
পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক বাবর আযমের বিরুদ্ধে মামলার নিম্ন আদালতের আদেশ বাতিল করেছেন লাহোর হাই কোর্ট। বৃহস্পতিবার দীর্ঘ শুনানি শেষে হাই কোর্ট বাবরের পক্ষে আবেদন মঞ্জুর করে নিম্ন আদালতের আদেশ বাতিল করেন।
বাবরের আইনজীবী হারিস আজমত জানান, ২০১৮ সালে পাকিস্তানের ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির ভিত্তিহীন অভিযোগ দায়ের করেছিলেন এক নারী। পরে অভিযোগকারী বাবরের কাছে অর্থের দাবি করলে, তিনি তা না দেওয়ায় জাস্টিস অব পিসের কাছে আবেদন দায়ের করেন। জাস্টিস অব পিস বাবরের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রেজিস্টার করার নির্দেশ দেন।
বাবরের আইনজীবী আদালতকে জানান, দীর্ঘ শুনানি শেষে হাই কোর্ট বাবরের পক্ষে আবেদন মঞ্জুর করে এবং নিম্ন আদালতের আদেশ বাতিল ঘোষণা করেছে।
২০১৮ সালে বাবরের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তা, শারীরিক নির্যাতন ও বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ করেছেন এক তরুণী। ওই তরুণীর অভিযোগ ছিল, বাবর তার স্কুল সময়ের বন্ধু। বছরের পর বছর বাবর তাকে ব্যবহার করেছেন, নিজের যাবতীয় খরচের টাকা নিয়েছেন। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ করেছেন। বাবরের ধর্ষণে তিনি একবার অন্তঃসত্ত্বাও হয়ে পড়েছিলেন। যদিও শেষ পর্যন্ত তার সে অভিযোগ ভেস্তে গেছে।
No posts available.
১৩ মার্চ ২০২৬, ৩:০৪ পিএম
১৩ মার্চ ২০২৬, ১২:১০ পিএম
১৩ মার্চ ২০২৬, ১১:৩৪ এম
১২ মার্চ ২০২৬, ১০:১৯ পিএম

ম্যাচের টিকিটের বাড়তি দাম নিয়ে সমর্থকদের দীর্ঘদিনের অভিযোগের প্রেক্ষাপটে বড় প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সাবেক কোচ হুয়ান লাপোর্তা। বার্সেলোনার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে তিনি জানিয়েছেন, মৌসুমি টিকিট না (নন-সিজন টিকিট হোল্ডারস) থাকা দর্শকদের জন্য ম্যাচের টিকিটে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হবে।
সভাপতি নির্বাচনের আগে বিতর্কে লাপোর্তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ভিক্তর ফন্ত ক্লাবের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আলোচনায় উঠে আসে দলের ক্রীড়া পরিকল্পনা, ক্লাবের বিভিন্ন বিভাগের পরিচালনা, ভবিষ্যৎ খেলোয়াড় কেনাবেচা এবং আগামী বছরগুলোতে ক্লাবের সামগ্রিক দিকনির্দেশনা।
তবে বিতর্কের সবচেয়ে আলোচিত বিষয় ছিল মাঠে গিয়ে খেলা দেখার ক্রমবর্ধমান খরচ। বিশেষ করে যেসব সমর্থকের মৌসুমি টিকিট নেই, তাদের জন্য ম্যাচ দেখতে যাওয়া এখন অনেক ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে।
আরও পড়ুন
| ধর্ষণ মামলা থেকে মুক্তি বাবরের |
|
এই প্রসঙ্গেই লাপোর্তাকে সরাসরি প্রশ্ন করেন ফন্ত। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, ‘চার সদস্যের একটি পরিবারকে যদি বার্সেলোনা ও সেভিয়ার ম্যাচ দেখতে যেতে ৬৩৬ ইউরো খরচ করতে হয়, তাদের আপনি কী বলবেন?’
