
টুর্নামেন্টের মাঝপথে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হারাল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। কাঁধের আঘাতের কারণে আইপিএলের বাকী অংশ থেকে ছিটকে গেছেন লেগ স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা।
জাম্পা টুর্নামেন্টের প্রথম দুটি ম্যাচে ইমপ্যাক্ট সাব হিসাবে খেলেছিলেন। দুটিতেই ছিলেন ব্যয়বহুল (১/৪৮ ও ১/৪৬)।
এরপর থেকে তিনি কাঁধে ব্যথা অনুভব করছিলেন। এজন্য মিস করেন পরের চারটি ম্যাচ। শেষ পর্যন্ত চিকিৎসার জন্য অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে যেতে বাধ্য হলেন।
সম্ভাবনা ছিল জাম্পার চোট থেকে সেরে আইপিএলের শেষ ভাগে ফেরার। তবে সেদিকে আর যায়নি হায়দরাবাদ। অজি স্পিনারের জায়গায় তারা বদলি হিসেবে স্কোয়াডে নিয়েছে ২১ বছর বয়সী কর্ণাটকের ব্যাটার আর স্মারানকে।
ছয় ম্যাচ শেষে জাম্পার দলের জয় মাত্র দুটি। পয়েন্ট টেবিলে অবস্থান নবম।
আইপিএলের পরের অংশে ফেরার সম্ভাবনা না থাকায় বেশ লম্বা সময়ই মাঠের বাইরে থাকতে হবে জাম্পাকে। আগামী জুলাইয়ের শেষের দিকে ক্যারিবিয়ান সফর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার টি -টোয়েন্টি সিরিজের আগ পর্যন্ত তার আর খেলার সম্ভাবনা নেই।
No posts available.
৭ মে ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
৭ মে ২০২৬, ৭:০৮ পিএম

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুক্রবার সিরিজের প্রথম টেস্টে বাংলাদেশের মুখোমুখি হবে পাকিস্তান। এই ম্যাচের কয়েক ঘণ্টা আগে অতিথি দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাঁ-হাঁটুর চোটের কারণে নাজমুল হোসেন শান্তদের বিপক্ষে খেলতে পারবেন না বাবর আজম।
বৃহস্পতিবার রাতে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। দলের সঙ্গে থাকা মেডিকেল প্যানেল অভিজ্ঞ ব্যাটারের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে রেখেছেন।
৩ মে বাবর আজম ও খুররম শাহজাদকে ছাড়াই বাংলাদেশে পৌঁছে শান মাসুদ নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান টেস্ট দল। ওই দিন লাহোরে পাকিস্তান সুপার (পিএসএল) লিগের ফাইনাল ছিল এই দুই ক্রিকেটারের। শিরোপা উৎসব শেষে সোমবার (পরের দিন) দিবাগত রাত ১টায় বাংলাদেশে এসে পৌঁছান বাবর।
সদ্য শেষ হওয়া পিএসএলে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন বাবর। ১১ ইনিংসে দুই সেঞ্চুরি ও তিন অর্ধশতকে ৫৮৮ রান করেছেন তিনি। খুররম পেশোয়ারের হয়ে দুই ম্যাচ খেলার সুযোগ পান।
দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষটি ১৬ মে। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচটি। এই টেস্ট সিরিজ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ২০২৫-২৭ চক্রের অংশ।
এখন পর্যন্ত টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চতুর্থ চক্রে দু’টি করে ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। একটি করে হার ও ড্র’তে ১৬.৬৭ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের অষ্টম স্থানে বাংলাদেশ। একটি করে জয়-হারে ৫০ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের পঞ্চম স্থানে পাকিস্তান।
