
চোট যেন রিয়াল মাদ্রিদকে ভূতের মতো তাড়া করছে। স্প্যানিশ জায়ান্ট ক্লাবটি একাদশ মাঠে নামাতেই হিমশিম খাচ্ছে। ভাঙাচোরা দল নিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে ম্যানচেস্টার সিটিকে উড়িয়ে দেওয়া ম্যাচেও চোটে পড়েছে রিয়ালের আরও এক ফুটবলার। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পড়েছেন ফার্লান্ড মেন্ডি।
সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে গতকাল শেষ ষোলোর ম্যাচে ফেদেরিকো ভালভের্দের হ্যাটট্রিকে বিধ্বস্ত হয় সিটি। তবে ঘরের মাঠে দারুণ এই জয়ের পর মেন্ডি চোট হোঁচট খায় রিয়াল। সিটির বিপক্ষে ম্যাচে ৪৭ মিনিটে মাঠ ছাড়েন মেন্ডি। ফরাসি এই লেফট-ব্যাককে অন্তত এক সপ্তাহের জন্য মাঠের বাইরে থাকতে হবে। ৩০ বছর বয়সী মেন্ডি দীর্ঘ দিনই চোটে ভুগছিলেন। ফিটনেস সমস্যার কারণে মৌসুমর বড় একটা অংশ দর্শক হয়ে ছিলেন তিনি।
ম্যাচের পর মেন্ডির চোট নিয়ে আলভারো আলবেরোয়া বলেন,
‘হ্যাঁ, সে চোটাক্রান্ত। পরিস্থিতি ভালো দেখাচ্ছে না। আমি তাঁর চেষ্টা মূল্যায়ন করি। এতদিনের বিরতির পর দুই ম্যাচের জন্য তাঁকে খেলানোই ছিল একটি ঝুঁকি। আমি ঝুঁকি নিলাম এবং এজন্য আমি তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ। তাঁকে কোচিং করানোর সুযোগ সত্যিই অসাধারণ। এখনই কিছু বলা কঠিন, তবে মঙ্গলবারে (ফিরতি লেগ) পুরো ফিট থাকার সম্ভাবনা কম।’
চোটের প্রকৃতি ও গুরুত্ব আরও স্পষ্টভাবে দেখার জন্য আগামীকাল আরও স্ক্যান করা হবে মেন্ডির। আপাতত এক সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকায় লা লিগায় এলচের বিপক্ষে ম্যাচ ও চ্যাম্পিয়নস লিগে ম্যানচেস্টার সিটির মাঠ ইতিহাদে খেলতে পারবেন না ৩০ বছর বয়সী লেফট-ব্যাক।
সিটির বিপক্ষে ম্যাচে দারুণ খেলছিলে মেন্ডি। সিটিজেনদের উইঙ্গার সাবিনহো এবং সেমেনিও-কে আটকে রেখেছিলেন রিয়াল ডিফেন্ডার। বিরতির পর মেন্ডির চোটের ইঙ্গিত মেলে। রিয়ালের জন্য সুখবর ক্লাবটির আরেক লেফট ব্যাক আলভারো কারেয়াস চোট থেকে অনেকটাই সেরে উঠেছেন।
No posts available.
১৩ মার্চ ২০২৬, ১২:১০ পিএম
১৩ মার্চ ২০২৬, ১১:৩৪ এম
১২ মার্চ ২০২৬, ১০:১৯ পিএম

চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগে পিএসজির কাছে ৫-২ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছে চেলসি। বুধবার প্যারিসের পার্ক দেস প্রিন্সেসে মাঠের সেই ম্যাচে তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে বল বয়কে ধাক্কা দেন পেদ্রো নেতো। এ ঘটনায় ম্যাচ শেষে ৩৫ বার ক্ষমা চান চেলসি উইঙ্গার।
ক্ষমাপ্রার্থনার পরও শৃঙ্খলভঙ্গের কারণে নেতোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে ইউয়েফা। ইউয়েফা জানিয়েছে, নেতোর বিরুদ্ধে “অখেলোয়াড়ি আচরণ” এর অভিযোগে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং তাদের নিয়ম অনুযায়ী তদন্ত চলছে।
ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আরও জানিয়েছে, উপযুক্ত সময়ে শৃঙ্খলাপরায়ণ সংস্থাগুলো এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন
| ইরানের বিশ্বকাপ বয়কট, সুর বদলে কঠোর ট্রাম্প |
|
নেতো অবশ্য ম্যাচের দিনই এই ঘটনার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। তিনি বলেছেন, “আমি এমন মানুষ নই। এটা আমার ইমোশনের কারণে হয়ে গেছে এবং আমি ক্ষমা চাইছি।’’
নেতোর ফরাসি ভাষায় দক্ষতা কম হওয়ায় তার জাতীয় দলের সতীর্থ ও পিএসজি তারকা ভিতিনহা মধ্যস্থতা করতে এগিয়ে আসেন। তিনি ওই বল বয়কে বুঝিয়ে বলেন, নেতো আসলে শান্ত স্বভাবের মানুষ।
