২৭ এপ্রিল ২০২৬, ৮:২৪ পিএম

আরও একটি মাহেন্দ্রক্ষণের সামনে দাঁড়িয়ে প্যারিস সেন্ট জার্মেইন (পিএসজি) তথা লুইস এনরিকে। ফরাসি জায়ান্টদের মতো স্প্যানিশ মাস্টারমাইন্ডের সামনেও অপেক্ষমান ইউরোপসেরা টুর্নামেন্ট ইউয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল। শিরোপার মঞ্চের বড় প্রতিবন্ধক—সেমিফাইনালে (ফাস্ট লেগ) আগামীকাল বায়ার্ন মিউনিখের মুখোমুখি হবে পিএসজি।
পিএসজির ঘরের মাঠ পার্ক দে প্রাঁসে বাংলাদেশ সময় রাত একটার ম্যাচ পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেছেন পিএসজি বস এনরিকে। তার মতে, ইউরোপের সেরা দুইটি দল—পিএসজি ও বায়ার্ন। তবে পিএসজির চেয়ে কোনো দলই সেরা এবং ধারাবাহিক নয়।
এনরিকে বলেন,
‘আর্সেনাল দুর্দান্ত একটি মৌসুম কাটালেও বর্তমানে ইউরোপের সেরা দুটি দল হলো এই বায়ার্ন ও পিএসজি। আর ধারাবাহিকতার দিক থেকে বায়ার্ন হয়তো আমাদের চেয়ে সামান্য এগিয়ে থাকতে পারে। কিন্তু আমরাও প্রমাণ করেছি যে, কোনো দলই আমাদের চেয়ে সেরা নয়।’
২০২৩ সালে এনরিকে কোচ হওয়ার পর এ নিয়ে টানা তিনবার সেমিফাইনালে উঠেছে পিএসজি। গত মৌসুমে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতার পর এবার তারা টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখছে। নকআউট পর্বের আগের দুই রাউন্ডে চেলসি ও লিভারপুলকে হারিয়ে এই পর্যায়ে পৌঁছেছে তারা।
এনরিকে বলেন,
‘সেমিফাইনালে ওঠাটা আনন্দের এবং আমরা এর যোগ্য। এই পর্যায়ে আসতে হলে উচ্চাকাঙ্ক্ষী হতে হয় এবং আমার মনে হয় আমাদের তা আছে। আমরা আরও সামনে এগিয়ে যেতে চাই।’
গত মৌসুমের শুরু থেকে এ পর্যন্ত পিএসজি ও বায়ার্ন তিনবার মুখোমুখি হয়েছে। ২০২৪ সালের নভেম্বরে লিগ পর্বে বায়ার্ন ১-০ গোলে জিতেছিল। এরপর গত জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পিএসজি ২-০ গোলে জয় পায়। তবে সর্বশেষ নভেম্বরে প্যারিসের মাটিতে বায়ার্ন ২-১ গোলে জয়ী হয়েছিল। সর্বোপরি এনরিকে জানান, সবাই এখন প্রস্তুত।
No posts available.
