
স্কোয়াডে থাকলেও গ্রুপ পর্বের আগের দুই ম্যাচে সুযোগ মেলেনি। তবে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নেমেই ৫ উইকেট নিয়ে বাজিমাত করেছেন ভারুণ চক্রবর্তী৷ তাকে সহ চার স্পিনার নিয়ে বেশ ভালোই করে ভারতের বোলিং লাইনআপ। আর এই কারণেই দলটির অধিনায়ক রোহিত শর্মা মনে করছেন, সম্ভব হলে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেমিফাইনালেও চার স্পিনার খেলানো উচিত তাদের।
দুবাইয়ের স্লো উইকেটে শুরু থেকেই কার্যকর ভারতের তিন বাঁহাতি স্পিনার রবীন্দ্র জাদেজা, আকসার প্যাটেল ও কুলদীপ ইয়াদাভ। তাদের সাথে নিউজিল্যান্ড ম্যাচে যোগ দেন ডানহাতি রহস্য স্পিনার ভারুণ। ম্যাচে যেভাবে প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের সমস্যায় ফেলেছেন তিনি, তাতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাদ দেওয়াটা কঠিনই হবে ভারতের জন্য।
আরও পড়ুন
| হার দিয়ে ডিপিএল শুরু আবাহনী-মোহামেডানের |
|
ম্যাচের আগের দিনের সংবাদ রোহিত আভাস দিলেন, একাদশে থাকতেও পারেন ভারুণ।
"আমাদের আসলেই এটা নিয়ে ভাবতে হবে, এমনকি আমরা চার স্পিনার খেলতে চাইলেও.. আমরা কীভাবে চার স্পিনারকে সাজাতে পারি, তা ভেবে দেখতে হবে। যদি মনে হয় এটা কাজে দেবে না, তাহলে রাখব না। আমাদের বোলিং পরিকল্পনায় যা কাজে লাগবে, আমরা তাই করব৷ এটা বলার কারণ, আমরা এখানকার কন্ডিশন সম্পর্কে খুব সচেতন। আমরা ভালোভাবেই জানি এখানে কী কাজ করে আর কী কাজ করে না।”
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আইসিসি ইভেন্টে অস্ট্রেলিয়ার বেশ ভালো রেকর্ডই রয়েছে ভারতের বিপক্ষে। গত ওয়ানডে বিশ্বকাপে ভারতকে হারিয়েই শিরোপা জিতেছিল দলটি। ২০২০ সাল থেকে ওয়ানডেতে দুই দলের জয়ই সমান সমান (৭-৭)। খর্বশক্তির দল হলেও তাই অজিদের নিয়ে ভারতকে সতর্ক থাকতেই হবে।
আরও পড়ুন
| হাইব্রিড সূচি নিয়ে আপত্তি নেই জাম্পার |
|
রোহিত তাই সম্ভাব্য সেরা দল নিয়েই মাঠে নামার পক্ষে।
“এখন আমাদের চিন্তাভাবনা করা এবং দেখার বিষয়টা হল যে আমরা কীভাবে নিজেদের সেরা একাদশটা পেতে পারি। অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটিং লাইনআপ কেমন হবে এবং আমরা কীভাবে আমরা অপশনগুলো কাজে লাগাতে পারি সেটা ভেবে দেখব। তাদের বিপক্ষে খেলাটা দারুণ। তবে আমি মনে করি আমাদের দল, একজন খেলোয়াড়, ব্যাটিং ও একটি বোলিং ইউনিট হিসেবে আমাদের কী করা দরকার, সেদিকেই বেশি মনোনিবেশ করা উচিত।”
No posts available.
