
শুরু থেকেই প্রতিপক্ষকে চেপে ধরে বাংলাদেশ, সুফল মিলতেও তাই দেরি হয়নি। ধারার বিপরীতে গিয়ে ম্যাচ ফেরে চাইনিজ তাইপে। এরপর এগিয়েও যায় দলটি। আগের ম্যাচে এগিয়ে গিয়ে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে হেরেছিল বাংলাদেশ, আবার তেমন হারের চোখরাঙানি নয়ত? এমন দুশ্চিন্তা দূর করতে সময় নেয়নি তারা। ঘুরে দাঁড়িয়ে শেষ পর্যন্ত চাইনিজ তাইপেকে ৮-৩ গোলে বিধ্বস্ত করেছে মশিউর রহমান বিপ্লবের শিষ্যরা।
ভারতের বিহারে রাজগীর স্পোর্টস হকি কমপ্লেক্সে বাংলাদেশের বাধা শুধু তাইনিজ তাইপে ছিল না, পরীক্ষা নিয়েছে ৩২ ডিগ্রি তাপমাত্রার গরমও। প্রথম দুই কোয়ার্টারে সমানতালে লড়ে দুই দল। পরের দুই কোয়ার্টারে স্রেফ বাংলাদেশের আধিপত্য। খেলায় দুটি করে গোল করেন মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, রাকিবুল হাসান রকি ও আশরাফুল ইসলাম। একবার করে প্রতিপক্ষের জাল কাঁপান সোহানুর রহমান সবুজ ও অধিনায়ক রেজাউল করিম বাবু।
চতুর্থ মিনিটে বাংলাদেশকে এগিয়ে দেন আব্দুল্লাহ। সোহানুর রহমান সবুজের পাস থেকে রিভার্স হিটে জাল কাঁপান তিনি। ১০ মিনিটে দূরপাল্লার শটে চাইনিজ তাইপেকে সমতায় ফেরান ইউ সুং সিয়ে। ১৩ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার পায় বাংলাদেশ। তবে আশরাফুলের ড্রাগ ফ্লিক সহজেই ঠেকান চায়নিজ তাইপের গোলরক্ষক ওয়েই ইউ সিয়েন।
আরও পড়ুন
| শেষ মুহূর্তে চেলসি ফরোয়ার্ডকে ছিনিয়ে নিল মিলান |
|
দ্বিতীয় কোয়ার্টারের তৃতীয় মিনিটে পরপর দুটি পেনাল্টি কর্নার পায় চায়নিজ তাইপে। প্রথমবার জাল খুঁজে না পেলেও দ্বিতীয় পেনাল্টি থেকে গোল করেন সিয়েন। ডান পাশের দূরূহ কোণে জাল খুঁজে নিয়ে দলকে এগিয়ে দেন ১-২ ব্যবধানে।
মনে হচ্ছিল, দ্বিতীয় কোয়ার্টার শেষ করার আগে হয়ত পিছিয়েই থাকবে বাংলাদেশ। সেটি হতে দেননি আব্দুল্লাহ। ২৬ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে আশরাফুলের বাড়ানো পাসে আলতো ছোঁয়ায় বল জালে পাঠান তিনি। ২-২ ব্যবধানে ড্র নিয়ে বিরতিতে যায় তারা।
তৃতীয় কোয়ার্টারে একক আধিপত্য বিস্তার করে বাংলাদেশ। ৩৬ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে দুর্দান্ত ড্রাগ ফ্লিকে ব্যবধান ৩-২ করেন সবুজ। এরপর একই মিনিটে জোড়া গোল করেন রকি। দুটো গোলই আসে ৪২ মিনিটে। প্রথমটি মেহেদীর পাস থেকে। আর দ্বিতীয় গোলে অবদান কেবল তাঁরই। ৪৫ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে জোরালো শটে দলের ষষ্ঠ গোলটি করেন আশরাফুল।
আরও পড়ুন
| একগাদা টেস্ট ক্রিকেটার নিয়েও ‘এ’ দলের ইনিংস হার |
|
শেষ কোয়ার্টারে তিনটি পেনাল্টি কর্নারের দুটি থেকে গোল আদায় করে বাংলাদেশ। ৫৬ মিনিটে গোলের খাতায় নাম লেখান অধিনায়ক বাবু। যদিও পেনাল্টি কর্নার থেকে ড্রাগ ফ্লিক করেছিলেন আশরাফুল। তাঁর শট বাবু স্টিক ছুঁয়ে আশ্রয় নেয় জালে। দুই মিনিট পর নিজের দ্বিতীয় গোলের দেখা পান আশরাফুল। ৬০ মিনিটে চায়নিজ তাইপে এক গোল পরিশোধ করলেও তা শুধু ব্যবধানই কমিয়েছে।
সোমবার ‘বি’ গ্রুপ থেকে শেষ ম্যাচে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ কোরিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। এর আগে প্রথম ম্যাচে গতকাল মালয়েশিয়ার কাছে ৪-১ গোলে হার মানে বাংলাদেশ দল। এই গ্রুপ থেকে তিন পয়েন্ট করে পেয়েছে তিনটি দল দক্ষিণ কোরিয়া, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া। বাংলাদেশ ম্যাচ খেলেছে দুটি। চাইনিজ তাইপে দুই খেলায় দুটিতেই হেরেছে।
No posts available.
২৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ৫:৩৪ পিএম
২১ ডিসেম্বর ২০২৫, ৬:৫১ পিএম

ব্র্যাক ব্যাংক অপরাজেয় আলো নারী হকি টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিকেএসপি। পল্টনের মওলানা হকি স্টেডিয়ামে আজকের ফাইনালে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ নিয়ে গড়া জোন-২ কে ৮-০ গোলে হারিয়েছে বিকেএসপির মেয়রা।
এই টুর্নামেন্টের বাছাই পর্বের খেলা দেশের চারটি ভেন্যুতে হয়। চার ভেন্যুর চ্যাম্পিয়ন দল ও বিকেএসপিসহ মোট ৫ দল নিয়ে চূড়ান্ত পর্বের খেলা গত ২৫ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয় ঢাকায়। চূড়ান্ত পর্ব প্রতি জোনের দুইটি বিভাগ নিয়ে গঠিত হয় একটি করে দল।
এদিন ফাইনালে বিকেএসপির সামনে দাঁড়াতেই পারেনি ঢাকা-ময়মনসিংহের মেয়েরা। প্রথম কোয়ার্টারে তিন গোল হজমের পর দ্বিতীয় কোয়ার্টারে আরও দুই গোল এবং শেষ দুই কোয়ার্টারে আরও তিন গোল হজম করে বড় ব্যবধানে বিকেএসপির কাছে হার মানে জোন-২।
প্রতিযোগিতার সর্বোচ্চ গোলের পুরস্কার জিতেছেন বিকেএসপির অর্পিতা; তিনি মোট ২২টি গোল করেছেন। প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্টও হয়েছেন বিকেএসপির আরেক খেলোয়াড় রিয়া। প্রতিযোগিতার সেরা গোলকিপারের খেতাব জুটেছে রাজশাহীর মোয়া’র ভাগ্যে। এছাড়া রাইজিং স্টারের পুরস্কার পেয়েছেন কিশোরগঞ্জ জেলার খেলোয়াড় অপূর্ব।

ব্র্যাক ব্যাংক অপরাজেয় আলো নারী হকি টুর্নামেন্টে আজ মঙ্গলবার দুটি খেলা হয়। প্রথম খেলায় চার নম্বর জোনকে (চট্টগ্রাম ও সিলেট) ১-০ গোলে হারায় রাজশাহী ও রংপুরকে নিয়ে গড়া এক নম্বর জোন। জয়ী দলের হয়ে খেলার ৭ মিনিটে রানী আক্তার রিয়া মনি পিসি গোল করে দলকে এগিয়ে দেয়। জয়সূচক গোলে ম্যাচ সেরাও হয়েছেন তিনি।
পল্টনের মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে দিনের দ্বিতীয় খেলায় ঢাকা ও ময়মনসিংহকে নিয়ে গড়া দুই নম্বর জোনকে ১২-০ ব্যবধানে হারায় বিকেএসপি। দলটি খেলছে ৫ নম্বর জোন হিসেবে। ম্যান অব দ্যা ম্যাচ হন বিকেএসপির খেলোয়াড় রিয়াসা আক্তার রিশি।
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে এদিন খেলায় এক মিনিট করে নীরবতা পালন করা হয়। একই সঙ্গে কোরআন খতমের ব্যবস্থা করা হয়।
সরকার আগামীকাল বুধবার জাতীয় শোক ও সাধারণ ছুটি ঘোষণা করায় অপরাজেয় আলো নারী হকির ফাইনাল খেলাটি আগামী পহেলা জানুয়ারি টার্ফে গড়াবে।
ফাইনালে অংশগ্রহণ করবে বিকেএসপি বনাম ঢাকা ও ময়মনসিংহকে নিয়ে গড়া জোন দুই।

ব্র্যাক ব্যাংক অপরাজেয় আলো নারী হকি টুর্নামেন্টের বাছাই পর্বের দেশের চারটি ভেন্যুতে হয়। চার ভেন্যুর চ্যাম্পিয়ন দল ও বিকেএসপিসহ মোট পাঁচটি দল নিয়ে চূড়ান্ত পর্বের খেলা আজ থেকে মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে শুরু হয়। চূড়ান্ত পর্ব প্রতি জোনের দুইটি বিভাগ নিয়ে একটি দল গঠিত হয়।
উদ্বোধনী দিন বৃহস্পতিবার ছিল দুটি ম্যাচ। প্রথম খেলায় জোন-২ (ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ) ২-১ গোলে জোন-১ (রাজশাহী ও রংপুর বিভাগ) কে পরাজিত করে। জোন-২ এর পক্ষে প্রিতু সেন ও অপূর্ব আক্তার জান্নাতুল দুটি গোল করে। জোন-১ (রাজশাহী ও রংপুর) এর পক্ষে রানী আক্তার রিয়ামনি একটি গোল পরিশোধ করে।
