২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ৪:৫১ পিএম

মঞ্চ তৈরি। প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপের ফাইনালে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বি ভারত-পাকিস্তান। মাঠের খেলার আগে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অনেক আগ থেকেই চলছে কানাঘুষা ।
গ্রুপপর্ব ও সুপার ফোরে দু’বার দেখা হয়েছে ভারত-পাকিস্তানের। দু’বারই সালমান আলি আগাদের বিপক্ষে হেসেখেলে জয় পেয়েছে সূর্যকুমার যাদবের দল। এবার তৃতীয়বারের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচেও কি ফলটা ভারতের পক্ষেই আসবে ? আর ভারতই যদি চ্যাম্পিয়ন হয় তবে পিসিবি চেয়ারম্যানের হাত থেকে কি ট্রফি নেবে সূর্যকুমার-শুবমান গিলরা ?
এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এএসসি) চেয়ারম্যান এবং পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) প্রধান ও পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি আজ দুবাইয়ে পৌঁছেছেন। এশিয়া কাপ ২০২৫ ফাইনালে নাকভির উপস্থিতিটাই স্বাভাবিক। আট দলের এই টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী, বিজয়ী দলের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়ার কথা তাঁরই। আর সেটা নিয়েই সৃষ্টি হয়েছে নতুন আলোচনা।
আরও পড়ুন
| বিসিসিআইয়ের ৩৭তম সভাপতি মিথুন মানহাস |
|
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে করমর্দনের মতো বিষয় নিয়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করে আলোচনায় আসেন নাকভি। ফাইনালেও ভারতীয় দল পাকিস্তানের সঙ্গে করমর্দন এড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তবে পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানেও কি নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকবে কিনা সূর্যকুমাররা সেটাই দেখার।
প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়াকে এশিয়া কাপের এক কর্মকর্তা বলেছেন, `এখন পর্যন্ত তথ্য হলো তিনি (নাকভি) আজ সন্ধ্যায় আসছেন এবং এএসসি চেয়ারম্যান হিসেবে স্বাভাবিকভাবেই বিজয়ীদের হাতে ট্রফি দেবেন। তবে শেষ পর্যন্ত বিসিসিআই কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেটাই দেখার বিষয়।’
পুরো এশিয়া কাপজুড়েই ভারত–পাকিস্তান সম্পর্ক ছিল উত্তেজনাপূর্ণ। ১৪ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের পর ভারতীয় দল পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের সঙ্গে করমর্দন করতে অস্বীকার করার পর সালমান আলি আগারা অভিনন্দন জানাতে ড্রেসিংরুমে গেলেও ভারত নাকি দরজা বন্ধ করে দেয়।
এরপর পিসিবি অভিযোগ তোলে যে ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফট ‘খেলার চেতনা’ রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছেন এবং তাকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি জানায় আইসিসিকে। তবে আইসিসি সেই দাবি খারিজ করে দেয়।
No posts available.
২ মার্চ ২০২৬, ১০:০০ পিএম

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আগামী পরশু দেখা হচ্ছে ভারত ও ইংল্যান্ডের। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে এই ম্যাচে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে রাখছেন মাইকেল ভন।
ভারতের চেয়ে ইংল্যান্ডের স্পিন আক্রমণ ভালো¬—এমনই দাবি করেছেন ভন। সাবেক ইংলিশ অধিনায়কের ‘মজার এক অনুভূতি’ হচ্ছে, মুম্বাইয়ে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জয় পেতে পারে ইংল্যান্ড।
বিবিসির টেস্ট ম্যাচ স্পেশাল পডকাস্টে ভন বলেন, ‘ইংল্যান্ডের স্পিন আক্রমণ ভারতের চেয়ে ভালো। ডসন, রশিদ ও উইল জ্যাকস—স্পিনে এই তিনজনই টুর্নামেন্টের সেরা ত্রয়ী।’