পাকিস্তান টেস্ট দল : শান মাসুদ (অধিনায়ক), আবদুল্লাহ ফজল, আমাদ বাট, আজান আওয়াইস, হাসান আলী, ইমাম-উল-হক, খুররম শেহজাদ, মোহাম্মদ আব্বাস, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটরক্ষক), মুহাম্মদ গাজী ঘোরি (উইকেটরক্ষক), নোমান আলী, সাজিদ খান, সালমান আলী, সৌদ শাকিল ও শাহিন শাহ আফ্রিদি।

১০ ছক্কায় বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে আবাহনী লিমিটেডকে বড় সংগ্রহ এনে দিলেন অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। পরে বল হাতেও নিলেন ৩ উইকেট। তবু দলকে জেতাতে পারলেন না তিনি। কারণ শেষ দিকে ব্যাট হাতে ঝড় তুলে সিটি ক্লাবকে জেতালেন আব্দুল গাফফার সাকলাইন।
ঘরোয়া ক্রিকেটে পেস বোলিং অলরাউন্ডার হিসেবে নিজের সামর্থ্য দেখিয়ে সম্প্রতি টি-টোয়েন্টি দলে ডাক পেয়েছিলেন সাকলাইন। এবার ঢাকা প্রিমিয়ার লিগেও সেটির ছাপ রাখলেন এই পেস বোলিং অলরাউন্ডার।
ক্রিকেটার্স একাডেমি মাঠে বৃহস্পতিবার বৃষ্টিতে ২৭ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে আবাহনীকে ২ উইকেটে হারিয়েছে সিটি ক্লাব। আগে ব্যাটে মোসাদ্দেকের সেঞ্চুরিতে ২০৯ রান করে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আবাহনী। জবাবে ২৫.৪ ওভারে জিতে যায় সিটি ক্লাব।
এ নিয়ে পরপর দুই ম্যাচই হারল আবাহনী। শিরোপা ধরে রাখার মিশনে তাদের জন্য বড় ধাক্কাই বটে।
২৭ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে শুরুতে আবাহনীর হয়ে ঝড় তোলেন জিসান আলম। ৫ চার ও ২ ছক্কায় ৪৪ বলে ৫৪ রান করেন তরুণ ওপেনার।
পরে ৫ নম্বরে নেমে তাণ্ডব চালান মোসাদ্দেক। ৬ চারের সঙ্গে ১০টি ছক্কা মেরে ৪৯ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন আবাহনী অধিনায়ক। লিস্ট 'এ' ক্রিকেটে বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে এটিই দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড।
এর আগে ২০২৩ সালের বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে (বিসিএল) হাবিবুর রহমান সোহানও ৪৯ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন। এছাড়া ২০১৬ সালে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে মাশরাফি বিন মুর্তজা সেঞ্চুরি করেছিলেন ৫০ বলে।
সিটি ক্লাবের পক্ষে ৬ ওভারে ২ মেডেনসহ ৩৪ রানে ৩ উইকেট নেন নিহাদউজ্জামান।
রান তাড়ায় নিয়মিত উইকেট হারায় সিটি ক্লাব। তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন মেহেদী মারুফ। ১৯তম ওভারে তিনিও ধরেন ড্রেসিং রুমের পথ। এর আগে খেলেন ৮ চার ও ৩ ছক্কায় ৫৬ বলে ৭১ রানের ইনিংস।
পরে ১৫৮ রানের মাথায় ৭ উইকেট হারিয়ে ফেললে পরাজয়ের শঙ্কায় পড়ে সিটি ক্লাব। তখনও তাদের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৩৭ বলে ৫২ রান। হাতে ছিল মাত্র ৩ উইকেট।
