
প্রিমিয়ার লিগে রবিবার এভারটনের বিপক্ষে আর্সেনালের জয়ের ম্যাচে একটি গোলে অবদান ছিল ম্যাক্স ডাউম্যানের। যোগ করা সময়ের সপ্তম মিনিটে জাদুকরি এক শটে অতিথিদের আশা চূর্ণ করে দেন ইংলিশ সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার। এ জয়ে লিগে দ্বিতীয়স্থানে থাকা ম্যানচেস্টার থেকে নয় পয়েন্ট এগিয়ে মিকেল আরতেতার দল।
এভারটনের বিপক্ষে মাত্র ১৬ মিনিট মাঠে ছিলেন ডাউম্যান। শেষ মুহূর্তের গুরুত্বপূর্ণ এই সময়ে ম্যাচে গতি এনে দেন ১৬ বছর বয়সী তরুণ। ম্যাচের ৮৯ মিনিটে ভিক্টোর ইয়োকেরেসের ফাইনাল টাচের আগে ডাউম্যান ও পিয়েরো ইনকাপিয়ের পায়ের সংযোগ ছিল। এরপর যোগ করা সময়েও একক নৈপুণ্যে দেখা গেছে তার। গানার্সদের মূল দলে যোগ দেওয়ার পর এটাই ডাউম্যানের প্রথম গোল।
অল্প বয়সে ডাউম্যানের এমন দক্ষতা এবং প্রফেশনালিজমে মুগ্ধ আর্সেনালের সাবেক সেন্টারব্যাক জন টেরি। তার দাবি, লিওনেল মেসির মতোই প্রতিভাবান তিনি।
ম্যাচের পর সামাজিক মাধ্যমে নিজের মুগ্ধতার কথা জানান টেরি। এক বছর আগে তরুণ বয়সে তার খেলা দেখার স্মৃতিও তুলে ধরেন তিনি। টেরি বলেন,
“ম্যাক্স ডাউম্যান—কি দারুণ ফুটবলার! মাত্র ১৬ বছর বয়স, অথচ অবিশ্বাস্য প্রতিভা। প্রায় এক বছর আগে চেলসির বিপক্ষে তার খেলা দেখেছিলাম। মানুষকে এমন সহজে পাশ কাটিয়ে যেতে আমি খুব কম ফুটবলারকে দেখেছি—মেসি ছাড়া। তুলনাটা বড়, কিন্তু এই ছেলেটা সত্যিই অসাধারণ প্রতিভা। ভবিষ্যতে আর্সেনাল ও ইংল্যান্ড—দুই দলেরই গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হয়ে উঠবে সে।”
ম্যাচের পর আর্সেনালের কোচ মিকেল আরতেতাও তরুণ তুর্কীর প্রশংসা করেছেন,
“কয়েক দিনের অনুশীলনে তাকে দেখে মনে হচ্ছিল এটাই তার সুযোগ পাওয়ার সময়। সে পরিস্থিতি, প্রতিপক্ষ বা চাপ—কোনো কিছুতেই ভড়কে যায় না। স্বাভাবিকভাবে খেলতে পারে এবং এমন সিদ্ধান্ত নেয়, যা ম্যাচে প্রভাব ফেলে। আমি অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড় দেখেছি, কিন্তু ১৬ বছর বয়সে এমন চাপ সামলাতে পারে—এমন ফুটবলার খুব কমই আছে।”
No posts available.
