
রবিবার থেকে শুরু ভারত-অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে সিরিজ। সফরে দলে জায়গা পাননি ভারতের অভিজ্ঞ পেসার মোহাম্মদ শামি। ফিটনেস ঘাটতির কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজেও ছিলেন না তিনি। তবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শামিকে বাদ দেওয়ার কারণ স্পষ্ট করেননি প্রধান নির্বাচক আজিত আগারকার। সম্প্রতি এই দুজনের মন্তব্যে মতভেদের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
সবশেষ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে ভারতের জার্সিতে মাঠে নামেন শামি। এরপর আইপিএল ২০২৫ মৌসুমে নয়টি ম্যাচ খেলার পর চোটের কারণে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যান তিনি। পুনর্বাসনের পর দুলীপ ট্রফিতে ইস্ট জোনের হয়ে খেলেন। অনেকেই ধারণা করেছিলেন, অস্ট্রেলিয়া সিরিজে ফিরবেন শামি। শেষ পর্যন্ত তা হয়নি।
আরও পড়ুন
| ঘরের মাঠে প্রিয় ফরম্যাটে ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই |
|
দলে না থাকা প্রসঙ্গে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে শামি বলেন,'দল নির্বাচন আমার হাতে নেই। যদি ফিটনেস সমস্যা থাকত, তাহলে আমি বেঙ্গলের হয়ে খেলতে পারতাম না। আমি মনে করি, এ নিয়ে অযথা বিতর্কের প্রয়োজন নেই। আমি যদি চার দিনের ম্যাচ খেলতে পারি, তাহলে ৫০ ওভারের ক্রিকেটও খেলতে পারি।'
শামির মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এনডিটিভি ওয়ার্ল্ড সামিটে প্রধান নির্বাচক আগারকার বলেন, 'যদি সে এটা আমাকে সরাসরি বলে, আমি উত্তর দেব। গত কয়েক মাসে ওর সঙ্গে একাধিকবার কথা হয়েছে। সে যদি পুরোপুরি ফিট থাকত, তাহলে ইংল্যান্ড সফরে যেত। আমরা ওকে অস্ট্রেলিয়া সফরে নিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু সে ফিট ছিল না। আগামী দুই মাসে যদি ফিট হয়ে যায়, তাহলে পরিস্থিতি বদলাতে পারে।'
অস্ট্রেলিয়া সফরের ওয়ানডে দল ঘোষণার সময় আগারকার জানিয়েছিলেন, শামির ফিটনেস নিয়ে তাঁর কাছে কোনো আপডেট নেই। এর জবাবে শামি বলেন,'আপডেট দেওয়া বা নেওয়া আমার দায়িত্ব নয়। আমার কাজ হলো এনসিএতে গিয়ে প্রস্তুতি নেওয়া ও ম্যাচ খেলা, ফিটনেসের আপডেট দেওয়া আমার কাজ নয়।'
No posts available.
২২ এপ্রিল ২০২৬, ২:৫৯ পিএম
২২ এপ্রিল ২০২৬, ২:৩০ পিএম

গতিময় বোলিংয়ে নিউ জিল্যান্ডের ব্যাটারদের কাঁপিয়ে আইসিসির কাছ থেকেও সুখবর পেলেন নাহিদ রানা। বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ দিলেন বাংলাদেশের তরুণ পেসার। একইসঙ্গে উন্নতির খবর পেলেন তানজিদ হাসান তামিম, তাওহিদ হৃদয়, রিশাদ হোসেনরাও।
যথারীতি বুধবার দুপুরে পুরুষ ক্রিকেটের র্যাঙ্কিংয়ের হালনাগাদ প্রকাশ করেছে আইসিসি।
মিরপুরে গত সোমবার সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মাত্র ৩২ রানে ৫ উইকেট নিয়ে বোলিং র্যাঙ্কিংয়ে ৩২ ধাপ এগিয়েছেন নাহিদ। বর্তমানে ক্যারিয়ার সেরা ৪৪৭ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে ৬৪ নম্বরে অবস্থান করছেন ২৩ বছর বয়সী পেসার।
আরও পড়ুন
| ম্যাচ জিতে শাস্তির খবর পেল বাংলাদেশ |
|
এছাড়া ১০ ধাপ এগিয়ে ৫৮ নম্বরে আছেন লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। প্রায় ১৬ মাস পর ওয়ানডে খেলে আবার র্যাঙ্কিংয়ে ফিরেছেন বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলাম। তার বর্তমান অবস্থান ৩৯তম।
চোটের কারণে প্রথম দুই ম্যাচ না খেলায় ধাক্কা লেগেছে মোস্তাফিজুর রহমানের র্যাঙ্কিংয়ে। বাঁহাতি এই পেসার ৭ ধাপ পিছিয়ে নেমে গেছেন ৫৫ নম্বরে। এছাড়া মেহেদী হাসান মিরাজ এখন ২ ধাপ পিছিয়ে নেমে গেছেন ৮ নম্বরে।