সেখান থেকে মাত্র ২৪ বলে ৪৮ রানের বিধ্বংসী জুটি গড়েন গাজী তাহজিবুল ইসলাম, আব্দুল গাফফার সাকলাইন। এই জুটিতেই ম্যাচ চলে আসে হাতের মুঠোয়। ১ চার ও ৩ ছক্কায় মাত্র ১১ বলে ২৫ রান করে ফেরেন সাকলাইন। ৩টি করে চার-ছক্কায় ২৮ বলে ৪০ রানে অপরাজিত থাকেন তাহজিবুল।
বিধ্বংসী সেঞ্চুরির পর বল হাতে ৪৭ রানে ৩ উইকেট নেন মোসাদ্দেক। কিন্তু পরাজিত দলেই থাকতে হয় তাকে।
দিনের অন্য ম্যাচে ঢাকা লেপার্ডসকে ৩১ রানে হারিয়েছে অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব। ইমরুল কায়েস ৬০ বলে ৬৪ ও জাহিদ জাভেদ ৮৫ বলে ৬৬ রান করলে ২৪৬ রানের পুঁজি পায় তারা। জবাবে ২১৫ রানের বেশি করতে পারেনি লেপার্ডস।
এছাড়া আরেক ম্যাচে গুলশান ক্রিকেট ক্লাবকে ৩২ রানে হারিয়েছে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব। ৩৬ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে ৯ উইকেটে ২০০ রান করে তারা। ৬৬ বলে ৭৫ রানের ইনিংস খেলেন শাহাদাত হোসেন দীপু। জবাবে ১৬৮ রানের বেশি করতে পারেনি গুলশান। ৫৭ বলে ৬৭ রান করেন মইনুল ইসলাম তন্ময়।

বিপিএলে দুর্নীতি, ফিক্সিং ও তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগে ১ জন ঘরোয়া ক্রিকেটার ও ৪ জন দলীয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিসিবির দুর্নীতি দমন ইউনিটের (বিসিবিআইইউ) তদন্তের পর তাদের বিরুদ্ধে আইসিসির অ্যান্টি করাপশন কোডের বিভিন্ন ধারা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিসিবির দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিপিএলের দ্বাদশ আসরকে কেন্দ্র করে সন্দেহজনক বেটিং কার্যক্রম, দুর্নীতির প্রস্তাব, তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং তথ্য গোপন বা নষ্ট করার অভিযোগের তদন্ত চালানো হয়।
পরে ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। পঞ্চম ব্যক্তিকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে আছেন টিম ম্যানেজার মো. লাবলুর রহমান ও রেজওয়ান কবির সিদ্দিক, ফ্র্যাঞ্চাইজির সহ-মালিক মো. তৌহিদুল হক তৌহিদ ও ঘরোয়া ক্রিকেটার অমিত মজুমদার।
মো. লাবলুর রহমান ও তৌহিদুল হকের বিরুদ্ধে ২.৪.৬ ও ২.৪.৭ অনুচ্ছেদে তদন্তে সহযোগিতা না করা, বিসিবির দুর্নীতি দমন কর্মকর্তার নোটিশের জবাব না দেওয়া এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য বা যোগাযোগ গোপন কিংবা মুছে ফেলার অভিযোগ আনা হয়েছে।
অন্য দিকে অমিত মজুমদার ও রেজওয়ান কবির সিদ্দিকের বিরুদ্ধে ২.২.১ অনুচ্ছেদে ক্রিকেট ম্যাচের ফল, অগ্রগতি বা অন্য কোনো বিষয়ে বাজিতে অংশ নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে বিসিবি। অভিযোগপত্র পাওয়ার পর তাদের জবাব দেওয়ার জন্য ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আপাতত আর কোনো মন্তব্য করবে না বলেও জানিয়েছে বিসিবি।