ভারত টুর্নামেন্টে অন্যতম ফেবারিট হিসেবে শুরু করলেও সুপার এইটে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরেছে এবং গ্রুপ পর্বেও কিছুটা হোঁচট খেয়েছে। অন্যদিকে ইংল্যান্ড এখনো পূর্ণাঙ্গ পারফরম্যান্স দিতে না পারলেও টানা পাঁচ জয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে।
ভনের ভাষায়, ‘ওরা জয়ের পথ খুঁজে নিচ্ছে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটি নিয়মরক্ষার ছিল, কিন্তু যেভাবে শেষ পর্যন্ত জিতেছে, সেটা দারুণ প্রচেষ্টা।’
ইংল্যান্ডের স্পিন বিভাগে আছেন আদিল রশিদ, লিয়াম ডসন ও উইল জ্যাকস। ভনের মতে, ভারতের বরুণ চক্রবর্তীকে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে চাপে ফেলা গেছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিনি যথাক্রমে ৪০ ও ৪৭ রান দিয়েছেন।
ভারতের হাতে বিকল্প হিসেবে আছেন বাঁহাতি রিস্ট স্পিনার কুলদীপ যাদব, যাঁর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ভালো রেকর্ড রয়েছে। তবে এই টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত মাত্র তিন ওভার বল করেছেন তিনি।
ভন বলেন, ‘ইংল্যান্ডের ফিল্ডিং অসাধারণ। ওদের সতর্কতা চোখে পড়ার মতো। উইকেটের মধ্যে দৌড়ও দারুণ। ছোট ছোট যে বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করা যায়, সেগুলো ইংল্যান্ড খুব ভালোভাবে করছে।’তিনি যোগ করেন, ‘আমার ভেতরে একটা মজার অনুভূতি কাজ করছে—মুম্বাইয়ে ইংল্যান্ড কাজটা করে ফেলতে পারে।’
ওপেনার জস বাটলার টানা পাঁচ ইনিংসে এক অঙ্কে আউট হয়েছেন। ভনের মতে, বাটলার হয়তো টেকনিক নিয়ে বেশি ভাবছেন। ভন বলেন, ‘যখন আপনি ভালো অনুভব করেন না, তখন টেকনিক নিয়ে ভাবেন। কিন্তু জস হ্যান্ড-আই খেলোয়াড়। বলের দিকে তাকাও, প্রতিক্রিয়া দেখাও। বাটলারের র্যাম্প শট দেখা যাচ্ছে না। এই উইকেট ওই শটের জন্য ভালো হতে পারে। ভালো খেললে শুরুতেই সে শট বের করে আনে।’
টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টানা তৃতীয়বার সেমিফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও ইংল্যান্ড। ২০২২ সালে অ্যাডিলেডে ইংল্যান্ড ১০ উইকেটে জিতেছিল, ২০২৪ বিশ্বকাপে গায়ানায় জয় পায় ভারত। দুই দলই পরে শিরোপা জিতেছিল।
ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডার স্যাম কারান বলেন, ২০২২ সালের জয়ই হতে পারে আদর্শ উদাহরণ। নিখুঁত ম্যাচ খুঁজতে গেলে ২০২২ সালের ম্যাচটাই মডেল হতে পারে, বলেন তিনি।
সব মিলিয়ে ভনের মতে, স্পিন, ফিল্ডিং ও ছোট ছোট দিকগুলোতে এগিয়ে থাকাই ইংল্যান্ডকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দিচ্ছে। তবে স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে মুম্বাইয়ের গর্জনমুখর পরিবেশে সেই বিশ্বাস কতটা বাস্তবে রূপ নেয়, সেটাই এখন দেখার।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) পর অদম্য টি-টোয়েন্টি কাপ, এরপর এখন বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ- পরপর তিনটি ঘরোয়া টুর্নামেন্টে নেই এনামুল হক বিজয়। বিপিএল ও অদম্য টি-টোয়েন্টি থেকে তাকে বাদ দিয়েছে বিসিবি। তবে বিসিএলে নিজ থেকেই খেলেননি অভিজ্ঞ ওপেনার।
শুধু তাই নয়, বিসিবির তরফ থেকে সম্মান ফেরত না পেলে আর কখনও ক্রিকেট খেলবেন না সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিজয়। শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার বিকেলে আচমকা ডাকা সংবাদ সম্মেলনে এই কথা বলেছেন একসময়ের জাতীয় দলের ওপেনার।
২০২৪-২৫ মৌসুমের বিপিএলে দুর্বার রাজশাহীর হয়ে খেলেছিলেন বিজয়। ওই টুর্নামেন্টে ফিক্সিংয়ের সন্দেহভাজন তালিকায় আসে তার নাম। পরে বিসিবির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের প্রধান অ্যালেক্স মার্শালের পরামর্শ অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ মৌসুমের বিপিএলে খেলতে দেওয়া হয়নি বিজয়কে।
