
কোচিং ক্যারিয়ারের শুরুটা যেখানে, সেখানেই এবার ফিরেছেন বড় দায়িত্ব নিয়ে। জাবি আলোনসোর রিয়াল মাদ্রিদের কোচ হওয়া নানা কারণেই তার জন্য বড় এক পরীক্ষাই। অভিজ্ঞতার ঘাটতির সাথে রয়েছে শীর্ষ একটি ক্লাবের চাপের সাথে মানিয়ে নেওয়ার ব্যাপারটি। তবে সাবেক স্পেন মিডফিল্ডার বেশ আত্মবিশ্বাসী। রিয়ালের কোচ হিসেবে প্রথম সংবাদ সম্মেলনে জানালেন, একটা নতুন যুগের সূচনা দেখছেন তিনি।
২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত রিয়ালে খেলার সুবাদে ক্লাবের ব্যাপারে ভালো ধারণাই আছে আলোনসোর। খেলোয়াড়ি জীবনে কার্লো আনচেলত্তি, পেপ গার্দিওলার, রাফায়েল বেনিতেজ, ভিসেন্তে দেল বক্সের মাপের কোচদের অধীনে খেলায় ফুটবল নিয়ে তার ধারণা বেশ সমৃদ্ধ। লেভারকুসেনে আড়াই মৌসুমে বুন্দেসলিগা সহ তিন শিরোপা জয় ও দুর্দান্ত ফুটবলে জানান দিয়েছেন কোচ হিসেবে ভালো কিছুরই।
আরও পড়ুন
| আলোনসো অধ্যায় শেষে লেভারকুসেনের দায়িত্বে টেন হাগ |
|
তারই ধারায় রিয়ালে স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন আনচেলত্তির। সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি সাক্ষরের পর সংবাদ সম্মেলনে আলোনসো জানান তাত প্রতিক্রিয়া।
“আমার কাছে মনে হচ্ছে এটা একটা নতুন যুগের সূচনা হল। (রিয়াল সভাপতি) ফ্লোরেন্তিনো পেরেজকে আমার ওপর বিশ্বাস রাখার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আমি অনুভব করছি যে সমর্থক, মাদ্রিদিস্তারা এই নতুন যুগের শুরুটা নিয়ে রোমাঞ্চিত। আমরা সবাই মিলে এগিয়ে যাওয়ার জন্য এবং এই ক্লাবের ইতিহাসকে আরও সমৃদ্ধ করার জন্য প্রস্তুত।”
কোচ হিসেবে এখনও শুরুর দিকে থাকলেও আলোনসোকে ধরা হচ্ছে আধুনিক ফুটবলের অন্যতম সেরা কোচ হিসেবে। লেভারকুসেনকে ইতিহাস গড়ে বুন্দেসলিগা জেতানোর পাশাপাশি রয়েছে তার ধ্রুপদী কোচিং পদ্ধতি। তবে এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, রিয়ালের মত একটি দলে প্রথম দিন থেকেই তাকে মুখোমুখি হতে হবে ভীষণ চাপের। তার ওপর এই মৌসুমে রিয়াল পারেনি কোনো শিরোপা জিততে।
ক্লাবের জন্য সময়টা কিছুটা কঠিন হলেও আলোনসো এর মধ্যেও দেখছেন ইতিবাচক দিক।
“আমরা এমন একটা সময় এই অধ্যায়টা শুরু করছি, যেখানে আমি ক্লাব ও সমর্থকদের মধ্যে একতা দেখতে পাচ্ছি। আমাদের একটা দুর্দান্ত দল আছে, এখানে অসাধারণ সব খেলোয়াড় আছে, যাদের মাঝে অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। আর এটাই আমাকে অনেক প্রাণশক্তি ও উদ্দীপনা নিয়ে এখানে আসার জন্য প্রেরণা যুগিয়েছে। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, আগামীতে আমরা এমন কিছু অর্জন করতে পারব, যা রিয়াল মাদ্রিদের মত একটা ক্লাবের নামের পাশে থাকা উচিত।”
আলোনসো রিয়ালে থাকার সময়ে সতীর্থ হিসেবে পেয়েছিলেন লুকা মদ্রিচকে, যিনি সম্প্রতি দিয়েছেন ক্লাব ছাড়ার ঘোষণা। তবে তার আগে খেলবেন ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপে। ফলে একই দলে খেলা এই দুজন এবার কাজ করবেন পুরোপুরি ভিন্ন দুই ভূমিকায়।
আরও পড়ুন
| পিএসজি কামব্যাকের ম্যাচই মদ্রিচের কাছে রিয়ালের জার্সিতে সেরা |
|
ক্রোয়াট মিডফিল্ডারের প্রতি সম্মান আর ভালোবাসাই বরাদ্দ আলোনসোর কন্ঠে।