১৫ মার্চ ২০২৬, ৭:২২ পিএম
১৫ মার্চ ২০২৬, ৪:০২ পিএম
১৫ মার্চ ২০২৬, ২:১৫ পিএম

বায়ার লেভারকুজেনের বিপক্ষে লুইস দিয়াসের দ্বিতীয় হলুদ কার্ড নিয়ে কম আলোচনা হচ্ছে না। বায়ার্ন মিউনিখ কোচ ভেসোঁ কম্পানি তো সরাসরিই বলেছেন, হলুদ কার্ড পাওয়ার মতো অপরাধ করেনি তার শিষ্য। আর ব্যাপারটি নিয়ে স্বয়ং মুখ খুললেন ম্যাচের রেফারি ক্রিস্টিয়ান ডিনগার্ট।
ডিনগার্টের সহজ স্বীকারোক্তি—কলম্বিয়ান ফরোয়ার্ডকে হলুদ কার্ড দেখিয়ে ভুল করেছেন তিনি। এ জন্য দুঃখপ্রকাশ করতে দ্বিধা নেই তার।
বে এরিনাতে ম্যাচের ৬৯তম মিনিটে দিয়াসের গোলে সমতায় ফেরে বায়ার্ন। পাঁচ মিনিট পর হলুদ কার্ড দেখেন তিনি। এরপর ৮৪তম মিনিটে তাকে দ্বিতীয় হলুড কার্ড দেখান রেফারি।
ম্যাচ শেষে রেফারি ডিনগার্ট স্বীকার করেন, রিপ্লে দেখার পর তার মনে হয়েছে দিয়াসকে হলুদ কার্ড দেখানো সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল না।
বায়ার্ন কোচ কম্পানি ম্যাচ শেষে বলেন,
“ওই ঘটনা কখনোই দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেওয়ার মতো ছিল না, এমনকি ওটায় হলুদ কার্ডই দেওয়ার মতো না। পেনাল্টি হবে কি হবে না, সেটা নিয়ে বিতর্ক হতেই পারে, কিন্তু একমাত্র যা নিয়ে বিতর্ক করা যায় তা হলো স্পর্শ করেছিল।”
তিনি যোগ করেন,
“আর ওই ফাউলের পর তার চেহারা দেখলেই বোঝা যাচ্ছিল সে কতটা সৎ ছিল; সঙ্গে সঙ্গে উঠে দাঁড়িয়েছিল। সে পড়ে গিয়েছিল কারণ (গোলরক্ষকের পায়ে) স্পর্শ লেগেছিল।”
বুন্দেসলিগায় ২৬ ম্যাচে ৬৭ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলে শীর্ষে বায়ার্ন। দ্বিতীয় স্থানে থাকা বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের পয়েন্ট ৫৮।

রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে ফিনালিসিমা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্তা সংস্থা ইউয়েফা ও দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল সংস্থা কনমেবল। আগামী ২৭ মার্চ কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল ইউরো চ্যাম্পিয়ন স্পেন এবং কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার মধ্যকার বহুল প্রতীক্ষিত ফিনালিসিমা ম্যাচ।
সোমবার ইউয়েফা তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে হাইভোল্টেজ ম্যাচটি বাতিলের কথা জানানো হয়। বলা হয়, বর্তমান নাজুক পরিস্থিতি ম্যাচটি আয়োজনের সুযোগ কেড়ে নিয়েছে।
আরও পড়ুন
| আর্সেনালের বিপক্ষে বন্ধুর ম্যাচ, গ্যালারিতে হামলার শিকার |
|
ম্যাচ বাঁচানোর চেষ্টা হিসেবে ইউয়েফা বিভিন্ন বিকল্প প্রস্তাব সামনে আনে। প্রথম প্রস্তাব—২৭ মার্চ মাদ্রিদের সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ম্যাচ আয়োজনের। সেখানে স্টেডিয়ামের সিট ভাগাভাগিরও প্রস্তাব দেওয়া হয়। কিন্তু আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) এবং কনমেবল এই প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে দেয়।
