
ক্যারিয়ারে পুরো ইউরোপ চষে বেড়িয়েছেন তিনি। ইউরোপের জায়ান্ট সব ক্লাব মাতিয়ে পড়ন্ত বেলায় ফিরেছেন শৈশবের ক্লাব রোসারিও সেন্ট্রালে। এক ক্লাব থেকে অন্য ক্লাব হয়ে শেষে ‘ঘরে’ ফিরে এখনও যেন একই ছন্দেই আছেন আর্জেন্টিনা সাবেক হয়ে যাওয়া তারকা উইঙ্গার ডি মারিয়া।
রোসারিও সেন্টালের সবশেষ ম্যাচের জয়ের নায়ক ডি মারিয়া। আর্জেন্টিনার লিগ ‘লিগা প্রফেশনালে’ ইনস্টিটিউটোরের বিপক্ষে ৩-১ গোলে জয় পাওয়া ম্যাচে একটি গোলের সঙ্গে সহায়তা করেছেন আরেকটি গোলে।
প্রতিপক্ষের মাঠে শুরুতে পিছিয়ে পড়া ম্যাচে প্রথামার্ধ শেষ হয় ১-১ গোলের সমতায়। এরপর বিরতির পর ৬৪ মিনিটে দলকে পেনাল্টি থেকে লিড এনে দেন ডি মারিয়া। আর এই গোলের লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় যৌথভাবে শীর্ষে উঠে এলেন ৩৭ বছর বয়সী বিশ্বকাপজয়ী তারকা। এই সাত গোলের চারটি গোল পেনাল্টি থেকে।
পেনাল্টি থেকে গোল করা বেশ দক্ষই হয়ে উঠেছেন ডি মারিয়া। স্পটকিক থেকে সবশেষ ১৫টি শট নিয়ে সবক’টি জালে পাঠিয়েছেন সাবেক আর্জেন্টাইন উইঙ্গার।
দলকে লিড এনে দেওয়া গোলের মিনিট তিনেক পর ডি মারিয়ার ফ্রি-কিক থেকেই হেডে ব্যবধান ৩-১ করেন ইভান ওভান্ডো। ডি মারিয়ার সঙ্গে দারুণ ছন্দে আছে তাঁর ক্লাবও। ১৪ জয়ে ৩০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে রোসারিও সেন্ট্রাল।
শৈশবের ক্লাবে ফিরে এই ম্যাচেই প্রথম অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পালন করেন ডি মারিয়া। ম্যাচ শেষে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ ও পিএসজির সাবেক তারকা বলেন, ‘তারা আমাকে নেতৃত্বের দায়িত্ব দিতে চেয়েছিল, এবং সেটা করতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি। কিন্তু এটি বড় কোনো ব্যাপার নয়, কারণ এখানে কোনো একক অধিনায়ক বা তারকা নেই। এখানে এমন একটি দল আছে যারা জার্সির জন্য সব উজাড় করে দেয়। এই দল গত মরশুমে তার সব দিয়েছে, এবং এই মরশুমেও আমরা একই পথে এগোতে হবে।’
১৯৯২ সালে মাত্র ৪ বছর বয়সে রোজারিও সেন্ট্রাল একাডেমিতে যোগ দেন ডি মারিয়া। ১৩ বছর ক্লাবটির বয়সভিত্তিক ও যুব দলে খেলার পর ২০০৫ সালে মূল দলে তাঁর অভিষেক হয়। ২০০৭ সাল পর্যন্ত মূল দলের হয়ে ৩৯ ম্যাচ খেলেন, ৬ গোলের পাশাপাশি ২টি অ্যাসিস্ট করেন।
No posts available.
