১১ আগস্ট ২০২৪, ১০:০৮ এম

ঘরোয়া টুর্নামেন্টের বাইরে বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা এবারই প্রথম দেশের বাইরে জাতীয় দলের বাইরে খেলছেন একটি টুর্নামেন্টে, যেখানে প্রতিপক্ষ হিসেবে তারা পাচ্ছে বিগ ব্যাশের জনপ্রিয় সব দলকে। মেলবোর্ন রেনেগেটসকে হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এই টুর্নামেন্টে দারুণ সূচনা করেছে বাংলাদেশ এইচপি দল। দলের দুই সদস্য পারভেজ হোসেন ইমন ও রাকিবুল হাসানের বিশ্বাস, সামনের পথচলায় এটি তাদের বাড়তি প্রেরণা যোগাবে।
ম্যাচে এইচপির শুরুটা ছিল উড়ন্ত। তবে পাওয়ার প্লেতে তিন উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপেও পড়ে গিয়েছিল। তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে তিনে নামা ইমন খেলেন আগ্রাসী এক ইনিংস। তার মাত্র ৪৮ বলে ৬৯ রানে ভর করে ৬ উইকেটে ১৭৯ রানের বড় স্কোর। বোলারদের দারুণ পারফরম্যান্সে এইচপি দল পায় ৭৭ রানের বিশাল এক জয়।
আরও পড়ুন: পাকিস্তান শাহিন্সের কাছে এইচপির বড় পরাজয়
ম্যাচের পর ইমন বলেছেন, নিজের শক্তির জায়গা কাজে লাগিয়েই ব্যাটিং করে সফল হয়েছেন তিনি। “টার্গেট ছিল নিজের প্রসেসে ব্যাটিং করব। আমাদের দ্রুত কয়েকটি উইকেট চলে গিয়েছিল। এরপর আমরা চেষ্টা করেছি পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যাটিং করার।”
বিগ ব্যাশের দল ছাড়াও এই টুর্নামেন্টে এইচপ দলের সাথে রয়েছে পাকিস্তান শাহিন্স। কঠিন এই প্রতিযোগিতায় মেলবোর্নের মত একটি দলকে হারানো এইচপির জন্য নিঃসন্দেহে বড় এক অর্জনই।
ইমনের তাই আশা, এই ধারা সামনেও বজায় থাকবে। “অবশ্যই এটা আমাদের জন্য ভালো একটা শুরু ছিল। টুর্নামেন্টের শুরুটা এমন একটা জয় খুব ভালো ছিল। এই জয়কে নিয়ে আমরা সামনে এগিয়ে যাবো এবং দেশকে ভালো কিছু দেওয়ার চেষ্টা করবো। এটা একটা ভালো অভিজ্ঞতা আমাদের জন্য। দেশের বাইরে টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট খেলার সুযোগ পেয়েছি। বিগ ব্যাশের দলের বিপক্ষে খেলার সুযোগ হচ্ছে। অবশ্যই এই অভিজ্ঞতা আমাদের সামনে অনেক কাজে দেবে।”

মেলবোর্নকে ১৫.২ ওভারে মাত্র ৯৩ রানে গুটিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে বড় অবদান রাখেন বাঁহাতি স্পিনার রাকিবুল। ৩.২ ওভারে ২১ রানে ৩ উইকেট নেন তিনি। ৩১ রানে দুই উইকেট নেন আরেক স্পিনার। পেসাররাও ভালো করলেও ম্যাচটা অস্ট্রেলিয়ার বলেই স্পিনারদের দারুণ বোলিং এইচপির জন্য ছিল বড় এক পাওয়া।
রাকিবুল জানিয়েছেন, তারা শুধু পরিকল্পনা অনুযায়ী বল করে গেছেন। “এরকম একটা টুর্নামেন্টে জয় দিয়ে শুরু করতে পারাটা দারুণ ব্যাপার। দল হিসেবে এটা আমাদের খুব প্রয়োজন ছিল। আমরা পরিকল্পনা কাজে লাগাতে পেরেছি। বিশেষ কোনো পরিকল্পনা ছিল না। অধিনায়ক যে প্ল্যান দিয়েছিল, আমরা তিনজন স্পিনার ব্যবহার করেছি। তাই আমাদের কার কখন কী করতে হবে, সেটা ভাগ ভাগ করা ছিল। তাই আমরা শুধু চেষ্টা করেছি পরিকল্পনা কাজে লাগাতে। এটা তো সত্যি যে এই ধরণের কন্ডিশনে স্পিনারদের জন্য কাজটা একটু কঠিন।“
No posts available.
