১৮ নভেম্বর ২০২৫, ৫:৪০ পিএম

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে নতুন ইতিহাসের জন্ম দেবেন মুশফিকুর রহিম। ম্যাচে টসের সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে একশ টেস্টের অনন্য মাইলফলক অর্জন করবেন সাবেক এই অধিনায়ক।
মুশফিকের এই মাইলফলক রাঙাতে ম্যাচ শুরুর আগে ১০ মিনিটের বিশেষ আয়োজন রেখেছে বিসিবি। যেখানে করা হবে নানা আয়োজন।
মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় শুরু হবে দ্বিতীয় টেস্ট। এর আগে সকাল ৯টা ১৬ মিনিট থেকে ৯টা ২৫ মিনিটের মধ্যে বিশেষ কিছু উপহার পাবে মুশফিক।
সকাল ৯টা ১৬ মিনিটে বিশেষ এই আয়োজনের জন্য মাঠে ঢুকবেন বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটার ও টিম ম্যানেজমেন্ট সদস্যরা। শুরুতেই মুশফিককে বিশেষ টেস্ট ক্যাপ তুলে দেবেন তার প্রথম ম্যাচের অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন।
আরও পড়ুন
| বাবর আজমকে আইসিসির শাস্তি |
|
এরপর বিশেষ টেস্ট ক্যাপ ক্যাসকেট দেবেন বাংলাদেশের ১ নম্বর টেস্ট ক্যাপধারী আকরাম খান। পরে বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান ও বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল এবং ক্রিকেট অপ্সের চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদিন ফাহিম মিলে বিশেষ ক্রেস্ট তুলে দেবেন।
ক্যাপ ও ক্রেস্ট প্রদান শেষে মুশফিকের হাতে তুলে দেওয়া হবে তার প্রথম টেস্টের অধিনায়ক সুমন ও শততম টেস্টের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর অটোগ্রাফ সম্বলিত জার্সি। এই জার্সি তুলে দেওয়ার পর সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখবেন শান্ত।
সবশেষে নিজের অনুভূতি জানিয়ে বক্তব্য দেবেন মুশফিক। এরপর গ্রুপ ছবি তুলে ম্যাচের জন্য মাঠে ঢুকে যাবেন ক্রিকেটাররা।
এখন পর্যন্ত ৯৯ টেস্ট খেলে ১২ সেঞ্চুরি ও ২৭ ফিফটিতে ৩৮.০২ গড়ে মুশফিকের সংগ্রহ ৬ হাজার ৩৫১ রান। বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাটার হিসেবে ৩টি ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটার। এবার দেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে একশ টেস্ট খেলবেন তিনি।
No posts available.
৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১২ পিএম
৪ এপ্রিল ২০২৬, ৯:২৯ পিএম

শিরোপা ধরে রাখার মিশনে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বড় ভরসার নাম ভুবনেশ্বর কুমার। এবার নতুন আসরে প্রথম ম্যাচেও বেঙ্গালুরুর জয়ে দারুণ অবদান রাখেন অভিজ্ঞ পেসার। তার সামনে এবার দুর্দান্ত এক মাইলফলক।
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ক্রিকেটে এখন পর্যন্ত ১৯৯ উইকেট নিয়েছেন ভুবনেশ্বর। আর মাত্র ১ উইকেট পেলে প্রথম ফাস্ট বোলার হিসেবে ২০০ উইকেটের ইতিহাস গড়বেন ৩৬ বছর বয়সী এই অভিজ্ঞ পেসার।
তবে সব মিলিয়ে আইপিএলে দুইশ উইকেট আছে আরও একজনের। ভারতের লেগ স্পিনার ইয়ুজভেন্দ্র চাহাল- ১৭৬ ম্যাচে ২২৪ উইকেট; গড় ২২.৬৮ ও ইকোনমি ৭.৯৫।
আরও পড়ুন
| দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে এবার দ্বিগুণ জরিমানা আইয়ারের |
|