সেই বল বয়ের কাছে ৩৫ বার ক্ষমা চাওয়ার কথা জানিয়ে নেতো বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত সে (বল বয়) হেসেছে। আমি তাকে আমার জার্সি দিয়েছি এবং অন্তত ৩৫ বার 'সরি' বলেছি। সে বিষয়টি বুঝতে পেরেছে এবং এখন খুশি।’
চেলসির কোচ লিয়াম রোরেনিয়রও এই ঘটনার জন্য ক্লাবের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ক্ষমা চেয়েছেন।

অ্যাস্টন ভিলা কোচ হিসেবে নতুন এক রেকর্ড গড়লেন উনাই এমেরি। ইউরোপা লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগে লিলকে হারানোর ম্যাচে ভিলার হয়ে শততম জয় পান তিনি। ক্লাবের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে এই মাইলফলকে পৌঁছানোর কৃতিত্ব এখন এমেরির।
২০২২ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ভিলাকে ইউরোপের প্রতিযোগিতায় শক্তিশালী করে তুলেছেন এমেরি। ৫৪ বছর বয়সী এই স্প্যানিশ কোচের জয়ের হার ক্লাব ইতিহাসে সর্বোচ্চ—৫৫ দশমিক ২ শতাংশ।
ভিলা পার্কের হয়ে ১০০ জয়ের মাইলফলকে পৌঁছানো কোচদের তালিকায়ও আছেন এমেরি। এই তালিকায় তার চেয়ে বেশি জয় রয়েছে পেপ গার্দিওলা ও মিকেল আরতেতার।
শততম জয় নিয়ে খুব বেশি কথা বলেননি এমেরি। কিন্তু পরিসংখ্যানই তার সাফল্যের গল্প বলছে। সেভিয়া ও ভিয়ারিয়ালের সাবেক এই কোচ ২০১৯ সালে আর্সেনাল থেকে বরখাস্ত হওয়ার পর আবার ইংল্যান্ডে ফিরে এসেছিলেন নিজেকে প্রমাণ করার লক্ষ্য নিয়ে।
১৮১ ম্যাচে ১০০ জয় তুলে নিয়ে তিনি ছাড়িয়ে গেছেন অ্যাস্টন ভিলার ইতিহাসের অন্যতম সফল কোচ রন সন্ডার্সকে। সন্ডার্স দায়িত্ব নেওয়ার চার মৌসুম পর, ১৯৭৭-৭৮ মৌসুমের শেষে গিয়ে ১০০ জয়ের মাইলফলকে পৌঁছেছিলেন।
সন্ডার্সই ভিলাকে পুরোনো দ্বিতীয় বিভাগ থেকে তুলে আনতে সাহায্য করেন। তার অধীনেই দলটি দুইবার লিগ কাপ জেতে এবং ১৯৮০-৮১ মৌসুমে ৭১ বছর পর শীর্ষ লিগের শিরোপা পায়। এরপর ১৯৮১-৮২ মৌসুমের শুরুতেও তিনি দায়িত্বে ছিলেন—যে মৌসুম শেষে ভিলা জেতে ইউরোপিয়ান কাপ।
জো মার্সার ১৯৫৮ থেকে ১৯৬৪ সালের মধ্যে দলকে আবার শীর্ষ লিগে তুলেছিলেন এবং একটি লিগ কাপ জিতিয়েছিলেন। তার ১১৯ জয়ের মধ্যে ১০০ জয় পেতে সময় লেগেছিল প্রায় সাড়ে চার বছর।
আরও আগে, যখন সাপ্তাহিক ব্যবস্থাপনা কমিটি দল নির্বাচন করত, তখন জর্জ রামসের ১০০ জয় পেতে লাগে ১৯০ ম্যাচ। আর ডব্লিউ জে স্মিথের লাগে ২০৫ ম্যাচ। সেখানে এমেরি মাত্র তিন বছর চার মাসেই ১০০ জয়ের মাইলফলকে পৌঁছেছেন। তার এই যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০২২ সালের নভেম্বরে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে ৩–১ গোলে হারানোর ম্যাচ দিয়ে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জিয়ান্নি ইনফান্তিনো রুদ্ধদ্বার বৈঠক। ঘণ্টাব্যাপী সেই মিটিংয়ের মূল এজেন্ডা— ইরান। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এবং তেলআবিব ও ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরানের চলমান যুদ্ধে চলাকালীন ইরানের খেলোয়াড়দের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ কীভাবে আরও সুসংহত করা যায়, তা নিয়েও কথা হচ্ছিল দুজনের। এক পর্যায়ে ফিফা প্রেসিডেন্টের আশার বাণী—বিশ্বকাপে ইরানের চলার পথে তার প্রশাসন বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।
ট্রাম্পের আশ্বাস কিংবা ইনফান্তিনোর দায়িত্বশীলতা—কিছুই মন গলানোর কারণ হয়ে দাঁড়ায়নি ইরানের। দেশটির ক্রীড়ামন্ত্রী রাষ্ট্রীয় প্রচার মাধ্যমে জানিয়ে দেন, যে দেশ তাদের নেতাকে হত্যা করে, শিশুদের ওপর বোমা বর্ষণ করে তাদের দেশে খেলতে যাবে না ইরান।
