১১ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩১ পিএম

পাকিস্তানের বিপক্ষে জেতা সিরিজের দলে কোনো পরিবর্তন আনল না জাতীয় দলের নতুন নির্বাচক কমিটি। নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের জন্য অপরিবর্তিত স্কোয়াডই ঘোষণা করল হাবিবুল বাশারের নেতৃত্বাধীন প্যানেল।
মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শনিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা করা হয়েছে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচের দল। মিরপুরে আগামী ১৭ ও ২০ এপ্রিল হবে এই দুই ম্যাচ।
অপরিবর্তিত দল রাখায় আরেকটি সুযোগ পেলেন মিডল অর্ডার ব্যাটার আফিফ হোসেন ধ্রুব। পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ দিয়ে ফেরার পর দুই ইনিংসে ১৪ ও ৫* রান করেছিলেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। পাকিস্তানের বিপক্ষে হয়তো কঠিম পরীক্ষায়ই পড়বেন তিনি।
আরও পড়ুন
| ২০০ টাকায় দেখুন নিউ জিল্যান্ড সিরিজের খেলা |
|
এছাড়া ওয়ানডে সিরিজের দলে থাকায় পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) ছেড়ে চলে আসতে হবে মোস্তাফিজুর রহমান, তানজিদ হাসান তামিম, রিশাদ হোসেন, শরিফুল ইসলাম ও নাহিদ রানার।
ওয়ানডে সিরিজ শেষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ থেকে ছুটি পেতে পারেন মোস্তাফিজ। সেক্ষেত্রে আবার লাহোর কালান্দার্স শিবিরে যোগ দিতে পারেন অভিজ্ঞ বাঁহাতি পেসার। এছাড়া বাকিদের হয়তো টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য থেকে যেতে হবে দেশেই।
নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ স্কোয়াড
লিটন কুমার দাস, তানজিদ হাসান তামিম, সৌম্য সরকার, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহিদ হৃদয়, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, আফিফ হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), রিশাদ হোসেন, তানভির ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা, শরিফুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান।
No posts available.
১১ এপ্রিল ২০২৬, ৩:০৫ পিএম

দুই দলের একাদশে ছিলেন বাংলাদেশের তিন পেসার। আবারও গতির ঝড় তুললেন নাহিদ রানা। আগের ম্যাচে ব্যাটারদের নাভিশ্বাস তুলে তিন উইকেট নেওয়া পেসারের এবার শিকার দুটি। একটি উইকেট নিলেন শরীফুল ইসলাম। পেশোয়ার জালমির বোলারদের দাপটের দিনে তাসের ঘরের মতো ধসে পড়ল লাহোর কালান্দার্সের ব্যাটিং লাইনআপ। দলের ব্যাটিং ব্যর্থতার দিনে লাহোরের পেসার নিলেন দুই উইকেট।
পিএসএলে আজ লাহোর কালান্দার্সকে এত রানে হারিয়েছে পেশোয়ার। শুরুতে ব্যাটিংয়ে নামা পেশোয়ার ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৬৭ রান করে। এরপর রান তাড়ায় পেশোয়ারের বোলারদের সামনে দাড়াতেই পারেনি লাহোর। ১৭ ওভারে ৯৭ রান তুলেই গুটিয়ে যায় তারা।
দারুণ এই জয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠে গেছে পেশোয়ার। পাঁচ ম্যাচের চারটিতে জেতা রানা-শরীফুলদের দল এখনও অপরাজিত। একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় তাদের পয়েন্ট ৯। সমান ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে মুলতান সুলতানস। অন্যদিকে পাঁচ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে আছে লাহোর।