অপর খেলায় জোন-৩ (খুলনা ও বরিশাল) ৭-০ গোলে জোন-৪ (চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ) কে পরাজিত করে।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম প্রধান অতিথি হয়ে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন। এ সময়ে বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সহ-সভাপতি আসিফ মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল হাসান, টুর্নামেন্ট কমিটির সম্পাদক বদরুল ইসলাম দিপু, সদস্য শহিদুল্লাহ দোলন, টুর্নামেন্টের চিফ কো-অর্ডিনেটর তারিকউজ্জামান নান্নু, ফেডারেশনের সভাপতির প্রতিনিধি উইং কমান্ডার রেফাতুল ইসলাম এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে স্পন্সর প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক ব্যাংকের নারায়ণগঞ্জ শাখার এজিএম ইসতিয়াক হাবিব বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।
অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন জেলা হতে আগত নারী হকি দলের কর্মকর্তা ও খেলোয়াড়দের স্বাগত জানান সচিব মাহবুব-উল-আলাম। সেই সঙ্গে নারী হকি উন্নয়নে এই প্রতিযোগিতার স্পন্সর প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক ব্যাংককেও আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তিনি।

ব্র্যাক ব্যাংক অপরাজেয় আলো নারী হকি টুর্নামেন্টের কুমিল্লা ভেন্যুর খেলা আজ রোববার শেষ হয়। সেখানে কক্সবাজার জেলাকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয় স্বাগতিক কুমিল্লা।
রোববার কুমিল্লার ভাষা সৈনিক শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে শিরোপা নির্ধারনী ম্যাচে নির্ধারিত সময়ে গোলশূন্য থাকে। এরপর পেনাল্টি শুট আউটে ১-০ গোলে কক্সবাজার জেলাকে পরাজিত করে কুমিল্লা জেলা। কুমিল্লা জেলার জোনাকি আক্তার সেরা খেলোয়াড়ের পাশাপাশি ৫ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার জিতেছেন।
গত ২ নভেম্বর থেকে ব্র্যাক ব্যাংক ও বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন (বাহফে) যৌথভাবে এ টুর্নামেন্ট শুরু করে। জেলা পর্যায়ের প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের বাছাই করে দেশের নারী হকিকে আরও উন্নত করতে ব্র্যাক ব্যাংকের সামাজিক দায়িত্বশীলতার (সিএসআর) অংশ হিসেবে এ আয়োজনে অংশ নিয়েছে।
এই অঞ্চলের খেলায় আসে চারটি দল- কুমিল্লা জেলা, কক্সবাজার জেলা, সিলেট জেলা ও চট্টগ্রাম জেলা। লিগ পদ্ধতিতে প্রতিটি দল একে অপরের বিপক্ষে ম্যাচ খেলে। প্রতিটি দল সে হিসেবে খেলে তিনটি করে ম্যাচ। পয়েন্টের ভিত্তিতে শীর্ষ দুই দল নিয়ে হয় ফাইনাল।
ফাইনাল শেষে রানার্সআপ এবং চ্যাম্পিয়ন দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ রেজা হাসান। ফাইনালে ব্রাক ব্যাংকের ডিস্ট্রিবিউশন অ্যান্ড নেটওয়ার্কের রিজিওনাল হেড মো. মাসুদ আলম উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ছিলেন টুর্নামেন্ট কমিটির সদস্য বদরুল ইসলাম দিপু।