১৫ মার্চ ২০২৬, ৫:০৮ পিএম
১৫ মার্চ ২০২৬, ৩:২৮ পিএম
১৫ মার্চ ২০২৬, ২:০২ পিএম

দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে নতুন এক বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন নিউ জিল্যান্ড নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক আমেলিয়া কের। অধিনায়ক হিসেবে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে প্রথম পাঁচ ইনিংসে সবচেয়ে বেশি রান করার কীর্তি গড়েছেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে আজ করেছেন ফিফটি। সব মিলিয়ে টানা তৃতীয় ফিফটি তুলে নিয়ে এই রেকর্ড নিজের করে নেন কের।
নিউ জিল্যান্ডের মাউন্ট মাউঙ্গানুইয়ের বে ওভাল মাঠে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৪৪ বলে ৭৮ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেছেন কের। ইনিংসটির সৌজন্যে অধিনায়ক হিসেবে প্রথম পাঁচ ইনিংসে তাঁর মোট রান দাঁড়ায় ৩০১, যা নারী টি–টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নতুন বিশ্বরেকর্ড।
এর আগে এই রেকর্ড ছিল রোমানিয়ার রেবেকা ব্লেকের দখলে। অধিনায়ক হিসেবে প্রথম পাঁচ ইনিংসে তিনি করেছিলেন ২৫০ রান। এই তালিকায় নিউ জিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক সোফি ডিভাইনও আছেন, তাঁর সংগ্রহ ছিল ২১৭ রান।
ম্যাচে শুরুতেই ধাক্কা খায় নিউ জিল্যান্ড। প্রথম বলেই রান আউট হয়ে শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন ইজি গেজ। তারপর ব্যাটিংয়ে নামেন কের, শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে খেলতে থাকেন। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের ওপর চাপ তৈরি করে দ্রুত রান তোলেন তিনি।
কেরের ইনিংসে ভর করে ৭ উইকেটে ১৯০ রান তোলে নিউ জিল্যান্ড। জবাবে দক্ষিণ আফ্রিকা ২০ ওভারে ৭ উইকেটে করতে পারে ১১০ রান। ফলে ৮০ রানের বড় ব্যবধানে জয় পায় নিউ জিল্যান্ড। অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ম্যাচসেরা হয়েছেন কের।
নিউ জিল্যান্ডের নিয়মিত অধিনায়ক হওয়ার পর থেকেই দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন কের। এর আগে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি–টোয়েন্টি সিরিজে করেছিলেন অপরাজিত ১০১ ও ৮২ রান।

সালমান আলি আগার হালকা ঝুলিয়ে দেওয়া ডেলিভারি ক্রিজ ছেড়ে উড়িয়ে মারলেন তানজিদ হাসান তামিম। লং অফের ফিল্ডার শুধু দাঁড়িয়ে দেখলেন। বল চলে গেল সীমানার ওপারে আর তামিম পৌঁছে গেলেন জাদুকরী তিন অঙ্কে। দুই হাত ছড়িয়ে আকাশপানে তাকিয়ে সারলেন উদযাপন।
মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডেতে চমৎকার সেঞ্চুরি করেছেন তামিম। রোববারের ম্যাচে ৭টি ছক্কা মেরে ৯৮ বলে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রথম শতক পূর্ণ করেছেন বাঁহাতি ওপেনার।
আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ৪৫ টি-টোয়েন্টি ও ৩০টি ওয়ানডে খেলার পর অবশেষে সেঞ্চুরির উষ্ণ ছোঁয়া পেলেন তামিম। এর আগে ওয়ানডেতে তার সর্বোচ্চ ছিল ৮৪ রান, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২০২৪ সালে। এর আগে চলতি সিরিজের প্রথম ম্যাচেও মাত্র ৪২ বলে করেছিলেন অপরাজিত ৬৭ রান।
সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে শুরু থেকেই ইতিবাচক ব্যাটিং করেন তামিম। পাওয়ার প্লের মধ্যেই তার ব্যাট থেকে আসে ৪টি ছক্কা। এর সঙ্গে ৩টি চার মেরে ৪৭ বলে তিনি পূর্ণ করেন পঞ্চাশ রান। সেখান থেকে পরের পঞ্চাশ রান করতে খেলেন ৫১ বল।
ব্যক্তিগত ৭০ রানে পৌঁছানোর পর কিছুটা মন্থর ব্যাটিং শুরু করেন তামিম। একপর্যায়ে পায়ের পেশিতে টান অনুভব করা শুশ্রূষাও নিতে হয় ২৫ বছর বয়সী ওপেনারকে। তবে লড়াইয়ে ক্ষান্ত দেননি ছন্দে থাকা ব্যাটার।
