
‘আমি মাদ্রিদকে সত্যিই পছন্দ করি। এটি বুয়েন্স আইরেসের মতোই’— চেলসির দুঃসময়ে এমন কথার জেরে স্কোয়াড থেকে জায়গা হারান এনজো ফার্নান্দেজ। শনিবার এফএ কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পোর্ট ভেলের ম্যাচেও লিয়াম রোসেনিওরের পছন্দের একাদশে ছিলেন না আর্জেন্টাইন প্লে-মেকার। চেলসির পরের ম্যাচেও বেঞ্চে কটাতে হচ্ছে এনজোকে।
শনিবার এফএ কাপের বাঁচা-মরা ম্যাচে এনজোর অবর্তমানে ব্লুজদের আর্মব্যান্ড পরেন কোল পালমার। ইংলিশ ফরোয়ার্ডের দায়িত্বে বড় জয়ে টুর্নামেন্টের শেষ চার নিশ্চিত করে চেলসি। মাঠে অভিজ্ঞ এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারের পারফরম্যান্স এবং দায়িত্ব নিয়ে বেশ সন্তুষ্ট রোসেনিওর।
ম্যাচ শেষে তিনি বলেন,
“নেতৃত্বের বিভিন্ন ধরণ থাকে। সে খুবই সাহসী এবং মাঠে বল নিয়ন্ত্রণ করতে পারে—এটাই আমি আমার দলে চাই। তাছাড়াও কোলও নতুন দায়িত্ব নিয়ে খুশি।”
দায়িত্বপ্রাপ্তির পর পালমার বলেন,
“দীর্ঘ অপেক্ষার পর এ সুযোগ এসেছে। অধিনায়ক হওয়া গর্বের বিষয়। আমি উপভোগ করেছি এবং এটি একটি দারুণ বিকেল ছিল। আমরা জয় পাওয়াটা খুবই প্রয়োজন মনে করছিলাম। চারটি কঠিন ম্যাচের পর ওয়েম্বলিতে সেমি-ফাইনালে পৌঁছানো গুরুত্বপূর্ণ।”
রিস জেমসের অনুপস্থিতিতে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজের ক্লাবের অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেছিলেন এনজো। তার নেতৃত্বে প্যারিস সেইন্ট জার্মেইন (পিএসজি), নিউক্যাসল ও এভারটনের বিপক্ষে হার দেখে চেলসি। এরপরই এনজোকে নিয়ে সিদ্ধান্ত নেন রোসেনিওর এবং দল থেকে বাদ পড়েন তিনি।
No posts available.
৫ এপ্রিল ২০২৬, ৮:০৭ পিএম
৫ এপ্রিল ২০২৬, ৫:৩৮ পিএম
৫ এপ্রিল ২০২৬, ৫:০৩ পিএম

বাংলাদেশ ফুটবলে প্রথম বছর পূর্ণ করলেন হামজা চৌধুরী। গত বছরের মার্চে প্রথমবার লাল-সবুজ জার্সি পরেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত ইংল্যান্ড প্রবাসী ফুটবলার। এসময় দেশের ১০ ম্যাচের ৯টিতেই খেলেছেন তিনি। গোল করেছেন ৪টি।
প্রিমিয়ার লিগের লেস্টার সিটির মতো ক্লাব থেকে বাংলাদেশ ফুটবলে আবির্ভাব—বিষয়টি খুব সহজ মনে হলেও কম হ্যাপা পোহাতে হয়নি হামজাকে। বরং ইংলিশ ফুটবলের উন্নত পরিবেশে বেড়ে ওঠা একজন ফুটবলারের বাংলাদেশের জার্সিতে খেলার বিষয়টি অলীক শোনাত এক সময়। তার মধ্যে পাসপোর্ট জটিলতা, ক্লাবের অনুমতি, পরিবারের সম্মতি—সবমিলিয়ে বন্ধুর পথ পাড়ি দিতে হয়েছিল ২৮ বর্ষী হামজা চৌধুরীর।
আরও পড়ুন
| রোসেনিওরের সিদ্ধান্তে কপাল পুড়ছে এনজো |
