
অক্ষর প্যাটেলের হালকা ঝুলিয়ে দেওয়া ডেলিভারি মনের মতো লেংথে পেলেন টিম ডেভিড। সামনের পা এগিয়ে সোজা বোলারের মাথার ওপর দিয়ে সজোরে চালিয়ে দিলেন অস্ট্রেলিয়ার মারকুটে ব্যাটার। এরপর বল যেন আর থামার নাম নেই। সোজা গিয়ে লাগল গ্যালারির ছাদে।
বিশাল এই ছক্কার দূরত্ব নিয়ে শুরু হয়ে যায় আলোচনা। কিছুক্ষণ পর স্ক্রিনে ভেসে ওঠে, ডেভিডের ব্যাট থেকে ১৫৩ কি.মি প্রতি ঘণ্টা বেগে বেরিয়ে গেছে বল। আর সেটি পাড়ি দিয়েছে ১২৯ মিটার পথ। অর্থাৎ অক্ষরের বলে ডেভিডের ছক্কাটি ১২৯ মিটারের।
ভারতের বিপক্ষে আগের ম্যাচেই ১২৪ মিটার ছক্কা মেরেছিলেন তার সতীর্থ ও অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক মিচেল মার্শ। সেটি ছাড়িয়ে আরও ৪ মিটার বড় ছক্কা মেরে দিয়েছেন ডেভিড। অল্পের জন্য সেই বলটি মাঠের বাইরে চলে যায়নি। গ্যালারির ছাদে লেগে ফিরে আসে মাঠে।
আরও পড়ুন
| দুয়ারে বিশ্বকাপ, তার আগেই অবসরে উইলিয়ামসন |
|
ম্যাচের ধারাভাষ্য কক্ষে থাকা ধারাভাষ্যকারদের মতে, এটি ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় ছক্কা। তবে এর কোন সুনির্ধারিত রেকর্ড লিপিবদ্ধ নেই। কারণ প্রতি বছর বিশ্ব জুড়ে অনেক ম্যাচেই ছক্কার দূরত্ব মাপার ব্যবস্থা থাকে না মাঠে।
পরের ওভারে শিবাম দুবের বলে তিনটি বাউন্ডারি মারেন ডেভিড। তৃতীয় চারে মাত্র ২৩ বলে পূর্ণ হয় তার পঞ্চাশ রান। ক্যারিয়ারের নবম ফিফটি করতে ৭ চারের সঙ্গে ৩টি ছক্কা মারেন ডেভিড। অর্থাৎ ৪৬ রানই আসে বাউন্ডারি থেকে।
টি-টোয়েন্টিতে ভারতের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দ্বিতীয় দ্রুততম ফিফটি এটি। হায়দরাবাদে ২০২২ সালে ১৯ বলে পঞ্চাশ করেছিলেন ক্যামেরন গ্রিন। আর গত বছর বিশ্বকাপে ট্রাভিস হেডের লেগেছিল ২৪ বল। দুজনের মাঝে এখন ডেভিড।
একইসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে হাজার রানের মাইলফলকও স্পর্শ করেন ডেভিড। সিঙ্গাপুরের হয়ে ক্যারিয়ার শুরু করা ব্যাটার ওই দেশের জার্সিতে ১৪ ইনিংসে করেছিলেন ৫৫৮ রান। এবার অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৪৩ ইনিংসে ১ হাজার পূর্ণ হলো তার।
No posts available.

