
আগামী মার্চে অস্ট্রেলিয়ায় বসবে নারী এশিয়ান কাপের আসর। প্রথমবারের মতো এই প্রতিযোগিতার মূল মঞ্চে খেলার রোমাঞ্চ এখন বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলে। তার আগে সোমবার ২৬ সদস্যের দল সাজিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। পিটার বাটলারের এই দলে সবচেয়ে বড় চমক হয়ে এসেছেন সুইডেন প্রবাসী ফুটবলার আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী।
দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা ছিল আনিকাকে নিয়ে। দলের সঙ্গী করার আগে তাঁর ট্রায়াল হয় ঢাকায়। সেখানে নজর কেড়েই এবার জাতীয় দলের স্কোয়াডে জায়গা করে নিয়েছেন এই মিডফিল্ডার। ইউরোপীয় কন্ডিশনে বেড়ে ওঠা আনিকার অন্তর্ভুক্তি দলের মাঝমাঠে শক্তি বাড়াবে বলে ধারণা করেন অনেকে।
এই দলে আছেন চলমান নারী ফুটবল লিগে সর্বোচ্চ ২৫ গোল এবং সর্বশেষ সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপে ৭ গোল করা আলপি আক্তার।
আরও পড়ুন
| বদলে গেল সিদ্ধান্ত, ভারতের বিপক্ষে খেলবে পাকিস্তান |
|
গোলবারের দায়িত্বে রুপনা চাকমার সঙ্গে আছেন স্বর্না রানী মন্ডল এবং মিলি আক্তার। রক্ষণভাগে থাকছেন শিউলি আজিম ও শামসুন্নাহার সিনিয়র। মাঝমাঠে মারিয়া মান্দা, মনিকা চাকমা ও ঋতুপর্ণা চাকমাদের সঙ্গে আনিকার সমন্বয় এখন দেখার বিষয়। অন্যদিকে, গোল করার মূল দায়িত্ব থাকছে তহুরা খাতুন, শামসুন্নাহার জুনিয়র ও উদীয়মান ফরোয়ার্ড সাগরিকার ওপর। দলের অধিনায়ক থাকছেন আফঈদা খন্দকার।
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এশিয়ান কাপে গ্রুপ ‘বি’-তে বাংলাদেশের সঙ্গী এশিয়ার তিন পরাশক্তি- চীন, উত্তর কোরিয়া ও উজবেকিস্তান। সূচি অনুযায়ী, আগামী ৩ মার্চ চীনের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশের অভিযান। এরপর ৬ মার্চ উত্তর কোরিয়া এবং ৯ মার্চ উজবেকিস্তানের বিপক্ষে লড়বেন আফঈদা-রুপনারা।
এশিয়ান কাপে বাংলাদেশ দল
গোলকিপার: রুপনা চাকমা, মিলি আক্তার, স্বর্ণা রানী।
ডিফেন্ডার: আফঈদা খন্দকার (অধিনায়ক), কোহাতি কিসকু, নবীরন খাতুন, শিউলি আজিম, শামসুন্নাহার সিনিয়র, হালিমা খাতুন, সৌরভী আফরিন।
মিডফিল্ডার: স্বপ্না রানী, মুনকি আক্তার, আইরিন খাতুন, শাহেদা আক্তার, ঋতুপর্ণা চাকমা, মনিকা চাকমা, মারিয়া মান্দা, আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী, উন্নতি খাতুন।
ফরোয়ার্ড: উমেহ্লা মারমা, আলপি আক্তার, সৌরভী আকন্দ প্রীতি, মোসাম্মত সুলতানা, তহুরা খাতুন, মোসাম্মত সাগরিকা ও শামসুন্নাহার জুনিয়র।
স্ট্যান্ডবাই: অর্পিতা বিশ্বাস, সিনহা জাহান, শান্তি মার্ডি, তনিমা বিশ্বাস
No posts available.