“আমি লুকাকে নিয়ে খুব একটা নিরপেক্ষ হতে পারছি না, কারণ আমরা একসময় সতীর্থ ছিলাম। সে যখন দলে আসে, তখন আমাদের মধ্যে দারুণ একটা বোঝাপড়া তৈরি হয়েছিল। সে একজন কিংবদন্তি। ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপে তাকে কোচিং করানো হবে আমার জন্য একটা সৌভাগ্যের ব্যাপার।”
রিয়ালের তারকায় ঠাসা স্কোয়াডে আলোনসো পাবেন সময়ের অন্যতম সেরা তিন ফুটবলার কিলিয়ান এমবাপে, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও জুড বেলিংহামদের। সবার কাছ থেকে সেরাটা বের করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন স্প্যানিশ এই কোচ।
“দলে এমন মানসম্পন্ন খেলোয়াড় থাকা একটা বড় আশীর্বাদ। শুধু কিলিয়ান বা ভিনিসিয়ুস নয়, আরও অনেকেই আছে যারা পার্থক্য গড়ে দেয়। আমাদের তাদের সর্বোচ্চটা আদায় করে নিতে হবে। তার (বেলিংহাম) বয়স মাত্র ২১, সে এই ক্লাবের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমি তাকে একজন মিডফিল্ডার হিসেবেই দেখি। আমরা তাকে যতটা সম্ভব কার্যকর করে তোলার চেষ্টা করব।”
No posts available.
১৮ মার্চ ২০২৬, ১০:৪০ এম
১৮ মার্চ ২০২৬, ১০:৩২ এম

ডেকলান রাইসকে তাঁর আর্সেনাল সতীর্থরা ডাকেন ‘দ্য হর্স’ নামে। বায়ার লেভারকুসেনের বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচেও তিনি আবার প্রমাণ করেছেন, কেন এই ডাকনাম তাঁর প্রাপ্য।
মঙ্গলবার রাতে চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর ফাইনাল লেগের জয়ে জার্মান জায়ান্টদের মোট এগ্রিগেটে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়েছে আর্সেনাল। দুই গোলের একটি করেন এবেরেচি এজে, অন্যটি রাইস।
পুরো মৌসুমজুড়েই আর্সেনালের হয়ে ডেকলান রাইস খেলছেন অবিশ্বাস্য ধারাবাহিকতায়। ৯০ মিনিটজুড়ে নিরলস পরিশ্রেই যার পারফরম্যান্সের মূল বৈশিষ্ট্য। চারটি ভিন্ন প্রতিযোগিতায় শিরোপার লড়াইয়ে দারুণভাবে টিকে আছে আর্সেনাল। প্রায় প্রতি ৩ দিন পর পরই এমন পারফরম্যান্স দিয়ে যাচ্ছেন ২৭ বছর বয়সি মিডফিল্ডার।
আরও পড়ুন
| ফুটবল লিগ খেলতে নেপাল গেলেন সানজিদা |
|
মঙ্গলবার রাতে দারুণ এক কার্লিং শটে বল জালে জড়ান রাইস। এটি ছিল আর্সেনালের দ্বিতীয় গোল। এতে করে দুই লেগ মিলিয়ে দলটি দুই গোলের লিড পায়। ম্যাচ শেষ হতে তখনও বাকি প্রায় ৩০ মিনিট। এই লিডের কারণে একাধিক খেলোয়াড় তুলে নেন কোচ মিকেল আর্তেতা। সামনে ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে কারাবাও কাপের ফাইনাল রয়েছে গানারদের। কিন্তু ইংলিশ তারকা রাইস খেলেছে ঠিকই পুরো ৯০ মিনিট।
এই মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে আর্সেনালের আউটফিল্ড খেলোয়াড়দের মধ্যে তৃতীয় সর্বোচ্চ মিনিট খেলেছেন রাইস। তাঁর চেয়ে বেশি খেলেছেন মিডফিল্ড সঙ্গী মার্টিন জুবিমেন্ডি এবং বর্তমানে ইনজুরিতে থাকা জুরিয়েন টিম্বার। এখন পর্যন্ত মৌসুমে আর্সেনালের খেলা ৪৩ ম্যাচের মধ্যে ৩৭টিতেই একাদশে ছিলেন ২০১৬ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ওয়েস্টহ্যামে খেলা রাইস।
লেভারকুসেনের বিপক্ষে রাইসের গোলটি ছিল এই মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে পঞ্চম। পাশাপাশি তাঁর অ্যাসিস্ট সংখ্যা ১১। বিশেষ করে কর্নার থেকে তাঁর নিখুঁত ডেলিভারি আর্সেনালের বড় অস্ত্র হয়ে উঠেছে। এই মৌসুমে সেট পিস থেকে যে কারণে বেশ কিছু গোল পেয়েছে লন্ডনের ক্লাবটি।
