
বিগ ব্যাশ লিগের দুর্দান্ত বোলিংয়ের ছন্দটা ধরে রাখলেন রিশাদ হোসেন। চমৎকার বোলিংয়ে দুরন্ত একাদশকে অল্পেই আটকে রাখতে তিনি রাখলেন বড় ভূমিকা। আর পরে ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ধুমকেতু একাদশের অনায়াস জয় নিশ্চিত করলেন সাইফ হাসান ও লিটন কুমার দাস।
মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপের প্রথম ম্যাচে দুরন্ত একাদশকে ৮ উইকেটে হারায় ধুমকেতু একাদশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার ম্যাচে আগে ব্যাট করে ১৪৩ রানে গুটিয়ে যায় আকবর আলির দুরন্ত একাদশ।
জবাবে জোড়া ফিফটিতে ১৬.১ ওভারে ম্যাচ জিতে যায় জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের নিয়ে গড়া লিটনের ধুমকেতু একাদশ।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে ঝড়ের আভাস দেন জিসান আলম। তবে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তিনি (৬ বলে ১৪)। পরে আজিজুল হাকিম তামিম ও মাহফিজুল ইসলাম রবিন রানের গতি বাড়াতে পারেননি।
রবিন ৩৬ বলে ৩৯ ও তামিম ১৬ রান করতে খেলে ফেলেন ২১ বল। আরিফুল ইসলাম (২), এসএম মেহেরব হাসান (১৫), আকবর (১৮) ও মাহিদুল ইসলাম (৫) হতাশ করলে আট নম্বরে 'সুপার সাব' হিসেবে জাওয়াদ আবরারকে নামায় দুরন্ত একাদশ।
তবে জাওয়াদও তেমন কিছু করতে পারেননি। জাওয়াদ ৮ বলে ১০ ও আব্দুল গাফফার সাকলাইন ১৫ রান করলে কোনোমতে দেড়শর কাছে যায় আকবরের দল।
লেগ স্পিনের জাদু দেখিয়ে ৪ ওভারে মাত্র ২১ রান খরচ করে ৩ উইকেট নেন রিশাদ।
পরে রান তাড়ায় শুরুতে তানজিদ হাসান তামিমের উইকেট হারায় ধুমকেতু। তবে দলের ওপর চাপ আসতে দেননি সাইফ ও লিটন। দুজন মিলে ৫৩ বলে গড়ে তোলেন ৭৮ রানের জুটি। মাত্র ২৯ বলে ফিফটি করে আউট হন সাইফ। ৪ চারের সঙ্গে ৩টি ছক্কা মারেন তিনি।
শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন লিটন। তার ব্যাট থেকে আসে ১০ চারে ৪৩ বলে ৬৫ রানের ইনিংস।
দুরন্তর হয়ে ২৩ রানে নেন ৩ উইকেট। বোলিং ইনিংসে সুপার সাব হিসেবে নামা নাহিদ রানা ৩ ওভারে খরচ করেন ৩৯ রান।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
দুরন্ত একাদশ: ১৯.৫ ওভারে ১৪৩ (রবিন ৩৯, জিসান ১৪, তামিম ১৬, আরিফুল ২, মেহেরব ১৫, আকবর ১৮, অঙ্কন ৫, জাওয়াদ ১০, সাকলাইন ১৫, রকিবুল ০, রিপন ১*; শরিফুল ৪-০-৩০-২, নাসুম ২-০-১৭-০, সাকিব ৪-০-৩৭-২, মেহেদি ৪-০-১৯-১, মোস্তাফিজ ১.৫-০-১৬-১, রিশাদ ৪-০-২১-৩)
ধুমকেতু একাদশ: ১৬.১ ওভারে ১৪৬/৪ (সাইফ ৫০, তামিম ১৭, লিটন ৬৫*, ইমন ৬, হৃদয় ২, শামীম ২*; রিপন ৩-০-৩৯-১, নাহিদ ৩-০-৩৯-০, রকিবুল ৪-০-২৫-০, সাকলাইন ২.১-০-১৯-০, মেহেরব ৪-০-২৩-৩)
ফল: ধুমকেতু একাদশ ৬ উইকেটে জয়ী
No posts available.
৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৯:৩৭ পিএম
৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮:৪৬ পিএম
৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮:১৩ পিএম
৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৬:২৮ পিএম

বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বর্জনের সিদ্ধান্তের পর পাকিস্তানও ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার ঘোষণা দেয়। তবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সাবেক সভাপতি নাজাম শেঠি মনে করেন, শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান বয়কটের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে পারে। তবে এই সংকটের জন্য সরাসরি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) ভূমিকাকেই দায়ী করেছেন তিনি।
গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর আইপিএল নিলামে মোস্তাফিজুর রহমানকে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে দলে নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স। কিন্তু ৩ জানুয়ারি বিসিসিআইয়ের নির্দেশে বাংলাদেশের এই পেসারকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
মোস্তাফিজ ইস্যু এবং নিরাপত্তা শঙ্কা সামনে এনে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ ভারতের পরিবর্তে শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের অনুরোধ জানায় বিসিবি। তবে আইসিসি সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করলে বিশ্বকাপ বর্জনের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ২৪ জানুয়ারি বাংলাদেশের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে আইসিসি।
আরও পড়ুন
| বিশ্বকাপের আগ মুহূর্তে অসুস্থ নিউ জিল্যান্ডের একাধিক ক্রিকেটার |
|
এই পরিস্থিতিতে বিসিসিআইয়ের সিদ্ধান্তকে দ্বিচারিতা বলে মন্তব্য করেন পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি। পরবর্তীতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠকের পর পিসিবি জানায়, বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জন করবে তারা।
নাজাম শেঠি বলেন, “পিসিবি সরকারকে সবকিছু জানিয়েছে এবং তারা একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ম্যাচের আগে এখনও ১০–১৫ দিন সময় আছে। আমার ধারণা, আলোচনা চলছে এবং আমি আশা করি, সেখান থেকে ইতিবাচক কিছু বেরিয়ে আসবে।”
একই সঙ্গে বিসিসিআইয়ের কঠোর সমালোচনা করেন শেঠি। অতীতের বিতর্কিত ‘বিগ থ্রি’ কাঠামো টেনে এনে তিনি বলেন, “এই সমস্যার মূল কারণ বিসিসিআইয়ের আচরণ। তারা প্রতিটি পর্যায়ে অন্যদের অপমান করে এসেছে। পাকিস্তান একসময় একঘরে হয়ে পড়েছিল, তখন আমরা ছিলাম ১০ সদস্য দেশের একটি, কিন্তু বাকিরা ভারতের পক্ষ নিয়েছিল। আলাদা হয়ে থাকার কোনো লাভ হয়নি।”
তিনি আরও যোগ করেন, “‘বিগ থ্রি’ পরিকল্পনায় অংশ নেওয়ার জন্য আমরা ছিলাম শেষ দল, এবং তখন আমার সঙ্গেই আলোচনা হয়েছিল। আমরা পরিষ্কারভাবে বলেছিলাম—আমরা এই পরিকল্পনার অংশ হতে চাই না।”

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অভিযান শুরুর আগেই বেশ ভুগেছে দুশ্চিন্তায় নিউ জিল্যান্ড। কিউই দলের একাধিক ক্রিকেটার ভাইরাসজনীত সমস্যায় ভুগছেন। চোটের সমস্যার সঙ্গে ভাইরাস সংক্রমণ মড়াঁর ওপর খাড়ার ঘাঁ হিসেবে হাজির হয়েছে।
ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন নিউ জিল্যান্ডের ব্যাটার রাচিন রাভিন্দ্রা ও ডেভন কনওয়ে। এছাড়া, টপ-অর্ডারের ব্যাটার ফিন অ্যালেনও কাঁধের চোট থেকে সেরে ওঠার জন্য বিশ্রামে আছেন। বিশ্বকাপের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি ম্যাচে আগামীকাল মুম্বাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মুখোমুখি হবে নিউ জিল্যান্ড। অসুস্থতার কারণে এই ম্যাচে খেলতে পারছেন না রাভিন্দ্রা ও কনওয়ে। এছাড়া কাঁধের চোটে বিশ্রামে থাকবেন ফিন অ্যালেনও।
নিউ জিল্যান্ডের প্রধান কোচ রব ওয়াল্টার নিশ্চিত করেছেন যে রাভিন্দ্রা ও কনওয়ে দুজনই মুম্বাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে অংশ নিতে পারবেন না। এছাড়া, শীর্ষ-অর্ডারের ব্যাটসম্যান ফিন অ্যালেনও কাঁধের চোট থেকে সেরে ওঠার জন্য বিশ্রামে আছেন।
আরও পড়ুন
| মোস্তাফিজকে দলে পাওয়া সৌভাগ্যের ব্যাপার: লাহোর মালিক |
|
আজ সংবাদ সম্মেলনে ওয়াল্টার বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত, আমাদের দলের মধ্যে কিছু অসুস্থতা রয়েছে। ডেভন ও রাচিন ভাইরাস সংক্রমণে আক্রান্ত, যা আন্তর্জাতিক সফরের একটি স্বাভাবিক অংশই বলা যায়।’
তিনি রাবিন্দ্রোর শারীরিক অবস্থা নিয়ে কিউই কোচ যোগ করেন, ‘রাচিন আমার পাশের রুমে আছে, এবং পুরো রাত ধরে তার অবস্থার কথা শুনে ভালো লাগছে না। মনে হয় সে সত্যিই কষ্টে আছে।’ ভারতে পৌঁছানোর পর থেকে মোমেন্টাম ফিরে পেতে বেগ পেতে হচ্ছে নিউ জিল্যান্ডকে। অসুস্থ আছেন জিমি নিশামও।
ব্ল্যাক ক্যাপসরা প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতার লক্ষ্য নিয়ে আগামী রোববার চেন্নাইয়ে আফগানিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামবে। উদ্বোধনী ম্যাচে পেশীর চোট সেরে ফেরার সম্ভাবনা আছে অলরাউন্ডার মাইকেল ব্রেসওয়েলের।
ভারতের বিপক্ষে সাম্প্রতিক সিরিজ হারের পরও, শেষ টি-টোয়েন্টিতে লুকি ফার্গুসনের দুই উইকেট নেওয়া ওয়াল্টারের জন্য আশার একটি বড় দিক ছিল। অ্যাডাম মিলনের অনুপস্থিতিতে এই পেসার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আশাবাদী নিউ জিল্যান্ড কোচ।
বিশ্বকাপে ‘ডি’ গ্রুপে আছে নিউ জিল্যান্ড। আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের পর মিচেল সেন্টনারের দল মুখোমুখি হবে যথাক্রমে সংযুক্ত আরব আমিরাত, দক্ষিণ আফ্রিকা ও কানাডার।

সরাসরি চুক্তিতে মোস্তাফিজুর রহমানকে দলে পেয়ে ভীষণ খুশি লাহোর কালান্দার্স মালিক সামিন রানা। তার মতে, বাংলাদেশের অভিজ্ঞ এই পেসারের মতো একজনকে পাওয়া সৌভাগ্যের ব্যাপার।
সামনের পিএসএলের জন্য ৬ কোটি ৪৪ লাখ পাকিস্তানি রুপির (বাংলাদেশি মুদ্রায় ২ কোটি ৮১ লাখ টাকার বেশি) বিনিময়ে মোস্তাফিজকে সরাসরি চুক্তিতে দলে নিয়েছে লাহোর। সবশেষ ২০১৮ সালের পিএসএলে লাহোরের হয়েই খেলেছিলেন বাংলাদেশের কাটার মাস্টার।
এর আগে ২০১৬ সালে পিএসএলের প্রথম সংস্করণে মোস্তাফিজকে দলে নিয়েছিল লাহোর। তবে সেবার অনাপত্তিপত্রের ঝামেলায় পিএসএল খেলতে যাওয়া হয়নি বাঁহাতি পেসারের। প্রায় ৮ বছর পর আবার পিএসএল খেলতে দেখা যাবে তাকে।
মোস্তাফিজকে দলে নিয়ে আনন্দের শেষ নেই লাহোর মালিকের। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলটির পেজে দেওয়া ভিডিওবার্তায় নিজের অনুভূতি জানিয়েছেন সামিন রানা।
আরও পড়ুন
| ‘বাংলাদেশি ভাই’ মোস্তাফিজকে সরাসরি দলে নিলো লাহোর |
|