২৮ এপ্রিল ২০২৬, ৯:৫২ এম

ইউয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের হাই-ভোল্টেজ সেমিফাইনালের ফাস্ট লেগে প্যারিস সেন্ট জার্মেইর (পিএসজি) বিপক্ষে ডাগ আউটে থাকতে পারছেন না বায়ার্ন মিউনিখ কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানি। নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়ায় টাচলাইন থেকে শিষ্যদের নির্দেশনা দেওয়ার সুযোগ হারালেন এই বেলজিয়ান মাস্টারমাইন্ড।
কোয়ার্টার ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে ম্যাচে রেফারির একটি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে কার্ড দেখেছিলেন কোম্পানি। সেটি ছিল আসরে তার তৃতীয় হলুদ কার্ড। ইউয়েফার বিধি অনুযায়ী, টুর্নামেন্টের তিনবার হলুদ কার্ড দেখলে পরবর্তী এক ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়। সে নিয়মেই পার্ক দে প্রাঁসে দর্শক হয়ে থাকতে হচ্ছে কোম্পানিকে।
আরও পড়ুন
| চাপ থাকলেও ‘চাপ না নিয়ে’ হৃদয়দের রেকর্ড জয় |
|
কোম্পানির অনুপস্থিতিতে বায়ার্নের ডাগ আউটে সামলাবেন সহকারী কোচ অ্যারন ড্যাঙ্কস। তবে প্রধান কোচের অবর্তমানেও জয়ের লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হচ্ছে না বাভারিয়ানরা। সহকারী ড্যাঙ্কসের ওপর পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করে কোম্পানি বলেন, ‘ড্যাঙ্কসের যথেষ্ট অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন কোচ। তিনি বেশ কিছুদিন ইংল্যান্ডের ডাগআউটেও (অ্যাসিস্টন ভিলা ও জাতীয় দল) গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। আমার কোচিং স্টাফ এবং স্কোয়াডের সবার ওপর শতভাগ আস্থা আছে।’
ইউয়েফার কড়া নিয়ম অনুযায়ী, ম্যাচ চলাকালীন কোম্পানি ড্রেসিংরুম কিংবা টেকনিক্যাল এরিয়ায় প্রবেশের অনুমতি পাবেন না। এমনকি খেলোয়াড়দের সাথে সরাসরি যোগাযোগও করতে পারবেন না তিনি। তবে দলের রণকৌশল সাজাতে কোনো কমতি রাখছেন না তিনি। প্যারিসের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার আগে দলের প্রতিটি প্রস্তুতি সেশনে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থেকে শিষ্যদের শেষ মুহূর্তের টোটকা দিয়েছেন কোম্পানি। এমনকী ম্যাচের দিনও টিম বাসে করে স্টেডিয়ামে আসা এবং ম্যাচ পরবর্তী দলের সঙ্গে যুক্ত হতে পারবেন তিনি।
দেখার বিষয়, পার্ক দে প্রাঁসের গ্যালারিতে বসে কোম্পানির মস্তিষ্ক আর ডাগআউটে ড্যাঙ্কসের পরিচালনা বায়ার্নকে ফাইনালের পথে কতটা এগিয়ে নেয়।

বন্ধুর এক পথ মাড়িয়ে ইউয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ নিষ্পত্তির পথে। তার আগে অবশ্য সেমি-ফাইনাল দেয়াল। এরপরই পূর্ণ ফয়সালা—ট্রফি উৎসব। মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাত একটায় ঘরের মাঠ পার্ক দে প্রাঁসে প্রথম সেমিফাইনালের প্রথম লেগে বায়ার্ন মিউনিখকে আতিথ্য দেবে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নস প্যারিস সেন্ট জার্মেইন (পিএসজি)।