|
বাংলাদেশ ফুটবলে এক বসন্ত কাটানোর পর হামজা যদিও জানিয়েছেন, তাঁর জীবনের সেরা সিদ্ধান্ত লাল-সবুজ জার্সিতে খেলা। সম্প্রতি লেস্টার সিটি ডিফেন্ডার বলেছেন,
‘শুরুতে অনেকে অনেক কথা বলেছিলেন। কিন্তু আজ পেছনে ফিরে তাকালে বুঝি, রক্তে মিশে থাকা মাটির জন্য খেলার সিদ্ধান্তটি কতটা সঠিক ছিল। গ্যালারি ভর্তি দর্শকের গর্জন আর ভালোবাসা আমাকে প্রতিবার মনে করিয়ে দেয়—আমি নিজের ঘরেই ফিরে এসেছি।’
ভারতের বিপক্ষে এশিয়ান কাপ কোয়ালিফায়ার ম্যাচে অভিষেকের পরের ম্যাচে ভুটানের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে প্রথম গোল পান হামজা। এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের পরের ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষেও অ্যাসিস্ট পান ইংল্যান্ড প্রবাসী এই ফুটবলার।
আরও পড়ুন
| তুমি খুবই কুৎসিত— মুসলিম দাবির পর বর্ণবিদ্বেষের শিকার ইয়ামাল (ভিডিও) |
|
এশিয়ান কাপের বাছাইয়ের ম্যাচে বাংলাদেশের তৃতীয় ম্যাচেও গোল পান হামজা। তবে ফিফা প্রীতি ম্যাচে নেপালের বিপক্ষে তাঁর নেওয়া পানেনকা শট ও বাইসাইকেল কিকে গোল বেশ আলোচনার জন্ম দেয়। সেই বাইসাইকেল কিকের বয়স চার মাস হলেও তা আরেকবার স্মরণ করাল আন্তর্জাতিক ফুটবলের নিয়ন্তা সংস্থা—ফিফা।
ফিফা বিশ্বকাপ ফেসবুক পেজে হামজার ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখা হয় সিলেটি ফুয়া। রবিবার সন্ধ্যা নাগাদ সেই পোস্টে মাত্র দুই ঘণ্টায় রিয়্যাক্ট পড়ে ১ লাখ ৪০ হাজার। সাড়ে ৭ হাজার ভক্ত কমেন্ট করেন তাতে এবং পোস্টটি শেয়ার হয় ২ হাজার ৮শ।

লা লিগায় আতলেতিকো মাদ্রিদ ও বার্সেলোনা ম্যাচে বর্ণবিদ্বেষের শিকার হয়েছেন লামিন ইয়ামাল। শনিবার রিয়াদ এয়ার মেট্রোপলিটানো স্টেডিয়ামে ২-১ ব্যবধানে শেষ হওয়া ম্যাচের একটি মুর্হূতে স্পেনের ফরোয়ার্ডকে উদ্দেশ্য করে কুৎসিত মন্তব্য করেন এক দর্শক। সেই মন্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভিডিওতে দেখা গেছে, আতলেতিকো মাদ্রিদের স্ট্যান্ড থেকে এক দর্শক ইয়ামালের প্রতি বর্ণবিদ্বেষমূলক গালিগালাজ করছেন যখন তিনি কর্ণার কিক নিচ্ছিলেন। এক ভক্তকে বলতে শোনা যায়,
“তুমি দেখতে কুৎসিত, মোটেও ভদ্রলোক না… মরক্কোয় ফিরে যাও, হা**… । ওখানেই চলে যাও।”
কাতালান ক্লাবের মাঠের বাইরের জয় এবং লা লিগার শিরোপার কাছাকাছি (নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের চেয়ে ৭ পয়েন্ট এগিয়ে) যাওয়া সত্ত্বেও ইয়ামালকে ম্যাচের পরে বেশ রাগান্ত্বিত দেখাচ্ছিল। এমনকী কোচের সঙ্গেও ম্যাচ শেষে কথা বলেননি তিনি। পরে বার্সেলোনার কোচিং স্টাফের এক সদস্যের সঙ্গে সরাসরি ড্রেসিংরুমের দিকে চলে যান ইয়ামাল।