আহমাদ দোনিয়ামালির সে বিবৃতির আগে অবশ্য ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহেদি তাজও একই ইঙ্গিত দেন। তিনি জানিয়েছিলেন, যুদ্ধের মাঝে যুক্তরাষ্ট্র যাওয়াটা ইরানের ফুটবলারদের জন্য শঙ্কা। এর আগে ইরান নারী ফুটবল দলের পাঁচজনের অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয়গ্রহণকে হাইজ্যাকের সঙ্গে তুলনা করেন তিনি।
আরও পড়ুন
| চোটের মিছিল আরও দীর্ঘ হলো রিয়ালের |
|
৪৮ ঘণ্টার বক্তব্য, পাল্টা বক্তব্যের মাঝেই মুখ খুললেন স্বয়ং মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ২০২৬ বিশ্বকাপের ঠিক আগমুহূর্তে ইরানকে স্বেচ্ছায় নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের অংশগ্রহণকে তিনি ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন।
বৃহস্পতিবার রাতে নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ইরান জাতীয় ফুটবল দলকে বিশ্বকাপে স্বাগত। কিন্তু তাদের নিজেদের জীবন ও নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করলে সেখানে থাকা তাদের জন্য উপযুক্ত হবে বলে আমি সত্যিই মনে করি না।’
সূচি অনুযায়ী, বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘জি’-তে ইরান। যেখানে তাদের সঙ্গী বেলজিয়াম, মিসর ও নিউজিল্যান্ড। ইরানের তিনটি ম্যাচই হওয়ার কথা ছিল যুক্তরাষ্ট্রে—দুটি লস অ্যাঞ্জেলেসে ও একটি সিয়াটলে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র দুই দলই যদি নিজেদের গ্রুপে দ্বিতীয় হয়, তাহলে আগামী ৩ জুলাই শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে মুখোমুখি হওয়ার কথা তাদের। তার আগেই বিশ্বকাপ থেকে নিজেদের সরিয়ে নেয় ইরান।
ইরানের অনুপস্থিতিতে বিশ্বকাপে কপাল খুলে যেতে পারে ইরাক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে। র্যাঙ্কিং বিবেচনায় এই দুই দেশের যে কোনো একদল খেলবে ১১ জুন শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপে।

গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সুইডেন জাতীয় দলের দায়িত্ব নিয়েছিলেন গ্রাহাম পটার। তবে স্বল্পমেয়াদি চুক্তিতে দায়িত্ব নেওয়া এই ইংলিশ কোচের অধীনে এখন পর্যন্ত কোনো ম্যাচই জেতেনি সুইডেন। তবু তাঁর ওপরই আস্থা রাখল সুইডেন। বিশ্বকাপে প্লে অফে মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে পটারের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করল তারা।
২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত গ্রাহাম পটারের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়াল সুইডেন। সুইডিশ ফুটবল ফেডারেশনের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে পটার বলেন,
‘এই দায়িত্বে কাজ চালিয়ে যেতে পারা আমার জন্য অনেক বড় বিষয়। আমি একদিকে গর্ব অনুভব করছি, অন্যদিকে বড় দায়িত্বও অনুভব করছি। এটি আমার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন এবং সামনে এগিয়ে গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু করার অসাধারণ সুযোগ।’
গত বছরের সেপ্টেম্বরে ওয়েস্ট হ্যাম থেকে বরখাস্ত হওয়ার পর পটার পরবর্তী মাসে স্বল্পমেয়াদি চুক্তিতে সুইডেনের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পটারের অধীনে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে একটি ম্যাচও জিততে পারেনি সুইডেন, চার ম্যাচের তিনটিতে ও একটিতে ড্র করে তারা। বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে গ্রুপ ‘বি’তে পয়েন্ট টেবিলের তলানীতে থেকে শেষ করে সুইডেন। তবে ২০২৪-২৫ নেশন্স লিগে অবস্থানের কারণে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপে যাওয়ার সুযোগ এখনো আছে সুইডেনের।