শেষ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজন ১৪ রান। প্রথম বলে ফিরে গেলেন নিগার সুলতানা জ্যোতি। তবে পরের তিন ওভারে ৮ রান নিয়ে ম্যাচ জমিয়ে তুললেন সুলতানা খাতুন। সমীকরণ দাঁড়াল ২ বলে ৬ রানে। সেটি আর মেলাতে পারলেন না সুলতানা। খুব কাছে গিয়েও হেরে গেল বাংলাদেশ।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শনিবার সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে শ্রীলঙ্কা নারী দলের কাছে ৩ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটিই বাংলাদেশের সবচেয়ে কম ব্যবধানে পরাজয়ের রেকর্ড।
বৃষ্টিতে প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর শুরু হলে ৯ ওভারে নেমে আসে ম্যাচ। আগে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ৮৭ রান করে শ্রীলঙ্কা। জবাবে দারুণ লড়াই করলেও ৬ উইকেটে ৮৪ রানের বেশি করতে পারেনি নিগার সুলতানা জ্যোতির দল।
এই জয়ে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রতিটি জিতে বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ করল শ্রীলঙ্কা।
৯ ওভারে ৮৮ রানের লক্ষ্যে প্রথম ওভারে জোড়া চার মেরে দেন দিলারা আক্তার দোলা। তবে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তরুণ ওপেনার। পরের ওভারেই তাকে ড্রেসিং রুমের পথ দেখান শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তু।
আরেক ওপেনার জুয়াইরিয়া ফেরদৌস জয়িতাও ভালো শুরুর পরও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ২ চারে ১১ বলে ১৫ রান করে ফেরেন জয়িতা। তিন নম্বরে নেমে সোবহানা মোস্তারিও ইতিবাচক ব্যাটিং করলে ৬ ওভারের মধ্যে ৫০ রান করে ফেলে বাংলাদেশ।
মিথালি অযোধ্যার বলে বড় শটের চেষ্টায় আউট হয়ে যান সোবহানা। ১টি করে চার-ছক্কায় তার ব্যাট থেকে আসে ১৫ বলে ২১ রান। এরপর দায়িত্ব পড়ে জ্যোতির কাঁধে। দায়িত্বশীল ব্যাটে তিনি দলকে এগিয়ে নেন জয়ের পথে।
শেষ দিকে গিয়ে কঠিন হয়ে যাওয়া সমীকরণে জ্যোতি ফেরার পর চেষ্টা করেন সুলতানা। কিন্তু জয়ের জন্য তা যথেষ্ট হয়নি।
শ্রীলঙ্কার পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন সুগন্ধিকা কুমারি ও চামারি আতাপাত্তু।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ঝড় তোলেন আতাপাত্তু ও ইমেশা দুলানি। ৪ চারে ১০ বলে ১৯ রান করেন দুলানি। শেষ বলে রান আউট হওয়া আতাপাত্তুর ব্যাট থেকে আসে ৫ চার ও ১ ছক্কায় ২৭ বলে ৪১ রান।
এছাড়া শেষ দিকে কাভিশা দিলহারি করেন ৭ বলে ১৫ রান।
বাংলাদেশের পক্ষে ২ ওভারে মাত্র ৮ রানে ৩ উইকেট নেন সুলতানা।

খেলার মাঠের স্বপ্ন যখন ফিকে হয়ে আসে, তখন সেই ধাক্কা সামলানো কতটা কঠিন হতে পারে—তার এক করুণ দৃষ্টান্ত তৈরি হলো ভারতের পুদুচেরিতে। রাজ্য দলের টি-টোয়েন্টি ট্রায়ালে সুযোগ না পেয়ে বিষণ্ণতায় ভুগে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন ১৯ বছর বয়সী উদীয়মান ক্রিকেটার অ্যাঞ্জেল গ্যাংওয়ানি।
অ্যাঞ্জেল একজন জিএসটি সুপার কাশ্মির কুমারের কন্যা এবং চেন্নাইয়ের একটি কলেজের বিবিএ দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। গত দুই বছর ধরে পুদুচেরিতে থেকে ক্রিকেট প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন তিনি।