এখন পর্যন্ত আইপিএলে ভিন্ন তিন দলের হয়ে ১৬টি মৌসুমে খেলে ১৯১ ম্যাচে ১৯৯ উইকেট নিয়েছেন ভুবনেশ্বর। ওভারপ্রতি খরচ করেছেন ৭.৬৯ রান। আইপিএলে তার সেরা বোলিং ১৯ রানে ৫ উইকেট। সব মিলিয়ে ২ বার ৫ উইকেট ও ২ বার ৪ উইকেট নিয়েছেন তিনি।
২০১১ সালে পুনে ওয়ারিয়র্সের হয়ে আইপিএল যাত্রা শুরু হয় ভুবনেশ্বরের। এরপর ২০১৪ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ঘরের ছেলেই হয়ে যান তিনি। পরে ২০২৫ সালে তাকে দলে নেয় বেঙ্গালুরু। সেবার ১৭ উইকেট নিয়ে শিরোপা জয়ে বড় অবদান রাখেন তিনি।
দুইশ উইকেটের দুয়ারে দাঁড়িয়ে আরেকটি দারুণ কীর্তিও রয়েছে ভুবনেশ্বরের। আইপিএলে পাওয়ার প্লে ওভারগুলোতে (১-৬) তার চেয়ে বেশি উইকেট নেই আর কোনো বোলারের।
প্রথম ছয় ওভারে মাত্র ৬.৫২ ইকোনমিতে ৮০ উইকেট নিয়েছেন তিনি। ৭২ উইকেট নিয়ে দুই নম্বরে ট্রেন্ট বোল্ট। এছাড়া ডেথ ওভারে ভুবনেশ্বর নিয়েছেন ৯৩ উইকেট। যেখানে তার ওপরে শুধু ডোয়াইন ব্রাভো, ১০২ উইকেট।

চলতি পিএসএলে যেন নিজেকে হারিয়ে খুঁজছেন রিশাদ হোসেন। পরপর তিন ম্যাচের একটিতেও সেরা ছন্দ দেখাতে পারলেন না বাংলাদেশি লেগ স্পিনার। তার দল রাওয়ালপিন্ডি পিন্ডিজও তিন ম্যাচ পরও পায়নি জয়ের স্বাদ।
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে শনিবার রাতের ম্যাচে পিন্ডিজকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে ইসলামাবাদ ইউনাইটেড। আগে ব্যাট করে ১৫৬ রানের বেশি নিতে পারেনি রিশাদের পিন্ডিজ। জবাবে মাত্র ১৪.২ ওভারেই ম্যাচ জিতে নেয় ইসলামাবাদ।
এ নিয়ে তিন ম্যাচের সবকটিই হারল পিন্ডিজ। পয়েন্ট টেবিলে আট দলের মধ্যে সাত নম্বরে নবাগত এই দলটি। তাদের সমান তিন ম্যাচের সবকটি হেরে সবার নিচে আরেক নতুন দল হায়দরাবাদ কিংসমেন।
পিন্ডিজের পরাজয়ের দিনে ব্যাটে-বলে ভালো করতে পারেননি রিশাদ। ব্যাট হাতে ৬ বলে মাত্র ৩ রান করে আউট হন তরুণ এই স্পিনিং অলরাউন্ডার। আর বোলিংয়ে ৩ ওভারে ৩৬ রান খরচ করে নিতে পারেন মাত্র ১ উইকেট।
এ নিয়ে চলতি পিএসএলের তিন ম্যাচে রিশাদের উইকেট হলো মাত্র ২টি। এই তিন ম্যাচে ১১ ওভার হাত ঘুরিয়ে ওভার ৯.৯০ রান দিয়েছেন তিনি।
ম্যাচে পিন্ডিজের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫০ রান করেন কামরান গোলাম। এজন্য তিনি খেলেন ৩৯ বল। শেষ দিকে ডিয়ান ফরেস্টার মাত্র ১৯ বলে ৪৪ রানের ইনিংস খেললে দেড়শ পার করে পিন্ডিজ।
ইসলামাবাদের হয়ে ২টি করে উইকেট নেন ফাহিম আশরাফ, সালমান ইরশাদ ও রিচার্ড গ্লিসন।
রান তাড়ায় ঝড় তোলেন সামির মিনহাস। মাত্র ৩৬ বলে ৭ চার ও ৪ ছক্কায় ৭০ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন ১৯ বছর বয়সী ওপেনার। এছাড়া মার্ক চ্যাপম্যান ৭ বলে ২৪ রান করে অপরাজিত থাকেন।
একই মাঠে সোমবার মুলতান সুলতান্সের বিপক্ষে খেলবে রিশাদের পিন্ডিজ।

আগামী এক বছরের জন্য বাংলাদেশ জাতীয় দলের স্পিন বোলিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সাবেক বাঁহাতি স্পিনার মোহাম্মদ রফিক। তার কাছ থেকে পরামর্শ পেলে দেশের সব পর্যায়ের স্পিনাররাই খুব উপকৃত হবে মনে করেন নাজমুল আবেদীন ফাহিম।
মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শনিবার বোর্ডের চতুর্থ সভার পর সংবাদ সম্মেলনে রফিককে বিশেষজ্ঞ স্পিন বোলিং কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিসিবি। পরে তাকে বেছে নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন ক্রিকেট অপ্সের চেয়ারম্যান ফাহিম।