ম্যাচ শেষে টিএনটি স্পোর্টসকে রাইস বলেন, ‘আমি একেবারে ক্লান্ত। এটা যেন থামছেই না। অক্টোবর থেকে আমরা প্রতি ৩ দিন পরপর ম্যাচ খেলছি। কারণ এখনো সব প্রতিযোগিতাতেই আছি। আমরা যতটা পারি মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করি, কিন্তু এটা কঠিন। তবুও জয়ের পথ খুঁজে নিই। সবাই জানতে চায়, আমি এতো শক্তি কোথা থেকে পাই। কিন্তু আমি যেন হঠাৎ করেই আরেকটা এনার্জি পেয়ে যাই।’
আরও পড়ুন
| চেলসিকে হারিয়ে শেষ আটে পিএসজি |
|
গত মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে দুটি অসাধারণ ফ্রি-কিক গোল করেছিলেন রাইস। লেভারকুসেনের বিপক্ষে তাঁর মঙ্গলবার রাতের গোলটিও এসেছে বক্সের বাইরে থেকে। গানারদের জার্সিতে তাঁর ২১ গোলের মধ্যে ৮টিই এসেছে বক্সের বাইরে থেকে। যার মধ্যে চ্যাম্পিয়নস লিগে করা শেষ তিনটি গোলও রয়েছে।
নিজের সবশেষ গোল নিয়ে রাইস বলেন, ‘আমি তার (ডিফেন্ডারের) সামনে ঢুকে পড়েছিলাম। প্রথম টাচটাই আমাকে সেটআপ করে দেয়। অন্য কোনো অপশন ছিল না, তাই শট নিয়েছি। শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে, ট্যাকল করতে, বল জিততে— এই শক্তিটা ভেতর থেকেই খুঁজে নিতে হয়।’

নেপালের নারী ফুটবল লিগ খেলতে গেছেন বাংলাদেশের সানজিদা আক্তার। সেখানে ললিতপুরের ক্লাব জাপা এফসির হয়ে মাঠ মাতাবেন বাংলাদেশের এই উইঙ্গার। মঙ্গলবার নেপালে পৌঁছেছেন দুটি সাফজয়ী এই ফুটবলার।
এর আগে ভারত ও ভুটানের নারী ফুটবল লিগে খেলেছেন সানজিদা। ভারতের ইস্টবেঙ্গলের প্রথম বিদেশি নারী ফুটবলার হিসেবে খেলে ইতিহাস গড়েছিলেন তিনি। এবার বাংলাদেশের প্রথম নারী ফুটবলার হিসেবে সানজিদা সুযোগ পেলেন নেপাল লিগে।
নেপালের লিগে সাফল্য পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী সানজিদা বলেন, ‘আশা করি ভালো পারফরম্যান্স করে দলকে সাফল্য এনে দিতে পারব। ভুটান ও ভারতের লিগে খেলেছি। নেপালের লিগে খেলার এই প্রথম অভিজ্ঞতা হবে।'
সবশেষ বাংলাদেশ নারী ফুটবল লিগে পুলিশ এফসির হেয়ে খেলেন সানজিদা। তার ভুটানের লিগ খেলে আসেন এই উইঙ্গার। এবার নেপালে পারিশ্রমিক ভুটান লিগ থেকে বেশি বলে জানান তিনি।

ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প লেখা তো হলোই না, উল্টো আরেকবার লজ্জার পরাজয় মেনে নিতে হলো চেলসিকে। চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর দুই লেগে পিএসজির (প্যারিস সেন্ট জার্মেই) কাছে হেরে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নিল ব্লুজরা।
স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে মঙ্গলবার রাতে চেলসিকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে পিএসজি। প্রথম লেগে চেলসির পরাজয় ছিল ৫-২ গোলের। দুই লেগ মিলিয়ে ৮-২ ব্যবধানে ফরাসি ক্লাবটির কাছে হেরেছে লিয়াম রোসেনিয়রের দল।
আরও পড়ুন
| নেইমারকে দলে নিতেই হবে, কোনো বিতর্ক নেই, বলছেন সিলভা |
|
এদিন ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে খিচিভা কাভারেৎস্খেলিয়ার গোলে লিড নেয় পিএসজি। ৯ মিনিট পর ব্রাডলি বারকোলার গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে অতিথিরা। আর ৬২ মিনিটে চেলসির কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেন সেনি মায়ুলু।
