২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১:১৫ এম

সাইফ হাসান ও তাওহিদ হৃদয়ের চমৎকার ব্যাটিংয়ে নিজেদের ইতিহাসের তৃতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়ার রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ। তবে লিটন কুমার দাসের মতে, টার্নিং পয়েন্ট মূলত বোলিংয়ে মুস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন আহমেদের করা শেষ দুই ওভার।
দাসুন শানাকার ঝড়ে শেষ দিকে মনে হচ্ছিল, দুইশর কাছাকাছি চলে যাবে শ্রীলঙ্কা। ১৫ থেকে ১৮তম ওভার পর্যন্ত তারা নেয় ৫৫ রান। সেখান থেকে শেষ দুই ওভারে মাত্র ১৫ রান দেন মুস্তাফিজ ও তাসকিন। যে কারণে ১৬৮ রানে থেমে যায় শ্রীলঙ্কা।
আরও পড়ুন
| একেই বলে ক্যালকুলেটিভ ব্যাটিং |
|
১৯তম ওভারে মাত্র ৫ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন মুস্তাফিজ। ওই ওভারের শুরুতে রান আউট হন চারিথ আসালাঙ্কাও। পরে শেষ ওভারে ৪টি ডট বল করেন তাসকিন। একটি করে চার-ছক্কা হজম করে তিনি দেন ১০ রান।
শ্রীলঙ্কাকে ৪ উইকেটে হারানোর পর পুরস্কার বিতরণ মঞ্চে, এই দুই ওভারের কথা আলাদা করে বলেন লিটন।
“আমরা সবাই জানি, প্রতিপক্ষের জন্য মুস্তাফিজ কতটা বিপজ্জনক। উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য বেশ ভালো ছিল। আমি মনে করি, মুস্তাফিজের ১৯তম ও তাসকিনের ২০তম ওভার ম্যাচ ঘুরিয়ে দিয়েছে। কারণ মনে হচ্ছিল, ১৯০ করে ফেলবে। কিন্তু তারা রানটা কমের মধ্যে রেখেছে।”
আরও পড়ুন
| শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে বাংলাদেশের প্রতিশোধ, সুপার ফোরে উড়ন্ত শুরু |
|
তবু ১৬৯ রানের লক্ষ্য বাংলাদেশের জন্য বেশ বড়ই ছিল। কারণ এর আগে মাত্র দুইবার এত বেশি রান তাড়া করে জিতেছে তারা। তবে লিটনের মতে, এশিয়া কাপের আগের সিরিজগুলোতে সফল রান তাড়ার অভ্যাস তাদেরকে এগিয়ে দিয়েছে।
“এশিয়া কাপের আগে আমরা বেশ কয়েকটি সিরিজ খেলেছি এবং খুব ভালো ব্যাটিং করেছি। যেখানে খুব সহজেই রান তাড়া করেছি। তাই আমরা জানতাম যে, আমাদের ব্যাটিং বিভাগ যথেষ্ট সামর্থ্যবান।”
রান তাড়ায় বড় কারিগর ছিলেন সাইফ হাসান। শুরুতে তানজিদ হাসান তামিম আউট হলেও, ঝড় তুলে দলকে নিরাপদ রাখেন ২৬ বছর বয়সী ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত ২ চার ও ৪ ছক্কায় ৪৫ বলে ৬১ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচ সেরার পুরস্কারও জেতেন সাইফ।
আরও পড়ুন
| বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টির ‘রাজা’ এখন লিটন |
|
লিটনের কন্ঠেও সাইফকে নিয়ে প্রশংসার জোয়ার।
“আমি জানি, বাংলাদেশের হয়ে ম্যাচ জেতাতে পারে সাইফ। এশিয়া কাপের জন্য আমরা যখন তাকে দলে নিলাম, সবাই জানতাম যে এশিয়ার মাঠে সে ভালো ব্যাটার হবে। বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। সে যেভাবে খেলেছে... আমি ওর ক্যারেক্টার জানি, ও কীভাবে রান করে আমার জানা। তাই ব্যাটিং সহজ হয়েছে।”
সুপার ফোরে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ম্যাচের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান। আগামী বুধবার হবে ম্যাচটি। সেই ম্যাচের আগে সতর্ক বাংলাদেশ অধিনায়ক।
“এরকম ম্যাচে রান তাড়া করে জিতলে অবশ্যই আপনি দল হিসেবে উজ্জীবিত থাকবেন পরের ম্যাচের জন্য। তবে আমাদের আবার মাঠে নামতে হবে। নতুন দিন, নতুন প্রতিপক্ষ। আমাদের আবার সেরা ক্রিকেটটাই খেলতে হবে।”
No posts available.