প্রায় দেড় দশক আগে সব ধরনের ক্রিকেটকে বিদায় জানালেও, নানান সময়েই প্রদর্শনীমূলক ম্যাচ খেলে থাকেন রফিক। এবারের স্বাধীনতা দিবসেই যেমন, বিসিবি সবুজ দলের হয়ে ব্যাট হাতে তাণ্ডব চালানোর পাশাপাশি বল হাতেও ৪ উইকেট নিয়েছেন কিংবদন্তি এই স্পিনার।
রফিকের এই লড়াকু মানসিকতা আলাদা করে নজর কেড়েছে বিসিবির। তাই দেশের স্পিনারদের তার কাছ থেকে শেখার সুযোগ করে দেওয়ার কথা বলেছেন ফাহিম।
“আপাতত এক বছরের চুক্তি। রফিকের যে বোলিং দেখি, যেখানেই খেলুক, আমাদের অনেকেরই মনে হয় যে, ও অবসর নেওয়ার মত না এখনও। সাধারণ একটা খেলায় মাঠের মধ্যে ওর যে ইনটেন্ট থাকে, আমাদের মনে হয়, জুনিয়র-ইন্টারমিডিয়েট, এমনকি সিনিয়র লেভেলের যারা আছে, তাদের সঙ্গে যদি রফিক কাজ করে, ওর কাছ থেকে যদি কিছু টিপস পায় তারা, খুব উপকারী হবে।”
এছাড়া দেশে স্থানীয় স্পিন বোলিং কোচ বাড়ানোর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন বোর্ডের ক্রিকেট অপারেশন্স প্রধান।
“সত্যি বলতে যদি একটু হিসাব করি, আমাদের প্রায় ৮-১০ জন পেস বোলিং কোচ আছে। কিন্তু তিনজন স্পিন কোচও খুঁজে পাওয়া যাবে না দেশের ভেতরে। তাই ওই জায়গাটা খুবই শঙ্কার। আমাদের নিজস্ব কিছু স্পিন কোচ তৈরি করতে হবে। রফিক প্রায় প্রস্তুত আছেন, যে এখনই সার্ভ করতে পারবে।”
“এর পাশাপাশি আরও হয়তো ২-৪ জনকে ভবিষ্যতে আমরা দেখতে পাব, যারা কাজ করবে। এর আগে একটা সিদ্ধান্ত হয়েছে, আমরা এটা অনুভব করছি যে আমাদের যথেষ্ট বিশেষজ্ঞ লোকবল নেই। এটা খুব প্রয়োজনীয় আমাদের। তাই এটা মাথায় রেখেই রফিককে নেওয়া। এরপরে আরও খোঁজ চালাব।”

অবশেষে জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করার দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে মোহাম্মদ রফিকের। জাতীয় ক্রিকেট দলের বিশেষজ্ঞ স্পিন বোলিং কোচ হিসেবে এক বছরের জন্য সাবেক এই স্পিনারকে দায়িত্ব দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
শনিবার দুপুর থেকে শুরু হয়ে প্রায় ৭ ঘণ্টা ধরে চলা বিসিবির চতুর্থ বোর্ড সভার পর সংবাদ সম্মেলনে এই খবর জানিয়েছেন মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান মোখসেদুল কামাল বাবু। এর বাইরেও এক গুচ্ছ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এই সভায়।
ওয়ানডে দলের বর্তমান অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ও সহ-অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে ২০২৭ বিশ্বকাপ পর্যন্ত দায়িত্বে বহাল রাখা হয়েছে। আর টি-টোয়েন্টিতে অধিনায়ক লিটন কুমার দাস ও সহ-অধিনায়ক হিসেবে সাইফ হাসান থাকবেন ২০২৮ বিশ্বকাপ পর্যন্ত।
এর বাইরে আরও অনেক সিদ্ধান্তের খবর জানিয়েছেন মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান। তার বয়ানেই এসব সিদ্ধান্ত নিচে তুলে ধরা হলো
প্রথমত আমাদের বিসিবির এইচআর পলিসি আজকে গ্রহণ করা হয়েছে। এরপর আমাদের জাতীয় দলের নির্বাচক কমিটি নির্ধারণ হয়েছে। ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়কের মেয়াদ আগামী বিশ্বকাপ পর্যন্ত বাড়ানো
আমরা আমাদের ক্রিকেটার, আম্পায়ার এবং সংশ্লিষ্টদের জন্য পেনশন স্কিম চালু করতে যাচ্ছি। এটি নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