৪ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০৫ এম
৩ এপ্রিল ২০২৬, ১১:২৭ পিএম

সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে গতকাল ভারতকে টাইব্রেকারে হারিয়ে শিরোপা জেতে বাংলাদেশ। সাফজয়ী ফুটবল দল আজ সন্ধ্যা ৬টা ৩৫ মিনিটে বাংলাদেশে পৌঁছাবে।
এ নিয়ে পরপর দুবার অনূর্ধ্ব-২০ সাফের শিরোপা জিতল বাংলাদেশ। এর আগে ২০২৪ সালে নেপালকে ১-০ গোলে হারিয়ে ট্রফি জিতেছিল লাল সবুজের তরুণেরা। শুক্রবার রাতে ভারতের সঙ্গে ফাইনালে টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে জেতে মার্ক কক্সের দল।
মালদ্বীপের মালের ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষে কোনো দলই পায়নি গোলের দেখা। এরপর পেনাল্টিতে কিকে ভারতের প্রথম শট ঠেকিয়ে দেন বাংলাদেশের গোলকিপার ইসমাইল হোসেন মাহিন। পরে বাংলাদেশও একটি শট মিস করলে চার শট শেষে দুই দলের স্কোর ছিল ৩-৩।
শেষ শটে আবারও ভুল করে ভারত। আর বাংলাদেশের হয়ে ফাইনাল শট নিতে এসে কোনো ভুল করেননি রোনান সুলিভান। পানেনকা শটে ভারতের গোলকিপার সুরাজ সিংকে পরাস্ত করেন যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়ন একাডেমিতে খেলা রোনান। প্রতিযোগিতায় সেরা গোলকিপারের পুরস্কার জিতেছেন মাহিন।

বয়স ৪১ হলেও ধার কমেনি ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট কাটিয়ে এক মাস পর মাঠে ফিরেই নিজের জাত চেনালেন পর্তুগিজ মহাতারকা।
শুক্রবার রাতে সৌদি প্রো লিগে আল নাজমার বিপক্ষে জোড়া গোল করে আল নাসরকে ৫-২ ব্যবধানের বিশাল জয় উপহার দিয়েছেন রোনালদো।
এই জয়ের ফলে আল হিলালের চেয়ে ৬ পয়েন্টে এগিয়ে গেল লিগ টেবিলের শীর্ষে থাকা আল নাসর।
আরও পড়ুন
| চ্যাম্পিয়ন দলকে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর আর্থিক পুুরস্কার ঘোষণা |
|
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আল ফায়হার বিপক্ষে ম্যাচে চোট পেয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন রোনালদো। এরপর চিকিৎসার জন্য স্পেনে গিয়ে তিন সপ্তাহের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শেষ করে সৌদিতে ফেরেন তিনি।
ঘরের মাঠ আল আউয়াল পার্কে ম্যাচের ৫৬ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে নেন রোনালদো। এরপর ৭৩ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের চতুর্থ গোল করেন।
এই জোড়া গোলের পর রোনালদোর ক্যারিয়ার গোল সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৬৭ তে। ফুটবল ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ১০০০ গোলের মাইলফলক ছোঁয়ার পথে এখন মাত্র ৩৩ গোল দূরে আছেন তিনি।
সৌদি প্রো লিগে চলতি মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়েও রোনালদো বেশ ভালো অবস্থানে আছেন। বর্তমানে ইভান টোনির চেয়ে মাত্র ২ গোল পিছিয়ে থেকে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে তিন নম্বরে রয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন
| ইসলামবিদ্বেষ নিয়ে কড়া বার্তা হান্সি ফ্লিকের |
|
রোনালদোর প্রত্যাবর্তনের রাতে উজ্জ্বল ছিলেন চোট কাটিয়ে ফেরা সাদিও মানেও। ম্যাচের দুই অর্ধে ইনজুরি টাইমে গোল করে তিনিও জোড়া পূর্ণ করেন। আল নাসরের হয়ে অন্য গোলটি করেন আব্দুল্লাহ আল হামদান।
এই জয়ের পর ২৭ ম্যাচে আল নাসরের সংগ্রহ এখন ৭০ পয়েন্ট। এক ম্যাচ কম খেলে ৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে আল হিলাল। আজ আল তাওয়ানের বিপক্ষে জিতে ব্যবধান কমানোর সুযোগ রয়েছে হিলালের সামনে।

টানা দ্বিতীয়বারের মতো সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতল বাংলাদেশ। মালদ্বীপের মালের জাতীয় স্টেডিয়ামে শুক্রবার রাতের ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতকে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে হারিয়ে শিরোপা ধরে রাখে লাল সবুজের তরুণরা।
ম্যাচ শেষে তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় অধিনায়ক মিঠু চৌধুরী দলের লড়াকু মানসিকতার কথাই তুলে ধরেন,
'আমি চার বছর ধরে এটা চাচ্ছি। আল্লাহ আমাদের দিয়েছে। আমি একজনকে মিস করছি, আমার বন্ধু আশিক। ও থাকলে ভালো হতো। আমি এই ট্রফি তাঁকে উৎসর্গ করতে চাই।'
দেশের বাইরে খেলেছে বাংলাদেশ। তবে গ্যালারিতে বাংলাদেশী সমর্থকদের ৯০ মিনিটের উল্লাসে খেলোয়াড়দের কাছে মনে হয়নি তারা দেশ থেকে অনেক দূরে আছেন। তাই সমর্থকদের প্রশংসা করে মিঠু বলেন,
'ফ্যানরা আমাদের অনেক সাপোর্ট দিয়েছে। তাদের সাপোর্টের কারণে আমরা চ্যাম্পিয়ন হতে পেরেছি। নেক্সট টাইম আমরা আরও ফ্যান চাইবো এবং আরও চ্যাম্পিয়ন হতে চাই।'
নির্ধারিত ৯০ মিনিটে গোলশূন্য থাকার পর ফাইনাল গড়ায় পেনাল্টি শু্যটে। যেখানে ভারতের প্রথম শট ঠেকিয়ে দেন গোলকিপার মাহিন। খেলা শেষের প্রতিক্রিয়ায় মোহামেডান গোলকিপার বলেন,
'অসাধারণ। আমার কাছে মনে হয়েছে ২০ কোটি মানুষের স্বপ্ন রক্ষা করতে পেরেছি।'
অনূর্ধ্ব-২০ এর সদস্য মোর্শেদ বলেন,
'এক্সাইটেড ছিলাম, খুবই এক্সাইটেড। কি বলব! কিছু বলার ভাষা নেই। দেশবাসীর সঙ্গে দেখা হচ্ছে।'
আবদুল রিয়াদ ফাহিম তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন,
'স্বপ্নের ফাইনাল, আলহামদুলিল্লাহ। সবার আগে আল্লাহর কাছে লাখ লাখ শুকরিয়া যে আমরা চ্যাম্পিয়ন হতে পেরেছি। আজকের জয় আমরা দেশবাসীকে উৎসর্গ করলাম।'

মালদ্বীপের ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে আজ সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ। চ্যাম্পিয়ন দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সেই সঙ্গে তাদেরকে আর্থিকভাবে পুরস্কারের ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি। কক্সবাজারে বসে প্রতিমন্ত্রী ফাইনাল খেলা দেখেছেন বলে জানা যায়।