একই ছন্দে এগিয়ে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ ফিফটিকে প্রথম সেঞ্চুরিতে রুপ দিয়েছেন তামিম। এরই মধ্যে তিনি মেরেছেন ৭টি ছক্কা। ওয়ানডেতে বাংলাদেশের কোনো ব্যাটারের এক ইনিংসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড এটি।
২০২০ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিলেটে ১৭৬ রানের ইনিংস খেলার পথে ৮টি ছক্কা মেরেছিলেন লিটন কুমার দাস। এছাড়া ২০১০ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই চট্টগ্রামে ৯৫ রানের ইনিংসে ৭টি ছক্কা মেরেছিলেন তামিম ইকবাল।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ। প্রায় দুই দশকের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটার।
২০০৭ সালে ওয়ানডে ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় করাচিতে জন্ম নেওয়া সরফরাজের। ২০১০ সালে টেস্ট ও টি–টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথমবার মাঠে নামেন। পাকিস্তানের হয়ে তিনি ৫৪ টেস্ট, ১১৭ ওয়ানডে আন্তর্জাতিক ও ৬১ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন সরফরাজ।
তিন সংস্করণ মিলিয়ে সরফরাজ করেছেন ৬ হাজার ১৬৪। এর মধ্যে রয়েছে ৬টি সেঞ্চুরি ও ৩৫টি হাফসেঞ্চুরি। উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়ে নিয়েছেন ৩১৫টি ক্যাচ এবং ৫৬টি স্টাম্পিং করেছেন।
নেতৃত্বেও গুরুত্বপূর্ণ সময় পার করেছেন সরফরাজ। তিন সংস্করণ মিলিয়ে তিনি ১০০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে পাকিস্তানকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে ৫০টি ওয়ানডে, ৩৭টি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক এবং ১৩টি টেস্ট। তাঁর নেতৃত্বেই টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে একসময় বিশ্বের এক নম্বর দল হয়েছিল পাকিস্তান।
সরফরাজের অধিনায়কত্বে পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক সিরিজে টানা ১১টি জয়ের বিশ্বরেকর্ড গড়েছিল। এ সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা, অস্ট্রেলিয়া, নিউ জিল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে একাধিক সিরিজে প্রতিপক্ষকে ধবলধোলাই করে পাকিস্তান।
সরফরাজের বড় অর্জন— তাঁর নেতৃত্বে ২০১৭ সালে ইংল্যান্ডে আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির শিরোপা জেতে পাকিস্তান। লন্ডনের ওভালে ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতকে ১৮০ রানে হারায় তাঁর দল। সেই জয়ে পাকিস্তানের প্রথম অধিনায়ক হিসেবে এই প্রতিযোগিতার শিরোপা জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করেন সরফরাজ।
এর আগে ২০০৬ সালে শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব–১৯ বিশ্বকাপেও পাকিস্তান দলকে শিরোপা জিতিয়েছিলেন সরফরাজ। ফলে বয়সভিত্তিক ও সিনিয়র—দুই পর্যায়ের বিশ্ব প্রতিযোগিতায় শিরোপা জেতা অধিনায়ক হিসেবে অনন্য কীর্তি গড়েন তিনি।
পাকিস্তান ক্রিকেটে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৮ সালে তাঁকে ‘প্রাইড অব পারফরম্যান্স’ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। ব্যক্তিগত রেকর্ডের দিক থেকেও সরফরাজের ঝুলিতে রয়েছে দারুণ অর্জন। ২০১৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জোহানেসবার্গ টেস্টে তিনি এক ম্যাচে ১০টি ক্যাচ নিয়ে পাকিস্তানের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ ক্যাচ নেওয়ার রেকর্ড গড়েন। ২০১৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লর্ডসে ওয়ানডে সংস্করণেসেঞ্চুরি করা পাকিস্তানের একমাত্র উইকেটরক্ষক–ব্যাটারও তিনি।