দ্বিতীয় প্রস্তাবটি—ফিনালিসিমাকে দুইটি ম্যাচে ভাগ করা। একটি বার্নাব্যুতে ২৭ মার্চ এবং আরেকটি বুয়েনস আইরেসে। অর্থাৎ দুই লেগে খেলার প্রস্তাব দেওয়া হয় দুই দলকে। তবে এই প্রস্তাবটিও আর্জেন্টিনার পক্ষ থেকে প্রত্যাখ্যান করা হয়।
আরও পড়ুন
| মেসির মতো প্রতিভাবান তরুণের সন্ধান আর্সেনালে |
|
পরবর্তীতে, ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা একটি নিরপেক্ষ ভেন্যুতে খেলার প্রস্তাব দেয় ২৭ বা ৩০ মার্চ, যা আর্জেন্টিনা প্রত্যাখ্যান করে। আর্জেন্টিনা পরবর্তী প্রস্তাব দেয় বিশ্বকাপের পরে খেলার। কিন্তু স্পেন সেটাতে সায় দেয়নি। শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনা ৩১ মার্চ খেলার জন্য রাজি হয়, যা সম্ভবপর হয়নি।
শেষ পর্যন্ত ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা দুঃখ প্রকাশ করে ঘোষণা করে, ২০২৬ সালের ফিনালিসিমা বাতিলের।

এমিরাটস স্টেডিয়ামে আর্সেনাল ও এভারটনের ম্যাচে ফলের চেয়ে বাইরের এক অপ্রীতিকর ঘটনা বেশি আলোচনায়। রবিবার প্রিমিয়ার লিগে গার্নাসদের বিপক্ষে ২-০ গোলে হারের ম্যাচে এভারটন ফরোয়ার্ড থিয়ের্নো ব্যারি দাবি করেছেন, গ্যালারিতে তাঁর কয়েকজন বন্ধু হামলার শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
ম্যাচ শেষে ব্যারি একটি ভিডিও প্রকাশ করেন সামাজিক মাধ্যমে। ক্যাপশনে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। ম্যাচের ৬৯তম মিনিটে বদলি হিসেবে নামা এই ফরোয়ার্ড জানান, সফরকারী দর্শকদের গ্যালারিতে মারামারির ঘটনা ঘটে এবং সেখানে তার বন্ধুদের লক্ষ্য করে হামলা করা হয়।
আরও পড়ুন
| মেসির মতো প্রতিভাবান তরুণের সন্ধান আর্সেনালে |
|
ভিডিওটির সঙ্গে জুড়ে দেওয়া ক্যাপশনে ব্যারি লেখেন,
“স্টেডিয়ামে এ ধরনের আচরণ অগ্রহণযোগ্য। বন্ধুরা খেলা উপভোগ করতে এসেছিল, কিন্তু কয়েকজন বোকা মানুষের কারণে সবকিছু নষ্ট হয়ে গেছে। ফুটবল এমন একটি জায়গা হওয়া উচিত যেখানে সবাই নিরাপদ ও সম্মানিত বোধ করবে। এই ধরনের আচরণের ফুটবলে কোনো স্থান নেই।”
তিনি জানান, হামলার শিকার হওয়া তার বন্ধুদের এবং অন্য কয়েকজনকে নিরাপত্তার কারণে আর্সেনালের নিরাপত্তাকর্মী ও পুলিশ গ্যালারি থেকে বের করে নিয়ে যায়, যাতে আর কোনো সংঘাত না ঘটে।
আরও পড়ুন
| আর্জেন্টিনার প্রস্তাবে রাজি না হলে স্থগিত হবে ফিনালিসিমা |
|
ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশ বিষয়টি তদন্ত শুরু করেছে। স্থানীয় পুলিশের এক বার্তায় বলা হয়,
“ম্যাচের শেষ দিকে স্টেডিয়ামের যে সংঘর্ষের ভিডিও ছড়িয়েছে, সে বিষয়ে আমরা অবগত। বিষয়টি তদন্তে আমরা লন্ডনের মহানগর পুলিশের সঙ্গে কাজ করছি।”
এভারটন এক বিবৃতিতে বলেছে,
“সহিংস বা বিশৃঙ্খল আচরণ সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য এবং ফুটবলে এর কোনো স্থান নেই। এটি এভারটনের ঘরের মাঠ বা সফরের সমর্থকদের প্রকৃত চিত্র নয়। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজ করে ঘটনার সত্যতা নির্ধারণ করব এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।”