ইয়ামালের চুপ থাকা ইস্যুতে ম্যাচ শেষে কথা বলেন হান্সি ফ্লিক,
“ইয়ামাল কিছুটা রাগান্বিত ছিল। সে নিজের সবটুকু উজাড় করে দিয়েছিল, গোল করার এবং শেষ পাসটি দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। অবশ্যই তার আবেগ আছে, তবে সে এখন ড্রেসিংরুমে আছে এবং সবকিছু ঠিক আছে।”
সম্প্রতি ফিফা প্রীতি ম্যাচে মিশরের বিপক্ষে ম্যাচ অপ্রত্যাশিত এক ঘটনার সামনে পড়েন ইয়ামাল। বার্সেলোনার এস্পানিওল আরসিডিই স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরুর আগে মিশরের জাতীয় সংগীত চলাকালীন সজোরে দুয়োধ্বনি দেয় স্প্যানিশ সমর্থকরা। অনেক সমর্থক ‘যে লাফাবে না, সে মুসলিম’ বলে স্লোগান দিচ্ছিল।
পরবর্তীতে এ ঘটনায় সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে বার্সেলোনার উইঙ্গার লেখেন,
‘‘আমি মুসলিম, আলহামদুলিল্লাহ। স্টেডিয়ামে আমরা “যে লাফ দেয় না সে মুসলিম” স্লোগানটি শুনেছি। আমি জানি এটি প্রতিপক্ষের উদ্দেশ্যে এবং ব্যক্তিগতভাবে আমার বিরুদ্ধে নয়, কিন্তু একজন মুসলিম হিসেবে এটি অসম্মানজনক এবং সহ্য করার মতো নয়।’’

চ্যাম্পিয়নস লিগে মৃত্যুকূপে দাঁড়িয়ে শীর্ষে আটে ওঠা দলগুলো। পা ফসকালেই দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা জ্বলে যাওয়ার শঙ্কা। যেখানে ৮ এপ্রিল কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে খেলবে বার্সেলোনা। তার আগেই দলের নির্ভরযোগ্য ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার মার্ক বার্নাল ও ডিফেন্ডার রোনালদ আরউহো পড়েছেন চোটে।
শনিবার লা লিগায় আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে ২-১ গোলের ব্যবধানে জিতে বার্সেলোনা। এ জয়ে রিয়াল মাদ্রিদের চেয়ে ৭ পয়েন্ট দুরত্ব বাড়াল হান্সি ফ্লিকের দল। রিয়াদ এয়ার মেট্রোপলিটন স্টেডিয়ামের সে ম্যাচের ৩৯তম মিনিটে রোনালদ আরউহোর চোট পাওয়ার তার জায়গায় মাঠে নামেন বার্নাল। দুঃখের ব্যাপার হলো, ২২ মিনিটের বেশি মাঠে টিকতে পারেননি এই ১৮ বর্ষী স্প্যানিয়ার্ড। চোট পেয়ে তাকেও মাঠ ছাড়তে হয়।
আরও পড়ুন
| ইতালিতে থাকলে জাতীয় দলে সুযোগ পেতেন না ইয়ামাল, বললেন বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার |
|
রবিবার স্প্যানিশ সংবাদপত্র মুন্দো দেপোর্তিভো জানিয়েছে, রোনাল্দ আরউহোর মেডিকেল পরীক্ষার পর জানা গেছে তিনি গোঁড়ালির চোটে পড়েছেন। অন্তত ১০ দিন খেলতে পারবেন না উরুগুয়েন ডিফেন্ডার। একই শঙ্কা বার্নালের বেলাতেও। তার উরুর পেশিতে টান পড়েছে।