শুক্রবার ফাইনালে আজ ভারতকে (৪)০-০(৩) ব্যবধানে হারায় বাংলাদেশ। সর্বশেষ ২০২৪ সালে নেপালকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার ভারতকে হারিয়ে শিরোপা ধরে রাখে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা। তবে অনূর্ধ্ব-১৯ ক্যাটাগরিতে গতবছর ভারতের কাছে পেনাল্টিতে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল লাল সবুজের প্রতিনিধিদের। সেই ফাইনালের শোধও আজ নেওয়া হলো বাংলাদেশের।
পুরুষদের বয়সভিত্তিক সাফে বাংলাদেশের জেতা দুটি শিরোপাই এসেছে অনূর্ধ্ব-২০ ক্যাটাগরিতে। অনূর্ধ্ব-১৮-তে দুইবার এবং অনূর্ধ্ব-১৯-এ একবার ফাইনালে উঠেও শিরোপা জিততে পারেনি বাংলাদেশ। সেই হতাশা এবার মালদ্বীপে কিছুটা হলেও কাটল মোর্শেদ, সুলিভান ব্রাদার্স ও নাজমুল ফয়সালদের হাত ধরে।

দুই দলের আক্রমণাত্মক শুরুর পরও গোলের দেখা পায়নি কোনো দল। এরপর নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষে টাইব্রেকারে ভারতকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ। টাইব্রেকারে ভারতের একটি শট ঠেকিয়ে নায়ক বনে যান গোলকিপার ইসমাইল হোসেন মাহিন।
শুক্রবার সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে আজ ভারতকে (৪)০-০(৩) ব্যবধানে হারায় বাংলাদেশ। সর্বশেষ ২০২৪ সালেও শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ।
তবে অনূর্ধ্ব-১৯ ক্যাটাগরিতে গতবছর ভারতের কাছে পেনাল্টিতে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল লাল সবুজের প্রতিনিধিদের। সেই ফাইনালের শোধও আজ নেওয়া হলো বাংলাদেশের।
চতুর্থ মিনিটে ডান দিকের কর্নারের কাছ থেকে রোহেন সিংয়ের ক্রসে বক্সে মাথা ছোঁয়ান আরবাশ। তবে বল বেরিয়ে যায় পোস্টের অনেকটা বাইরে দিয়ে। তিন মিনিট পর রোনানের শট সহজেই তালুবন্দি করেন ভারতীয় গোলকিপার সুরাজ সিং। প্রতি আক্রমণে বাংলাদেশ গোলকিপার মাহিনের পরীক্ষা নেয় ভারত।
১৩ মিনিটে রোনারের দারুণ ফ্রি কিক থেকে বক্সে হেড নেন মিঠু। তবে অল্পের জন্য বল খুঁজে পায়নি জালের দেখা। অল্পের জন্য গোল না পেয়ে হতাশায় মুখ ঢাকেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
১৯ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে মানিকের পাসে গোলমুখের সামনে রোনানের দারুণ প্রচেষ্টা আটকে দেন প্রতিপক্ষ গোলকিপার।
৩২ মিনিটে বিপদ থেকে বেঁচে যায় বাংলাদেশ। গোলকিপার মাহিন পোস্ট ছেড়ে কিছুটা উপরে উঠে আসেন, তবে বলের নাগাল পাননি। এ সময় বক্সের আশেপাশেই বল নিয়ে আতঙ্ক ছড়ায় ভারত, তখনও ফাঁকা পোস্ট; ডিফেন্ডারদের কল্যাণে এ যাত্রায় অরক্ষিত থাকে বাংলাদেশের পোস্ট। দুই মিনিট পর সেই একইভাবে উপরে উঠে এসে বাংলাদেশকে বিপদে প্রায় ফেলছিলেন মাহিন। এবারও রক্ষণভাগের খেলোয়াড়েরা ছিলেন সজাগ।
৩৬ মিনিটে আবারও গোলের ভালো সুযোগ তৈরি করে ভারত। কর্নার কিকের পর গোলমুখের সামনে জটলা তৈরি হয়। একাধিক প্রচেষ্টার পর গোলে হেড নেন ভারতের জর্ডিক আবরানচেস। তবে অনায়াসেই বল গ্লাভসবন্দি করেন মাহিন।