লক্ষ্য তাড়ায় শুরু থেকেই ধুঁকতে থাকে লাহোর। জালমিকে প্রথম উইকেট এনে দেন শরীফুল। নিজের প্রথম ওভারের তৃতীয় ডেলিভারিতে ফেরান মোহাম্মদ নাইমকে। তাঁর ওই ওভার থেকে পাঁচ রান নেয় লাহোর। পরের ওভারে দুই বাউন্ডারি হজম করে ১১ রান দেন শরীফুল।
দ্বিতীয় উইকেটে লাহোরের ৩৯ রানে জুটি শেষ হতেই শুরু হয় উইকেট বৃষ্টি। ৫.৩ ওভারে তাদের স্কোর ছিল ৪৩/১। আর ১৩.৫ ওভার শেষে লাহোরের স্কোর হয়ে যায় ৭৫/৯। স্কোরবোর্ডে ৩২ রান যোগ করে ৮ উইকেট হারায় তারা। ৩ ওভারে ১৫ রান দিয়ে দুই উইকেট নেওয়া নাহিদের শিকার হন আব্দুল্লাহ শফিক ও উসামা মির। সুফিয়ান মুকিম ও মিচেল ব্রেসওয়েল নিয়েছেন সমান তিনটি উইকেট।
এর আগে টসে হেরে ব্যাটিং করা পেশোয়ারের ইনিংসে ৪৮ বলে সর্বোচ্চ ৭৪ রান শ্রীলঙ্কান উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান কুশল মেন্ডিসের। ৫টি চার ও ৪টি ছক্কা মেরেছেন তিনে নেমে। এছাড়া অধিনায়ক বাবর আজম খেলেন ৪০ বলে ৪৩ রানের ওয়ানডে গতির ইনিংস। প্রথম ব্যাটার হিসেবে পিএসএলে ৪ হাজার রানের মাইলফলক ছুঁয়েছেন তিনি।
৪ ওভারে ৩০ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন মোস্তাফিজ। মাইকেল ব্রেসওয়েল ও আমের জামালকে ফিরিয়েছেন বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার।

নির্বাচক হয়ে অনেকবারই দল ঘোষণার জন্য সংবাদ সম্মেলন কক্ষে এসেছিলেন হাবিবুল বাশার সুমন। মিরপুরে শেরেবাংলার সেই চেনা কক্ষে প্রধান নির্বাচক হয়ে আজই প্রথমবার এলেন। নিউ জিল্যান্ড সিরিজের দলটা কেমন হবে—দেখার অপেক্ষায় ছিলেন সংবাদকর্মীরাও। তবে প্রথম অ্যাসাইনমেন্টে দল ঘোষণার পর কিছুটা নড়চড়েই বসতে হলো। কারণও তখন স্পষ্ট হয়ে যায়, সবশেষ পাকিস্তান সিরিজের হুবহু দলটাই গড়গড় করে কিউইদের বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের জন্য ঘোষণা করলেন হাবিবুল বাশার।
পাকিস্তানের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে দারুণ এক ওয়ানডে সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ দল। চেনা কন্ডিশনে জেতা কম্বিনশন ভাঙতে চায়নি নতুন নির্বাচক প্যানেল। হাবিবুল বাশার সফল্যের কথা টেনে বললেন, ‘আমরা যখন দলটা দেখেছি, তখন মনে হয়েছে আমাদের সফল সিরিজ ছিল সবশেষ সিরিজটি। বাংলাদেশ ভালো ক্রিকেট খেলেছে এবং সেখানে কিছু খেলোয়াড় হয়তো সুযোগ পায়নি একাদশে। কিছু খেলোয়াড় নতুন এসেছে। আমাদের প্রক্রিয়া হচ্ছে যখন কেউ আসবে তাকে পর্যাপ্ত সুযোগ দিতে হবে। যারা খেলেছে তারা খারাপ খেলেনি। আমরা কন্টিনিউটিতে বিশ্বাস করতে চাই, যার জন্য আমরা এই সিরিজে দল পরিবর্তন করিনি।’
আরও পড়ুন
| পিএসএলের বাকি অংশ শেষ ইমনের |
|
২০২৭ বিশ্বকাপ পর্যন্ত দলে খুব বেশি অদল-বদল চান না নির্বাচকেরা। তাঁরা একটা পুল নিয়ে কাজ করতে চান। বিশ্বকাপ সামনে রেখেই দল গোছানোর পরিকল্পনা সাজানোর কথা উল্লেখ করেন হাবিবুল বাশার, ‘আমরা বিশ্বকাপের আগে কোনো বড় পরিবর্তন করতে চাই না। যদি কাউকে দেখতে হয় তবে আগামী ছয় মাস বা এক বছরের মধ্যে দেখে নেব। বাংলাদেশ প্রথম অগ্রাধিকার হচ্ছে ম্যাচ জেতা। জেতার জন্যই আমরা সেরা দলটা বানাব। এর মধ্যে আমরা বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে পরিকল্পনা সাজাচ্ছি। তবে জেতার মানসিকতা স্যাক্রিফাইস করে নয়।’
