২৬ আগস্ট ২০২৫, ১:০১ পিএম

সবশেষ ইংল্যান্ড সফরে ভারতের সেরা বোলার ছিলেন মোহাম্মদ। পাঁচ ম্যাচে ২৩ উইকেট নিয়ে তিনিই ছিলেন সিরিজের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি। চোট শঙ্কায় জাসপ্রিত বুমরাহকে বিশ্রাম দিয়ে খেলানো হয় সিরিজে। আর এই সুযোগেই নিজেকে নতুন মাত্রায় নিয়ে যান সিরাজ।
দলের সিনিয়র পেসারের অনুপস্থিতিতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে সিরাজ যেন প্রমাণ করেন, চাপের সময়েই সেরা পারফরম্যান্স বেরিয়ে আসে তার।
ওই সিরিজে দুইটি ম্যাচ খেলেননি বুমরাহ। আর ওই দুই ম্যাচেই সিরাজের শিকার ১৬ উইকেট। ইনিংসে ৫ উইকেট নেন দুবার। একবার নেন ৪ উইকেট। ওভালে শ্বাসরুদ্ধকর জয়ের ম্যাচে সিরাজই জেতেন ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার।
আরও পড়ুন
| বাংলাদেশের বিপক্ষে নেদারল্যান্ডস দলে ১৭ বছরের ব্যাটার |
|
আর বুমরাহসহ খেলা তিন ম্যাচে পাঁচ ইনিংস বোলিং করে মাত্র ৭ উইকেট পান সিরাজ। এতেই স্পষ্ট, বুমরাহ না থাকলেই ভালো খেলেন ৩১ বছর বয়সী পেসার। কিন্তু এর কারণ আসলে কী?
রেভস্পোর্টজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সেটিই জানালেন সিরাজ।
“যখন আমার ওপর দায়িত্ব আসে, তখন পারফরম্যান্স অন্য মাত্রা পায়। দায়িত্ব আমাকে আলাদা আনন্দ দেয়, আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। এজবাস্টনে বলছিলাম, 'আমাকে নিয়ে অনেক কথা হচ্ছিল, এবার সেই সব কথা থামানোর সময় এসেছে।' আমি সাধারণত এসব শুনি না, কারণ মানুষ আমার সংগ্রাম জানে না। তবে এবার ঠিক করেছিলাম মাঠেই সব জবাব দেব।”
সেই জবাবটা দারুণভাবে দেন সিরাজ। প্রথম ইনিংসে ৭০ রানে ৬ উইকেট নিয়ে ভারতকে বড় লিড এনে দেন অভিজ্ঞ পেসার। ওই ম্যাচেও ছিলেন না বুমরাহ। দুই ইনিংস মিলিয়ে ৭ উইকেট নিয়ে ভারতের জয়ে বড় অবদান রাখেন সিরাজ।
তিনি বলেন, বুমরাহর অনুপস্থিতিতে দলের ভেতরে বিশ্বাস জাগাতে নিয়েছিলেন বাড়তি উদ্যোগ।
আরও পড়ুন
| টিকেটের দাম অর্ধেক করে দিলো বিসিবি |
|
“জাসসি ভাই (বুমরাহ) না থাকায় আমি চেষ্টা করেছি ড্রেসিংরুমে ইতিবাচকতা ছড়াতে। আকাশ দীপসহ সতীর্থদের বলতাম, আমরা পারব। আমরা আগেও দেখিয়েছি, আবারও দেখাতে পারব।”
No posts available.