হিন্দুস্থান টাইমসের প্রতিবেদন, থিলাসপেটের একটি কোচিং সেন্টারে প্রশিক্ষণ নেওয়া অ্যাঞ্জেল সম্প্রতি থুটিপেটে পুদুচেরি নারী টি-টোয়েন্টি দলের জন্য আয়োজিত সিলেকশন ট্রায়ালে অংশ নিয়েছিলেন। কিন্তু চূড়ান্ত তালিকায় নিজের নাম না দেখে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।
গত বুধবার রাতে অনুশীলনের পর নিজের ঘরে ফেরেন অ্যাঞ্জেল। অনেক রাতে তার কোচ ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে সরাসরি তার বাসায় যান। সেখানে তাকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
অ্যাঞ্জেলের এই মৃত্যু বর্তমান ক্রিকেটে খেলোয়াড়দের ওপর ক্রমবর্ধমান মানসিক চাপের বিষয়টি আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। গ্ল্যামার আর আলোর ঝলকানির আড়ালে ঘরোয়া পর্যায়ের খেলোয়াড়দের যে কঠিন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যেতে হয়, এটি তারই একটি প্রতিফলন।
অনেক খেলোয়াড়ের কাছে ক্রিকেট কেবল পেশা নয়, বরং তাদের একমাত্র পরিচয়। ফলে ট্রায়ালে ব্যর্থ হওয়াকে তারা কেবল পেশাদার ব্যর্থতা হিসেবে না দেখে ব্যক্তিগত পরাজয় হিসেবে মনে করেন।
আন্তর্জাতিক তারকাদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বা থেরাপিস্টের সুবিধা থাকলেও তৃণমূল পর্যায়ে এমন কোনো ব্যবস্থা নেই বললেই চলে।
বেন স্টোকস বা গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের মতো তারকারা বিরতি নিয়ে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনা শুরু করলেও, তৃণমূল বা ঘরোয়া পর্যায়ে এই পরিবেশ তৈরি হতে এখনো অনেক পথ বাকি। অ্যাঞ্জেলের এই মৃত্যু ক্রিকেট সংশ্লিষ্টদের জন্য এক বড় সতর্কবার্তা।

বৃষ্টির পর কাঙ্ক্ষিত গতি পেল না বাংলাদেশের ইনিংস। একের পর এক ব্যাটারদের ব্যর্থতায় মাত্র ১০২ রানে গুটিয়ে গেল স্বাগতিকরা। নিউ জিল্যান্ডের সামনে এখন সিরিজের ট্রফি ভাগাভাগি করে নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ।
মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শনিবার বৃষ্টিভেজা দিনে বাংলাদেশের ইনিংসকে ভাগ করা দুই ভাগে। বৃষ্টি নামার আগে ৬.৪ ওভারে ৩ উইকেটে ৫০ রান করে তারা। আর বৃষ্টির থামার পর ৭.৪ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে করতে পারে মাত্র ৫২ রান।
সব মিলিয়ে ১৫ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে ১৪.২ ওভারে মোটে ১০২ রান করতে পারে বাংলাদেশ।
ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারে দারুণ দুটি বাউন্ডারি মেরে ১২ রান নেন সাইফ হাসান। তবে চতুর্থ ওভারে অভিষিক্ত জেডেন লেনক্স আক্রমণে আসতেই আউট হয়ে যান তিনি। ছক্কার খোঁজে হাওয়ায় ভাসিয়ে কাভারে ক্যাচ দেন ১১ বলে ১৬ রান করা ব্যাটার।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে পঞ্চম বোলার হিসেবে অভিষেকে প্রথম বলে উইকেট পেলেন লেনক্স। আর নিউ জিল্যান্ডের তৃতীয় বোলার হিসেবে এই কীর্তি গড়লেন তিনি। আগের দুজনও (লকি ফার্গুসন ও কোল ম্যাকঙ্কি) করেন বাংলাদেশের বিপক্ষেই।
এরপর পঞ্চম ওভারে জোড়া আঘাত করেন এই ম্যাচ দিয়ে একাদশে ফেরা বেন সিয়ার্স। ক্রস ব্যাটে স্লগ করতে গিয়ে বোল্ড হন ১০ বলে ৬ রান করা তানজিদ হাসান তামিম। পরের বলে আপার কাট করতে গিয়ে থার্ড ম্যানে ক্যাচ দেন পারভেজ হোসেন ইমন।
দ্রুত ৩ উইকেট হারানোর ধাক্কা দারুণভাবে সামাল দেন লিটন। বৃষ্টি নামার আগে পাল্টা আক্রমণে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ১৩ বলে ২৫ রান করে অপরাজিত থাকেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। এছাড়া তার সঙ্গী হিসেবে ছিলেন ৫ বলে ২ রান করা তাওহিদ হৃদয়।