ঘুরে দাঁড়াতে ইতিবাচক মনোভাব নিয়েই মাঠে নামে চেলসি। প্রতিপক্ষের জাল কাঁপাতে শুরু থেকে মরিয়া হয়ে ওঠে দলটি। তবে বল পজেশন ধরে রেখে খেলার শুরুর খানিক পরই চেলসি শিবিরে বড় আঘাত হানে পিএসজি। ব্যবধান আরও বাড়লেও দমে যায়নি ব্লুজরা। ম্যাচে মোট ১৮টি শট নেয় তারা। যার মধ্যে ৯টি ছিল অন টার্গেটে। কিন্তু মোট ৮ শটের ৫টি লক্ষ্যে রেখে তিন গোল আদায় করে নেয় অতিথিরা। আর বিফলে যায় চেলসির মোট ১৮ শট।
শেষ আটে শিরোপাধারী পিএসজি খেলবে তুরস্কের ক্লাব গালাতাসারাই কিংবা লিভারপুলের বিপক্ষে। আজ রাতে দ্বিতীয় লেগে অ্যানফিল্ডে মুখোমুখি হবে দুই দল। শেষ ষোলোর প্রথম লেগে তুরস্ক থেকে ১-০ গোলে হেরে আসে অল রেডরা।

চ্যাম্পিয়নস লিগে ঐতিহাসিক যাত্রা থামলো বোদো/গ্লিমটের। নরওয়ের ক্লাবটির রূপকথা থামিয়ে প্রতিযোগিতার শেষ আটে উঠেছে পর্তুগিজ ক্লাব স্পোর্টিং লিসবন।
শেষ ষোলোর ম্যাচে মঙ্গলবার রাতে বোদো/গ্লিমটকে দ্বিতীয় লেগে ৫-০ গোলের বড় ব্যবধানে হরিয়েছে স্পোর্টিং লিসবন। কেউ-ই একের অধিক গোল পাননি, দলীয় প্রচেষ্টাতেই নরওয়ের ক্লাবটিকে বিধ্বস্ত করেছে তারা। প্রথমার্ধে এক গোলের পর দ্বিতীয়ার্ধে হয়েছে আরও ২ গোল। দুই লেগ মিলে ম্যাচ যখন ৩-৩ সমতায়, খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানে আরও দুই গোল হজম করে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নেয় বোদো/গ্লিমট।
বোদো/গ্লিমট এই মৌসুমে তাদের দেশ থেকে অভিষেকে নকআউট পর্যায়ে ওঠা প্রথম দল। প্লে‑অফে গতবারের ফাইনালিস্ট ইন্টার মিলানকে হারায় তারা। পরের রাউন্ডে যাওয়ার আশা জেগেছিল যখন ঘরের মাঠে ক্লাবটি স্পোর্টিং লিসবনকে উড়িয়ে দেয় ৩-০ গোলে। কিন্তু বড় ব্যবধানে হেরে আসা সেই দলটিই এদিন নিজেদের ঘরের মাঠে নাস্তানাবুদ করে ছাড়ে নরওয়েজিয়ানদের।

২০২৫ সালের আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে মরক্কোকে। দুই মাস আগে এই আসরের চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল সেনেগাল। এবার ফল পাল্টে মরক্কোকে শিরোপা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কনফেডারেশন অব আফ্রিকান ফুটবল (সিএএফ)। বাংলাদেশ সময় বুধবার ভোরে এমন সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
গত ১৮ জানুয়ারি ফাইনালে মরক্কোকে ১-০ গোলে পরাজিত করে সেনেগাল। ঘটনাবহুল সেই ফাইনালের যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে পেনাল্টি পায় মরক্কো। এরপর প্রায় ১৭ মিনিটের বিলম্ব। পেনাল্টির প্রতিবাদে মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যান সেনেগালের ফুটবলাররা। পরে তারা মাঠে ফিরে এলেও পেনাল্টি মিস করেন ব্রাহিম দিয়াজ।
এরপর অতিরিক্ত সময়ে সেনেগালের পেপ গুইয়ের গোলে চ্যাম্পিয়ন হয় সেনেগাল। তবে দুই মাস পরে এসে আফ্রিকার ফুটবলের শাসক সংস্থা এখন সেই ফলাফল পাল্টে দিয়েছে। সিএএফ এর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, ‘সেনেগাল ‘ফাইনাল ম্যাচটি বাতিল’ ঘোষণা করেছে এবং ফাইনালের ফলাফল মরক্কোর পক্ষে ৩-০ রেকর্ড করা হলো।’