২৬ মার্চ ২০২৬, ১০:১০ এম

আইপিএল ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের ক্রিকেট নিয়ন্তা সংস্থা (বিসিসিআই)। গত বছর ৪ জুন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু প্রথম বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার উৎসব চলাকালীন পদপিষ্ট হয়ে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছিল। নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এ বছরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিসিআই।
২৮ মার্চ শুরু হতে যাওয়া আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে চিন্নাস্বামি স্টেডিয়ামে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু মুখোমুখি হবে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের। ম্যাচের আগে কোনো অনুষ্ঠান বা উদযাপন থাকবে না। তবে, বিসিসিআই এবং আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিল ফাইনালের দিন জমকালো সমাপনি অনুষ্ঠান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বোর্ড সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘টাইমস অফ ইন্ডিয়া’ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিসিসিআইয়ের সচিব সাইকিয়া বলেন, `গত বছরের ৪ জুনে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কারণে, আইপিএল ২০২৬-এর উদ্বোধনী দিনে কোনো আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠান হবে না। ওই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো মানুষের প্রতি সম্মান হিসেবে বিসিসিআই কোনো সাংস্কৃতিক বা বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান আয়োজন করছে না।’
সাইকিয়া টাইমস অব ইন্ডিয়াকে জানিয়েছেন, আইপিএলের সমাপনী দিনে একটি বৃহৎ বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
গত আইপিএলে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্স-এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছিল। যেখানে বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খান, গায়িকা শ্রেয়া ঘোষাল ও সঙ্গীতশিল্পী কারণ অউজলা পারফর্ম করেছিলেন, পাশাপাশি অভিনেত্রী দিশা পাটানির নৃত্য পরিবেশনা ছিল।
এর আগে ২০১৯ সালে পুলওয়ামা হামলায় প্রায় ৪০ জন সিআরপিএফ জওয়ান নিহত হওয়ার পর বিসিসিআই আইপিএল-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বাতিল করেছিল। তখন বোর্ডের দায়িত্বে ছিল সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত কমিটি অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটরস। সেবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জন্য বরাদ্দ অর্থ নিহতদের পরিবারকে দান করা হয়েছিল।

মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার সকালটা ছিল অন্যরকম। স্বাধীনতা দিবস প্রীতি ম্যাচে নিজেদের খেলোয়াড়ি জীবনে ফিরে গেলেন দেশের সাবেক ক্রিকেটাররা। তাদের উপস্থিতিতে হোম অব ক্রিকেটে যেন বসেছে এক মিলনমেলা।
সেই আনন্দ উদযাপনের প্রীতি ম্যাচে ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছেন মোহাম্মদ রফিক ও নাসিরউদ্দিন ফারুক সজীব। আর বাঁহাতি স্পিনের জাদু দেখিয়েছেন রফিক ও ইলিয়াস সানি। তাদের নৈপুণ্যে বিসিবি সবুজ দলের বিপক্ষে ১২৩ রানের বিশাল ব্যবধানে জিতেছে বিসিবি লাল দল।
প্রতি বছরই মিরপুরে স্বাধীনতা দিবস ও বিজয় দিবসে সাবেক ক্রিকেটারদের প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করে বিসিবি। এবারও সেই ধারাবাহিকতা ধরে রেখে খেলতে নামেন সাবেক ক্রিকেটাররা।
আরও পড়ুন
| অধিনায়কের সঙ্গে বাজি ধরে প্রোটিয়া তরুণের চমক |
|
সবুজ দলের ক্রিকেটাররা সবাই পরেন ২৬ নম্বর জার্সি আর লাল দলের ক্রিকেটারদের গায়ে ছিল ৭১ নম্বর জার্সি। দেশের ইতিহাসে বহুল তাৎপর্যপূর্ণ এই সংখ্যা দুইটি।