নিজেদের দূর্গে ম্যাচ হলেও স্বস্তিতে থাকার জো নেই লুইস এনরিকের। ইতিহাস অন্তত সেটাই বলছে। ২০১৭ সালের পর থেকে ঘরের মাঠে বায়ার্নের বিপক্ষে পাঁচবারের মুখোমুখিতে চার বারই হেরেছে পিএসজি। সবশেষ অর্থাৎ চ্যাম্পিয়নস লিগের চলতি আসরেও একবারের দেখায় পার্ক দে প্রাঁসে থেকে ২-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে ফিরেছে বাভারিয়ানরা। ফলে ম্যাচটি স্বাগতিকদের জন্য একদিকে যেমন ঘরের মাঠে গেরো খোলার, অন্যদিকে ফরাসি জায়ান্টদের জন্য প্রতিশোধেরও।
সব ধরণের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ভিনসেন্ট কোম্পানির দলেরই আধিপত্য। ১৯৯৪ সালের পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৭ বার লড়াইয়ে নেমেছে জায়ান্ট দুই ক্লাব। ১০টিতেই জিতেছে বায়ার্ন, ৭টিতে লুইস এনরিখের দল। বাভারিয়ানদের বিপক্ষে ফরাসি ক্লাবের সবশেষ জয় ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপে। হ্যারি কেইনদের হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠেছিল তারা। রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে ফাইনালে। তবে চেলসির বিপক্ষে তারা হোঁচট খায় শিরোপার মঞ্চে।
চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালের ফাস্ট লেগে খেলতে নামার আগেও বেশি স্বস্তি নিয়েই নামছে বায়ার্ন। বুন্দেস লিগায় ইতোমধ্যে শিরোপা নির্ধারণ করে নিয়েছে তারা। ডিএফবি-পোকালেও সেমিফাইনালে বায়ার লেভারকুসেনকে হারিয়ে উঠেছে ফাইনালে। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ স্টুটগার্ট। আগামী ২৪মে ফাইনাল হওয়ায় নেই গেম লোডের ভয়।
পিএসজি দম ফেলানোর পুসরত একদমই পাচ্ছে না । লিগ আঁ-তে কড়া শিডিউলে সাবেক চ্যাম্পিয়নরা। প্রতিযোগিতাতয় টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে থাকা লঁ-সের চেয়ে ৬ পয়েন্ট এগিয়ে তারা। নিজেদের সবশেষ ম্যাচে ব্রেস্টের বিপক্ষে লঁ-সের ৩-৩ ব্যবধানে ড্র এবং পিএসজির অঁজার্সের বিপক্ষে জয়ে এখন কিছুটা হলেও স্বস্তিতে।
২০২৩ সালে লুইস এনরিকে কোচ হওয়ার পর এ নিয়ে টানা তিনবার সেমিফাইনালে উঠেছে পিএসজি। গত মৌসুমে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতার পর এবার তারা টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখছে। নকআউট পর্বের আগের দুই রাউন্ডে চেলসি ও লিভারপুলকে হারিয়ে এই পর্যায়ে পৌঁছেছে তারা।
এনরিকে বলেন, ‘সেমিফাইনালে ওঠাটা আনন্দের এবং আমরা এর যোগ্য। এই পর্যায়ে আসতে হলে উচ্চাকাঙ্ক্ষী হতে হয় এবং আমার মনে হয় আমাদের তা আছে। আমরা আরও সামনে এগিয়ে যেতে চাই।’
২০২৪ সালের নভেম্বরে লিগ পর্বে বায়ার্ন ১-০ গোলে জিতেছিল। এরপর গত জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পিএসজি ২-০ গোলে জয় পায়। তবে সর্বশেষ নভেম্বরে প্যারিসের মাটিতে বায়ার্ন ২-১ গোলে জয়ী হয়েছিল। এনরিকে জানিয়ে জানিয়েছেন, ‘সবাই এখন প্রস্তুত।’ বরং সেমিফাইনালে তার দল ফেভারিট বলেও জানিয়েছেন।