যোগ করা সময়ে মোর্শেদের ফ্রি কিক ভারতীয় রক্ষণের দৃঢ়তায় ফিরে আসে। বক্সের একদম সামনে থেকে ফিরতি বলে অনেকটা ওভারহেড কিকের মতো শট নেন রোনান। তবে বল চলে যায় পোস্টের উপরে দিয়ে। এ সময় টানা আক্রমণে ভারতীয় রক্ষণকে নাড়িয়ে দেয় বাংলাদেশ। যদিও গোল আদায় করতে পারেননি রোনান, মোর্শেদরা। শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য বিরতিতে যায় দুই দল।
৪৮ মিনিট থেকে ভারত আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলা শুরু করলেও বাংলাদেশের রক্ষণভাগ ছিল অটুট। ৫১ মিনিটে ভারত টানা আক্রমণ চালিয়ে বলের পজিশন নিজেদের দখলে রাখার চেষ্টা করে। তবে ৫৪ মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাকে গিয়ে ভারতকে চাপে ফেলে দেয় বাংলাদেশ।
ম্যাচের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মাঠের পরিবেশও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ৬২ মিনিটে গোলের ভালো সুযোগ আসে রোনানের সামনে। বক্সের সামনে থেকে মানিকের উড়িয়ে মারা বল বুক দিয়ে মাটিতে নামাতে চাইলে নিয়ন্ত্রণ হারান এই ফরোয়ার্ড। দুই মিনিট পর থ্রো থেকে বাংলাদেশের রক্ষণের পরীক্ষা নেয় ভারত।
৬৬ মিনিটে নাজমুল ফয়সালকে তুলে ডেকলান সুলিভানকে মাঠে নামান বাংলাদেশ কোচ। ৮২ মিনিটে আরবাশের দূরপাল্লার শট বাংলাদেশের উপরের জাল কাঁপায়। পরের মিনিটে ৮ এর নিচু ক্রসে গোলমুখের সামনে বলে টোকা দেন রিসি যাদব। তবে বল চলে যায় দূরের পোস্ট ঘেঁষে।
৯০ মিনিটে প্রতি আক্রমণে উঠে বাংলাদেশ। তবে বক্সে ঢুকলে ডেকলানকে কর্নার করে দেন ভারতের ডিফেন্ডার বুনসং সিং। এরপর সেট পিসে অসফল হয় বাংলাদেশ।
যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে সুলিভান ব্রাদার্সের জোড়া ক্যামিওতে গোলের ভালো সুযোগ তৈরি করে বাংলাদেশ। ডেকলান ডানপ্রান্ত দিয়ে গতিময় দৌড়ে বক্সের দারুণ এক পাস দেন রোনানকে। তবে এই ফরোয়ার্ড শট নেওয়ার আগে ভারতের গোলকিপার সুরাজ সিং আটকে দেন।
একটু পরই শেষ হয় নির্ধারিত সময়ের খেলা। নিয়ম অনুযায়ী ৯০ মিনিট শেষে ফাইনাল নিস্পত্তি হওয়ার কথা ছিল পেনাল্টি শ্যুটআউটে। যেখানে আগে শট পায় ভারত।
প্রথম পেনাল্টি কিক ঠেকিয়ে দেন মাহিন। ভারতের রিষি সিংয়ের নেওয়া নিচু শট ডান দিকে ঝাপিয়ে ঠেকিয়ে দেন বাংলাদেশ গোলকিপার। এরপর বা-পায়ের নিচু শটে বাংলাদেশকে এগিয়ে দেন মোর্শেদ।
নিজেদের দ্বিতীয় শটে মোহাম্মদ আরবাশ গতিময় শটে পরাস্ত করেন মাহিনকে। ঠান্ডা মাথায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় শটে জাল কাঁপান চন্দন রায়।
তৃতীয় শটে স্যামসন সমতায় ফেরান ভারতকে। তবে বাংলাদেশের হাতে তখনও এক বাকি ছিল। আবদুল রিয়াদ ফাহিমের সফল স্পটকিকে আবার লিড নেয় বাংলাদেশ।
ভিশাল যাদব চতুর্থ শটে আবার সমতায় ফেরান ভারতকে। তবে বাংলাদেশের স্যামুয়েল রাাকশাম টপ কর্নার দিয়ে লক্ষ্যভেদ করতে চাইলে পোস্টে লেগে ফিরে আসে। দুই দলের চার শট নেওয়ার পর ৩-৩ সমতা বিরাজ করে। এরপর শেষ শট নিতে এসে একইভাবে মিস করেন ভারতের ওমাং দোদুম। ফাইনাল কিক নিতে এসে কোনো ভুল করেননি রোনান। চাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে ভারতকে হারিয়ে শিরোপা ধরে রাখে বাংলাদেশ।