প্রায় দুই বছর ধরে বাংলাদেশ দলের বাইরে থাকা সাকিব আল হাসান প্রসঙ্গও এল। সাবেক বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের সঙ্গে কোনো কথা হয়েছে কি না—লম্বা সময় খেলতে চান কি না তিনি। এ ব্যাপারে সাবলীল কণ্ঠ হাবিবুল বাশারের, ‘সাকিবের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আমি তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম সে কি প্রস্তুত কি না। কারণ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অনেক কিছু ডিমান্ড করে। প্রস্তুতি খুব গুরুত্বপূর্ণ। সে যদি ফিট থাকে এবং প্রস্তুত থাকে তবে তাকে আমরা অবশ্যই লম্বা সময়ের জন্য চাই।’
খেলোয়াড়দের সঙ্গে নির্বাচকদের যোগাযোগের ঘাটতি নিয়ে বিভিন্ন সময় কথা হয়। এই ব্যাপারে হাবিবুল বাশারের দর্শন, ‘যোগাযোগের ঘাটতি আছে বলে আমার মনে হয় না। আমাদের প্যানেলে যারা আছে তারা সবাই সম্প্রতি একসঙ্গে ক্রিকেট খেলেছে। আমাদের সবার সঙ্গে যোগাযোগ আছে। তবে স্কোয়াডে সবাইকে জায়গা দেওয়া যায় না। যারা সুযোগ পায় না তাদের আমরা কারণ জানিয়ে দিই কেন তারা নেই। এটা আমাদের দায়িত্ব।’

পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) লাহোর কালান্দার্সের হয়ে ভালো শুরুর পরই দুঃসংবাদ। কাঁধের চোটে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছেন পারভেজ হোসেন ইমন। ফ্র্যাঞ্চাইজিটি জানিয়েছে, বাংলাদেশের এই তরুণ ব্যাটারকে স্কোয়াড থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, শিগগিরই তাঁর পরিবর্তে নতুন খেলোয়াড়ের নাম ঘোষণা করা হবে।
গত ৩ এপ্রিল গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে মুলতান সুলতানসের বিপক্ষে ম্যাচে ফিল্ডিংয়ের সময় আসিফ আলির সঙ্গে সংঘর্ষে চোট পান ইমন। পরবর্তীতে এমআরআই পরীক্ষায় তার কাঁধের লিগামেন্টে ছেঁড়া ধরা পড়ে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী আগামী কয়েক সপ্তাহ বিশ্রাম ও পুনর্বাসনের মধ্যে থাকতে হবে তাঁকে।
চোটের কারণে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ৯ এপ্রিল ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের বিপক্ষে ম্যাচেও খেলেননি ইমন। তাঁর শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে শেষ পর্যন্ত তাঁকে স্কোয়াড থেকে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয় লাহোর কালান্দার্স কর্তৃপক্ষ।
তবে স্বল্প সময়ের উপস্থিতিতেই নজর কাড়েন ইমন। তিন ম্যাচে ১৬১.৩৬ স্ট্রাইক রেটে ৭১ রান করেছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। এর মধ্যে মুলতান সুলতানসের বিপক্ষে ১৯ বলে ৪৫ রানের একটি ঝোড়ো ইনিংস খেলেছিলেন। সেই ইনিংসে ছিল ৫টি ছক্কা। আজ পেশোয়ার জালমির বিপক্ষে দলের ম্যাচ শেষে দেশে ফেরার কথা রয়েছে ইমনের।

পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) বিতর্ক যেন থামছেই না। একের পর এক ঘটনা আলোচনায়। সবশেষ নাটকীয়তা দেখা গেল কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটরস ও রাওয়ালপিন্ডি দলের ম্যাচে। করাচি ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে এই ম্যাচে বোলারের অ্যাকশনে বারবার থেমে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে বল খেলতে অস্বীকৃতি জানান ব্যাটার ড্যারিল মিচেল। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে হস্তক্ষেপ করতে হয় আম্পায়ারদের।