“স্পষ্টতই তিনি (মোস্তাফিজ) পাকিস্তান সুপার লিগের জন্য যেমন বড় নাম, তেমনি বিশ্ব ক্রিকেটেরও বড় নাম। তাকে দলে নেওয়া যে কোনো দলের জন্যই অনেক সম্মানের বিষয়। তাছাড়া তার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক এবং ভালোবাসা অনেক পুরোনো।”
“১০ বছর আগে যখন পিএসএল শুরু হয়, আমার মনে আছে গোল্ড ক্যাটাগরিতে লাহোর কালান্দার্সের প্রথম পিক ছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। দুর্ভাগ্যবশত তখন তিনি আসতে পারেননি। এনওসি সংক্রান্ত কিছু সমস্যা ছিল। তবে দুই বছর পর তিনি আসেন। আমরা তাকে দলে পেয়ে দারুণ উপভোগ করেছি। এখন বিশ্বজুড়ে যেভাবে তিনি পারফর্ম করছেন, অসাধারণ।”
এসময় সামিন রানা বলেন, মোস্তাফিজকে দলে পাওয়া তাদের জন্য সৌভাগ্যের ব্যাপার।
“আমি মনে করি, মোস্তাফিজের মতো একজন খেলোয়াড় পাওয়া লাহোরের জন্য সত্যিই সৌভাগ্যের ব্যাপার। যখন মোস্তাফিজ পিএসএলে সাইন করেছিল, তখনই আমাদের মাথায় ছিল যে আমরা তাকে নিতে চাই।”
“স্বাভাবিকভাবেই প্রথম বাধা ছিল রিটেনশন। সেটা হয়ে যাওয়ার পর আমরা আমাদের দলে কোথায় ফাঁক আছে, কোথায় মোস্তাফিজকে সবচেয়ে ভালোভাবে ফিট করানো যায়- সেটা দেখেছি। আর ফিজ সেখানে একদম আদর্শভাবে মানিয়ে যাচ্ছে।”
মোস্তাফিজের আগে শাহিন শাহ আফ্রিদি, আব্দুল্লাহ শফিক, সিকান্দার রাজা ও মোহাম্মদ নাঈমকে দলে নিয়েছে লাহোর। আফ্রিদির সঙ্গে মোস্তাফিজের জুটি বাধার অপেক্ষায় রোমাঞ্চিত সামিন রানা।
“আমি সত্যিই ভীষণ রোমাঞ্চিত শাহিন ও ফিজের কম্বিনেশনটা দেখার জন্য। ডেথ ওভার হোক বা মিডল ওভার, তাদের পারফরম্যান্স, বিশেষ করে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সগুলো ছিল দুর্দান্ত।”
আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি হবে পিএসএলের নিলাম। আর ২৬ মার্চ থেকে শুরু হবে পিএসএলের ১১তম সংস্করণ।

পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) শুরু হচ্ছে ২৬ মার্চ। এর আগে ১১তম আসরের নিলাম অনুষ্ঠিত হবে ১১ ফেব্রুয়ারি। নিলামের আগে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো খেলোয়াড়দের সরাসরি দলে ভেড়ানোর সুযোগ পাচ্ছে।
নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি শিয়ালকোট স্ট্যালিয়নজ অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার স্টিভেন স্মিথকে সরাসরি চুক্তিতে দলে নিয়েছে। স্মিথের জন্য ফ্রাঞ্চাইজিটি খরচ করছে প্রায় ১৮ কোটি ৫০ লাখ পাকিস্তানি রুপি, যা পিএসএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এর ফলে তিনি বাবর আজমের বেতনের দ্বিগুণ বেতন পাচ্ছেন। প্লাটিনাম ক্যাটাগরিতে থাকা পাকিস্তানি ব্যাটার পাবেন ৭০ মিলিয়ন পাকিস্তানি রুপি।
পিএসএলে দুটি নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি যুক্ত হওয়ার কারণে পুরোনো দলের রিটেনশন কোটা ৮ থেকে কমিয়ে ৪ করা হয়েছে। যাতে তারা চারটি ক্যাটাগরির মধ্যে একজন করে খেলোয়াড় রিটেইন করতে পারে। সম্প্রতি রিটেইন করা খেলোয়াড়দের তালিকা প্রকাশ হয়েছে, যেখানে চারটি ফ্র্যাঞ্চাইজির প্লাটিনাম ক্যাটাগরির খেলোয়াড়দের বেতন ৭ কোটি রুপি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। তবে সূত্র মতে, কিছু ক্রিকেটার আনুষ্ঠানিক ঘোষিত বেতনের চেয়ে বেশি পাচ্ছেন।
আরও পড়ুন
| পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কট নিয়ে মুখ খুললেন সূর্যকুমার |
|
৩৬ বছর বয়সী স্মিথ সম্প্রতি শেষ হওয়া বিগ ব্যাশে দারুণ ছন্দে ছিলেন। এই আসরে তিনি করেছেন ২৯৯ রান, গড় প্রায় ৬০ এবং স্ট্রাইক রেট ১৬৭.৯৭। একটি সেঞ্চুরি ও দুটি হাফ-সেঞ্চুরি রয়েছে তার সংগ্রহে। স্মিথ বেশ কয়েকটি ম্যাচে পাকিস্তানের বাবর আজামের সঙ্গে ওপেনিং করেছেন।