১৪ মার্চ ২০২৬, ৪:৪৩ পিএম

চুক্তিবদ্ধ থাকার পরও শেষ
মুহূর্তে পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) থেকে সরে দাঁড়ান জিম্বাবুয়ের পেসার ব্লেসিং
মুজারাবানি। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএলে) খেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে পিএসএল থেকে সরে
দাঁড়ান তিনি। কলকাতা নাইটরাইডার্স দলে ভিড়িয়েছে তাঁকে। অঙ্গীকার ঠিক না রাখায় মুজারাবানির
বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।
পিএসএলে ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের
হয়ে খেলার জন্য চুক্তিবদ্ধ ছিলেন মুজারাবানি। প্রতিদ্বন্দ্বী একটি লিগে খেলতে গিয়ে
বাধ্যতামূলক চুক্তি ভেঙে দেওয়ায় বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি পিসিবি। বোর্ডের কর্মকর্তারা
মনে করছেন, এটি চুক্তি লঙ্ঘন। মুজারাবানির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা
করা হচ্ছে।
গত দুই বছরে পিএসএল ছেড়ে
আইপিএল খেলার সুযোগ নিয়েছেন—এটি দ্বিতীয় ঘটনা। গত বছর দক্ষিণ আফ্রিকার অলরাউন্ডার করবিন
বশও একইভাবে পাকিস্তানের পেশোয়ার জালমির সঙ্গে চুক্তি থাকার পরও ভারতের লিগে মুম্বাই
ইন্ডিয়ানসে যোগ দেন। পরে চুক্তি ভঙ্গের দায়ে তাঁকে এক বছরের জন্য পাকিস্তানের লিগে
নিষিদ্ধ করা হয়।
তবে মুজারাবানির ক্ষেত্রে
পাকিস্তান বোর্ড আরও কঠোর শাস্তির বিষয়টি বিবেচনা করছে বলে জানা গেছে। এর আগে তিন মৌসুম
পাকিস্তানের লিগে খেলেছেন মুজারাবানি। ২১টি উইকেট রয়েছে তাঁর নামের পাশে। যদিও আইপিএলে
এখনো কোনো ম্যাচ খেলা হয়নি তাঁর। তবে ২০২৫ আইপিএলে বেঙ্গালুরু দলের সদস্য ছিলেন।
এবার কলকাতা নাইট রাইডার্স
মুজারাবানিকে দলে নিয়েছে বাংলাদেশের পেসার মোস্তাফিজুর রহমানের বদলি হিসেবে। ভারতীয়
ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) নির্দেষে মোস্তাফিজকে দল থেকে ছাড়তে বাধ্য হয় কলকাতা।
আগামী ২৯ মার্চ ওয়াংখেড়ে
স্টেডিয়ামে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে কলকাতা নাইট রাইডার্সের
এবারের অভিযান। আর নিজেদের মাঠ ইডেন গার্ডেনে তাদের প্রথম ম্যাচ ২ এপ্রিল, প্রতিপক্ষ
সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।

শুক্রবার মিরপুরে বাংলাদেশের
বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে রান আউটের পর গ্লাভস ও হেলমেট মাটিতে ছুড়ে প্রতিক্রিয়া
দেখান সালমান আগা। এ ঘটনায় পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানকে তিরস্কার ও একটি ডিমেরিট পয়েন্ট
দেওয়া হয়েছে। দুই বছরে এটিই তাঁর প্রথম ডিমেরিট পয়েন্ট।
ম্যাচ রেফারি নিয়ামুর রশীদের
আরোপ করা ‘অ্যাবিউজিং অব ক্রিকেট ইকুইপমেন্ট’ অভিযোগ সালমান মেনে নেওয়ায় এ নিয়ে আর শুনানির প্রয়োজন হয়নি।
পাকিস্তান ইনিংসের ৩৯তম
ওভারে মিরাজের বল স্ট্রেইট ড্রাইভ করেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। ক্রিজে থাকা অবস্থায় বল পা
দিয়ে থামান মিরাজ। একই সময়ে সালমান-মিরাজ দুজনই বলের দিকে হাত বাড়ালেও মিরাজই বলটি
আগে তুলে নেন, এরপর থ্রো করে ভেঙে দেন স্টাম্প। তৃতীয় আম্পায়ার সালমানকে রানআউট ঘোষণা
করেন।
রান আউটের ঘটনায় অতিবিরক্ত
হতে দেখা যায় সালমানকে। তৃতীয় আম্পায়ার আউটের সিদ্ধান্ত জানানোর আগেই মাঠের ভেতর হেলমেট
ও গ্লাভস মাটিতে ছুড়ে মারেন সালমান।
ঘটনার পর ক্রিকেটবিশ্বে 'স্পিরিট
অফ ক্রিকেট' নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। পক্ষে বিপক্ষে কথা বলছেন বিশ্লেষকরা।
স্বয়ং বাংলাদেশ দলের পাকিস্তানি স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদও সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন,
‘আমার মনে হয় না মিরাজ কোনো ভুল করেছে।’
ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় দলের উইকেটকিপার ব্যাটার লিটন দাস অবশ্য বলেছেন,
‘প্রথমত, এখানে কেউ চ্যারিটি লিগ খেলতে আসেনি। এটা আন্তর্জাতিক ম্যাচ। নিয়মে আছে আউট, এখানে স্পোর্টসম্যানশিপ নষ্ট হয়েছে বলে আমার মনে হয় না। যে যার ব্যক্তিগত মতামত দিতে পারে। তবে খেলোয়াড় হিসেবে আমাদের কাছে মনে হয়েছে আউট।’

বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিতীয়
ওয়ানডেতে ফিল্ডিংয়ের সময় বাঁ-কাঁধে গুরুতর চোট পেয়েছেন পাকিস্তানের অলরাউন্ডার হুসাইন
তালাত। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, এই চোট থেকে সেরে উঠতে তাঁর প্রায় ১২ থেকে ১৪ সপ্তাহ
সময় লাগতে পারে।
ম্যাচ চলাকালীন ফিল্ডিংয়ের
সময় তালাতের বাঁ কাঁধের সংযোগ নড়ে গেছে যায়। ঘটনার পরপরই মাঠেই তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা
দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়।
হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের
তত্ত্বাবধানে তালাদের ওপর একটি সফল চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়, যার মাধ্যমে কাঁধের
স্থানচ্যুত জোড়াটি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে। চিকিৎসা শেষে তাঁর শারীরিক
অবস্থা স্থিতিশীল ছিল। পরে তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী
কিছুদিন বিশ্রামে থাকবেন তালাত। তারপর তিনি পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু করতে জাতীয় ক্রিকেট
একাডেমিতে যোগ দেবেন।
পর্যায়ক্রমে পুনর্বাসন
ও অনুশীলনের মাধ্যমে তালাতকে আবার প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফেরানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
সবকিছু ঠিক থাকলে প্রায় তিন মাসের মধ্যেই মাঠে ফিরতে পারেন এই পাকিস্তানি অলরাউন্ডার।

ভারতীয়
ক্রিকেটে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে আসন্ন নামান অ্যাওয়ার্ডসে কর্ণেল সি.কে.
নাইড়ু আজীবন সম্মাননা পুরস্কার পাচ্ছেন রাহুল দ্রাবিড়, রজার বিনি ও মিথালি রাজ। দিল্লিতে
রোববার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নামান এওয়ার্ডসে তাদের এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।
ভারতের
হয়ে দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার কাটিয়েছেন দ্রাবিড়। ৫০৯ আন্তর্জাতিক ম্যাচে
তিনি ২৪ হাজারের বেশি রান করেছেন ও ফিল্ডিংয়ে নিয়েছেন ৪০০-রও বেশি ক্যাচ। তার অধিনায়কত্বে
২০০৭ সালে ইংল্যান্ডের মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জেতে ভারত।
অবসরের
পর কোচ হিসেবে অনূর্ধ্ব-১৯ দল, ভারত ‘এ’ ও জাতীয় দলের দায়িত্ব সামলেছেন দ্রাবিড়। তার
কোচিংয়েই ২০২৪ সালের আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতে ভারত।
ভারতের
১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য ছিলেন রজার বিনি। ২৭ টেস্ট ও ৭২টি ওয়ানডে খেলা এই
অলরাউন্ডার ওই বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি ছিলেন, যা ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে
বড় মোড় ঘোরানো মুহূর্ত হয়ে আছে।
পরে
তিনি ১৯৮৫ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ অব ক্রিকেটজয়ী দলেও ছিলেন। খেলোয়াড়ি জীবনের পর
কোচিং ও প্রশাসনিক দায়িত্বেও কাজ করেছেন বিনি। ২০০০ সালে তার কোচিংয়েই ভারত অনূর্ধ্ব-১৯
বিশ্বকাপ জেতে।
অন্যদিকে
নারী ক্রিকেটে দীর্ঘদিন ভারতের মুখ ছিলেন মিথালি রাজ। ৩৩৩টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে খেলা
এই ব্যাটার নারী ক্রিকেটারদের মধ্যে প্রথম হিসেবে ১০ হাজারের বেশি আন্তর্জাতিক রান
করেন। তার অধিনায়কত্বেই ভারত দুইবার বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছায়।