আগামী ২৬ মার্চ প্লে-অফে ইউক্রেনের মুখোমুখি হবে সুইডেন। যদি পটারের দল সেই ম্যাচ জেতে, তবে তারা পোল্যান্ড বা আলবেনিয়ার সঙ্গে ফাইনালে খেলবে, এই ম্যাচ জিতলেই বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত হবে। বিশ্বকাপে সুইডেনের ভাগ্য যাই হোক না কেন, পটার ২০৩০ সালের বিশ্বকাপ চক্র শেষ হওয়া পর্যন্ত দায়িত্বে থাকবেন।
৫০ বছর বয়সী গ্রাহাম পটার এর আগে ওয়েস্ট হাম, চেলসি, ব্রাইটনের ডাগ-আউটের দায়িত্ব পালন করেছেন। গত সেপ্টেম্বরের শেষে প্রিমিয়ার লিগে বাজে শুরুর কারণে ওয়েস্ট হ্যাম তাকে বরখাস্ত করেছিল। এরপর অক্টোবরে সুইডেনে বরখাস্ত হওয়া ইয়োন ডাল তোমাসন-এর স্থলাভিষিক্ত হন তিনি।

অবশেষে ফিনালিসিমার ভেন্যু নিয়ে অনিশ্চয়তা কেটে গেল। আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ম্যাচটি আগামী ২৭ মার্চে দোহায় লুসাইল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও, তা এখন স্পেনে আয়োজন করা হতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতিতে স্পেনের সান্তিয়াগো বার্নাব্যু স্টেডিয়াম সবচেয়ে সম্ভাব্য স্থান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের মধ্যে ফিনালিসিমার ভেন্যু নিয়ে শুরু হয় অনিশ্চয়তা। তাতে দক্ষিণ আমেরিকার চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও ইউরোপ চ্যাম্পিয়ন স্পেনের ফিনালিসিমা ম্যাচটি আয়োজন নিয়ে সংশয় তৈরি হয়। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করার পরিকল্পনা ছিল এই প্রতিযোগিতার আয়োজক কতৃপক্ষের। শেষ পর্যন্ত যুদ্ধাবস্থার কারণে সরিয়ে নিতে হলো বহুল আলোচিত ম্যাচটি।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এএস-এর প্রতিবেদন, বার্নাব্যুতেই হবে ফিনালিসিমা। স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদের অবস্থিত স্টেডিয়ামটি ইউরোপের সবচেয়ে সফল ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদের ঘরের মাঠ। এই ভেন্যুতে ২০৩০ বিশ্বকাপের ফাইনালও আয়োজন করা হতে পারে।
ফিনালিসিমা এবং কাতার ফুটবল ফেস্টিভালের অন্তর্ভুক্ত অন্যান্য পাঁচটি ম্যাচ কাতারে হওয়ার কথা ছিল। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে সব প্রীতি ম্যাচই এখন ভেন্যু পরিবর্তনের দ্বারপ্রান্তে আছে। অন্যদিকে ফিনালিসিমার জন্য বিকল্প যেমন ইতালির রোম ও পর্তুগালের লিসবনকে বিবেচনা করা হয়েছিল।
তবে ইউরোপিয় ফুটবলের নিয়ন্তক সংস্থা ইউয়েফা এবং ল্যাটিন আমেরিকার ফুটবলের সংস্থা কনমেবল স্পেনের বার্নাব্যুকেই ফিনালিসিমার মতো বড় ইভেন্টের জন্য সেরা ভেন্যু মনে করছে। এএস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিদ্ধান্ত কার্যত নেওয়া হয়েছে, শুধু নিরাপত্তা সংক্রান্ত কিছু ছোটখাটো বিষয় এবং অন্যান্য লজিস্টিক্যাল বিষয় বাকি রয়েছে। অন্যান্য ম্যাচের জন্যও পর্যাপ্ত স্থান পাওয়া গেছে।
প্রাথমিকভাবে আর্জেন্টিনা এই ম্যাচ স্পেনে খেলতে অনিচ্ছুক ছিল, কারণ এতে স্পেনীয় দলকে হোম এডভান্টেজ পাওয়া যেত। তবুও লজিস্টিক্যাল জটিলতার কারণে বিকল্প খুব কম ছিল।
ফিনালিসিমার সবশেষ চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ২০২২ সালে ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে ইতালিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জেতে আলবিসেলেস্তারা।