বার্সার দুই খেলোয়াড়—বার্নাল ও আরউহো চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে অংশ নিতে পারবেন না। কোচ ফ্লিক এবং তার স্টাফের এখন একমাত্র লক্ষ্য হবে, কোয়ার্টার-ফাইনালের দ্বিতীয় লেগের জন্য আরউহো ও বার্নালকে ফিট করা।

টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূলপর্বে উঠতে ব্যর্থ হওয়ার পর ওলট-পালট ইতালির ফুটবল। পদত্যাগ করেছেন দেশটির ফুটবল ফেডারেশনের প্রধান, প্রতিনিধিদলের প্রধান ও কোচ। কাটাছেঁড়া হচ্ছে ব্যর্থতার কারণ।
বিশ্বকাপে ইতালির জায়গা করে নিতে না পারাটা মানতে পারছেন না জার্মান ফুটবল কিংবদন্তি ইয়ুর্গেন ক্লিন্সমান। ইতালীয় ফুটবলের কাঠামোগত দুর্বলতা এবং তরুণ প্রতিভাদের প্রতি অনীহার দিকে আঙুল তুলেছেন তিনি।
মঙ্গলবার প্লে-অফ ফাইনালে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার কাছে পেনাল্টিতে ৪-১ ব্যবধানে হারের পর ঘুমাতেই পারেননি ক্লিন্সমান। ইতালীর শীর্ষস্থানীয় দৈনিক ক্রীড়া সংবাদপত্র কোরিয়েরে দেলো স্পোর্তকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাবেক জার্মান এই কোচ বলেন,
‘লস অ্যাঞ্জেলেসে ইতালীয় বন্ধুদের সাথে আমি খুব কষ্ট পেয়েছি। হারের পরের রাতে ইনসোমনিয়ায় (অনিদ্রা) ভুগেছি। এটি সত্যিই মেনে নেওয়া কঠিন।’
আরও পড়ুন
| ৭০ মিলিয়ন ইউরোর প্রস্তাব ফিরিয়ে পানির দামে রিয়াল ফিরছেন নিকো পাজ |
|
খেলোয়াড়ি জীবনের এক পর্যায়ে ইতালির ক্লাব ইন্তার মিলান এবং সাম্পদোরিয়ায় খেলেছেন ক্লিন্সমান। আজ্জুরিদের ফুটবলের বর্তমান সংকট নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন,
‘যদি লামিন ইয়ামাল বা জামাল মুসিয়ালার মতো প্রতিভাবানরা ইতালিতে থাকতেন, তবে অভিজ্ঞতা অর্জনের অজুহাত দেখিয়ে তাদের সম্ভবত দ্বিতীয় বিভাগে (সিরি বি) পাঠিয়ে দেওয়া হতো।’
ক্লিন্সমানের মতে, সিরি আ ক্লাবগুলো তরুণদের ওপর আস্থা রাখতে না পারায় ইতালীয় ফুটবলের মেরুদণ্ড ভেঙে যাচ্ছে। জার্মানির হয়ে ১৯৯০ সালে বিশ্বকাপজয়ী এই কিংবদন্তির বলেন, বর্তমান ইতালি দলে এমন কোনো লিডার নেই যারা ওয়ান-টু-ওয়ান লড়াইয়ে প্রতিপক্ষকে পরাস্ত করতে পারে।
আরও পড়ুন
| বাংলাদেশের সমর্থকরাই বিশ্বের সেরা, হামজার পর বললেন ডেকলান |
|
কোচদের সমালোচনা করেন ক্লিন্সমান বলেন,
‘ইতালিতে অনেক কোচ জেতার চেয়ে না হারার কৌশল নিয়ে বেশি ভাবেন। মাঠের এই অতিরিক্ত রক্ষণাত্মক মানসিকতার ফলাফলই হলো জাতীয় দলের এই করুণ দশা।’

