
দক্ষিণ আফ্রিকা ও আফগানিস্তানের মধ্যকার মহাকাব্যিক ম্যাচ দেখে কি তবে ২০১৯ বিশ্বকাপের কথাই মনে পড়ে গেল নিউ জিল্যান্ডের জিমি নিশামের? গত বুধবার টাই হওয়ার পর ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে। সেখানে আরও একবার টাই হলে ম্যাচের মীমাংসা টানা হয় আরেকটি সুপার ওভারে। এরপর দ্বিতীয় সুপার ওভার জেতে প্রোটিয়ারা। যে ম্যাচটি হোটেলে বসে দেখেছে নিউ জিল্যান্ড। আর সেই ম্যাচ নিয়ে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন কিউই অলরাউন্ডার জিমি নিশাম।
টুর্নামেন্টে নিউ জিল্যান্ডের তখন পরের ম্যাচটি দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। যে ম্যাচটি গড়িয়েছে আহমেদাবাদে। মঙ্গলবার আরব আমিরাতকে হারিয়ে পরের দিন চেন্নাই থেকে আহমেদাবাদের ফ্লাইট ছিল নিউ জিল্যান্ড দলের। কিন্তু হোটেল থেকে বিমানবন্দরে যাওয়ার ঠিক ওই সময়টাতেই হয় দক্ষিণ আফ্রিকা ও আফগানিস্তানের মধ্যকার থ্রিলার ম্যাচটি।
‘(আহমেদাবাদের উদ্দেশ্যে) আমাদের বিমানবন্দরে যাওয়ার সময় ঘনিয়ে আসছিল। হোটেলের সামনে বাসও অপেক্ষায় ছিল। কিন্তু আমরা সবাই তখনও টিভির সামনে। আসলে দুর্দান্ত একটি ম্যাচ ছিল এটি। টুর্নামেন্টে এমন ম্যাচ আরও হোক।’ বলেন জিমি নিশাম।
কিউই অলরাউন্ডার এরপর যা বলেছেন তাতে অনেকেই ধরে নিয়েছেন ৭ বছর আগের ফাইনাল হারটা এখনো হয়ত মেনে নিতে পারেননি তিনি, ‘এটা ভালো, এখন একটা সুপার ওভার টাই হওয়ার পর আরেকটি সুপার ওভার খেলার সুযোগ হয়েছে। এটা নিঃসন্দেহে ভালো।’ নিশামের এই কথায় ফুটে উঠে ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপের স্মৃতি।
আরও পড়ুন
| মার্করামের 'সুপার সাইক্লোনে' সুপার এইটে এক পা প্রোটিয়াদের |
|
বিশ্বকাপে সেবার ফাইনালে ওঠে নিউ জিল্যান্ড ও ইংল্যান্ড। প্রথম শিরোপার সামনে ছিল দুই দলই। কিন্তু অদ্ভুতুড়ে এক নিয়মের বেড়াজালে আটকে শিরোপার মঞ্চে হারতে হয় নিউ জিল্যান্ডকে। ম্যাচ টাই হওয়ার পর খেলা গড়ায় সুপার ওভারে। সেখানেও হয় টাই। এরপর বাউন্ডারি নিয়মে ম্যাচের নিষ্পত্তি টানা হয়। আর শিরোপা যায় ইংলিশদের ঘরে।
ওই ফাইনালে ছিলেন নিশাম। পরে এ নিয়ে তিনি টুইটারে ক্ষোভ ঝেড়েছিলেন। এখন ভারত বিশ্বকাপে এসে দুটি সুপার হতে দেখে হয়ত মনের অগোচরে সেই দুঃসহ স্মৃতিই হাতড়ে বেরিয়েছেন ৩৫ বছর বয়সি এই অলরাউন্ডার। হয়ত আক্ষেপটা এভাবেই করেছেন, ‘আহ, তখনও যদি একটি সুপার ওভার টাই হলে আরেকটি হতো…।’
চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত তিন ম্যাচ খেলেছে নিউ জিল্যান্ড। দুটিতে জেতার (সংযুক্ত আরব আমিরাত ও আফগানিস্তান) পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে হেরেছে। তা সত্ত্বেও সুপার এইটে ওঠার জন্য ভালো অবস্থানে আছে মিচেল স্যান্টনারের দল। পরের ম্যাচে কানাডাকে হারালেই শেষ আটে উঠবে নিউ জিল্যান্ড।
No posts available.