নাহিদের ৫ উইকেটের ম্যাচে ৭৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ে ১৪ ধাপ এগিয়েছেন তামিম। ক্যারিয়ার সেরা ৫৩৩ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে ৪০ নম্বরে আছেন বাঁহাতি এই ওপেনার।
এছাড়া ৫ ধাপ এগিয়ে ২৬ নম্বরে আছেন তাওহিদ হৃদয়। বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে তিনিই সবার ওপরে। আর ১ ধাপ এগিয়ে এখন ৪৩ নম্বরে নাজমুল হোসেন শান্ত।

প্রথম ম্যাচের ব্যাটারদের ব্যর্থতা ভুলিয়ে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে দুর্দান্ত জয় এনে দিয়েছেন নাহিদ রানা। তবে এখনও শেষ হয়নি কাজ। ট্রফি নিজেদের ঘরে রাখতে জিততে হবে শেষ ম্যাচ। যা কিনা বাংলাদেশের জন্য হতে পারে দুঃসাধ্য সাধন করার মতোই কাজ।
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লা. লে মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় শুরু হবে বাংলাদেশ ও নিউ জিল্যান্ডের তৃতীয় ওয়ানডে। মিরপুরে দুই দলই জিতেছে ১টি করে ম্যাচ। শেষ ম্যাচটি এখন তাই সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ।
ওয়ানডে ক্রিকেটে তিন ম্যাচ সিরিজে এখন পর্যন্ত স্রেফ দুইবার প্রথম ম্যাচ হেরেও সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। ২০০৯ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথমবার। এর ছয় বছর পর আবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে শেষ দুই ম্যাচ জিতে ট্রফি নিজেদের কাছে রেখেছিল তারা।
মাঝের ১১ বছরে আরও তিনবার সিরিজের প্রথম ম্যাচ হারের পরও দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু শেষ ম্যাচ জিততে পারেনি তারা। তাই আশা জাগিয়েও ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প লিখতে পারেনি বাংলাদেশ।
এর প্রথমটি ছিল ২০১৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে সমতা ফেরালেও শেষ ম্যাচ হেরে যায় সেবার। একই দশা হয় ২০২৪ সালে আফগানিস্তান ও গত বছর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেও। যেখানে শেষ ম্যাচ হেরে সিরিজের ট্রফি হাতছাড়া করে বাংলাদেশ।
আরও পড়ুন
| ম্যাচ জিতে শাস্তির খবর পেল বাংলাদেশ |
|
সব মিলিয়ে ৮টি সিরিজে প্রথম দুই ম্যাচ শেষে ১-১ অবস্থা থেকে শেষ পর্যন্ত সিরিজ জিততে ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ। বিপরীতে ১-১ অবস্থা থেকে বাংলাদেশ জিতেছে মোট ৯টি সিরিজ। তবে এর মধ্যে সাতটিতে আবার প্রথম ম্যাচ জিতে লিড নিয়েছিল বাংলাদেশ।
চলতি নিউ জিল্যান্ড সিরিজের আগে শুধু ২০০৯ সালে জিম্বাবুয়ে ও ২০১৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে সিরিজেই প্রথম ম্যাচ হেরে যাওয়ার পরও বাকি দুই ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প লিখেছিল বাংলাদেশ। প্রায় ১১ বছর পর আবার সেই স্মৃতি ফেরানোর চ্যালেঞ্জ।
শেষ ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের পেস বোলিং কোচ শন টেইট বললেন, দ্বিতীয় ওয়ানডে জেতার আত্মবিশ্বাস থেকে সিরিজ জিততে চান তারা।
“সিরিজ জেতার চাপ সব সময়ই থাকে। কারও কাছে চাপ যেমনই মনে হোক না কেন, এই পর্যায়ে এসে আপনাকে সিরিজ জিততেই হবে, বিশেষ করে আমরা যেভাবে শেষ ম্যাচটা জিতে নিজেদের একটা ভালো অবস্থানে এনেছি। আশা করছি, কালকের ম্যাচটাও জিতব।”
“আজকে তাদের (ক্রিকেটারদের) বেশ স্বস্তিতে মনে হয়েছে। আমরা গতকাল এখানে এসেছি ও তাদের দেখে আমার কাছে বেশ স্বচ্ছন্দই লেগেছে। প্রতিটি জয় থেকেই কিছুটা আত্মবিশ্বাস আসে, আর সেই আত্মবিশ্বাস থেকেই জয়ের প্রত্যাশা তৈরি হয়। এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।”

নাহিদ রানার আগুনে বোলিংয়ে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে চলতি সিরিজে সমতা ফেরালেও, ম্যাচ শেষে দুঃসংবাদই পেল বাংলাদেশ দল। স্লো ওভাররেটের কারণে ম্যাচ ফির ১০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে পুরো দলকে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ম্যাচ শেষ হওয়ার প্রায় ৪২ ঘণ্টা পর শাস্তির খবর জানিয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্তা সংস্থা আইসিসি।
মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সোমবারের ম্যাচে মাত্র ৪৮.৪ ওভারে নিউ জিল্যান্ডকে ১৯৮ রানে গুটিয়ে দেয় বাংলাদেশ। কিন্তু এই ওভার করতে তাদের লেগে যায় প্রায় ৪ ঘণ্টা ২০ মিনিট।
ম্যাচ চলাকালেই ৪৬ ওভারের পর স্লো ওভার রেটের পেনাল্টি দেওয়া হয় বাংলাদেশকে। যে কারণে বাকি সময় বৃত্তের ভেতরে একজন ফিল্ডার বেশি রাখতে হয় তাদের।
ম্যাচ শেষে যাবতীয় হিসেব-নিকেশে জানা যায়, নির্ধারিত সময়ের চেয়ে ২ ওভার পিছিয়ে ছিল বাংলাদেশ। তাই নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি ওভারের জন্য ৫ শতাংশ করে মোত ১০ শতাংশ জরিমানা করা হয় অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজসহ দলের সব ক্রিকেটারকে।
মিরাজ নিজের দায় স্বীকার করে নেওয়ায় কোনো আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন পড়েনি।
মাঠের দুই আম্পায়ার রিচার্ড ইলিংওয়ার্থ ও গাজী সোহেল, টিভি আম্পায়ার নিতিন মেনন ও চতুর্থ আম্পায়ার মাসুদুর রহমান মুকুলের অভিযোগের ভিত্তিতে শাস্তি নির্ধারণ করেন ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফট।

টানা ৭ উইকেট নিয়ে তখন উড়ছেন জেডেন সিলস। অষ্টম উইকেটের খোঁজে তিনি করলেন শর্ট অব লেংথ ডেলিভারি। তীক্ষ্ণ সুইং করে বল আঘাত করল জেরেমি লুইসের হেলমেটে। সঙ্গে সঙ্গে লুটিয়ে পড়লেন লেজের সারির ব্যাটার। উঠে দাঁড়িয়ে রাগে-ক্ষোভে হেলমেটে লাথি মারলেন তিনি।
এরপর আর খেলাই হয়নি। ম্যাচে তখনও বাকি প্রায় দেড় ইনিংস। তবে পিচের এমন ব্যবহারের কারণে আর খেলা চালিয়ে নিতে দেননি আম্পায়াররা। অমীমাংসিত অবস্থায় শেষ করা হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ চ্যাম্পিয়নশিপে লেওয়ার্ড আইল্যান্ডস ও ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগোর মধ্যকার ম্যাচ।
বিপজ্জনক পিচের কারণে খেলা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব না হওয়ায় ম্যাচটি ড্র ঘোষণা করে ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ (সিডব্লিউআই)। দুই দলই মেনে নেয় এই সিদ্ধাত।
অ্যান্টিগার স্যার ভিভ রিচার্ডস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটির তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনেই খেলা বন্ধ হয়ে যায়। পিচে হঠাৎ অস্বাভাবিক ও অনিয়মিত বাউন্স দেখা দেওয়ায় খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়।
আরও পড়ুন
| নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টির দলে সাকলাইন ও রিপন |
|
এই সময় ব্যাটিং করতে গিয়ে বলের আঘাতে আহত হন লেওয়ার্ড আইল্যান্ডসের জেরেমি লুইস। দ্রুত তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয় ও সম্ভাব্য কনকাশন পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তার অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গেছে।
অন-ফিল্ড আম্পায়াররা পিচকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করলে খেলা বন্ধ করার নিয়ম অনুযায়ী ম্যাচ রেফারির সঙ্গে আলোচনা করা হয়। পরবর্তীতে কিউরেটরের সঙ্গে পরামর্শের পর সিদ্ধান্তে আসা হয়- পিচ মেরামত করা সম্ভব হলেও তা সুষম প্রতিযোগিতার ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে।
ফলে ম্যাচটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয় এবং ড্র হিসেবে গণ্য করা হয়।
চ্যাম্পিয়নশিপের নিয়ম অনুযায়ী, ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত দুই দল যে পয়েন্ট অর্জন করেছে, সেটিই বহাল থাকবে।