১২ মার্চ ২০২৬, ৮:০৬ পিএম
১২ মার্চ ২০২৬, ৫:২৪ পিএম

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কায় এক নারীর সঙ্গে অসাদাচরণের অভিযোগ ওঠে সালমান মির্জার বিরুদ্ধে। তবে পাকিস্তানি এই পেসার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং তার বিরুদ্ধে প্রচারিত ওই প্রতিবেদনকে ‘মিথ্যা ও মানহানিকর’ বলে অভিযোগ করে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সালমান মির্জার আচরণে অসন্তুষ্ট হয়ে হোটেল কর্তৃপক্ষ নাকি টিম ম্যানেজমেন্টের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগও দায়ের করেছিল। এছাড়া সেখানে আরও দাবি করা হয়, আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) তাকে জরিমানাও করেছিল। তবে এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন মির্জা এবং এ কারণেই সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন।
সালমান মির্জার পাঠানো আইনি নোটিশে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, পিসিবি তাদের অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে প্রকাশ্যে এই অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছে এবং প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্যকে বিদ্বেষপূর্ণ, মনগড়া ও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেছে।
নোটিশে আরও বলা হয়েছে, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি, মির্জার ওপর কোনো জরিমানাও আরোপ করা হয়নি। যাচাই-বাছাই ছাড়াই খবরটি প্রকাশ করায় মির্জা, পিসিবি এবং পুরো পাকিস্তান ক্রিকেট দলের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে।
এছাড়া ওই প্রতিবেদনে বাঁহাতি এই পেসারকে অসম্মানজনক ও অপেশাদার হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে, যা জনসাধারণ ও ক্রিকেট মহলের চোখে তার মর্যাদা কমিয়ে দিয়েছে।
নোটিশে আরও দাবি করা হয়, সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম ও প্রতিবেদক তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। যথাযথ যাচাই ছাড়া বিদ্বেষপূর্ণ উদ্দেশ্যে তথ্য প্রকাশ করে তারা পেশাদার সাংবাদিকতার নীতিমালা লঙ্ঘন করেছেন।
১৭টি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করা মির্জা নিজের ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুনাম রক্ষার জন্য আইনি প্রতিকার চাইছেন।
সালমান মির্জা দৃঢ়ভাবে অভিযোগগুলো অস্বীকার করেন এবং প্রকাশ্যে প্রতিবেদনটির সমালোচনা করেছেন। পাকিস্তানি ফাস্ট বোলারের ভাষায় এটি দায়িত্বহীন কাজ যে যাচাই না করা তথ্য প্রচার করা। সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে তিনি লিখেছেন,
‘মিডিয়ায় একটি অবাস্তব খবর প্রচারিত হচ্ছে এবং আমি এই ধরনের সস্তা সাংবাদিকতা দৃঢ়ভাবে নিন্দা জানাচ্ছি। কোনো মিডিয়া হাউস যাচাই না করা কোনো খবর সম্প্রচার করতে পারবে না।’
পিসিবিও অভিযোগগুলো প্রত্যাখ্যান করেছে এবং খেলোয়াড়ের পাশে দাঁড়িয়েছে। বোর্ড সাংবাদিকের কাছ থেকে একটি প্রকাশ্য ক্ষমা দাবি করেছে এবং সতর্ক করেছে যে, বিষয়টি সমাধান না হলে তারা ব্যবস্থা নেবে।

বিবিসি স্পোর্টসের সংবাদে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল বৈকি। যুক্তরাজ্য ভিত্তিক ব্রডকাস্টিং প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্য হানড্রেডে পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করেছে টুর্নামেন্টে আইপিএল সংশ্লিষ্ট ফ্রাঞ্চাইজিগুলো। সেটিই হওয়ার পথে।
বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যের রাজধানী পিকিডিলি লাইটে বাংলাদেশ সময় বিকাল চারটা থেকে শুরু হওয়া নিলামে এখন পর্যন্ত আইপিএল সংশ্লিষ্ট চার ফ্রাঞ্চাইজির কোনোটি থেকে পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের নাম ডাকা হয়নি। দেশটি থেকে কেবল উসমান তারিক ও আবরার আহমেদের প্রতি আগ্রহ দেখানো হয়েছে।
এক লাখ পাউন্ডের ভিত্তিমূল্যে থাকা উসমান বিক্রি হন ১ লাখ ৪০ হাজার পাউন্ডে। তাকে কিনেছে বার্মিংহ্যাম ফিনিক্স। আর আবরার ডাক পেয়েছৈন সানরাইজার্স লিডসে। তাকে ১ লাখ ৯০ হাজার পাউন্ডে কেনা হয়েছে।
এর আগে নাম উঠেছিল হারিস রউফ ও শাদাব খানদের নাম। তাদের প্রতি আগ্রহ দেখায়নি কেউ। আর নিলাম শুরুর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে নাম প্রত্যাহার করে নেন শাহীন শাহ আফ্রিদি।
গত দুই বছরে ৪৭টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ৭৮ উইকেট নিয়েছেন উসমান। গড়ে ১৬ রান প্রতি উইকেট এবং প্রতি বল ১.১৫ রান দেন তিনি। তার অনন্য বোলিং অ্যাকশন নতুন বা আন্তর্জাতিক ম্যাচ না খেলা ব্যাটসম্যানদের জন্য বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারেন।

ইংল্যান্ডের ‘দ্য হান্ড্রেড’ টুর্নামেন্টের নিলামের জন্য নিবন্ধন করেছিলেন বাংলাদেশের
২৩ ক্রিকেটার। ফাইনাল তালিকায় অর্ন্তভুক্ত হয়েছিলেন কেবল মোস্তাফিজুর রহমান ও রিশাদ
হোসেন। বৈশ্বিক নামি-দামি ঘরোয়া টুর্নামেন্ট খেলা বাংলাদেশের এই দুই ক্রিকেটারকে নিয়ে
বেশ আগ্রহ ছিল সমর্থকদের। তবে নিলামে বাংলাদেশের লেগ স্পিনারকে কিনতে আগ্রহ প্রকাশ
করেনি কোনো দল।
যুক্তরাজ্যের রাজধানী পিকিডিলি
লাইটে বাংলাদেশ সময় বিকাল চারটা থেকে শুরু হয় দ্য হানড্রেডের নিলাম। যেখানে স্পিনারদের
ক্যাটাগরিতে ওঠে রিশাদের নাম। কিন্তু তাকে কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেনি কোনো দল। শেষ পর্যন্ত
অবিক্রিতই থেকে যান রিশাদ।
দ্য হান্ড্রেডের নিলামের
রিশাদের ভিত্তিমূল্য ধরা হয় ৭৫ হাজার পাউন্ড। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় এক কোটি ১২
লাখ ৫০ টাকা।
রিশাদের সঙ্গে স্পিনার ক্যাটাগরিতে নাম ওঠে জাফের চৌহান, উসমান তারিক এবং আকিল হোসেনের। এখন পর্যন্ত হানড্রেডে সর্বোচ্চ অর্থে বিক্রি হয়েছেন ২১ বছর বয়সী জেমস কোলেস। তিন লাখ ৯০ হাজার পাউন্ডে থাকা দলে ভেড়ায় লন্ডন স্পিরিট।

২০১৫ সালের পর দ্বিতীয়বার বাংলাদেশের বিপক্ষে ৮ উইকেটে হারল পাকিস্তান। বুধবার মিরপুরে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে শাহিন আফ্রিদিদের এই হার নিয়ে বেশ সমালোচনা হচ্ছে। দেশটির সাবেক ক্রিকেটাররা শূল্যে চড়াচ্ছেন নির্বাচক, কোচ এবং টিম ম্যানেজমেন্টকে। যার সর্বশেষ সংযোজন বাসিত আলি।
সাবেক এই ক্রিকেটার এতটাই ক্ষেপেছেন যে, রীতিমতো পাকিস্তানের টিম ম্যানেজমেন্টকে গুলি করা উচিত বলে মনে করছেন। তিনি বলেন,
“প্রথমেই গুলি করা উচিত সেই মানুষটিকে, যে ব্যাটসম্যানদের বলেছিল প্রথম দশ ওভারে অন্তত ৬০ রান করতে। মনে হয় সে কখনো মাঠে ক্রিকেট খেলেনি, শুধু কাগজে পরিকল্পনা লিখে দেয়। এখানকার পরিস্থিতি কি সে দেখেনি? বাংলাদেশে যে বড় বড় দলও হেরে যায়, সেটাও কি জানত না?”