২০০৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পথচলা শুরু করা সরফরাজ শেষবার পাকিস্তানের হয়ে খেলেন ২০২৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে—পার্থ টেস্টে। অবসরের ঘোষণায় সরফরাজ বলেন, পাকিস্তানের হয়ে খেলা তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মানের বিষয়। সতীর্থ, কোচ, পরিবার ও সমর্থকদের অবিচল সমর্থনের জন্য তিনি কৃতজ্ঞ। একই সঙ্গে ভবিষ্যতেও পাকিস্তান ক্রিকেটের পাশে থাকার কথাও জানিয়েছেন সাবেক অধিনায়ক।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ফিন অ্যালেনের ঝড়ে বিধ্বস্ত হয়ে ধূলিসাৎ হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকার স্বপ্ন। সেদিন হেরে যাওয়ার পর প্রথমবারের মতো নিউ জিল্যান্ডের মুখোমুখি হয়ে, ওই হারেরই যেন বদলা নিলো প্রোটিয়ারা।
মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে রোববারের ম্যাচে নিউ জিল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। লো স্কোরিং ম্যাচে স্বাগতিকদের মাত্র ৯১ রানে অলআউট করে দেয় প্রোটিয়ারা। পরে ২০ বল বাকি থাকতে ম্যাচ জিতে যায় সফরকারীরা।
অবশ্য দুই দলই খেলছে তাদের দ্বিতীয় সারির একাদশ নিয়ে। বিশ্বকাপের পর বিশ্রামে আছেন দুই দেশের মূল ক্রিকেটাররা। চারজন অভিষিক্ত ক্রিকেটার নিয়ে খেলতে নামে দক্ষিণ আফ্রিকা। নিউ জিল্যান্ড দলেও ছিল এক অভিষিক্ত ক্রিকেটার।
আরও পড়ুন
| বাবরদের ৫০ লাখ জরিমানা নিয়ে মুখ খুলল পিসিবি |
|
ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজেদের বিপদই ডেকে আনে নিউ জিল্যান্ড। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে মাত্র ৩৬ রান করতে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি প্রথম চার ব্যাটারের কেউই।
পরে জিমি নিশাম ২১ বলে ২৬, কোল ম্যাকঙ্কি ১১ বলে ১৫, মিচেল স্যান্টনার ১৫ বলে ১৯ রানের ইনিংস খেলে দলকে কোনোমতে একশর কাছে নিয়ে যান। শেষ দিকে ১১ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে অল আউট হয় কিউইরা।
দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন ১৯ বছর বয়সী অভিষিক্ত পেসার কোবানি মোকোয়েনা। এছাড়া জেরাল্ড কুটসিয়া ওটনিয়েল বার্টম্যান ও কেশব মহারাজ নেন ২টি করে উইকেট।
রান তাড়ায় দক্ষিণ আফ্রিকাও তেমন সুবিধা করতে পারেনি। অল্পেই ফিরে যান টনি ডি জর্জি, রুবেন হারমান ও জেসন স্মিথ।
তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে খেলতে থাকেন অভিষিক্ত ওপেনার কনর এস্থেইজেন। চতুর্থ উইকেটে ডিন ফরেস্টারের সঙ্গে ৩৮ রানের জুটি গড়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন তিনি। ২ চার ও ২ ছক্কায় ৪৮ বলে ৪৫ রানে অপরাজিত থাকেন এস্থেইজেন।
মোকোয়েনার হাতে ওঠে ম্যাচ সেরার পুরস্কার।

শেষ ম্যাচে আর কয়েনভাগ্য পাশে পেলেন না মেহেদী হাসান মিরাজ। সিরিজ নির্ধারণী ওয়ানডেতে টস হারল বাংলাদেশ। টস জিতে স্বাগতিকদের আগে ব্যাটিং করতে পাঠালেন পাকিস্তান অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি।
মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রোববার দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে শুরু হবে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে। এই ম্যাচ জেতা দলের হাতেই উঠবে লাল-সবুজে মোড়ানো সুদৃশ্য ট্রফি।
সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচেও নিজেদের একাদশে কোনো পরিবর্তন আনেনি বাংলাদেশ। প্রথম দুই ম্যাচের একাদশ নিয়েই শেষ ম্যাচটি খেলতে নামছে তারা। এ নিয়ে ষষ্ঠবার পুরো সিরিজে একই একাদশ নিয়ে খেলতে নেমেছে বাংলাদেশ।
অন্য দিকে পাকিস্তানের একাদশে পরিবর্তন ৩টি। বাদ পড়েছেন হুসাইন তালাত, শামিল হোসেন ও মোহাম্মদ ওয়াসিম। তাদের জায়গায় অভিষেক হয়েছে মোহাম্মদ গাজী ঘড়ি ও সাদ মাসুদের। একাদশে ফিরেছেন আবরার আহমেদ।
বাংলাদেশ একাদশ
তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন কুমার দাস, তাওহিদ হৃদয়, মেহেদী হাসান মিরাজ, আফিফ হোসেন, রিশাদ হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা
পাকিস্তান একাদশ
সাহিবজাদা ফারহান, মাজ
সাদাকাত, মোহাম্মদ গাজী ঘড়ি, মোহাম্মদ রিজওয়ান, সালমান আলি আগা, আব্দুল সামাদ, সাদ মাসুদ, ফাহিম আশরাফ, শাহিন শাহ আফ্রিদি, হারিস রউফ, আবরার আহমেদ