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১:৩৫ পিএম
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:৫১ এম
২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৪৯ পিএম

আগামী ১৫ মার্চ বার্সেলোনার পরবর্তী ক্লাব সভাপতি নির্বাচন। তার আগে নানান প্রতিশ্রতি দিচ্ছেন প্রার্থীরা। নির্বাচনে জিততে পারলে ইংলিশ স্ট্রাইকার হ্যারি কেইনকে দলে ভেড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন জাভিয়ের ভিলাহোয়ানা।
এরই মধ্যে কেইনের সঙ্গে প্রাথমিক যোগাযোগ করার কথাও জানান অন্যতম শক্তিশালী এই সভাপতি পদপ্রার্থী।
২০২৬ ক্লাব সভাপতি নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে চারজন প্রধান প্রার্থীর নাম উঠে এসেছে। তাদেরই একজন বার্সেলোনার সাবেক বোর্ড সদস্য এবং লা মাসিয়ার সাবেক প্রধান ভিলাহোয়ানা।
ইএসপিএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভিলাহোয়ানা বলেন, 'আমাদের এমন একজন স্ট্রাইকার দরকার, যে খেলায় সংযোগ তৈরি করতে পারবে, আবার বক্সের ভেতরে হবে নিখুঁত ফিনিশার। পাশাপাশি একজন অভিজ্ঞ সেন্টার-ব্যাকও দরকার, যে তরুণদের ভারসাম্য দেবে।'
সেন্টার ফরোয়ার্ড পদের সম্ভাব্য লক্ষ্য সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি সরাসরি হ্যারি কেইনের নাম উল্লেখ করেন।
"এরই মধ্যে যোগাযোগ করেছি। কেইন আমাদের খেলার ধাঁচের সঙ্গে মানানসই। সে নিচে নেমে খেলায় যুক্ত হতে পারে, আবার খাঁটি নাম্বার নাইন হিসেবেও কার্যকর। গভীরে রক্ষণ গড়া দলের বিপক্ষেও সে ভালো করে।"
আরও পড়ুন
| ভিনিসিয়ুসের ঘটনায় প্রেস্তিয়ান্নিকে জিজ্ঞাসাবাদ, তদন্তে নতুন মোড় |
|
কেইন অবশ্য নিজে বার্সেলোনায় যাওয়ার বিষয়ে কোনো প্রকাশ্য প্রতিশ্রুতি দেননি। গত নভেম্বরে তিনি জানান, বায়ার্ন মিউনিখে ভালো আছেন এবং বর্তমানে অন্য কিছু ভাবছেন না। বায়ার্নের সঙ্গে ২০২৭ পর্যন্ত চুক্তি থাকলেও ৬০ মিলিয়ন ইউরোর রিলিজ ক্লজ চলতি গ্রীষ্মে কার্যকর হবে।
বায়ার্ন কিংবদন্তি লোথার ম্যাথাউস মনে করেন, কেইন ক্লাব ছাড়বেন না, 'আমি বিশ্বাস করি না সে বায়ার্ন ছাড়বে। অর্থ তার কাছে মুখ্য নয়। পরিবারসহ সে এখানে থিতু হয়েছে।'
তবে ভিলাহোয়ানা মনে করেন, কেইনকে রাজি করানো সম্ভব, 'কেইন বার্সেলোনাকে পছন্দ করে। খুব কম খেলোয়াড় আছে যারা বার্সেলোনাকে পছন্দ করে না।'
এদিকে লা লিগা শিরোপা দৌড়ে পিছিয়ে পড়েছে বার্সেলোনা। মঙ্গলবার জিরোনার কাছে ২-১ গোলে হেরে শীর্ষে থাকা রিয়াল মাদ্রিদের চেয়ে দুই পয়েন্ট পিছিয়ে আছে কাতালানরা।

ইউয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ প্লে-অফে রিয়াল মাদ্রিদ-বেনফিকা ম্যাচে বর্ণবাদী মন্তব্যের অভিযোগে এরই মধ্যে তদন্ত শুরু করেছে উয়েফা। খেলাধুলাভিত্তিক বিশ্বস্ত ওয়েবসাইট ইএসপিএন জানিয়েছে, তদন্ত প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়ে নিজের বক্তব্য দিয়েছেন অভিযুক্ত ফুটবলার জিয়ানলুকা প্রেস্তিয়ান্নি।
মঙ্গলবার লিসবনে দ্বিতীয়ার্ধে ঘটে বিতর্কিত ঘটনাটি। ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেন রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। গোলের পরপরই প্রেস্তিয়ান্নির বিরুদ্ধে বর্ণবাদী মন্তব্যের অভিযোগ তোলেন তিনি। এই অভিযোগের জেরে প্রায় ১০ মিনিট খেলা বন্ধ থাকে।