এই প্রশ্নের মাধ্যমে সমর্থকদের দীর্ঘদিনের একটি অসন্তোষ সামনে চলে আসে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে টিকিটের দাম বাড়তে থাকায় অনেক সমর্থকই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। জবাবে লাপোর্তা স্বীকার করেন, গত কয়েক বছরে ক্লাবটি কঠিন আর্থিক সময় পার করেছে। সেই পরিস্থিতির প্রভাব অনেক সিদ্ধান্তের ওপর পড়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তবে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলে আশাবাদী লাপোর্তা। তিনি বলেন, ‘আমরা কঠিন সময় পার করে এখন ক্লাবকে আবার দাঁড় করিয়েছি। এখন থেকে মৌসুমি টিকিটধারী নন—এমন সমর্থকদের জন্য ম্যাচের টিকিটে ৫০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হবে।’
লাপোর্তা আরও যোগ করেন, ‘আমি শুধু কথা বলছি না। আমরা ইতিমধ্যে ভালো কাজ করেছি এবং এখন স্থিতিশীলতার একটি পর্যায়ে প্রবেশ করছি।’
লাপোর্তার এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে বড় ম্যাচের টিকিটের দাম নিয়ে সমর্থকদের যে চাপ রয়েছে, তা অনেকটাই কমে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। আগামী পরশু হবে বার্সেলোনার নির্বাচন।

চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগে পিএসজির কাছে ৫-২ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছে চেলসি। বুধবার প্যারিসের পার্ক দেস প্রিন্সেসে মাঠের সেই ম্যাচে তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে বল বয়কে ধাক্কা দেন পেদ্রো নেতো। এ ঘটনায় ম্যাচ শেষে ৩৫ বার ক্ষমা চান চেলসি উইঙ্গার।
ক্ষমাপ্রার্থনার পরও শৃঙ্খলভঙ্গের কারণে নেতোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে ইউয়েফা। ইউয়েফা জানিয়েছে, নেতোর বিরুদ্ধে “অখেলোয়াড়ি আচরণ” এর অভিযোগে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং তাদের নিয়ম অনুযায়ী তদন্ত চলছে।
ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আরও জানিয়েছে, উপযুক্ত সময়ে শৃঙ্খলাপরায়ণ সংস্থাগুলো এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন
| ইরানের বিশ্বকাপ বয়কট, সুর বদলে কঠোর ট্রাম্প |
|
নেতো অবশ্য ম্যাচের দিনই এই ঘটনার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। তিনি বলেছেন, “আমি এমন মানুষ নই। এটা আমার ইমোশনের কারণে হয়ে গেছে এবং আমি ক্ষমা চাইছি।’’
নেতোর ফরাসি ভাষায় দক্ষতা কম হওয়ায় তার জাতীয় দলের সতীর্থ ও পিএসজি তারকা ভিতিনহা মধ্যস্থতা করতে এগিয়ে আসেন। তিনি ওই বল বয়কে বুঝিয়ে বলেন, নেতো আসলে শান্ত স্বভাবের মানুষ।
সেই বল বয়ের কাছে ৩৫ বার ক্ষমা চাওয়ার কথা জানিয়ে নেতো বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত সে (বল বয়) হেসেছে। আমি তাকে আমার জার্সি দিয়েছি এবং অন্তত ৩৫ বার 'সরি' বলেছি। সে বিষয়টি বুঝতে পেরেছে এবং এখন খুশি।’
চেলসির কোচ লিয়াম রোরেনিয়রও এই ঘটনার জন্য ক্লাবের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ক্ষমা চেয়েছেন।

অ্যাস্টন ভিলা কোচ হিসেবে নতুন এক রেকর্ড গড়লেন উনাই এমেরি। ইউরোপা লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগে লিলকে হারানোর ম্যাচে ভিলার হয়ে শততম জয় পান তিনি। ক্লাবের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে এই মাইলফলকে পৌঁছানোর কৃতিত্ব এখন এমেরির।
২০২২ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ভিলাকে ইউরোপের প্রতিযোগিতায় শক্তিশালী করে তুলেছেন এমেরি। ৫৪ বছর বয়সী এই স্প্যানিশ কোচের জয়ের হার ক্লাব ইতিহাসে সর্বোচ্চ—৫৫ দশমিক ২ শতাংশ।