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৪:৫০ পিএম

বোলারদের ওপর ছড়ি ঘোরানো ম্যাচে চোট সমস্যায় নতুন আতঙ্কে শ্রীলঙ্কা। স্পেলের চতুর্থ বলের পরই হামস্ট্রিং চোটে মাঠ ছেড়েছেন মাতিশা পাতিরানা।
আজ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ইনিংসের তৃতীয় ওভারে পাতিরানার হাতে বল তুলে দেন দাসুন শানাকা। চতুর্থ বলের পর হঠাৎ ব্যথা অনুভব করেন ২৩ বর্ষী পেসার। প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার পর তাঁকে মাঠ থেকে তুলে নেওয়া হয়। ওভারের অবশিষ্ট বল করেন শানাকা।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো আপডেট পাওয়া যায়নি। যদি পাতিরানা দীর্ঘ সময় মাঠের বাইরে থাকেন, তা দলের জন্য বড় ধাক্কা। শ্রীলঙ্কা ইতোমধ্যে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গাকেও চোটের কারণে হারিয়েছে।
বাঁচা-মরা ম্যাচে মিচেল মার্শ ও ট্রাভিস হেড উদ্বোধনী জুটিতে ৮.৩ ওভারে তুলে ফেলেছিলেন ১০৪ রান। এরপর ম্যাচে ফিরে আসে শ্রীলঙ্কা। তারপরও শেষ পর্যন্ত ১৮১ রান করে অস্ট্রেলিয়া। অসিদের হয়ে সর্বোচ্চ রানর ইনিংস খেলেন হেড। ১৩ ম্যাচ পর ফিফটি পাওয়া এই ওপেনার ২৯ বলে ৫৬ রানের ইনিংস খেলেন।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১ ওভারে শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ৮ রান। ক্রিজে পাতুম নিশাঙ্কা ও কুসল পেরেরা।
আগামী দেড় মাসের মধ্যে শুরু হতে যাওয়া আইপিএলে ১৮ কোটি টাকায় পাতিরানাকে দলে ভিড়েয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। বড় কোনো অঘটন ঘটলে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে কপাল পুড়লে কেকেআর ম্যানেজম্যান্টের।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলতে নেমে একাধিক কীর্তির সাক্ষী হয়েছেন মিচেল মার্শ ও ট্রাভিস হেড। ১০৪ রানে দুজনের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে, ২৯ বলে ৫৬ রানে হেড ফিরলে।
পাল্লাকেলে আজ কুড়ি কুড়ির বিশেষ এই ম্যাচে পাওয়ার প্লে, উদ্বোধনী জুটি এবং একক কীর্তির পসরা সাজিয়েছেন মার্শ ও হেড।
১০৪ রানের জুটি হেড-মার্শের:
টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে পঞ্চমবার শতরানের উদ্বোধনী জুটি গড়েছেন ট্রাভিস হেড ও মিচেল মার্শ। এটি পাকিস্তানের সঙ্গে যৌথভাবে সর্বোচ্চ রেকর্ড হিসেবে ধরা হয়েছে।
এই জুটি অস্ট্রেলিয়ার শুরুতেই শক্ত ভিত্তি তৈরি করেছে। যা দলের জন্য বড় লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
হেডের স্বস্তি:
আজ ৫৬ রানের ইনিংস খেলে বাইশগজ ছাড়েন ট্রাভিস হেড। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার ওপেনারদের মধ্যে ফিফটি ছাড়া সবচেয়ে বেশি ইনিংস বাঁ-হাতি অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানের। সে লজ্জা শেষ হয়েছে আজ। ২০২৪ থেকে ২০২৬ সাল—তাঁর এই ১৩ ইনিংসের ধারার শেষ হয়েছে পাল্লাকেলে।
এই রেকর্ডের আগে একই সংখ্যক ইনিংস ফিফটি ছাড়া ছিলেন অ্যাডাম গিলক্রিস্ট (২০০৫–০৮)। অ্যারন ফিঞ্চ (২০১৮ ও ২০২২), ম্যাথিউ ওয়েড (২০২১) এবং ম্যাট শর্ট (২০২৩–২৬)–এর নামও তালিকায় রয়েছে।
পাওয়ারপ্লেতে ৭০/০ রান:
টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাওয়ারপ্লেতে অসিদের ৭০/০ রানের ইনিংস চতুর্থ সর্বোচ্চ। শ্রীলঙ্কার মাঠে অনুষ্ঠিত ম্যাচগুলোর মধ্যে এটি সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স। বিশ্বকাপের ইতিহাসে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এটি যৌথভাবে সর্বোচ্চ ওপেনিং জুটি হিসেবে রেকর্ডে যুক্ত হয়েছে। এই শক্তিশালী শুরু দলের জন্য বড় স্কোর গড়ার ভিত্তি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