সপ্তম ওভারে বৃষ্টি নামলে লম্বা সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায় খেলা। প্রায় ১ ঘণ্টা ৫৩ মিনিট অপেক্ষার পর ৫ ওভার করে কমিয়ে বিকেল সাড়ে ৪টায় আবার খেলা শুরুর সিদ্ধান্ত জানান আম্পায়াররা।
নতুন করে খেলা শুরুর পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি লিটন। জশ ক্লার্কসনের বলে ইনসাইড আউট শট খেলতে গিয়ে সুইপার কাভারে ক্যাচ দেন ১৭ বলে ২৬ রান করা লিটন।
পরে ইশ সোধির বলে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে ক্যাচ দেন শামীম হোসেন। পরের ওভারে ক্লার্কসনের পরপর দুই বলে হৃদয় (২৪ বলে ৩৩) ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ফিরে গেলে ৮৯ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ।
সেখান থেকে কোনোমতে একশ পার করলেও পুরো ১৫ ওভার খেলতে পারেনি বাংলাদেশ। শেষ ওভারে প্রথম দুই বলে বোল্ড হন শরিফুল ইসলাম ও রিপন মন্ডল। ৬ বলে ৭ রানে অপরাজিত থাকেন শেখ মেহেদি হাসান।
নিউ জিল্যান্ডের পক্ষে ২ ওভারে ৯ রানে ৩ উইকেট নেন ক্লার্কসন। এছাড়া বেন সিয়ার্স ও নাথান স্মিথের শিকার ২টি করে উইকেট।

টানা বৃষ্টিতে ১ ঘণ্টা ৫৩ মিনিট বন্ধ থাকার পর আবার শুরু হচ্ছে খেলা। বিকেল সাড়ে ৪টায় আবার মাঠে নামবেন ক্রিকেটাররা। প্রকৃতির বিরুপ আচরণের কারণে ম্যাচ থেকে প্রতি ইনিংসে কমে গেছে ৫টি করে মোট ১০ ওভার।
এখন ইনিংসপ্রতি খেলা হবে ১৫ ওভার করে। এরই মধ্যে নিজেদের ৬.৪ ওভার খেলে ফেলেছে বাংলাদেশ দল। বাকি ৮.২ ওভারের জন্য ব্যাট করতে নামবে স্বাগতিকরা। এখন পর্যন্ত স্কোরবোর্ডে জমা পড়েছে ৩ উইকেটে ৫০ রান।
নতুন ম্যাচ কন্ডিশনে দ্বিতীয় ইনিংসে পাওয়ার প্লেতে ৪.৩ ওভার পাবে নিউ জিল্যান্ড। আর ম্যাচে একজন বোলার সর্বোচ্চ ৩ ওভার বোলিং করতে পারবেন। ইনিংস বিরতি থাকবে ১০ মিনিট।
ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারে দারুণ ব্যাটিংয়ে দুই চারসহ ১২ রান নেন সাইফ হাসান। তবে চতুর্থ ওভারে অভিষিক্ত জেডেন লেনক্স আক্রমণে আসতেই আউট হয়ে যান তিনি। ছক্কার খোঁজে হাওয়ায় ভাসিয়ে কাভারে ক্যাচ দেন ১১ বলে ১৬ রান করা ব্যাটার।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে পঞ্চম বোলার হিসেবে অভিষেকে প্রথম বলে উইকেট পেলেন লেনক্স। আর নিউ জিল্যান্ডের তৃতীয় বোলার হিসেবে এই কীর্তি গড়লেন তিনি। আগের দুজনও (লকি ফার্গুসন ও কোল ম্যাকঙ্কি) করেন বাংলাদেশের বিপক্ষেই।
এরপর পঞ্চম ওভারে জোড়া আঘাত করেন এই ম্যাচ দিয়ে একাদশে ফেরা বেন সিয়ার্স। ক্রস ব্যাটে স্লগ করতে গিয়ে বোল্ড হন ১০ বলে ৬ রান করা তানজিদ হাসান তামিম। পরের বলে আপার কাট করতে গিয়ে থার্ড ম্যানে ক্যাচ দেন পারভেজ হোসেন ইমন।
দ্রুত ৩ উইকেট হারানোর ধাক্কা দারুণভাবে সামাল দেন লিটন। পাল্টা আক্রমণে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ১৩ বলে ২৫ রানে অপরাজিত বাংলাদেশ অধিনায়ক। এছাড়া তার সঙ্গী হিসেবে আছেন ৫ বলে ২ রান করা তাওহিদ হৃদয়।
সপ্তম ওভারে বৃষ্টি নামলে লম্বা সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায় খেলা। প্রায় ১ ঘণ্টা ৫৩ মিনিট অপেক্ষার পর ৫ ওভার করে কমিয়ে বিকেল সাড়ে ৪টায় আবার খেলা শুরুর সিদ্ধান্ত জানান আম্পায়াররা।