অন্যান্য
পুরস্কারপ্রাপ্তরা
২০২৪-২৫
মৌসুমে পুরুষদের সেরা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারের জন্য পলি উমরিগার পুরস্কার পেয়েছেন শুবমান
গিল। নারীদের সেরা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার হয়েছেন স্মৃতি মান্ধানা। একই সঙ্গে ওয়ানডেতে
সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের পুরস্কারও জিতেছেন তিনি।
নারীদের
ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির পুরস্কার পেয়েছেন দিপ্তি। সেরা আন্তর্জাতিক অভিষেক
(নারী) পুরস্কার জিতেছেন শ্রী চারানি। আর পুরুষদের বিভাগে এই সম্মান পেয়েছেন হার্শিত
রানা।

নাহিদ রানার গতি আর তানজিদ হাসান তামিমের তাণ্ডবে প্রথম ম্যাচ জেতার পর দ্বিতীয়টিতে পাত্তাই পায়নি বাংলাদেশ। মাজ সাদাকাতের ঝড়ো ব্যাটিংয়ের সঙ্গে দুর্দান্ত বাঁহাতি স্পিনের ফাঁদে পড়ে বড় ব্যবধানে হেরেছে স্বাগতিকরা।
ফলে এখন তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচটি পরিণত হয়েছে বাঁচা-মরার লড়াইয়ে। এই ম্যাচ দিয়েই নির্ধারণ হবে কারা পাবে লাল-সবুজে মোড়ানো সুদৃশ্য ট্রফি। মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রোববার দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে শুরু হবে সিরিজ নির্ধারণী খেলা।
চলতি সিরিজের আগে ৭৯টি তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলেছে বাংলাদেশ। যেখানে ২-১ ব্যবধানে ফল এসেছে ২৫টি ভিন্ন সিরিজে। বাংলাদেশ ২-১ ব্যবধানে জিতেছে ১২টি সিরিজ, আর ১-২ ব্যবধানে হেরে গেছে বাকি ১৩ সিরিজে।
এই ২৫ সিরিজের মধ্যে প্রথম দুই ম্যাচ শেষে ১-১ হয়েছে ১৬ সিরিজে। যেখানে ৮টি সিরিজে জয়ী দলের নাম বাংলাদেশ। বাকি ৮ সিরিজে জিতেছে প্রতিপক্ষ দল।
১-১ থেকে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জেতা ৮ ঘটনার মধ্যে ৬টিতে প্রথম ম্যাচ জেতার পর দ্বিতীয়টি হেরে গিয়েছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ জিতে সিরিজের ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা।
এবার তেমন আরেক চ্যালেঞ্জের সামনে তারা। প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে ১১৪ রানে গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর দ্বিতীয় ম্যাচে বৃষ্টিবিঘ্নিত লড়াইয়ে বাংলাদেশও অলআউট হয়েছে ঠিক ১১৪ রান। শেষ ম্যাচে তাই প্রথম ওয়ানডের পুনরাবৃত্তিই চাইবে স্বাগতিকরা।
গত বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচ হেরে সিরিজ খোয়ানোর শঙ্কায় পড়লেও শেষ পর্যন্ত তা হতে দেয়নি বাংলাদেশ। ২০২৪ সালে শ্রীলঙ্কা বা ২০২২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বিপক্ষেও দ্বিতীয় ওয়ানডে হারলেও, সিরিজের ট্রফি নিজেদের করে নিয়েছিল তারা।
এবার ২০২৬ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষেও সেটি করতে পারলে র্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পাবে বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিততে পারলে ৭৯ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে এক ধাপ এগিয়ে ৯ নম্বরে উঠে যাবে তারা। আর শেষ ম্যাচ হারলে ৭৭ পয়েন্ট নিয়ে ১০ নম্বরে থেকে যাবে বাংলাদেশ।
প্রথম ম্যাচ জিতে নেওয়ার পরও সিরিজ হারের নজিরও আছে বাংলাদেশের ক্রিকেটে। ২০০৮ সালে নিউ জিল্যান্ড ও ২০১৩ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১-০তে লিড নেওয়ার পর বাকি দুই ম্যাচ হেরে ট্রফি উঁচিয়ে ধরার সুযোগ হাতছাড়া করে বাংলাদেশ।
তবে নিশ্চিতভাবেই নিউ জিল্যান্ড বা জিম্বাবুয়ে নয়, বরং ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা সিরিজের পুনরাবৃত্তির খোজেই থাকবে মেহেদী হাসান মিরাজের দল।