এনরিকে যেমন স্বস্তিতে, দল নিয়েও রয়েছে সুখবর। ইনজুরি কাটিয়ে তিন মাস পর গত সপ্তাহে মাঠে ফিরেছেন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার ফ্যাবিয়ান রুইজ। পর্তুগিজ প্লে-মেকার ভিতিনহার চোট নিয়ে পিএসজি শিবিরে কিছুটা দুশ্চিন্তা ছিল, কারণ তিনি শেষ দুটি ম্যাচে খেলতে পারেননি। তবে সোমবার তিনি অনুশীলনে ফেরায় ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের জন্য বড় স্বস্তি মিলেছে।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে প্যারিস সেন্ট জার্মেইর (পিএসজি) বিপক্ষে লড়াইয়ে টাচলাইনে থাকতে পারবেন না বায়ার্ন মিউনিখ কোচ কোম্পানি। নিষেধাজ্ঞার কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে ডাগআউটে অনুপস্থিত থাকবেন তিনি। দলেও আসবে পরিবর্তন। চোটের কারণে তারকা ফরোয়ার্ড সার্জ গ্যানাব্রির জায়গায় জামাল মুসিয়ালাকে দেখা যেতে পারে।
কোয়ার্টার ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে বায়ার্নের নাটকীয় জয়ের ম্যাচে রেফারি একটি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করায় তৃতীয় হলুদ কার্ড দেখেন কোম্পানি। ফলে মঙ্গলবার পার্ক দে প্রাঁসে বেলজিয়ান এই কোচকে ছাড়াই মাঠে নামতে হবে বায়ার্নকে। তার পরিবর্তে ডাগআউটে কোচের দায়িত্ব পালন করবেন সহকারী অ্যারন ড্যাঙ্কস। কোম্পানি বলেন, ‘ড্যাঙ্কসের যথেষ্ট অভিজ্ঞতা রয়েছে, তিনি বেশ কিছুদিন ইংল্যান্ডের ডাগআউটেও ছিলেন। কোচিং স্টাফ এবং বাকি সবার ওপর আমার শতভাগ আস্থা আছে।’
সবমিলিয়ে ম্যাচটি যে কঠিন হতে চলেছে সেটা অবশ্য স্বীকার করেছেন কোম্পানি, ‘প্রতিটি ম্যাচে তাদের বিপক্ষে আমাদের লড়াই সবসময়ই বেশ হাড্ডাহাড্ডি হয়েছে—আমরা দুটিতে জিতেছি, তারা জিতেছে একটিতে। তবে ম্যাচগুলো এতটাই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ছিল যে ফলাফল যেকোনো দিকেই যেতে পারত।’

মৌসুম শেষে আলভারো আরবেলোয়ার বিদায় অনেকটাই নিশ্চিত। এরপর রিয়াল মাদ্রিদের ডাগআউটের গুরুদায়িত্বের ভার কে নিতে পারেন সেটা নিয়েই এখন যত জল্পনা-কল্পনা। কখনও সাবেক কোচ হোসে মরিনিয়ো কখনও আবার ইয়র্গেন ক্লপের মতো অভিজ্ঞ কোচের নাম শোনা যাচ্ছে। এবার এ তালিকায় নতুন চমক লিওনেল স্কালোনি। আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী এই কোচের সঙ্গে নাকি এরমধ্যে যোগাযোগও করেছে রিয়াল, এমনটাই জানিয়েছে একাধিক স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম।
স্পেনের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, রিয়াল মাদ্রিদের পরবর্তী কোচ হওয়ার দৌড়ে লিওনেল স্কালোনিকে অন্যতম শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। স্প্যানিশ সাংবাদিক মানোলো লামা 'কাদেনা কোপ' কে জানিয়েছেন, সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর ক্লাবটি ইতিমধ্যেই আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের এই কোচের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। 'এল টারটুলিয়ন' প্রোগ্রামে লামা বলেন, ‘আমি আপনাদের নিশ্চিত করে বলতে পারি যে, রিয়াল মাদ্রিদ স্কালোনির সাথে যোগাযোগ করেছে।’