ভিলা পার্কের হয়ে ১০০ জয়ের মাইলফলকে পৌঁছানো কোচদের তালিকায়ও আছেন এমেরি। এই তালিকায় তার চেয়ে বেশি জয় রয়েছে পেপ গার্দিওলা ও মিকেল আরতেতার।
শততম জয় নিয়ে খুব বেশি কথা বলেননি এমেরি। কিন্তু পরিসংখ্যানই তার সাফল্যের গল্প বলছে। সেভিয়া ও ভিয়ারিয়ালের সাবেক এই কোচ ২০১৯ সালে আর্সেনাল থেকে বরখাস্ত হওয়ার পর আবার ইংল্যান্ডে ফিরে এসেছিলেন নিজেকে প্রমাণ করার লক্ষ্য নিয়ে।
১৮১ ম্যাচে ১০০ জয় তুলে নিয়ে তিনি ছাড়িয়ে গেছেন অ্যাস্টন ভিলার ইতিহাসের অন্যতম সফল কোচ রন সন্ডার্সকে। সন্ডার্স দায়িত্ব নেওয়ার চার মৌসুম পর, ১৯৭৭-৭৮ মৌসুমের শেষে গিয়ে ১০০ জয়ের মাইলফলকে পৌঁছেছিলেন।
সন্ডার্সই ভিলাকে পুরোনো দ্বিতীয় বিভাগ থেকে তুলে আনতে সাহায্য করেন। তার অধীনেই দলটি দুইবার লিগ কাপ জেতে এবং ১৯৮০-৮১ মৌসুমে ৭১ বছর পর শীর্ষ লিগের শিরোপা পায়। এরপর ১৯৮১-৮২ মৌসুমের শুরুতেও তিনি দায়িত্বে ছিলেন—যে মৌসুম শেষে ভিলা জেতে ইউরোপিয়ান কাপ।
জো মার্সার ১৯৫৮ থেকে ১৯৬৪ সালের মধ্যে দলকে আবার শীর্ষ লিগে তুলেছিলেন এবং একটি লিগ কাপ জিতিয়েছিলেন। তার ১১৯ জয়ের মধ্যে ১০০ জয় পেতে সময় লেগেছিল প্রায় সাড়ে চার বছর।
আরও আগে, যখন সাপ্তাহিক ব্যবস্থাপনা কমিটি দল নির্বাচন করত, তখন জর্জ রামসের ১০০ জয় পেতে লাগে ১৯০ ম্যাচ। আর ডব্লিউ জে স্মিথের লাগে ২০৫ ম্যাচ। সেখানে এমেরি মাত্র তিন বছর চার মাসেই ১০০ জয়ের মাইলফলকে পৌঁছেছেন। তার এই যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০২২ সালের নভেম্বরে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে ৩–১ গোলে হারানোর ম্যাচ দিয়ে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জিয়ান্নি ইনফান্তিনো রুদ্ধদ্বার বৈঠক। ঘণ্টাব্যাপী সেই মিটিংয়ের মূল এজেন্ডা— ইরান। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এবং তেলআবিব ও ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরানের চলমান যুদ্ধে চলাকালীন ইরানের খেলোয়াড়দের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ কীভাবে আরও সুসংহত করা যায়, তা নিয়েও কথা হচ্ছিল দুজনের। এক পর্যায়ে ফিফা প্রেসিডেন্টের আশার বাণী—বিশ্বকাপে ইরানের চলার পথে তার প্রশাসন বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।
ট্রাম্পের আশ্বাস কিংবা ইনফান্তিনোর দায়িত্বশীলতা—কিছুই মন গলানোর কারণ হয়ে দাঁড়ায়নি ইরানের। দেশটির ক্রীড়ামন্ত্রী রাষ্ট্রীয় প্রচার মাধ্যমে জানিয়ে দেন, যে দেশ তাদের নেতাকে হত্যা করে, শিশুদের ওপর বোমা বর্ষণ করে তাদের দেশে খেলতে যাবে না ইরান।
আহমাদ দোনিয়ামালির সে বিবৃতির আগে অবশ্য ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহেদি তাজও একই ইঙ্গিত দেন। তিনি জানিয়েছিলেন, যুদ্ধের মাঝে যুক্তরাষ্ট্র যাওয়াটা ইরানের ফুটবলারদের জন্য শঙ্কা। এর আগে ইরান নারী ফুটবল দলের পাঁচজনের অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয়গ্রহণকে হাইজ্যাকের সঙ্গে তুলনা করেন তিনি।
আরও পড়ুন
| চোটের মিছিল আরও দীর্ঘ হলো রিয়ালের |
|
৪৮ ঘণ্টার বক্তব্য, পাল্টা বক্তব্যের মাঝেই মুখ খুললেন স্বয়ং মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ২০২৬ বিশ্বকাপের ঠিক আগমুহূর্তে ইরানকে স্বেচ্ছায় নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের অংশগ্রহণকে তিনি ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন।