এছাড়া একাধিক বিপিএল আসরে দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সামিনুর রহমানের বিরুদ্ধে ‘এক্সক্লুশন অর্ডার’ জারি করেছে বিসিবি। তার বিরুদ্ধে বেটিংসংশ্লিষ্ট কার্যক্রম, ক্রিকেটার ও এজেন্টদের কাছে দুর্নীতির প্রস্তাব দেওয়া ও দেশি-বিদেশি বেটিং চক্রের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বিপিএলের নবম, দশম ও একাদশ আসর ঘিরে এসব অভিযোগের তদন্ত হয়েছে। নোটিশ পাওয়ার পর সামিনুর রহমান আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না নিয়ে নিষেধাজ্ঞা মেনে নিয়েছেন।

শিরোপা পুনরুদ্ধার মিশনে সহজেই একটার পর একটা হার্ডল পাড়ি দিচ্ছে ঢাকা মোহামেডান। প্রথম ম্যাচে নবাগত সিটি ক্লাবের বিপক্ষে ৫ উইকেটে জয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচে ব্রাদার্স ইউনিয়নের বিপক্ষেও একই ব্যবধানে জিতেছে মোহামেডান। চার স্পিনারের ( নাইম আহমেদ ২/২৮, তাইবুর ২/২২, তানভির ১/৪০, আফিফ ১/১১) বোলিংয়ে কম বাজেটের দল ব্রাদার্স ইউনিয়নকে ২০৯/১০-এ আটকে ফেলে ১১ বল হাতে রেখে ৫ উইকেটে জিতেছে মোহামেডান।
টসে হেরে ফিল্ডিংয়ে নেমে ব্রাদার্স ইউনিয়নকে বড় চাপে ফেলতে পারেনি মোহামেডান। ৭ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে সোহাগ গাজী তুলেছিলেন ব্যাটে ঝড় (৩৫ বলে ৪ চার, ৩ ছক্কায় ৫০)। ৭ম উইকেট জুটিতে সোহাগ গাজী-শরিফুলের ৪৩ বলে ৫১ রানে ব্রাদার্স ইউনিয়ন ২০৯/১০ স্কোরে মোহামেডানকে ভালই চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিল। মোহামেডানের পেস বোলার রিপন মণ্ডল প্রথম স্পেলে (৫-১-৩৫-০) উইকেটহীন কাটালেও শেষ স্পেলে (৪-০-৩২-২) পেয়েছেন ২ উইকেট।
২১০ রানের চ্যালেঞ্জে শুরুতে শঙ্কার আলামত ছিল মোহামেডানের ইনিংসে। স্কোরশিটে ৫০ উঠতে ৩ ব্যাটার (নাঈম শেখ, বিজয়, পারভেজ ইমন) ফিরে গেলেও মোহামেডানকে দুর্ভাবনায় পড়তে দেননি হৃদয়-তাইবুর পারভেজ। চতুর্থ উইকেট জুটিতে তাইবুর রহমানকে নিয়ে ১৪৬ বলে ১২৭ রানের পার্টনারশিপে মোহামেডানের বড় জয়ের পথ সুগম করেছেন।
নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বশেষ ওডিআই এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজে কি দুর্দান্ত ফর্মেই না ছিলেন তাওহিদ হৃদয়। ৫ ইনিংসে অনেকটাই অপ্রতিরোধ্য ছিলেন। একবার মাত্র আউট হয়েছেন। ফর্মের ধারাবাহিকতা নিয়ে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগেও স্বরূপে হাজির আসরের সবচেয়ে দামি এই ক্রিকেটার। অর্ধ কোটি টাকায় বিক্রি হওয়া তাওহিদ হৃদয় লিগের প্রথম ম্যাচে সিটি ক্লাবের বিপক্ষে ৩৪-এ থেমে গেলেও দ্বিতীয় ম্যাচে খেলেছেন বড় ইনিংস। বসুন্ধরা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত কার্টেল ওভারের ম্যাচে যেভাবে হিসেব করে ব্যাটিং করেছেন, তাতে সেঞ্চুরির সম্ভাবনা ছিল তাঁর। তবে ৩৫তম ওভারে ব্রাদার্স ইউনিয়নের অফ স্পিনার সোহাগ গাজীকে লফটেড শট নিতে যেয়ে লং অনে ক্যাচ দিয়ে থেমেছেন সেঞ্চুরির ১৮ রান আগে (৮৫ বলে ৭ বাউন্ডারিতে ৮২ রান)।তাঁর ব্যাটিং পার্টনার তাইবুর রহমান ফিনিশার হতে পারেননি। ব্রাদার্স ইউনিয়ন পেসার ইয়াসিন আরাফাত মিশুর বলে বোল্ড হয়ে থেমেছেন (১০০ বলে ৫ চার, ১ ছক্কায় ৭৪)।