৪৭ বছর বয়সী লিওনেল স্কালোনি আর্জেন্টিনাকে কোপা আমেরিকা এবং বিশ্বকাপ জেতানোর পর থেকে বিশ্ব ফুটবলে নিজের অবস্থানকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। আন্তর্জাতিক ফুটবলে অন্যতম সেরা কৌশলী হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন তিনি। বিশেষ করে লিওনেল মেসির মতো বড় মাপের তারকাদের সামলানোর যে দক্ষতা তিনি দেখিয়েছেন, আর সেটাই রিয়াল মাদ্রিদ বোর্ডকে বিশেষভাবে আকৃষ্ট করেছে।
গত কয়েক বছরে আর্জেন্টিনাকে অভাবনীয় সাফল্য এনে দিয়েছেন স্কালোনি। ২০২৬ বিশ্বকাপ পর্যন্ত আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ রয়েছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্লাবটির পরিকল্পনা হলো বিশ্বকাপের পরেই তাকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া।
রিয়াল মাদ্রিদের সম্ভাব্য কোচের তালিকায় স্কালোনি ছাড়াও আরও বেশ কয়েকজনের নাম শোনা গেলেও, তবে আর্জেন্টাইন কোচের প্রোফাইল রিয়াল মাদ্রিদ কর্তৃপক্ষের বিশেষ নজর কেড়েছে। তবে এই গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লেও আর্জেন্টিনা কোচ সম্প্রতি জানিয়েছেন, তাঁর পুরো মনোযোগ এখন আসন্ন বিশ্বকাপকে ঘিরে এবং টুর্নামেন্টের পরের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি এখনই কিছু ভাবছেন না।
আরও পড়ুন
| পিএসজির চেয়ে সেরা কোনো ক্লাব নেই: বায়ার্ন ম্যাচের আগে এনরিকে |
|
গত মার্চে এক সংবাদ সম্মেলনে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে স্কালোনি বেশ কৌশলী ভূমিকা পালন করেন। এখনই কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি এখন সামনে কী আসছে তা নিয়ে ভাবছি; খুব বেশি দূরের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবা আমার অভ্যাস নয়। আমার মনে হয় এখনই এটা নিয়ে চিন্তা করা ঠিক হবে না, কারণ এটি বর্তমান কাজ থেকে মনোযোগ সরিয়ে দেয়।’
রিয়াল মাদ্রিদ বর্তমানে এক চরম অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। লা লিগায় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনার চেয়ে ১১ পয়েন্টে পিছিয়ে থাকায় এবং এই মৌসুমে জেতার মতো আর কিছু অবশিষ্ট না থাকায়, কোচ আরবেলোয়ার ওপর চাপ এখন তুঙ্গে। শুরু থেকেই আরবেলোয়ার নিয়োগকে একটি 'অস্থায়ী ব্যবস্থা' হিসেবে দেখা হচ্ছিল। তাই মাদ্রিদের নীতিনির্ধারকরা এখন সক্রিয়ভাবে একজন হাই-প্রোফাইল কোচের সন্ধানে নেমেছেন।
সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর এই শূন্য পদের জন্য ইতিমধ্যেই বেশ কিছু বড় নাম শোনা যাচ্ছে। ক্লাব প্রেসিডেন্ট ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের সংক্ষিপ্ত তালিকায় সেস্ক ফ্যাব্রেগাস, ইয়ুর্গেন ক্লপ এবং এমনকি ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশমও রয়েছেন বলে গুঞ্জন রয়েছে। তবে সবশেষ যে নামটি সামনে এসেছে, তা ফুটবল বিশ্বকে সবচেয়ে বেশি চমকে দিয়েছে।

জুভেন্টাস ম্যাচে মুখে মারাত্মক আঘাতের ফলে সিরি’আ লিগে মৌসুমের বাকি ম্যাচগুলোতে খেলা হবে না ক্রোয়েট মিডফিল্ডার লুকা মদরিচের।
সোমবার ক্রোয়েশিয়ান গণমাধ্যম ‘স্পোর্টসকে নভোস্তি’ জানিয়েছে, লুকা মদরিচের গালের হাড়ে জোড়া ফাটল ধরা পড়েছে। এসি মিলানের হয়ে তার এই মৌসুম শেষ হয়ে গেছে।