সিসিডিএম এর পক্ষ থেকে আমাদের ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ শুরু করা হবে এবং সেই লক্ষ্যে আগামী ৮ তারিখে সমস্ত ক্লাবগুলোকে আহবান জানানো হয়েছে মিটিংয়ের জন্য। ইন্টার ইউনিভার্সিটি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরু হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিকেট মাঠে।
আমাদের ঘরোয়া ক্রিকেটারদের অ্যানালিটিকাল বিশ্লেষণের জন্য বিসিবির পক্ষ থেকে নিজস্ব একটি অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে এবং আজকে সেটি উদ্বোধন করা হয়েছে।
মোহাম্মদ রফিককে স্পেশালিস্ট স্পিন বোলার হিসেবে কোচ হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।
নারী বিপিএল ও উইমেন্স কাপ- এই দুইটি খেলা হবে। সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
সাংবাদিক, ক্রিকেটার ও অন্যান্যদের জন্য একটি পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। আমরা অ্যাওয়ার্ড নাইট আবার নতুন করে শুরু করছি।
সিলেট ক্রিকেট স্টেডিয়াম পরিদর্শন করে সম্মানিত যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী (আমিনুল হক) মহোদয় যে সকল দিকনির্দেশনা দিয়েছেন, সেই বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনা হয়েছে ও সেগুলোকে দ্রুত কার্যকর করা হবে।
সাংবাদিকদের জন্য আমরা একটা স্কলারশিপ প্রোগ্রাম চালু করছি। যারা স্পোর্টস জার্নালিজম এর ওপরে বাইরে পড়ালেখা করতে যেতে চান, আমরা তাদের জন্য একটি স্কলারশিপ চালু করব।
আমরা বিসিবির একটি স্পোর্টস জার্নাল বের করতে চাই। অন্তত প্রতি তিন মাস অন্তর অন্তর একটি স্পোর্টস জার্নাল আমরা বের করব।
এছাড়াও এর আগে সংসদে আমরা দেখেছি যে সেখানে দুর্নীতির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সরকারের দুর্নীতিবিরোধীসহ সমস্ত কাজের ক্ষেত্রেই সহযোগিতার ব্যাপারে পরিপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে এবং আমরা সকল ধরনের সহযোগিতা তাদেরকে অব্যাহত রাখব।

আইপিএলের শুরু থেকে ব্যাট হাতে ভালো সময়ই পার করছেন শ্রেয়াস আইয়ার। তবে অধিনায়কত্বে যেন কিছুটা গড়বড় হয়ে যাচ্ছে তার। এমন না যে ম্যাচ জিততে পারছেন না। পরপর দুই ম্যাচই জিতেছে পাঞ্জাব কিংস। কিন্তু জরিমানার হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেন না অধিনায়ক।
দুই ম্যাচে মন্থর ওভার রেটের কারণে শাস্তি পেয়েছেন শ্রেয়াস। চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে শুক্রবার রাতের ম্যাচে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ২০ ওভার শেষ করতে না পারায় ২৪ লাখ রুপি জরিমানা করা হয়েছে পাঞ্জাব অধিনায়কের।
এছাড়া ইমপ্যাক্ট ক্রিকেটারসহ একাদশের বাকি সব ক্রিকেটারকে ৬ লাখ রুপি বা ম্যাচ ফির ২৫ শতাংশ (যেটি কম) জরিমানা হয়েছে।
এর আগে গুজরাট টাইটান্সের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেও জেতার পর শাস্তির দুঃসংবাদ পেয়েছিলেন শ্রেয়াস আইয়ার। সেদিনও নির্ধারিত সময়ে পুরো ২০ ওভার শেষ করতে না পারায়, ১২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছিল অভিজ্ঞ ব্যাটারের।
আর এবার চেন্নাইয়ের বিপক্ষে একই অপরাধে দোষী হওয়ায় জরিমানা বেড়ে হয়েছে দ্বিগুণ।