ম্যাচের প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৩১ রানে গুটিয়ে যায় লেওয়ার্ড আইল্যান্ড। অ্যান্ডারসন ফিলিপ ৬ ও সিলস নেন ৩ উইকেট। বিপরীতে ত্রিনিদাদ এন্ড টোবাগো করতে পারে মাত্র ১৭৫ রান। কেলভিন পিটম্যান নেন ৬ উইকেট।
আরও পড়ুন
| নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টির দলে সাকলাইন ও রিপন |
|
দ্বিতীয় ইনিংসে সিলসের তোপে পড়ে লেওয়ার্ড। ১৭ ওভারে ৩৪ রানে ৭টি উইকেট নেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই পেসার। মনে হচ্ছিল, একাই ১০ উইকেট নিয়ে নেবেন তিনি। কিন্তু পিচের আচরণে অস্বাভাবিকতা দেখা দেওয়ায় এর আগেই ম্যাচ বাতিল করা হয়।
ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ জানিয়েছে, এই ভেন্যুতে আগামী ১৭ মে অনুষ্ঠিতব্য চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের আগে আর কোনো ম্যাচ নেই। ফাইনালের জন্য নিরাপদ ও প্রতিযোগিতামূলক উইকেট প্রস্তুত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও নিশ্চিত করেছে তারা।

নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম দুই টি-টোয়েন্টির জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিসিবির ঘোষিত এই দলে প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে জায়গা করে নিয়েছেন বোলিং অলরাউন্ডার আব্দুল গাফফার সাকলাইন ও পেসার রিপন মন্ডল। বয়সভিত্তিক এবং ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিকতার পুরস্কার পেলেন দু’জন।
ডেথ ওভারে দুর্দান্ত বোলিংয়ে বেশ সুনাম কুড়িয়েছেন রিপন। ২৩ বছর বয়সী এই ডানহাতি পেসার এর আগে ২০২৩ সালের এশিয়ান গেমসে দেশের হয়ে তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। তবে জাতীয় দলের স্কোয়াডে এটিই তার প্রথম ডাক।
রিপন মন্ডলের জাতীয় দলে অর্ন্তভুক্তি নিয়ে মঙ্গলবার বিসিবির পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান হাবিবুল বাশার বলেছেন,
‘আপনারা দেখেছেন দু’জন নতুন মুখ আমরা অন্তর্ভুক্ত করেছি—রিপন মন্ডল এবং আব্দুল গাফফার সাকলাইন। রিপন মন্ডল খুব ভালো করছিলেন। আমরা মনে করছি, ডেথ ওভারে এবং শুরুর দিকেও তার উইকেট নেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে। সেটা আমরা ভালোমতো ব্যবহার করতে পারব।’
বোলিং অলরাউন্ডার সাকলাইনকে দলে নেওয়ার ব্যাপারেও কথা বলেছেন জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক। তিনি বলেছেন,
‘আমরা একটা বোলিং অলরাউন্ডার খুঁজছি। আব্দুল গাফফার সাকলাইন হয়তো সেই অপশনটা হতে পারেন। সেই চিন্তাভাবনা থেকেই তাকে দলে নেওয়া। আশা করছি তিনি আমাদের ভবিষ্যতের জন্য সেই বোলিং অলরাউন্ডারের যে জায়গাটা সেটা পূরণ করতে পারবেন। তিনি সম্প্রতি ভালো ফর্মে আছেন। আশা করি তার সেই ফর্মটা আমরা কাজে লাগাতে পারব।’
ওয়ানডে সিরিজ ১-১ সমতায়। আগামী বৃহস্পতিবার সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ চট্টগ্রামে। এরপরই টি-টোয়েন্টি মিশন। কুড়ি কুড়ির ফরম্যাটে সুবিধাজনক স্থানে কিউইরা। ২০ মুখোমুখিতে ১৫ বার জয় তাদের পক্ষে নিয়েছে। তারপরও বাশারের বিশ্বাস, দেশের এই টি-টোয়েন্টি দল সিরিজে ভালো ফল উপহার দিবে।
তিনি বলেন,
‘ব্যাটিংয়ে আগে যারা ছিলেন তারা সবাই আছেন। সেখানে আমরা ততটা পরিবর্তন করিনি। আশা করছি, আমাদের এই দলটা এবার টি-টোয়েন্টি সিরিজটা ভালো করবে।’
প্রথম ও দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টির বাংলাদেশ স্কোয়াড:
লিটন দাস (অধিনায়ক), পারভেজ হোসেন, তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান (সহ-অধিনায়ক), শামীম হোসেন, তাওহিদ হৃদয়, নুরুল হাসান, মেহেদী হাসান, নাসুম আহমেদ, রিশাদ হোসেন, শরীফুল ইসলাম, তানজিম হাসান, রিপন মন্ডল, সাইফউদ্দিন ও আব্দুল গাফফার সাকলাইন।