ঘটনার পর ইউয়েফার কাছে সব প্রমাণ জমা দিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। রিয়াল ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপে ম্যাচ-পরবর্তী সাক্ষাৎকারে বলেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে পাঁচবার প্রেস্তিয়ান্নির মুখ থেকে বর্ণবাদী মন্তব্য শুনেছেন।
আরও পড়ুন
| সব শঙ্কা দূর করে ফিরছেন মেসি |
|
ইএসপিএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তদন্তে প্রেস্তিয়ান্নি উয়েফার কাছে বর্ণবাদের অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছেন, ভিনিসিয়াসকে 'মোনো' (বানর) বলেননি তিনি বরং 'মারিকোন' শব্দটি উচ্চারণ করেছিলেন।
ম্যাচের পর মাদ্রিদের মিডফিল্ডার অহেলিয়াঁ চুয়ামেনিও স্প্যানিশ টেলিভিশনকে জানান, প্রেস্তিয়ান্নি ঘটনাস্থলেই এমন ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন।
‘মারিকোন’ স্প্যানিশ ভাষায় অপমানজনক ও সমকামীবিদ্বেষী গালি। এটি কাউকে ‘নারীসুলভ’, ‘দুর্বল’ বা ‘পুরুষত্বহীন’ বোঝাতেও অপমানসূচকভাবে বলা হয়।
প্রেস্তিয়ান্নি বর্ণবাদের বদলে সমকামীবিদ্বেষী গালি দেওয়ার কথা বললেও ইউয়েফার ডিসিপ্লিনারি কোডের ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী উভয় অপরাধের শাস্তির মাত্রা একই। যেকোনো ধরণের বৈষম্যমূলক আচরণের জন্য কমপক্ষে ১০ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার বিধান রয়েছে।
রিয়ালের কোচ আলভারো আরবেলোয়া শুক্রবারের সংবাদ সম্মেলনে প্রেস্তিয়ান্নির বিরুদ্ধে শাস্তির দাবি জানান। তার ভাষায়, এই ঘটনা ফুটবলে বর্ণবাদবিরোধী লড়াইয়ে একটি টার্নিং পয়েন্ট হতে পারে।
তদন্ত চলমান থাকায় এখন নজর ইউয়েফার সিদ্ধান্তের দিকে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রেস্তিয়ান্নির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

আর্জেন্টিনার সমর্থকদের জন্য স্বস্তির খবর। চোট কাটিয়ে আবারও মাঠে ফিরছেন লিওনেল মেসি।
মেজর লিগ সকারের নতুন মৌসুমের উদ্বোধনী ম্যাচে ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলতে প্রস্তুত এই তারকা ফুটবলার। লস অ্যাঞ্জেলেস এফসির বিপক্ষে রোববারের ম্যাচের আগে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মায়ামির কোচ হাভিয়ের মাসচেরানো।
সংবাদ সম্মেলনে ইন্টার মায়ামি কোচ বলেন, ‘মেসি ভালো আছে। পুরো সপ্তাহ সে দলের অন্যদের মতো অনুশীলন করেছে। তার অনুভূতিও ইতিবাচক। সে পুরোপুরি প্রস্তুত।’
গত ৭ ফেব্রুয়ারি প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতি ম্যাচে বার্সেলোনা এসসির বিপক্ষে খেলতে গিয়ে বাম হ্যামস্ট্রিংয়ে টান লাগে মেসির। ম্যাচের ৫৮ মিনিটে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। এরপর তার খেলা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল।
আরও পড়ুন
| বিদায় বেলায় ওমানের ওপর জ্বালা মেটাল অস্ট্রেলিয়া |
|
চোটের কারণে ইন্টার মায়ামি তাদের শেষ প্রাক-মৌসুম ম্যাচের সূচিও পরিবর্তন করে। ইন্ডিপেন্ডিয়েন্তে দেল ভায়ে-র বিপক্ষে পুয়ের্তো রিকোতে নির্ধারিত ১৩ ফেব্রুয়ারির ম্যাচটি পিছিয়ে ২৬ ফেব্রুয়ারি করা হয়।