রিয়াল মাদ্রিদের একাডেমির
প্রতিভা নিকো পাজ চার বছরের চুক্তিতে কোমোতে যোগ দেন ২০২৪ সালে। এখন পর্যন্ত ইতালিয়ান
ক্লাবের জার্সিতে খেলেছেন ৬৮ ম্যাচ। আর্জেন্টাইন তরুণ প্লে-মেকারের নামের পাশে জ্বলজ্বল করছে ১৭ গোল।
কোমোতে যোগ দেওয়ার পর
থেকেই প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে চলছেন নিকো। বিষয়টি নখদর্পনে রিয়াল মাদ্রিদের। ফলে নিকোকে
ফের বার্নাব্যুতে ভিড়াতে মরিয়া ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ প্রশাসন। গ্রীষ্মের দলবদলে তার জন্য
কোমোর দরজার কড়া নাড়ছে স্প্যানিশ জায়ান্ট ক্লাব।
নিকোকে সিরি’আ লিগের ক্লাবে বিক্রির সময় বাইব্যাক ক্লজ রেখেছিল রিয়াল মাদ্রিদ। ৬
মিলিয়ন ইউরো ট্রান্সফার ফিতে বিক্রি হওয়া আর্জেন্টাইন অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারের বাইব্যাক
ক্লজ ধরা হয়েছিল প্রায় ৯ মিলিয়ন ইউরো। অর্থাৎ এখন রিয়াল মাদ্রিদ চাইলেও পাজকে চুক্তিকৃত
অর্থ পরিশোধ করে ফের নিজেদের ক্লাবে ভিড়াতে পারেন।
রিয়ালের চাওয়া দ্রুতই পাজকে
দলে ভেড়ানো। তবে কোমোর চায়—নিকো অন্তত আরও এক মৌসুম তাদের সঙ্গেই থাকুক। ক্লাবের
স্পোর্টিং ডিরেক্টর কার্লবের্ত লুদি সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন ।
স্পেন ভিত্তিক স্পোর্টস
বিষয়ক ওয়েব পোর্টাল এএস এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাদ্রিদ তাদের সিদ্ধান্তে অটল। আগামী
মৌসুমে তাদের পরিকল্পনায় আছেন নিকো। খেলোয়াড় নিজে মত বদল না করলে এই ট্রান্সফার আটকে
যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। সেটিও আপাতত প্রত্যাশিত নয়। এমনকী থিয়াগো পিটার্চ কিংবা আর্দা
গুলেরের উন্নতি—কোনোটাই নিকোকে পরিকল্পনার বাইরে ঠেলে দেয়নি।
চুয়ামেনি, গুলের, পিটার্স
ও ভালভের্দের মতো মিডফিল্ডার রিয়ালে থাকায় গেইম টাইম নিয়ে কিছুটা শঙ্কা তৈরি হতে পারে
নিকোর। যে কারণে, এই আলোচনা বড় প্রতিবন্ধকতা হতে পারেন পাজ নিজেই। আর্জেন্টিনার ২১
বছর বয়সী তরুণ যদি চান, রিয়ালের তিনি ভবিষ্যত গড়বেন না, সেক্ষেত্রে বলার আর কিছুই থাকবে
না।
নিকো অবশ্য নিজেও অপেক্ষায়
আছেন রিয়ালের ফেরার। কোমোর চেষ্টার পরও বাস্তবতা পরিষ্কার। গত গ্রীষ্মে তিনি টটেনহাম
হটস্পারের ৭০ মিলিয়ন ইউরোর প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন, শুধুই মাদ্রিদে ফেরার আশায়।
তাই বড় কোনো পরিবর্তন না হলে, এই গ্রীষ্মেই ৯ মিলিয়ন ইউরোর বাইব্যাক ক্লজ সক্রিয় করে
নিকো পাজকে আবার দলে ফিরিয়ে আনবে রিয়াল মাদ্রিদ।