
সহজ সমীকরণ মাথায় গেঁথে
নেমেছিল ইন্টার মিলান। পার্মার বিপক্ষে ড্র কিংবা জয়ে নিশ্চিত হয়ে যাবে শিরোপা, হারলে
বাড়বে অপেক্ষা। সান সিরোতে জয়ই সঙ্গী করেছে ইতালির জায়ান্টরা। তাতে তিন ম্যাচ আগে শিরোপা
নিশ্চিত হয়েছে তাদের। একই সঙ্গে ইতালির শীর্ষ লিগে নিজেদের ২১তম শিরোপা জিতল ইন্টার
মিলান।
রবিবার ঘরের মাঠে পার্মাকে
২-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে এক মৌসুম পর আবারও সেরি আ চ্যাম্পিয়ন হলো ইতালি।
ম্যাচের প্রথমার্ধের যোগ
করা সময়ে মার্কাস থুরামের দারুণ সাইড-ফুট ফিনিশিংয়ে করা গোলে এগিয়ে যায় ইন্টার। এরপর
দ্বিতীয়ার্ধে ৮০তম হেনরিখ মেখিতারিয়ানের গোল শিরোপা নিশ্চিত করে দলটির।
লিগে ৩৫ ম্যাচে ২৬ জয় ও
চার ড্রয়ে ইন্টারের পয়েন্ট ৮২। সমান ম্যাচে ৭০ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে নাপোলি। এসি
মিলান ৬৭ পয়েন্ট নিয়ে তিনে, জুভেন্টাস ৬৫ পয়েন্ট নিয়ে চারে আছে। পাঁচ নম্বরে কোমোর
পয়েন্ট ৬২।
No posts available.
৪ মে ২০২৬, ৯:০২ পিএম

ইউয়েফা ইউরোপা লিগের সেমি-ফাইনাল ম্যাচ মাথায় রেখে মূল দলের বেশিরভাগ ফুটবলারকে বিশ্রাম দিলো নটিংহ্যাম ফরেস্ট। তবু পরাজয়ের বৃত্ত থেকে বের হতে পারল না চেলসি। আরও একটি ম্যাচ হেরে ব্যর্থতার অধ্যায় আরও দীর্ঘায়িত করল পশ্চিম লন্ডনের ক্লাবটি।
নিজেদের ঘরের মাঠ স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে রোববার রাতে নটিংহ্যামের কাছে ৩-১ গোলে হেরেছে চেলসি। এই পরাজয়ে তাদের ইউয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলার আশা শেষ হয়ে গেছে। এছাড়া ইউরোপা লিগের টিকিটও শঙ্কায় পড়ে গেছে।
প্রিমিয়ার লিগে এ নিয়ে টানা ৬ ম্যাচ হারল চেলসি। এই ৬ ম্যাচে তাদের গোল মাত্র একটি। নটিংহ্যামের বিপক্ষেই সেটি করল তারা। গত মার্চের শুরুতে অ্যাস্টন ভিলাকে ৪-১ গোলে হারিয়েছিল ব্লুজরা। গত দুই মাসে আর প্রিমিয়ার লিগে জয়ের দেখা পায়নি ব্লুজরা।
টানা ৬ পরাজয়ের পর ৩৫ ম্যাচে ১৩ জয় ও ৯ ড্রয়ে ৪৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ৯ নম্বরে আছে চেলসি। সমান ম্যাচে ১১ জয় ও ৯ ড্রয়ে ৪২ পয়েন্ট নিয়ে ১৬ নম্বরে নটিংহ্যাম।
আগামী বৃহস্পতিবার রাতে ইউরোপা লিগের সেমি-ফাইনালে দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে অ্যাস্টন ভিলার সঙ্গে লড়বে নটিংহ্যাম। তাই প্রিমিয়ার লিগে প্রতিপক্ষের মাঠে খেলতে এসে নিজেদের মূল একাদশের ৮ জনকে বাইরে রেখে শুরুর একাদশ সাজান ক্লাবটির কোচ ভিতর পেরেইরা।
প্রায় নতুন চেহারার দল নিয়ে গোল পেতে একদমই সময় লাগেনি নটিংহ্যামের। দ্বিতীয় মিনিটেই দলকে এগিয়ে দেন তাইও আয়োনিয়ি। পরে ১৫ মিনিটে ইগোর হেসুস আরেকটি গোল করলে শুরুতেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পেয়ে যায় সফরকারীরা।
এরপর গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে চেলসি। কিন্তু কাজের কাজ হয়নি। উল্টো দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে ৫২তম মিনিটে আবার জালের ঠিকানা খুঁজে নেন আয়োনিয়ি। ফলে স্কোরলাইন হয়ে যায় ৩-০ আর অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যায় নটিংহ্যামের জয়।
