রিকেট বোর্ড বাংলাদেশের সকল স্পোটর্সকে দলীয়করণ এবং রাজনীতিকরণের মাধ্যমে স্থবির করা হয়েছিল। বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন ধ্বংসস্তুপে পরিণত করা হয়েছে।
ক্রীড়াঙ্গনকে নতুনভাবে দলীয়করণ এবং রাজনীতিকণনমুক্ত করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে চলেছি। আপনাদেরকে আশ্বস্ত করতে চাই, যে বিগত ২০০৮ সাল থেকে যারা দলীয় সুযোগ সুবিধার মাধ্যমে অবৈধ নিয়োগ হয়েছে, দ্রুত একটি তদন্ত কমিটি করে এর ভেতরে কারা কারা জড়িত, তা জাতির সামনে নিয়ে আসব।’
আওয়ামী লীগ আমলে ১৭ বছর বিসিবির দুর্নীতি এবং অনিয়মের জন্য অভিযুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহযোগিতা চেয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক-‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের যে অর্থ কিংবা জনবল বিগত সময়ে ভোটের অধিকার হরণের জন্য একটি গ্রুপকে সহযোগিতার মাধ্যমে এই ধরণের অপকর্মগুলো করেছে। আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর এই বোর্ডের যারা এইসব অপকর্মের জন্য বিসিবির যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী জড়িত তাদের বিপক্ষে তদন্ত করব।
এদের বিপক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ক্রিকেট বোর্ডের দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত সম্পদের হিসাব নেওয়ার ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের মহাপরিচালকের কাছে আহ্বান করব, এ বিষয়ে তদন্ত থাকলে, আমাদের যেন অবগত করেন। যাতে জাতির সামনে উত্থাপিত হয়।’

পরপর দুই ম্যাচে ফিফটির দেখা পেলেন শামিল হোসেন। এবার তার সঙ্গে যোগ দিলেন হাসান নাওয়াজ। দুজনের চমৎকার ব্যাটিংয়ে লড়াইয়ের পুঁজি পেয়ে গেল কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স। যা আর টপকাতে পারল না হায়দরাবাদ কিংসমেন। ফলে প্রথম জয় পেয়ে গেল গ্ল্যাডিয়েটর্স।
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে রোববার বিকেলের ম্যাচে কিংসমেনকে ৪০ রানে হারিয়েছে গ্ল্যাডিয়েটর্স। আগে ব্যাট করে জোড়া ফিফটিতে ১৭৪ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় তারা। জবাবে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৩৪ রানের বেশি করতে পারেনি কিংসমেন।
দুই ম্যাচে এটিই গ্ল্যাডিয়েটর্সের প্রথম জয়। অন্য দিকে পরপর দুই ম্যাচ হারল এবারই প্রথম পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) খেলতে আসা কিংসমেন।
ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি গ্ল্যাডিয়েটর্সের। শুরুতেই ড্রেসিং রুমের পথ ধরেন সৌদ শাকিল (৪) ও রাইলি রুশো (০)।
চাপ সামাল দিয়ে তৃতীয় উইকেটে ৬৪ বলে ৮৯ রানের জুটি গড়েন শামিল ও নাওয়াজ। আগের দিন মাত্র ২১ বলে ফিফটি করা শামিল এদিন খেলেন ৩ চার ও ৩ ছক্কায় ৪১ বলে ৫৪ রানের ইনিংস। নাওয়াজের ব্যাট থেকে আসে ৪০ বলে ৫৩ রান।
শেষ দিকে ১৮ বলে ৩১ রানের ইনিংস খেলে দলকে ১৭০ পার করান টম কারান।
কিংসমেনের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন রিলে মেরেডিথ। এছাড়া মাহিশ থিকশানা ও আকিফ জাভেদ নেন ২টি করে উইকেট।
রান তাড়ায় একবারের জন্যও জয়ের সম্ভাবনা তৈরি করতে পারেনি কিংসমেন। ১০ ওভারের মধ্যে মাত্র ৫৭ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকেই যায় তারা।
সেখান থেকে ইরফান নিয়াজি ২৫ বলে ৩৩ ও হাসান খান ১৯ বলে ৩১ রান করলে পরাজয়ের ব্যবধান কমায় নবাগত দলটি।
গ্ল্যাডিয়েটর্সের পক্ষে ৪ ওভারে ২৩ রানে ৩ উইকেট নেন আবরার আহমেদ। এছাড়া ৪ ওভারে ১৩ রানে ২ উইকেট শিকার আহমেদ দানিয়ালের।