স্পেন-আর্জেন্টিনার ফিনালিসিমা নিয়ে অনিশ্চয়তা ক্রমেই বাড়ছে। নির্ধারিত সময়ের খুব কাছাকাছি চলে এলেও এখনো ম্যাচের ভেন্যু ও আয়োজন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি স্থগিত হওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।
শুরুর পরিকল্পনা অনুযায়ী, ম্যাচটি ২৭ মার্চ কাতারের দোহায় লুসাইল স্টেডিয়ামে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে সেই পরিকল্পনা বাতিল করা হয়। তারপর নতুন ভেন্যু নিয়ে আলোচনা শুরু হলেও এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
ইউরোপের ফুটবল সংস্থা ইউয়েফা চায় ম্যাচটি ইউরোপেই আয়োজন করা হোক। সংস্থাটির সভাপতি আলেকসান্দার চেফেরিন এ বিষয়ে অনড় অবস্থান নিয়েছেন বলে ইউরোপের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল সংস্থা কনমেবল এবং আর্জেন্টিনা ফুটবল সংস্থা যৌথভাবে বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছে।
আর্জেন্টিনা ফুটবল সংস্থা সর্বশেষ প্রস্তাব হিসেবে ইতালির রাজধানী রোমের অলিম্পিক স্টেডিয়ামে আগামী ৩১ মার্চ ম্যাচটি আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছে। এই প্রস্তাব গ্রহণ না করা হলে ম্যাচটি স্থগিত করা হতে পারে বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন
| দেড় বছর পর জাতীয় দলের স্কোয়াডে বিশ্বনাথ, পাঁচ বছর পর মানিক |
|
এর আগে ইউরোপীয় পক্ষের প্রাথমিক প্রস্তাব ছিল স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদের সান্তিয়াগো বার্নাব্যু স্টেডিয়ামে ম্যাচটি আয়োজন করা। কিন্তু আর্জেন্টিনা ফুটবল সংস্থা সেই প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দেয়। সংস্থাটির সভাপতি ক্লাউদিও তাপিয়া এ ব্যাপারে রসিকতা করে পাল্টা মন্তব্যও করেন।
ম্যাচ আয়োজন নিয়ে জটিলতা বাড়তে থাকায় দুই লেগে খেলার ধারণাও একবার আলোচনায় আসে। তবে একটি ম্যাচ আয়োজনই যখন কঠিন হয়ে উঠেছে, তখন দুই লেগে ম্যাচ আয়োজন প্রায় অসম্ভব বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ইউরোপের চ্যাম্পিয়ন ও দক্ষিণ আমেরিকার চ্যাম্পিয়নের লড়াই হলো ফিনালিসিমা। সবশেষ ইতালিকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল আর্জেন্টিনা।
বিশ্বকাপের আগে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলার এটিই দুই দলের অন্যতম বড় সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মাত্র কয়েক দিন আগে পর্যন্ত ভেন্যু নির্ধারণ না হওয়ায় এখন ম্যাচটি আদৌ হবে কি না, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে বড় অনিশ্চয়তা।

