
জাভি সিমন্সের মৌসুমটা যেন এক মুহূর্তেই থমকে গেল। হাঁটুর গুরুতর চোটে শুধু ক্লাব ফুটবলই নয়, সামনের বিশ্বকাপ থেকেও ছিটকে গেছেন নেদারল্যান্ডসের এই তরুণ মিডফিল্ডার।
শনিবার টটেনহ্যাম হটস্পারের হয়ে ওলভসের বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচে ৬৩ মিনিটে স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়তে হয় সিমন্সকে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ডান হাঁটুর অ্যান্টেরিয়র ক্রুশিয়েট লিগামেন্ট (এসিএল) ছিঁড়ে গেছে। যা দীর্ঘ সময়ের জন্য তাকে মাঠের বাইরে রাখবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে রোববার আবেগঘন বার্তায় ২৩ বছর বয়সী এই ডাচ তারকা নিজের হতাশা প্রকাশ করেছেন।
“জীবন কখনও কখনও নিষ্ঠুর হয়। আজ সেটাই অনুভব করছি। আমার মৌসুম হঠাৎ করেই শেষ হয়ে গেছে… এখনও বিষয়টা মেনে নেওয়ার চেষ্টা করছি। সত্যি বলতে, আমি ভেঙে পড়েছি।”
আরও পড়ুন
| রাফিনিয়াকে বারবার মাঠ থেকে তুলে নেওয়ার ব্যখ্যা দিলেন জাভি |
|
বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ার হতাশাও লুকাননি সিমন্স।
“দলের জন্য লড়াই করতে চেয়েছিলাম সবসময়। কিন্তু সেই সুযোগটাই এখন কেড়ে নেওয়া হয়েছে… সঙ্গে বিশ্বকাপও। দেশের প্রতিনিধিত্ব করার স্বপ্ন, এই গ্রীষ্মে... শেষ হয়ে গেল।”
রোনাল্ড কোম্যানের দলে সিমন্স ছিলেন গুরুত্বপূর্ণ এক সদস্য। ২০২২ বিশ্বকাপে অভিষেকের পর এখন পর্যন্ত ৩৪টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন তিনি। মার্চে প্রীতি ম্যাচেও ছিলেন একাদশে।
এই চোট টটেনহ্যামের জন্যও বড় ধাক্কা। এমনিতেই কঠিন মৌসুম কাটাচ্ছে উত্তর লন্ডনের ক্লাবটি। প্রিমিয়ার লিগের পয়েন্ট তালিকায় বর্তমানে ১৮তম স্থানে আছে তারা, অবনমন অঞ্চল থেকে মাত্র দুই পয়েন্ট দূরে।
মৌসুমের এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সিমন্সের অনুপস্থিতি টটেনহামের টিকে থাকার লড়াইকে আরও কঠিন করে তুলবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
No posts available.