আওয়ামী লীগ সরকারের গত ১৬ বছরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
রবিবার জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সদস্য মোশাররফ হোসেনের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।
আমিনুল হক বলেন, ২০০৮ সাল থেকে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগের অভিযোগ যাচাই করতে শিগগিরই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।
তিনি অভিযোগ করেন, দলীয় বিবেচনায় অনেককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল এবং তদন্তের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের চিহ্নিত করে জাতির সামনে তুলে ধরা হবে।
আমিনুল বলেন, ‘আপনারা জেনে অবাক হবেন, অতীতে বিসিবির আর্থিক ও মানবসম্পদ ব্যবহার করে একটি গোষ্ঠীকে জনগণের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করার কাজে সহায়তা করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, তদন্তে দোষী প্রমাণিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোশাররফ হোসেন জানতে চান, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে বিসিবির সম্পদের অপব্যবহারের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে কি না। তিনি অভিযোগ করেন, আগের সরকার আমলে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিকভাবে সংশ্লিষ্ট ও অযোগ্য ব্যক্তিদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছিল।
জবাবে আমিনুল হক বলেন, পূর্ববর্তী সরকার আমলে ক্রিকেটসহ ক্রীড়া খাত ব্যাপকভাবে রাজনীতিকরণের শিকার হয়েছিল, যার ফলে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে স্থবিরতা দেখা দেয়। বর্তমান সরকার প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ক্রীড়া খাতকে রাজনীতিমুক্ত করতে কাজ করছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বিসিবির কিছু দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তার ব্যক্তিগত সম্পদ নিয়ে উদ্বেগের বিষয় তার নজরে এসেছে। এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মহাপরিচালকের কাছে চলমান তদন্তের তথ্য চাওয়া হবে, যাতে বিষয়টি জনসমক্ষে স্বচ্ছভাবে উপস্থাপন করা যায়।

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। শনিবার মধ্যরাতে ঢাকায় পৌঁছানোর পর রোববারই তিনি খোঁজ নিয়েছেন জাতীয় দলের অনুশীলন ক্যাম্পের, একইসঙ্গে সেরেছেন দাপ্তরিক কার্যক্রমও।
গত মাসে রমজান শুরুর আগেই পরিবারের সঙ্গে ছুটি কাটাতে অস্ট্রেলিয়া চলে গিয়েছিলেন বুলবুল। এর মাঝে নানা ধরনের গুঞ্জন ও গুজব ছড়িয়ে পড়ে, আর হয়তো দেশে ফিরবেন না তিনি। অস্ট্রেলিয়া থেকে দিয়ে দিতে পারেন নিজের পদত্যাগপত্র।
সেসব গুজব উড়িয়ে দিয়ে রোববার প্রথম প্রহরে বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের এই সাবেক অধিনায়ক। প্রাথমিকভাবে ২৬ মার্চ ফেরার কথা থাকলেও, সেটি দুই দিন পিছিয়ে বাংলাদেশে ফিরলেন বুলবুল।
দেশে ফিরে একদমই সময় নষ্ট করেননি বুলবুল। রোববার বিসিবি কার্যালয়ে এসে রুটিন ওয়ার্ক সেরেছেন তিনি। পরে মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চলমান জাতীয় দলের ফিটনেস ক্যাম্পের খোঁজ নিয়েছেন তিনি।
এসময় জাতীয় দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স, টেস্ট দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তসহ বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারের সঙ্গেও কথা বলেন বিসিবি সভাপতি। বোর্ড পরিচালক ও ক্রিকেট অপ্স চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদীন ফাহিমও তার সঙ্গে ছিলেন।
সামনের দিনগুলোতে বুলবুলের জন্য অবশ্য বেশ কঠিন সময় অপেক্ষা করছে। কারণ স্থবির হয়ে আছে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে জমজমাট টুর্নামেন্ট ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ। এটি আবার চালুর ব্যবস্থা নিতে হবে তার।
এছাড়া জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পক্ষ থেকে বিসিবি নির্বাচনের অনিয়ম তদন্তের জন্য বিশেষ কমিটি করা হয়েছে। চলতি সপ্তাহেই হয়তো সেই কমিটির সঙ্গে সাক্ষাৎকারে বসতে হবে বিসিবি সভাপতির।