ম্যাচে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২১৩ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় লাল দল। মেহরাব হোসেন অপি ৭ বলে ২ রান করে আউট হলেও বাকিরা ঠিকই ঝড় তোলেন।
নাসিরউদ্দিন ফারুক ৫৩ বলে ৮৪ (৫ চার ও ৬ ছক্কা) মোহাম্মদ আশরাফুল ২২ বলে ২৫ (২ চার ও ১ ছক্কা), রফিক ২৪ বলে ৫০ (৪ চার ও ৪ ছক্কা) ও ডলার মাহমুদের ব্যাট থেকে আসে ৯ বলে ২৭ (৪ ছক্কা) রান।
সবুজ দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন ফয়সাল হোসেন ডিকেন্স।
রান তাড়ায় সানির ঘূর্ণিতে রীতিমতো মুখ থুবড়ে পড়ে সবুজ দলের ব্যাটিং। শাহরিয়ার নাফীস ১৯ বলে ৩৩ (৪ চার ও ২ ছক্কা) ও আব্দুর রাজ্জাক ১৪ বলে ১৮ (২ ছক্কা) ছাড়া আর কেউ দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি।
৪ ওভারে ২০ রানে ৫ উইকেট নেন সানি। আর ব্যাট হাতে ঝড় তোলার পর বোলিংয়েও ৩.২ ওভারে ১৮ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন রফিক।

পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) ক্রিকেটের নতুন মৌসুম শুরুর আগে নিজেদের বোলিং বিভাগ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন পেশাওয়ার জালমির অধিনায়ক বাবর আজম। তার মতে, এবারের বোলিং আক্রমণ দিয়ে গতবারের ব্যর্থতা কাটিয়ে উঠবে দল।
পিএসএলের নতুন সংস্করণে পেশাওয়ার দলে আছেন বাংলাদেশের দুই পেসার শরিফুল ইসলাম ও নাহিদ রানা। এছাড়া আমির জামাল, খুররাম শাহজাদ, শাহনাওয়াজ দাহানি, সুফিয়ান মুকিম, মাইকেল ব্রেসওয়েলদের নিয়ে সাজানো হয়েছে দলটির বোলিং বিভাগ।
টুর্নামেন্ট শুরুর আগের দিন অধিনায়কদের সংবাদ সম্মেলনে নিজ দলের বোলিং বিভাগ নিয়ে সন্তুষ্টির কথা বলেছেন বাবর।
“গত মৌসুমগুলোতে আমরা বোলিং আক্রমণের কারণে ভুগেছি। তবে এবার নতুন ক্রিকেটারদের নিয়ে আমরা বোলিং আক্রমণ শুধরে নিয়েছি। মাঠে নিজেদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করব আমরা।”
“পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করাটাই মূল ব্যাপার। আমরা বোলিংয়ে কোন সমন্বয় নিয়ে নামছি সেটা ব্যাপার না, আমরা যদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে না পারি, তাহলে সেটি কোনো কাজে দেবে না। তো আল্লাহর ইচ্ছায় আমরা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এগোচ্ছি।”
২০১৭ সালের পর আর পিএসএলের শিরোপা জিততে পারেনি জালমি। এর বড় কারণ বোলিং ব্যর্থতা। গত পাঁচ আসরে তারা ১৪ বার প্রতিপক্ষের কাছে ২০০-র বেশি রান হজম করেছে। এবার সেটি থেকে ঘুরে দাঁড়ানোরই লক্ষ্য বাবরদের।
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে শনিবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে নবাগত রাওয়ালপিন্ডি পিন্ডিজের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলবে জালমি। এই দলে শরিফুল-নাহিদ ছাড়াও আছেন বাংলাদেশের তানজিদ হাসান তামিম।

মোস্তাফিজুর রহমানকে দল থেকে বাদ দেওয়ার পর একের পর এক ইনজুরির ধাক্কা খাচ্ছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। সবশেষ ছিটকে যাওয়া হার্শিত রানার জায়গায় প্রায় দুই বছর ধরে আইপিএল না খেলা পেসারকে দলে নিলো দুইবারের চ্যাম্পিয়নরা।
হাঁটুর চোটে আগে এবারের আইপিএল থেকে ছিটকে গেছেন তরুণ পেসার রানা। তার জায়গায় ৭৫ লাখ ভারতীয় রুপিতে কলকাতায় যোগ দিয়েছেন নবদীপ সাইনি। ২০২৩ সালের পর আর আইপিএল খেলেননি ৩৩ বছর বয়সী সাবেক ভারতীয় পেসার।
ভারতের হয়ে ২ টেস্ট, ৮ ওয়ানডে ও ১১ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন সাইনি। তবে ২০২১ সালের পর জাতীয় দলে আর সুযোগ হয়নি তার। আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ও রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে পাঁচ সংস্করণ মিলিয়ে তিনি খেলেছেন ৩২ ম্যাচ, নিয়েছেন ২৩ উইকেট।
আরও পড়ুন