২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১:৫৫ পিএম
২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৪৮ পিএম

লিডস ইউনাইটেডের বিপক্ষে এফএ কাপের সেমিফাইনালে চেলসিকে জেতানোর মূল কারিগর ছিলেন এনজো ফার্নান্দেজ। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে গোল করে দলকে জেতানো এই আর্জেন্টাইন তারকার এখন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। গতকাল ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে এবং জয়সূচক গোলটি করেন এনজো।
কয়েকদিন আগেই রিয়াল মাদ্রিদের প্রশংসা করায় এনজোকে দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ করেছিল চেলসি ক্লাব কর্তৃপক্ষ। মাঠে ফিরেই অসাধারণ গোলে কড়া জবাব দিয়েছেন আর্জেন্টাইন তারকা।
আরও পড়ুন
| অনুশীলনে নেই নেইমার, সান্তোসে চাপা আতঙ্ক |
|
দলের নিয়মিত অধিনায়ক রিস জেমসের অনুপস্থিতিতে আর্মব্যান্ড ছিল এনজোর হাতে। চেলসির মাঝমাঠে ময়েসেস কাইসেদো ও রোমিও লাভিয়ার কিছুটা ওপরে আক্রমণাত্মক ভূমিকায় খেলছিলেন তিনি। নিজের নতুন এই পজিশনে কতটা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারেন, তা ম্যাচের একমাত্র গোলটি করার মাধ্যমেই স্পষ্ট হয়েছে। এ মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এটি তাঁর ১৩তম গোল।
ম্যাচ শেষে চেলসির অন্তর্বর্তীকালীন কোচ ক্যালাম ম্যাকফারলেন প্রশংসায় ভাসালেন শিষ্য এনজোকে, ‘এনজো একজন জাত বিজয়ী। তার মধ্যে ফুটবলের দারুণ প্রতিভা ও লড়াকু মানসিকতা রয়েছে। সে দলের জন্য বিশাল এক শক্তি। তার সবচেয়ে বড় গুণ হলো, সে সব ধরনের কাজ করতে পারে। যখন খেলা কঠিন হয়ে পড়ে, তখন তার ভেতরের লড়াইটা দেখা যায়।’
মাঠের কৌশল নিয়ে ম্যাকফারলেন বলেন, ‘আমরা এনজোর গোল করার সক্ষমতার ওপর অনেক ভরসা করি। গত কয়েক বছরে সে বিভিন্ন পজিশনে খেলেছে। কখনও নিচে নেমে খেলা নিয়ন্ত্রণ করেছে, আবার কখনও আক্রমণভাগে। সে বক্সের ভেতর প্রতিপক্ষের জন্য সবসময়ই ত্রাস। বিশেষ করে ডান দিক থেকে আক্রমণ এলে তার সঠিক সময়ে বক্সে ঢুকে পড়া এবং নিখুঁত হেডিং কৌশল সত্যিই অসাধারণ।’
ম্যাচ সেরা হওয়া এনজোর প্রশংসা করার পাশাপাশি কোচ রক্ষণভাগ নিয়ে নিজের কঠিন সিদ্ধান্তের কথাও জানান। জোরেল হাটো ফর্মে থাকা সত্ত্বেও অভিজ্ঞ তোসিন আদাবায়োকে কেন খেলানো হলো—এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘এটি আমার জন্য অন্যতম কঠিন সিদ্ধান্ত ছিল। হাটো গত কয়েকটি ম্যাচে সেরা খেলেছে, কিন্তু প্রতিপক্ষের আকাশপথের আক্রমণ ও সেট পিস সামলানোর জন্য তোসিনই ছিল সেরা পছন্দ। সে একজন দারুণ নেতা।’
লিডস ইউনাইটেডকে হারিয়ে চেলসি এখন এফএ কাপের শিরোপার খুব কাছে। আগামী ১৬ মে ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে শিরোপা লাড়াইয়ে মাঠে নামবে ব্লুজরা।

হুয়েস্কার বিপক্ষে ডার্বি ম্যাচে লাল কার্ড দেখার পর প্রতিপক্ষ অধিনায়কের মুখে সজোরে ঘুষি মারেন রিয়াল সারাগোসার এই আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক। স্প্যানিশ ফুটবলে এই ঘটনাকে 'নজিরবিহীন' হিসেবে দেখা হচ্ছে।