ম্যাচের একদম শেষ দিকে দারুণ ওভারহেড কিকে একটি গোল শোধ করেন হোয়াও পেদ্রো। যার ফলে টানা পাঁচ ম্যাচ গোলশূন্য থাকার পর অবশেষে একটি গোলের দেখা পায় চেলসি। তবে ম্যাচের ফলে কোনো প্রভাব ফেলেনি এই গোল।

হাভিয়ের কাবরেরার সঙ্গে ৪ বছরের সম্পর্কের ইতি টানার পর বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের নতুন কোচ বাছাইয়ে অনেক দূর এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। তিন দিনের মধ্যে হামজা চৌধুরী, জামাল ভূঁইয়াদের নতুন কোচ চূড়ান্ত করার আশা বাফুফের।
ফর্টিস ডাউনটাউন রিসোর্টে রোববার হয়েছে বাফুফের ন্যাশনাল টিমস কমিটির সভা। প্রায় দেড় ঘণ্টার সভা শেষে নতুন কোচ নিয়োগের ব্যাপারে সবশেষ তথ্য জানান ফেডারেশনের মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম বাবু।
বাংলাদেশ দলের কোচ হওয়ার জন্য শুরুতে অনেক আবেদন পড়লেও সেটিকে কমিয়ে ১২৩-এ আনে বাফুফে। পরে সেখান থেকে ধাপে ধাপে আরও কমিয়ে ১০ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাবু।
আরও পড়ুন
| বিএসজেএ মিডিয়া কাপের শেষ ১৬ চূড়ান্ত |
|
“আপনারা জানেন যে আমাদের সব দেশ থেকে কোচের সিভি পড়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সবশেষ ১২৩ ছিল। সেখান থেকে শর্ট করে করে একটি পর্যায়ে ৭৫, তারপরে আবার ৫৫। আজকে আমরা কমিটির যারা উপস্থিত ছিলাম- আমরা সকলেই একত্রিত হয়ে আমরা প্রতিটা সিভি আমরা দেখেছি। এটার মধ্যে থেকে সবচেয়ে শর্ট করে আমরা ১০ জনকে বাছাই করেছি।”
এই সংক্ষিপ্ত তালিকা থেকে তিন দিনের মধ্যে নতুন কোচ চূড়ান্ত করা হবে বলে জানান বাবু।
“আগামী তিন দিনের মধ্যে আমরা কাকে কোচ বাছাই করব সেটা চূড়ান্ত করে ফেলব। তিন দিন আমরা এই ১০ জনের সঙ্গে আমরা কথা বলব। কথা বলার পরে আমরা একজনকে আমরা ফাইনাল করব।”
সংক্ষিপ্ত তালিকায় থাকা কোচদের নাম জিজ্ঞেস করা হলে ৩ দিন অপেক্ষা করতে বলেন মিডিয়া কমিটি চেয়ারম্যান।
“এখানে আমি অনেক শর্ট করে দিয়েছি। আপনাদের কাছে আমার আকুল আবেদন, আপনাদের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশের মানুষ সবকিছু জানতে পারে। আপনারা এতদিন অপেক্ষা করছেন, আর তিনটা দিন অপেক্ষা করেন, কোচের নাম আমরা দিয়ে দিতে পারব ইনশাআল্লাহ।”
এসময় তিনি জানান, হেড কোচ চূড়ান্ত হওয়ার পর তার সঙ্গে পরামর্শ করেই গোলকিপিং কোচ নিয়োগ দেওয়া হবে।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কাছে হার দিয়ে মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১৮তম পরাজয়ের তিক্ত স্বাদ পেল লিভারপুল। শিরোপা ধরে রাখার অভিযানে এমন বিধ্বস্ত দশা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না অধিনায়ক ভার্জিল ফন ডাইক।
ইউনাইটেডের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে ডাচ ডিফেন্ডার সোজাসাপ্টা ভাষায় নিজের ক্ষোভ ও হতাশা উগরে দিয়েছেন। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের এমন পারফরম্যান্সকে তিনি অভিহিত করেছেন ‘অগ্রহণযোগ্য’ হিসেবে।
ওল্ড ট্রাফোর্ডে শনিবার রাতে মাইকেল ক্যারিকের ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কাছে ৩-২ গোলে হেরে যায় লিভারপুল। ম্যাচ শেষে নিজেদের ব্যর্থতা মেনে নেন ফন ডাইক।