তবে এক বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও, ওই বিপিএলে বিজয়ের ফিক্সিং কাণ্ড সম্পর্কে বিস্তারিত জানায়নি বিসিবি। তাকে দোষী সাব্যস্ত করে সুনির্দিষ্ট কোনো শাস্তির ঘোষণাও দেওয়া হয়নি। তাই এখন এই বিষয়ে সুষ্ঠু সমাধান ও নিজের হারানো সম্মান ফেরত চান বিজয়।
“আমি সিম্পল একটা কথা বলি, আমার ক্রিকেট খেলার দরকার নাই। যতক্ষণ পর্যন্ত না ওনারা আমাকে সম্মান ফেরত দিচ্ছেন, সসম্মানে সবাইকে জানাচ্ছে যে, বিজয় অপরাধী না, বিজয়ের পারিশ্রমিক শোধ হয়েছে, বিজয়ের সঙ্গে (ফিক্সিংয়ের ব্যাপারে) যা হয়েছে, এই নামগুলো ভুলে এসেছে, সন্দেহের তালিকায় ছিল এখন জিনিসটা সুন্দর (সমাধান) হয়ে গেছে, সব ধরনের খেলাও খেলতে পারবে। সুন্দর করে বিসিবি যখন বলবে তখন আমি ক্রিকেট খেলব।”
“এমন না যে... এই বিসিএল খেললে এমন কি! এর আগেও আমি বহুত সেঞ্চুরি করেছি। এ মাঠে আমার অনেক সেঞ্চুরি আছে। অন্য জায়গায় যেখানেই খেলি অনেক সেঞ্চুরি আছে। আপনারা অনেক ভালোবাসা দিয়েছেন, অনেক পেয়েছি, আলহামদুলিল্লাহ! আমার এখন সম্মান দরকার। সম্মানের জন্য ছোটবেলা থেকে ক্রিকেট খেলে আসছি, টাকার জন্য না। সেটা আমি আবার ফেরত পাইতে চাই।”
তাহলে এটা কি অবসরের ঘোষণা কি না, তা জানতে চাওয়া হয় বিজয়ের কাছে। প্রশ্নের উত্তরে প্রচ্ছন সেই ইঙ্গিত দিয়ে রাখেন স্বীকৃত ক্রিকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ৫১টি সেঞ্চুরি করা এই ব্যাটার।
“এটা এক ধরনের যদি বলেন, আমাকে যদি তারা উপযুক্ত সম্মান, ঠিকভাবে না দেয়, আমার কাছে মনে হয় যে আমি (ক্রিকেটে) ফিরব না। আমার দরকার নাই ক্রিকেট খেলার।”

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ব্যর্থতায় শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সনাথ জয়াসুরিয়া। সাবেক এই ক্রিকেটারের বিদায়ের পর দাসুন শানাকার দলের নতুন হেড কোচ কে হবেন, তা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। কুড়ি কুড়ির বিশ্বকাপ হতাশাজনকভাবে শেষ হলেও ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এখন থেকেই চক কষছে শ্রীলঙ্কা।
২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে দল পুনর্গঠন এবং অভিজ্ঞ ও প্রমাণিত কোনো কোচকে দায়িত্ব দিতে আগ্রহী শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড। এসএলসির সে শর্টলিস্টে তিন অভিজ্ঞ কোচ—ট্রেভর বেলিস, অ্যালান ডোনাল্ড ও জনাথন ট্রট।
ট্রেভর শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটে পরিচিত মুখ। ২০০৭ থেকে ২০১১ পর্যন্ত লঙ্কান ক্রিকেটের প্রধান কোচ ছিলেন। টম মুডির পর দায়িত্ব নিয়ে দলকে প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রেখেছিলেন বেলিস। ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার এইট থেকে বিদায় নিলেও ২০১১ ওয়ানডে বিশ্বকাপে দলকে ফাইনালে তুলতে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। শেষ পর্যন্ত রানার্স-আপ হয় শ্রীলঙ্কা। শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট সংস্কৃতি ও খেলোয়াড়দের সম্পর্কে ভালো ধারণা ট্রেভরের।
দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক পেস কিংবদন্তি ডোনাল্ড আছেন শর্টলিস্টে। ২০১৭ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে শ্রীলঙ্কার বোলিং পরামর্শক হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক—দুই পর্যায়েই কোচিংয়ের অভিজ্ঞতা রয়েছে ডোনাল্ডের।
২০২২ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত বাংলাদেশের পেস বোলিং কোচ ছিলেন ডোনাল্ড। তাঁর ট্যাকটিকস ও তরুণ সম্ভাবনাময় পেসারদের গড়ে তোলার ক্ষমতা রয়েছে তার।