বৃহস্পতিবার রাতে নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ইরান জাতীয় ফুটবল দলকে বিশ্বকাপে স্বাগত। কিন্তু তাদের নিজেদের জীবন ও নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করলে সেখানে থাকা তাদের জন্য উপযুক্ত হবে বলে আমি সত্যিই মনে করি না।’
সূচি অনুযায়ী, বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘জি’-তে ইরান। যেখানে তাদের সঙ্গী বেলজিয়াম, মিসর ও নিউজিল্যান্ড। ইরানের তিনটি ম্যাচই হওয়ার কথা ছিল যুক্তরাষ্ট্রে—দুটি লস অ্যাঞ্জেলেসে ও একটি সিয়াটলে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র দুই দলই যদি নিজেদের গ্রুপে দ্বিতীয় হয়, তাহলে আগামী ৩ জুলাই শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে মুখোমুখি হওয়ার কথা তাদের। তার আগেই বিশ্বকাপ থেকে নিজেদের সরিয়ে নেয় ইরান।
ইরানের অনুপস্থিতিতে বিশ্বকাপে কপাল খুলে যেতে পারে ইরাক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে। র্যাঙ্কিং বিবেচনায় এই দুই দেশের যে কোনো একদল খেলবে ১১ জুন শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপে।

গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সুইডেন জাতীয় দলের দায়িত্ব নিয়েছিলেন গ্রাহাম পটার। তবে স্বল্পমেয়াদি চুক্তিতে দায়িত্ব নেওয়া এই ইংলিশ কোচের অধীনে এখন পর্যন্ত কোনো ম্যাচই জেতেনি সুইডেন। তবু তাঁর ওপরই আস্থা রাখল সুইডেন। বিশ্বকাপে প্লে অফে মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে পটারের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করল তারা।
২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত গ্রাহাম পটারের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়াল সুইডেন। সুইডিশ ফুটবল ফেডারেশনের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে পটার বলেন,
‘এই দায়িত্বে কাজ চালিয়ে যেতে পারা আমার জন্য অনেক বড় বিষয়। আমি একদিকে গর্ব অনুভব করছি, অন্যদিকে বড় দায়িত্বও অনুভব করছি। এটি আমার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন এবং সামনে এগিয়ে গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু করার অসাধারণ সুযোগ।’
গত বছরের সেপ্টেম্বরে ওয়েস্ট হ্যাম থেকে বরখাস্ত হওয়ার পর পটার পরবর্তী মাসে স্বল্পমেয়াদি চুক্তিতে সুইডেনের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পটারের অধীনে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে একটি ম্যাচও জিততে পারেনি সুইডেন, চার ম্যাচের তিনটিতে ও একটিতে ড্র করে তারা। বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে গ্রুপ ‘বি’তে পয়েন্ট টেবিলের তলানীতে থেকে শেষ করে সুইডেন। তবে ২০২৪-২৫ নেশন্স লিগে অবস্থানের কারণে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপে যাওয়ার সুযোগ এখনো আছে সুইডেনের।
আগামী ২৬ মার্চ প্লে-অফে ইউক্রেনের মুখোমুখি হবে সুইডেন। যদি পটারের দল সেই ম্যাচ জেতে, তবে তারা পোল্যান্ড বা আলবেনিয়ার সঙ্গে ফাইনালে খেলবে, এই ম্যাচ জিতলেই বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত হবে। বিশ্বকাপে সুইডেনের ভাগ্য যাই হোক না কেন, পটার ২০৩০ সালের বিশ্বকাপ চক্র শেষ হওয়া পর্যন্ত দায়িত্বে থাকবেন।
৫০ বছর বয়সী গ্রাহাম পটার এর আগে ওয়েস্ট হাম, চেলসি, ব্রাইটনের ডাগ-আউটের দায়িত্ব পালন করেছেন। গত সেপ্টেম্বরের শেষে প্রিমিয়ার লিগে বাজে শুরুর কারণে ওয়েস্ট হ্যাম তাকে বরখাস্ত করেছিল। এরপর অক্টোবরে সুইডেনে বরখাস্ত হওয়া ইয়োন ডাল তোমাসন-এর স্থলাভিষিক্ত হন তিনি।