বিশ্বকাপের আগে এই চোটের খবর বেশ উদ্বেগজনক হলেও ধারণা করা হচ্ছে, সুরক্ষামূলক মাস্ক পরেই মাঠে নামবেন মদরিচ। তবে তার সুস্থ হতে কেমন সময় লাগবে বা অস্ত্রোপচার প্রয়োজন কি না, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
জুভেন্টাসের বিপক্ষে ম্যাচে লোকাত্যাল্লির সঙ্গে সংঘর্ষে মুখে প্রচণ্ড আঘাত পান মদরিচ। সঙ্গে সঙ্গে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। মাঠ ছাড়ার সময় মচরিচের মুখে বরফ দেওয়া ছিল।

বাংলাদেশ ফেডারেশন কাপের ‘এ’ গ্রুপে ভিন্ন দুই ম্যাচে আগামীকাল রেকর্ড শিরোপাধারী ঢাকা আবাহনীর মুখোমুখি হবে পিডব্লিউডি স্পোর্টিং ক্লাব এবং রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস সোসাইটির প্রতিপক্ষ ফকিরেরপুল ইয়ংমেন্স ক্লাব। মঙ্গলবার দুপুর পৌনে তিনটায় শুরু হবে ম্যাচ দুটি। সরাসরি সম্প্রচার করবে দেশের একমাত্র স্পোর্টস চ্যানেল টি-স্পোর্টস।
বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনাতে আকাশী-হলুদদের প্রতিপক্ষ পিডব্লিউডি। কুমিল্লার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে শুরু হওয়া ম্যাচে টেবিলের দুইয়ে থাকা রহমতগঞ্জের মুখোমুখি হবে গ্রুপের তলানিতে থাকা ফকিরেরপুল ইয়ংমেন্স।
বাংলাদেশ ফুটবল লিগে (বিএফএল) টানা পাঁচ জয়ে দ্বিতীয়স্থান অর্জন করা সাবেক চ্যাম্পিয়ন আবাহনী ফেড কাপে বেশ বেকাদায়। এখন পর্যন্ত একটি করে জয়, পরাজয় এবং হার তাদের। গত ২৫ ডিসেম্বর নিজেদের প্রথম ম্যাচে ফকিরেরপুল ইয়ংমেন্সের বিপক্ষে ৪-২ ব্যবধানে জয়ের পর ‘এ’ গ্রুপের শীর্ষ দল ব্রাদার্সের কাছে ১-০ ব্যবধানে হেরে বসে তারা। আশার দিক হচ্ছে, গত ১০ মার্চ অর্থাৎ নিজেদের সবশেষ ম্যাচে রহমতগঞ্জের বিপক্ষে পয়েন্ট ভাগাভাগিতে এখনও আশা টিকে আছে মারুফুল হকের দলের।
পিডব্লিউডি কেবল খাতা কলমে টিকে আছে। কারণ, এক গ্রুপ থেকে কেবল দুটি দলের প্লে-অফে ওঠার সুযোগ রয়েছে। সে হিসেবে অবস্থান পোক্ত ব্রাদার্স ইউনিয়নের। এক ড্রয়ের বিপরীতে তিন জয়ে তাদের পয়েন্ট ১০। দ্বিতীয় স্থানে থাকা রহমতগঞ্জ থেকে তারা পাঁচ পয়েন্ট এগিয়ে।
রহমতগঞ্জের ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছে আবাহনী। রহমতগঞ্জের পয়েন্ট ৫। ২ ড্র এবং ১ জয় তাদের। তবে আগামীকাল সহজ প্রতিপক্ষ ফকিরেরপুলের বিপক্ষে পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করতে পারলে যদি-কিন্তু ছাড়াই দ্বিতীয় দল হিসেবে প্লে-অফের টিকিট কাটবে রহমতগঞ্জ।
আবাহনীর জন্য আগামীকালকের ম্যাচটি অনেকটা ডু অর ডাই। শুধু জিতলেই আশা বেঁচে থাকবে না। তাকিয়ে থাকতে হবে রহমতগঞ্জ ও ফকিরেরপুলের ম্যাচের দিকেও। টেবিলে মাত্র এক জয় এক ড্রয়ে ৫ পয়েন্ট আদায় করা আবাহনী কাল পূর্ণ তিন পয়েন্ট অর্জন করলে তাদের পয়েন্ট গিয়ে দাঁড়াবে ৭। আর যদি রহমতগঞ্জও একই সময়ে অনুষ্ঠিত হওয়া ম্যাচে পূর্ণ তিন পয়েন্ট অর্জন করে, তাদের পয়েন্ট গিয়ে দাঁড়াবে ৯। সেক্ষেত্রে জিতেও আখের লাভ কিছুই হবে না। বরং নিজেদের জয়ের পাশাপাশি রহমতগঞ্জের হার অথবা ড্র কামনা করতে হবে মারুফুল হকের দলের।