আরও পড়ুন
| অনুশীলনে নেইমার ও রবিনহোর ছেলের হাতাহাতি |
|
“আমি এখানে অজুহাত দেখাতে আসিনি। এটা অত্যন্ত হতাশাজনক একটি মৌসুম, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমাদের নিজেদের জন্য নিজেরা করুণা দেখানোর কোনো সুযোগ নেই।”
গত মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা জেতা আর্নে স্লট শিষ্যরা এবার যেন খেই হারিয়ে ফেলেছে। লিগে এটি তাদের ১১তম হার। প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে এর চেয়ে বেশি হারের রেকর্ড আছে কেবল লেস্টার সিটির (২০১৬-১৭ মৌসুমে ১৮ হার)।
দলের এই ছন্দপতন নিয়ে ফন ডাইক বলেন, “আমাদের কঠোর পরিশ্রম করতে হবে এবং ঘুরে দাঁড়াতে হবে। আগামী মৌসুমে যেন এমনটা আর না ঘটে, সেটা নিশ্চিত করা জরুরি। এটা সেই লিভারপুল নয়, যাকে সবাই চেনে।”
৩৪ বছর বয়সী এই অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার মনে করেন, মাঠের ফুটবলের পাশাপাশি পর্দার আড়ালেও অনেক কাজ করার বাকি আছে। সামনের বিশ্বকাপ শেষে ফিরে এসে ক্লাবের ভোল বদলে দেওয়ার প্রত্যয় জানান তিনি।
আরও পড়ুন
| তিন ম্যাচ আগেই ইতালির চ্যাম্পিয়ন ইন্টার |
|
“আমি এই ক্লাবটিকে ভালোবাসি। ভালো-মন্দ সব দিনেই আমি দলের পাশে আছি। তবে সামনের মৌসুমের আগে পর্দার আড়ালে অনেক কাজ করতে হবে।”
লিভারপুলের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ চ্যাম্পিয়নস লিগে জায়গা করে নেওয়া। হাতে থাকা শেষ ৩ ম্যাচ থেকে অন্তত ৪ পয়েন্ট প্রয়োজন তাদের। শীর্ষ চারের লড়াই নিয়েও সতর্ক ফন ডাইক।
“চ্যাম্পিয়নস লিগ খেলা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর্থিক কারণে তো বটেই, পাশাপাশি আমরা ইউরোপের সেরা দলগুলোর বিপক্ষে লড়তে চাই। কাজটা সহজ নয়, তবে আমরা শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাব।”

কুল বিএসজেএ মিডিয়া কাপ ফুটবলে রোববার হয়েছে দ্বিতীয় দিনের খেলা। যেখানে আরটিভি, চ্যানেল টোয়েন্টিফোর, কালবেলা, বাংলাদেশ প্রতিদিন, ঢাকা পোস্ট, চ্যানেল আই, স্টার নিউজ ও জাগোনিউজ নিজ নিজ ম্যাচে জয়লাভ করেছে।
বাফুফে আর্টিফিশিয়াল টার্ফে দিনের প্রথম ম্যাচে আরটিভি ১-০ গোলে ঢাকা ট্রিবিউনকে পরাজিত করে। আরটিভির একমাত্র জয়সূচক গোলদাতা মাহিম ম্যাচ সেরা হয়েছেন।
চ্যানেল টোয়েন্টিফোর ও এটিএন বাংলার মধ্যকার ম্যাচে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে সমতা থাকার পর খেলা টাইব্রেকারে গড়ায়। টাইব্রেকারে সমতা থাকায় সাডেন ডেথে খেলার নিষ্পত্তি হয়। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে চ্যানেল টোয়েন্টিফোর ৪-৩ ব্যবধানে এটিএন বাংলাকে পরাজিত করে। চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের গোলরক্ষক বাবলু ম্যাচ সেরা হন।
কালবেলা ও এসএ টিভির ম্যাচও টাইব্রেকারে গড়ায় নির্ধারিত সময়ে গোলশূন্য থাকার পর। টাইব্রেকারে কালবেলা ৪-২ গোলে এসএ টিভিকে পরাজিত করে। কালবেলার গোলরক্ষক কাজী রাজিব উদ্দিন পাপ্পু মাচ সেরা হয়েছেন। ঢাকা পোস্ট ও মানজমিনের ম্যাচটিও টাইব্রেকারে নিষ্পত্তি হয়েছে ৪-৩ গোলে। ঢাকা পোস্টের গোলরক্ষক আমিনুল ম্যাচ সেরা হয়েছেন।