পাকিস্তানের সাবেক উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান কামরান আকমলের কাছে শাহিন আফ্রিদিদের দলকে ক্লাবের দল মনে হয়েছে। তিনি বলেন,
“মনে হচ্ছিল এক দল আন্তর্জাতিক মানের আর অন্য দলটা যেন বিশ্বকাপের আগে অনুশীলন করতে নামা কোনো ক্লাব দল। আমি বাসিত আলিকে ফোন করেছিলাম, কিন্তু কী বলব বুঝতে পারছিলাম না।”
সমালোচনা সেখানেই থামাননি তিনি। তার ভাষায়,
“আল্লাহর কসম, এমন ব্যাটিং ক্লাব ক্রিকেটেও দেখা যায় না। ক্লাবের ক্রিকেটাররাও এত খারাপ ব্যাটিং করে না।”
বাসিত আলি মনে করেন, এই ম্যাচে পাকিস্তান ক্রিকেটের বড় একটি সমস্যা প্রকাশ পেয়েছে। তিনি বলেন,
“তরুণদের সময় দিতে হবে—এই বিতর্ক এখন শেষ করা উচিত। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যে নতুন খেলোয়াড় আসে, সে প্রস্তুত হয়েই আসে এবং প্রভাব ফেলে। আমাদের ক্রিকেটারদের বুঝতে হবে, এটি কোনো স্থানীয় ক্লাবের মাঠ নয়, আন্তর্জাতিক মানের বড় ভেন্যু।”
সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে চারজন নতুন ক্রিকেটারকে দলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন দুজনই। বাসিত আলির মতে,
“নতুন খেলোয়াড় এক বা দু’জন করে আনা উচিত, একসঙ্গে চারজনকে নামানো ঠিক নয়।”
আকমল মনে করেন, পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে চতুর্থ অবস্থান খুব একটা গুরুত্ব বহন করে না। তিনি বলেন,
“ঘরের মাঠে দুর্বল দলের বিপক্ষে জিতে পয়েন্ট বাড়ানো যায়, কিন্তু বিদেশে গেলে বাস্তবতা দেখা যায়।”

নিউ জিল্যান্ডের ঘরোয়া টুর্নামেন্ট প্লাংকেট শিল্ডে আলো ছড়ালেন বাঁহাতি পেসার থমাস ও'কনর। দুর্দান্ত বোলিং করে নিজের বাবার ২৭ বছরের পুরোনো রেকর্ড ভেঙে দিলেন ওটাগোর এই পেসার। দুই ইনিংস মিলিয়ে তিনি নিলেন ১৩ উইকেট।
ইডেন পার্কের আউটার ওভালে বুধবার শেষ হওয়া ম্যাচে অকল্যান্ডকে একাই গুঁড়িয়ে দেন থমাস। এই টুর্নামেন্টের ১৯৯৯ সালের সংস্করণে ওটাগোর বিপক্ষেই ১২ উইকেট নিয়েছিলেন থমাসের বাবা ও নিউ জিল্যান্ডের সাবেক পেসার শেইন ও'কনর।
চমৎকার বোলিং করে অকল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে ৫৮ রানে ৭ উইকেট নেন থমাস। পরে ধারাবাহিকতা ধরে রেখে দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ২৭ রানে তিনি নেন ৬ উইকেট। সব মিলিয়ে ৮৫ রানে ১৩ উইকেট নিয়ে ওটাগোর ৯ উইকেটের জয়ের নায়ক ২১ বছর বয়সী পেসার।
১৯৯৯ সালের তৎকালীন শেল ট্রফির (বর্তমান প্লাংকেট শিল্ড) ম্যাচে অকল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৫৮ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন শেইন। পরে দ্বিতীয়বার তার শিকার ৬৪ রানে ৬ উইকেট। শেইনের এমন বোলিংয়ের পর ম্যাচটি ৬ উইকেটে জিতেছিল ওটাগো।
মজার ব্যাপার হলো, শেইনের ওই কীর্তির সময় জন্মই হয়নি থমাসের। ২০০৪ সালে জন্মগ্রহণ করা সেই পেসার এবার ভেঙে দিলেন বাবার রেকর্ড। দুই ম্যাচেই আম্পায়ারিংয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন নিউ জিল্যান্ডের বিখ্যাত আম্পায়ার বিলি বাউডেন।
ম্যাচে নেওয়া ১৩ উইকেট ওটাগোর হয়ে সব মিলিয়ে সপ্তম সেরা বোলিং পারফরম্যান্স। আর ১৯৮৯-৯০ মৌসুমের পর এটিই সেরা বোলিং।