২০২৬ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের হারের পর সিনিয়র খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে অসন্তুষ্ট টিম ম্যানেজমেন্ট। দেশটির সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের খবর—নামিবিয়ার বিপক্ষে পাকিস্তানের পরের ম্যাচে বাবর আজম ও শাহিন আফ্রিদিকে বেঞ্চে বসানো হতে পারে।
জিও নিউজের দাবি, নামিবিয়ার বিপক্ষে পাকিস্তান দলে দুই থেকে তিনটি পরিবর্তন আসতে পারে। বেঞ্চে থাকা খেলোয়াড়দের সুযোগ দিয়ে নিজেদের প্রমাণ করার কথাও ভাবছে ম্যানেজমেন্ট।
কলম্বোতে আগামী বুধবার নিজেদের চতুর্থ ম্যাচ খেলবে পাকিস্তান। ইতোমধ্যে দলটির প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। পাকিস্তান দলের মুখপাত্র জানিয়েছেন, আজ খেলোয়াড়রা বিশ্রামে রয়েছেন। সাবেক চ্যাম্পিয়নদের সুপার এইটে পৌঁছাতে এই ম্যাচে জয় খুবই জরুরি। তবে বৃষ্টিতে ম্যাচের ফল ভেস্তে গেলেও পাকিস্তান পরের রাউন্ডে উঠতে পারবে।
ভারতের বিপক্ষে হতাশাজনক ব্যাটিং ও বোলিংয়ের পরই একাদশে পরিবর্তনের আলোচনা শুরু হয়েছে। রবিবার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে স্পিন সহায়ক উইকেটে আগে ফিল্ডিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান। কিন্তু ভারতের ইশান কিশানের ঝড়ো অর্ধশতকে ভারত ৫ উইকেটে ১৭৫ রান তোলে। রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে পাকিস্তান। শেষ পর্যন্ত ১৮ ওভারে মাত্র ১১৪ রানেই গুটিয়ে যায় তারা।
ভারতের বিপক্ষে স্পিন আক্রমণের ওপর ভরসা করেছিল পাকিস্তান, কার্যত নে পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে। আবরার আহমেদ তিন ওভারে ৩৮ রান এবং শাদাব খান এক ওভারেই ১৭ রান খরচ করেন—কেউই উইকেট পাননি।
ম্যাচ শেষে পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আলী আগা চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীতের বিপক্ষে দলের হারকে খারাপ দিন বলে উল্লেখ করেছেন।

টস জিতে আগে ব্যাটিং করা ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ২০২ রান। আনকোরা ইতালির জন্য এই রান অসাধ্য বটে। তবে দলটি শেষ ওভার পর্যন্ত লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে গেছে। জয়ের কাছাকাছি গিয়েও তাদের গড়া হয়নি ইতিহাস। তাতেই ২০২৬ বিশ্বকাপে ‘সি’ গ্রুপ থেকে শেষ আট নিশ্চিত করেছে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড।
ইডেন গার্ডেন্সে আজ টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করে ২০২ রান সংগ্রহ করে ইংল্যান্ড। যা ২০২৬ কুড়ি কুড়ির আসরের ষষ্ঠ দুইশ উর্ধ্ব স্কোর। পাহাড়সম রান তাড়া করে জিততে রীতিমতো ইতিহাস গড়তে হতো ইতালিকে। তবে ভয়-ডরহীন ক্রিকেট উপহার দিয়ে হ্যারি ব্রুক বাহিনীকে রীতিমতো ভটকে দিয়েছেন গ্রান্ড স্টুয়ার্ট ও বেন মানেতিরা।
বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশ নেওয়া ইতালির শেষ দুই ওভারে প্রয়োজন ছিল ৩১ রান। অঘটন ঘটতে পারত, প্রায়ই জেতার পথে ছিল হ্যারি মানেতিরা। শেষটা সুন্দর হয়নি তাঁদের। নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৭৮ রান তুলতে পারে ইতালি। তাঁদের ২৪ রানে হারিয়েছে ইংল্যান্ড।
আগে ব্যাটিংয়ে নামা ইংল্যান্ডের বেশিরভাগ ব্যাটারই ছিলেন বেশ ধারাবাহিক। দলের সর্বোচ্চ রান উইল জ্যাকসের হলেও দুই অঙ্কের রান স্পর্শ করেছেন ৭ ব্যাটার। জ্যাকস ২২ বলে ৫৩ রানের ইনিংস খেলেন। সাতটি চার-ছক্কা মারেন তিনি।