ইংল্যান্ডের সাবেক ব্যাটার জনাথন ট্রট রয়েছেন সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায়। ২০২২ সালে আফগানিস্তানের প্রধান কোচের দায়িত্ব নেন তিনি। তাঁর অধীনে ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে মোহাম্মদ নবীরা। সেমিফাইনালের খুব কাছাকাছি পৌঁছেছিল আফগানিস্তান।
২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও আফগানিস্তানকে সেমিফাইনালে তুলতে ভূমিকা রাখেন ট্রট। তরুণ প্রতিভা গড়ে তোলা ও লড়াকু দল তৈরি করার দক্ষতা তাকে শ্রীলঙ্কার জন্য আকর্ষণীয় বিকল্প করে তুলেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান ইরান ও ইসরায়েল সংঘাতের প্রভাবে পাকিস্তান নারী ক্রিকেটারদের দেশে ফেরা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। তেল আবিব ও ওয়াশিংটনের যৌথ হামলার প্রতিক্রিয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে লাগাতার পাল্টা আক্রমণ চালাচ্ছে তেহরান। এই পরিস্থিতিতে দুবাই, সৌদি আরব, ওমানসহ কয়েকটি দেশের বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
যুদ্ধের সংঘাত এবং বিমান বন্দর সাময়িক বন্ধ থাকায় দেশে ফিরতে বিলম্ব হচ্ছে পাকিস্তান নারী দলের ক্রিকেটারদের। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে ওয়ানডে সিরিজ শেষে সোমবার রাতে ডারবান থেকে পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা ছিল ফাতিমা সানাদের। কিন্তু বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তারা। বর্তমানে তারা ডারবানেই অবস্থান করছেন।
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) জানিয়েছে, আকাশসীমা পুনরায় খোলার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়ার পরই দল দেশে ফেরার পথে রওনা দেবে। পিসিবি সতর্ক করেছে, পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত খেলোয়াড়রা দক্ষিণ আফ্রিকাতেই থাকবেন।
দক্ষিণ আফ্রিকায় পাকিস্তান নারী দল তিনটি টি-টোয়েন্টি এবং তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছে, যেখানে উভয় সিরিজই ২-১ ব্যবধানে জিতেছে স্বাগতিক দল।

ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব গিয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম। ওমরাহ শেষে শনিবার জেদ্দা থেকে দুবাই হয়ে দেশে ফেরার কথা ছিল জাতীয় দলের উইকেটকিপার ব্যাটারের। তবে ইরান ও ইসরায়েলের সংঘাতে আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যাত্রাপথে বিঘ্ন ঘটে মুশফিকের। তবে সোমবার নিরাপদে দেশে ফিরেছেন তিনি।
সোমবার সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে জাতীয় দলের ক্রিকেটারের ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তারই সহধর্মিণী জান্নাতুল কিফায়েত মন্ডি।
তিনি লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, মুশফিক নিরাপদে বাসায় ফিরে এসেছে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা তার জন্য সবকিছু সহজ করে দিয়েছেন। যারা আমার খোঁজখবর নিয়েছেন এবং আমাকে মানসিক সমর্থন দিয়েছেন, সকল আপনজনকে অসংখ্য ধন্যবাদ।’
যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুশফিকের স্ত্রী। পরিস্থিতি স্বাভাবিক যেন হয়, এ জন্য দোয়া প্রার্থনা করেন তিনি, ‘আমরা দোয়া করি, ইন শা আল্লাহ, পৃথিবীর পরিস্থিতি খুব শিগগিরই শান্ত ও স্বাভাবিক হয়ে উঠুক।’
রবিবার যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানিয়েছিলেন ইসরায়েল-ইরানের সংঘাতে জেদ্দা বিমানবন্দরে আটকে পড়া মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করেছেন তিনি। তখন তিনি জানিয়েছিলেন, রবিবার রাতের ফ্লাইটে মুশফিক দেশে ফিরে আসবেন।