এখন পুরোপুরি সুস্থ হয়ে দলের সঙ্গে নিয়মিত অনুশীলনে ফিরেছেন মেসি। মাসচেরানো আরও জানান, ক্যালিফোর্নিয়া সফরে যাওয়া সব খেলোয়াড়ই ম্যাচের জন্য বিবেচনায় থাকবেন। নতুন সাইনিং গেরমান বেরতেরামে ও স্থায়ী চুক্তিতে দলে থাকা তাদেও আলেন্দেও প্রস্তুত।
২০২৫ সালে ভ্যানকুভার হোয়াইটক্যাপস-কে হারিয়ে এমএলএস কাপ জিতে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নতুন মৌসুম শুরু করছে ইন্টার মায়ামি। লিগের পাশাপাশি কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপ, লিগস কাপ ও চ্যাম্পিয়ন্স কাপেও অংশ নেবে তারা।

ব্যস্ত সূচির আগে একের পর এক চোটের খবর নিশ্চিতভাবেই লিওনেল স্কালোনির কপালে চিন্তার ভাঁজ বাড়াচ্ছে। এবার অন্তত একমাসের জন্য ছিটকে গেলেন আর্জেন্টিনার তারকা ফরোয়ার্ড লাউতারো মার্তিনেজ। বাঁ পায়ের সোলিয়াস মাংসপেশিতে টান লেগেছে ইন্টার মায়ামির স্ট্রাইকারের।
আজ মেডিক্যাল পরীক্ষা শেষে ইন্টার মিলান এক বিবৃতিতে মার্তিনেজের বিষয়টি নিশ্চিত করে। চ্যাম্পিয়নস লিগে বোডো-গ্লিমটের বিপক্ষে ম্যাচে চোট পেয়ে দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। পরীক্ষায় ২৮ বছর বয়সী ফরোয়ার্ডের বাঁ পায়ের সোলিয়াস মাংসপেশিতে চোট ধরা পড়ে এবং জানানো হয়, আগামী সপ্তাহে তাঁর অবস্থা আবার মূল্যায়ন করা হবে।
এর আগে আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার হুয়ান ফয়েথ এবং নিকোলাস গঞ্জালেজ ইনজুরিতে পড়েন। বাঁ পায়ের গোড়ালির চোটে পড়া ফয়েথকে দীর্ঘ সময় মাঠের বাইরে থাকতে হবে। আর মাংসপেশীতে টান লাগা নিকো প্রায় তিন সপ্তাহের জন্য ছিটকে গেছেন। এছাড়া পুরোপুরি ফিট নন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসিও।
আগামী ২৮ মার্চ ফিনালিসিমায় স্পেনের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। শিরোপা নির্ধারণী এই ম্যাচে দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের ফিটনেস নিয়ে চ্যালেঞ্জেই পড়তে হচ্ছে কোচ স্কালোনিকে।
মার্তিনেজের চোটে বড় ধাক্কা খেল ইন্টার মিলানও। স্কাই স্পোর্টসের–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই চোটে মার্তিনেজকে ৩–৪ সপ্তাহের জন্য মাঠের বাইরে থাকতে হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ৮ মার্চ এসি মিলান–এর বিপক্ষে ডার্বি ম্যাচে তার খেলা প্রায় অসম্ভবই।
তবে ইতালির সংবাদমাধ্যম লা গাজেত্তা দেলো স্পোর্ত জানিয়েছে, মৌসুমের সর্বোচ্চ গোলদাতা মার্তিনেজকে ডার্বির আগেই ফেরানোর আশা করছে ইন্টার। যদিও আপাতত সিরি আ–তে লিসে ও জেনোয়া–র বিপক্ষে ম্যাচ, চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বোডো/গ্লিম্ট এবং কোপা ইতালিয়ায় কোমোর বিপক্ষে ম্যাচে তাকে ছাড়াই মাঠে নামতে হবে ইন্টারকে।
চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৩৫ ম্যাচে ১৮ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট করেছেন মার্তিনেজ। সিরি আ-তে ২৫ ম্যাচে ৬১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে ইন্টার মিলান। সমান ম্যাচে দুইয়ে থাকা তাদের নগরপ্রতিদ্বন্দ্বী এসি মিলানের সংগ্রহ ৫৪।