স্প্যানিশ ফুটবলে এক দুর্ঘটনার ঘটালেন রিয়াল সারাগোসার গোলরক্ষক এস্তেবান আন্দ্রাদা। গতকাল হুয়েস্কার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ডার্বি ম্যাচে মেজাজ হারিয়ে প্রতিপক্ষ অধিনায়ক হোর্হে পুলিদোর মুখে সরাসরি ঘুষি মেরে বসেন এই আর্জেন্টাইন। এই ঘটনার পর আন্দ্রাদাকে এখন দীর্ঘমেয়াদী ও ঐতিহাসিক নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগের এই ম্যাচটি অবনমন এড়ানোর লড়াইয়ের কারণে আগে থেকেই ছিল টানটান উত্তেজনা। খেলার প্রথমার্ধে পেনাল্টি ঠেকিয়ে সারাগোসাকে লড়াইয়ে রেখেছিলেন বোকা জুনিয়র্সের সাবেক এই ফুটবলার। তবে ম্যাচের শেষ দিকে নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি। দলের ১-০ গোলে পিছিয়ে থাকার মুহূর্তে হুয়েস্কার এক ডিফেন্ডারকে ধাক্কা দেওয়ায় দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় তাঁকে। কিন্তু নাটকীয়তা তখনো বাকি ছিল।
আরও পড়ুন
| ঘুষি মেরে লাল কার্ড পেলেন দুই দলের গোলকিপার |
|
মাঠ ছাড়ার আগে হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে আন্দ্রাদা তেড়ে যান হুয়েস্কা অধিনায়ক পুলিদোর দিকে, তাঁর মুখে সজোরে আঘাত করেন। এই ঘটনায় মাঠের ভেতর দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। আন্দ্রাদার ঘুষিতে পুলিদোর মুখ ফুলে যায়, আঘাতটি বেশ গুরুতর ছিল বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন।
এই ঘটনার পর চারদিকে বইছে সমালোচনার ঝড়। রিয়াল সারাগোসার অধিনায়ক ফ্রাঞ্চো সেরানো ক্লাবের পক্ষ থেকে ক্ষমা চেয়ে বলেছেন, ‘সারাগোসা এই ধরনের আচরণ সমর্থন করে না। যা ঘটেছে তার জন্য আমরা লজ্জিত।’ সারাগোসা কোচ ডেভিড নাভারোও এই ঘটনায় চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
এদিকে জনরোষের মুখে পড়ে মুখ খুলেছেন খোদ আন্দ্রাদা। নিজের কাজের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘যা ঘটেছে তার জন্য আমি গভীরভাবে অনুতপ্ত। এটি ক্লাবের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে। পেশাদার খেলোয়াড় হিসেবে আমার এমনটা করা উচিত হয়নি।’ নিজের ক্যারিয়ারের উদাহরণ টেনে তিনি দাবি করেন, এর আগে তিনি কখনোই এমন উগ্র আচরণ করেননি। স্রেফ মুহূর্তের উত্তেজনায় তিনি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিলেন।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমগুলোর গুঞ্জন, সারাগোসা কর্তৃপক্ষ হয়তো এই মৌসুমের বাকি ম্যাচগুলোতে আন্দ্রাদাকে আর মাঠে নামাবে না, এমনকি তার সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়টিও বাতিল হতে পারে। লিগ কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার প্রেক্ষিতে আন্দ্রাদাকে বড় ধরনের আর্থিক জরিমানা ও লম্বা সময়ের জন্য নিষিদ্ধ করতে পারে। ফুটবল বিশ্বে একজন পেশাদার খেলোয়াড়ের এমন আচরণকে কোনোভাবেই সহজভাবে নিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ।

কোপা সুদামেরিকানার গ্রুপ পর্বের ড্র হওয়ার পর থেকেই সান লরেঞ্জোর সমর্থকেরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন নেইমারের সান্তোসের বিপক্ষে নিজেদের মাঠে খেলার জন্য। আগামী পরশু
গ্রুপ পর্বের তৃতীয় ম্যাচে ব্রাজিলের