জাগোনিউজ টাইব্রেকারে ৩-২ গোলে টি স্পোর্টসকে হারায়। জাগোনিউজের গোলরক্ষক ইমাম হোসেন সোহেল ম্যান অফ দ্য ম্যাচ হয়েছেন। চ্যানেল আই ২-০ গোলের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ টেলিভিশনের বিপক্ষে। দিনের সবচেয়ে বড় জয় পেয়েছে স্টার নিউজ ৪-০ গোলে ইনকিলাবের বিপক্ষে। স্টার নিউজের সাব্বির হ্যাটট্রিক করে ম্যাচ সেরা হয়েছেন।
জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আলফাজ আহমেদ, সাবেক জাতীয় ফুটবলার জসিমউদ্দিন জোসী, বিএসজেএ সভাপতি আরিফুর রহমান বাবু, সিনিয়র ক্রীড়া সাংবাদিক রানা হাসান, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল ম্যাচ সেরার পুরস্কার প্রদান করেন।

সান্তোসের অনুশীলন
মাঠে এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটল। সুপারস্টার নেইমার জুনিয়র তরুণ প্রতিভা রবিনহো জুনিয়রের
সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ও ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়েন। তবে উত্তেজনার রেশ মাঠেই
শেষ হয়েছে, পরবর্তী সময়ে নিজের আচরণের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন এই অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড।
ওয়ান ফুটবল
ও ট্রিবিউনার প্রতিবেদন, সান্তোসের গত ম্যাচে মূল একাদশে ছিলেন না নেইমার ও রবিনহো
জুনিয়র। স্থানীয় সময় সোমবার দলের অনিয়মিত সদস্যদের নিয়ে এক বিশেষ অনুশীলন সেশনে অংশ
নেন তাঁরা। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, অনুশীলনের একপর্যায়ে তরুণ রবিনহো জুনিয়র
ড্রিবলিং করে নেইমারকে কাটিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন। এতেই কিছুটা বিরক্ত হন নেইমার।
নেইমার তাঁকে
উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘একটু সাবধানে খেলো’। কিন্তু বিষয়টি সেখানেই থেমে
থাকেনি। মুহূর্তের মধ্যেই দুজনের মধ্যে উত্তপ্ত কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা
হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কিতে রূপ নেয়। জানা গেছে, কথা চলার মাঝখানে নেইমার এই তরুণ খেলোয়াড়কে
ল্যাং মেরে ফেলেও দেন।
এই ঘটনা নিয়ে
সান্তোস ক্লাব কর্তৃপক্ষ কিংবা খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক
বিবৃতি দেওয়া হয়নি। নেইমারের ঘনিষ্ঠজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, এই বিষয়ে
তাদের কাছে বিশেষ কোনো তথ্য নেই।
মাঠের উত্তেজনা
অবশ্য বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। অনুশীলনের শেষ দিকে নেইমার নিজেই উদ্যোগী হয়ে রবিনহো জুনিয়রের
কাছে এগিয়ে যান এবং নিজের মেজাজ হারানোর জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। দুজনের মধ্যে বিষয়টি
মিমাংসা হয়ে যাওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে ব্রাজিলিয়ান ক্লাবটিতে।
সান্তোসের প্রধান
কোচ কুকা সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন, দলের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ এখন স্বাভাবিক। কোপা
সুদামেরিকানা প্রতিযোগিতার পরবর্তী ম্যাচের স্কোয়াডে নেইমারকে রাখা হচ্ছে বলেও তিনি
জানিয়েছেন।