ঘটনাটি ঘটে রাওয়ালপিন্ডির ইনিংসের নবম ওভারে। সে সময় বোলিংয়ে ছিলেন স্পিনার উসমান তারিক। নিজের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে বল করতে এসে ডেলিভারির ঠিক আগে হঠাৎ থেমে যাচ্ছিলেন তিনি। এতে বিভ্রান্ত ও বিরক্ত হন মিচেল। তিনি দুইবার স্টাম্প ছেড়ে সরে দাঁড়ান এবং স্পষ্ট করে জানান, এই অবস্থায় তিনি বল মোকাবিলা করতে প্রস্তুত নন।
মাঠে উপস্থিত আম্পায়াররা তখন এগিয়ে এসে মিচেলকে পরিস্থিতি বুঝিয়ে বলেন। ধারাভাষ্যকার রমিজ রাজাও এ সময় অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি মন্তব্য করেন, ‘সে কি তার অ্যাকশন থেকে সরে আসতে পারে? বিষয়টি আম্পায়ারদেরই ঠিক করতে হবে। তবে মিচেলকেও প্রস্তুত থাকতে হবে।’
আরও পড়ুন
| টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে এক ম্যাচের সিরিজ |
|
উসমান তারিকের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে বিতর্ক অবশ্য নতুন নয়। এর আগেও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় তার এই থেমে যাওয়ার প্রবণতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। অনেকেই তার অ্যাকশন বৈধ কি না, তা নিয়ে আলোচনা করেন। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা তাকে দুবার পরীক্ষা করে বৈধ ঘোষণা করেছে।
ভারতের সাবেক স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন এই ব্যাপারে ভিন্ন মত দিয়েছেন। তাঁর মতে, তারিকের অ্যাকশনে কোনো সমস্যা নেই। বরং ব্যাটাররা চাইলে খেলার নিয়ম মেনে এমন পরিস্থিতিতে সরে দাঁড়াতে পারেন। বিভ্রান্ত হলে বল মোকাবিলা না করার অধিকার তাদের রয়েছে বলেও জানান তিনি।
ম্যাচের ফলাফলেও শেষ পর্যন্ত এগিয়ে থাকে কোয়েটা। আগে ব্যাট করে তারা ৬ উইকেটে ১৮২ তোলে। জবাবে রাওয়ালপিন্ডি দল একুশ রানের আগেই গুটিয়ে যায়। উসমান তারিক ৪ ওভারে ৪ ২৩ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। সৌদ শাকিল ও জাহানদাদ খান দুটি করে উইকেট শিকার করেন।

গত কয়েক সিরিজের মতো নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজেও অনলাইনে বিক্রি করা হবে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচের টিকিট। সর্বনিম্ন ২০০ টাকা খরচ করে মাঠে বসে খেলা দেখতে পারবেন দর্শকরা।
আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে শনিবার কিউইদের বিপক্ষে সিরিজের টিকিটের বিস্তারিত তথ্য জানিয়েছে বিসিবি। এদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে অনলাইনে কেনা যাবে টিকিট।
মিরপুরে আগামী ১৭ এপ্রিল শুরু হবে ওয়ানডে সিরিজ। শনিবার সন্ধ্যা থেকে বিসিবির টিকিটিং ওয়েবসাইট (www.gobcbticket.com.bd) থেকে কিনতে হবে টিকিট।
মিরপুরে ইস্টার্ন গ্যালারির টিকিটের মূল্য সর্বনিম্ন ২০০ টাকা। এছাড়া নর্দার্ন গ্যালারি ও শহীদ আবু সাঈদ স্ট্যান্ড ৪০০ টাকা, শহীদ জুয়েল ও শহীদ মুশতাক স্ট্যান্ড ৬০০ টাকা, ইন্টারন্যাশনাল গ্যালারি ও লাউঞ্জ ১৫০০ টালা ও গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডের টিকিটের মূল্য ২৫০০ টাকা।
চট্টগ্রামেও আছে নিউ জিল্যান্ড সিরিজের খেলা। ওই মাঠেও ইস্টার্ন গ্যালারির টিকিট ২০০ টাকা। এছাড়া ওয়েস্টার্ন গ্যালারি ৩০০ টাকা, শহীদ আবু সাঈদ স্ট্যান্ড ৬০০ টাকা এবং গ্যান্ড স্ট্যান্ড ও রুফ টপ গ্যালারির টিকিটের মূল্য ২৫০০ টাকা।