২০২৬ সালে ২০তম এশিয়ান গেমসের আসর বসবে জাপানের আইচি ও নাগোয়ায়। সেখানে পুরুষ দলের পাশাপাশি প্রথমবারের মতো নারী দলকেও খেলার পরিকল্পনা করেছে বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন (বাহফে)। তবে এশিয়ান গেমসে খেলতে হলে টপকাতে হবে কোয়ালিফাইং রাউন্ড। মেয়েদের কোয়ালিফাইং রাউন্ডে খেলানোর জন্য আগ্রহ প্রকাশ করে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনকে (বিওএ) জানিয়েছেন হকির কর্মকর্তারা।
বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল হাসান বলেন, 'বিওএ'র সভায় আমরা এশিয়ান গেমসে ছেলেদের পাশাপাশি নারী দলকে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে অনুরোধ করেছি। বিওএ বলেছে চেষ্টা করবে। আমরা আশাবাদী মেয়েদের এশিয়ান গেমসে খেলার ব্যবস্থা হবে। সেভাবেই দল গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছি।' মেয়েদের কোয়ালিফাইং রাউন্ড কবে এবং কোথায় হবে তা অবশ্য এখনো নির্ধারণ হয়নি।
এদিকে ব্র্যাংক ব্যাংক অপরাজেয় আলো নারী হকির জোনাল পর্বের খেলা চলছে। চারটি জোন ও বিকেএসপি- এই ৫ দল নিয়ে ২৪ থেকে ৩০ ডিসেম্বর পল্টনের মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে হবে চূড়ান্ত পর্ব। এই টুর্নামেন্ট থেকেই জাতীয় দল গঠন করবে ফেডারেশন।
এর আগে বয়সভিত্তিক আন্তর্জাতিক হকিতে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা। জাতীয় দল কখনো আন্তর্জাতিক হকি খেলেনি। এশিয়ান গেমসের বাছাইয়ে খেলা হলে দেশের নারী হকির জন্য সেটা হবে নতুন ইতিহাস।
গত জুলাইয়ে চীনে হয় নারী অনূর্ধ্ব-১৮ এশিয়া কাপ হকি। সেখানে প্রথমবার অংশ নিয়েই বাংলাদেশের জিতেছিল ব্রোঞ্জ পদক। সেই দলের অধিনায়ক ছিলেন শারিকা সাফা রিমন। এবার এশিয়ান গেমসে খেলার হাতছানির কথা জেনে রোমাঞ্চিত তিনি, 'আমরা জুনিয়র এশিয়া কাপে খেলে তৃতীয় হয়েছি। এখন সিনিয়র হকিতে খেলতে চাই। যদি এশিয়ান গেমসের বাছাইয়ে অংশ নিয়ে যোগ্যতা অর্জন করতে পারি সেটা দারুণ হবে আমাদের জন্য।’
গত বছর ডিসেম্বরে ওমানে হওয়া জুনিয়র এশিয়া কাপে (অনূর্ধ্ব-২১) অংশ নিয়েছিল বাংলাদেশের মেয়েরা। 'এ' গ্রুপে প্রতিপক্ষ ছিল থাইল্যান্ড, ভারত, চীন ও মালয়েশিয়া। অর্পিতা-আইরিনরা চারটি ম্যাচই হেরেছিল। চীনের কাছে ১৯-০, ভারতের কাছে ১৩-১, থাইল্যান্ডের কাছে ২-১ ও মালয়েশিয়ার কাছে ৬-১ গোলে হেরেছিল লাল সবুজের মেয়েরা। বাংলাদেশের মেয়েরা জুনিয়র এশিয়া কাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল ওই বছর জুনে। সিঙ্গাপুরে হওয়া প্রতিযোগিতায় রানার্সআপ হয় দল। ওই আসরে বাংলাদেশেরে মেয়েরা ৬ ম্যাচের ৫টি জিতেছিল। একটি ম্যাচ হেরেছিল চাইনিজ তাইপের বিপক্ষে।
২০১৯ সালে সিঙ্গাপুরে প্রথমবার জুনিয়র নারী এশিয়া কাপে অংশ নিয়েছিল বাংলাদেশ। প্রথম আসরেই শ্রীলংকাকে ২-০ গোলে হারিয়ে একটি জয়ও পেয়েছিল রিতু-তারিনরা। পাঁচ ম্যাচের একটি জিতে চারটি হেরে ৬ দেশের মধ্যে পঞ্চম হয়েছিল বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের হকির মেয়েরা এখন পর্যন্ত অনূর্ধ্ব-২১ পর্যায়ে তিনটি এবং অনূর্ধ্ব-১৮ পর্যায়ে একটি টুর্নামেন্ট খেলেছে। এবার জাতীয় দলের জার্সি গায়ে খেলার জন্য মুখিয়ে আছেন অর্পিতা-রিমনরা।