তিন মাসেরও বেশি সময় পর মাঠে গড়াচ্ছে মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ম্যাচ। ইস্টার্ন কনফারেন্স থেকে আগামী রোববার মাঠে নামছে ইন্টার মায়ামি। লিগে প্রথম ম্যাচে লিওনেল মেসির দল মুখোমুখি হবে লস অ্যাঞ্জেলেস এফসির বিপক্ষে। অবশ্য চোটের কারণে এই ম্যাচে আর্জেন্টাইন মহাতারকা মেসির না খেলার সম্ভাবনাই বেশি।
আগের মৌসুমে মায়ামিকে এমএলএস চ্যাম্পিয়ন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা মেসি এই মৌসুমে দুর্দান্ত পাঁচটি রেকর্ডের সামনে আছেন। আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী মেসিকে হাতছানি দেওয়া রেকর্ডগুলো দেখে নেওয়া যাক।
টানা গোল্ডেন বুট জয়
অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, এমএলএসের ইতিহাসে কেউই কখনও পরপর দুই বছরের জন্য গোল্ডেন বুট জেতে পারেনি। পাঁচজন খেলোয়াড় দু’বার এমএলএস গোল্ডেন বুট জিতেছেন — প্রেকি, টেলর টুয়েলম্যান, জেফ ক্যানিংহ্যাম, ক্রিস ওয়ন্ডোলোভস্কি এবং ব্র্যাডলি রাইট-ফিলিপস — কিন্তু কেউ টানা দুই মৌসুম এই পুরষ্কার জেতেননি। গত মৌসুমে ২৯ গোল করে গোল্ডে বুট জিতেন মেসি। এ মৌসুমেও সর্বোচ্চ গোলদাতার এই স্বীকৃতি জিতলে ইতিহাস গড়বেন ৩৮ বছর বয়সী মহাতারকা।
এমএলএস ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোল করা আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়
২০২৬ সালে মেসির জন্য এই রেকর্ড ভাঙা কিছুটা কঠিন হলেও অসম্ভব নয়।বর্তমানে, ডিয়েগো ভ্যালেরি এমএলএস ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোল করা আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়। ২৮৮ ম্যাচে তাঁর গোলসংখ্যা ৯৩। শীর্ষ গোলদাতাদের তালিকায় তিনি আছেন ১৬ নম্বরে।
২০২৩ সালে এমএলএসে যোগ দেওয়া মেসির গোল ৫৭টি। আর্জেন্টাইন ফুটবলারদের মধ্যে এই লিগে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড করতে মায়ামি তারকাকে করতে হবে আরও ৩৬টি গোল।
ইন্টার মিয়ামির প্রথম ফুটবলার হিসেবে ১০০ গোলে অবদান
মেসি ইতিমধ্যেই ইন্টার মিয়ামির সর্বোচ্চ গোলদাতা এবং অ্যাসিস্ট করা খেলোয়াড়। ৫০টি গোলের সঙ্গে সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন ২৮টি গোল। এই মৌসুমে ক্লাবের ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে মোট ১০০ গোল ও অ্যাসিস্ট করতে পারেন মেসি।
তিনবার এমএলএসের বর্ষসেরা প্রথম খেলোয়াড়
মেসি গত দুই মৌসুমে এমএলএসে এমভিপি জিতেছেন। এ্ই লিগে টানা দু’বার বর্ষসেরা হওয়া প্রথম খেলোয়াড়ের রেকর্ডও বার্সেলোনার কিংবদন্তি ফুটবলারের। মেসির সমান দুবার এই পুরষ্কার জিতেছেন প্রেকি, যিনি ১৯৯৭ এবং ২০০৩ সালে এমভিপি জিতেছিলেন।
এ মৌসুমেও বর্ষসেরার পুরষ্কার জিতলে এমএলএসে আরেকটি ইতিহাস গড়বেন মেসি। প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে তিনবার এমভিবি হওয়ার সঙ্গে টানা তিন বছর এই পুরষ্কার জেতার অনন্য কীর্তির স্বাক্ষী হবেন তিনি।
এমএলএস ইতিহাসে সর্বোচ্চ হ্যাটট্রিক
এখন পর্যন্ত মেসি ইন্টার মিয়ামির হয়ে লিগে দুটি হ্যাটট্রিক করেছেন, যা জোসেফ মার্টিনেজের রেকর্ডের থেকে পাঁচটি কম। এই রেকর্ড ভাঙা কঠিনই, কিন্তু অসম্ভব নয়। শেষবার মেসি এক বর্ষ পঞ্জিকায় পাঁচটি হ্যাটট্রিক করেছিলেন ২০১৮ সালে, বার্সেলোনার হয়ে।