| আইপিএল শুরুর আগে আলোচনায় ‘অসম্পূর্ণ ক্যাচ’ ও ‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার’ |
|
এর আগে চোটের কারণে ছিটকে গেছেন কলকাতার আরেক পেসার আকাশ দীপ। আর কাফ মাসলের চোটে আইপিএলের শুরুর অংশ থেকে বাদ পড়ে যান শ্রীলঙ্কান পেসার মাথিশা পাথিরানা। এর আগে মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়ায় আরও কমে কলকাতার পেসার সংখ্যা।
ইনজুরির এই মিছিলে আকাশে জায়গায় সৌরভ দুবে ও বিদেশি পেসার হিসেবে ব্লেসিং মুজারাবানিকে দলে নিয়েছে কলকাতা।
অন্য দিকে গুজরাট টাইটান্স দলে এসেছে এক পরিবর্তন। অনভিষিক্ত বাঁহাতি পেসার পৃথ্বি রাজ ইয়ারার জায়গায় ৩০ লাখ রুপিতে সুযোগ পেয়েছেন কুলওয়ান্ত খেজরোলিয়া। গত মৌসুমেও গুজরাটের সঙ্গেই ছিলেন কুলওয়ান্ত।

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ক্রিকেটের নতুন সংস্করণ শুরুর আগে ক্যাচ ধরা নিয়ে ফিল্ডারদের নড়াচড়া ও নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে আয়োজকরা। অধিনায়কদের স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, বল হাতে নেওয়ার পর ফিল্ডারের শরীর ও বল- দুটোর ওপরই পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ না আনা পর্যন্ত ক্যাচ সম্পূর্ণ বলে ধরা হবে না এবং তার আগে উদযাপনও শুরু করা যাবে না।
বুধবার বিসিসিআইয়ের এক বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে অধিনায়কদের বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়। প্রায় ৯০ মিনিটের ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন ম্যাচ রেফারি ও আম্পায়ারিং বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তারা। সেখানে সাম্প্রতিক টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপসহ বিভিন্ন ম্যাচের কয়েকটি ভিডিও দেখানো হয়, যেগুলোতে ক্যাচ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।
এসব উদাহরণ দেখিয়ে কর্মকর্তারা বোঝান, ফিল্ডারের শরীরের ভারসাম্য ও নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত না হলে ক্যাচ বৈধ ধরা হবে না।
আরও পড়ুন
| আইপিএলে কেন টাকা ঢালছেন আমেরিকান বিনিয়োগকারীরা |
|
আইপিএলের প্লেয়িং কন্ডিশনের ধারা ৩৩.৩-এ বলা আছে, বল প্রথমবার কোনো ফিল্ডারের শরীরের সংস্পর্শে আসার মুহূর্ত থেকে ক্যাচ নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে। ফিল্ডার যখন বল ও নিজের চলাচলের ওপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ আনবেন, তখনই সেই প্রক্রিয়া শেষ হবে।
যদিও নিয়মটি নতুন নয়, তবে এবারের আসরে এর কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে আগাম সতর্ক করা হয়েছে দলগুলোকে। অধিনায়কদের ব্রিফিং দেন ভারতের সাবেক পেসার ও আইসিসির ম্যাচ রেফারি জাভাগল শ্রীনাথ এবং আন্তর্জাতিক আম্পায়ার নীতিন মেনন।
আলোচনায় আসে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার নিয়মও। ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে জানানো হয়, এই নিয়ম অন্তত আরও দুই মৌসুম বহাল থাকবে এবং ২০২৭ সালের আগে এটি পুনর্বিবেচনার কোনো পরিকল্পনা নেই। এই নিয়মে অবশ্য সব পক্ষ একমত নয়। দিল্লি ক্যাপিটালসের অধিনায়ক অক্ষর প্যাটেল প্রকাশ্যে এর বিরোধিতা করেছেন।
তার মতে, এই নিয়মের কারণে দলে অলরাউন্ডারের গুরুত্ব কমে যাচ্ছে। আগে ব্যাটিং ও বোলিং- দুই দিকেই অবদান রাখতে পারে এমন খেলোয়াড়দের অগ্রাধিকার দেওয়া হতো, এখন দলগুলো নির্দিষ্ট ভূমিকার ক্রিকেটারদেরই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
তবে বিসিসিআই ও আইপিএল কর্তৃপক্ষের অবস্থান স্পষ্ট- দর্শক আকর্ষণ ও কৌশলগত বৈচিত্র্য বাড়াতে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার নিয়ম কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে, তাই আপাতত এটি বহাল থাকছে।