এএফসি এশিয়ান কাপের শেষ ম্যাচে আগামী ৩১ মার্চ সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। তার আগে ভিয়েতনামে ২৬ মার্চ একটি ফিফা প্রীতি ম্যাচে অংশ নেবে হাভিয়ের কাবরেরার দল। দুটি ম্যাচকে সামনে রেখে আগামীকাল থেকে ঢাকায় জাতীয় দলের ক্যাম্প শুরু হচ্ছে। ঢাকার ক্যাম্পের জন্য আজ ২৮ জনের প্রাথমিক স্কোয়াড ঘোষণা করেন প্রধান কোচ কাবরেরা।
এই দুটি ম্যাচ খেলতে সরাসরি ভিয়েতনামে দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে হামজা চৌধুরীর। যে কারণে ২৮ জনের এই স্কোয়াডে নেই লেস্টার সিটি তারকার নাম। জানা গেছে দল ২২ মার্চ ইংল্যান্ড থেকে ভিয়েতনামে যাবেন হামজা।
দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর পর ইনজুরি কাটিয়ে দলে ফিরেছেন ডিফেন্ডার বিশ্বনাথ ঘোষ। দীর্ঘদিন ইনজুরির সঙ্গে লড়াই ছিল তাঁর। সবশেষ লাল সবুজের জার্সিতে খেলেছেন ২০২৪ সালে ভুটানের বিপক্ষে। আর ফেরার পর লিগ ম্যাচে দারুণ করেছেন তিনি। ফর্টিসের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ লিগ ম্যাচে গতকাল শনিবার বিশ্বনাথের দল বসুন্ধরা কিংস জিতেছে ৩-২ ব্যবধানে। এবার জাতীয় দলে ছন্দ টেনে আনার পালা।
আর দীর্ঘ ৫ বছর পর আবার জাতীয় দলে ফিরেছেন ডিফেন্ডার মঞ্জুরুর রহমান মানিক। বর্তমানে ফর্টিস এফসিতে খেলা এই ডিফেন্ডারের এভাবে ফেরাকে অনেকেই দেখছেন ইতিবাচক হিসেবে। এভাবেও যে ফেরা যায় তারই নতুন গল্প লিখলেন মানিক।
আরও পড়ুন
| ফিলিপিনকে ৭-০ গোলে উড়িয়ে সেমিফাইনালে জাপান |
|
আজ কালের মধ্যে ঢাকায় আসার কথা রয়েছে ইতালির ওলিবিয়া সালসিওর ফরোয়ার্ড ফাহামিদুল ইসলাম, কানাডা প্রবাসী সোমিত সোম ও তারিক কাজীদের। ঢাকায় জাতীয় দলের ক্যাম্প হবে আগামী ২০ মার্চ পর্যন্ত। প্রাকটিস ভেন্যু ঠিক করা হয়েছে বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনাকে।
এবারই প্রথম জাতীয় দলের প্রাথমিক স্কোয়াডে ডাক পেলেন ব্রাদার্স ইউনিয়নের গোলকিপার ইশাক আকন্দ। এর আগে অনূর্ধ্ব-২০ জাতীয় ফুটবল দলের হয়ে খেলে নজরে আসেন এই গোলকিপার। এবার জাতীয় দলের প্রাথমিক স্কোয়াডে। যদিও প্রাথমিক স্কোয়াডে গোলকিপার আছে মোট চারজন। শেষ পর্যন্ত তিনজনের মধ্যে ইশাক থাকতে পারেন কি না সেটি সময়ের অপেক্ষা।
এছাড়া প্রথমবারের মতো প্রাথমিক স্কোয়াডে ডাক পেয়েছেন রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস অ্যান্ড সোসাইটির ফরোয়ার্ড রফিকুল ইসলাম।
ঢাকা ট্রেনিং ক্যাম্পের জন্য বাংলাদেশ জাতীয় দল:
গোলকিপার: মিতুল মারমা, মো. সুজন হোসেন, মেহেদী হাসান শ্রাবণ, ইশাক আকন্দ।
ডিফেন্ডার : তারিক কাজী, রহমত মিয়া, শাকিল আহাদ তপু, মো. আব্দুল্লাহ ওমর, শাকিল হোসেন, জায়ান আহমেদ, বিশ্বনাথ ঘোষ, সাদ উদ্দিন, মঞ্জুরুর রহমান, ইসা ফয়সাল।
মিডফিল্ডার : শাহ কাজেম কিরমানি, শেখ মোরসেলিন, জামাল ভূঁইয়া, সোহেল রানা, মো সোহেল রানা, মো. হৃদয়, সোমিত সোম।
ফরোয়ার্ড : আরমান ফয়সাল আকাশ, ইমন শাহরিয়ার, ফয়সাল আহমেদ ফাহিম, ফাহামিদুল ইসলাম, মিরাজুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, সুমন রেজা।