শিয়ালকোট স্ট্যালিয়নজ দলে স্পষ্ট অস্ট্রেলিয়ান প্রভাব দেখা যাচ্ছে। পাকিস্তানি-বংশোদ্ভূত অস্ট্রেলিয়ান ব্যবসায়ী হামজা মাজিদের মালিকানাধীন দলটি ১৮৫ কোটি পাকিস্তানি রুপি ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি দিয়ে কেনা হয়েছে, যা পিএসএলের আটটি দলের মধ্যে সর্বোচ্চ। এছাড়া সাবেক অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক টিম পেইনকে ২০২৬ মৌসুমের প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
স্টিভেন স্মিথকে দলে পাওয়ার বিষয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে টিম পেইন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, “সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়দের একজন এখন পিএসএল স্ট্যালিয়নজের অংশ। আমাদের ফ্র্যাঞ্চাইজি এবং পিএসএল টি–টোয়েন্টির জন্য এটি বিশাল অর্জন।”

আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে গ্রুপপর্বের ম্যাচটি খেলবে না পাকিস্তান। পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আলী আগা বিষয়টি ছেড়ে দিয়েছেন ক্রিকেট বোর্ডের হাতেই। এবার আলোচিত এই প্রসঙ্গ নিয়ে নিজের মতামত জানালেন ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব।
পাকিস্তান ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিলেও, সূর্যকুমার স্পষ্ট করেছেন যে ভারতীয় দল তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোবে এবং ইতিমধ্যেই কলম্বো যাওয়ার জন্য টিকিটও বুক করা হয়েছে। বিশ্বকাপে অধিনায়কদের নিয়ে করা অনুষ্ঠানে আজ ভারতের অধিনায়ক বলেন, ‘আমাদের অবস্থা পরিষ্কার… আমরা খেলতে না বলিনি। ওরা না বলেছে। আইসিসি সূচি দিয়েছে। আমাদের কলম্বোর ফ্লাইট বুক করা আছে, আমরা যাচ্ছি। বাকিটা পরে দেখব।’
পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্ত ক্রিকেটের জন্য ভালো কি না এমন প্রশ্নের জবাবে পাকিস্তান অধিনায়ক আগার মতোই জবাব দিলেন সূর্যকুমার। জানালেন এটি তাঁর নিয়ন্ত্রণের বাইরে, ‘তাদের সিদ্ধান্ত আমার নিয়ন্ত্রণে নেই। আমাদের ১৫ তারিখ খেলা হবে বলে জানানো হয়েছে। আমরা এশিয়া কাপের সময় তিনবার নিরপেক্ষ ভেন্যুতে তাদের সঙ্গে খেলেছি। যদি কলম্বোতে সুযোগ আসে, আমরা আবার খেলব।’
আরও পড়ুন
| বিশ্বকাপে চাপে থাকবে ভারত, বললেন ডি ভিলিয়ার্স |
|
এর আগে, পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সালমান আলি আগা জানিয়েছিলেন যে, পাকিস্তান দল ভারত ম্যাচ বয়কট বিষয়ে সরকারের নির্দেশনা মেনে চলবে। আগা বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে খেলা আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। এটি সরকারের সিদ্ধান্ত, আমরা তা সম্মান করি। যা কিছু তারা বলবে, আমরা তা করব।’
পাকিস্তান গ্রুপ পর্বে ভারতের সঙ্গে খেলছে না, কিন্তু টুর্নামেন্টে নকআউট পর্বেও দুই দলের দেখা হতে পারে। এমনটা হলে পাকিস্তান কী করবে সেই প্রশ্নের উত্তরও দিতে হয়েছে সালমানকে, ‘যদি সেমিফাইনাল বা ফাইনালে তাদের বিপক্ষে খেলতে হয়, তাহলে আমাদের সরকারের কাছে যেতে হবে এবং তাদের পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করতে হবে।’
গ্রুপ ‘এ’ তে পাকিস্তানের সঙ্গে ভারত ছাড়া একই গ্রুপে আছে নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাষ্ট্র ও নামিবিয়া।