নানান অনিশ্চয়তার চোরাগলি পেরিয়ে অবশেষে আলোর মুখ দেখেছে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ। ঢাকার ৬টি মাঠে সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে ডিপিএলের নতুন মৌসুম। এই টুর্নামেন্টকে স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত রাখতে আন্তর্জাতিক ম্যাচের মতোই ফিক্সিংবিরোধী প্রটোকল অনুসরণ করা হবে।
ডিপিএলের নতুন আসর সামনে রেখে শনিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে বিসিবি। যেখানে শক্ত ফিক্সিংবিরোধী প্রটোকলের কথা জানান অ্যাড-হক কমিটির প্রধান ও সিসিডিএম (ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিস) চেয়ারম্যান তামিম ইকবাল।
এবারের প্রিমিয়ার লিগে টাইটেল স্পন্সর হিসেবে থাকছে ওয়ালটন স্মার্ট ফ্রিজ। আর পাওয়ার্ড বাই স্পন্সর হিসেবে আছে বসুন্ধরা সিমেন্ট।
আরও পড়ুন
| লিটন ঝড়ের পর বৃষ্টিতে বন্ধ খেলা |
|
সংবাদ সম্মেলনে তামিমসহ ছিলেন ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ ও সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এন্ড বিজনেস কো-অর্ডিনেটর অব ম্যানেজিং ডিরেক্টর তানভির আনজুম। এছাড়া বিসিবির পক্ষ থেকে ছিলেন অ্যাড-হক কমিটির ৪ সদস্য ফাহিম সিনহা, সৈয়দ ইব্রাহিম আহমেদ, ইসরাফিল খসরু ও রফিকুল ইসলাম বাবু।
টুর্নামেন্ট সম্পর্কে ধারণা দিয়ে শুরুর বক্তব্যের এক পর্যায়ে আইসিসি অ্যান্টি-করাপশন ইউনিটের (আকু) নিয়ম-নীতি অনুসরণের কথা বলেন তামিম।
“বিপিএলে বাস থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ফোন নিয়ে নেওয়া হয়। শুধু ম্যানেজারের কাছে ফোন থাকে। এটা আইসিসির অ্যান্টি-করাপশনের অনেকগুলো রুলসের মধ্যে একটা। এই জিনিসগুলো আমরা এবার বাস্তবায়ন করা শুরু করছি। প্রত্যেকটা দলই এরই মধ্যে আমাদের আকুর সদস্যের সঙ্গে বৈঠক করে প্রক্রিয়াগুলো সম্পর্কে ধারণা পেয়েছে।”
“এই জিনিসগুলোর প্রতি আমরা খুবই সিরিয়াস। কোনো ধরনের ছাড় দেওয়ার প্রশ্ন আসে না। ফ্র্যাঞ্চাইজি বা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যেমন হয়, তেমনি এখানেও সেগুলো অনুসরণ করা হবে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে হয়তোবা একটু কঠিন হবে। তবু আমাদের তরফ থেকে যতটুকু আমরা পারি আমরা চেষ্টা করব এই জিনিসগুলো মেইনটেইন করতে।”
আরও পড়ুন
| তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে অপরিবর্তিত বাংলাদেশ দল |
|
এছাড়া এবারই প্রথম একসঙ্গে ৬টি ভেন্যুতে হবে খেলা। সবগুলো ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচার করবে দেশের একমাত্র খেলাধুলার চ্যানেল টি স্পোর্টস। টিভির পাশাপাশি ইউটিউব চ্যানেলে দেখা যাবে খেলা। দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটও সম্প্রচার করায় টি স্পোর্টসকে ধন্যবাদ জানান তামিম।
বিকেএসপির ৩ ও ৪ নম্বর মাঠের পাশাপাশি বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটি, পূর্বাচলের ক্রিকেটার্স একাডেমি, পুবেরগাও ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান-২ (পিকেএসপি) ও ইউল্যাব ক্রিকেট মাঠে হবে এবারের প্রিমিয়ার লিগের খেলা।
তীব্র গরমের মাঝে খেলা হবে বিধায় যে কোনো ধরনের শারীরিক অসুস্থতা মোকাবিলার জন্য সব মাঠের জন্য আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্স রাখবে বিসিবি। এছাড়া ক্রিকেটারদের ফিটনেস ঠিক রাখতে বিশেষ ডায়েট অনুসরণ করে দুপুরের খাবার সরবরাহ করবে বোর্ড।