ক্লাবটির মুখোমুখি হবে লরেঞ্জো। তবে ২০১১ সালের লিবার্তোদোরেস জয়ী তারকা নেইমার ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দলের শেষ অনুশীলন সেশনে উপস্থিত না থাকায় কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে ভক্তদের।
এর আগে রিকোলার বিপক্ষে ড্র, দেপোর্তিভো কুয়েনকাকে ২-০ গোলে হারিয়ে
বেশ আত্মবিশ্বাসী সান লরেঞ্জো। গ্রুপ পর্বে মাত্র ১ পয়েন্ট নিয়ে বেশ চাপে আছে সান্তোস। ব্রাজিলের লিগে ১৭ নম্বরে থাকা দলটির জন্য এই ম্যাচটি ঘুরে দাঁড়ানোর বড় সুযোগ।
দলের অনুশীলনে অংশ নিতে পারেননি নেইমার। শুরুতে তাঁর অনুপস্থিতির কারণ গোপন রাখা হলেও ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, তিনি ভাইরাল ইনফেকশনে ভুগছেন। তবে স্বস্তির খবর হলো, সান্তোস কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, দলের এই প্রাণভোমরা বাকি খেলোয়াড়দের সঙ্গে আর্জেন্টিনা সফরে যাচ্ছেন।
৩৪ বছর বয়সী
নেইমার ক্যারিয়ারের এক কঠিন সময় পার করছেন। শৈশবের ক্লাবে ফিরলেও মাঠের লড়াইয়ে সান্তোসের অবস্থা খুব একটা সুবিধাজনক নয়। ২০২৫ সালে কোনোমতে অবনমন এড়িয়ে ফেরা দলটি এবারও অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
শারীরিক অসুস্থতা নেইমারের জন্য পুরনো সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে, বিশেষ করে যখন ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপটি খুব কাছে। ব্রাজিল দলের দায়িত্বে থাকা আনচেলত্তি বিভিন্ন সময়ে নেইমারের দলে ফেরা নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, নেইমার যদি শারীরিক ও মানসিকভাবে ফিট থাকেন, তবে তাঁকে অবশ্যই দলে বিবেচনা করা হবে।

সামনে ব্যস্ত সূচি। ঘরোয়া ট্রেবল জেতার দৌড়ে ১৯ দিনের মধ্যে খেলতে হবে ৬টি ম্যাচ। তাই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোর আগে দলের ফুটবলারদের অপ্রত্যাশিত এক স্বাধীনতাই দিলেন পেপ গার্দিওলা। স্কোয়াডের ফুটবলারদের যেখানে খুশি ঘুরে আসার অনুমতি দিলেন ম্যানচেস্টার সিটি কোচ।
তবে শর্তও বেঁধে দিয়েছেন একটি- বুধবার বিকেলের মধ্যে সবাইকে ফিরতে হবে দলের অনুশীলনে।
লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে শনিবার সাউদাম্পটনকে হারিয়ে এফএ কাপের ফাইনালে উঠেছে ম্যান সিটি। এখন তাদের হাতে আট দিনের বিরতি। আগামী ৪ মে বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় এভারটনের বিপক্ষে প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ খেলবে তারা।
সব মিলিয়ে প্রিমিয়ার লিগে ম্যান সিটির বাকি রয়েছে ৫টি ম্যাচ। শিরোপা জেতার জন্য সবগুলো ম্যাচেই জিততে হবে তাদের। এসব ম্যাচের মাঝে আবার ১৬ মে এফএ কাপের ফাইনালে চেলসির মুখোমুখি হবে গার্দিওলার শিষ্যরা।
আরও পড়ুন
| লিগামেন্ট ছিঁড়ে বিশ্বকাপ শেষ ডাচ মিডফিল্ডারের |
|
ব্যস্ত এই সূচি শুরুর আগে ৮ দিনের ফাঁকা সময়টাকে বিশ্রামের শেষ সুযোগ হিসেবে দেখছেন গার্দিওলা। যেখানে খেলোয়াড়রা শারীরিক ও মানসিকভাবে নিজেদের রিফ্রেশ করতে পারবে। তার মতে, বেশি অনুশীলন নয়, ম্যাচের দিনে সতেজ থাকাটাই আসল।