এই ম্যাচে অলরাউন্ড পারফরমেন্সে লড়াইটা ভালই জমিয়ে দিয়েছেন দুদলের দুই অফ স্পিন অলরাউন্ডার সোহাগ গাজী (৫০ রান এবং ২/৪৩)-তাইবুর পারভেজ (২/২২ ও ৭৪)। তবে ম্যাচ উইনিং পারফরমেন্সের কারণে ম্যাচ সেরার পুরস্কার পেয়েছেন তাইবুর পারভেজ।

ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দল এবং পাঞ্জাবের সাবেক পেসার আমানপ্রীত সিং গিল মাত্র ৩৬ বছর বয়সে চণ্ডীগড়ে মারা গেছেন। গত বুধবার না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেও এখনও তাঁর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যায়নি।
বিরাট কোহলির একসময়ের অনূর্ধ্ব-১৯ সতীর্থ আমানপ্রীত ২০০৬ থেকে ২০০৮ সালের মধ্যে পাঞ্জাবের হয়ে ছয়টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেছিলেন। যেখানে তাঁর শিকার ছিল ১১টি উইকেট। এছাড়া আইপিএলের উদ্বোধনী আসরে পাঞ্জাব কিংস (তৎকালীন কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব) স্কোয়াডের সদস্য ছিলেন তিনি। খেলোয়াড়ি জীবন শেষে পাঞ্জাবের সিনিয়র নির্বাচক কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন আমানপ্রীত।
আমানপ্রীতের প্রয়াণে সামাজিক মাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন বিরাট কোহলি। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর এক আবেগঘন বার্তায় এক্সে লিখেছেন,
‘খবরটা শুনে আমি স্তব্ধ এবং গভীরভাবে ব্যথিত। তার পরিবার ও প্রিয়জনদের প্রতি সমবেদনা এবং এই কঠিন শোক সইবার শক্তি প্রার্থনা করছি। শান্তিতে থেকো।’
আমানপ্রীত সিং গিলের স্মৃতিচারণ করে ভারতের সাবেক তারকা ক্রিকেটার যুবরাজ বলেন, আমানপ্রীতের চলে যাওয়ার খবর শুনে খুব খারাপ লাগছে। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে আমরা ড্রেসিংরুম শেয়ার করেছি; ও খুব শান্ত এবং কঠোর পরিশ্রমী একজন ক্রিকেটার ছিল, যে খেলাটাকে মনেপ্রাণে ভালোবাসত।’
গত বুধবার হায়দ্রাবাদের বিপক্ষে ম্যাচে আমানপ্রীতের প্রতি সম্মান জানিয়ে কালো আর্মব্যান্ড পরে মাঠে নেমেছিলেন পাঞ্জাব কিংসের ক্রিকেটাররা। পাঞ্জাব ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন এক শোক বার্তায় জানিয়েছে,
‘পাঞ্জাব ক্রিকেটের একনিষ্ঠ সেবক আমানপ্রীত সিং গিলের মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। তিনি অত্যন্ত আবেগ ও নিষ্ঠার সঙ্গে পাঞ্জাব ক্রিকেটকে সেবা দিয়ে গেছেন।’
২০০৭ সালের দিকে ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে নিয়মিত খেলেছেন আমানপ্রীত। সেই সময় দলের সঙ্গে ইংল্যান্ড, মালয়েশিয়া এবং শ্রীলঙ্কা সফরও করেছিলেন তিনি। খেলেছেন বয়সভিত্তিক ওয়ানডে ও তিন দিনের ইয়ুথ টেস্ট। যদিও এক বছরের ব্যবধানে বিরাট কোহলির নেতৃত্বে ভারত যখন ২০০৮ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জিতল, সেই বিশ্বকাপজয়ী দলে শেষ পর্যন্ত আমানপ্রীতের জায়গা হয়নি। তবে সেই সময়কার প্রতিভাবান পেসারদের তালিকায় তার নাম ছিল উপরের দিকেই।