জ্যাকস ছাড়া ফিল সল্ট ১৫ বলে ২৮, জ্যাকব বেথেল ২০ বলে ২৩, টম বেন্টন ২১ বলে ৩০, স্যাম কারান ১৯ বলে করেন ২৫ রান ।
জ্যাকসের ২১ বলে করা অর্ধশতকটি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের হয়ে সবচেয়ে দ্রুততম। এই ইনিংসের মাধ্যমে তিনি ২০১২ সালে পাল্লেকেলেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ইয়ন মরগানের ২৫ বলের ফিফটি এবং ২০২১ সালে দুবাইয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জস বাটলারের ২৫ বলের ফিফটির রেকর্ড ভেঙেছেন।
রান তাড়ায় নেমে ইতালি তুলতে
পেরেছে ১৭৮ রান। মাত্র ২২ বলে ফিফটি পূরণের পর ২৫ বলে ৬০ রান করে থামেন বেন মানেতি।
গ্রান্ট স্টুয়ার্টের ব্যাট থেকে আসে ২৩ বলে ৪৫ রান। আর ৩৪ বলে ৪৩ রান করেন জাস্টিন
মোস্কা। এছাড়া হ্যারি মানেতি ও জাস্প্রিত সিং ১২ রান করে করেন। ইতালির ইনিংস থামে ১৭৮
রানে।
ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ
তিনটি করে উইকেট নেন জেমি ওভারটন ও স্যাম কারান। জোফরা আর্চার নেন দুটি উইকেট। আর একটি
করে উইকেটের দেখা পেয়েছেন দুজন বোলার।

ভারতের বিপক্ষে এখন আর সেভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়তে পারে না পাকিস্তান। সে চিত্র মাঠের খেলায় গতকাল আরও একবার স্পষ্ট হয়েছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের কাছে সালমান আলী আগাদের অসহায় আত্মসমর্পণের পর তীব্র সমালোচনা করেছেন সাবেকরা।
সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ ইউসুফের মতে, বর্তমানে পাকিস্তান ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন সময় পার করছে এবং দলকে ঘুরে দাঁড়াতে হলে প্রশাসন ও দলে থাকা অযোগ্য ব্যক্তিদের সরাতে হবে।
কলম্বোতে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ভারতের কাছে ৬১ রানে হেরেছে পাকিস্তান। ১৭৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অলআউট হয় ১১৪ রানে। এই হারের ফলে সুপার এইটে যেতে হলে তাদের পরের ম্যাচে নামিবিয়ার বিপক্ষে জিততেই হবে।
আরও পড়ুন
| ওমরজাইয়ের নৈপুণ্যে টিকে রইল আফগানিস্তান, সুপার এইটে দ. আফ্রিকা |
|
আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইউসুফ লিখেছেন, ‘পাকিস্তান ক্রিকেট থেকে রাজনৈতিক প্রভাব ও ব্যক্তিগত এজেন্ডা দূর না করলে আমরা আগের অবস্থায় ফিরতে পারব না। এটা আমাদের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্ধকারতম সময়, আর এটা ভেবে আমার হৃদয় রক্তক্ষরণ করছে। অযোগ্য ব্যক্তিদের প্রশাসন ও দল—দুই জায়গা থেকেই সরাতে হবে।’
এর আগেও ইউসুফ বর্তমান পাকিস্তান দলের কয়েকজন সিনিয়র ক্রিকেটারকে নিয়ে কঠোর মন্তব্য করেন। ইউসুফ বলেন, টি–টোয়েন্টি ফরম্যাটে বাবর আজম, শাহিন শাহ আফ্রিদি ও শাদাব খানের সময় শেষ, এখন নতুন খেলোয়াড়দের সুযোগ দেওয়া উচিত। তাঁর ভাষায়, ‘শাহীন, বাবর ও শাদাবের সময় শেষ। পাকিস্তানের টি–টোয়েন্টি দলে এখন নতুন পারফর্মার দরকার, দুর্বল দলের বিপক্ষে ফাঁপা জয়ে নয়।’
২০২৫ সালের মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত প্রায় তিন মাস পাকিস্তান দলের ব্যাটিং কোচ ছিলেন ইউসুফ, পরে তিনি পদত্যাগ করেন। বিশ্বকাপে টিকে থাকতে পাকিস্তানের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ নামিবিয়ার বিপক্ষে জয় পাওয়া। তবে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি দল নির্বাচন, কৌশল ও প্রশাসনিক কাঠামো নিয়েও বাড়ছে প্রশ্ন। ইউসুফের মন্তব্য সেই বিতর্ককে আরও জোরালো করেছে। এখন দেখার বিষয়, তাঁর বক্তব্য কোনো কাঠামোগত পরিবর্তনের সূচনা ঘটায়, নাকি তা কেবল আলোচনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।