“আমাদের হাতে ৮ দিন সময় আছে। এর মধ্যে ওরা যা খুশি করতে পারে। যদি কোথাও ঘুরতে যেতে চায়, সেটারও পুরো স্বাধীনতা আছে। শুধু শর্ত একটাই- বুধবার বিকেলের মধ্যে ট্রেনিংয়ে ফিরতে হবে। এই দেশে এসে আমি একটা জিনিস শিখেছি, যত বেশি ছুটি পায়, দল তত ভালো খেলে।”
“অনেকে মনে করেন, যত বেশি অনুশীলন, তত ভালো পারফরম্যান্স। আমি একদম উল্টো বিশ্বাস করি। অনুশীলন অবশ্যই দরকার, তবে ম্যাচের সময় সতেজ থাকাটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। শুরুর দিকে আমি অনেক বেশি ট্রেনিং করাতাম, কিন্তু এখন আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে বাসায় থাকা ও পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো।”
প্রিমিয়ার লিগে এখন পর্যন্ত ৩৩ ম্যাচে ৭০ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে আছে ম্যান সিটি। ৩৪ ম্যাচে ৭৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আর্সেনাল। তাই শিরোপা জিততে নিজেদের শেষ ৫ ম্যাচ জেতার পাশাপাশি আর্সেনালের পরাজয়ের অপেক্ষাও করতে হবে সিটিজেনদের।

স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগ সেগুন্ডা ডিভিশনে রোববারের ডার্বি ম্যাচ পরিণত হলো বিশৃঙ্খলার এক কদর্য প্রদর্শনীতে। রিয়াল জারাগোজা ও এসডি হুয়েসকার মধ্যকার লড়াই শেষ মুহূর্তে গিয়ে গড়ায় হাতাহাতিতে, যেখানে একাধিক লাল কার্ডে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ম্যাচ।
ম্যাচের অতিরিক্ত যোগ করা সময়ের আট মিনিটে আচমকাই নিয়ন্ত্রণ হারান জারাগোজার গোলরক্ষক এস্তেবান আন্দ্রাদা। খেলার পরিস্থিতি উপেক্ষা করে তিনি এগিয়ে গিয়ে হুয়েসকা অধিনায়ক হোর্হে পুলিদোর মুখে ঘুষি মেরে বসে।
সেই ঘটনা কেন্দ্র করে মুহূর্তের মধ্যে শুরু হয় দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও মারামারি। এই পরিস্থিতি আরও খারাপ হয় যখন হুয়েসকার গোলরক্ষক দানি জিমেনেজ পাল্টা ঘুষি মেরে বসেন আন্দ্রাদাকে।
পুরো ঘটনায় ভিএআর রিভিউয়ের পর আন্দ্রাদা ও জিমেনের পাশাপাশি জারাগোজার ডানি তাসেন্দেও লাল কার্ড দেখেন।
আরও পড়ুন
| প্রথমবার টেস্ট দলে তামিম-অমিত |
|
উত্তেজনায় ভরা ম্যাচটি এমনিতেই ছিল অবনমন লড়াইয়ের চাপের মধ্যে। শেষ পর্যন্ত অস্কার সিয়েলভার একমাত্র গোলে জয় পায় হুয়েসকা। এই জয়ে তাদের পয়েন্ট দাঁড়ায় ৩৬ আর লিগ টেবিলে উঠে আসে ১৯তম স্থানে। অন্যদিকে ৩৫ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়ে যায় জারাগোজা।
ম্যাচ শেষে হুয়েস্কা কোচ হোসে লুইস অলত্রা ঘটনার কোনো সাফাই দেননি। বরং হতাশা প্রকাশ করে করেন তিনি।
“এটা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ হারানোর মতো ঘটনা। পরিস্থিতি বোঝা যায়, কিন্তু এমন আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটা থামানোর উপায়ও খুঁজে পাওয়া কঠিন।”
“এটা খুবই কদর্য দৃশ্য। আজকে আরাগোনীয় ফুটবলের উদযাপন হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু মানুষ এখন শুধু এই ঘটনাই মনে রাখবে।”
উত্তেজনার আগুনে পুড়ে যাওয়া এই ম্যাচ এখন শাস্তিমূলক ব্যবস্থার দিকেই নজর কাড়ছে- বিশেষ করে আন্দ্রাদার আচরণ বড় ধরনের নিষেধাজ্ঞা ডেকে আনতে পারে।